মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মোজা মাসেহ-এর নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাক দিয়ে রক্ত ঝরা ও বমি সম্পর্কীয় বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب رعف وهو يصلي فأتى حجرة أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فأتي بوضوء فتوضأ ثم رجع فبنى على ما قد صلى.
ইয়াযিদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কুসাইত লাইসী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছেন, তিনি যখন নামায আদায় করতেছিলেন তখন তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বের হল। তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্মী উম্মু সালমার ঘরে এলেন। তাঁর জন্য পানি আনা হল, তিনি ওযূ করলেন, তারপর ফিরে গেলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তা আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াযিদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কুসাইত লাইসী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছেন, তিনি যখন নামায আদায় করতেছিলেন তখন তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বের হল। তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্মী উম্মু সালমার ঘরে এলেন। তাঁর জন্য পানি আনা হল, তিনি ওযূ করলেন, তারপর ফিরে গেলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তা আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب رعف وهو يصلي فأتى حجرة أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فأتي بوضوء فتوضأ ثم رجع فبنى على ما قد صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا رعف انصرف فتوضأ ثم رجع فبنى ولم يتكلم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নাক দিয়ে রক্ত বের হত, তখন তিনি নামায হতে ফিরে যেতেন। অতঃপর ওযূ করতেন এবং পুনরায় এসে অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নাক দিয়ে রক্ত বের হত, তখন তিনি নামায হতে ফিরে যেতেন। অতঃপর ওযূ করতেন এবং পুনরায় এসে অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا رعف انصرف فتوضأ ثم رجع فبنى ولم يتكلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يرعف فيخرج فيغسل الدم عنه ثم يرجع فيبني على ما قد صلى.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হলে তিনি বের হতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করে নামায যতটুকু আদায় করেছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হলে তিনি বের হতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করে নামায যতটুকু আদায় করেছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يرعف فيخرج فيغسل الدم عنه ثم يرجع فيبني على ما قد صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হলে কি করতে হয় তার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أنه قال رأيت سعيد بن المسيب يرعف فيخرج منه الدم حتى تختضب أصابعه من الدم الذي يخرج من أنفه ثم يصلي ولا يتوضأ.
আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছি। নাকসীরের কারণে তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি তাঁর নাক হতে বের হওয়া রক্তের দ্বারা তাঁর আঙ্গুল রঞ্জিত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি নামায আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছি। নাকসীরের কারণে তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি তাঁর নাক হতে বের হওয়া রক্তের দ্বারা তাঁর আঙ্গুল রঞ্জিত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি নামায আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أنه قال رأيت سعيد بن المسيب يرعف فيخرج منه الدم حتى تختضب أصابعه من الدم الذي يخرج من أنفه ثم يصلي ولا يتوضأ.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه رأى سالم بن عبد الله يخرج من أنفه الدم حتى تختضب أصابعه ثم يفتله ثم يصلي ولا يتوضأ.
আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে দেখেছেন, তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাঁর আঙুলসমূহ লাল হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়ালেন, তারপর নামায আদায় করলেন, অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে দেখেছেন, তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাঁর আঙুলসমূহ লাল হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়ালেন, তারপর নামায আদায় করলেন, অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه رأى سالم بن عبد الله يخرج من أنفه الدم حتى تختضب أصابعه ثم يفتله ثم يصلي ولا يتوضأ.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জখম অথবা নাক হতে প্রবাহিত রক্ত প্রবল হলে কি করতে হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب قال، ما ترون فيمن غلبه الدم من رعاف فلم ينقطع عنه قال مالك قال يحيى بن سعيد ثم قال سعيد بن المسيب أرى أن يومئ برأسه إيماء قال يحيى قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, নাকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হয়েছে এবং তার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নি সে ব্যক্তি প্রসঙ্গে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, অতঃপর সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) বললেন, আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে আমি যা কিছু শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, নাকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হয়েছে এবং তার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নি সে ব্যক্তি প্রসঙ্গে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, অতঃপর সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) বললেন, আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে আমি যা কিছু শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب قال، ما ترون فيمن غلبه الدم من رعاف فلم ينقطع عنه قال مالك قال يحيى بن سعيد ثم قال سعيد بن المسيب أرى أن يومئ برأسه إيماء قال يحيى قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن المسور بن مخرمة أخبره أنه دخل على عمر بن الخطاب من الليلة التي طعن فيها فأيقظ عمر لصلاة الصبح فقال عمر نعم ولا حظ في الإسلام لمن ترك الصلاة فصلى عمر وجرحه يثعب دما.
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (র) থেকে বর্নিতঃ
যে রাত্রে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি (কোন কোন বর্ণনায় বোঝা যায় যে, প্রবেশকারী সেই ব্যক্তি ছিলেন স্বয়ং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা।) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর কাছে আসল। উমার (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হল। উমার (রাঃ) বললেন হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায আদায় করি। যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, ইসলামে তার কোন স্থান নেই। অতঃপর উমার (রাঃ) নামায আদায় করলেন অথচ তাঁর জখম হতে তখন রক্ত বের হচ্ছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (র) থেকে বর্নিতঃ
যে রাত্রে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি (কোন কোন বর্ণনায় বোঝা যায় যে, প্রবেশকারী সেই ব্যক্তি ছিলেন স্বয়ং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা।) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর কাছে আসল। উমার (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হল। উমার (রাঃ) বললেন হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায আদায় করি। যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, ইসলামে তার কোন স্থান নেই। অতঃপর উমার (রাঃ) নামায আদায় করলেন অথচ তাঁর জখম হতে তখন রক্ত বের হচ্ছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن المسور بن مخرمة أخبره أنه دخل على عمر بن الخطاب من الليلة التي طعن فيها فأيقظ عمر لصلاة الصبح فقال عمر نعم ولا حظ في الإسلام لمن ترك الصلاة فصلى عمر وجرحه يثعب دما.