মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামায হতে নিদ্রায় থাকা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৫

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قفل من خيبر أسرى حتى إذا كان من آخر الليل عرس وقال لبلال اكلأ لنا الصبح ونام رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه وكلأ بلال ما قدر له ثم استند إلى راحلته وهو مقابل الفجر فغلبته عيناه فلم يستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا بلال ولا أحد من الركب حتى ضربتهم الشمس ففزع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بلال يا رسول الله أخذ بنفسي الذي أخذ بنفسك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقتادوا فبعثوا رواحلهم واقتادوا شيئا ثم أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا فأقام الصلاة فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح ثم قال حين قضى الصلاة من نسي الصلاة فليصلها إذا ذكرها فإن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { أقم الصلاة لذكري }

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বর হতে ফিরে আসার সময় রাত্রিবেলা পথ চললেন; যখন রাত্রের শেষ সময় হল তিনি (নিদ্রার জন্য) অবতরণ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে বললেন, ‘তুমি প্রত্যুষের প্রতি লক্ষ রাখ (ভোর হলে আমাদেরকে জাগিয়ে দেবে)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ ঘুমিয়ে পড়লেন। বিলাল (রাঃ) যথাসাধ্য লক্ষ রাখতে লাগলেন। অতঃপর উটের হাওদার সাথে ঠেস দিয়ে ভোরের আলোর উদয়ের স্থানকে সামনে রেখে বসলেন। হঠাৎ তাঁর উপর নিদ্রা ভর করল। এই অবস্থায় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, বিলাল এবং কাফিলার অন্য কেউ উঠলেন না যতক্ষণ না সূর্যকিরণ তাঁদের উপর পতিত হল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘাবড়ে গেলেন; তারপর বললেন বিলাল! এটা কি? বিলাল বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনাকে যিনি ঘুম পাড়িয়েছেন তিনি আমাকেও ঘুম পাড়িয়েছেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা উট চালিত কর (এবং স্থানান্তরিত হও)। তাঁরা উটগুলিকে উঠালেন এবং কিছুদূর চললেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে নির্দেশ দিলেন (ইকামত বলার জন্য)। তিনি ইকামত বললেন, তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে ফজরের নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, যে নামাযকে ভুলিয়া যায় (অর্থাৎ নামায হতে গাফিল হয় নিদ্রা অথবা ভূলের কারণে) নামাযের কথা স্মরণ হওয়ার পর সে তা আদায় করে নিবে। কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, أَقِمْ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي “আমার স্বরণার্থে নামায কায়েম কর।” (ছহীহ মুসলিম ৬৮০, আর ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বর হতে ফিরে আসার সময় রাত্রিবেলা পথ চললেন; যখন রাত্রের শেষ সময় হল তিনি (নিদ্রার জন্য) অবতরণ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে বললেন, ‘তুমি প্রত্যুষের প্রতি লক্ষ রাখ (ভোর হলে আমাদেরকে জাগিয়ে দেবে)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ ঘুমিয়ে পড়লেন। বিলাল (রাঃ) যথাসাধ্য লক্ষ রাখতে লাগলেন। অতঃপর উটের হাওদার সাথে ঠেস দিয়ে ভোরের আলোর উদয়ের স্থানকে সামনে রেখে বসলেন। হঠাৎ তাঁর উপর নিদ্রা ভর করল। এই অবস্থায় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, বিলাল এবং কাফিলার অন্য কেউ উঠলেন না যতক্ষণ না সূর্যকিরণ তাঁদের উপর পতিত হল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘাবড়ে গেলেন; তারপর বললেন বিলাল! এটা কি? বিলাল বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনাকে যিনি ঘুম পাড়িয়েছেন তিনি আমাকেও ঘুম পাড়িয়েছেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা উট চালিত কর (এবং স্থানান্তরিত হও)। তাঁরা উটগুলিকে উঠালেন এবং কিছুদূর চললেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে নির্দেশ দিলেন (ইকামত বলার জন্য)। তিনি ইকামত বললেন, তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে ফজরের নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, যে নামাযকে ভুলিয়া যায় (অর্থাৎ নামায হতে গাফিল হয় নিদ্রা অথবা ভূলের কারণে) নামাযের কথা স্মরণ হওয়ার পর সে তা আদায় করে নিবে। কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, أَقِمْ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي “আমার স্বরণার্থে নামায কায়েম কর।” (ছহীহ মুসলিম ৬৮০, আর ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قفل من خيبر أسرى حتى إذا كان من آخر الليل عرس وقال لبلال اكلأ لنا الصبح ونام رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه وكلأ بلال ما قدر له ثم استند إلى راحلته وهو مقابل الفجر فغلبته عيناه فلم يستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا بلال ولا أحد من الركب حتى ضربتهم الشمس ففزع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بلال يا رسول الله أخذ بنفسي الذي أخذ بنفسك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقتادوا فبعثوا رواحلهم واقتادوا شيئا ثم أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا فأقام الصلاة فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح ثم قال حين قضى الصلاة من نسي الصلاة فليصلها إذا ذكرها فإن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { أقم الصلاة لذكري }


