হাদিস সম্ভার > আল্লাহর বিধান দ্বারা শাসন
হাদিস সম্ভার ১৭৮৭
عن عبد الله بن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما لم تحكم أئمتهم بكتاب الله ويتخيروا مما أنزل الله إلا جعل الله بأسهم بينهم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “--এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের নেতারা (শাসক গোষ্ঠী ও ইমামগণ) আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিধান (ও ফায়সালা) না দেয় এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা বরণ না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাদের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব বহাল রাখেন।” (ইবনে মাজাহ ৪০১৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১০৫৫০, সহীহ তারগীব ৭৫৯ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “--এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের নেতারা (শাসক গোষ্ঠী ও ইমামগণ) আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিধান (ও ফায়সালা) না দেয় এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা বরণ না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাদের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব বহাল রাখেন।” (ইবনে মাজাহ ৪০১৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১০৫৫০, সহীহ তারগীব ৭৫৯ নং)
عن عبد الله بن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما لم تحكم أئمتهم بكتاب الله ويتخيروا مما أنزل الله إلا جعل الله بأسهم بينهم
হাদিস সম্ভার > যে ব্যক্তি নেতা, বিচারক অথবা অন্যান্য সরকারী পদ চাইবে অথবা পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবে অথবা তার জন্য ইঙ্গিত করবে তাকে পদ দেওয়া নিষেধ
হাদিস সম্ভার ১৭৯২
عن أبي موسى الأشعري قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم أنا ورجلان من بني عمي فقال أحدهما : يا رسول الله أمرنا على بعض ما ولاك الله عز وجل - وقال الآخر مثل ذلك فقالإنا والله لا نولي هذا العمل أحدا سأله، أو أحدا حرص عليه متفق عليه
আমি এবং আমার চাচাতো দু’ভাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম। সে দু’জনের মধ্যে একজন বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে যে সব শাসন-ক্ষমতা দান করেছেন, তার মধ্যে কিছু (এলাকার) শাসনভার আমাকে প্রদান করুন।’ দ্বিতীয়জনও একই কথা বলল। উত্তরে তিনি বললেন, “আল্লাহর কসম! যে সরকারী পদ চেয়ে নেয় অথবা তার প্রতি লোভ রাখে, তাকে অবশ্যই আমরা এ কাজ দিই না।” (বুখারী ৭১৪৯, মুসলিম ৪৮২১ নং)
আমি এবং আমার চাচাতো দু’ভাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম। সে দু’জনের মধ্যে একজন বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে যে সব শাসন-ক্ষমতা দান করেছেন, তার মধ্যে কিছু (এলাকার) শাসনভার আমাকে প্রদান করুন।’ দ্বিতীয়জনও একই কথা বলল। উত্তরে তিনি বললেন, “আল্লাহর কসম! যে সরকারী পদ চেয়ে নেয় অথবা তার প্রতি লোভ রাখে, তাকে অবশ্যই আমরা এ কাজ দিই না।” (বুখারী ৭১৪৯, মুসলিম ৪৮২১ নং)
عن أبي موسى الأشعري قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم أنا ورجلان من بني عمي فقال أحدهما : يا رسول الله أمرنا على بعض ما ولاك الله عز وجل - وقال الآخر مثل ذلك فقالإنا والله لا نولي هذا العمل أحدا سأله، أو أحدا حرص عليه متفق عليه
হাদিস সম্ভার > বৈধ কাজে শাসকবৃন্দের আনুগত্য করা ওয়াজিব এবং অবৈধ কাজে তাদের আনুগত্য করা হারাম
হাদিস সম্ভার ১৮২২
وعن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالعلى المرء المسلم السمع والطاعة فيما أحب وكره إلا أن يؤمر بمعصية فإذا أمر بمعصية فلا سمع ولا طاعة متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মুসলিমের জন্য (তার শাসকদের) কথা শোনা ও মানা ফরয, তাকে সে কথা পছন্দ লাগুক অথবা অপছন্দ লাগুক; যতক্ষণ না তাকে পাপকাজের নির্দেশ দেওয়া হয়। অতঃপর যখন তাকে পাপকাজের আদেশ দেওয়া হবে তখন তার কথা শোনা ও মানা ফরয নয়।” (বুখারী ৭১৪৪, মুসলিম ৪৮৬৯ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মুসলিমের জন্য (তার শাসকদের) কথা শোনা ও মানা ফরয, তাকে সে কথা পছন্দ লাগুক অথবা অপছন্দ লাগুক; যতক্ষণ না তাকে পাপকাজের নির্দেশ দেওয়া হয়। অতঃপর যখন তাকে পাপকাজের আদেশ দেওয়া হবে তখন তার কথা শোনা ও মানা ফরয নয়।” (বুখারী ৭১৪৪, মুসলিম ৪৮৬৯ নং)
وعن ابن عمر رضي الله عنهما عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالعلى المرء المسلم السمع والطاعة فيما أحب وكره إلا أن يؤمر بمعصية فإذا أمر بمعصية فلا سمع ولا طاعة متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮২৩
عن عمران بن حصين، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا طاعة لمخلوق في معصية الخالق
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্রষ্টার অবাধ্যতা করে কোন সৃষ্টির আনুগত্য নেই।” (ত্বাবারানী ১৪৭৯৫, আহমাদ ২০৬৫৩ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্রষ্টার অবাধ্যতা করে কোন সৃষ্টির আনুগত্য নেই।” (ত্বাবারানী ১৪৭৯৫, আহমাদ ২০৬৫৩ নং)
عن عمران بن حصين، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا طاعة لمخلوق في معصية الخالق
হাদিস সম্ভার ১৮২৪
وعن ابن عمر قال : كنا إذا بايعنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على السمع والطاعة يقول لنافيما استطعتم متفق عليه
তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট তাঁর কথা শোনার ও আনুগত্য করার উপর বায়আত করছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন, “যাতে তোমাদের সাধ্য রয়েছে।” (বুখারী ৭২০২, মুসলিম ৪৯৪৩ নং)
তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট তাঁর কথা শোনার ও আনুগত্য করার উপর বায়আত করছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন, “যাতে তোমাদের সাধ্য রয়েছে।” (বুখারী ৭২০২, মুসলিম ৪৯৪৩ নং)
وعن ابن عمر قال : كنا إذا بايعنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على السمع والطاعة يقول لنافيما استطعتم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮২৭
عن معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مات وليس عليه إمام مات ميتة جاهلية
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মারা গেল, অথচ তার কোন ইমাম (রাষ্ট্রীয়-নেতার বায়াত) নেই, সে আসলে জাহেলিয়াতের মরণ মারা গেল।” (ঐ ১০৫৭ নং, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মারা গেল, অথচ তার কোন ইমাম (রাষ্ট্রীয়-নেতার বায়াত) নেই, সে আসলে জাহেলিয়াতের মরণ মারা গেল।” (ঐ ১০৫৭ নং, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)
عن معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مات وليس عليه إمام مات ميتة جاهلية
হাদিস সম্ভার ১৮২৫
وعنه قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن خلع يدا من طاعة لقي الله يوم القيامة ولا حجة له ومن مات وليس في عنقه بيعة مات ميتة جاهليةرواه مسلم وفي رواية لهومن مات وهو مفارق للجماعة فإنه يموت ميتة جاهلية
তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি (বৈধ কাজে শাসকের) আনুগত্য করা থেকে হাত গুটিয়ে নিল, সে কিয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে এ অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তার জন্য কোন প্রমাণ থাকবে না। আর যে ব্যক্তি (রাষ্ট্রনেতার হাতে) বায়আত না করে মৃত্যুবরণ করল, সে জাহেলিয়াতের মরা মরল।” (মুসলিম ৪৮৯৯ নং) এর অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে, “যে (রাষ্ট্রীয়) জামাআত ত্যাগ ক’রে মারা গেল, সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরণ করল।” (আহমাদ ৫৫৫১, ৬৪২৩ নং)
তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি (বৈধ কাজে শাসকের) আনুগত্য করা থেকে হাত গুটিয়ে নিল, সে কিয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে এ অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তার জন্য কোন প্রমাণ থাকবে না। আর যে ব্যক্তি (রাষ্ট্রনেতার হাতে) বায়আত না করে মৃত্যুবরণ করল, সে জাহেলিয়াতের মরা মরল।” (মুসলিম ৪৮৯৯ নং) এর অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে, “যে (রাষ্ট্রীয়) জামাআত ত্যাগ ক’রে মারা গেল, সে জাহেলিয়াতের মৃত্যু বরণ করল।” (আহমাদ ৫৫৫১, ৬৪২৩ নং)
وعنه قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن خلع يدا من طاعة لقي الله يوم القيامة ولا حجة له ومن مات وليس في عنقه بيعة مات ميتة جاهليةرواه مسلم وفي رواية لهومن مات وهو مفارق للجماعة فإنه يموت ميتة جاهلية
হাদিস সম্ভার ১৮২৬
عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من فارق الجماعة قيد شبر فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জামাআত থেকে আধ হাত পরিমাণ বিচ্ছিন্ন হয়ে (সরে) গেল, সে আসলে তার ঘাড় থেকে ইসলামের গলরশিকে খুলে ফেলল।” (অর্থাৎ, ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেল।) (আস্-সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ৮৯২, ১০৫৩ নং, , আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জামাআত থেকে আধ হাত পরিমাণ বিচ্ছিন্ন হয়ে (সরে) গেল, সে আসলে তার ঘাড় থেকে ইসলামের গলরশিকে খুলে ফেলল।” (অর্থাৎ, ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেল।) (আস্-সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ৮৯২, ১০৫৩ নং, , আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من فارق الجماعة قيد شبر فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه
হাদিস সম্ভার ১৮২৮
وعن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اسمعوا وأطيعوا وإن استعمل عليكم عبد حبشي كأن رأسه زبيبةرواه البخاري
