মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পদাবরণী বা মোজা মাসেহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر بال في السوق ثم توضأ فغسل وجهه ويديه ومسح رأسه ثم دعي لجنازة ليصلي عليها حين دخل المسجد فمسح على خفيه ثم صلى عليها.
নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করলেন। তারপর অযূ করলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুলেন এবং মাথা মাসেহ করলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাঁকে জানাযার নামায আদায় করাবার জন্য আহ্বান করা হল, তিনি মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর জানাযার নামায আদায় করিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করলেন। তারপর অযূ করলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুলেন এবং মাথা মাসেহ করলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাঁকে জানাযার নামায আদায় করাবার জন্য আহ্বান করা হল, তিনি মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর জানাযার নামায আদায় করিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر بال في السوق ثم توضأ فغسل وجهه ويديه ومسح رأسه ثم دعي لجنازة ليصلي عليها حين دخل المسجد فمسح على خفيه ثم صلى عليها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২
و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار أنهما أخبراه أن عبد الله بن عمر قدم الكوفة على سعد بن أبي وقاص وهو أميرها فرآه عبد الله بن عمر يمسح على الخفين فأنكر ذلك عليه فقال له سعد سل أباك إذا قدمت عليه فقدم عبد الله فنسي أن يسأل عمر عن ذلك حتى قدم سعد فقال أسألت أباك فقال لا فسأله عبد الله فقال عمر إذا أدخلت رجليك في الخفين وهما طاهرتان فامسح عليهما قال عبد الله وإن جاء أحدنا من الغائط فقال عمر نعم وإن جاء أحدكم من الغائط.
সা’দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর কাছে এলেন এবং তাঁকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখলেন। ইবনু উমার (রাঃ) তার এই মাসেহ্-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনার পিতার কাছে গেলে এটা তাঁকে জিজ্ঞেস করবেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করলেন; কিন্তু তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে ভুলে গেলেন। সা’দ পরে (মদীনায়) আসলেন এবং ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন আপনার পিতার কাছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছেন কি? তিনি বললেন, না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন। উমার (রাঃ) উত্তরে বললেন, যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযূর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযূর সময়) তুমি মোজার উপর মাসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা প্রসাব হতে আসিলে তার জন্যও কি এই হুকুম? উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করে আসলে তার জন্যও এই হুকুম। (সহীহ, বুখারী ২০২)
সা’দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর কাছে এলেন এবং তাঁকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখলেন। ইবনু উমার (রাঃ) তার এই মাসেহ্-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনার পিতার কাছে গেলে এটা তাঁকে জিজ্ঞেস করবেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করলেন; কিন্তু তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে ভুলে গেলেন। সা’দ পরে (মদীনায়) আসলেন এবং ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন আপনার পিতার কাছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছেন কি? তিনি বললেন, না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন। উমার (রাঃ) উত্তরে বললেন, যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযূর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযূর সময়) তুমি মোজার উপর মাসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা প্রসাব হতে আসিলে তার জন্যও কি এই হুকুম? উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করে আসলে তার জন্যও এই হুকুম। (সহীহ, বুখারী ২০২)
و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار أنهما أخبراه أن عبد الله بن عمر قدم الكوفة على سعد بن أبي وقاص وهو أميرها فرآه عبد الله بن عمر يمسح على الخفين فأنكر ذلك عليه فقال له سعد سل أباك إذا قدمت عليه فقدم عبد الله فنسي أن يسأل عمر عن ذلك حتى قدم سعد فقال أسألت أباك فقال لا فسأله عبد الله فقال عمر إذا أدخلت رجليك في الخفين وهما طاهرتان فامسح عليهما قال عبد الله وإن جاء أحدنا من الغائط فقال عمر نعم وإن جاء أحدكم من الغائط.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن زياد من ولد المغيرة بن شعبة عن أبيه عن المغيرة بن شعبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب لحاجته في غزوة تبوك قال المغيرة فذهبت معه بماء فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فسكبت عليه الماء فغسل وجهه ثم ذهب يخرج يديه من كمي جبته فلم يستطع من ضيق كمي الجبة فأخرجهما من تحت الجبة فغسل يديه ومسح برأسه ومسح على الخفين فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الرحمن بن عوف يؤمهم وقد صلى بهم ركعة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعة التي بقيت عليهم ففزع الناس فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أحسنتم.
মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবুকের যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসাব-পায়খানার প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন। মুগীরা বলেন, আমি পানি নিয়ে তাঁর সাথে চললাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার প্রয়োজন পূর্ণ করে) আসলেন, আমি তাঁর হস্তদ্বয়ের উপর পানি ঢাললাম, তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন। তারপর তাঁর হস্তদ্বয় জুব্বার আস্তিন হতে বের করতে চেষ্টা করলেন। জুব্বার আস্তিনের সংকীর্ণতার দরুন তিনি (বাহির করতে) সক্ষম হলেন না। তাই জুব্বার নিচ দিয়ে উভয় হাত বের করলেন, তারপর দুই হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং মোজার উপর মাসেহ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন, তখন আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) (লোকের) ইমামতি করতেছিলেন, তিনি এক রাকাত সমাপ্তও করেন। যেই এক রাকাত তাঁদের অবশিষ্ট ছিল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে সেই রাকাত আদায় করলেন। লোকজন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে (তাঁর অনুপস্থিতিতে নামায শুরু করায় বেআদবী হয়েছে ভেবে) ঘাবড়ে গেলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নামায শেষে বললেন, তোমরা ভাল করেছ। (বুখারী ১৮২, মুসলিম ২৭৪)
মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবুকের যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসাব-পায়খানার প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন। মুগীরা বলেন, আমি পানি নিয়ে তাঁর সাথে চললাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার প্রয়োজন পূর্ণ করে) আসলেন, আমি তাঁর হস্তদ্বয়ের উপর পানি ঢাললাম, তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন। তারপর তাঁর হস্তদ্বয় জুব্বার আস্তিন হতে বের করতে চেষ্টা করলেন। জুব্বার আস্তিনের সংকীর্ণতার দরুন তিনি (বাহির করতে) সক্ষম হলেন না। তাই জুব্বার নিচ দিয়ে উভয় হাত বের করলেন, তারপর দুই হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং মোজার উপর মাসেহ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন, তখন আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) (লোকের) ইমামতি করতেছিলেন, তিনি এক রাকাত সমাপ্তও করেন। যেই এক রাকাত তাঁদের অবশিষ্ট ছিল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে সেই রাকাত আদায় করলেন। লোকজন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে (তাঁর অনুপস্থিতিতে নামায শুরু করায় বেআদবী হয়েছে ভেবে) ঘাবড়ে গেলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নামায শেষে বললেন, তোমরা ভাল করেছ। (বুখারী ১৮২, মুসলিম ২৭৪)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن زياد من ولد المغيرة بن شعبة عن أبيه عن المغيرة بن شعبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب لحاجته في غزوة تبوك قال المغيرة فذهبت معه بماء فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فسكبت عليه الماء فغسل وجهه ثم ذهب يخرج يديه من كمي جبته فلم يستطع من ضيق كمي الجبة فأخرجهما من تحت الجبة فغسل يديه ومسح برأسه ومسح على الخفين فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الرحمن بن عوف يؤمهم وقد صلى بهم ركعة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعة التي بقيت عليهم ففزع الناس فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أحسنتم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪
و حدثني عن مالك عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش أنه قال رأيت أنس بن مالك أتى قبا فبال ثم أتي بوضوء فتوضأ فغسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ومسح على الخفين ثم جاء المسجد فصلى ১قال يحيى و سئل مالك عن رجل توضأ وضوء الصلاة ثم لبس خفيه ثم بال ثم نزعهما ثم ردهما في رجليه أيستأنف الوضوء فقال لينزع خفيه وليغسل رجليه وإنما يمسح على الخفين من أدخل رجليه في الخفين وهما طاهرتان بطهر الوضوء وأما من أدخل رجليه في الخفين وهما غير طاهرتين بطهر الوضوء فلا يمسح على الخفين ১قال و سئل مالك عن رجل توضأ وعليه خفاه فسها عن المسح على الخفين حتى جف وضوءه وصلى قال ليمسح على خفيه وليعد الصلاة ولا يعيد الوضوء ১و سئل مالك عن رجل غسل قدميه ثم لبس خفيه ثم استأنف الوضوء فقال لينزع خفيه ثم ليتوضأ وليغسل رجليه.
