মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অযূর পদ্ধতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ أحدكم فليجعل في أنفه ماء ثم لينثر ومن استجمر فليوتر.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন ওযূ করে, তখন সে যেন তার নাকে পানি দেয়, তারপর নাক পরিষ্কার করে, আর যে কুলুখ গ্রহণ করে সে যেন বেজোড় কুলুখ নেয়। (বুখারী ১৬২, মুসলিম ২৩৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন ওযূ করে, তখন সে যেন তার নাকে পানি দেয়, তারপর নাক পরিষ্কার করে, আর যে কুলুখ গ্রহণ করে সে যেন বেজোড় কুলুখ নেয়। (বুখারী ১৬২, মুসলিম ২৩৭)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ أحدكم فليجعل في أنفه ماء ثم لينثر ومن استجمر فليوتر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول في الرجل يتمضمض ويستنثر من غرفة واحدة إنه لا بأس بذلك.

ইয়াহইয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, এক আজলা পানি দ্বারা যে কুলিও করে এবং নাকও পরিষ্কার করে, তার এইরূপ করাতে কোন ক্ষতি নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, এক আজলা পানি দ্বারা যে কুলিও করে এবং নাকও পরিষ্কার করে, তার এইরূপ করাতে কোন ক্ষতি নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول في الرجل يتمضمض ويستنثر من غرفة واحدة إنه لا بأس بذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن محمد بن طحلاء عن عثمان بن عبد الرحمن أن أباه حدثه أنه سمع عمر بن الخطاب يتوضأ بالماء لما تحت إزاره.

আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি শুনেছেন উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) পানি দ্বারা তাঁর ইযারে’র (পায়জামা বা লুঙ্গী) নিচে ধুতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি শুনেছেন উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) পানি দ্বারা তাঁর ইযারে’র (পায়জামা বা লুঙ্গী) নিচে ধুতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن محمد بن طحلاء عن عثمان بن عبد الرحمن أن أباه حدثه أنه سمع عمر بن الخطاب يتوضأ بالماء لما تحت إزاره.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي إدريس الخولاني عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من توضأ فليستنثر ومن استجمر فليوتر.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ওযূ করে সে যেন নাক পরিষ্কার করে আর যে কুলুখ নেয় সে বেজোড় নেবে। (বুখারী ১৬১, মুসলিম ২৩৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ওযূ করে সে যেন নাক পরিষ্কার করে আর যে কুলুখ নেয় সে বেজোড় নেবে। (বুখারী ১৬১, মুসলিম ২৩৭)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي إدريس الخولاني عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من توضأ فليستنثر ومن استجمر فليوتر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال لعبد الله بن زيد بن عاصم وهو جد عمرو بن يحيى المازني وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم هل تستطيع أن تريني كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ فقال عبد الله بن زيد بن عاصم نعم فدعا بوضوء فأفرغ على يده فغسل يديه مرتين مرتين ثم تمضمض واستنثر ثلاثا ثم غسل وجهه ثلاثا ثم غسل يديه مرتين مرتين إلى المرفقين ثم مسح رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر بدأ بمقدم رأسه ثم ذهب بهما إلى قفاه ثم ردهما حتى رجع إلى المكان الذي بدأ منه ثم غسل رجليه.