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(শাসকদের) কথা শোনো এবং (তাদের) আনুগত্য কর; যদিও তোমাদের উপর কোন নিগ্রো ক্রীতদাসকে (নেতা) নিযুক্ত করা হয়; যেন তার মাথাটা কিশমিশ। (অর্থাৎ, কিশমিশের ন্যায় ক্ষুদ্র ও বিশ্রী তবুও)!” (বুখারী ৬৯৩, ৬৯৬, ৭১৪২ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(শাসকদের) কথা শোনো এবং (তাদের) আনুগত্য কর; যদিও তোমাদের উপর কোন নিগ্রো ক্রীতদাসকে (নেতা) নিযুক্ত করা হয়; যেন তার মাথাটা কিশমিশ। (অর্থাৎ, কিশমিশের ন্যায় ক্ষুদ্র ও বিশ্রী তবুও)!” (বুখারী ৬৯৩, ৬৯৬, ৭১৪২ নং)
وعن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اسمعوا وأطيعوا وإن استعمل عليكم عبد حبشي كأن رأسه زبيبةرواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১৮২৯
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عليك السمع والطاعة في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليكرواه مسلم
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমার প্রতি দুঃখে-সুখে, হর্ষে-বিষাদে এবং তোমার উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেওয়ার সময়ে (শাসকের) কথা শোনা ও (তার) আনুগত্য করা ফরয।” (মুসলিম ৪৮৬০ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমার প্রতি দুঃখে-সুখে, হর্ষে-বিষাদে এবং তোমার উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেওয়ার সময়ে (শাসকের) কথা শোনা ও (তার) আনুগত্য করা ফরয।” (মুসলিম ৪৮৬০ নং)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عليك السمع والطاعة في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليكرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৮৩০
عن عبادة بن الصامت قال دعانا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فبايعناه فكان فيما أخذ علينا أن بايعنا على السمع والطاعة فى منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا وأثرة علينا وأن لا ننازع الأمر أهله قال إلا أن تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট থেকে আমাদের খুশী ও কষ্টের বিষয়ে, স্বস্তি ও অস্বস্তির বিষয়ে এবং আমাদের অগ্রাধিকার নষ্ট হলেও আনুগত্য ও আদেশ পালনের উপর এবং ক্ষমতাসীন শাসকের বিদ্রোহ না করার উপর বায়আত (প্রতিশ্রুতি) গ্রহণ করেছেন। বলেছেন, “তবে হ্যাঁ, যদি তোমরা প্রকাশ্য কুফরী হতে দেখ, যাতে তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন দলীল বর্তমান থাকে (তাহলে বিদ্রোহ করতে পার)।” (বুখারী ৭০৫৬, মুসলিম ৪৮৭৭ নং)
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট থেকে আমাদের খুশী ও কষ্টের বিষয়ে, স্বস্তি ও অস্বস্তির বিষয়ে এবং আমাদের অগ্রাধিকার নষ্ট হলেও আনুগত্য ও আদেশ পালনের উপর এবং ক্ষমতাসীন শাসকের বিদ্রোহ না করার উপর বায়আত (প্রতিশ্রুতি) গ্রহণ করেছেন। বলেছেন, “তবে হ্যাঁ, যদি তোমরা প্রকাশ্য কুফরী হতে দেখ, যাতে তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন দলীল বর্তমান থাকে (তাহলে বিদ্রোহ করতে পার)।” (বুখারী ৭০৫৬, মুসলিম ৪৮৭৭ নং)
عن عبادة بن الصامت قال دعانا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فبايعناه فكان فيما أخذ علينا أن بايعنا على السمع والطاعة فى منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا وأثرة علينا وأن لا ننازع الأمر أهله قال إلا أن تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان
হাদিস সম্ভার ১৮৩২
عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يكون أمراء تلين لهم الجلود ولا تطمئن إليهم القلوب ثم يكون أمراء تشمئز منهم القلوب وتقشعر منهم الجلود فقال رجل يا رسول الله أفلا نقاتلهم قال لا ما أقاموا الصلاة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন এক শ্রেণীর আমীর হবে; যাদের জন্য দেহের চামড়া নরম হবে এবং তাদের প্রতি হৃদয়-মন সন্তুষ্ট হতে পারবে না। অতঃপর এক শ্রেণীর আমীর হবে যাদের প্রতি হৃদয়-মন বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হবে এবং দেহের লোম খাড়া হয়ে যাবে।” এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না?’ তিনি বললেন, ‘না। তাদের নামায কায়েম করা পর্যন্ত নয়।” (আস্-সুন্নাহ, ইবনে আবী আস্বেম ১০৭৭ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন এক শ্রেণীর আমীর হবে; যাদের জন্য দেহের চামড়া নরম হবে এবং তাদের প্রতি হৃদয়-মন সন্তুষ্ট হতে পারবে না। অতঃপর এক শ্রেণীর আমীর হবে যাদের প্রতি হৃদয়-মন বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হবে এবং দেহের লোম খাড়া হয়ে যাবে।” এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না?’ তিনি বললেন, ‘না। তাদের নামায কায়েম করা পর্যন্ত নয়।” (আস্-সুন্নাহ, ইবনে আবী আস্বেম ১০৭৭ নং)
عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يكون أمراء تلين لهم الجلود ولا تطمئن إليهم القلوب ثم يكون أمراء تشمئز منهم القلوب وتقشعر منهم الجلود فقال رجل يا رسول الله أفلا نقاتلهم قال لا ما أقاموا الصلاة
হাদিস সম্ভার ১৮৩৪
وعن أبي هريرة، قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة، ولا ينظر إليهم ولا يزكيهم ولهم عذاب أليم : رجل على فضل ماء بالفلاة يمنعه من ابن السبيل ورجل بايع رجلا سلعة بعد العصر فحلف بالله لأخذها بكذا وكذا فصدقه وهو على غير ذلك ورجل بايع إماما لا يبايعه إلا لدنيا فإن أعطاه منها وفى وإن لم يعطه منها لم يف متفق عليه
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে কিয়ামতের দিনে আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের দিকে (দয়ার দৃষ্টিতে) তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য হবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (১) যে মরু প্রান্তরে অতিরিক্ত পানির মালিক, কিন্তু সে মুসাফিরকে তা থেকে পান করতে দেয় না। (২) যে আসরের পর অন্য লোকের নিকট সামগ্রী বিক্রয় করতে গিয়ে কসম খেয়ে এই বলে যে, আল্লাহর কসম! এটা আমি এত দিয়ে নিয়েছি। ফলে ক্রেতা তাকে বিশ্বাস করে অথচ সে তার বিপরীত (অর্থাৎ, মিথ্যাবাদী)। আর (৩) যে কেবলমাত্র পার্থিব স্বার্থে রাষ্ট্রনেতার হাতে বায়আত করে। সুতরাং সে যদি তাকে পার্থিব সম্পদ প্রদান করে, তাহলে সে (তার বায়আত) পূর্ণ করে। আর যদি প্রদান না করে, তাহলে বায়আত পূর্ণ করে না।” (বুখারী ৭২১২, মুসলিম ৩১০ নং)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে কিয়ামতের দিনে আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের দিকে (দয়ার দৃষ্টিতে) তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য হবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (১) যে মরু প্রান্তরে অতিরিক্ত পানির মালিক, কিন্তু সে মুসাফিরকে তা থেকে পান করতে দেয় না। (২) যে আসরের পর অন্য লোকের নিকট সামগ্রী বিক্রয় করতে গিয়ে কসম খেয়ে এই বলে যে, আল্লাহর কসম! এটা আমি এত দিয়ে নিয়েছি। ফলে ক্রেতা তাকে বিশ্বাস করে অথচ সে তার বিপরীত (অর্থাৎ, মিথ্যাবাদী)। আর (৩) যে কেবলমাত্র পার্থিব স্বার্থে রাষ্ট্রনেতার হাতে বায়আত করে। সুতরাং সে যদি তাকে পার্থিব সম্পদ প্রদান করে, তাহলে সে (তার বায়আত) পূর্ণ করে। আর যদি প্রদান না করে, তাহলে বায়আত পূর্ণ করে না।” (বুখারী ৭২১২, মুসলিম ৩১০ নং)
وعن أبي هريرة، قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة، ولا ينظر إليهم ولا يزكيهم ولهم عذاب أليم : رجل على فضل ماء بالفلاة يمنعه من ابن السبيل ورجل بايع رجلا سلعة بعد العصر فحلف بالله لأخذها بكذا وكذا فصدقه وهو على غير ذلك ورجل بايع إماما لا يبايعه إلا لدنيا فإن أعطاه منها وفى وإن لم يعطه منها لم يف متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮৩৫
وعن أبي هنيدة وائل بن حجر قال : سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا ؟ فأعرض عنه، ثم سأله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتمرواه مسلم
সালামাহ ইবনে য়্যাযীদ জু’ফী আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি বলুন, যদি আমাদের উপর (অসৎ) শাসক নিযুক্ত হয় এবং আমাদের কাছে তাদের অধিকার চায় ও আমাদেরকে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখে। অতএব এ ব্যাপারে আপনি কী নির্দেশ দেন?’ তিনি তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পুনরায় তিনি জিজ্ঞাসা করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা (তাদের) কথা শুনো এবং (তাদের) আনুগত্য করো। কারণ তাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তাদের উপর চাপানো হয়েছে (অর্থাৎ সুবিচার ও ন্যায়পরায়ণতা) এবং তোমাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তোমাদের উপর অর্পণ করা হয়েছে (অর্থাৎ নেতা ও শাসকের আনুগত্য)।” (মুসলিম ৪৮৮৮-৪৮৮৯ নং)
সালামাহ ইবনে য়্যাযীদ জু’ফী আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনি বলুন, যদি আমাদের উপর (অসৎ) শাসক নিযুক্ত হয় এবং আমাদের কাছে তাদের অধিকার চায় ও আমাদেরকে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখে। অতএব এ ব্যাপারে আপনি কী নির্দেশ দেন?’ তিনি তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পুনরায় তিনি জিজ্ঞাসা করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা (তাদের) কথা শুনো এবং (তাদের) আনুগত্য করো। কারণ তাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তাদের উপর চাপানো হয়েছে (অর্থাৎ সুবিচার ও ন্যায়পরায়ণতা) এবং তোমাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তোমাদের উপর অর্পণ করা হয়েছে (অর্থাৎ নেতা ও শাসকের আনুগত্য)।” (মুসলিম ৪৮৮৮-৪৮৮৯ নং)
