হাদিস সম্ভার > দাফন-কার্য
হাদিস সম্ভার ১৩৩১
عن أبي بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لما توفي آدم غسلته الملائكة بالماء وترا وألحدوا له وقالوا هذه سنة آدم في ولده
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন আদম মৃত্যুবরণ করলেন, তখন ফেরেশতা বেজোড় সংখ্যায় পানি দ্বারা তাঁর গোসল দিলেন এবং তাঁকে বগলী কবরে দাফন করা হল। আর বলা হল, এ হল আদমের সুন্নাত তাঁর সন্তানদের মধ্যে।” (হাকেম ৪০০৪, সঃ জামে’ ৫২০৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন আদম মৃত্যুবরণ করলেন, তখন ফেরেশতা বেজোড় সংখ্যায় পানি দ্বারা তাঁর গোসল দিলেন এবং তাঁকে বগলী কবরে দাফন করা হল। আর বলা হল, এ হল আদমের সুন্নাত তাঁর সন্তানদের মধ্যে।” (হাকেম ৪০০৪, সঃ জামে’ ৫২০৭)
عن أبي بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لما توفي آدم غسلته الملائكة بالماء وترا وألحدوا له وقالوا هذه سنة آدم في ولده
হাদিস সম্ভার ১৩৩৩
وعن أبي رافع أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ومن حفر له فأجنه أجرى عليه كأجر مسكن أسكنه إياه إلى يوم القيامة
রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “--- আর যে ব্যক্তি (নেক নিয়্যাতে) মাইয়্যেতের জন্য কবর খুঁড়বে এবং তাকে তাতে দাফন করবে আল্লাহ তার জন্য সেই ঘর তৈরী করে দেওয়ার সওয়াব জারী করে দেবেন; যা কিয়ামত পর্যন্ত বাস করতে দেওয়ার জন্য করা হয়।” (হাকেম ১৩০৭, ১৩৪০, বাইহাক্বী ৬৯০০)
রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “--- আর যে ব্যক্তি (নেক নিয়্যাতে) মাইয়্যেতের জন্য কবর খুঁড়বে এবং তাকে তাতে দাফন করবে আল্লাহ তার জন্য সেই ঘর তৈরী করে দেওয়ার সওয়াব জারী করে দেবেন; যা কিয়ামত পর্যন্ত বাস করতে দেওয়ার জন্য করা হয়।” (হাকেম ১৩০৭, ১৩৪০, বাইহাক্বী ৬৯০০)
وعن أبي رافع أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ومن حفر له فأجنه أجرى عليه كأجر مسكن أسكنه إياه إلى يوم القيامة
হাদিস সম্ভার ১৩৩২
عن عقبة بن عامر الجهنى قال: ثلاث ساعات كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ينهانا أن نصلى فيهن أو أن نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل الشمس وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে তিন সময়ে নামায পড়তে এবং মুর্দা দাফন করতে নিষেধ করতেন; (১) ঠিক সূর্য উদয় হওয়ার পর থেকে একটু উঁচু না হওয়া পর্যন্ত, (২) সূর্য ঠিক মাথার উপর আসার পর থেকে একটু ঢলে না যাওয়া পর্যন্ত এবং (৩) সূর্য ডোবার কাছাকাছি হওয়া থেকে ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত। (মুসলিম ১৯৬৬, আহমাদ ১৭৩৭৭, আবূ দাঊদ ৩১৯৪, তিরমিযী ১০৩০, নাসাঈ ৫৬০, ইবনে মাজাহ ১৫১৯, মিশকাত ১০৪০)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে তিন সময়ে নামায পড়তে এবং মুর্দা দাফন করতে নিষেধ করতেন; (১) ঠিক সূর্য উদয় হওয়ার পর থেকে একটু উঁচু না হওয়া পর্যন্ত, (২) সূর্য ঠিক মাথার উপর আসার পর থেকে একটু ঢলে না যাওয়া পর্যন্ত এবং (৩) সূর্য ডোবার কাছাকাছি হওয়া থেকে ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত। (মুসলিম ১৯৬৬, আহমাদ ১৭৩৭৭, আবূ দাঊদ ৩১৯৪, তিরমিযী ১০৩০, নাসাঈ ৫৬০, ইবনে মাজাহ ১৫১৯, মিশকাত ১০৪০)
عن عقبة بن عامر الجهنى قال: ثلاث ساعات كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ينهانا أن نصلى فيهن أو أن نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل الشمس وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب
হাদিস সম্ভার ১৩৩৫
عن عائشة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال كسر عظم الميت ككسره حيا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মৃত (মুসলিমের) হাড় ভাঙ্গা জীবিত (মুসলিমের) হাড় ভাঙ্গার সমান।” (অর্থাৎ উভয়ের পাপ সমান।) (আবূ দাউদ ৩২০৯, ইবনে মাজাহ ১৬১৬,, ইবনে হিব্বান, আহমাদ, সহীহুল জামে’ ৪৪৭৯)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মৃত (মুসলিমের) হাড় ভাঙ্গা জীবিত (মুসলিমের) হাড় ভাঙ্গার সমান।” (অর্থাৎ উভয়ের পাপ সমান।) (আবূ দাউদ ৩২০৯, ইবনে মাজাহ ১৬১৬,, ইবনে হিব্বান, আহমাদ, সহীহুল জামে’ ৪৪৭৯)
عن عائشة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال كسر عظم الميت ككسره حيا
হাদিস সম্ভার ১৩৩৭
عن جابر قال نهى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن يجصص القبر وأن يقعد عليه وأن يبنى عليه
“আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কবর চুনকাম করা, তার উপর বসা এবং তার উপর ইমারত নির্মাণ করা হতে নিষেধ করেছেন।” (মুসলিম ২২৮৯)
“আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কবর চুনকাম করা, তার উপর বসা এবং তার উপর ইমারত নির্মাণ করা হতে নিষেধ করেছেন।” (মুসলিম ২২৮৯)