সা’ঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু রুকাইশ আশআরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’ঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু রুকাইশ আশআরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش أنه قال رأيت أنس بن مالك أتى قبا فبال ثم أتي بوضوء فتوضأ فغسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ومسح على الخفين ثم جاء المسجد فصلى ১قال يحيى و سئل مالك عن رجل توضأ وضوء الصلاة ثم لبس خفيه ثم بال ثم نزعهما ثم ردهما في رجليه أيستأنف الوضوء فقال لينزع خفيه وليغسل رجليه وإنما يمسح على الخفين من أدخل رجليه في الخفين وهما طاهرتان بطهر الوضوء وأما من أدخل رجليه في الخفين وهما غير طاهرتين بطهر الوضوء فلا يمسح على الخفين ১قال و سئل مالك عن رجل توضأ وعليه خفاه فسها عن المسح على الخفين حتى جف وضوءه وصلى قال ليمسح على خفيه وليعد الصلاة ولا يعيد الوضوء ১و سئل مالك عن رجل غسل قدميه ثم لبس خفيه ثم استأنف الوضوء فقال لينزع خفيه ثم ليتوضأ وليغسل رجليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মোজা মাসেহ-এর নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাক দিয়ে রক্ত ঝরা ও বমি সম্পর্কীয় বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب رعف وهو يصلي فأتى حجرة أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فأتي بوضوء فتوضأ ثم رجع فبنى على ما قد صلى.
ইয়াযিদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কুসাইত লাইসী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছেন, তিনি যখন নামায আদায় করতেছিলেন তখন তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বের হল। তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্মী উম্মু সালমার ঘরে এলেন। তাঁর জন্য পানি আনা হল, তিনি ওযূ করলেন, তারপর ফিরে গেলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তা আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াযিদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কুসাইত লাইসী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছেন, তিনি যখন নামায আদায় করতেছিলেন তখন তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বের হল। তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্মী উম্মু সালমার ঘরে এলেন। তাঁর জন্য পানি আনা হল, তিনি ওযূ করলেন, তারপর ফিরে গেলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তা আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب رعف وهو يصلي فأتى حجرة أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فأتي بوضوء فتوضأ ثم رجع فبنى على ما قد صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا رعف انصرف فتوضأ ثم رجع فبنى ولم يتكلم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নাক দিয়ে রক্ত বের হত, তখন তিনি নামায হতে ফিরে যেতেন। অতঃপর ওযূ করতেন এবং পুনরায় এসে অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নাক দিয়ে রক্ত বের হত, তখন তিনি নামায হতে ফিরে যেতেন। অতঃপর ওযূ করতেন এবং পুনরায় এসে অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا رعف انصرف فتوضأ ثم رجع فبنى ولم يتكلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يرعف فيخرج فيغسل الدم عنه ثم يرجع فيبني على ما قد صلى.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হলে তিনি বের হতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করে নামায যতটুকু আদায় করেছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হলে তিনি বের হতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করে নামায যতটুকু আদায় করেছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يرعف فيخرج فيغسل الدم عنه ثم يرجع فيبني على ما قد صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হলে কি করতে হয় তার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أنه قال رأيت سعيد بن المسيب يرعف فيخرج منه الدم حتى تختضب أصابعه من الدم الذي يخرج من أنفه ثم يصلي ولا يتوضأ.
আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছি। নাকসীরের কারণে তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি তাঁর নাক হতে বের হওয়া রক্তের দ্বারা তাঁর আঙ্গুল রঞ্জিত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি নামায আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছি। নাকসীরের কারণে তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি তাঁর নাক হতে বের হওয়া রক্তের দ্বারা তাঁর আঙ্গুল রঞ্জিত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি নামায আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أنه قال رأيت سعيد بن المسيب يرعف فيخرج منه الدم حتى تختضب أصابعه من الدم الذي يخرج من أنفه ثم يصلي ولا يتوضأ.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه رأى سالم بن عبد الله يخرج من أنفه الدم حتى تختضب أصابعه ثم يفتله ثم يصلي ولا يتوضأ.
আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে দেখেছেন, তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাঁর আঙুলসমূহ লাল হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়ালেন, তারপর নামায আদায় করলেন, অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে দেখেছেন, তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাঁর আঙুলসমূহ লাল হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়ালেন, তারপর নামায আদায় করলেন, অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه رأى سالم بن عبد الله يخرج من أنفه الدم حتى تختضب أصابعه ثم يفتله ثم يصلي ولا يتوضأ.