হাদিস সম্ভার > একতা ও বিচ্ছিন্নতা

হাদিস সম্ভার ১৫৩০

قال ا بن مسعود الجماعة ما وافق الحق وإن كنت وحدك

‘হকের অনুসারীই হল জামাআত; যদিও তুমি একা হও।’ (ইবনে আসাকের, তারীখু দিমাশ্ক ৪৬/৪০৯, মিশকাত ১/৬১ টীকা ৫)

‘হকের অনুসারীই হল জামাআত; যদিও তুমি একা হও।’ (ইবনে আসাকের, তারীখু দিমাশ্ক ৪৬/৪০৯, মিশকাত ১/৬১ টীকা ৫)

قال ا بن مسعود الجماعة ما وافق الحق وإن كنت وحدك


হাদিস সম্ভার ১৫২৮

عن معاوية بن أبى سفيان أنه قام فينا فقال ألا إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قام فينا فقال ألا إن من قبلكم من أهل الكتاب افترقوا على ثنتين وسبعين ملة وإن هذه الملة ستفترق على ثلاث وسبعين ثنتان وسبعون فى النار وواحدة فى الجنة وهى الجماعة

তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দন্ডায়মান হয়ে বললেন, “শোনো! তোমাদের পূর্বে যে কিতাবধারী জাতি ছিল তারা ৭২ ফির্কায় বিভক্ত হয়েছিল। আর এই উম্মত বিভক্ত হবে ৭৩ ফির্কায়; এদের মধ্যে ৭২টি ফির্কাহ হবে জাহান্নামী আর একটি মাত্র জান্নাতী। আর ঐ ফির্কাটি হল (আহলে) জামাআত। (আহমাদ ১৬৯৩৭, আবূ দাঊদ ৪৫৯৯)

তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের মাঝে দন্ডায়মান হয়ে বললেন, “শোনো! তোমাদের পূর্বে যে কিতাবধারী জাতি ছিল তারা ৭২ ফির্কায় বিভক্ত হয়েছিল। আর এই উম্মত বিভক্ত হবে ৭৩ ফির্কায়; এদের মধ্যে ৭২টি ফির্কাহ হবে জাহান্নামী আর একটি মাত্র জান্নাতী। আর ঐ ফির্কাটি হল (আহলে) জামাআত। (আহমাদ ১৬৯৩৭, আবূ দাঊদ ৪৫৯৯)

عن معاوية بن أبى سفيان أنه قام فينا فقال ألا إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قام فينا فقال ألا إن من قبلكم من أهل الكتاب افترقوا على ثنتين وسبعين ملة وإن هذه الملة ستفترق على ثلاث وسبعين ثنتان وسبعون فى النار وواحدة فى الجنة وهى الجماعة


হাদিস সম্ভার ১৫৩১

عن عبد الله بن مسعود قال خط لنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خطا ثم قال هذا سبيل الله ثم خط خطوطا عن يمينه وعن شماله ثم قال هذه سبل قال يزيد متفرقة على كل سبيل منها شيطان يدعو إليه ثم قرأ: وأن هذا صراطي مستقيما فاتبعوه ولا تتبعوا السبل فتفرق بكم عن سبيله ذلكم وصاكم به لعلكم تتقون

তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জন্য স্বহস্তে একটি রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি বললেন, “এটি আল্লাহর সরল পথ।” অতঃপর ঐ রেখার ডাইনে ও বামে কতকগুলি রেখা টেনে বললেন, “এগুলি বিভিন্ন পথ। এই পথগুলির প্রত্যেটির উপর একটি করে শয়তান আছে; যে ঐ পথের প্রতি মানুষকে আহ্বান করে।”অতঃপর তিনি আল্লাহ তাআলার এই বাণী পাঠ করলেন, অর্থাৎ, এবং নিশ্চয় এটি আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ কর এবং বিভিন্ন পথের অনুসরণ করো না। করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এ ভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা সাবধান হও।(সূরা আনআম ১৫৩)। (আহমাদ ৪১৪২, নাসাঈ কুবরা ১১১৭৪, হাকেম ৩২৪১, মিশকাত ১/৫৯)

তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জন্য স্বহস্তে একটি রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি বললেন, “এটি আল্লাহর সরল পথ।” অতঃপর ঐ রেখার ডাইনে ও বামে কতকগুলি রেখা টেনে বললেন, “এগুলি বিভিন্ন পথ। এই পথগুলির প্রত্যেটির উপর একটি করে শয়তান আছে; যে ঐ পথের প্রতি মানুষকে আহ্বান করে।”অতঃপর তিনি আল্লাহ তাআলার এই বাণী পাঠ করলেন, অর্থাৎ, এবং নিশ্চয় এটি আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ কর এবং বিভিন্ন পথের অনুসরণ করো না। করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এ ভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা সাবধান হও।(সূরা আনআম ১৫৩)। (আহমাদ ৪১৪২, নাসাঈ কুবরা ১১১৭৪, হাকেম ৩২৪১, মিশকাত ১/৫৯)

عن عبد الله بن مسعود قال خط لنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خطا ثم قال هذا سبيل الله ثم خط خطوطا عن يمينه وعن شماله ثم قال هذه سبل قال يزيد متفرقة على كل سبيل منها شيطان يدعو إليه ثم قرأ: وأن هذا صراطي مستقيما فاتبعوه ولا تتبعوا السبل فتفرق بكم عن سبيله ذلكم وصاكم به لعلكم تتقون


হাদিস সম্ভার ১৫৩২

عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بدأ الإسلام غريبا وسيعود كما بدأ غريبا فطوبى للغرباء

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “নিশ্চয় ইসলাম (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্পসংখ্যক মানুষ নিয়ে শুরুতে আগমন করেছে এবং অনুরূপ অল্প সংখ্যক মানুষ নিয়েই ভবিষ্যতে প্রত্যাগমন করবে, যেমন শুরুতে আগমন করেছিল। সুতরাং সুসংবাদ ঐ মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য।” (মুসলিম ৩৮৯)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “নিশ্চয় ইসলাম (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্পসংখ্যক মানুষ নিয়ে শুরুতে আগমন করেছে এবং অনুরূপ অল্প সংখ্যক মানুষ নিয়েই ভবিষ্যতে প্রত্যাগমন করবে, যেমন শুরুতে আগমন করেছিল। সুতরাং সুসংবাদ ঐ মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য।” (মুসলিম ৩৮৯)

عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بدأ الإسلام غريبا وسيعود كما بدأ غريبا فطوبى للغرباء


হাদিস সম্ভার ১৫৩৩

عن سهل بن سعد الساعدي قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الإسلام بدا غريبا وسيعود غريبا كما بدا فطوبى للغرباء قيل : ومن الغرباء يا رسول الله ؟ قال : الذين يصلحون إذا فسد الناس

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় ইসলাম (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্পসংখ্যক মানুষ নিয়ে শুরুতে আগমন করেছে এবং অনুরূপ অল্প সংখ্যক মানুষ নিয়েই ভবিষ্যতে প্রত্যাগমন করবে, যেমন শুরুতে আগমন করেছিল। সুতরাং শুভ সংবাদ ঐ (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোকদের জন্য।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘(প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোক কারা? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, “যারা মানুষ অসৎ হয়ে গেলে তাদেরকে সংস্কার করে সঠিক পথে রাখতে সচেষ্ট হয়।” (আহমাদ ১৬৬৯০, ত্বাবারানীর কাবীর ৭৫৫৪, আওসাত্ব ৩০৫৬)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় ইসলাম (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্পসংখ্যক মানুষ নিয়ে শুরুতে আগমন করেছে এবং অনুরূপ অল্প সংখ্যক মানুষ নিয়েই ভবিষ্যতে প্রত্যাগমন করবে, যেমন শুরুতে আগমন করেছিল। সুতরাং শুভ সংবাদ ঐ (প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোকদের জন্য।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘(প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোক কারা? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, “যারা মানুষ অসৎ হয়ে গেলে তাদেরকে সংস্কার করে সঠিক পথে রাখতে সচেষ্ট হয়।” (আহমাদ ১৬৬৯০, ত্বাবারানীর কাবীর ৭৫৫৪, আওসাত্ব ৩০৫৬)

عن سهل بن سعد الساعدي قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الإسلام بدا غريبا وسيعود غريبا كما بدا فطوبى للغرباء قيل : ومن الغرباء يا رسول الله ؟ قال : الذين يصلحون إذا فسد الناس