ইয়াহইয়া মাযনী (র)- থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ওযূ করতেন আপনি আমাকে দেখাতে পারেন কি? আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ পারি। তারপর তিনি পানি আনাইলেন এবং তাঁর হাতের উপর পানি ঢাললেন। তিনি দুই দুইবার তাঁর উভয় হাত ধুইলেন, তারপর কুলি করলেন ও নাক পরিষ্কার করলেন তিনবার। তারপর মুখমণ্ডলকে তিনবার ধুলেন, তারপর কনুই পর্যন্ত উভয় হাত ধুলেন দুই দুইবার। পরে দুই হাত দ্বারা শির মাসেহ করলেন, দু হাত দিয়ে সম্মুখ হতে আরম্ভ করে পিছনের দিকে নিলেন এবং পিছনের দিক হতে আরম্ভ করে সামনের দিকে আনলেন। মাসেহ আরম্ভ করলেন মাথার সামনের দিক হতে। অতঃপর উভয় হাত মাথার পিছনের দিকে নিয়া গেলেন। তারপর উভয় হাত ফিরালেন এবং যে স্থান হতে শুরু করেছিলেন, পুরনায় সেই স্থানেই ফিরিয়ে আনলেন। তারপর তাঁর দুই পা ধুলেন। (বুখারী ১৮৫, মুসলিম ২৩৫)

ইয়াহইয়া মাযনী (র)- থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ওযূ করতেন আপনি আমাকে দেখাতে পারেন কি? আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ পারি। তারপর তিনি পানি আনাইলেন এবং তাঁর হাতের উপর পানি ঢাললেন। তিনি দুই দুইবার তাঁর উভয় হাত ধুইলেন, তারপর কুলি করলেন ও নাক পরিষ্কার করলেন তিনবার। তারপর মুখমণ্ডলকে তিনবার ধুলেন, তারপর কনুই পর্যন্ত উভয় হাত ধুলেন দুই দুইবার। পরে দুই হাত দ্বারা শির মাসেহ করলেন, দু হাত দিয়ে সম্মুখ হতে আরম্ভ করে পিছনের দিকে নিলেন এবং পিছনের দিক হতে আরম্ভ করে সামনের দিকে আনলেন। মাসেহ আরম্ভ করলেন মাথার সামনের দিক হতে। অতঃপর উভয় হাত মাথার পিছনের দিকে নিয়া গেলেন। তারপর উভয় হাত ফিরালেন এবং যে স্থান হতে শুরু করেছিলেন, পুরনায় সেই স্থানেই ফিরিয়ে আনলেন। তারপর তাঁর দুই পা ধুলেন। (বুখারী ১৮৫, মুসলিম ২৩৫)

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال لعبد الله بن زيد بن عاصم وهو جد عمرو بن يحيى المازني وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم هل تستطيع أن تريني كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ فقال عبد الله بن زيد بن عاصم نعم فدعا بوضوء فأفرغ على يده فغسل يديه مرتين مرتين ثم تمضمض واستنثر ثلاثا ثم غسل وجهه ثلاثا ثم غسل يديه مرتين مرتين إلى المرفقين ثم مسح رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر بدأ بمقدم رأسه ثم ذهب بهما إلى قفاه ثم ردهما حتى رجع إلى المكان الذي بدأ منه ثم غسل رجليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن أبي بكر قد دخل على عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يوم مات سعد بن أبي وقاص فدعا بوضوء فقالت له عائشة يا عبد الرحمن أسبغ الوضوء فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويل للأعقاب من النار.

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

নাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) উপস্থিত হলেন, যেদিন সা’দ ইবনু আবূ ওয়াককাস (রাঃ) ইন্তিকাল করেন সেদিন। তারপর তিনি ওযূর পানি চাইলেন। আয়েশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, পূর্ণভাবে ওযূ কর, কারণ আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنْ النَّارِ “পায়ের গিটসমূহের জন্য ধ্বংস নরকাগ্নির। [১] (সহীহ, মুসলিম ২৪০, আয়েশা (রাঃ) থেকে বরাতে বর্ণনা করেন, ইমাম মালিক (রঃ) যে সনদে বর্ণনা করেন সনদটি মুনকাতে মূলত হাদীসটি মুত্তাফাক আলাইহি। বুখারী ৬০, মুসলিম ২৪১)