عن جابر قال نهى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن يجصص القبر وأن يقعد عليه وأن يبنى عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৩৮
عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানকে অভিসম্পাত করুন (অথবা করেছেন), তারা তাদের পয়গম্বরদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।” (বুখারী ১৩৩০, ১৩৯০, মুসলিম ১২১২)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানকে অভিসম্পাত করুন (অথবা করেছেন), তারা তাদের পয়গম্বরদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।” (বুখারী ১৩৩০, ১৩৯০, মুসলিম ১২১২)
عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد
হাদিস সম্ভার ১৩৩৪
وعن خباب بن الأرت قال : هاجرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نلتمس وجه الله تعالى فوقع أجرنا على الله فمنا من مات ولم يأكل من أجره شيئا منهم : مصعب بن عمير قتل يوم أحد وترك نمرة فكنا إذا غطينا بها رأسه بدت رجلاه وإذا غطينا بها رجليه بدا رأسه فأمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن نغطي رأسه ونجعل على رجليه شيئا من الإذخر، ومنا من أينعت له ثمرته فهو يهدبها متفق عليه
‘আমরা আল্লাহর চেহারা (সন্তুষ্টি) লাভের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে (মদীনা) হিজরত করলাম। যার সওয়াব আল্লাহর নিকট আমাদের প্রাপ্য। এরপর আমাদের কেউ এ সওয়াব দুনিয়াতে ভোগ করার পূর্বেই বিদায় নিলেন। এর মধ্যে মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ); তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হলেন এবং শুধুমাত্র একখানা পশমের রঙিন চাদর রেখে গেলেন। আমরা (কাফনের জন্য) তা দিয়ে তাঁর মাথা ঢাকলে তাঁর পা বেরিয়ে গেল। আর পা ঢাকলে তাঁর মাথা বেরিয়ে গেল। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, “তা দিয়ে ওর মাথাটা ঢেকে দাও এবং পায়ের উপর ‘ইযখির’ ঘাস বিছিয়ে দাও।” আর আমাদের মধ্যে এমনও লোক রয়েছেন, যাঁদের ফল পেকে গেছে। আর তাঁরা তা সংগ্রহ করছেন।’ (বুখারী ১২৭৬, মুসলিম ২২২০)
‘আমরা আল্লাহর চেহারা (সন্তুষ্টি) লাভের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে (মদীনা) হিজরত করলাম। যার সওয়াব আল্লাহর নিকট আমাদের প্রাপ্য। এরপর আমাদের কেউ এ সওয়াব দুনিয়াতে ভোগ করার পূর্বেই বিদায় নিলেন। এর মধ্যে মুসআব ইবনে উমাইর (রাঃ); তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হলেন এবং শুধুমাত্র একখানা পশমের রঙিন চাদর রেখে গেলেন। আমরা (কাফনের জন্য) তা দিয়ে তাঁর মাথা ঢাকলে তাঁর পা বেরিয়ে গেল। আর পা ঢাকলে তাঁর মাথা বেরিয়ে গেল। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, “তা দিয়ে ওর মাথাটা ঢেকে দাও এবং পায়ের উপর ‘ইযখির’ ঘাস বিছিয়ে দাও।” আর আমাদের মধ্যে এমনও লোক রয়েছেন, যাঁদের ফল পেকে গেছে। আর তাঁরা তা সংগ্রহ করছেন।’ (বুখারী ১২৭৬, মুসলিম ২২২০)
وعن خباب بن الأرت قال : هاجرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نلتمس وجه الله تعالى فوقع أجرنا على الله فمنا من مات ولم يأكل من أجره شيئا منهم : مصعب بن عمير قتل يوم أحد وترك نمرة فكنا إذا غطينا بها رأسه بدت رجلاه وإذا غطينا بها رجليه بدا رأسه فأمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن نغطي رأسه ونجعل على رجليه شيئا من الإذخر، ومنا من أينعت له ثمرته فهو يهدبها متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৩৯
عن جندب عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إنى أنهاكم عن ذلك
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাবধান! তোমরা কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়ো না। এরূপ করতে আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি।” (মুসলিম ১২১৬)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাবধান! তোমরা কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়ো না। এরূপ করতে আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি।” (মুসলিম ১২১৬)
عن جندب عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إنى أنهاكم عن ذلك
হাদিস সম্ভার ১৩৩৬
عن علي قال : كنا في جنازة في بقيع الغرقد فأتانا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقعد وقعدنا حوله ومعه مخصرة فنكس وجعل ينكت بمخصرته ثم قالما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من النار ومقعده من الجنة فقالوا : يا رسول الله أفلا نتكل على كتابنا ؟ فقال اعملوا فكل ميسر لما خلق لهوذكر تمام الحديث متفق عليه
