মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ওযূ সম্পর্কীয় বিবিধ হাদীস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الاستطابة فقال أولا يجد أحدكم ثلاثة أحجار.
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘ইস্তিতাবা’ [১] সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, তোমাদের কেউ কি তিনটি পাথরও পায় না (যদ্দারা সে পবিত্রতা লাভ করতে সক্ষম হয়)? (সহীহ, আবূ দাঊদ ৪০, আয়েশা (রাঃ) বরাত দিয়ে বর্ণনা করেছেন। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘ইস্তিতাবা’ [১] সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, তোমাদের কেউ কি তিনটি পাথরও পায় না (যদ্দারা সে পবিত্রতা লাভ করতে সক্ষম হয়)? (সহীহ, আবূ দাঊদ ৪০, আয়েশা (রাঃ) বরাত দিয়ে বর্ণনা করেছেন। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الاستطابة فقال أولا يجد أحدكم ثلاثة أحجار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن حمران مولى عثمان بن عفان أن عثمان بن عفان جلس على المقاعد فجاء المؤذن فآذنه بصلاة العصر فدعا بماء فتوضأ ثم قال والله لأحدثنكم حديثا لولا أنه في كتاب الله ما حدثتكموه ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من امرئ يتوضأ فيحسن وضوءه ثم يصلي الصلاة إلا غفر له ما بينه وبين الصلاة الأخرى حتى يصليها قال يحيى قال مالك أراه يريد هذه الآية { أقم الصلاة طرفي النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين }.
হুমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) (একদা) বৈঠকখানায় বসলেন। মুয়াযযিন এসে তাঁকে আসরের নামাযের সংবাদ দিলেন। তিনি পানি আনালেন, তারপর ওযূ করলেন এবং বললেন, আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কাছে একটি হাদীস বয়ান করব। কিতাবুল্লাহর (কুরআনের) একটি আয়াত যদি না থাকত তবে আমি তোমাদের নিকট হাদীস বয়ান করতাম না। অতঃপর বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি ওযূ করে আর সে তার ওযূকে উত্তমরূপে সমাধা করার পর নামায পরে তার (পাপ) মার্জনা করা হবে অর্থাৎ পরবর্তী নামায সমাপ্ত করা পর্যন্ত অর্থাৎ পরবর্তী নামায আদায় করলেই এই মার্জনা পাওয়া যাবে। মালিক (র) বলেছেন, আমার ধারণা, উসমান (রাঃ) যেই আয়াতের কথা বলেছেন তা এই أَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ (বুখারী ১৬০, মুসলিম ২২৭)
হুমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) (একদা) বৈঠকখানায় বসলেন। মুয়াযযিন এসে তাঁকে আসরের নামাযের সংবাদ দিলেন। তিনি পানি আনালেন, তারপর ওযূ করলেন এবং বললেন, আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের কাছে একটি হাদীস বয়ান করব। কিতাবুল্লাহর (কুরআনের) একটি আয়াত যদি না থাকত তবে আমি তোমাদের নিকট হাদীস বয়ান করতাম না। অতঃপর বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি ওযূ করে আর সে তার ওযূকে উত্তমরূপে সমাধা করার পর নামায পরে তার (পাপ) মার্জনা করা হবে অর্থাৎ পরবর্তী নামায সমাপ্ত করা পর্যন্ত অর্থাৎ পরবর্তী নামায আদায় করলেই এই মার্জনা পাওয়া যাবে। মালিক (র) বলেছেন, আমার ধারণা, উসমান (রাঃ) যেই আয়াতের কথা বলেছেন তা এই أَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ (বুখারী ১৬০, মুসলিম ২২৭)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن حمران مولى عثمان بن عفان أن عثمان بن عفان جلس على المقاعد فجاء المؤذن فآذنه بصلاة العصر فدعا بماء فتوضأ ثم قال والله لأحدثنكم حديثا لولا أنه في كتاب الله ما حدثتكموه ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من امرئ يتوضأ فيحسن وضوءه ثم يصلي الصلاة إلا غفر له ما بينه وبين الصلاة الأخرى حتى يصليها قال يحيى قال مالك أراه يريد هذه الآية { أقم الصلاة طرفي النهار وزلفا من الليل إن الحسنات يذهبن السيئات ذلك ذكرى للذاكرين }.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬২
و حدثني عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت صلاة العصر فالتمس الناس وضوءا فلم يجدوه فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء في إناء فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الإناء يده ثم أمر الناس يتوضئون منه قال أنس فرأيت الماء ينبع من تحت أصابعه فتوضأ الناس حتى توضئوا من عند آخرهم.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন সময় দেখলাম যখন আসরের নামাযের সময় নিকটবর্তী। লোকজন ওযূর জন্য পানি খোঁজ করলেন, কিন্তু তাঁরা পানি পেলেন না। পরে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি পাত্রে কিছু পানি আনা হল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাত সেই পাত্রে রাখলেন। তারপর লোকজনকে উহা হতে ওযূ করার নির্দেশ দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অঙ্গুলিসমূহের নিচ হতে পানি নির্গত হতে দেখলাম, লোকজন ওযূ করলেন। এমনকি তাঁদের (দলের) সর্বশেষ ব্যক্তিও ওযূ করলেন। (বুখারী ১৬৯, মুসলিম ২৭৭৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন সময় দেখলাম যখন আসরের নামাযের সময় নিকটবর্তী। লোকজন ওযূর জন্য পানি খোঁজ করলেন, কিন্তু তাঁরা পানি পেলেন না। পরে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি পাত্রে কিছু পানি আনা হল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাত সেই পাত্রে রাখলেন। তারপর লোকজনকে উহা হতে ওযূ করার নির্দেশ দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অঙ্গুলিসমূহের নিচ হতে পানি নির্গত হতে দেখলাম, লোকজন ওযূ করলেন। এমনকি তাঁদের (দলের) সর্বশেষ ব্যক্তিও ওযূ করলেন। (বুখারী ১৬৯, মুসলিম ২৭৭৯)
و حدثني عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت صلاة العصر فالتمس الناس وضوءا فلم يجدوه فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء في إناء فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الإناء يده ثم أمر الناس يتوضئون منه قال أنس فرأيت الماء ينبع من تحت أصابعه فتوضأ الناس حتى توضئوا من عند آخرهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ العبد المؤمن فتمضمض خرجت الخطايا من فيه وإذا استنثر خرجت الخطايا من أنفه فإذا غسل وجهه خرجت الخطايا من وجهه حتى تخرج من تحت أشفار عينيه فإذا غسل يديه خرجت الخطايا من يديه حتى تخرج من تحت أظفار يديه فإذا مسح برأسه خرجت الخطايا من رأسه حتى تخرج من أذنيه فإذا غسل رجليه خرجت الخطايا من رجليه حتى تخرج من تحت أظفار رجليه قال ثم كان مشيه إلى المسجد وصلاته نافلة له.