হাদিস সম্ভার ১৫২৯

عن عبد الله بن عمرو ومعاوية قالا قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم افترقت اليهود على إحدى وسبعين فرقة وافترقت النصارى على ثلاث وسبعين فرقة كلها في النار إلا واحدة قالوا : من هي يا رسول الله ؟ قال الجماعةوفي رواية ما أنا عليه وأصحابي

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ইয়াহুদী একাত্তর দলে এবং খ্রিষ্টান বাহাত্তর দলে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে। আর এই উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। যার মধ্যে একটি ছাড়া বাকী সব কটি জাহান্নামে যাবে।”অতঃপর ঐ একটি দল প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বললেন, “তারা হল জামাআত।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আমি ও আমার সাহাবা যে মতাদর্শের উপর আছি তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।” (সুনান আরবাআহ, মিশকাত ১৭১-১৭২, সিলসিলাহ সহীহাহ ২০৩, ১৪৯২) । উক্ত হাদীসেরই শেষাংশ, وَإِنَّهُ سَيَخْرُجُ مِنْ أُمَّتِى أَقْوَامٌ تَجَارَى بِهِمْ تِلْكَ الأَهْوَاءُ كَمَا يَتَجَارَى الْكَلْبُ لِصَاحِبِهِ لاَ يَبْقَى مِنْهُ عِرْقٌ وَلاَ مَفْصِلٌ إِلاَّ دَخَلَهُ “আমার উম্মতের কয়েকটি সম্প্রদায় বের হবে, যাদের মাঝে ঐ খেয়াল-খুশী প্রতিক্রিয়াশীল হবে, যেমন কুকুরে কামড় দেওয়া লোকের ভিতরে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিক্রিয়াশীল হয়। প্রত্যেক শিরা-উপশিরা ও জোড়ে-জোড়ে তা প্রবেশ করে।” (আবূ দাঊদ ৪৫৯৯, হাকেম ৪৪৩, ত্বাবারানী, সঃ তারগীব ৪৯)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ইয়াহুদী একাত্তর দলে এবং খ্রিষ্টান বাহাত্তর দলে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে। আর এই উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। যার মধ্যে একটি ছাড়া বাকী সব কটি জাহান্নামে যাবে।”অতঃপর ঐ একটি দল প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বললেন, “তারা হল জামাআত।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আমি ও আমার সাহাবা যে মতাদর্শের উপর আছি তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।” (সুনান আরবাআহ, মিশকাত ১৭১-১৭২, সিলসিলাহ সহীহাহ ২০৩, ১৪৯২) । উক্ত হাদীসেরই শেষাংশ, وَإِنَّهُ سَيَخْرُجُ مِنْ أُمَّتِى أَقْوَامٌ تَجَارَى بِهِمْ تِلْكَ الأَهْوَاءُ كَمَا يَتَجَارَى الْكَلْبُ لِصَاحِبِهِ لاَ يَبْقَى مِنْهُ عِرْقٌ وَلاَ مَفْصِلٌ إِلاَّ دَخَلَهُ “আমার উম্মতের কয়েকটি সম্প্রদায় বের হবে, যাদের মাঝে ঐ খেয়াল-খুশী প্রতিক্রিয়াশীল হবে, যেমন কুকুরে কামড় দেওয়া লোকের ভিতরে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিক্রিয়াশীল হয়। প্রত্যেক শিরা-উপশিরা ও জোড়ে-জোড়ে তা প্রবেশ করে।” (আবূ দাঊদ ৪৫৯৯, হাকেম ৪৪৩, ত্বাবারানী, সঃ তারগীব ৪৯)

عن عبد الله بن عمرو ومعاوية قالا قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم افترقت اليهود على إحدى وسبعين فرقة وافترقت النصارى على ثلاث وسبعين فرقة كلها في النار إلا واحدة قالوا : من هي يا رسول الله ؟ قال الجماعةوفي رواية ما أنا عليه وأصحابي


হাদিস সম্ভার ১৫৩৪

عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم ونحن عنده طوبى للغرباء فقيل من الغرباء يا رسول الله؟ قال أناس صالحون في أناس سوء كثير من يعصيهم أكثر ممن يطيعهم