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

নাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) উপস্থিত হলেন, যেদিন সা’দ ইবনু আবূ ওয়াককাস (রাঃ) ইন্তিকাল করেন সেদিন। তারপর তিনি ওযূর পানি চাইলেন। আয়েশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, পূর্ণভাবে ওযূ কর, কারণ আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنْ النَّارِ “পায়ের গিটসমূহের জন্য ধ্বংস নরকাগ্নির। [১] (সহীহ, মুসলিম ২৪০, আয়েশা (রাঃ) থেকে বরাতে বর্ণনা করেন, ইমাম মালিক (রঃ) যে সনদে বর্ণনা করেন সনদটি মুনকাতে মূলত হাদীসটি মুত্তাফাক আলাইহি। বুখারী ৬০, মুসলিম ২৪১)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن أبي بكر قد دخل على عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يوم مات سعد بن أبي وقاص فدعا بوضوء فقالت له عائشة يا عبد الرحمن أسبغ الوضوء فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويل للأعقاب من النار.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮

قال يحيى و سئل مالك عن رجل نسي أن يتمضمض ويستنثر حتى صلى قال ليس عليه أن يعيد صلاته وليمضمض ويستنثر ما يستقبل إن كان يريد أن يصلي.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি ভুলবশত কুলি করেনি অথবা নাক পরিষ্কার করেনি, এই অবস্থায় সে নামায আদায় করেছে। উত্তরে তিনি বললেন, সে লোকের পক্ষে নামায পুনরায় আদায় করতে হবে না। সে পরে অন্য নামায আদায়ের ইচ্ছা করলে তবে কুলি করিয়া লইবে এবং নাক পরিষ্কার করবে। [১]

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি ভুলবশত কুলি করেনি অথবা নাক পরিষ্কার করেনি, এই অবস্থায় সে নামায আদায় করেছে। উত্তরে তিনি বললেন, সে লোকের পক্ষে নামায পুনরায় আদায় করতে হবে না। সে পরে অন্য নামায আদায়ের ইচ্ছা করলে তবে কুলি করিয়া লইবে এবং নাক পরিষ্কার করবে। [১]

قال يحيى و سئل مالك عن رجل نسي أن يتمضمض ويستنثر حتى صلى قال ليس عليه أن يعيد صلاته وليمضمض ويستنثر ما يستقبل إن كان يريد أن يصلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭

قال يحيى سئل مالك عن رجل توضأ فنسي فغسل وجهه قبل أن يتمضمض أو غسل ذراعيه قبل أن يغسل وجهه فقال أما الذي غسل وجهه قبل أن يتمضمض فليمضمض ولا يعد غسل وجهه وأما الذي غسل ذراعيه قبل وجهه فليغسل وجهه ثم ليعد غسل ذراعيه حتى يكون غسلهما بعد وجهه إذا كان ذلك في مكانه أو بحضرة ذلك.

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্ন করা হল এমন এক লোক সম্পর্কে যে ওযূ করেছে এবং ভুলে কুলি করার আগে মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলেছে অথবা মুখমণ্ডল ধোয়ার আগে ধুয়েছে দুই হাত। তিনি (উত্তরে) বললেন, কুলি করার আগে যে ব্যক্তি মুখমণ্ডল ধুয়েছে সে কুলি করে নিবে এবং পুনরায় আর মুখমণ্ডল ধুবে না। আর যে ব্যক্তি মুখমণ্ডল ধোয়ার পূর্বে তাঁর হস্তদ্বয় ধুয়েছে সে মুখমণ্ডল ধুবে এবং পুনর্বার উভয় হাত ধুবে, যেন হস্তদ্বয় ধোয়ার কাজ মুখমণ্ডল ধোয়ার পরে হয়। তবে উহা তখন করবে যখন সে ওযূর স্থানে অথবা উহার নিকটবর্তী স্থানে থাকে।