আমরা এক জানাযার সাথে বাক্বীউল গারক্বাদ (কবর স্থানে) ছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর আশপাশে বসে গেলাম। তাঁর সাথে একটি ছড়ি ছিল, তিনি মাথা নীচু করে তা দিয়ে (চিন্তাগ্রস্তের মত) মাটিতে আঁক কাটতে লাগলেন। তারপর তিনি বললেন, “তোমাদের প্রত্যেকের জাহান্নামে ও জান্নাতে ঠিকানা লিখে দেওয়া হয়েছে।” সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তাহলে আমরা কি আমাদের (ভাগ্য) লিপির উপর ভরসা করব না?’ তিনি বললেন, “(না, বরং) তোমরা কর্ম করতে থাক। কেননা, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সে কাজ সহজ হয়, যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।” (বুখারী ১৩৬২, ৪৯৪৮, মুসলিম ৬৯০১-৬৯০৩)
আমরা এক জানাযার সাথে বাক্বীউল গারক্বাদ (কবর স্থানে) ছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর আশপাশে বসে গেলাম। তাঁর সাথে একটি ছড়ি ছিল, তিনি মাথা নীচু করে তা দিয়ে (চিন্তাগ্রস্তের মত) মাটিতে আঁক কাটতে লাগলেন। তারপর তিনি বললেন, “তোমাদের প্রত্যেকের জাহান্নামে ও জান্নাতে ঠিকানা লিখে দেওয়া হয়েছে।” সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! তাহলে আমরা কি আমাদের (ভাগ্য) লিপির উপর ভরসা করব না?’ তিনি বললেন, “(না, বরং) তোমরা কর্ম করতে থাক। কেননা, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সে কাজ সহজ হয়, যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।” (বুখারী ১৩৬২, ৪৯৪৮, মুসলিম ৬৯০১-৬৯০৩)
عن علي قال : كنا في جنازة في بقيع الغرقد فأتانا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقعد وقعدنا حوله ومعه مخصرة فنكس وجعل ينكت بمخصرته ثم قالما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من النار ومقعده من الجنة فقالوا : يا رسول الله أفلا نتكل على كتابنا ؟ فقال اعملوا فكل ميسر لما خلق لهوذكر تمام الحديث متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৪১
وعن أبي عمرو وقيل : أبو عبد الله وقيل : أبو ليلى عثمان بن عفان قال : كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا فرغ من دفن الميت وقف عليه وقال استغفروا لأخيكم وسلوا له التثبيت فإنه الآن يسأل رواه أبو داود
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মৃতকে সমাধিস্থ করার পর তার নিকট দাঁড়িয়ে বলতেন, “তোমরা তোমাদের ভাইদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তার জন্য স্থিরতার দু‘আ কর। কেননা, এখনই তাকে প্রশ্ন করা হবে।” (আবূ দাঊদ ৩২২৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মৃতকে সমাধিস্থ করার পর তার নিকট দাঁড়িয়ে বলতেন, “তোমরা তোমাদের ভাইদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তার জন্য স্থিরতার দু‘আ কর। কেননা, এখনই তাকে প্রশ্ন করা হবে।” (আবূ দাঊদ ৩২২৩)
وعن أبي عمرو وقيل : أبو عبد الله وقيل : أبو ليلى عثمان بن عفان قال : كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا فرغ من دفن الميت وقف عليه وقال استغفروا لأخيكم وسلوا له التثبيت فإنه الآن يسأل رواه أبو داود
হাদিস সম্ভার ১৩৪২
وعن عمرو بن العاص قال : إذا دفنتموني فأقيموا حول قبري قدر ما تنحر جزور ويقسم لحمها حتى أستأنس بكم، وأعلم ماذا أراجع به رسل ربي رواه مسلم وقد سبق بطوله قال الشافعي رحمه الله : ويستحب أن يقرأ عنده شيء من القرآن وإن ختموا القرآن عنده كان حسنا
‘তোমরা যখন আমাকে সমাধিস্থ করবে, তখন আমার কবরের আশ-পাশে তোমরা ততক্ষণ অবস্থান করবে, যতক্ষণ একটা উট যবেহ ক’রে তার মাংস বন্টন করতে লাগে। যেন আমি তোমাদের পেয়ে নিঃসঙ্গতা বোধ না করি এবং জেনে নিই যে, আমি আমার প্রভুর দূতগণকে কী জবাব দিচ্ছি।’ (মুসলিম ৩৩৬)
‘তোমরা যখন আমাকে সমাধিস্থ করবে, তখন আমার কবরের আশ-পাশে তোমরা ততক্ষণ অবস্থান করবে, যতক্ষণ একটা উট যবেহ ক’রে তার মাংস বন্টন করতে লাগে। যেন আমি তোমাদের পেয়ে নিঃসঙ্গতা বোধ না করি এবং জেনে নিই যে, আমি আমার প্রভুর দূতগণকে কী জবাব দিচ্ছি।’ (মুসলিম ৩৩৬)
وعن عمرو بن العاص قال : إذا دفنتموني فأقيموا حول قبري قدر ما تنحر جزور ويقسم لحمها حتى أستأنس بكم، وأعلم ماذا أراجع به رسل ربي رواه مسلم وقد سبق بطوله قال الشافعي رحمه الله : ويستحب أن يقرأ عنده شيء من القرآن وإن ختموا القرآن عنده كان حسنا
হাদিস সম্ভার ১৩৪০
عن أبى الهياج الأسدى قال قال لى على بن أبى طالب ألا أبعثك على ما بعثنى عليه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن لا تدع تمثالا إلا طمسته ولا قبرا مشرفا إلا سويته
‘একদা আলী বিন আবী তালেব (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি কি তোমাকে সেই নির্দেশ দিয়ে পাঠাব না, যে নির্দেশ দিয়ে আমাকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠিয়েছিলেন? (তিনি বলেছিলেন,) “কোন মূর্তি (বা ছবি) দেখলেই তা নষ্ট করে ফেলো এবং কোন উঁচু কবর দেখলেই তা মাটি বরাবর করে দিয়ো।” (মুসলিম ২২৮৭, আবূ দাঊদ ৩২২০)