একদা আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে ছিলাম, তিনি দু’আ করে বললেন, “কল্যাণ ঐ (প্রবাসীর মত অসহায়) মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘(প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোক কারা? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, “যারা বহু অসৎ লোকের মাঝে অল্পসংখ্যক সৎলোক। তাদের অনুগত লোকের চেয়ে অবাধ্য লোকের সংখ্যা অধিক।” (আহমাদ ৬৬৫০)

একদা আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে ছিলাম, তিনি দু’আ করে বললেন, “কল্যাণ ঐ (প্রবাসীর মত অসহায়) মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘(প্রবাসীর মত অসহায়) অল্প সংখ্যক লোক কারা? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, “যারা বহু অসৎ লোকের মাঝে অল্পসংখ্যক সৎলোক। তাদের অনুগত লোকের চেয়ে অবাধ্য লোকের সংখ্যা অধিক।” (আহমাদ ৬৬৫০)

عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم ونحن عنده طوبى للغرباء فقيل من الغرباء يا رسول الله؟ قال أناس صالحون في أناس سوء كثير من يعصيهم أكثر ممن يطيعهم


হাদিস সম্ভার ১৫৩৫

عن ثوبان قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تزال طائفة من أمتى ظاهرين على الحق لا يضرهم من خذلهم حتى يأتى أمر الله وهم كذلك

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মধ্যে এক দল চিরকাল হক (সত্যের) উপর বিজয়ী থাকবে, আল্লাহর আদেশ (কিয়ামতের পূর্বমুহূর্ত) আসা পর্যন্ত, যারা তাদেরকে পরিত্যাগ করবে তারা তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” (মুসলিম ৫০৫৯)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মধ্যে এক দল চিরকাল হক (সত্যের) উপর বিজয়ী থাকবে, আল্লাহর আদেশ (কিয়ামতের পূর্বমুহূর্ত) আসা পর্যন্ত, যারা তাদেরকে পরিত্যাগ করবে তারা তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” (মুসলিম ৫০৫৯)

عن ثوبان قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تزال طائفة من أمتى ظاهرين على الحق لا يضرهم من خذلهم حتى يأتى أمر الله وهم كذلك


হাদিস সম্ভার ১৫৩৬

عن ثوبان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا تقوم الساعة حتى تلحق قبائل من أمتى بالمشركين وحتى تعبد قبائل من أمتى الأوثان

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামত আসবে না, যে পর্যন্ত না আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সাথে মিলিত হবে এবং আমার উম্মতের কিছু গোত্র মূর্তিপূজা করবে।” (আবূ দাঊদ ৪২৫৪)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামত আসবে না, যে পর্যন্ত না আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সাথে মিলিত হবে এবং আমার উম্মতের কিছু গোত্র মূর্তিপূজা করবে।” (আবূ দাঊদ ৪২৫৪)

عن ثوبان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا تقوم الساعة حتى تلحق قبائل من أمتى بالمشركين وحتى تعبد قبائل من أمتى الأوثان


হাদিস সম্ভার ১৫৩৭

عن معاوية بن قرة عن أبيه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا فسد أهل الشام فلا خير فيكم ولن تزال طائفة من أمتي منصورين لا يضرهم من خذلهم حتى تقوم الساعة

মুআবিয়া বিন ক্বুর্রাহ নিজ পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শামবাসী অসৎ হয়ে গেলে তোমাদের মধ্যে কোন মঙ্গল নেই। আর চিরকালের জন্য আমার উম্মতের একটি দল সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে, কিয়ামত কায়েম হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে উপেক্ষাকারীরা তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” (আহমাদ ১৫৫৯৭)

মুআবিয়া বিন ক্বুর্রাহ নিজ পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শামবাসী অসৎ হয়ে গেলে তোমাদের মধ্যে কোন মঙ্গল নেই। আর চিরকালের জন্য আমার উম্মতের একটি দল সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে, কিয়ামত কায়েম হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে উপেক্ষাকারীরা তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।” (আহমাদ ১৫৫৯৭)

عن معاوية بن قرة عن أبيه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا فسد أهل الشام فلا خير فيكم ولن تزال طائفة من أمتي منصورين لا يضرهم من خذلهم حتى تقوم الساعة


