হাদিস সম্ভার > যুদ্ধলব্ধ সম্পদে খিয়ানত

হাদিস সম্ভার ২০০৩

عن زيد بن خالد الجهنى أن رجلا من أصحاب النبى صلى اللٰه عليه وسلم توفى يوم خيبر فذكروا ذلك لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فقال إن صاحبكم غل فى سبيل الله ففتشنا متاعه فوجدنا خرزا من خرز يهود لا يساوى درهمين

খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর এক সহচরের মৃত্যু হলে সে কথা তাঁর নিকট উল্লেখ করা হল। তিনি বললেন, “তোমরা তোমাদের সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও।” এ কথা শুনে লোকেদের চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেন, “তোমাদের ঐ সঙ্গী আল্লাহর পথে খেয়ানত করেছে। (তাই আমি ওর জানাযা পড়ব না।)” আমরা তার আসবাব-পত্রের তল্লাশী নিলাম, এর ফলে তাতে আমরা ইয়াহুদীদের ব্যবহৃত একটি মাত্র মালা পেলাম; যার মূল্য দুই দিরহামও নয়! (মালিক, আহমাদ ৪/১১৪, আবূ দাঊদ ২৭১২ নং, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহকামুল জানাইয, আলবানী ৭৯ ও ৮৫পৃঃ)

খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর এক সহচরের মৃত্যু হলে সে কথা তাঁর নিকট উল্লেখ করা হল। তিনি বললেন, “তোমরা তোমাদের সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও।” এ কথা শুনে লোকেদের চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেন, “তোমাদের ঐ সঙ্গী আল্লাহর পথে খেয়ানত করেছে। (তাই আমি ওর জানাযা পড়ব না।)” আমরা তার আসবাব-পত্রের তল্লাশী নিলাম, এর ফলে তাতে আমরা ইয়াহুদীদের ব্যবহৃত একটি মাত্র মালা পেলাম; যার মূল্য দুই দিরহামও নয়! (মালিক, আহমাদ ৪/১১৪, আবূ দাঊদ ২৭১২ নং, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহকামুল জানাইয, আলবানী ৭৯ ও ৮৫পৃঃ)

عن زيد بن خالد الجهنى أن رجلا من أصحاب النبى صلى اللٰه عليه وسلم توفى يوم خيبر فذكروا ذلك لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فقال إن صاحبكم غل فى سبيل الله ففتشنا متاعه فوجدنا خرزا من خرز يهود لا يساوى درهمين


হাদিস সম্ভার ২০০১

عن عبد الله بن عمرو قال كان على ثقل النبي صلى اللٰه عليه وسلم رجل يقال له كركرة فمات فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هو في النار فذهبوا ينظرون إليه فوجدوا عباءة قد غلها

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর গনীমতের (যুদ্ধলব্ধ) মাল দেখাশুনা করার জন্য কিরকিরাহ (বা কারকারাহ) নামক এক ব্যক্তি নিযুক্ত ছিল। সে মারা গেলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ও তো জাহান্নামী!” (একথা শুনে) তার ব্যাপার দেখতে সকলে তার নিকট উপস্থিত হল; দেখল, একটি আলখাল্লা সে খেয়ানত করে রেখে নিয়েছিল। (বুখারী ৩০৭৪, ইবনে মাজাহ ২৮৪৯ নং)

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর গনীমতের (যুদ্ধলব্ধ) মাল দেখাশুনা করার জন্য কিরকিরাহ (বা কারকারাহ) নামক এক ব্যক্তি নিযুক্ত ছিল। সে মারা গেলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ও তো জাহান্নামী!” (একথা শুনে) তার ব্যাপার দেখতে সকলে তার নিকট উপস্থিত হল; দেখল, একটি আলখাল্লা সে খেয়ানত করে রেখে নিয়েছিল। (বুখারী ৩০৭৪, ইবনে মাজাহ ২৮৪৯ নং)

عن عبد الله بن عمرو قال كان على ثقل النبي صلى اللٰه عليه وسلم رجل يقال له كركرة فمات فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هو في النار فذهبوا ينظرون إليه فوجدوا عباءة قد غلها