وعن أبي هنيدة وائل بن حجر قال : سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا ؟ فأعرض عنه، ثم سأله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتمرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৮৩১
وعن عوف بن مالك قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولخيار أئمتكم الذين تحبونهم ويحبونكم وتصلون عليهم ويصلون عليكم وشرار أئمتكم الذين تبغضونهم ويبغضونكم وتلعنونهم ويلعنونكم قال : قلنا : يا رسول الله أفلا ننابذهم ؟ قال لا، ما أقاموا فيكم الصلاة لا ما أقاموا فيكم الصلاةرواه مسلم
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ভালবাস এবং তারাও তোমাদেরকে ভালবাসে, তোমরা তাদের জন্য দু‘আ কর এবং তারাও তোমাদের জন্য দু‘আ করে। আর তোমাদের নিকৃষ্টতম শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর এবং তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে, তোমরা তাদেরকে অভিশাপ কর এবং তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ করে।” (হাদীসের বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব না?’ তিনি বললেন, “না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে। না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে।” (মুসলিম ৪৯১০-৪৯১১ নং)
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ভালবাস এবং তারাও তোমাদেরকে ভালবাসে, তোমরা তাদের জন্য দু‘আ কর এবং তারাও তোমাদের জন্য দু‘আ করে। আর তোমাদের নিকৃষ্টতম শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর এবং তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে, তোমরা তাদেরকে অভিশাপ কর এবং তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ করে।” (হাদীসের বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব না?’ তিনি বললেন, “না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে। না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে।” (মুসলিম ৪৯১০-৪৯১১ নং)
وعن عوف بن مالك قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولخيار أئمتكم الذين تحبونهم ويحبونكم وتصلون عليهم ويصلون عليكم وشرار أئمتكم الذين تبغضونهم ويبغضونكم وتلعنونهم ويلعنونكم قال : قلنا : يا رسول الله أفلا ننابذهم ؟ قال لا، ما أقاموا فيكم الصلاة لا ما أقاموا فيكم الصلاةرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৮৩৩
وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما قال : كنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الصلاة جامعة فاجتمعنا إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة يرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن : هذه مهلكتي ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن : هذه هذه فمن أحب أن يزحزح عن النار، ويدخل الجنة، فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخررواه مسلم
আব্দুল্লাহ ইবনে আম্র (রাঃ) বলেন আমরা আল্লাহর রসূলের সাথে এক সফরে ছিলাম। অতঃপর (বিশ্রামের জন্য) এক স্থানে অবতরণ করলাম। তারপর আমাদের কিছু লোক তাঁবু ঠিক করছিল এবং কতক লোক তীরন্দাজিতে প্রতিযোগিতা করছিল ও কতক লোক জন্তুদের ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করল যে, “নামাযের জন্য জমায়েত হও।” সুতরাং আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট একত্রিত হলাম। তারপর তিনি বললেন, “আমার পূর্বে প্রত্যেক নবীর জন্য জরুরী ছিল, তাঁর উম্মতকে এমন কর্মসমূহের নির্দেশ দেওয়া, যা তিনি তাদের জন্য ভালো মনে করেন এবং এমন কর্মসমূহ থেকে ভীতি-প্রদর্শন করা, যা তিনি তাদের জন্য মন্দ মনে করেন। আর তোমাদের এই উম্মত এমন, যাদের প্রথমাংশে নিরাপত্তা রাখা হয়েছে এবং তাদের শেষাংশে রয়েছে পরীক্ষা (ফিতনা-ফাসাদ) এবং এমন ব্যাপার সকল, যা তোমরা পছন্দ করবে না। এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যে, একটি অন্যটিকে হাল্কা ক’রে দেবে (অর্থাৎ পরের ফিতনাটি আগের ফিতনা অপেক্ষা গুরুতর হবে)। ফিতনা এসে গেলে মু’মিন ব্যক্তি বলবে, এটাই আমার ধ্বংসের কারণ হবে। অতঃপর তা দূরীভূত হবে। পুনরায় অন্য ফিতনা প্রকাশ পাবে, তখন মু’মিন বলবে, ‘এটাই এটাই (আমার সবচেয়ে বড় ফিতনা)।’ অতএব যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে থাকতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে ভালবাসে, তার নিকট যেন এই অবস্থায় মৃত্যু আসুক যে, সে আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং লোকদের সাথে সেই ব্যবহার প্রদর্শন করে, যা সে নিজের সাথে প্রদর্শন পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি রাষ্ট্রনেতার সাথে বায়আত করে, সে নিজের হাত এবং নিজ অন্তরের ফল (নিষ্ঠা) তাকে দিয়ে দেয়, সে সাধ্যমত তার আনুগত্য করুক। অতঃপর অন্য কেউ যদি তার (প্রথম ইমামের) সাথে (ক্ষমতা কাড়ার) ঝগড়া করে, তাহলে দ্বিতীয়জনের গর্দান উড়িয়ে দাও।” (মুসলিম ৪৮৮২ নং)
আব্দুল্লাহ ইবনে আম্র (রাঃ) বলেন আমরা আল্লাহর রসূলের সাথে এক সফরে ছিলাম। অতঃপর (বিশ্রামের জন্য) এক স্থানে অবতরণ করলাম। তারপর আমাদের কিছু লোক তাঁবু ঠিক করছিল এবং কতক লোক তীরন্দাজিতে প্রতিযোগিতা করছিল ও কতক লোক জন্তুদের ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করল যে, “নামাযের জন্য জমায়েত হও।” সুতরাং আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট একত্রিত হলাম। তারপর তিনি বললেন, “আমার পূর্বে প্রত্যেক নবীর জন্য জরুরী ছিল, তাঁর উম্মতকে এমন কর্মসমূহের নির্দেশ দেওয়া, যা তিনি তাদের জন্য ভালো মনে করেন এবং এমন কর্মসমূহ থেকে ভীতি-প্রদর্শন করা, যা তিনি তাদের জন্য মন্দ মনে করেন। আর তোমাদের এই উম্মত এমন, যাদের প্রথমাংশে নিরাপত্তা রাখা হয়েছে এবং তাদের শেষাংশে রয়েছে পরীক্ষা (ফিতনা-ফাসাদ) এবং এমন ব্যাপার সকল, যা তোমরা পছন্দ করবে না। এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যে, একটি অন্যটিকে হাল্কা ক’রে দেবে (অর্থাৎ পরের ফিতনাটি আগের ফিতনা অপেক্ষা গুরুতর হবে)। ফিতনা এসে গেলে মু’মিন ব্যক্তি বলবে, এটাই আমার ধ্বংসের কারণ হবে। অতঃপর তা দূরীভূত হবে। পুনরায় অন্য ফিতনা প্রকাশ পাবে, তখন মু’মিন বলবে, ‘এটাই এটাই (আমার সবচেয়ে বড় ফিতনা)।’ অতএব যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে থাকতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে ভালবাসে, তার নিকট যেন এই অবস্থায় মৃত্যু আসুক যে, সে আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং লোকদের সাথে সেই ব্যবহার প্রদর্শন করে, যা সে নিজের সাথে প্রদর্শন পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি রাষ্ট্রনেতার সাথে বায়আত করে, সে নিজের হাত এবং নিজ অন্তরের ফল (নিষ্ঠা) তাকে দিয়ে দেয়, সে সাধ্যমত তার আনুগত্য করুক। অতঃপর অন্য কেউ যদি তার (প্রথম ইমামের) সাথে (ক্ষমতা কাড়ার) ঝগড়া করে, তাহলে দ্বিতীয়জনের গর্দান উড়িয়ে দাও।” (মুসলিম ৪৮৮২ নং)
وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما قال : كنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الصلاة جامعة فاجتمعنا إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة يرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن : هذه مهلكتي ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن : هذه هذه فمن أحب أن يزحزح عن النار، ويدخل الجنة، فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخررواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৮৩৬
عن أبي نجيح العرباض بن سارية قال : وعظنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم موعظة بليغة وجلت منها القلوب، وذرفت منها العيون، فقلنا: يا رسول الله، كأنها موعظة مودع فأوصنا، قال أوصيكم بتقوى الله والسمع والطاعة وإن تأمر عليكم عبد حبشي وإنه من يعش منكم فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين عضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور ؛ فإن كل بدعة ضلالةرواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এমন মর্মস্পর্শী বক্তৃতা শুনালেন যে, তাতে অন্তর ভীত হল এবং চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে গেল। সুতরাং আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! এ যেন বিদায়ী ভাষণ মনে হচ্ছে। তাই আপনি আমাদেরকে অন্তিম উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতি এবং (রাষ্ট্রনেতার) কথা শোনার ও তার আনুগত্য করার উপদেশ দিচ্ছি; যদিও তোমাদের উপর কোন নিগ্রো (আফ্রিকার কৃষ্ণকায় অধিবাসী) রাষ্ট্রনেতা হয়। (স্মরণ রাখ) তোমাদের মধ্যে যে আমার পর জীবিত থাকবে, সে অনেক মতভেদ বা অনৈক্য দেখবে। সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত ও সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের রীতিকে আঁকড়ে ধরবে এবং তা দাঁত দিয়ে মজবূত ক’রে ধরে থাকবে। আর তোমরা দ্বীনে নব উদ্ভাবিত কর্মসমূহ (বিদআত) থেকে বেঁচে থাকবে। কারণ, প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (আবু দাঊদ ৪৬০৯, তিরমিযী ২৬৭৬, ইবনে মাজাহ ৪২ নং)
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এমন মর্মস্পর্শী বক্তৃতা শুনালেন যে, তাতে অন্তর ভীত হল এবং চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে গেল। সুতরাং আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! এ যেন বিদায়ী ভাষণ মনে হচ্ছে। তাই আপনি আমাদেরকে অন্তিম উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতি এবং (রাষ্ট্রনেতার) কথা শোনার ও তার আনুগত্য করার উপদেশ দিচ্ছি; যদিও তোমাদের উপর কোন নিগ্রো (আফ্রিকার কৃষ্ণকায় অধিবাসী) রাষ্ট্রনেতা হয়। (স্মরণ রাখ) তোমাদের মধ্যে যে আমার পর জীবিত থাকবে, সে অনেক মতভেদ বা অনৈক্য দেখবে। সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত ও সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের রীতিকে আঁকড়ে ধরবে এবং তা দাঁত দিয়ে মজবূত ক’রে ধরে থাকবে। আর তোমরা দ্বীনে নব উদ্ভাবিত কর্মসমূহ (বিদআত) থেকে বেঁচে থাকবে। কারণ, প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (আবু দাঊদ ৪৬০৯, তিরমিযী ২৬৭৬, ইবনে মাজাহ ৪২ নং)
