মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দ্বিপ্রহরে (প্রখর রৌদ্রতাপে) নামায আদায় নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায় তখন তোমরা নামায দেরি করে আদায় কর। কারণ গ্রীষ্মের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। (বুখারী ৫৩৪, মুসলিম ৬১৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায় তখন তোমরা নামায দেরি করে আদায় কর। কারণ গ্রীষ্মের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। (বুখারী ৫৩৪, মুসলিম ৬১৫)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৭
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة وقال اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا فأذن لها بنفسين في كل عام نفس في الشتاء ونفس في الصيف.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জাহান্নামের মূল হতেই প্রখর গ্রীষ্মের উৎপত্তি। তাই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের সময় নামায দেরিতে আদায় কর। তিনি আরও বললেন, (জাহান্নামের) অগ্নি তাঁর নিকট ফরিয়াদ জানিয়ে বলল, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলল। অতঃপর (আল্লাহ তা’আলা) উহাকে বছরে দু’বার শ্বাস ছাড়ার অনুমতি দিলেন-এক শ্বাস শীতকালে আর অপর শ্বাস গ্রীষ্মে। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন, এবং এই হাদীসের সমর্থনে মুয়াত্তা, বুখারী মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে হাদীস পাওয়া যায়)
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জাহান্নামের মূল হতেই প্রখর গ্রীষ্মের উৎপত্তি। তাই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের সময় নামায দেরিতে আদায় কর। তিনি আরও বললেন, (জাহান্নামের) অগ্নি তাঁর নিকট ফরিয়াদ জানিয়ে বলল, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলল। অতঃপর (আল্লাহ তা’আলা) উহাকে বছরে দু’বার শ্বাস ছাড়ার অনুমতি দিলেন-এক শ্বাস শীতকালে আর অপর শ্বাস গ্রীষ্মে। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন, এবং এই হাদীসের সমর্থনে মুয়াত্তা, বুখারী মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে হাদীস পাওয়া যায়)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة وقال اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا فأذن لها بنفسين في كل عام نفس في الشتاء ونفس في الصيف.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৮
و حدثنا مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وعن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم وذكر أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্ম প্রখর হয় সেই সময় নামায দেরি করে (গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা যখন কমে যায় তখন) আদায় কর। কারণ গরমের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। তিনি (আরও) উল্লেখ করলেন জাহান্নাম (উহার আগুন) তার পরওয়ারদিগারের নিকট ফরিয়াদ জানাল। ফলে আল্লাহ তা’আলা উহার জন্য প্রতি বৎসর দুইটি শ্বাসের অনুমতি দিলেন, একটি শ্বাস শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। (ছহীহ, মুসলিম ৬১৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্ম প্রখর হয় সেই সময় নামায দেরি করে (গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা যখন কমে যায় তখন) আদায় কর। কারণ গরমের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। তিনি (আরও) উল্লেখ করলেন জাহান্নাম (উহার আগুন) তার পরওয়ারদিগারের নিকট ফরিয়াদ জানাল। ফলে আল্লাহ তা’আলা উহার জন্য প্রতি বৎসর দুইটি শ্বাসের অনুমতি দিলেন, একটি শ্বাস শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। (ছহীহ, মুসলিম ৬১৭)
و حدثنا مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وعن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم وذكر أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে মুখ ঢেকে রাখা ও পিয়াজের গন্ধসহ মসজিদে প্রবেশ করা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أكل من هذه الشجرة فلا يقرب مساجدنا يؤذينا بريح الثوم.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে এই উদ্ভিদ হতে আহার করে সে আমাদের মসজিদ সমূহের নিকটে যেন না আসে, পিয়াজের গন্ধ আমাদের কষ্ট দিবে। (সহীহ, মুসলিম ৫৬৩, তবে মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ২و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُجَبَّرِ أَنَّهُ كَانَ يَرَى سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ إِذَا رَأَى الْإِنْسَانَ يُغَطِّي فَاهُ وَهُوَ يُصَلِّي جَبَذَ الثَّوْبَ عَنْ فِيهِ جَبْذًا شَدِيدًا حَتَّى يَنْزِعَهُ عَنْ فِيهِ. সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) কোন লোককে নামাযে মুখাবৃত দেখলে খুব জোরে কাপড় (মুখ হতে) টেনে নিতেন। এমন কি মুখ হতে কাপড় ছিনিয়ে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে এই উদ্ভিদ হতে আহার করে সে আমাদের মসজিদ সমূহের নিকটে যেন না আসে, পিয়াজের গন্ধ আমাদের কষ্ট দিবে। (সহীহ, মুসলিম ৫৬৩, তবে মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ২و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُجَبَّرِ أَنَّهُ كَانَ يَرَى سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ إِذَا رَأَى الْإِنْسَانَ يُغَطِّي فَاهُ وَهُوَ يُصَلِّي جَبَذَ الثَّوْبَ عَنْ فِيهِ جَبْذًا شَدِيدًا حَتَّى يَنْزِعَهُ عَنْ فِيهِ. সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) কোন লোককে নামাযে মুখাবৃত দেখলে খুব জোরে কাপড় (মুখ হতে) টেনে নিতেন। এমন কি মুখ হতে কাপড় ছিনিয়ে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أكل من هذه الشجرة فلا يقرب مساجدنا يؤذينا بريح الثوم.