হাদিস সম্ভার ১৫৩৮

عن العرباض بن سارية قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلممن يعش منكم بعدى فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتى وسنة الخلفاء الراشدين المهديين تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “---তোমাদের মধ্যে যে আমার পরে জীবিত থাকবে, সে বহু মতভেদ দেখতে পাবে। অতএব তোমরা আমার সুন্নাহ (পথ ও আদর্শ) এবং আমার পরবর্তী সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের সুন্নাহ অবলম্বন করো। তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, দাঁতে কামড়ে ধরো। আর দ্বীনে নবরচিত কর্ম থেকে সাবধান থেকো। কারণ প্রত্যেক নবরচিত (দ্বীনী) কর্মই হল ‘বিদআত’। আর প্রত্যেক বিদআতই হল ভ্রষ্টতা।” (আহমাদ ১৭১৪৪, আবূ দাঊদ ৪৬০৭, তিরমিযী ২৮১৫ , ইবনে মাজাহ, মিশকাত ১৬৫)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “---তোমাদের মধ্যে যে আমার পরে জীবিত থাকবে, সে বহু মতভেদ দেখতে পাবে। অতএব তোমরা আমার সুন্নাহ (পথ ও আদর্শ) এবং আমার পরবর্তী সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদ্বীনের সুন্নাহ অবলম্বন করো। তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, দাঁতে কামড়ে ধরো। আর দ্বীনে নবরচিত কর্ম থেকে সাবধান থেকো। কারণ প্রত্যেক নবরচিত (দ্বীনী) কর্মই হল ‘বিদআত’। আর প্রত্যেক বিদআতই হল ভ্রষ্টতা।” (আহমাদ ১৭১৪৪, আবূ দাঊদ ৪৬০৭, তিরমিযী ২৮১৫ , ইবনে মাজাহ, মিশকাত ১৬৫)

عن العرباض بن سارية قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلممن يعش منكم بعدى فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتى وسنة الخلفاء الراشدين المهديين تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة


হাদিস সম্ভার ১৫৩৯

عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المتمسك بسنتي عند اختلاف أمتي كالقابض على الجمر

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মতবিরোধের সময় আমার সুন্নাহকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণকারী হবে হস্তমুষ্টিতে অঙ্গার ধারণকারীর মত।” (হাকীম, সহীহুল জামে’ ৬৬৭৬)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের মতবিরোধের সময় আমার সুন্নাহকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণকারী হবে হস্তমুষ্টিতে অঙ্গার ধারণকারীর মত।” (হাকীম, সহীহুল জামে’ ৬৬৭৬)

عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المتمسك بسنتي عند اختلاف أمتي كالقابض على الجمر


হাদিস সম্ভার ১৫৪০

عن عوف بن مالك الأشجعي قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم: تفترق أمتي على بضع وسبعين فرقة، أعظمها فتنة على أمتي قوم يقيسون الأمور برأيهم فيحلون الحرام ويحرمون الحلال

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মত সত্তরাধিক (তিয়াত্তর) ফির্কায় বিভক্ত হবে। এদের মধ্যে আমার উম্মতের জন্য সবচেয়ে বড় ফিতনা (ও ক্ষতি)র কারণ হবে একটি এমন সম্প্রদায়, যারা নিজ রায় দ্বারা সকল ব্যাপারকে ‘কিয়াস’(অনুমান) করবে; আর এর ফলে তারা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করবে।” (আল-ইবানাহ, ইবনে বাত্ত্বাহ ১/৩৭৪, হাকেম ৪/৪৩০, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১৭৯)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মত সত্তরাধিক (তিয়াত্তর) ফির্কায় বিভক্ত হবে। এদের মধ্যে আমার উম্মতের জন্য সবচেয়ে বড় ফিতনা (ও ক্ষতি)র কারণ হবে একটি এমন সম্প্রদায়, যারা নিজ রায় দ্বারা সকল ব্যাপারকে ‘কিয়াস’(অনুমান) করবে; আর এর ফলে তারা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করবে।” (আল-ইবানাহ, ইবনে বাত্ত্বাহ ১/৩৭৪, হাকেম ৪/৪৩০, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১৭৯)