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

প্রশ্ন করা হল এমন এক লোক সম্পর্কে যে ওযূ করেছে এবং ভুলে কুলি করার আগে মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলেছে অথবা মুখমণ্ডল ধোয়ার আগে ধুয়েছে দুই হাত। তিনি (উত্তরে) বললেন, কুলি করার আগে যে ব্যক্তি মুখমণ্ডল ধুয়েছে সে কুলি করে নিবে এবং পুনরায় আর মুখমণ্ডল ধুবে না। আর যে ব্যক্তি মুখমণ্ডল ধোয়ার পূর্বে তাঁর হস্তদ্বয় ধুয়েছে সে মুখমণ্ডল ধুবে এবং পুনর্বার উভয় হাত ধুবে, যেন হস্তদ্বয় ধোয়ার কাজ মুখমণ্ডল ধোয়ার পরে হয়। তবে উহা তখন করবে যখন সে ওযূর স্থানে অথবা উহার নিকটবর্তী স্থানে থাকে।

قال يحيى سئل مالك عن رجل توضأ فنسي فغسل وجهه قبل أن يتمضمض أو غسل ذراعيه قبل أن يغسل وجهه فقال أما الذي غسل وجهه قبل أن يتمضمض فليمضمض ولا يعد غسل وجهه وأما الذي غسل ذراعيه قبل وجهه فليغسل وجهه ثم ليعد غسل ذراعيه حتى يكون غسلهما بعد وجهه إذا كان ذلك في مكانه أو بحضرة ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঘুম হতে জেগে ওযূ করে নামায আদায়ের ইচ্ছা করলে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، إذا نام أحدكم مضطجعا فليتوضأ ৮و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن تفسير هذه الآية أن ذلك إذا قمتم من المضاجع يعني النوم.

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তোমাদের কেউ কোন বস্তুর সাথে ঠেস দিয়ে ঘুমালে ওযূ করবে। যায়দ ইবনু আসলাম (রা) এই আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বলেন, { يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ}. এটা সে সময়, যখন শয্যা অর্থাৎ নিদ্রা হতে তোমরা ওঠ। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তোমাদের কেউ কোন বস্তুর সাথে ঠেস দিয়ে ঘুমালে ওযূ করবে। যায়দ ইবনু আসলাম (রা) এই আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে বলেন, { يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ}. এটা সে সময়, যখন শয্যা অর্থাৎ নিদ্রা হতে তোমরা ওঠ। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، إذا نام أحدكم مضطجعا فليتوضأ ৮و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن تفسير هذه الآية أن ذلك إذا قمتم من المضاجع يعني النوم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا استيقظ أحدكم من نومه فليغسل يده قبل أن يدخلها في وضوئه فإن أحدكم لا يدري أين باتت يده.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ ঘুম হতে জেগে উঠলে ওযূর পাত্রে হাত দেওয়ার আগে তাঁর হাত ধুয়ে নিবে, কেননা তার জানানাই তার হাত কোথায় রাত্রি যাপন করেছে। (বুখারী ১৬২, মুসলিম ২৭৮)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ ঘুম হতে জেগে উঠলে ওযূর পাত্রে হাত দেওয়ার আগে তাঁর হাত ধুয়ে নিবে, কেননা তার জানানাই তার হাত কোথায় রাত্রি যাপন করেছে। (বুখারী ১৬২, মুসলিম ২৭৮)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا استيقظ أحدكم من نومه فليغسل يده قبل أن يدخلها في وضوئه فإن أحدكم لا يدري أين باتت يده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১

-قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أنه لا يتوضأ من رعاف ولا من دم ولا من قيح يسيل من الجسد ولا يتوضأ إلا من حدث يخرج من ذكر أو دبر أو نوم৫৮ - و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر كان ينام جالسا ثم يصلي ولا يتوضأ.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের ফয়সালা এই নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হলে, শরীর হতে খুন নির্গত হলে এবং পুঁজ বহির্গত হলে ওযূ করতে হবে না। হাদস যাহাতে ওযূ নষ্ট হয়, এর কারণে অযূ করতে হবে; যা বের হয় গুহ্যদ্বার অথবা জননেন্দ্রীয় হতে অথবা নিদ্রার কারণে। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইবনু উমার (রাঃ) বসা অবস্থায় ঘুমাতেন। অতঃপর ওযূ না করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের ফয়সালা এই নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হলে, শরীর হতে খুন নির্গত হলে এবং পুঁজ বহির্গত হলে ওযূ করতে হবে না। হাদস যাহাতে ওযূ নষ্ট হয়, এর কারণে অযূ করতে হবে; যা বের হয় গুহ্যদ্বার অথবা জননেন্দ্রীয় হতে অথবা নিদ্রার কারণে। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইবনু উমার (রাঃ) বসা অবস্থায় ঘুমাতেন। অতঃপর ওযূ না করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

-قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أنه لا يتوضأ من رعاف ولا من دم ولا من قيح يسيل من الجسد ولا يتوضأ إلا من حدث يخرج من ذكر أو دبر أو نوم৫৮ - و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر كان ينام جالسا ثم يصلي ولا يتوضأ.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ওযূর জন্য পবিত্র পানি ব্যবহার করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৫

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إن كان الرجال والنساء في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليتوضئون جميعا.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে নারী-পুরুষ একসাথে ওযূ করতেন। (সহীহ, বুখারী ১৯৩)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে নারী-পুরুষ একসাথে ওযূ করতেন। (সহীহ, বুখারী ১৯৩)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إن كان الرجال والنساء في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليتوضئون جميعا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২

حدثني يحيى عن مالك عن صفوان بن سليم عن سعيد بن سلمة من آل بني الأزرق عن المغيرة بن أبي بردة وهو من بني عبد الدار أنه سمع أبا هريرة يقول، جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا نركب البحر ونحمل معنا القليل من الماء فإن توضأنا به عطشنا أفنتوضأ به فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو الطهور ماؤه الحل ميتته.

মুগীরা ইবনু আবী বুরদা (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন ঃ এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সাগরে আরোহণ করি (নৌকা বা জাহাজে আরোহণ করি) আর আমাদের সাথে অল্প পানি নিয়ে যাই। যদি আমরা সে পানি দিয়ে ওযূ করি তবে আমরা পিপাসিত থাকব। তাই সমুদ্রের পানি দিয়ে আমরা ওযূ করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন সাগরের পানি অতি পবিত্র। এর মৃত জীব হালাল। (সহীহ আবূ দাউদ ৮৩, তিরমিযী ৬৯, নাসাঈ ৩৩২, ইবনু মাজাহ ৩৮৬, আহমাদ ৭২৩২, আলবানী সহীহ বলেছেন)

মুগীরা ইবনু আবী বুরদা (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন ঃ এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সাগরে আরোহণ করি (নৌকা বা জাহাজে আরোহণ করি) আর আমাদের সাথে অল্প পানি নিয়ে যাই। যদি আমরা সে পানি দিয়ে ওযূ করি তবে আমরা পিপাসিত থাকব। তাই সমুদ্রের পানি দিয়ে আমরা ওযূ করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন সাগরের পানি অতি পবিত্র। এর মৃত জীব হালাল। (সহীহ আবূ দাউদ ৮৩, তিরমিযী ৬৯, নাসাঈ ৩৩২, ইবনু মাজাহ ৩৮৬, আহমাদ ৭২৩২, আলবানী সহীহ বলেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن صفوان بن سليم عن سعيد بن سلمة من آل بني الأزرق عن المغيرة بن أبي بردة وهو من بني عبد الدار أنه سمع أبا هريرة يقول، جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا نركب البحر ونحمل معنا القليل من الماء فإن توضأنا به عطشنا أفنتوضأ به فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو الطهور ماؤه الحل ميتته.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أن عمر بن الخطاب خرج في ركب فيهم عمرو بن العاص حتى وردوا حوضا فقال عمرو بن العاص لصاحب الحوض يا صاحب الحوض هل ترد حوضك السباع فقال عمر بن الخطاب يا صاحب الحوض لا تخبرنا فإنا نرد على السباع وترد علينا.