عن أبي نجيح العرباض بن سارية قال : وعظنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم موعظة بليغة وجلت منها القلوب، وذرفت منها العيون، فقلنا: يا رسول الله، كأنها موعظة مودع فأوصنا، قال أوصيكم بتقوى الله والسمع والطاعة وإن تأمر عليكم عبد حبشي وإنه من يعش منكم فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين عضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور ؛ فإن كل بدعة ضلالةرواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার ১৮৩৭
وعن عبد الله بن مسعود قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها قالوا : يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك ؟ قال تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم متفق عليه
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার পর স্খেচ্ছাচারী শাসন হবে এবং অন্যান্য (আপত্তিকর) ব্যাপার সকল প্রকাশ পাবে, যা তোমরা অপছন্দ করবে।” সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যে যে এ যুগ পাবে, তাকে আপনি কী আদেশ দিচ্ছেন?’ তিনি বললেন, “তোমাদের প্রতি যে হক রয়েছে, তা তোমরা আদায় করবে এবং তোমাদের যে হক (শাসকের উপর রয়েছে), তা আল্লাহর কাছে চেয়ে নেবে।” (বুখারী ৩৬০৩, মুসলিম ৪৮৮১ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার পর স্খেচ্ছাচারী শাসন হবে এবং অন্যান্য (আপত্তিকর) ব্যাপার সকল প্রকাশ পাবে, যা তোমরা অপছন্দ করবে।” সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যে যে এ যুগ পাবে, তাকে আপনি কী আদেশ দিচ্ছেন?’ তিনি বললেন, “তোমাদের প্রতি যে হক রয়েছে, তা তোমরা আদায় করবে এবং তোমাদের যে হক (শাসকের উপর রয়েছে), তা আল্লাহর কাছে চেয়ে নেবে।” (বুখারী ৩৬০৩, মুসলিম ৪৮৮১ নং)
وعن عبد الله بن مسعود قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها قالوا : يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك ؟ قال تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮৩৮
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أطاعني فقد أطاع الله ومن عصاني فقد عصى الله ومن يطع الأمير فقد أطاعني ومن يعص الأمير فقد عصاني متفق عليه
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে (প্রকৃতপক্ষে) আল্লাহর আনুগত্য করল এবং যে আমার অবাধ্যতা করল, সে (আসলে) আল্লাহর অবাধ্যতা করল। আর যে ব্যক্তি নেতার আনুগত্য করল, সে (আসলে) আমার আনুগত্য করল এবং যে নেতার অবাধ্যতা করল, সে (আসলে) আমার অবাধ্যতা করল।” (বুখারী ৭১৩৭, মুসলিম ৪৮৫২ নং)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে (প্রকৃতপক্ষে) আল্লাহর আনুগত্য করল এবং যে আমার অবাধ্যতা করল, সে (আসলে) আল্লাহর অবাধ্যতা করল। আর যে ব্যক্তি নেতার আনুগত্য করল, সে (আসলে) আমার আনুগত্য করল এবং যে নেতার অবাধ্যতা করল, সে (আসলে) আমার অবাধ্যতা করল।” (বুখারী ৭১৩৭, মুসলিম ৪৮৫২ নং)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أطاعني فقد أطاع الله ومن عصاني فقد عصى الله ومن يطع الأمير فقد أطاعني ومن يعص الأمير فقد عصاني متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮৩৯
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إنما الإمام جنة يقاتل من ورائه ويتقى به فإن أمر بتقوى الله عز وجل وعدل كان له بذلك أجر وإن يأمر بغيره كان عليه منه
“ইমাম (রাষ্টনায়ক) তো ঢাল স্বরূপ; যার আড়ালে থেকে যুদ্ধ করা হয় এবং যার সাহায্যে নিজেকে বাঁচানো যায়। সুতরাং সে যদি আল্লাহ-ভীরুতার আদেশ দেয় এবং ন্যায়পরায়ণ হয়, তাহলে এর বিনিময়ে সে সওয়াবের অধিকারী হবে। নচেৎ সে যদি এর বিপরীত কর্ম করে তবে তার পাপ তার ঘাড়ে।” (বুখারী ২৯৫৭, মুসলিম ৪৮৭৮ নং)
“ইমাম (রাষ্টনায়ক) তো ঢাল স্বরূপ; যার আড়ালে থেকে যুদ্ধ করা হয় এবং যার সাহায্যে নিজেকে বাঁচানো যায়। সুতরাং সে যদি আল্লাহ-ভীরুতার আদেশ দেয় এবং ন্যায়পরায়ণ হয়, তাহলে এর বিনিময়ে সে সওয়াবের অধিকারী হবে। নচেৎ সে যদি এর বিপরীত কর্ম করে তবে তার পাপ তার ঘাড়ে।” (বুখারী ২৯৫৭, মুসলিম ৪৮৭৮ নং)
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إنما الإمام جنة يقاتل من ورائه ويتقى به فإن أمر بتقوى الله عز وجل وعدل كان له بذلك أجر وإن يأمر بغيره كان عليه منه
হাদিস সম্ভার ১৮৪০
وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كره من أميره شيئا فليصبر، فإنه من خرج من السلطان شبرا مات ميتة جاهلية متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার নেতার কোন কাজ অপছন্দ করবে, তার উচিত হবে (তার উপর) ধৈর্য ধারণ করা। কারণ যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণও শাসকের আনুগত্য থেকে বেরিয়ে যাবে, তার মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্যু হবে।” (বুখারী ৭০৫৪, মুসলিম ৪৮৯৬ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার নেতার কোন কাজ অপছন্দ করবে, তার উচিত হবে (তার উপর) ধৈর্য ধারণ করা। কারণ যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণও শাসকের আনুগত্য থেকে বেরিয়ে যাবে, তার মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্যু হবে।” (বুখারী ৭০৫৪, মুসলিম ৪৮৯৬ নং)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كره من أميره شيئا فليصبر، فإنه من خرج من السلطان شبرا مات ميتة جاهلية متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৮৪১
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال من خرج من الطاعة وفارق الجماعة فمات مات ميتة جاهلية ومن قاتل تحت راية عمية يغضب لعصبة أو يدعو إلى عصبة أو ينصر عصبة فقتل فقتلة جاهلية ومن خرج على أمتى يضرب برها وفاجرها ولا يتحاش من مؤمنها ولا يفى لذى عهد عهده فليس منى ولست منه
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি শাসকের আনুগত্য থেকে বের হয়ে এবং জামাআত থেকে পৃথক হয়ে মারা যাবে সে ব্যক্তি জাহেলিয়াতের মরণ মরবে। যে ব্যক্তি অন্ধ ফিতনার পতাকাতলে (হক-নাহক না জেনেই) যুদ্ধ করবে, অন্ধ পক্ষপাতিত্ব বা গোঁড়ামির ফলে ক্রুদ্ধ হবে অথবা অন্ধ পক্ষপাতিত্বের প্রতি আহবান করবে অথবা অন্ধ পক্ষপাতিত্বকে সাহায্য করবে, অতঃপর সে খুন হলে তার খুন জাহেলিয়াতের খুন। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মতের বিরুদ্ধে তরবারি বের করে ভালো-মন্দ সকল মানুষকে হত্যা করবে এবং তার মুমিনকেও হত্যা করতে ছাড়বে না, চুক্তিবদ্ধ মানুষের চুক্তিও পূরণ করবে না, সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই।” (মুসলিম ৪৮৯২ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি শাসকের আনুগত্য থেকে বের হয়ে এবং জামাআত থেকে পৃথক হয়ে মারা যাবে সে ব্যক্তি জাহেলিয়াতের মরণ মরবে। যে ব্যক্তি অন্ধ ফিতনার পতাকাতলে (হক-নাহক না জেনেই) যুদ্ধ করবে, অন্ধ পক্ষপাতিত্ব বা গোঁড়ামির ফলে ক্রুদ্ধ হবে অথবা অন্ধ পক্ষপাতিত্বের প্রতি আহবান করবে অথবা অন্ধ পক্ষপাতিত্বকে সাহায্য করবে, অতঃপর সে খুন হলে তার খুন জাহেলিয়াতের খুন। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মতের বিরুদ্ধে তরবারি বের করে ভালো-মন্দ সকল মানুষকে হত্যা করবে এবং তার মুমিনকেও হত্যা করতে ছাড়বে না, চুক্তিবদ্ধ মানুষের চুক্তিও পূরণ করবে না, সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই।” (মুসলিম ৪৮৯২ নং)
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال من خرج من الطاعة وفارق الجماعة فمات مات ميتة جاهلية ومن قاتل تحت راية عمية يغضب لعصبة أو يدعو إلى عصبة أو ينصر عصبة فقتل فقتلة جاهلية ومن خرج على أمتى يضرب برها وفاجرها ولا يتحاش من مؤمنها ولا يفى لذى عهد عهده فليس منى ولست منه
হাদিস সম্ভার ১৮৪২
عن الحارث الأشعري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنا آمركم بخمس الله أمرني بهن بالجماعة وبالسمع والطاعة والهجرة والجهاد في سبيل الله فإنه من خرج من الجماعة قيد شبر فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه إلى أن يرجع ومن دعا بدعوى الجاهلية فهو من جثا جهنم قالوا يا رسول الله وإن صام وصلى؟ قال وإن صام وصلى وزعم أنه مسلم فادعوا المسلمين بما سماهم المسلمين المؤمنين عباد الله عز وجل
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমি তোমাদেরকে পাঁচটি কাজের আদেশ করছি; যা আল্লাহ আমাকে আদেশ করেছেন। রাষ্ট্রনেতার কথা শুনবে, তার আনুগত্য করবে, জিহাদ করবে, হিজরত করবে এবং (একই রাষ্ট্রনেতার নেতৃত্বে) জামাআতবদ্ধভাবে বসবাস করবে। যেহেতু যে ব্যক্তি বিঘত পরিমাণ জামাআত থেকে দূরে সরে যায়, সে আসলে ফিরে না আসা পর্যন্ত ইসলামের রশিকে নিজ গলা থেকে খুলে ফেলে দেয়। আর যে ব্যক্তি জাহেলী যুগের ডাক ডাকে, সে আসলে জাহান্নামীদের দলভুক্ত।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদিও সে নামায পড়ে ও সিয়াম রাখে?’ তিনি বললেন, “যদিও সে নামায পড়ে ও সিয়াম রাখে। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা আল্লাহর (নামে) ডাকে ডাকো, যিনি তোমাদের নাম দিয়েছেন ‘মুসলিম, মু’মিন’।” (আহমাদ ১৭৮০০, তিরমিযী ২৮৬৩, সহীহুল জামে’ ১৭২৮ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমি তোমাদেরকে পাঁচটি কাজের আদেশ করছি; যা আল্লাহ আমাকে আদেশ করেছেন। রাষ্ট্রনেতার কথা শুনবে, তার আনুগত্য করবে, জিহাদ করবে, হিজরত করবে এবং (একই রাষ্ট্রনেতার নেতৃত্বে) জামাআতবদ্ধভাবে বসবাস করবে। যেহেতু যে ব্যক্তি বিঘত পরিমাণ জামাআত থেকে দূরে সরে যায়, সে আসলে ফিরে না আসা পর্যন্ত ইসলামের রশিকে নিজ গলা থেকে খুলে ফেলে দেয়। আর যে ব্যক্তি জাহেলী যুগের ডাক ডাকে, সে আসলে জাহান্নামীদের দলভুক্ত।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদিও সে নামায পড়ে ও সিয়াম রাখে?’ তিনি বললেন, “যদিও সে নামায পড়ে ও সিয়াম রাখে। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা আল্লাহর (নামে) ডাকে ডাকো, যিনি তোমাদের নাম দিয়েছেন ‘মুসলিম, মু’মিন’।” (আহমাদ ১৭৮০০, তিরমিযী ২৮৬৩, সহীহুল জামে’ ১৭২৮ নং)