হাদিস সম্ভার ২০০২

عن عبادة بن الصامت قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم حنين إلى جنب بعير من المقاسم ثم تناول شيئا من البعير فأخذ منه قردة يعنى وبرة فجعل بين إصبعيه ثم قال يا أيها الناس إن هذا من غنائمكم أدوا الخيط والمخيط فما فوق ذلك فما دون ذلك فإن الغلول عار على أهله يوم القيامة وشنار ونار

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুনাইনের দিন গনীমতের একটি উটের পাশে আমাদেরকে নিয়ে নামায পড়লেন। অতঃপর তিনি হাত বাড়িয়ে উট থেকে কিছু গ্রহণ করলেন। বুঝা গেল, তিনি কিছু লোম হাতে নিয়েছেন। অতঃপর তা দুটি আঙ্গুলের মাঝে রেখে বললেন, “হে লোক সকল! এ হল তোমাদের গনীমতের মাল। সুতা অথবা ছুঁচ, এর চাইতে কোন বেশী দামের জিনিস অথবা কম দামের জিনিস তোমরা আদায় (জমা) করে দাও। কেন না, গনীমতের মালে খেয়ানত হল কিয়ামতের দিন লাঞ্ছনা, কলঙ্ক ও দোযখ যাওয়ার কারণ।” (ইবনে মাজাহ ২৮৫০, সিলসিলা সহীহাহ ৯৮৫ নং)

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুনাইনের দিন গনীমতের একটি উটের পাশে আমাদেরকে নিয়ে নামায পড়লেন। অতঃপর তিনি হাত বাড়িয়ে উট থেকে কিছু গ্রহণ করলেন। বুঝা গেল, তিনি কিছু লোম হাতে নিয়েছেন। অতঃপর তা দুটি আঙ্গুলের মাঝে রেখে বললেন, “হে লোক সকল! এ হল তোমাদের গনীমতের মাল। সুতা অথবা ছুঁচ, এর চাইতে কোন বেশী দামের জিনিস অথবা কম দামের জিনিস তোমরা আদায় (জমা) করে দাও। কেন না, গনীমতের মালে খেয়ানত হল কিয়ামতের দিন লাঞ্ছনা, কলঙ্ক ও দোযখ যাওয়ার কারণ।” (ইবনে মাজাহ ২৮৫০, সিলসিলা সহীহাহ ৯৮৫ নং)

عن عبادة بن الصامت قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم حنين إلى جنب بعير من المقاسم ثم تناول شيئا من البعير فأخذ منه قردة يعنى وبرة فجعل بين إصبعيه ثم قال يا أيها الناس إن هذا من غنائمكم أدوا الخيط والمخيط فما فوق ذلك فما دون ذلك فإن الغلول عار على أهله يوم القيامة وشنار ونار


হাদিস সম্ভার ২০০৪

عن أبى هريرة قال قام فينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم فذكر الغلول فعظمه وعظم أمره ثم قال لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته بعير له رغاء يقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته فرس له حمحمة فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته شاة لها ثغاء يقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته نفس لها صياح فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته رقاع تخفق فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته صامت فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك

তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়ে গনীমতের মালে খেয়ানতের কথা উল্লেখ করলেন এবং বিষয়টির প্রতি ভীষণ গুরুত্ব আরোপ করলেন। পরিশেষে তিনি বললেন, “আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট ঘাড়ে করে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ আর আমি বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট এ (দুরবস্থার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট ঘোড়া ঘাড়ে করে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে ‘আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ তখন আমি বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার উপকার করতে সমর্থ নই। আমি তো (পৃথিবীতে) তোমার নিকট (এ দুর্দিনের কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান।’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সহায়তা করতে সক্ষম নই। আমি তো তোমার নিকট (এ করুণ অবস্থার কথা দুনিয়াতে) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিৎকার আওয়াজ-বিশিষ্ট কোন জীব ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ আর আমি সে সময় বলব ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট (এ নিদারুন অবস্থার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামতের দিন উড়ন্ত কাপড় ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন!’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার উপকার করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট (এ দুর্দশার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন সোনা-চাঁদি ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন!’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে সমর্থ নই। আমি তো (পৃথিবীতে) তোমাকে (শরীয়তের কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।” (বুখারী ৩০৭৩, মুসলিম ১৮৩১ নং, হাদীসের শব্দাবলী ইমাম মুসলিমের।

তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়ে গনীমতের মালে খেয়ানতের কথা উল্লেখ করলেন এবং বিষয়টির প্রতি ভীষণ গুরুত্ব আরোপ করলেন। পরিশেষে তিনি বললেন, “আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট ঘাড়ে করে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ আর আমি বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট এ (দুরবস্থার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট ঘোড়া ঘাড়ে করে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে ‘আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ তখন আমি বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার উপকার করতে সমর্থ নই। আমি তো (পৃথিবীতে) তোমার নিকট (এ দুর্দিনের কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান।’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সহায়তা করতে সক্ষম নই। আমি তো তোমার নিকট (এ করুণ অবস্থার কথা দুনিয়াতে) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন চিৎকার আওয়াজ-বিশিষ্ট কোন জীব ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বাঁচান!’ আর আমি সে সময় বলব ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট (এ নিদারুন অবস্থার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামতের দিন উড়ন্ত কাপড় ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন!’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার উপকার করতে পারব না। আমি তো (দুনিয়াতে) তোমার নিকট (এ দুর্দশার কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।’ আমি তোমাদের মধ্যে কাউকে যেন কিয়ামতের দিন সোনা-চাঁদি ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় উপস্থিত না পাই। যখন সে বলবে, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে সাহায্য করুন!’ আর আমি তখন বলব, ‘আমি তোমার কোন প্রকার সাহায্য করতে সমর্থ নই। আমি তো (পৃথিবীতে) তোমাকে (শরীয়তের কথা) পৌঁছে দিয়েছিলাম।” (বুখারী ৩০৭৩, মুসলিম ১৮৩১ নং, হাদীসের শব্দাবলী ইমাম মুসলিমের।

عن أبى هريرة قال قام فينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم فذكر الغلول فعظمه وعظم أمره ثم قال لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته بعير له رغاء يقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته فرس له حمحمة فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته شاة لها ثغاء يقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته نفس لها صياح فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته رقاع تخفق فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك لا ألفين أحدكم يجىء يوم القيامة على رقبته صامت فيقول يا رسول الله أغثنى فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك


হাদিস সম্ভার > শহীদের মর্যাদা

হাদিস সম্ভার ২০০৫

عن أنس بن مالك أن أم الربيع بنت البراء وهي أم حارثة بن سراقة أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت يا نبي الله ألا تحدثني عن حارثة وكان قتل يوم بدر أصابه سهم غرب فإن كان في الجنة صبرت وإن كان غير ذلك اجتهدت عليه في البكاء، قال يا أم حارثة إنها جنان في الجنة، وإن ابنك أصاب الفردوس الأعلى

উম্মে রুবাইয়ে’ বিন্তে বারা’ যিনি হারেষাহ ইবনে সূরাকার মা, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে হারেষাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? সে বদরের দিনে খুন হয়েছিল। যদি সে জান্নাতী হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করব, অন্যথা তার জন্য মন ভরে অত্যধিক কান্না করব।’ তিনি বললেন, “হে হারেষার মা! জান্নাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের জান্নাত আছে। আর তোমার ছেলে তো সর্বোচ্চ ফিরদাউস (জান্নাতে) পৌঁছে গেছে।” (বুখারী ২৮০৯ নং)

উম্মে রুবাইয়ে’ বিন্তে বারা’ যিনি হারেষাহ ইবনে সূরাকার মা, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে হারেষাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? সে বদরের দিনে খুন হয়েছিল। যদি সে জান্নাতী হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করব, অন্যথা তার জন্য মন ভরে অত্যধিক কান্না করব।’ তিনি বললেন, “হে হারেষার মা! জান্নাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের জান্নাত আছে। আর তোমার ছেলে তো সর্বোচ্চ ফিরদাউস (জান্নাতে) পৌঁছে গেছে।” (বুখারী ২৮০৯ নং)