‘একদা আলী বিন আবী তালেব (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি কি তোমাকে সেই নির্দেশ দিয়ে পাঠাব না, যে নির্দেশ দিয়ে আমাকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠিয়েছিলেন? (তিনি বলেছিলেন,) “কোন মূর্তি (বা ছবি) দেখলেই তা নষ্ট করে ফেলো এবং কোন উঁচু কবর দেখলেই তা মাটি বরাবর করে দিয়ো।” (মুসলিম ২২৮৭, আবূ দাঊদ ৩২২০)
عن أبى الهياج الأسدى قال قال لى على بن أبى طالب ألا أبعثك على ما بعثنى عليه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن لا تدع تمثالا إلا طمسته ولا قبرا مشرفا إلا سويته
হাদিস সম্ভার > মৃতব্যক্তির ঋণ পরিশোধ
হাদিস সম্ভার ১৩৪৩
عن ابن عمر قال: قضى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بالدين قبل الوصية وأن لا وصية لوارث
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসিয়তের পূর্বে ঋণ পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর (বলেছেন,) কোন ওয়ারেসের জন্য অসিয়ত নেই।” (মুসনাদুল হারেষ, ইরওয়াউল গালীল ১৬৫৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসিয়তের পূর্বে ঋণ পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর (বলেছেন,) কোন ওয়ারেসের জন্য অসিয়ত নেই।” (মুসনাদুল হারেষ, ইরওয়াউল গালীল ১৬৫৫)
عن ابن عمر قال: قضى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بالدين قبل الوصية وأن لا وصية لوارث
হাদিস সম্ভার ১৩৪৪
عن سعد بن الأطول قال مات أخي وترك ثلاث مائة دينار وترك ولدا صغارا فأردت أن أنفق عليهم فقال لي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أخاك محبوس بدينه فاذهب فاقض عنه قال فذهبت فقضيت عنه ثم جئت فقلت: يا رسول الله قد قضيت عنه ولم يبق إلا امرأة تدعي دينارين وليست لها بينة قال أعطها فإنها صادقة
তার ভাই মাত্র ৩ শত দিরহাম রেখে মারা যান। আর ছেড়ে যান সন্তান-সন্ততিও। আমার ইচ্ছা ছিল ও দিরহামগুলো আমি তাঁর পরিবারবর্গের উপর খরচ করব। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তোমার ভাই তো ঋণ-জালে আবদ্ধ। সুতরাং তুমি গিয়ে (আগে) তার ঋণ শোধ কর।” অতএব আমি গিয়ে তার ঋণ শোধ করে এলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি তার সমস্ত ঋণ শোধ করে দিয়েছি। তবে একটি মহিলা দুই দীনার পাওয়ার কথা দাবী করছে, কিন্তু তার কোন সবুত নেই। তিনি বললেন, “ওকেও দিয়ে দাও। কারণ ও সঠিক বলছে।” (আহমাদ ১৭২২৭, ইবনে মাজাহ ২৪৩৩)
তার ভাই মাত্র ৩ শত দিরহাম রেখে মারা যান। আর ছেড়ে যান সন্তান-সন্ততিও। আমার ইচ্ছা ছিল ও দিরহামগুলো আমি তাঁর পরিবারবর্গের উপর খরচ করব। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তোমার ভাই তো ঋণ-জালে আবদ্ধ। সুতরাং তুমি গিয়ে (আগে) তার ঋণ শোধ কর।” অতএব আমি গিয়ে তার ঋণ শোধ করে এলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি তার সমস্ত ঋণ শোধ করে দিয়েছি। তবে একটি মহিলা দুই দীনার পাওয়ার কথা দাবী করছে, কিন্তু তার কোন সবুত নেই। তিনি বললেন, “ওকেও দিয়ে দাও। কারণ ও সঠিক বলছে।” (আহমাদ ১৭২২৭, ইবনে মাজাহ ২৪৩৩)
عن سعد بن الأطول قال مات أخي وترك ثلاث مائة دينار وترك ولدا صغارا فأردت أن أنفق عليهم فقال لي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أخاك محبوس بدينه فاذهب فاقض عنه قال فذهبت فقضيت عنه ثم جئت فقلت: يا رسول الله قد قضيت عنه ولم يبق إلا امرأة تدعي دينارين وليست لها بينة قال أعطها فإنها صادقة
হাদিস সম্ভার > মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করা হারাম। তবে স্ত্রী তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে
হাদিস সম্ভার ১৩৪৫
عن زينب بنت أبي سلمة رضي الله عنهما قالت : دخلت على أم حبيبة رضي الله عنها زوج النبي صلى اللٰه عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان بن حرب فدعت بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت : والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول على المنبر لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا قالت زينب : ثم دخلت على زينب بنت جحش رضي الله عنها حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت : أما والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول على المنبر لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث، إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا متفق عليه