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৬

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أنه قال عرس رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة بطريق مكة ووكل بلالا أن يوقظهم للصلاة فرقد بلال ورقدوا حتى استيقظوا وقد طلعت عليهم الشمس فاستيقظ القوم وقد فزعوا فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يركبوا حتى يخرجوا من ذلك الوادي وقال إن هذا واد به شيطان فركبوا حتى خرجوا من ذلك الوادي ثم أمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينزلوا وأن يتوضئوا وأمر بلالا أن ينادي بالصلاة أو يقيم فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس ثم انصرف إليهم وقد رأى من فزعهم فقال يا أيها الناس إن الله قبض أرواحنا ولو شاء لردها إلينا في حين غير هذا فإذا رقد أحدكم عن الصلاة أو نسيها ثم فزع إليها فليصلها كما كان يصليها في وقتها ثم التفت رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر فقال إن الشيطان أتى بلالا وهو قائم يصلي فأضجعه فلم يزل يهدئه كما يهدأ الصبي حتى نام ثم دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا فأخبر بلال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل الذي أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر فقال أبو بكر أشهد أنك رسول الله.

যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার পথে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার বিশ্রাম গ্রহণের জন্য) রাত্রিতে অবতরণ করলেন এবং বিলালকে নামাযের জন্য জাগিয়ে দেয়ার দায়িত্বে নিযুক্ত করলেন। তারপর বিলাল ঘুমালেন এবং অন্য সকলেও ঘুমালেন। এমন কি তাঁরা জেগে উঠলেন সূর্য ওঠার পর। হতচকিত অবস্থায় দলের লোকজন জাগ্রত হলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে সওয়ার হওয়ার এবং সেই উপত্যকা হতে বাহিরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। আর তিনি বললেন, এই উপত্যকায় অবশ্যই শয়তান রয়েছে। তারপর তাঁরা সওয়ার হলেন এবং সেই উপত্যকা হতে বের হয়ে গেলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে অবতরণ এবং ওযূ করার নির্দেশ দিলেন। আর বিলালকে নামাযের জন্য আযান অথবা ইকামত বলার হুকুম করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকজনকে নামায আদায় করালেন। তারপর তাঁদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং তাঁদের ঘাবড়ানোর অবস্থা অনুধাবন করলেন। তখন তিনি বললেন, হে লোকসমাজ! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহকে কাবু করেছিলেন, আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন এই সময় ব্যতীত ভিন্ন সময়ে আত্মাসমূহকে আমাদের নিকট ফেরত দিতে পারতেন। যদি তোমাদের কেউ নামায হতে ঘুমিয়ে পড় অথবা উহাকে ভুলে যাও, অতঃপর হঠাৎ নামাযের কথা স্মরণ হয়, তবে সেই নামাযকে উহার নির্ধারিত সময়ে যেভাবে আদায় করতে সেভাবে আদায় করবে। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রা)-এর দিকে দৃষ্টি করলেন। তারপর বললেন, বিলাল যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করতেছিল তখন তাঁর কাছে শয়তান আসিল এবং তাঁকে ঠেস দেওয়াইয়া বসাইল এবং শিশুকে যেভাবে (থাপি দিয়া) শান্ত করা হয় ও ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে তাঁর সঙ্গে বারবার করতে থাকিল। এমন কি (শেষ পর্যন্ত) বিলাল ঘুমিয়ে পড়ল। তাঁরপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে আহ্বান করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ)-কে যেরূপ বলেছিলেন বিলালও অনুরূপ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করলেন। উহা শুনে আবূ বকর (রা;) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূল। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন তবে এই হাদীসকে পূর্বের হাদীস ছাড়াও অন্যান্য হাদীস এর সমর্থনে পাওয়া যায়)

যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার পথে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার বিশ্রাম গ্রহণের জন্য) রাত্রিতে অবতরণ করলেন এবং বিলালকে নামাযের জন্য জাগিয়ে দেয়ার দায়িত্বে নিযুক্ত করলেন। তারপর বিলাল ঘুমালেন এবং অন্য সকলেও ঘুমালেন। এমন কি তাঁরা জেগে উঠলেন সূর্য ওঠার পর। হতচকিত অবস্থায় দলের লোকজন জাগ্রত হলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে সওয়ার হওয়ার এবং সেই উপত্যকা হতে বাহিরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। আর তিনি বললেন, এই উপত্যকায় অবশ্যই শয়তান রয়েছে। তারপর তাঁরা সওয়ার হলেন এবং সেই উপত্যকা হতে বের হয়ে গেলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে অবতরণ এবং ওযূ করার নির্দেশ দিলেন। আর বিলালকে নামাযের জন্য আযান অথবা ইকামত বলার হুকুম করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকজনকে নামায আদায় করালেন। তারপর তাঁদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং তাঁদের ঘাবড়ানোর অবস্থা অনুধাবন করলেন। তখন তিনি বললেন, হে লোকসমাজ! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহকে কাবু করেছিলেন, আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন এই সময় ব্যতীত ভিন্ন সময়ে আত্মাসমূহকে আমাদের নিকট ফেরত দিতে পারতেন। যদি তোমাদের কেউ নামায হতে ঘুমিয়ে পড় অথবা উহাকে ভুলে যাও, অতঃপর হঠাৎ নামাযের কথা স্মরণ হয়, তবে সেই নামাযকে উহার নির্ধারিত সময়ে যেভাবে আদায় করতে সেভাবে আদায় করবে। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রা)-এর দিকে দৃষ্টি করলেন। তারপর বললেন, বিলাল যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করতেছিল তখন তাঁর কাছে শয়তান আসিল এবং তাঁকে ঠেস দেওয়াইয়া বসাইল এবং শিশুকে যেভাবে (থাপি দিয়া) শান্ত করা হয় ও ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে তাঁর সঙ্গে বারবার করতে থাকিল। এমন কি (শেষ পর্যন্ত) বিলাল ঘুমিয়ে পড়ল। তাঁরপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে আহ্বান করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ)-কে যেরূপ বলেছিলেন বিলালও অনুরূপ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করলেন। উহা শুনে আবূ বকর (রা;) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূল। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন তবে এই হাদীসকে পূর্বের হাদীস ছাড়াও অন্যান্য হাদীস এর সমর্থনে পাওয়া যায়)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أنه قال عرس رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة بطريق مكة ووكل بلالا أن يوقظهم للصلاة فرقد بلال ورقدوا حتى استيقظوا وقد طلعت عليهم الشمس فاستيقظ القوم وقد فزعوا فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يركبوا حتى يخرجوا من ذلك الوادي وقال إن هذا واد به شيطان فركبوا حتى خرجوا من ذلك الوادي ثم أمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينزلوا وأن يتوضئوا وأمر بلالا أن ينادي بالصلاة أو يقيم فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس ثم انصرف إليهم وقد رأى من فزعهم فقال يا أيها الناس إن الله قبض أرواحنا ولو شاء لردها إلينا في حين غير هذا فإذا رقد أحدكم عن الصلاة أو نسيها ثم فزع إليها فليصلها كما كان يصليها في وقتها ثم التفت رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر فقال إن الشيطان أتى بلالا وهو قائم يصلي فأضجعه فلم يزل يهدئه كما يهدأ الصبي حتى نام ثم دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا فأخبر بلال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل الذي أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر فقال أبو بكر أشهد أنك رسول الله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দ্বিপ্রহরে (প্রখর রৌদ্রতাপে) নামায আদায় নিষেধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায় তখন তোমরা নামায দেরি করে আদায় কর। কারণ গ্রীষ্মের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। (বুখারী ৫৩৪, মুসলিম ৬১৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা বৃদ্ধি পায় তখন তোমরা নামায দেরি করে আদায় কর। কারণ গ্রীষ্মের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। (বুখারী ৫৩৪, মুসলিম ৬১৫)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৭

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة وقال اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا فأذن لها بنفسين في كل عام نفس في الشتاء ونفس في الصيف.