عن أنس بن مالك أن أم الربيع بنت البراء وهي أم حارثة بن سراقة أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت يا نبي الله ألا تحدثني عن حارثة وكان قتل يوم بدر أصابه سهم غرب فإن كان في الجنة صبرت وإن كان غير ذلك اجتهدت عليه في البكاء، قال يا أم حارثة إنها جنان في الجنة، وإن ابنك أصاب الفردوس الأعلى


হাদিস সম্ভার ২০০৬

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لما أصيب إخوانكم بأحد جعل الله أرواحهم فى جوف طير خضر ترد أنهار الجنة تأكل من ثمارها وتأوى إلى قناديل من ذهب معلقة فى ظل العرش فلما وجدوا طيب مأكلهم ومشربهم ومقيلهم قالوا : من يبلغ إخواننا عنا أنا أحياء فى الجنة نرزق لئلا يزهدوا فى الجهاد ولا ينكلوا عند الحرب فقال الله سبحانه : أنا أبلغهم عنكم قال : فأنزل الله (ولا تحسبن الذين قتلوا فى سبيل الله أمواتا) إلى آخر الآية

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের ভাইগণ উহুদে নিহত হলে আল্লাহ তাদের আত্মাসমূহকে সবুজ রঙের পাখির পেটে স্থাপন করেছেন। তারা জান্নাতের নদীসমূহে অবতরণ করে, জান্নাতের ফল খায় এবং আরশের ছায়াতলে ঝুলন্ত দীপাবলীতে আশ্রয় নেয়। সুতরাং তারা যখন সুন্দর খাদ্য, পানীয় ও আরাম করার জায়গা পেল, তখন বলল, ‘আমাদের ভাইদেরকে কে খবর দেবে যে, আমরা জান্নাতে জীবিত থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত হচ্ছি। যাতে তারা জিহাদে অনাসক্তি প্রকাশ না করে এবং যুদ্ধের সময় ভীরুতা প্রদর্শন না করে।’ আল্লাহ সুবহানাহ বললেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে এ কথা পৌঁছে দেব।’ সুতরাং তিনি অবতীর্ণ করলেন, “যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে কখনই মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট জীবিত; তারা জীবিকা-প্রাপ্ত হয়ে থাকে।” (আলে ইমরানঃ ১৬৯, আহমাদ ২৩৮৮, আবূ দাঊদ ২৫২২, হাকেম ২৪৪৪ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের ভাইগণ উহুদে নিহত হলে আল্লাহ তাদের আত্মাসমূহকে সবুজ রঙের পাখির পেটে স্থাপন করেছেন। তারা জান্নাতের নদীসমূহে অবতরণ করে, জান্নাতের ফল খায় এবং আরশের ছায়াতলে ঝুলন্ত দীপাবলীতে আশ্রয় নেয়। সুতরাং তারা যখন সুন্দর খাদ্য, পানীয় ও আরাম করার জায়গা পেল, তখন বলল, ‘আমাদের ভাইদেরকে কে খবর দেবে যে, আমরা জান্নাতে জীবিত থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত হচ্ছি। যাতে তারা জিহাদে অনাসক্তি প্রকাশ না করে এবং যুদ্ধের সময় ভীরুতা প্রদর্শন না করে।’ আল্লাহ সুবহানাহ বললেন, ‘তোমাদের পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে এ কথা পৌঁছে দেব।’ সুতরাং তিনি অবতীর্ণ করলেন, “যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে কখনই মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট জীবিত; তারা জীবিকা-প্রাপ্ত হয়ে থাকে।” (আলে ইমরানঃ ১৬৯, আহমাদ ২৩৮৮, আবূ দাঊদ ২৫২২, হাকেম ২৪৪৪ নং)

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لما أصيب إخوانكم بأحد جعل الله أرواحهم فى جوف طير خضر ترد أنهار الجنة تأكل من ثمارها وتأوى إلى قناديل من ذهب معلقة فى ظل العرش فلما وجدوا طيب مأكلهم ومشربهم ومقيلهم قالوا : من يبلغ إخواننا عنا أنا أحياء فى الجنة نرزق لئلا يزهدوا فى الجهاد ولا ينكلوا عند الحرب فقال الله سبحانه : أنا أبلغهم عنكم قال : فأنزل الله (ولا تحسبن الذين قتلوا فى سبيل الله أمواتا) إلى آخر الآية