তিনি বলেন, যখন শাম (সিরিয়া) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা (রাঃ)র পিতা আবূ সুফয়ান (রাঃ) এর মৃত্যু সংবাদ পৌঁছল, তখন আমি তাঁর বাসায় প্রবেশ করলাম। (মৃত্যুর তিনদিন পর) তিনি হলুদ বর্ণ দ্রব্য বা অন্য দ্রব্য মিশ্রিত সুগন্ধি আনালেন। তা থেকে কিছু নিয়ে স্বীয় দাসীকে এবং নিজের দুই গালে মাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মিম্বরের উপর (খুতবাদান কালে) এ কথা বলতে শুনেছি যে, “যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও কিয়ামতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে স্বামী ছাড়া অন্য কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করা জায়েয নয়। অবশ্য তার স্বামীর জন্য সে চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে।” যয়নাব বলেন, তারপর যখন যয়নাব বিন্তে জাহ্শ (রাঃ)র ভাই মারা গেলেন, তখন আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি সুগন্ধি আনালেন এবং তা থেকে কিছু নিয়ে মাখার পর বললেন; আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মিম্বরের উপর (খুতবা দানকালে) এ কথা বলতে শুনেছি যে, “যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও কিয়ামতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে স্বামী ছাড়া অন্য কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করা জায়েয নয়। অবশ্য তার স্বামীর জন্য সে চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (বুখারী ১২৮২, ৫৩৩৪, মুসলিম ৩৭৯৮-৩৭৯৯) (শোকপালনে মহিলা, সৌন্দর্যময় কাপড় পরবে না, কোন প্রকার সুগন্ধি ব্যবহার করবে না, কোন অলঙ্কার ব্যবহার করবে না, কোন প্রসাধন (পাউডার, সুরমা, কাজল, লিপষ্টিক ইত্যাদি) ব্যবহার করবে না এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবে না।)
তিনি বলেন, যখন শাম (সিরিয়া) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা (রাঃ)র পিতা আবূ সুফয়ান (রাঃ) এর মৃত্যু সংবাদ পৌঁছল, তখন আমি তাঁর বাসায় প্রবেশ করলাম। (মৃত্যুর তিনদিন পর) তিনি হলুদ বর্ণ দ্রব্য বা অন্য দ্রব্য মিশ্রিত সুগন্ধি আনালেন। তা থেকে কিছু নিয়ে স্বীয় দাসীকে এবং নিজের দুই গালে মাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মিম্বরের উপর (খুতবাদান কালে) এ কথা বলতে শুনেছি যে, “যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও কিয়ামতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে স্বামী ছাড়া অন্য কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করা জায়েয নয়। অবশ্য তার স্বামীর জন্য সে চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে।” যয়নাব বলেন, তারপর যখন যয়নাব বিন্তে জাহ্শ (রাঃ)র ভাই মারা গেলেন, তখন আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি সুগন্ধি আনালেন এবং তা থেকে কিছু নিয়ে মাখার পর বললেন; আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মিম্বরের উপর (খুতবা দানকালে) এ কথা বলতে শুনেছি যে, “যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও কিয়ামতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে স্বামী ছাড়া অন্য কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করা জায়েয নয়। অবশ্য তার স্বামীর জন্য সে চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (বুখারী ১২৮২, ৫৩৩৪, মুসলিম ৩৭৯৮-৩৭৯৯) (শোকপালনে মহিলা, সৌন্দর্যময় কাপড় পরবে না, কোন প্রকার সুগন্ধি ব্যবহার করবে না, কোন অলঙ্কার ব্যবহার করবে না, কোন প্রসাধন (পাউডার, সুরমা, কাজল, লিপষ্টিক ইত্যাদি) ব্যবহার করবে না এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবে না।)
عن زينب بنت أبي سلمة رضي الله عنهما قالت : دخلت على أم حبيبة رضي الله عنها زوج النبي صلى اللٰه عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان بن حرب فدعت بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت : والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول على المنبر لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا قالت زينب : ثم دخلت على زينب بنت جحش رضي الله عنها حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت : أما والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول على المنبر لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث، إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا متفق عليه
হাদিস সম্ভার > মৃত্যের জন্য মাতম করে কাঁদা, গাল চাপড়ানো, বুকের কাপড় ছিঁড়া, চুল ছেঁড়া, মাথা নেড়া করা ও সর্বনাশ ও ধ্বংস ডাকা নিষিদ্ধ
হাদিস সম্ভার ১৩৪৬
عن عمر بن الخطاب قال : قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم الميت يعذب في قبره بما نيح عليه وفي روايةما نيح عليه متفق عليه