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জাহান্নামের মূল হতেই প্রখর গ্রীষ্মের উৎপত্তি। তাই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের সময় নামায দেরিতে আদায় কর। তিনি আরও বললেন, (জাহান্নামের) অগ্নি তাঁর নিকট ফরিয়াদ জানিয়ে বলল, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলল। অতঃপর (আল্লাহ তা’আলা) উহাকে বছরে দু’বার শ্বাস ছাড়ার অনুমতি দিলেন-এক শ্বাস শীতকালে আর অপর শ্বাস গ্রীষ্মে। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন, এবং এই হাদীসের সমর্থনে মুয়াত্তা, বুখারী মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে হাদীস পাওয়া যায়)

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জাহান্নামের মূল হতেই প্রখর গ্রীষ্মের উৎপত্তি। তাই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের সময় নামায দেরিতে আদায় কর। তিনি আরও বললেন, (জাহান্নামের) অগ্নি তাঁর নিকট ফরিয়াদ জানিয়ে বলল, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলল। অতঃপর (আল্লাহ তা’আলা) উহাকে বছরে দু’বার শ্বাস ছাড়ার অনুমতি দিলেন-এক শ্বাস শীতকালে আর অপর শ্বাস গ্রীষ্মে। (মালিক (রঃ) একাই বর্ণনা করেছেন, এবং এই হাদীসের সমর্থনে মুয়াত্তা, বুখারী মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে হাদীস পাওয়া যায়)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة وقال اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا فأذن لها بنفسين في كل عام نفس في الشتاء ونفس في الصيف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৮

و حدثنا مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وعن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم وذكر أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্ম প্রখর হয় সেই সময় নামায দেরি করে (গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা যখন কমে যায় তখন) আদায় কর। কারণ গরমের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। তিনি (আরও) উল্লেখ করলেন জাহান্নাম (উহার আগুন) তার পরওয়ারদিগারের নিকট ফরিয়াদ জানাল। ফলে আল্লাহ তা’আলা উহার জন্য প্রতি বৎসর দুইটি শ্বাসের অনুমতি দিলেন, একটি শ্বাস শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। (ছহীহ, মুসলিম ৬১৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন গ্রীষ্ম প্রখর হয় সেই সময় নামায দেরি করে (গ্রীষ্মের প্রচণ্ডতা যখন কমে যায় তখন) আদায় কর। কারণ গরমের প্রখরতার উৎপত্তি জাহান্নামের মূল হতেই। তিনি (আরও) উল্লেখ করলেন জাহান্নাম (উহার আগুন) তার পরওয়ারদিগারের নিকট ফরিয়াদ জানাল। ফলে আল্লাহ তা’আলা উহার জন্য প্রতি বৎসর দুইটি শ্বাসের অনুমতি দিলেন, একটি শ্বাস শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। (ছহীহ, মুসলিম ৬১৭)

و حدثنا مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وعن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم وذكر أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে মুখ ঢেকে রাখা ও পিয়াজের গন্ধসহ মসজিদে প্রবেশ করা নিষেধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أكل من هذه الشجرة فلا يقرب مساجدنا يؤذينا بريح الثوم.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে এই উদ্ভিদ হতে আহার করে সে আমাদের মসজিদ সমূহের নিকটে যেন না আসে, পিয়াজের গন্ধ আমাদের কষ্ট দিবে। (সহীহ, মুসলিম ৫৬৩, তবে মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ২و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُجَبَّرِ أَنَّهُ كَانَ يَرَى سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ إِذَا رَأَى الْإِنْسَانَ يُغَطِّي فَاهُ وَهُوَ يُصَلِّي جَبَذَ الثَّوْبَ عَنْ فِيهِ جَبْذًا شَدِيدًا حَتَّى يَنْزِعَهُ عَنْ فِيهِ. সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) কোন লোককে নামাযে মুখাবৃত দেখলে খুব জোরে কাপড় (মুখ হতে) টেনে নিতেন। এমন কি মুখ হতে কাপড় ছিনিয়ে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে এই উদ্ভিদ হতে আহার করে সে আমাদের মসজিদ সমূহের নিকটে যেন না আসে, পিয়াজের গন্ধ আমাদের কষ্ট দিবে। (সহীহ, মুসলিম ৫৬৩, তবে মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ২و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُجَبَّرِ أَنَّهُ كَانَ يَرَى سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ إِذَا رَأَى الْإِنْسَانَ يُغَطِّي فَاهُ وَهُوَ يُصَلِّي جَبَذَ الثَّوْبَ عَنْ فِيهِ جَبْذًا شَدِيدًا حَتَّى يَنْزِعَهُ عَنْ فِيهِ. সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) কোন লোককে নামাযে মুখাবৃত দেখলে খুব জোরে কাপড় (মুখ হতে) টেনে নিতেন। এমন কি মুখ হতে কাপড় ছিনিয়ে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أكل من هذه الشجرة فلا يقرب مساجدنا يؤذينا بريح الثوم.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00