عن عوف بن مالك الأشجعي قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم: تفترق أمتي على بضع وسبعين فرقة، أعظمها فتنة على أمتي قوم يقيسون الأمور برأيهم فيحلون الحرام ويحرمون الحلال


হাদিস সম্ভার ১৫৪১

عن سعد بن أبي وقاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل ذات يوم من العالية حتى إذا مر بمسجد بنى معاوية دخل فركع فيه ركعتين وصلينا معه ودعا ربه طويلا ثم انصرف إلينا فقال صلى اللٰه عليه وسلم سألت ربى ثلاثا فأعطانى ثنتين ومنعنى واحدة سألت ربى أن لا يهلك أمتى بالسنة فأعطانيها وسألته أن لا يهلك أمتى بالغرق فأعطانيها وسألته أن لا يجعل بأسهم بينهم فمنعنيها

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আলিয়া থেকে আগমন করলেন। অতঃপর বনী মুআবিয়ার মসজিদে প্রবেশ করে দু’রাকআত নামায পড়লেন। আমরাও তাঁর সাথে নামায পড়লাম। তিনি তাঁর প্রতিপালকের নিকট সুদীর্ঘ দু’আ করলেন। অতঃপর ঘুরে বসে বললেন, “আমি আমার প্রতিপালকের নিকট তিনটি জিনিস প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে দু’টি জিনিস দান করলেন এবং একটি জিনিস দিলেন না। আমি প্রার্থনা করলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ-কবলিত করে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে বন্যা-কবলিত করে ডুবিয়ে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব না রাখেন, তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (মুসলিম ৭৪৪২, মিশকাত ৩/২৫০)

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আলিয়া থেকে আগমন করলেন। অতঃপর বনী মুআবিয়ার মসজিদে প্রবেশ করে দু’রাকআত নামায পড়লেন। আমরাও তাঁর সাথে নামায পড়লাম। তিনি তাঁর প্রতিপালকের নিকট সুদীর্ঘ দু’আ করলেন। অতঃপর ঘুরে বসে বললেন, “আমি আমার প্রতিপালকের নিকট তিনটি জিনিস প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে দু’টি জিনিস দান করলেন এবং একটি জিনিস দিলেন না। আমি প্রার্থনা করলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ-কবলিত করে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে বন্যা-কবলিত করে ডুবিয়ে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব না রাখেন, তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (মুসলিম ৭৪৪২, মিশকাত ৩/২৫০)

عن سعد بن أبي وقاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل ذات يوم من العالية حتى إذا مر بمسجد بنى معاوية دخل فركع فيه ركعتين وصلينا معه ودعا ربه طويلا ثم انصرف إلينا فقال صلى اللٰه عليه وسلم سألت ربى ثلاثا فأعطانى ثنتين ومنعنى واحدة سألت ربى أن لا يهلك أمتى بالسنة فأعطانيها وسألته أن لا يهلك أمتى بالغرق فأعطانيها وسألته أن لا يجعل بأسهم بينهم فمنعنيها


হাদিস সম্ভার ১৫৪২

عن خباب بن الأرت قال: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فأطالها فقالوا: يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها؟ قال: أجل إنها صلاة رغبة ورهبة إني سألت الله فيها ثلاثا فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة، سألته أن لا يهلك أمتي بسنة فأعطانيها، وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها، وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها. وفي رواية وسألته أن لا يلبسهم شيعا ويذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে খুব লম্বা নামায পড়লেন। লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি এমন নামায পড়লেন, যা আগে পড়তেন না।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এটি ছিল আগ্রহ ও ভীতির নামায। আমি এতে আল্লাহর নিকট তিনটি জিনিস প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে দু’টি জিনিস দান করলেন এবং একটি জিনিস দিলেন না। আমি প্রার্থনা করলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ-কবলিত করে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের উপর কোন পর-শত্রুকে আধিপত্য না দেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব না রাখেন, তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (তিরমিযী ২১৭৫, নাসাঈ, আহমাদ ২১০৫৩, মিশকাত ৩/২৫০) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আমি চাইলাম, তিনি যেন তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে এক দলকে অপর দলের নিপীড়নের আস্বাদ গ্রহণ না করান, কিন্তু তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (সহীহহুল জামে’ ২৪৩৩)