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মৃত ব্যক্তিকে তার কবরের মধ্যে তার জন্য মাতম ক’রে কান্না করার দরুন শাস্তি দেওয়া হয়।” (বুখারী ১২৯২, মুসলিম ২১৮২) অন্য এক বর্ণনায় আছে, যতক্ষণ তার জন্য মাতম ক’রে কান্না করা হয়, (ততক্ষণ মৃতব্যক্তির আযাব হয়।) (আবূ য়্যা’লা ১৫৬, বায্যার ১৪৬)
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মৃত ব্যক্তিকে তার কবরের মধ্যে তার জন্য মাতম ক’রে কান্না করার দরুন শাস্তি দেওয়া হয়।” (বুখারী ১২৯২, মুসলিম ২১৮২) অন্য এক বর্ণনায় আছে, যতক্ষণ তার জন্য মাতম ক’রে কান্না করা হয়, (ততক্ষণ মৃতব্যক্তির আযাব হয়।) (আবূ য়্যা’লা ১৫৬, বায্যার ১৪৬)
عن عمر بن الخطاب قال : قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم الميت يعذب في قبره بما نيح عليه وفي روايةما نيح عليه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৪৭
وعن ابن مسعود قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ليس منا من ضرب الخدود وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে (শোকের সময়) গালে আঘাত করে, বুকের কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলিয়াতের ডাকের ন্যায় ডাক ছাড়ে।” (বুখারী ১২৯৪, ১২৯৭, মুসলিম ২৯৬)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে (শোকের সময়) গালে আঘাত করে, বুকের কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলিয়াতের ডাকের ন্যায় ডাক ছাড়ে।” (বুখারী ১২৯৪, ১২৯৭, মুসলিম ২৯৬)
وعن ابن مسعود قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ليس منا من ضرب الخدود وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৪৮
وعن أبي بردة قال: وجع أبو موسى فغشي عليه ورأسه في حجر امرأة من أهله فأقبلت تصيح برنة فلم يستطع أن يرد عليها شيئا فلما أفاق قال : أنا بريء ممن برىء منه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بريء من الصالقة والحالقة والشاقة متفق عليه
তিনি বলেন, (তাঁর পিতা) আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) যন্ত্রণায় কাতর হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর (ঐ সময়) তাঁর মাথা তাঁর এক স্ত্রীর কোলে রাখা ছিল এবং সে চিৎকার ক’রে কান্না করতে লাগল। তিনি (অজ্ঞান থাকার কারণে) তাকে বাধা দিতে পারলেন না। সুতরাং যখন তিনি চেতনা ফিরে পেলেন, তখন বলে উঠলেন, ‘আমি সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত, যে মহিলা থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন, যে শোকে উচ্চ স্বরে মাতম ক’রে কান্না করে, মাথা মুণ্ডন করে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।’ (বুখারী ১২৯৬, মুসলিম ২৯৮)
তিনি বলেন, (তাঁর পিতা) আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) যন্ত্রণায় কাতর হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর (ঐ সময়) তাঁর মাথা তাঁর এক স্ত্রীর কোলে রাখা ছিল এবং সে চিৎকার ক’রে কান্না করতে লাগল। তিনি (অজ্ঞান থাকার কারণে) তাকে বাধা দিতে পারলেন না। সুতরাং যখন তিনি চেতনা ফিরে পেলেন, তখন বলে উঠলেন, ‘আমি সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত, যে মহিলা থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন, যে শোকে উচ্চ স্বরে মাতম ক’রে কান্না করে, মাথা মুণ্ডন করে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।’ (বুখারী ১২৯৬, মুসলিম ২৯৮)
وعن أبي بردة قال: وجع أبو موسى فغشي عليه ورأسه في حجر امرأة من أهله فأقبلت تصيح برنة فلم يستطع أن يرد عليها شيئا فلما أفاق قال : أنا بريء ممن برىء منه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بريء من الصالقة والحالقة والشاقة متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৫০
وعن أم عطية نسيبة رضي الله عنها قالت : أخذ علينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عند البيعة أن لا ننوح
তিনি বলেন, ‘বায়আতের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে এই অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন যে, আমরা মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করব না।’ (বুখারী ১৩০৬, মুসলিম ২২০৬)
তিনি বলেন, ‘বায়আতের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে এই অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন যে, আমরা মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করব না।’ (বুখারী ১৩০৬, মুসলিম ২২০৬)
وعن أم عطية نسيبة رضي الله عنها قالت : أخذ علينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عند البيعة أن لا ننوح
হাদিস সম্ভার ১৩৫১
وعن النعمان بن بشير رضي الله عنهما قال : أغمي على عبد الله بن رواحة فجعلت أخته تبكي، وتقول : واجبلاه واكذا واكذا : تعدد عليه فقال حين أفاق : ما قلت شيئا إلا قيل لي أنت كذلك رواه البخاري
তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহাহ (রাঃ) (একবার) অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁর বোন কান্না করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘ও (আমার) পাহাড় গো! ও আমার এই গো! ও আমার ওই গো!’ এভাবে তাঁর একাধিক গুণ বর্ণনা করতে লাগলেন। সুতরাং যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, ‘তুমি যা কিছু বলেছ, সে সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করা হচ্ছিল যে, তুমি ঐরূপ ছিলে নাকি?’ (বুখারী ৪২৬৭)
তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহাহ (রাঃ) (একবার) অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁর বোন কান্না করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘ও (আমার) পাহাড় গো! ও আমার এই গো! ও আমার ওই গো!’ এভাবে তাঁর একাধিক গুণ বর্ণনা করতে লাগলেন। সুতরাং যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, ‘তুমি যা কিছু বলেছ, সে সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করা হচ্ছিল যে, তুমি ঐরূপ ছিলে নাকি?’ (বুখারী ৪২৬৭)
وعن النعمان بن بشير رضي الله عنهما قال : أغمي على عبد الله بن رواحة فجعلت أخته تبكي، وتقول : واجبلاه واكذا واكذا : تعدد عليه فقال حين أفاق : ما قلت شيئا إلا قيل لي أنت كذلك رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১৩৫৪
وعن أسيد بن أبي أسيد التابعي عن امرأة من المبايعات قالت : كان فيما أخذ علينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في المعروف الذي أخذ علينا أن لا نعصيه فيه : أن لا نخمش وجها ولا ندعو ويلا ولا نشق جيبا وأن لا ننشر شعرا رواه أبو داود بإسناد حسن
উসাইদ ইবনে আবূ উসাইদ তাবেয়ী, এমন এক মহিলা থেকে বর্ণনা করেন, যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বায়আতকারিণী মহিলাদের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে সব সৎকর্ম করতে ও তাতে তাঁর অবাধ্যতা না করতে আমাদের কাছে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, সে সবের মধ্যে এটিও ছিল যে, (শোকাহত হয়ে) আমরা চেহারা খামচাব না, ধ্বংস ও সর্বনাশ কামনা করব না, বুকের কাপড় ছিঁড়ব না এবং মাথার চুল আলুথালু করব না।’ (আবূ দাঊদ ৩১৩৩, হাসানসূত্রে)
উসাইদ ইবনে আবূ উসাইদ তাবেয়ী, এমন এক মহিলা থেকে বর্ণনা করেন, যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বায়আতকারিণী মহিলাদের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে সব সৎকর্ম করতে ও তাতে তাঁর অবাধ্যতা না করতে আমাদের কাছে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, সে সবের মধ্যে এটিও ছিল যে, (শোকাহত হয়ে) আমরা চেহারা খামচাব না, ধ্বংস ও সর্বনাশ কামনা করব না, বুকের কাপড় ছিঁড়ব না এবং মাথার চুল আলুথালু করব না।’ (আবূ দাঊদ ৩১৩৩, হাসানসূত্রে)
وعن أسيد بن أبي أسيد التابعي عن امرأة من المبايعات قالت : كان فيما أخذ علينا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في المعروف الذي أخذ علينا أن لا نعصيه فيه : أن لا نخمش وجها ولا ندعو ويلا ولا نشق جيبا وأن لا ننشر شعرا رواه أبو داود بإسناد حسن
হাদিস সম্ভার ১৩৫৩
وعن أبي مالك الأشعري قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم النائحة إذا لم تتب قبل موتها تقام يوم القيامة وعليها سربال من قطران ودرع من جرب رواه مسلم
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাতমকারিণী মহিলা যদি মরণের পূর্বে তাওবাহ না করে, তাহলে আল-কাতরার পায়জামা এবং পাঁচড়ার জামা পরিহিতা অবস্থায় তাকে কিয়ামতের দিনে দাঁড় করানো হবে।” (মুসলিম ২২০৩)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাতমকারিণী মহিলা যদি মরণের পূর্বে তাওবাহ না করে, তাহলে আল-কাতরার পায়জামা এবং পাঁচড়ার জামা পরিহিতা অবস্থায় তাকে কিয়ামতের দিনে দাঁড় করানো হবে।” (মুসলিম ২২০৩)
وعن أبي مالك الأشعري قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم النائحة إذا لم تتب قبل موتها تقام يوم القيامة وعليها سربال من قطران ودرع من جرب رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৩৫২
وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : اشتكى سعد بن عبادة شكوى فأتاه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعوده مع عبد الرحمان بن عوف وسعد بن أبي وقاص وعبد الله بن مسعود فلما دخل عليه وجده في غشية فقالأقضى ؟ قالوا : لا يا رسول الله فبكى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فلما رأى القوم بكاء النبي صلى اللٰه عليه وسلم بكوا قالألا تسمعون ؟ إن الله لا يعذب بدمع العين ولا بحزن القلب، ولكن يعذب بهذا - وأشار إلى لسانه - أو يرحم متفق عليه