عن الحارث الأشعري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنا آمركم بخمس الله أمرني بهن بالجماعة وبالسمع والطاعة والهجرة والجهاد في سبيل الله فإنه من خرج من الجماعة قيد شبر فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه إلى أن يرجع ومن دعا بدعوى الجاهلية فهو من جثا جهنم قالوا يا رسول الله وإن صام وصلى؟ قال وإن صام وصلى وزعم أنه مسلم فادعوا المسلمين بما سماهم المسلمين المؤمنين عباد الله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১৮৪৩
عن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فمن أراد بحبحة الجنة فليلزم الجماعة
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা জামাআতবদ্ধভাবে বাস কর এবং বিচ্ছিন্নতা থেকে সাবধান থেকো। সুতরাং যে জান্নাতের মধ্যস্থল পেতে চায়, সে যেন জামাআতের সাথে থাকে।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯৭ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা জামাআতবদ্ধভাবে বাস কর এবং বিচ্ছিন্নতা থেকে সাবধান থেকো। সুতরাং যে জান্নাতের মধ্যস্থল পেতে চায়, সে যেন জামাআতের সাথে থাকে।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯৭ নং)
عن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فمن أراد بحبحة الجنة فليلزم الجماعة
হাদিস সম্ভার ১৮৪৪
عن النعمان بن بشير أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب فقال الجماعة رحمة والفرقة عذاب
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবায় বলেছেন, “জামাআত (ঐক্য) হল রহমত এবং বিচ্ছিন্নতা হল আযাব।” (মুসনাদে আহমাদ, কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯৫, সহীহুল জামে’ ৩১০৯ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবায় বলেছেন, “জামাআত (ঐক্য) হল রহমত এবং বিচ্ছিন্নতা হল আযাব।” (মুসনাদে আহমাদ, কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯৫, সহীহুল জামে’ ৩১০৯ নং)
عن النعمان بن بشير أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب فقال الجماعة رحمة والفرقة عذاب
হাদিস সম্ভার ১৮৪৮
عن عبد الله بن عمرو قال قال رسول الله ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি কোন রাষ্ট্রনায়কের হাতে বায়াত করল এবং এতে তাকে নিজ প্রতিশ্রুতি ও অন্তস্তল থেকে অঙ্গীকার প্রদান করল তার উচিত, যথাসাধ্য তার (সেই নায়কের সৎবিষয়ে) আনুগত্য করা। এরপর যদি অন্য এক (নায়ক) তার ক্ষমতা দখল করতে চায়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় নায়কের গর্দান উড়িয়ে দাও।” (মুসলিম ৪৮৮২ নং প্রমুখ)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি কোন রাষ্ট্রনায়কের হাতে বায়াত করল এবং এতে তাকে নিজ প্রতিশ্রুতি ও অন্তস্তল থেকে অঙ্গীকার প্রদান করল তার উচিত, যথাসাধ্য তার (সেই নায়কের সৎবিষয়ে) আনুগত্য করা। এরপর যদি অন্য এক (নায়ক) তার ক্ষমতা দখল করতে চায়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় নায়কের গর্দান উড়িয়ে দাও।” (মুসলিম ৪৮৮২ নং প্রমুখ)
عن عبد الله بن عمرو قال قال رسول الله ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر
হাদিস সম্ভার ১৮৫০
عن عدي بن حاتم قال قلنا يا رسول الله لا نسألك عن طاعة من اتقى ولكن من فعل وفعل فذكر الشر فقال اتقوا الله واسمعوا وأطيعوا
‘হে আল্লাহর রসূল! পরহেযগার (ও নেককার আমীরের) আনুগত্য সম্পর্কে আপনাকে প্রশ্ন করব না। কিন্তু যে (আমীর) নোংরা কাজে (দুর্নীতিতে) লিপ্ত হবে তার ব্যাপারে আমরা কী করতে পারি?’ তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (বৈধ বিষয়ে) তার কথা মান্য কর ও তার আনুগত্য কর।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০৬৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
‘হে আল্লাহর রসূল! পরহেযগার (ও নেককার আমীরের) আনুগত্য সম্পর্কে আপনাকে প্রশ্ন করব না। কিন্তু যে (আমীর) নোংরা কাজে (দুর্নীতিতে) লিপ্ত হবে তার ব্যাপারে আমরা কী করতে পারি?’ তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (বৈধ বিষয়ে) তার কথা মান্য কর ও তার আনুগত্য কর।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০৬৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
عن عدي بن حاتم قال قلنا يا رسول الله لا نسألك عن طاعة من اتقى ولكن من فعل وفعل فذكر الشر فقال اتقوا الله واسمعوا وأطيعوا
হাদিস সম্ভার ১৮৪৬
عن عرفجة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنه ستكون هنات وهنات فمن أراد أن يفرق أمر هذه الأمة وهى جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অদূর ভবিষ্যতে বড় ফিতনা ও ফাসাদের প্রার্দুভাব ঘটবে। সুতরাং যে ব্যক্তি এই উম্মতের ঐক্য ও সংহতিকে (নষ্ট করে) বিচ্ছিন্নতা আনতে চাইবে সে ব্যক্তিকে তোমরা তরবারি দ্বারা হত্যা করে ফেলো; তাতে সে যেই হোক না কেন।” (মুসলিম ৪৯০২ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অদূর ভবিষ্যতে বড় ফিতনা ও ফাসাদের প্রার্দুভাব ঘটবে। সুতরাং যে ব্যক্তি এই উম্মতের ঐক্য ও সংহতিকে (নষ্ট করে) বিচ্ছিন্নতা আনতে চাইবে সে ব্যক্তিকে তোমরা তরবারি দ্বারা হত্যা করে ফেলো; তাতে সে যেই হোক না কেন।” (মুসলিম ৪৯০২ নং)
عن عرفجة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنه ستكون هنات وهنات فمن أراد أن يفرق أمر هذه الأمة وهى جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان
হাদিস সম্ভার ১৮৪৯
عن فضالة بن عبيد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة لا يسأل عنهم رجل فارق الجماعة وعصى إمامه ومات عاصيا
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন ব্যক্তি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাই করো না (তারা ধ্বংস হবে); যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, যে ব্যক্তি তার ইমাম (নেতার) অবাধ্য হয় এবং যে ব্যক্তি নাফরমান হয়ে মারা যায়।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯, ৯০০, ১০৬০ নং, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন ব্যক্তি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাই করো না (তারা ধ্বংস হবে); যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, যে ব্যক্তি তার ইমাম (নেতার) অবাধ্য হয় এবং যে ব্যক্তি নাফরমান হয়ে মারা যায়।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৯, ৯০০, ১০৬০ নং, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
عن فضالة بن عبيد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة لا يسأل عنهم رجل فارق الجماعة وعصى إمامه ومات عاصيا
হাদিস সম্ভার ১৮৪৭
عن عرفجة قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من أتاكم وأمركم جميع على رجل واحد يريد أن يشق عصاكم أو يفرق جماعتكم فاقتلوه
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যখন তোমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একই শাসকের শাসনাধীনে ঐক্যপূর্ণ, তখন যদি আর এক (শাসক) ব্যক্তি এসে তোমাদের সংহতি নষ্ট করতে চায় এবং জামাআতের মাঝে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে তাকে হত্যা করো।” (মুসলিম ৪৯০৪ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যখন তোমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একই শাসকের শাসনাধীনে ঐক্যপূর্ণ, তখন যদি আর এক (শাসক) ব্যক্তি এসে তোমাদের সংহতি নষ্ট করতে চায় এবং জামাআতের মাঝে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে তাকে হত্যা করো।” (মুসলিম ৪৯০৪ নং)
عن عرفجة قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من أتاكم وأمركم جميع على رجل واحد يريد أن يشق عصاكم أو يفرق جماعتكم فاقتلوه
হাদিস সম্ভার ১৮৪৫
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله يرضى لكم ثلاثا ويكره لكم ثلاثا فيرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا ولا تفرقوا ويكره لكم قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য ৩টি কাজ পছন্দ করেন এবং ৩টি কাজ অপছন্দ করেন। তিনি তোমাদের জন্য এই পছন্দ করেন যে, তোমরা তাঁর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে অন্য কিছুকে শরীক করো না, সকলে একতাবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রশি (কুরআন বা দ্বীন) কে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং আল্লাহ তোমাদের উপর যাকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন তার আনুগত্য কর। আর তিনি তোমাদের জন্য ভিত্তিহীন বাজে কথা বলা (বা জনরবে থাকা), অধিক (অনাবশ্যক) প্রশ্ন করা (অথবা প্রয়োজনের অধিক চাওয়া) এবং ধন-মাল বিনষ্ট (অপচয়) করাকে অপছন্দ করেন।” (মুসলিম ৪৫৭৮ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য ৩টি কাজ পছন্দ করেন এবং ৩টি কাজ অপছন্দ করেন। তিনি তোমাদের জন্য এই পছন্দ করেন যে, তোমরা তাঁর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে অন্য কিছুকে শরীক করো না, সকলে একতাবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রশি (কুরআন বা দ্বীন) কে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং আল্লাহ তোমাদের উপর যাকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন তার আনুগত্য কর। আর তিনি তোমাদের জন্য ভিত্তিহীন বাজে কথা বলা (বা জনরবে থাকা), অধিক (অনাবশ্যক) প্রশ্ন করা (অথবা প্রয়োজনের অধিক চাওয়া) এবং ধন-মাল বিনষ্ট (অপচয়) করাকে অপছন্দ করেন।” (মুসলিম ৪৫৭৮ নং)