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে খুব লম্বা নামায পড়লেন। লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি এমন নামায পড়লেন, যা আগে পড়তেন না।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এটি ছিল আগ্রহ ও ভীতির নামায। আমি এতে আল্লাহর নিকট তিনটি জিনিস প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে দু’টি জিনিস দান করলেন এবং একটি জিনিস দিলেন না। আমি প্রার্থনা করলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ-কবলিত করে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের উপর কোন পর-শত্রুকে আধিপত্য না দেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব না রাখেন, তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (তিরমিযী ২১৭৫, নাসাঈ, আহমাদ ২১০৫৩, মিশকাত ৩/২৫০) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আমি চাইলাম, তিনি যেন তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে এক দলকে অপর দলের নিপীড়নের আস্বাদ গ্রহণ না করান, কিন্তু তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (সহীহহুল জামে’ ২৪৩৩)

عن خباب بن الأرت قال: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فأطالها فقالوا: يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها؟ قال: أجل إنها صلاة رغبة ورهبة إني سألت الله فيها ثلاثا فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة، سألته أن لا يهلك أمتي بسنة فأعطانيها، وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها، وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها. وفي رواية وسألته أن لا يلبسهم شيعا ويذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها


হাদিস সম্ভার ১৫৪৩

عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم مهلا يا قوم بهذا أهلكت الأمم من قبلكم باختلافهم على أنبيائهم وضربهم الكتب بعضها ببعض إن القرآن لم ينزل يكذب بعضه بعضا بل يصدق بعضه بعضا فما عرفتم منه فاعملوا به وما جهلتم منه فردوه إلى عالمه

আমর বিন শুআইব তিনি তাঁর পিতা থেকে তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করে বলেন, (একদা কুরআনী কোন বিষয় নিয়ে কিছু সাহাবাকে তর্ক করতে দেখে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “থামো হে লোক সকল! নবীদের ব্যাপারে মতভেদ এবং কিতাবের একাংশকে অন্য অংশের সাথে সংঘর্ষ সৃষ্টি ক’রে তোমাদের পূর্বের বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে। কুরআন এভাবে অবতীর্ণ হয়নি যে, তার একাংশ অন্য অংশকে মিথ্যায়ন করবে। বরং তার একাংশ অন্য অংশকে সত্যায়ন করে। সুতরাং যা তোমরা বুঝতে পার, তার উপর আমল কর এবং যা বুঝতে পার না, তা তার জ্ঞানীর দিকে ফিরিয়ে দাও।” (আহমাদ ৬৭০২, শারহুল আক্বীদাতিত ত্বাহাবিয়্যাহ ১/২১৮)

আমর বিন শুআইব তিনি তাঁর পিতা থেকে তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করে বলেন, (একদা কুরআনী কোন বিষয় নিয়ে কিছু সাহাবাকে তর্ক করতে দেখে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “থামো হে লোক সকল! নবীদের ব্যাপারে মতভেদ এবং কিতাবের একাংশকে অন্য অংশের সাথে সংঘর্ষ সৃষ্টি ক’রে তোমাদের পূর্বের বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে। কুরআন এভাবে অবতীর্ণ হয়নি যে, তার একাংশ অন্য অংশকে মিথ্যায়ন করবে। বরং তার একাংশ অন্য অংশকে সত্যায়ন করে। সুতরাং যা তোমরা বুঝতে পার, তার উপর আমল কর এবং যা বুঝতে পার না, তা তার জ্ঞানীর দিকে ফিরিয়ে দাও।” (আহমাদ ৬৭০২, শারহুল আক্বীদাতিত ত্বাহাবিয়্যাহ ১/২১৮)

عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم مهلا يا قوم بهذا أهلكت الأمم من قبلكم باختلافهم على أنبيائهم وضربهم الكتب بعضها ببعض إن القرآن لم ينزل يكذب بعضه بعضا بل يصدق بعضه بعضا فما عرفتم منه فاعملوا به وما جهلتم منه فردوه إلى عالمه


হাদিস সম্ভার > সুন্নাহ পালনের গুরুত্ব ও তার কিছু আদব প্রসঙ্গে

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00