আবদুল্লাহ সুনাবিহী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মু’মিন বান্দা যখন ওযূ করে এবং কুলি করে, তাঁর মুখ হতে পাপসমূহ বের হয়ে যায়। সে যখন মুখমণ্ডল ধোয় তাঁর মুখমণ্ডল হতে তখন পাপসমূহ বের হয়ে যায়। এমনকি চক্ষুদ্বয়ের পালকের নিচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। তারপর যখন সে তাঁর উভয় হাত ধোয় তখন পাপসমূহ হস্তদ্বয় হতে বের হয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় হাতের নখসমূহের নিচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তাঁর মাথা মাসেহ করে তাঁর পাপসমূহ তখন তাঁর মাথা হতে বের হয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় কান হতেও বেরিয়ে যায়। যখন সে তাঁর উভয় পা ধোয় তখন পাপসমূহ তাঁর উভয় পা হতে বেরিয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় পায়ের সকল নখের নিচ হতেও গুনাহ বেরিয়ে যায়। তিনি (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতঃপর সেই ব্যক্তির মসজিদে গমন এবং নামায আদায় করা তাঁর জন্য নফল (অতিরিক্ত সওয়াবের বস্তু)-স্বরূপ হয়। (সহীহ, নাসাঈ ১০৩, ইবনু মাজাহ ২৮২, আলবানী সহীহ জামে গ্রন্থে ৪৪৯, সহীহ বলেছেন)
আবদুল্লাহ সুনাবিহী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মু’মিন বান্দা যখন ওযূ করে এবং কুলি করে, তাঁর মুখ হতে পাপসমূহ বের হয়ে যায়। সে যখন মুখমণ্ডল ধোয় তাঁর মুখমণ্ডল হতে তখন পাপসমূহ বের হয়ে যায়। এমনকি চক্ষুদ্বয়ের পালকের নিচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। তারপর যখন সে তাঁর উভয় হাত ধোয় তখন পাপসমূহ হস্তদ্বয় হতে বের হয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় হাতের নখসমূহের নিচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তাঁর মাথা মাসেহ করে তাঁর পাপসমূহ তখন তাঁর মাথা হতে বের হয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় কান হতেও বেরিয়ে যায়। যখন সে তাঁর উভয় পা ধোয় তখন পাপসমূহ তাঁর উভয় পা হতে বেরিয়ে যায়; এমনকি তাঁর উভয় পায়ের সকল নখের নিচ হতেও গুনাহ বেরিয়ে যায়। তিনি (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতঃপর সেই ব্যক্তির মসজিদে গমন এবং নামায আদায় করা তাঁর জন্য নফল (অতিরিক্ত সওয়াবের বস্তু)-স্বরূপ হয়। (সহীহ, নাসাঈ ১০৩, ইবনু মাজাহ ২৮২, আলবানী সহীহ জামে গ্রন্থে ৪৪৯, সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ العبد المؤمن فتمضمض خرجت الخطايا من فيه وإذا استنثر خرجت الخطايا من أنفه فإذا غسل وجهه خرجت الخطايا من وجهه حتى تخرج من تحت أشفار عينيه فإذا غسل يديه خرجت الخطايا من يديه حتى تخرج من تحت أظفار يديه فإذا مسح برأسه خرجت الخطايا من رأسه حتى تخرج من أذنيه فإذا غسل رجليه خرجت الخطايا من رجليه حتى تخرج من تحت أظفار رجليه قال ثم كان مشيه إلى المسجد وصلاته نافلة له.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১
و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ العبد المسلم أو المؤمن فغسل وجهه خرجت من وجهه كل خطيئة نظر إليها بعينيه مع الماء أو مع آخر قطر الماء فإذا غسل يديه خرجت من يديه كل خطيئة بطشتها يداه مع الماء أو مع آخر قطر الماء فإذا غسل رجليه خرجت كل خطيئة مشتها رجلاه مع الماء أو مع آخر قطر الماء حتى يخرج نقيا من الذنوب.