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله يرضى لكم ثلاثا ويكره لكم ثلاثا فيرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا ولا تفرقوا ويكره لكم قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال
হাদিস সম্ভার ১৮৫২
عن عبادة بن الصامت عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اسمع وأطع في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليك وإن أكلوا مالك وضربوا ظهرك
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমার কষ্ট ও আনন্দের সময়, পছন্দ ও অপছন্দের সময়, (রাজা) তোমার উপর আর কাউকে অগ্রাধিকার দিলে, তোমার ধন-সম্পদ হরণ করে নিলে এবং তোমার পিঠে চাবুক মারলেও তুমি তাঁর কথা মেনে চল এবং আনুগত্য কর।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০২৬ নং, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমার কষ্ট ও আনন্দের সময়, পছন্দ ও অপছন্দের সময়, (রাজা) তোমার উপর আর কাউকে অগ্রাধিকার দিলে, তোমার ধন-সম্পদ হরণ করে নিলে এবং তোমার পিঠে চাবুক মারলেও তুমি তাঁর কথা মেনে চল এবং আনুগত্য কর।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০২৬ নং, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
عن عبادة بن الصامت عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اسمع وأطع في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليك وإن أكلوا مالك وضربوا ظهرك
হাদিস সম্ভার ১৮৫১
عن أبي ذر قال أتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا في مسجد المدينة فضربني برجله وقال ألا أراك نائما فيه فقلت يا رسول الله غلبتني عيني قال كيف تصنع إذا أخرجت منه فقلت آتي أرض الشام الأرض المقدسة المباركة قال كيف تصنع إذا أخرجت منه قال ما أصنع أضرب بسيفي يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا أدلك على خير من ذلك وأقرب رشدا قالها مرتين تسمع وتطيع وتنساق كيف ساقوك
একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট এলেন। আমি তখন মদীনার মসজিদে (ঘুমিয়ে) ছিলাম। তিনি আমাকে তাঁর পা দ্বারা আঘাত করলেন ও বললেন, “আমি কি তোমাকে এখানে ঘুমাতে দেখছি না?” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার এমনিই চোখ লেগে গেল।’ তিনি বললেন, “তোমাকে যখন এখান থেকে বের করে দেওয়া হবে, তখন তুমি কি করবে?” আমি বললাম, ‘আমি বরকতময় পবিত্র ভূমি শাম দেশকে পছন্দ করি। (সেখানে চলে যাব।)’ তিনি বললেন, “সেখান থেকেও তোমাকে বহিষ্কার করলে তুমি কী করবে?” আমি বললাম, ‘কী করব? আমি আমার তরবারি দ্বারা লড়াই করব হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুইবার বললেন, “আমি তোমাকে এর চাইতে উত্তম ও উচিততর কর্তব্য বলে দেব না কি? আদেশ পালন করো, আনুগত্য করো এবং তোমাকে যেখানে যেতে বলে, সেখানেই চলে যেয়ো।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০৭৪ নং , আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট এলেন। আমি তখন মদীনার মসজিদে (ঘুমিয়ে) ছিলাম। তিনি আমাকে তাঁর পা দ্বারা আঘাত করলেন ও বললেন, “আমি কি তোমাকে এখানে ঘুমাতে দেখছি না?” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার এমনিই চোখ লেগে গেল।’ তিনি বললেন, “তোমাকে যখন এখান থেকে বের করে দেওয়া হবে, তখন তুমি কি করবে?” আমি বললাম, ‘আমি বরকতময় পবিত্র ভূমি শাম দেশকে পছন্দ করি। (সেখানে চলে যাব।)’ তিনি বললেন, “সেখান থেকেও তোমাকে বহিষ্কার করলে তুমি কী করবে?” আমি বললাম, ‘কী করব? আমি আমার তরবারি দ্বারা লড়াই করব হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুইবার বললেন, “আমি তোমাকে এর চাইতে উত্তম ও উচিততর কর্তব্য বলে দেব না কি? আদেশ পালন করো, আনুগত্য করো এবং তোমাকে যেখানে যেতে বলে, সেখানেই চলে যেয়ো।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১০৭৪ নং , আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
عن أبي ذر قال أتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا في مسجد المدينة فضربني برجله وقال ألا أراك نائما فيه فقلت يا رسول الله غلبتني عيني قال كيف تصنع إذا أخرجت منه فقلت آتي أرض الشام الأرض المقدسة المباركة قال كيف تصنع إذا أخرجت منه قال ما أصنع أضرب بسيفي يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا أدلك على خير من ذلك وأقرب رشدا قالها مرتين تسمع وتطيع وتنساق كيف ساقوك
হাদিস সম্ভার ১৮৫৩
عن أنس قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الأنصار ثم قال أما بعد إنكم سترون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারগণকে ডেকে বললেন, “---অতঃপর, অচিরে তোমরা (তোমাদের নেতাদের) অন্যায়-অবিচার (তোমাদের উপরে অন্যদেরকে প্রাধান্য দিতে) দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা আমার সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া (মৃত্যু) পর্যন্ত ধৈর্য অবলম্বন করো।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১১০২ নং)
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারগণকে ডেকে বললেন, “---অতঃপর, অচিরে তোমরা (তোমাদের নেতাদের) অন্যায়-অবিচার (তোমাদের উপরে অন্যদেরকে প্রাধান্য দিতে) দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা আমার সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া (মৃত্যু) পর্যন্ত ধৈর্য অবলম্বন করো।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ১১০২ নং)
عن أنس قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الأنصار ثم قال أما بعد إنكم سترون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني
হাদিস সম্ভার ১৮৫৪
عن أبى أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اتقوا الله ربكم وصلوا خمسكم وصوموا شهركم وأدوا زكاة أموالكم وأطيعوا ذا أمركم تدخلوا جنة ربكم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় কর, পাঁচ ওয়াক্তের নামায আদায় কর, রমযানের সিয়াম রাখ, তোমাদের মালের যাকাত প্রদান কর এবং তোমাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের আনুগত্য কর, তাহলে তোমাদের প্রতিপালকের জান্নাতে প্রবেশাধিকার লাভ করবে।” (আহমাদ ২২৫১৪, তিরমিযী ৬১৬ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় কর, পাঁচ ওয়াক্তের নামায আদায় কর, রমযানের সিয়াম রাখ, তোমাদের মালের যাকাত প্রদান কর এবং তোমাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের আনুগত্য কর, তাহলে তোমাদের প্রতিপালকের জান্নাতে প্রবেশাধিকার লাভ করবে।” (আহমাদ ২২৫১৪, তিরমিযী ৬১৬ নং)
عن أبى أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اتقوا الله ربكم وصلوا خمسكم وصوموا شهركم وأدوا زكاة أموالكم وأطيعوا ذا أمركم تدخلوا جنة ربكم
হাদিস সম্ভার ১৮৫৬
عن عمر رضي الله عنه قال: لا إسلام إلا بجماعة ولا جماعة إلا بإمارة ولا إمارة إلا بطاعة
‘জামাআত ছাড়া ইসলাম নেই। নেতৃত্ব ছাড়া জামাআত নেই। আর আনুগত্য ছাড়া নেতৃত্ব নেই।’ (দারেমী ২৫১ নং, এর সনদ সহী নয়।)
‘জামাআত ছাড়া ইসলাম নেই। নেতৃত্ব ছাড়া জামাআত নেই। আর আনুগত্য ছাড়া নেতৃত্ব নেই।’ (দারেমী ২৫১ নং, এর সনদ সহী নয়।)
عن عمر رضي الله عنه قال: لا إسلام إلا بجماعة ولا جماعة إلا بإمارة ولا إمارة إلا بطاعة
হাদিস সম্ভার ১৮৫৫
عن زيد بن ثابت قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث خصال لا يغل عليهن قلب مسلم إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة الأمر ولزوم الجماعة فإن دعوتهم تحيط من ورائهم
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিনটি বিষয় এমন আছে, যাতে কোন মুসলিমের হৃদয় খিয়ানত করতে পারে না। (এক) নির্ভেজালভাবে আল্লাহর জন্য আমল করা। (দুই) সাধারণ মুসলিমদের (নেতাদের) জন্য কল্যাণ কামনা করা। (তিন) মুসলিমদের জামাআতকে আঁকড়ে ধরে থাকা। কেননা, তাঁদের (ঐক্যবদ্ধতার) আহবান তাঁদের সকলকে পরিবেষ্টন করে রাখে।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৯৪, ১০৮৫, ১০৮৭, মিশকাত, তাহক্বীক্ব-সহ ২২৮ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিনটি বিষয় এমন আছে, যাতে কোন মুসলিমের হৃদয় খিয়ানত করতে পারে না। (এক) নির্ভেজালভাবে আল্লাহর জন্য আমল করা। (দুই) সাধারণ মুসলিমদের (নেতাদের) জন্য কল্যাণ কামনা করা। (তিন) মুসলিমদের জামাআতকে আঁকড়ে ধরে থাকা। কেননা, তাঁদের (ঐক্যবদ্ধতার) আহবান তাঁদের সকলকে পরিবেষ্টন করে রাখে।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৯৪, ১০৮৫, ১০৮৭, মিশকাত, তাহক্বীক্ব-সহ ২২৮ নং)
عن زيد بن ثابت قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث خصال لا يغل عليهن قلب مسلم إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة الأمر ولزوم الجماعة فإن دعوتهم تحيط من ورائهم
হাদিস সম্ভার ১৮৫৯
عن عياض بن غنم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أراد أن ينصح لذي سلطان فلا يبده علانية ولكن يأخذ بيده فيخلوا به فإن قبل منه فذاك وإلا كان قد أدى الذي عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাজকর্তৃ পক্ষকে হিতোপদেশ দান করার ইচ্ছা করে, সে যেন প্রকাশ্যে তা না করে; বরং তার হাত ধরে নির্জনে (উপদেশ দান করে)। সে যদি তার নিকট হতে (ঐ উপদেশ) গ্রহণ করে নেয় তো উত্তম। নচেৎ নিজের দায়িত্ব সে যথার্থ পালন করে থাকে।” (সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ১০৯৬-১০৯৭ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাজকর্তৃ পক্ষকে হিতোপদেশ দান করার ইচ্ছা করে, সে যেন প্রকাশ্যে তা না করে; বরং তার হাত ধরে নির্জনে (উপদেশ দান করে)। সে যদি তার নিকট হতে (ঐ উপদেশ) গ্রহণ করে নেয় তো উত্তম। নচেৎ নিজের দায়িত্ব সে যথার্থ পালন করে থাকে।” (সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ১০৯৬-১০৯৭ নং)