ইয়াহইয়া ইবনু আবদুর রহমান ইবনু হাতিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এক কাফেলার সাথে বের হলেন। কাফেলায় ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ)-ও শরীক ছিলেন। তাঁরা একটি জলাধারের কাছে অবতরণ করলেন। জলাধারের মালিককে ‘আমর ইবনু ‘আস বললেন, হে জলাধারের মালিক! আপনার জলাধারে চতুষ্পদ জন্তু অবতরণ করে কি? উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) জলাধারের মালিককে বললেন, আপনি (এই বিষয়ে) আমাদেরকে খবর দিবেন না। কারণ আমরা চতুষ্পদ জন্তুসমূহের নিকট বিচরণ করি এবং তারাও আমাদের কাছে বিচরণ করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু আবদুর রহমান ইবনু হাতিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এক কাফেলার সাথে বের হলেন। কাফেলায় ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ)-ও শরীক ছিলেন। তাঁরা একটি জলাধারের কাছে অবতরণ করলেন। জলাধারের মালিককে ‘আমর ইবনু ‘আস বললেন, হে জলাধারের মালিক! আপনার জলাধারে চতুষ্পদ জন্তু অবতরণ করে কি? উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) জলাধারের মালিককে বললেন, আপনি (এই বিষয়ে) আমাদেরকে খবর দিবেন না। কারণ আমরা চতুষ্পদ জন্তুসমূহের নিকট বিচরণ করি এবং তারাও আমাদের কাছে বিচরণ করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أن عمر بن الخطاب خرج في ركب فيهم عمرو بن العاص حتى وردوا حوضا فقال عمرو بن العاص لصاحب الحوض يا صاحب الحوض هل ترد حوضك السباع فقال عمر بن الخطاب يا صاحب الحوض لا تخبرنا فإنا نرد على السباع وترد علينا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৩

و حدثني عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن حميدة بنت عبيد بن رفاعة عن خالتها كبشة بنت كعب بن مالك وكانت تحت ابن أبي قتادة الأنصاري أنها أخبرتها أن أبا قتادة دخل عليها فسكبت له وضوءا فجاءت هرة لتشرب منه فأصغى لها الإناء حتى شربت قالت كبشة فرآني أنظر إليه فقال أتعجبين يا ابنة أخي قالت فقلت نعم فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنها ليست بنجس إنما هي من الطوافين عليكم أو الطوافات قال يحيى قال مالك لا بأس به إلا أن يرى على فمها نجاسة.

কাব্শাহ্ বিনতে কাব ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ কাতাদা (রাঃ) তাঁর কাছে এলেন। কাব্সা তাঁর জন্য ওযূর পানি ঢালতেছিলেন। এমন সময় একটি বিড়াল উহা হতে পানি পানের জন্য এল। আবূ কাতাদা পানির পাত্র এর জন্য কাত করলেন, বিড়াল পানি পান করল। কাবসা বলেন, তিনি আমাকে দেখলেন আমি খুব বিস্ময়ের সাথে তাঁর দিকে দেখতেছি। তাই তিনি বললেন, হে ভাতিজী! তুমি কি আশ্চর্যবোধ করতেছ? আমি (উত্তরে) বললাম হ্যাঁ। তারপর তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিড়াল নাপাক নয়, এটা তোমাদের আশেপাশে যাঁরা অধিক ঘোরাফেরা করে, তাদের অন্তর্ভুক্ত। মালিক (র) বলেন, বিড়ালের মুখে নাজাসত (নাপাকী) না থাকলে উহার মুখ (পাত্রে) দেয়াতে কোন ক্ষতি নেই। (সহীহ, আবূ দাউদ ৭৫, তিরমিযী ৯২, নাসাঈ ৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৬৭, আহমাদ ২২৫৮১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। সহীহ জামে ২৪৩৭)