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন মু’মিন বান্দা অযূ করে এবং তাঁর মুখমণ্ডল ধোয় তখন তাঁর মুখমণ্ডল হতে সকল গুনাহ যা দেখার কারণে অর্জিত হয়েছে, বাহির হয়ে যায়; পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ কাতরার (ফোঁটা) সঙ্গে অথবা (এর সমার্থবোধক) অনুরূপ কোন বাক্য। তারপর যখন সে তাঁর উভয় হাত ধোয় তখন তাঁর হস্তদ্বয় হতে হস্তদ্বয় দ্বারা অর্জিত সকল পাপ বেরিয়ে যায়। পানির সঙ্গে অথবা (বলেছেন) পানির শেষ কাতরার সঙ্গে; এমনকি সে যাবতীয় পাপ হতে পবিত্র হয়ে যায়। (সহীহ, মুসলিম ২৪৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন মু’মিন বান্দা অযূ করে এবং তাঁর মুখমণ্ডল ধোয় তখন তাঁর মুখমণ্ডল হতে সকল গুনাহ যা দেখার কারণে অর্জিত হয়েছে, বাহির হয়ে যায়; পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ কাতরার (ফোঁটা) সঙ্গে অথবা (এর সমার্থবোধক) অনুরূপ কোন বাক্য। তারপর যখন সে তাঁর উভয় হাত ধোয় তখন তাঁর হস্তদ্বয় হতে হস্তদ্বয় দ্বারা অর্জিত সকল পাপ বেরিয়ে যায়। পানির সঙ্গে অথবা (বলেছেন) পানির শেষ কাতরার সঙ্গে; এমনকি সে যাবতীয় পাপ হতে পবিত্র হয়ে যায়। (সহীহ, মুসলিম ২৪৪)
و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ العبد المسلم أو المؤمن فغسل وجهه خرجت من وجهه كل خطيئة نظر إليها بعينيه مع الماء أو مع آخر قطر الماء فإذا غسل يديه خرجت من يديه كل خطيئة بطشتها يداه مع الماء أو مع آخر قطر الماء فإذا غسل رجليه خرجت كل خطيئة مشتها رجلاه مع الماء أو مع آخر قطر الماء حتى يخرج نقيا من الذنوب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৮
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى المقبرة فقال السلام عليكم دار قوم مؤمنين وإنا إن شاء الله بكم لاحقون وددت أني قد رأيت إخواننا فقالوا يا رسول الله ألسنا بإخوانك قال بل أنتم أصحابي وإخواننا الذين لم يأتوا بعد وأنا فرطهم على الحوض فقالوا يا رسول الله كيف تعرف من يأتي بعدك من أمتك قال أرأيت لو كان لرجل خيل غر محجلة في خيل دهم بهم ألا يعرف خيله قالوا بلى يا رسول الله قال فإنهم يأتون يوم القيامة غرا محجلين من الوضوء وأنا فرطهم على الحوض فلا يذادن رجال عن حوضي كما يذاد البعير الضال أناديهم ألا هلم ألا هلم ألا هلم فيقال إنهم قد بدلوا بعدك فأقول فسحقا فسحقا فسحقا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) কবরস্থানের দিকে গেলেন। তিনি সেখানে পৌঁছার পর বললেন, السَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ. “তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক হে মু’মিন সম্প্রদায়ের বাসস্থানে (অর্থাৎ কবরস্থানে) বসবাসকারিগণ আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব, ইনশাআল্লাহ।” আমার আকাঙ্ক্ষা, যদি আমার ভাইদেরকে দেখতাম! তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার ভাই নই কি? তিনি বললেন, তোমরা আমার আসহাব, আমার ভাই তাঁরা যাঁরা এখনও (ইহজগতে) আসেননি। আমি তাঁদের অগ্রদূত হব হাওযের কাছে। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনার উম্মতের মধ্যে যাঁরা আপনার পরে আগমন করবে আপনি তাঁদের পরিচয় পাবেন কিভাবে? তিনি বললেন, তোমরা আমাকে বল দেখি, যদি কোন ব্যক্তির কাছে পায়ে ও ললাটে সাদা চিহ্নযুক্ত ঘোড়া থাকে এবং সেগুলি গাঢ় কাল রং-এর ঘোড়ার সাথে একত্র থাকে, তবে সেই ব্যক্তি কি তার (সাদা চিহ্নযুক্ত) ঘোড়া চিনতে পারবে না? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রসূলাল্লাহ! চিনতে পারবে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার উম্মতকে আমি চিনতে পারব। কারণ তাঁরা ওযূর কারণে রোজ কিয়ামতে জ্যোতির্ময় চেহারা এবং জ্যোতির্ময় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে উপস্থিত হবে। আমি হাওযে তাঁদের অগ্রদূত থাকব। দলভ্রষ্ট উটকে যেভাবে তাড়িয়ে দেওয়া হয়, আমার হাওয হতে কাউকেও তদ্রুপ তাড়িয়ে দেওয়া হলে আমি তাকে আহ্বান করব, أَلَا هَلُمَّ أَلَا هَلُمَّ أَلَا هَلُمَّ ‘ওহে, (আমার নিকট) আস, (আমার নিকট) আস, (আমার নিকট) আস।’ তারপর আমাকে বলা হবে, এরা (আপনার সুন্নতকে) আপনার পরে পরিবর্তন করেছে। আমি বলব, فَسُحْقًا فَسُحْقًا فَسُحْقًا -‘তবে দূর হও, দূর হও, দূর হও।’ (সহীহ, মুসলিম ২৪৯, মূলত হাদীসটি মুত্তাফাক আলাইহ)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) কবরস্থানের দিকে গেলেন। তিনি সেখানে পৌঁছার পর বললেন, السَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ. “তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক হে মু’মিন সম্প্রদায়ের বাসস্থানে (অর্থাৎ কবরস্থানে) বসবাসকারিগণ আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব, ইনশাআল্লাহ।” আমার আকাঙ্ক্ষা, যদি আমার ভাইদেরকে দেখতাম! তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার ভাই নই কি? তিনি বললেন, তোমরা আমার আসহাব, আমার ভাই তাঁরা যাঁরা এখনও (ইহজগতে) আসেননি। আমি তাঁদের অগ্রদূত হব হাওযের কাছে। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনার উম্মতের মধ্যে যাঁরা আপনার পরে আগমন করবে আপনি তাঁদের পরিচয় পাবেন কিভাবে? তিনি বললেন, তোমরা আমাকে বল দেখি, যদি কোন ব্যক্তির কাছে পায়ে ও ললাটে সাদা চিহ্নযুক্ত ঘোড়া থাকে এবং সেগুলি গাঢ় কাল রং-এর ঘোড়ার সাথে একত্র থাকে, তবে সেই ব্যক্তি কি তার (সাদা চিহ্নযুক্ত) ঘোড়া চিনতে পারবে না? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রসূলাল্লাহ! চিনতে পারবে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার উম্মতকে আমি চিনতে পারব। কারণ তাঁরা ওযূর কারণে রোজ কিয়ামতে জ্যোতির্ময় চেহারা এবং জ্যোতির্ময় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে উপস্থিত হবে। আমি হাওযে তাঁদের অগ্রদূত থাকব। দলভ্রষ্ট উটকে যেভাবে তাড়িয়ে দেওয়া হয়, আমার হাওয হতে কাউকেও তদ্রুপ তাড়িয়ে দেওয়া হলে আমি তাকে আহ্বান করব, أَلَا هَلُمَّ أَلَا هَلُمَّ أَلَا هَلُمَّ ‘ওহে, (আমার নিকট) আস, (আমার নিকট) আস, (আমার নিকট) আস।’ তারপর আমাকে বলা হবে, এরা (আপনার সুন্নতকে) আপনার পরে পরিবর্তন করেছে। আমি বলব, فَسُحْقًا فَسُحْقًا فَسُحْقًا -‘তবে দূর হও, দূর হও, দূর হও।’ (সহীহ, মুসলিম ২৪৯, মূলত হাদীসটি মুত্তাফাক আলাইহ)
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى المقبرة فقال السلام عليكم دار قوم مؤمنين وإنا إن شاء الله بكم لاحقون وددت أني قد رأيت إخواننا فقالوا يا رسول الله ألسنا بإخوانك قال بل أنتم أصحابي وإخواننا الذين لم يأتوا بعد وأنا فرطهم على الحوض فقالوا يا رسول الله كيف تعرف من يأتي بعدك من أمتك قال أرأيت لو كان لرجل خيل غر محجلة في خيل دهم بهم ألا يعرف خيله قالوا بلى يا رسول الله قال فإنهم يأتون يوم القيامة غرا محجلين من الوضوء وأنا فرطهم على الحوض فلا يذادن رجال عن حوضي كما يذاد البعير الضال أناديهم ألا هلم ألا هلم ألا هلم فيقال إنهم قد بدلوا بعدك فأقول فسحقا فسحقا فسحقا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৩
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المدني المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول، من توضأ فأحسن وضوءه ثم خرج عامدا إلى الصلاة فإنه في صلاة ما دام يعمد إلى الصلاة وإنه يكتب له بإحدى خطوتيه حسنة ويمحى عنه بالأخرى سيئة فإذا سمع أحدكم الإقامة فلا يسع فإن أعظمكم أجرا أبعدكم دارا قالوا لم يا أبا هريرة قال من أجل كثرة الخطا.