হাদিস সম্ভার ২০০৭

عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮ নং)

عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه


হাদিস সম্ভার > শহীদদের প্রকারভেদ

হাদিস সম্ভার ২০০৮

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهداء خمسة : المطعون والمبطون، والغريق، وصاحب الهدم، والشهيد في سبيل الله متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(পারলৌকিক পুরস্কারে পুরস্কৃত হওয়ার দিক দিয়ে) শহীদ পাঁচ ধরনের; (১) প্লেগরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত, (২) পেটের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত, (৩) পানিতে ডুবে মৃত, (৪) মাটি চাপা পড়ে মৃত এবং (৫) আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় মৃত।” (বুখারী ৬৫৩, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯ নং)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(পারলৌকিক পুরস্কারে পুরস্কৃত হওয়ার দিক দিয়ে) শহীদ পাঁচ ধরনের; (১) প্লেগরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত, (২) পেটের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত, (৩) পানিতে ডুবে মৃত, (৪) মাটি চাপা পড়ে মৃত এবং (৫) আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় মৃত।” (বুখারী ৬৫৩, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯ নং)

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهداء خمسة : المطعون والمبطون، والغريق، وصاحب الهدم، والشهيد في سبيل الله متفق عليه


হাদিস সম্ভার ২০১০

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من قتل دون ماله فهو شهيد متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার ধন-সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ।” (বুখারী ২৪৮০, মুসলিম ৩৭৮ নং)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার ধন-সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ।” (বুখারী ২৪৮০, মুসলিম ৩৭৮ নং)

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من قتل دون ماله فهو شهيد متفق عليه


হাদিস সম্ভার ২০১১

وعن أبي الأعور سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل أحد العشرة المشهود لهم بالجنة ، قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون دمه فهو شهيد ومن قتل دون دينه فهو شهيد ومن قتل دون أهله فهو شهيدرواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি তার মাল-ধন রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজ রক্ত (প্রাণ) রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ। যে তার দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ এবং যে তার পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সেও শহীদ। (আবূ দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১ নং, হাসান সহীহ)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি তার মাল-ধন রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজ রক্ত (প্রাণ) রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ। যে তার দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সে শহীদ এবং যে তার পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে খুন হয়, সেও শহীদ। (আবূ দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১ নং, হাসান সহীহ)

وعن أبي الأعور سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل أحد العشرة المشهود لهم بالجنة ، قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون دمه فهو شهيد ومن قتل دون دينه فهو شهيد ومن قتل دون أهله فهو شهيدرواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح


হাদিস সম্ভার ২০১২

وعن أبي هريرة قال : جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله أرأيت إن جاء رجل يريد أخذ مالي ؟ قال فلا تعطه مالك قال : أرأيت إن قاتلني ؟ قال قاتله قال : أرأيت إن قتلني ؟ قال فأنت شهيد قال : أرأيت إن قتلته ؟ قال هو في النار رواه مسلم

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে নিবেদন করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি কেউ আমার মাল (অবৈধভাবে) নিতে আসে, তাহলে কী করতে হবে?’ তিনি বললেন, “তুমি তাকে তোমার মাল দেবে না।” পুনরায় সে নিবেদন করল, ‘যদি সে আমার সাথে লড়াই করে?’ তিনি বললেন, “তাহলে (তুমিও) তার সাথে লড়াই কর।” সে বলল, ‘বলুন, সে যদি আমাকে হত্যা ক’রে দেয়?’ তিনি বললেন, “তাহলে তুমি শহীদ হয়ে যাবে।” সে আবার জিজ্ঞাসা করল, ‘বলুন, আমি যদি তাকে মেরে ফেলি (তাহলে কী হবে)?’ তিনি বললেন, “তাহলে সে জাহান্নামী হবে।” (মুসলিম ৩৭৭ নং)