عن عياض بن غنم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أراد أن ينصح لذي سلطان فلا يبده علانية ولكن يأخذ بيده فيخلوا به فإن قبل منه فذاك وإلا كان قد أدى الذي عليه
হাদিস সম্ভার ১৮৫৮
عن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد ومن أراد بحبحة الجنة فعليه بالجماعة
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা জামাআতবদ্ধ হও এবং শতধা-বিভক্ত হয়ো না। কারণ শয়তান একাকীর সাথী হয় এবং দু’জন থেকে অধিক দূরে থাকে। আর যে ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ জান্নাত্ চায়, সে ব্যক্তির উচিত, জামাআতে শামিল হওয়া।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা জামাআতবদ্ধ হও এবং শতধা-বিভক্ত হয়ো না। কারণ শয়তান একাকীর সাথী হয় এবং দু’জন থেকে অধিক দূরে থাকে। আর যে ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ জান্নাত্ চায়, সে ব্যক্তির উচিত, জামাআতে শামিল হওয়া।” (কিতাবুস সুন্নাহ, শায়বানী ৮৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
عن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد ومن أراد بحبحة الجنة فعليه بالجماعة
হাদিস সম্ভার ১৮৫৭
عن ابن عمر قال : خطبنا عمر بالجابية فقال : يا أيها الناس إني قمت فيكم كمقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا فقال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد
একদা উমার (রাঃ) জাবিয়াতে আমাদের মাঝে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘হে লোক সকল! আমি তোমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়েছি, যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হতেন। তিনি যা বলতেন, তার মধ্যে কিছু অংশ এই যে, “তোমরা জামাআতবদ্ধভাবে বসবাস কর। বিচ্ছিন্নতা থেকে দূরে থাকো। কারণ শয়তান থাকে একলা মানুষের সাথে। দুজন থেকে থাকে বেশি দূরে।” (তিরমিযী ২১৬৫ নং)
একদা উমার (রাঃ) জাবিয়াতে আমাদের মাঝে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘হে লোক সকল! আমি তোমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়েছি, যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হতেন। তিনি যা বলতেন, তার মধ্যে কিছু অংশ এই যে, “তোমরা জামাআতবদ্ধভাবে বসবাস কর। বিচ্ছিন্নতা থেকে দূরে থাকো। কারণ শয়তান থাকে একলা মানুষের সাথে। দুজন থেকে থাকে বেশি দূরে।” (তিরমিযী ২১৬৫ নং)
عن ابن عمر قال : خطبنا عمر بالجابية فقال : يا أيها الناس إني قمت فيكم كمقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا فقال عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد
হাদিস সম্ভার ১৮৬০
عن زياد بن كسيب العدوي قال : كنت مع أبي بكرة تحت منبر ابن عامر وهو يخطب وعليه ثياب رقاق فقال أبو بلال : انظروا إلى أميرنا يلبس ثياب الفساق فقال أبو بكرة : اسكت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من أهان سلطان الله في الأرض أهانه الله
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ) এর সাথে ইবনে আমেরের মিম্বরের নিচে ছিলাম। সে সময় ইবনে আমের ভাষণ দিচ্ছিলেন, আর তাঁর পরনে ছিল পাতলা কাপড়। তা দেখে আবূ বিলাল বললেন, ‘আমাদের আমীরকে দেখ, ফাসেকদের লেবাস ব্যবহার করে!’ তা শুনে আবূ বাকরাহ (রাঃ) বললেন, ‘চুপ করো। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি পৃথিবীতে আল্লাহর (বানানো) বাদশাকে অপমানিত করবে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করবেন।” (আহমাদ ২০৭০৫, তিরমিযী ২২২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ২২৯৭ নং)
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ) এর সাথে ইবনে আমেরের মিম্বরের নিচে ছিলাম। সে সময় ইবনে আমের ভাষণ দিচ্ছিলেন, আর তাঁর পরনে ছিল পাতলা কাপড়। তা দেখে আবূ বিলাল বললেন, ‘আমাদের আমীরকে দেখ, ফাসেকদের লেবাস ব্যবহার করে!’ তা শুনে আবূ বাকরাহ (রাঃ) বললেন, ‘চুপ করো। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি পৃথিবীতে আল্লাহর (বানানো) বাদশাকে অপমানিত করবে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করবেন।” (আহমাদ ২০৭০৫, তিরমিযী ২২২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ২২৯৭ নং)
عن زياد بن كسيب العدوي قال : كنت مع أبي بكرة تحت منبر ابن عامر وهو يخطب وعليه ثياب رقاق فقال أبو بلال : انظروا إلى أميرنا يلبس ثياب الفساق فقال أبو بكرة : اسكت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من أهان سلطان الله في الأرض أهانه الله
হাদিস সম্ভার ১৮৬১
عن ربعى بن حراش قال: انطلقت إلى حذيفة بالمدائن ليالي سار الناس إلى عثمان فقال يا ربعي ما فعل قومك؟ قال قلت عن أي بالهم تسأل؟ قال: من خرج منهم إلى هذا الرجل؟ فسميت رجالا فيمن خرج إليه فقال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من فارق الجماعة واستذل الإمارة لقي الله عز وجل ولا وجه له عنده
যে রাতে লোকেরা উষমান বিন আফফান (রাঃ) এর নিকটে গেল, সেই রাতে আমি মাদায়েনে হুযাইফা বিন য়্যামানের কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, ‘তোমার সম্প্রদায়ের ব্যাপার কী?’ আমি বললাম, ‘আপনি তাদের কোন্ ব্যাপার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করছেন?’ তিনি বললেন, ‘ওদের মধ্যে কে কে ঐ ব্যক্তির (উষমানের) নিকট (বিদ্রোহীরূপে) গেছে?’ আমি যারা গেছে তাদের মধ্যে কিছু লোকের নাম করলাম। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হবে এবং আমীরকে অপমান করবে, আল্লাহ আয্যা অজাল্লার সাথে সাক্ষাতের সময় তাঁর নিকট সে ব্যক্তির কোন মুখ থাকবে না।” (আহমাদ ২৩২৮৩, হাকেম ৪০৯, তিনি এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী এতে একমত। অবশ্য তাঁর বর্ণনায় আছে,) “সাক্ষাতের সময় তার বাঁচার কোন দলীল ও হুজ্জত থাকবে না।”
যে রাতে লোকেরা উষমান বিন আফফান (রাঃ) এর নিকটে গেল, সেই রাতে আমি মাদায়েনে হুযাইফা বিন য়্যামানের কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, ‘তোমার সম্প্রদায়ের ব্যাপার কী?’ আমি বললাম, ‘আপনি তাদের কোন্ ব্যাপার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করছেন?’ তিনি বললেন, ‘ওদের মধ্যে কে কে ঐ ব্যক্তির (উষমানের) নিকট (বিদ্রোহীরূপে) গেছে?’ আমি যারা গেছে তাদের মধ্যে কিছু লোকের নাম করলাম। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হবে এবং আমীরকে অপমান করবে, আল্লাহ আয্যা অজাল্লার সাথে সাক্ষাতের সময় তাঁর নিকট সে ব্যক্তির কোন মুখ থাকবে না।” (আহমাদ ২৩২৮৩, হাকেম ৪০৯, তিনি এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী এতে একমত। অবশ্য তাঁর বর্ণনায় আছে,) “সাক্ষাতের সময় তার বাঁচার কোন দলীল ও হুজ্জত থাকবে না।”
عن ربعى بن حراش قال: انطلقت إلى حذيفة بالمدائن ليالي سار الناس إلى عثمان فقال يا ربعي ما فعل قومك؟ قال قلت عن أي بالهم تسأل؟ قال: من خرج منهم إلى هذا الرجل؟ فسميت رجالا فيمن خرج إليه فقال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من فارق الجماعة واستذل الإمارة لقي الله عز وجل ولا وجه له عنده
হাদিস সম্ভার ১৮৬২
عن أبي بكرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أكرم سلطان الله تبارك وتعالى في الدنيا أكرمه الله يوم القيامة ومن أهان سلطان الله تبارك وتعالى في الدنيا أهانه الله يوم القيامة
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার বাদশাকে সম্মান দেবে, আল্লাহ কিয়ামতে তাকে সম্মানিত করবেন। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার বাদশাকে অপমান করবে, আল্লাহ কিয়ামতে তাকে অপমানিত করবেন।” (আহমাদ ২০৪৩৩, ২০৪৯৫, সিলসিলাহ সহীহাহ ২২৯৭ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার বাদশাকে সম্মান দেবে, আল্লাহ কিয়ামতে তাকে সম্মানিত করবেন। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার বাদশাকে অপমান করবে, আল্লাহ কিয়ামতে তাকে অপমানিত করবেন।” (আহমাদ ২০৪৩৩, ২০৪৯৫, সিলসিলাহ সহীহাহ ২২৯৭ নং)
عن أبي بكرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أكرم سلطان الله تبارك وتعالى في الدنيا أكرمه الله يوم القيامة ومن أهان سلطان الله تبارك وتعالى في الدنيا أهانه الله يوم القيامة
হাদিস সম্ভার ১৮৬৩
عن معاذ بن جبل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خمس من فعل واحدة منهن كان ضامنا على الله عز وجل من عاد مريضا أو خرج مع جنازة أو خرج غازيا أو دخل على إمامه يريد تعزيره وتوقيره أو قعد في بيته فسلم الناس منه وسلم من الناس
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ৫টির ১টি করবে, সে আল্লাহ আযযা অজাল্লার যামানতে হবে; যে কোন রোগীকে সাক্ষাৎ করবে, অথবা জানাযার সাথে বের হবে, অথবা যোদ্ধা হয়ে বের হয়ে যাবে, অথবা সম্মান ও শ্রদ্ধা করার উদ্দেশ্যে নেতার নিকট উপস্থিত হবে, অথবা নিজ ঘরে বসে থাকবে ফলে মানুষ তার থেকে এবং সে মানুষ থেকে নিরাপদ থাকবে।” (আহমাদ ২২০৯৩, ত্বাবারানী ১৬৪৮৫, আবূ য়্যা’লা, ইবনে হিব্বান ৩৭২, ইবনে খুযাইমা ১৪৯৫, আস্ সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ১০২১, সঃ তারগীব ১২৬৮, ৩৪৭১ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ৫টির ১টি করবে, সে আল্লাহ আযযা অজাল্লার যামানতে হবে; যে কোন রোগীকে সাক্ষাৎ করবে, অথবা জানাযার সাথে বের হবে, অথবা যোদ্ধা হয়ে বের হয়ে যাবে, অথবা সম্মান ও শ্রদ্ধা করার উদ্দেশ্যে নেতার নিকট উপস্থিত হবে, অথবা নিজ ঘরে বসে থাকবে ফলে মানুষ তার থেকে এবং সে মানুষ থেকে নিরাপদ থাকবে।” (আহমাদ ২২০৯৩, ত্বাবারানী ১৬৪৮৫, আবূ য়্যা’লা, ইবনে হিব্বান ৩৭২, ইবনে খুযাইমা ১৪৯৫, আস্ সুন্নাহ, ইবনে আবী আসেম ১০২১, সঃ তারগীব ১২৬৮, ৩৪৭১ নং)