নু’আয়ম ইবনু আবদুল্লাহ মুজমির (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে এবং তাঁর ওযূকে উত্তমরূপে সম্পাদন করেছে, অতঃপর নামাযের উদ্দেশ্যে বের হয়েছে, সে নামাযে থাকবে (সওয়াবের দিক দিয়া নামাযে বলে গণ্য হবে) যতক্ষণ নামাযের নিয়ত রাখবে এবং তাঁর জন্য প্রতিটি প্রথম পদ উত্তোলনে একটি করে সওয়াব লিপিবদ্ধ হবে, আর প্রতিটি দ্বিতীয় পদ উত্তোলনের পরিবর্তে তাঁর পাপ মোচন করে দেওয়া হবে। তাই তোমাদের কেউ ইকামত শুনতে পেলে দৌড়াবে না, কারণ তোমাদের মধ্যে সেই লোকই বেশি সওয়াবের অধিকারী যার ঘর মসজিদ হতে বেশি দূরে। শ্রোতারা বললেন, এইরূপ কেন, হে আবূ হুরায়রা? তিনি বললেন, পদক্ষেপের আধিক্যের কারণে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসটি মারফু হাদীসের ন্যায় করেন অন্যান্য অধ্যায়ে এর সমর্থনে মারফু হাদীস রয়েছে)
নু’আয়ম ইবনু আবদুল্লাহ মুজমির (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে এবং তাঁর ওযূকে উত্তমরূপে সম্পাদন করেছে, অতঃপর নামাযের উদ্দেশ্যে বের হয়েছে, সে নামাযে থাকবে (সওয়াবের দিক দিয়া নামাযে বলে গণ্য হবে) যতক্ষণ নামাযের নিয়ত রাখবে এবং তাঁর জন্য প্রতিটি প্রথম পদ উত্তোলনে একটি করে সওয়াব লিপিবদ্ধ হবে, আর প্রতিটি দ্বিতীয় পদ উত্তোলনের পরিবর্তে তাঁর পাপ মোচন করে দেওয়া হবে। তাই তোমাদের কেউ ইকামত শুনতে পেলে দৌড়াবে না, কারণ তোমাদের মধ্যে সেই লোকই বেশি সওয়াবের অধিকারী যার ঘর মসজিদ হতে বেশি দূরে। শ্রোতারা বললেন, এইরূপ কেন, হে আবূ হুরায়রা? তিনি বললেন, পদক্ষেপের আধিক্যের কারণে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসটি মারফু হাদীসের ন্যায় করেন অন্যান্য অধ্যায়ে এর সমর্থনে মারফু হাদীস রয়েছে)
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المدني المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول، من توضأ فأحسن وضوءه ثم خرج عامدا إلى الصلاة فإنه في صلاة ما دام يعمد إلى الصلاة وإنه يكتب له بإحدى خطوتيه حسنة ويمحى عنه بالأخرى سيئة فإذا سمع أحدكم الإقامة فلا يسع فإن أعظمكم أجرا أبعدكم دارا قالوا لم يا أبا هريرة قال من أجل كثرة الخطا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يسأل عن الوضوء من الغائط بالماء فقال سعيد إنما ذلك وضوء النساء.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল, মল-মূত্র ত্যাগের কারণে পানি দ্বারা ইস্তিন্জা (মল-মূত্র ত্যাগের পর বিশেষ স্থান ধৌত করা) করা সম্পর্কে। সাঈদ (র) বললেন, ইহা অবশ্য মেয়েদের ইস্তিন্জা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল, মল-মূত্র ত্যাগের কারণে পানি দ্বারা ইস্তিন্জা (মল-মূত্র ত্যাগের পর বিশেষ স্থান ধৌত করা) করা সম্পর্কে। সাঈদ (র) বললেন, ইহা অবশ্য মেয়েদের ইস্তিন্জা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يسأل عن الوضوء من الغائط بالماء فقال سعيد إنما ذلك وضوء النساء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شرب الكلب في إناء أحدكم فليغسله سبع مرات.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো পাত্র হতে কুকুর আহার করলে, তবে অবশ্যই সেটাকে সাতবার ধুবে। (বুখারী ১৭২, মুসলিম ২৭৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো পাত্র হতে কুকুর আহার করলে, তবে অবশ্যই সেটাকে সাতবার ধুবে। (বুখারী ১৭২, মুসলিম ২৭৯)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شرب الكلب في إناء أحدكم فليغسله سبع مرات.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال استقيموا ولن تحصوا واعملوا وخير أعمالكم الصلاة ولا يحافظ على الوضوء إلا مؤمن.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে শরীয়ত তোমাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে তার উপর তোমরা দৃঢ়তার সাথে থাক, পূর্ণ ইস্তিকামাত বা দৃঢ়তার সামর্থ্য তো তোমাদের নেই। তাই আমল করতে থাক। তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম আমল হলো নামায। মু’মিন ব্যতীত অন্য কেউ ওযূর যথাযোগ্য হিফাযত (পূর্ণঙ্গভাবে ওযূ করার প্রতি লক্ষ্য রাখার নাম মুহাফিযাত) করে না। (সহীহ, সাওবান (রাঃ) থেকে ইবনু মাজাহ বর্ণনা করেন ২৭৭, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে গ্রন্থে ৯৫২ সহীহ বলেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে শরীয়ত তোমাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে তার উপর তোমরা দৃঢ়তার সাথে থাক, পূর্ণ ইস্তিকামাত বা দৃঢ়তার সামর্থ্য তো তোমাদের নেই। তাই আমল করতে থাক। তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম আমল হলো নামায। মু’মিন ব্যতীত অন্য কেউ ওযূর যথাযোগ্য হিফাযত (পূর্ণঙ্গভাবে ওযূ করার প্রতি লক্ষ্য রাখার নাম মুহাফিযাত) করে না। (সহীহ, সাওবান (রাঃ) থেকে ইবনু মাজাহ বর্ণনা করেন ২৭৭, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে গ্রন্থে ৯৫২ সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال استقيموا ولن تحصوا واعملوا وخير أعمالكم الصلاة ولا يحافظ على الوضوء إلا مؤمن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মাথা ও দুই কান মাসেহ-এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه عروة بن الزبير كان ينزع العمامة ويمسح رأسه بالماء.