কাব্শাহ্ বিনতে কাব ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ কাতাদা (রাঃ) তাঁর কাছে এলেন। কাব্সা তাঁর জন্য ওযূর পানি ঢালতেছিলেন। এমন সময় একটি বিড়াল উহা হতে পানি পানের জন্য এল। আবূ কাতাদা পানির পাত্র এর জন্য কাত করলেন, বিড়াল পানি পান করল। কাবসা বলেন, তিনি আমাকে দেখলেন আমি খুব বিস্ময়ের সাথে তাঁর দিকে দেখতেছি। তাই তিনি বললেন, হে ভাতিজী! তুমি কি আশ্চর্যবোধ করতেছ? আমি (উত্তরে) বললাম হ্যাঁ। তারপর তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিড়াল নাপাক নয়, এটা তোমাদের আশেপাশে যাঁরা অধিক ঘোরাফেরা করে, তাদের অন্তর্ভুক্ত। মালিক (র) বলেন, বিড়ালের মুখে নাজাসত (নাপাকী) না থাকলে উহার মুখ (পাত্রে) দেয়াতে কোন ক্ষতি নেই। (সহীহ, আবূ দাউদ ৭৫, তিরমিযী ৯২, নাসাঈ ৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৬৭, আহমাদ ২২৫৮১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। সহীহ জামে ২৪৩৭)

و حدثني عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن حميدة بنت عبيد بن رفاعة عن خالتها كبشة بنت كعب بن مالك وكانت تحت ابن أبي قتادة الأنصاري أنها أخبرتها أن أبا قتادة دخل عليها فسكبت له وضوءا فجاءت هرة لتشرب منه فأصغى لها الإناء حتى شربت قالت كبشة فرآني أنظر إليه فقال أتعجبين يا ابنة أخي قالت فقلت نعم فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنها ليست بنجس إنما هي من الطوافين عليكم أو الطوافات قال يحيى قال مالك لا بأس به إلا أن يرى على فمها نجاسة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাতে ওযূ ওয়াজিব হয় না