عن معاذ بن جبل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خمس من فعل واحدة منهن كان ضامنا على الله عز وجل من عاد مريضا أو خرج مع جنازة أو خرج غازيا أو دخل على إمامه يريد تعزيره وتوقيره أو قعد في بيته فسلم الناس منه وسلم من الناس
হাদিস সম্ভার ১৮৬৪
عن أبي بكرة قال لما بلغ النبي صلى اللٰه عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট যখন এ খবর পৌঁছল যে, পারস্যবাসিগণ তাদের রাজক্ষমতা কেসরা (রাজ) কন্যার হাতে তুলে দিয়েছে, তখন তিনি বললেন, “সে জাতি কোন দিন সফলকাম হতে পারে না, যে জাতি তাদের শাসন ক্ষমতা একজন নারীর হাতে তুলে দেয়।” (বুখারী ৪৪২৫, ৭০৯৯)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট যখন এ খবর পৌঁছল যে, পারস্যবাসিগণ তাদের রাজক্ষমতা কেসরা (রাজ) কন্যার হাতে তুলে দিয়েছে, তখন তিনি বললেন, “সে জাতি কোন দিন সফলকাম হতে পারে না, যে জাতি তাদের শাসন ক্ষমতা একজন নারীর হাতে তুলে দেয়।” (বুখারী ৪৪২৫, ৭০৯৯)
عن أبي بكرة قال لما بلغ النبي صلى اللٰه عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة
হাদিস সম্ভার ১৮৬৫
عن ثوبان قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما أخاف على أمتي الأئمة المضلين
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি আমার উম্মতের উপর ভ্রষ্টকারী ইমাম (আলেম ও নেতা প্রভৃতি)র দলকেই ভয় করি।” (আহমাদ ২২৩৯৩, আবূ দাঊদ ৪২৫৪, তিরমিযী ২২২৯ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি আমার উম্মতের উপর ভ্রষ্টকারী ইমাম (আলেম ও নেতা প্রভৃতি)র দলকেই ভয় করি।” (আহমাদ ২২৩৯৩, আবূ দাঊদ ৪২৫৪, তিরমিযী ২২২৯ নং)
عن ثوبان قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما أخاف على أمتي الأئمة المضلين
হাদিস সম্ভার > খাওয়ারিজ সম্পর্কিত হাদীস
হাদিস সম্ভার ১৮৬৬
عن حذيفة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (إن أخوف ما أخاف عليكم رجل قرأ القرآن حتى إذا رئيت بهجته عليه وكان ردءا للإسلام انسلخ منه ونبذه وراء ظهره وسعى على جاره بالسيف ورماه بالشرك) قال : قلت : يا نبي الله أيهما أولى بالشرك المرمي أم الرامي ؟ قال : ( بل الرامي)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি যে সকল বিষয় তোমাদের জন্য আশঙ্কা করি, তার মধ্যে এমন এক ব্যক্তি, যে কুরআন পড়েছে। পরিশেষে যখন তার মধ্যে কুরআনের মনোহারিত্ব দেখা গেল এবং সে ইসলামের একজন সহায়ক হয়ে গড়ে উঠল, তখন সে তা হতে অপসৃত হল তা নিজ পশ্চাতে নিক্ষেপ করল, নিজ প্রতিবেশীর উপর তরবারি তুলে ধরতে উদ্যত হল এবং তাকে ‘মুশরিক’ বলে অপবাদ দিল।” সাহাবী হুযাইফা ইবনুল য়্যামান বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ওদের উভয়ের মধ্যে তরবারির যোগ্য কে? অপবাদদাতা, নাকি যাকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে সে?’ উত্তরে তিনি বললেন, “বরং অপবাদদাতা।” (ইবনে হিব্বান ৮১, সিঃ সহীহাহ ৩২০১ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি যে সকল বিষয় তোমাদের জন্য আশঙ্কা করি, তার মধ্যে এমন এক ব্যক্তি, যে কুরআন পড়েছে। পরিশেষে যখন তার মধ্যে কুরআনের মনোহারিত্ব দেখা গেল এবং সে ইসলামের একজন সহায়ক হয়ে গড়ে উঠল, তখন সে তা হতে অপসৃত হল তা নিজ পশ্চাতে নিক্ষেপ করল, নিজ প্রতিবেশীর উপর তরবারি তুলে ধরতে উদ্যত হল এবং তাকে ‘মুশরিক’ বলে অপবাদ দিল।” সাহাবী হুযাইফা ইবনুল য়্যামান বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ওদের উভয়ের মধ্যে তরবারির যোগ্য কে? অপবাদদাতা, নাকি যাকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে সে?’ উত্তরে তিনি বললেন, “বরং অপবাদদাতা।” (ইবনে হিব্বান ৮১, সিঃ সহীহাহ ৩২০১ নং)
عن حذيفة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (إن أخوف ما أخاف عليكم رجل قرأ القرآن حتى إذا رئيت بهجته عليه وكان ردءا للإسلام انسلخ منه ونبذه وراء ظهره وسعى على جاره بالسيف ورماه بالشرك) قال : قلت : يا نبي الله أيهما أولى بالشرك المرمي أم الرامي ؟ قال : ( بل الرامي)
হাদিস সম্ভার ১৮৬৭
عن جابر بن عبد الله قال أتى رجل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بالجعرانة منصرفه من حنين وفى ثوب بلال فضة ورسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبض منها يعطى الناس فقال: يا محمد اعدل قال ويلك ومن يعدل إذا لم أكن أعدل لقد خبت وخسرت إن لم أكن أعدل فقال عمر بن الخطاب رضى الله عنه دعنى يا رسول الله فأقتل هذا المنافق فقال معاذ الله أن يتحدث الناس أنى أقتل أصحابى إن هذا وأصحابه يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون منه كما يمرق السهم من الرمية
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুনাইন থেকে ফেরার পথে জিইর্রানাতে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলালের কাপড় থেকে নিয়ে চাঁদি বিতরণ করছিলেন। এক ব্যক্তি বলে উঠল, ‘হে মুহাম্মাদ! আপনি ন্যায়ভাবে বন্টন করুন। ঐ বন্টন ন্যায্য হচ্ছে না!’ মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার এ কথা শুনে বললেন, “দূর হতভাগা! আমি ন্যায্য বন্টন না করলে আর কে করবে? ইনসাফ না করলে আমি ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হব।” উমার (রাঃ) বললেন, ‘আমাকে অনুমতি দিন। আমি ঐ মুনাফিকের গর্দানটি উড়িয়ে দিই।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ওর কিছু সহচর আছে, যারা কুরআন পড়ে। কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালী পার হয় না। তারা ইসলাম থেকে ঐভাবে বের হয়ে যাবে, যেভাবে তীর শিকার ভেদ ক’রে বের হয়ে যায়।” (বুখারী ৩৬১০, মুসলিম ২৪৯৬ নং)
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুনাইন থেকে ফেরার পথে জিইর্রানাতে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলালের কাপড় থেকে নিয়ে চাঁদি বিতরণ করছিলেন। এক ব্যক্তি বলে উঠল, ‘হে মুহাম্মাদ! আপনি ন্যায়ভাবে বন্টন করুন। ঐ বন্টন ন্যায্য হচ্ছে না!’ মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার এ কথা শুনে বললেন, “দূর হতভাগা! আমি ন্যায্য বন্টন না করলে আর কে করবে? ইনসাফ না করলে আমি ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হব।” উমার (রাঃ) বললেন, ‘আমাকে অনুমতি দিন। আমি ঐ মুনাফিকের গর্দানটি উড়িয়ে দিই।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ওর কিছু সহচর আছে, যারা কুরআন পড়ে। কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালী পার হয় না। তারা ইসলাম থেকে ঐভাবে বের হয়ে যাবে, যেভাবে তীর শিকার ভেদ ক’রে বের হয়ে যায়।” (বুখারী ৩৬১০, মুসলিম ২৪৯৬ নং)
عن جابر بن عبد الله قال أتى رجل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بالجعرانة منصرفه من حنين وفى ثوب بلال فضة ورسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبض منها يعطى الناس فقال: يا محمد اعدل قال ويلك ومن يعدل إذا لم أكن أعدل لقد خبت وخسرت إن لم أكن أعدل فقال عمر بن الخطاب رضى الله عنه دعنى يا رسول الله فأقتل هذا المنافق فقال معاذ الله أن يتحدث الناس أنى أقتل أصحابى إن هذا وأصحابه يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون منه كما يمرق السهم من الرمية
হাদিস সম্ভার ১৮৬৮
عن أبى سعيد الخدرى وأنس بن مالك عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال سيكون فى أمتى اختلاف وفرقة قوم يحسنون القيل ويسيئون الفعل ويقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية لا يرجعون حتى يرتد على فوقه هم شر الخلق والخليقة طوبى لمن قتلهم وقتلوه يدعون إلى كتاب الله وليسوا منه فى شىء من قاتلهم كان أولى بالله منهم قالوا : يا رسول الله ما سيماهم قال التحليق
রাসূলুল্লাহ বলেছেন, “আমার উম্মতের মাঝে মতবিরোধ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হবে। একদল হবে যাদের কথাবার্তা সুন্দর হবে এবং কর্ম হবে অসুন্দর। তারা কুরআন পাঠ করবে, কিন্তু তা তাদের গলদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তারা (সেইরূপ দ্বীনে) ফিরে আসবে না, যেরূপ তীর ধনুকে ফিরে আসে না। তারা সৃষ্টির সবচেয়ে নিকৃষ্ট জাতি। শুভ পরিণাম তার জন্য, যে তাদেরকে হত্যা করবে এবং যাকে তারা হত্যা করবে। তারা আল্লাহর কিতাবের দিকে মানুষকে আহবান করবে, অথচ তারা (সঠিকভাবে) তার উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে না। যে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, সে হবে বাকী উম্মত অপেক্ষা আল্লাহর নিকটবর্তী। তাদের চিহ্ন হবে মাথা নেড়া।” (আহমাদ, আবূ দাঊদ, ইবনে মাজাহ, হাকেম, সহীহুল জামে’ ৩৬৬৮ নং)
রাসূলুল্লাহ বলেছেন, “আমার উম্মতের মাঝে মতবিরোধ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হবে। একদল হবে যাদের কথাবার্তা সুন্দর হবে এবং কর্ম হবে অসুন্দর। তারা কুরআন পাঠ করবে, কিন্তু তা তাদের গলদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তারা (সেইরূপ দ্বীনে) ফিরে আসবে না, যেরূপ তীর ধনুকে ফিরে আসে না। তারা সৃষ্টির সবচেয়ে নিকৃষ্ট জাতি। শুভ পরিণাম তার জন্য, যে তাদেরকে হত্যা করবে এবং যাকে তারা হত্যা করবে। তারা আল্লাহর কিতাবের দিকে মানুষকে আহবান করবে, অথচ তারা (সঠিকভাবে) তার উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে না। যে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, সে হবে বাকী উম্মত অপেক্ষা আল্লাহর নিকটবর্তী। তাদের চিহ্ন হবে মাথা নেড়া।” (আহমাদ, আবূ দাঊদ, ইবনে মাজাহ, হাকেম, সহীহুল জামে’ ৩৬৬৮ নং)
عن أبى سعيد الخدرى وأنس بن مالك عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال سيكون فى أمتى اختلاف وفرقة قوم يحسنون القيل ويسيئون الفعل ويقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية لا يرجعون حتى يرتد على فوقه هم شر الخلق والخليقة طوبى لمن قتلهم وقتلوه يدعون إلى كتاب الله وليسوا منه فى شىء من قاتلهم كان أولى بالله منهم قالوا : يا رسول الله ما سيماهم قال التحليق