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (র) পাগড়ি খুলে ফেলতেন এবং পানি দ্বারা মাথা মাসেহ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (র) পাগড়ি খুলে ফেলতেন এবং পানি দ্বারা মাথা মাসেহ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه عروة بن الزبير كان ينزع العمامة ويمسح رأسه بالماء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن جابر بن عبد الله الأنصاري سئل عن المسح على العمامة فقال لا حتى يمسح الشعر بالماء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)-কে মসহ আলাল ইসাবাহ (পাগড়ির উপর হাত বুলাইয়া যাওয়া) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, না, (এটা যথেষ্ট নয়) যতক্ষণ পানি দ্বারা চুল মাসেহ করা না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)-কে মসহ আলাল ইসাবাহ (পাগড়ির উপর হাত বুলাইয়া যাওয়া) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, না, (এটা যথেষ্ট নয়) যতক্ষণ পানি দ্বারা চুল মাসেহ করা না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن جابر بن عبد الله الأنصاري سئل عن المسح على العمامة فقال لا حتى يمسح الشعر بالماء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يأخذ الماء بأصبعيه لأذنيه.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর উভয় কানের জন্য দুই আঙ্গুল দ্বারা পানি নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর উভয় কানের জন্য দুই আঙ্গুল দ্বারা পানি নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يأخذ الماء بأصبعيه لأذنيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০
و حدثني عن مالك عن نافع أنه رأى صفية بنت أبي عبيد امرأة عبد الله بن عمر تنزع خمارها وتمسح على رأسها بالماء ونافع يومئذ صغير ৯৬-و سئل مالك عن المسح على العمامة والخمار فقال لا ينبغي أن يمسح الرجل ولا المرأة على عمامة ولا خمار وليمسحا على رءوسهما و سئل مالك عن رجل توضأ فنسي أن يمسح على رأسه حتى جف وضوءه قال أرى أن يمسح برأسه وإن كان قد صلى أن يعيد الصلاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন তিনি বালক তখন আবূ উবায়দার কন্যা, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর স্ত্রী, সফিয়্যাকে তাঁর ওড়না নামিয়ে পানি দিয়ে মাথা মাসেহ করতে দেখেছেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, পাগড়ি ও ওড়নার উপর মাসেহ করা সম্পর্কে মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, কোন পুরুষ কোন নারীর পক্ষে (যথাক্রমে) পাগড়ি কিংবা ওড়নার উপর মাসেহ করা জায়েয নয়। তারা দু’জনেই তাদের মাথা মাসেহ করবে। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে কিন্তু মাথা মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে, (এই অবস্থায়) তাঁর ওযূর অঙ্গসমূহ শুকিয়ে গিয়েছে, এখন সে কি করবে? তিনি উত্তরে বললেন, আমার মতে সে তাঁর মাথা মাসেহ করবে। আর যদি সে (মাসেহ ব্যতীত) অযূ দ্বারা নামায আদায় করে থাকে তবে সে নামায নতুন করে আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
যখন তিনি বালক তখন আবূ উবায়দার কন্যা, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর স্ত্রী, সফিয়্যাকে তাঁর ওড়না নামিয়ে পানি দিয়ে মাথা মাসেহ করতে দেখেছেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, পাগড়ি ও ওড়নার উপর মাসেহ করা সম্পর্কে মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, কোন পুরুষ কোন নারীর পক্ষে (যথাক্রমে) পাগড়ি কিংবা ওড়নার উপর মাসেহ করা জায়েয নয়। তারা দু’জনেই তাদের মাথা মাসেহ করবে। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে কিন্তু মাথা মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে, (এই অবস্থায়) তাঁর ওযূর অঙ্গসমূহ শুকিয়ে গিয়েছে, এখন সে কি করবে? তিনি উত্তরে বললেন, আমার মতে সে তাঁর মাথা মাসেহ করবে। আর যদি সে (মাসেহ ব্যতীত) অযূ দ্বারা নামায আদায় করে থাকে তবে সে নামায নতুন করে আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه رأى صفية بنت أبي عبيد امرأة عبد الله بن عمر تنزع خمارها وتمسح على رأسها بالماء ونافع يومئذ صغير ৯৬-و سئل مالك عن المسح على العمامة والخمار فقال لا ينبغي أن يمسح الرجل ولا المرأة على عمامة ولا خمار وليمسحا على رءوسهما و سئل مالك عن رجل توضأ فنسي أن يمسح على رأسه حتى جف وضوءه قال أرى أن يمسح برأسه وإن كان قد صلى أن يعيد الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পদাবরণী বা মোজা মাসেহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر بال في السوق ثم توضأ فغسل وجهه ويديه ومسح رأسه ثم دعي لجنازة ليصلي عليها حين دخل المسجد فمسح على خفيه ثم صلى عليها.
নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করলেন। তারপর অযূ করলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুলেন এবং মাথা মাসেহ করলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাঁকে জানাযার নামায আদায় করাবার জন্য আহ্বান করা হল, তিনি মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর জানাযার নামায আদায় করিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করলেন। তারপর অযূ করলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুলেন এবং মাথা মাসেহ করলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাঁকে জানাযার নামায আদায় করাবার জন্য আহ্বান করা হল, তিনি মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর জানাযার নামায আদায় করিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر بال في السوق ثم توضأ فغسل وجهه ويديه ومسح رأسه ثم دعي لجنازة ليصلي عليها حين دخل المسجد فمسح على خفيه ثم صلى عليها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২
و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار أنهما أخبراه أن عبد الله بن عمر قدم الكوفة على سعد بن أبي وقاص وهو أميرها فرآه عبد الله بن عمر يمسح على الخفين فأنكر ذلك عليه فقال له سعد سل أباك إذا قدمت عليه فقدم عبد الله فنسي أن يسأل عمر عن ذلك حتى قدم سعد فقال أسألت أباك فقال لا فسأله عبد الله فقال عمر إذا أدخلت رجليك في الخفين وهما طاهرتان فامسح عليهما قال عبد الله وإن جاء أحدنا من الغائط فقال عمر نعم وإن جاء أحدكم من الغائط.