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৭

و حدثني عن مالك أنه رأى ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقلس مرارا وهو في المسجد فلا ينصرف ولا يتوضأ حتى يصلي ৬৭-قال يحيى و سئل مالك عن رجل قلس طعاما هل عليه وضوء فقال ليس عليه وضوء وليتمضمض من ذلك وليغسل فاه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রবী’আ ইবনু আবদুর রহমানকে কয়েকবার উদর হতে পানি বমি করতে দেখেছেন, তখন তিনি ছিলেন মসজিদে। তিনি অতঃপর নামায আদায় করা পর্যন্ত মসজিদ হতে বেরও হতেন না এবং ওযূও করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হয়েছে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি খাদ্যবস্তু বমি করেছে, তার জন্য ওযূ ওয়াজিব হবে কি? তিনি বললেন, তার জন্য ওযূ ওয়াজিব নহে, এর জন্য সে কুলি করবে এবং তার মুখ ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রবী’আ ইবনু আবদুর রহমানকে কয়েকবার উদর হতে পানি বমি করতে দেখেছেন, তখন তিনি ছিলেন মসজিদে। তিনি অতঃপর নামায আদায় করা পর্যন্ত মসজিদ হতে বেরও হতেন না এবং ওযূও করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হয়েছে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি খাদ্যবস্তু বমি করেছে, তার জন্য ওযূ ওয়াজিব হবে কি? তিনি বললেন, তার জন্য ওযূ ওয়াজিব নহে, এর জন্য সে কুলি করবে এবং তার মুখ ধুবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه رأى ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقلس مرارا وهو في المسجد فلا ينصرف ولا يتوضأ حتى يصلي ৬৭-قال يحيى و سئل مالك عن رجل قلس طعاما هل عليه وضوء فقال ليس عليه وضوء وليتمضمض من ذلك وليغسل فاه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر حنط ابنا لسعيد بن زيد وحمله ثم دخل المسجد فصلى ولم يتوضأ ৬৯-قال يحيى و سئل مالك هل في القيء وضوء قال لا ولكن ليتمضمض من ذلك وليغسل فاه وليس عليه وضوء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সাঈদ ইবনু যায়দ-এর এক (মৃত) পুত্রকে হানূত (এক প্রকারের খোশবু, যা মৃত ব্যক্তিকে লাগানোর জন্য তৈরি করা হয়।) লাগালেন এবং তাঁর লাশ বহন করলেন, অতঃপর ওযূ না করে মসজিদে প্রবেশ করে তিনি নামায আদায় করলেন। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল, বমি করলে ওযূ করতে হবে কি? তিনি বললেন, না। তবে এর জন্য কুলি করবে এবং তাঁর মুখ ধুবে। তার উপর ওযূ ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সাঈদ ইবনু যায়দ-এর এক (মৃত) পুত্রকে হানূত (এক প্রকারের খোশবু, যা মৃত ব্যক্তিকে লাগানোর জন্য তৈরি করা হয়।) লাগালেন এবং তাঁর লাশ বহন করলেন, অতঃপর ওযূ না করে মসজিদে প্রবেশ করে তিনি নামায আদায় করলেন। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল, বমি করলে ওযূ করতে হবে কি? তিনি বললেন, না। তবে এর জন্য কুলি করবে এবং তাঁর মুখ ধুবে। তার উপর ওযূ ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر حنط ابنا لسعيد بن زيد وحمله ثم دخل المسجد فصلى ولم يتوضأ ৬৯-قال يحيى و سئل مالك هل في القيء وضوء قال لا ولكن ليتمضمض من ذلك وليغسل فاه وليس عليه وضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৬

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن عمارة عن محمد بن إبراهيم عن أم ولد لإبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف أنها سألت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت، إني امرأة أطيل ذيلي وأمشي في المكان القذر قالت أم سلمة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يطهره ما بعده.

ইবরাহীম ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (র)- থেকে বর্নিতঃ

উম্মে ওয়ালাদ (তাঁর নাম হুমায়দা বলা হয়েছে) হতে বর্ণিত; তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে-সালমা (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমি একজন স্ত্রীলোক। আমি আমার কাপড়ের ঝুল লম্বা রাখি আর আমি কোন কোন সময় চলাফেরা করি আবর্জনাযুক্ত স্থান দিয়ে। উম্মে-সালমা (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কাপড়ের ঝুলকে আবর্জনাযুক্ত রাস্তার পরবর্তী স্থান পবিত্র করে দেবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৮৩, তিরমিযী ১৪৩, ইবনু মাজাহ ৫৩১, আহমাদ ২৬৫৩১, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৫০৪)

ইবরাহীম ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (র)- থেকে বর্নিতঃ

উম্মে ওয়ালাদ (তাঁর নাম হুমায়দা বলা হয়েছে) হতে বর্ণিত; তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে-সালমা (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমি একজন স্ত্রীলোক। আমি আমার কাপড়ের ঝুল লম্বা রাখি আর আমি কোন কোন সময় চলাফেরা করি আবর্জনাযুক্ত স্থান দিয়ে। উম্মে-সালমা (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কাপড়ের ঝুলকে আবর্জনাযুক্ত রাস্তার পরবর্তী স্থান পবিত্র করে দেবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৮৩, তিরমিযী ১৪৩, ইবনু মাজাহ ৫৩১, আহমাদ ২৬৫৩১, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৫০৪)

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن عمارة عن محمد بن إبراهيم عن أم ولد لإبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف أنها سألت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت، إني امرأة أطيل ذيلي وأمشي في المكان القذر قالت أم سلمة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يطهره ما بعده.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00