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে নিবেদন করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি কেউ আমার মাল (অবৈধভাবে) নিতে আসে, তাহলে কী করতে হবে?’ তিনি বললেন, “তুমি তাকে তোমার মাল দেবে না।” পুনরায় সে নিবেদন করল, ‘যদি সে আমার সাথে লড়াই করে?’ তিনি বললেন, “তাহলে (তুমিও) তার সাথে লড়াই কর।” সে বলল, ‘বলুন, সে যদি আমাকে হত্যা ক’রে দেয়?’ তিনি বললেন, “তাহলে তুমি শহীদ হয়ে যাবে।” সে আবার জিজ্ঞাসা করল, ‘বলুন, আমি যদি তাকে মেরে ফেলি (তাহলে কী হবে)?’ তিনি বললেন, “তাহলে সে জাহান্নামী হবে।” (মুসলিম ৩৭৭ নং)

وعن أبي هريرة قال : جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله أرأيت إن جاء رجل يريد أخذ مالي ؟ قال فلا تعطه مالك قال : أرأيت إن قاتلني ؟ قال قاتله قال : أرأيت إن قتلني ؟ قال فأنت شهيد قال : أرأيت إن قتلته ؟ قال هو في النار رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ২০১৩

عن جابر رضي الله عنه : عن النبي صلى الله عليه وسلم قال سيد الشهداء حمزة بن عبد المطلب ورجل قام إلى إمام جائر فأمره ونهاه فقتله

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদদের সর্দার হামযাহ বিন আব্দুল মুত্ত্বালিব এবং সেই ব্যক্তি, যে কোন স্বৈরাচারী শাসকের নিকট দাঁড়িয়ে তাকে (ভাল কাজের আদেশ) ও (মন্দ কাজে) নিষেধ করলে সে তাকে হত্যা করে।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৪০৭৯, হাকেম ৪৮৮৪, সঃ তারগীব ২৩০৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদদের সর্দার হামযাহ বিন আব্দুল মুত্ত্বালিব এবং সেই ব্যক্তি, যে কোন স্বৈরাচারী শাসকের নিকট দাঁড়িয়ে তাকে (ভাল কাজের আদেশ) ও (মন্দ কাজে) নিষেধ করলে সে তাকে হত্যা করে।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৪০৭৯, হাকেম ৪৮৮৪, সঃ তারগীব ২৩০৮)

عن جابر رضي الله عنه : عن النبي صلى الله عليه وسلم قال سيد الشهداء حمزة بن عبد المطلب ورجل قام إلى إمام جائر فأمره ونهاه فقتله


হাদিস সম্ভার ২০০৯

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهداء فيكم ؟ قالوا : يا رسول الله من قتل في سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتي إذا لقليل قالوا: فمن هم يا رسول الله؟ قال من قتل في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في الطاعون فهو شهيد ومن مات في البطن فهو شهيد والغريق شهيد رواه مسلم

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের মাঝে কোন্ কোন্ ব্যক্তিকে শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলেই বলে উঠল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর পথে যে নিহত হয়, সেই শহীদ।’ তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের মধ্যে শহীদ খুবই অল্প।” লোকেরা বলল, ‘তাহলে তাঁরা কে কে হে আল্লাহর রসূল?’ তিনি বললেন, “যে আল্লাহর পথে নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগ রোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের রোগে প্রাণ হারায়, সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (মুসলিম ৫০৫০ নং)

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের মাঝে কোন্ কোন্ ব্যক্তিকে শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলেই বলে উঠল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর পথে যে নিহত হয়, সেই শহীদ।’ তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের মধ্যে শহীদ খুবই অল্প।” লোকেরা বলল, ‘তাহলে তাঁরা কে কে হে আল্লাহর রসূল?’ তিনি বললেন, “যে আল্লাহর পথে নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগ রোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের রোগে প্রাণ হারায়, সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (মুসলিম ৫০৫০ নং)

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهداء فيكم ؟ قالوا : يا رسول الله من قتل في سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتي إذا لقليل قالوا: فمن هم يا رسول الله؟ قال من قتل في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في الطاعون فهو شهيد ومن مات في البطن فهو شهيد والغريق شهيد رواه مسلم


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00