সা’দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর কাছে এলেন এবং তাঁকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখলেন। ইবনু উমার (রাঃ) তার এই মাসেহ্-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনার পিতার কাছে গেলে এটা তাঁকে জিজ্ঞেস করবেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করলেন; কিন্তু তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে ভুলে গেলেন। সা’দ পরে (মদীনায়) আসলেন এবং ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন আপনার পিতার কাছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছেন কি? তিনি বললেন, না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন। উমার (রাঃ) উত্তরে বললেন, যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযূর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযূর সময়) তুমি মোজার উপর মাসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা প্রসাব হতে আসিলে তার জন্যও কি এই হুকুম? উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করে আসলে তার জন্যও এই হুকুম। (সহীহ, বুখারী ২০২)
সা’দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর কাছে এলেন এবং তাঁকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখলেন। ইবনু উমার (রাঃ) তার এই মাসেহ্-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনার পিতার কাছে গেলে এটা তাঁকে জিজ্ঞেস করবেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করলেন; কিন্তু তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে ভুলে গেলেন। সা’দ পরে (মদীনায়) আসলেন এবং ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন আপনার পিতার কাছে সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছেন কি? তিনি বললেন, না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলেন। উমার (রাঃ) উত্তরে বললেন, যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযূর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযূর সময়) তুমি মোজার উপর মাসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা প্রসাব হতে আসিলে তার জন্যও কি এই হুকুম? উমার (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করে আসলে তার জন্যও এই হুকুম। (সহীহ, বুখারী ২০২)
و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار أنهما أخبراه أن عبد الله بن عمر قدم الكوفة على سعد بن أبي وقاص وهو أميرها فرآه عبد الله بن عمر يمسح على الخفين فأنكر ذلك عليه فقال له سعد سل أباك إذا قدمت عليه فقدم عبد الله فنسي أن يسأل عمر عن ذلك حتى قدم سعد فقال أسألت أباك فقال لا فسأله عبد الله فقال عمر إذا أدخلت رجليك في الخفين وهما طاهرتان فامسح عليهما قال عبد الله وإن جاء أحدنا من الغائط فقال عمر نعم وإن جاء أحدكم من الغائط.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن زياد من ولد المغيرة بن شعبة عن أبيه عن المغيرة بن شعبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب لحاجته في غزوة تبوك قال المغيرة فذهبت معه بماء فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فسكبت عليه الماء فغسل وجهه ثم ذهب يخرج يديه من كمي جبته فلم يستطع من ضيق كمي الجبة فأخرجهما من تحت الجبة فغسل يديه ومسح برأسه ومسح على الخفين فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الرحمن بن عوف يؤمهم وقد صلى بهم ركعة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعة التي بقيت عليهم ففزع الناس فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أحسنتم.
মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবুকের যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসাব-পায়খানার প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন। মুগীরা বলেন, আমি পানি নিয়ে তাঁর সাথে চললাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার প্রয়োজন পূর্ণ করে) আসলেন, আমি তাঁর হস্তদ্বয়ের উপর পানি ঢাললাম, তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন। তারপর তাঁর হস্তদ্বয় জুব্বার আস্তিন হতে বের করতে চেষ্টা করলেন। জুব্বার আস্তিনের সংকীর্ণতার দরুন তিনি (বাহির করতে) সক্ষম হলেন না। তাই জুব্বার নিচ দিয়ে উভয় হাত বের করলেন, তারপর দুই হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং মোজার উপর মাসেহ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন, তখন আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) (লোকের) ইমামতি করতেছিলেন, তিনি এক রাকাত সমাপ্তও করেন। যেই এক রাকাত তাঁদের অবশিষ্ট ছিল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে সেই রাকাত আদায় করলেন। লোকজন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে (তাঁর অনুপস্থিতিতে নামায শুরু করায় বেআদবী হয়েছে ভেবে) ঘাবড়ে গেলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নামায শেষে বললেন, তোমরা ভাল করেছ। (বুখারী ১৮২, মুসলিম ২৭৪)
মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাবুকের যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসাব-পায়খানার প্রয়োজনে বাহিরে গেলেন। মুগীরা বলেন, আমি পানি নিয়ে তাঁর সাথে চললাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার প্রয়োজন পূর্ণ করে) আসলেন, আমি তাঁর হস্তদ্বয়ের উপর পানি ঢাললাম, তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন। তারপর তাঁর হস্তদ্বয় জুব্বার আস্তিন হতে বের করতে চেষ্টা করলেন। জুব্বার আস্তিনের সংকীর্ণতার দরুন তিনি (বাহির করতে) সক্ষম হলেন না। তাই জুব্বার নিচ দিয়ে উভয় হাত বের করলেন, তারপর দুই হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং মোজার উপর মাসেহ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন, তখন আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) (লোকের) ইমামতি করতেছিলেন, তিনি এক রাকাত সমাপ্তও করেন। যেই এক রাকাত তাঁদের অবশিষ্ট ছিল, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে সেই রাকাত আদায় করলেন। লোকজন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে (তাঁর অনুপস্থিতিতে নামায শুরু করায় বেআদবী হয়েছে ভেবে) ঘাবড়ে গেলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নামায শেষে বললেন, তোমরা ভাল করেছ। (বুখারী ১৮২, মুসলিম ২৭৪)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن زياد من ولد المغيرة بن شعبة عن أبيه عن المغيرة بن شعبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب لحاجته في غزوة تبوك قال المغيرة فذهبت معه بماء فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فسكبت عليه الماء فغسل وجهه ثم ذهب يخرج يديه من كمي جبته فلم يستطع من ضيق كمي الجبة فأخرجهما من تحت الجبة فغسل يديه ومسح برأسه ومسح على الخفين فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الرحمن بن عوف يؤمهم وقد صلى بهم ركعة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعة التي بقيت عليهم ففزع الناس فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أحسنتم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪
و حدثني عن مالك عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش أنه قال رأيت أنس بن مالك أتى قبا فبال ثم أتي بوضوء فتوضأ فغسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ومسح على الخفين ثم جاء المسجد فصلى ১قال يحيى و سئل مالك عن رجل توضأ وضوء الصلاة ثم لبس خفيه ثم بال ثم نزعهما ثم ردهما في رجليه أيستأنف الوضوء فقال لينزع خفيه وليغسل رجليه وإنما يمسح على الخفين من أدخل رجليه في الخفين وهما طاهرتان بطهر الوضوء وأما من أدخل رجليه في الخفين وهما غير طاهرتين بطهر الوضوء فلا يمسح على الخفين ১قال و سئل مالك عن رجل توضأ وعليه خفاه فسها عن المسح على الخفين حتى جف وضوءه وصلى قال ليمسح على خفيه وليعد الصلاة ولا يعيد الوضوء ১و سئل مالك عن رجل غسل قدميه ثم لبس خفيه ثم استأنف الوضوء فقال لينزع خفيه ثم ليتوضأ وليغسل رجليه.
সা’ঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু রুকাইশ আশআরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’ঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু রুকাইশ আশআরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش أنه قال رأيت أنس بن مالك أتى قبا فبال ثم أتي بوضوء فتوضأ فغسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ومسح على الخفين ثم جاء المسجد فصلى ১قال يحيى و سئل مالك عن رجل توضأ وضوء الصلاة ثم لبس خفيه ثم بال ثم نزعهما ثم ردهما في رجليه أيستأنف الوضوء فقال لينزع خفيه وليغسل رجليه وإنما يمسح على الخفين من أدخل رجليه في الخفين وهما طاهرتان بطهر الوضوء وأما من أدخل رجليه في الخفين وهما غير طاهرتين بطهر الوضوء فلا يمسح على الخفين ১قال و سئل مالك عن رجل توضأ وعليه خفاه فسها عن المسح على الخفين حتى جف وضوءه وصلى قال ليمسح على خفيه وليعد الصلاة ولا يعيد الوضوء ১و سئل مالك عن رجل غسل قدميه ثم لبس خفيه ثم استأنف الوضوء فقال لينزع خفيه ثم ليتوضأ وليغسل رجليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মোজা মাসেহ-এর নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতাকে মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। তিনি মোজা মাসেহ করার সময় এর অতিরিক্ত কিছু করতেন না; মোজার উপরের অংশে মাসেহ করতেন, তলদেশ মাসেহ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন মোজা মাসেহ কিভাবে সম্পাদন করতে হয় ইবনু শিহাব তাঁর এক হাত মোজার নিচে দাখিল করলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করলেন। অতঃপর উভয় হাত মাসেহ-এর জন্য চালিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, মোজা মাসেহ-এর ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে ইবনু শিহাবের মতামত আমার কাছে সবচাইতে পছন্দনীয়।
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ ক)-কে দেখেছি, তিনি কোবা আসলেন, তারপর প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে পানি আনা হলে তিনি অযূ করলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, দু’হাত ধুলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মাসেহ করলেন, আর মোজার উপর মাসেহ করলেন, তারপর মসজিদে এলেন এবং নামায আদায় করলেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযূ করেছে নামাযের ওযূর মত, অতঃপর তার মোজা পরিধান করেছে। সে ব্যক্তি নতুন করে ওযূ করবে কি? তিনি বললেন সে মোজা খুলে নিবে। তারপর ওযূ করবে এবং দু’পা ধুবে। যে ব্যক্তি উভয় পা মোজায় ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করেছে, সে ব্যক্তি মোজায় মাসেহ করতে পারবে। আর যে ওযূর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নি সে মোজা মাসেহ করবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে ব্যক্তি ওযূ করেছে তার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মাসেহ করতে ভুলে গিয়েছে। (এই অবস্থায়) তার ওযূ (ওযূর অঙ্গসমূহ) শুকিয়ে গিয়েছে এবং সে নামায আদায় করেছে (তার হুকুম কি?)। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি মোজার উপর মাসেহ করবে এবং নামায নতুন করে আদায় করবে, ওযূ পুনরায় করতে হবে না। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে, যে তার দুই পা (প্রথম) ধুয়েছে, তারপর মোজা পরেছে, অতঃপর ওযূ শুরু করেছে। তিনি বললেন, সে মোজা খুলে ফেলবে, তারপর ওযূ করবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)