তিনি বলেন, সা’দ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) একবার পীড়িত হলে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, সা’দ ইবনে আবী অক্কাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)দের সাথে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট কুশল জিজ্ঞাসার জন্য গেলেন। যখন তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন, তখন তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “ও কি মারা গেছে?” লোকেরা জবাব দিল, ‘হে আল্লাহর রসূল! না (মারা যায়নি)।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেঁদে ফেললেন। সুতরাং লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কান্না করতে দেখল, তখন তারাও কাঁদতে লাগল। তিনি বললেন, “তোমরা কি শুনতে পাও না? নিঃসন্দেহে আল্লাহ চোখের অশ্রু ঝরাবার জন্য শাস্তি দেন না এবং আন্তরিক দুঃখ প্রকাশের জন্যও শাস্তি দেন না। কিন্তু তিনি তো এটার কারণে শাস্তি দেন অথবা দয়া করেন।” এই বলে তিনি নিজ জিভের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৩০৪, মুসলিম ২১৭৬)
তিনি বলেন, সা’দ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) একবার পীড়িত হলে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, সা’দ ইবনে আবী অক্কাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)দের সাথে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট কুশল জিজ্ঞাসার জন্য গেলেন। যখন তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন, তখন তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “ও কি মারা গেছে?” লোকেরা জবাব দিল, ‘হে আল্লাহর রসূল! না (মারা যায়নি)।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেঁদে ফেললেন। সুতরাং লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কান্না করতে দেখল, তখন তারাও কাঁদতে লাগল। তিনি বললেন, “তোমরা কি শুনতে পাও না? নিঃসন্দেহে আল্লাহ চোখের অশ্রু ঝরাবার জন্য শাস্তি দেন না এবং আন্তরিক দুঃখ প্রকাশের জন্যও শাস্তি দেন না। কিন্তু তিনি তো এটার কারণে শাস্তি দেন অথবা দয়া করেন।” এই বলে তিনি নিজ জিভের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৩০৪, মুসলিম ২১৭৬)
وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : اشتكى سعد بن عبادة شكوى فأتاه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعوده مع عبد الرحمان بن عوف وسعد بن أبي وقاص وعبد الله بن مسعود فلما دخل عليه وجده في غشية فقالأقضى ؟ قالوا : لا يا رسول الله فبكى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فلما رأى القوم بكاء النبي صلى اللٰه عليه وسلم بكوا قالألا تسمعون ؟ إن الله لا يعذب بدمع العين ولا بحزن القلب، ولكن يعذب بهذا - وأشار إلى لسانه - أو يرحم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৩৫৬
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اثنتان في الناس هما بهم كفر : الطعن في النسب والنياحة على الميترواه مسلم
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মানুষের মধ্যে দুটো আচরণ এমন পাওয়া যায়, যা তাদের ক্ষেত্রে কুফরীমূলক কর্ম; বংশে খোঁটা দেওয়া ও মৃতের জন্য মাতম ক’রে কান্না করা।” (মুসলিম ২৩৬)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মানুষের মধ্যে দুটো আচরণ এমন পাওয়া যায়, যা তাদের ক্ষেত্রে কুফরীমূলক কর্ম; বংশে খোঁটা দেওয়া ও মৃতের জন্য মাতম ক’রে কান্না করা।” (মুসলিম ২৩৬)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اثنتان في الناس هما بهم كفر : الطعن في النسب والنياحة على الميترواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১৩৫৫
وعن أبي موسى أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالما من ميت يموت فيقوم باكيهم فيقول : واجبلاه، واسيداه أو نحو ذلك إلا وكل به ملكان يلهزانه : أهكذا كنت ؟ رواه الترمذي، وقال حديث حسن
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মৃত্যুগামী ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করে। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে রোদনকারিণী রোদন করে এবং বলে, ‘ও আমার পাহাড় গো! ও আমার সর্দার গো!’ অথবা অনুরূপ আরো কিছু বলে, তখনই সেই মৃতের জন্য দু’জন ফিরিশতা নিযুক্ত করা হয়, যাঁরা তার বুকে ঘুষি মেরে বলতে থাকেন, ‘তুই কি ঐ রকম ছিলি নাকি?’ (তিরমিযী ১০০৩, হাসান)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মৃত্যুগামী ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করে। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে রোদনকারিণী রোদন করে এবং বলে, ‘ও আমার পাহাড় গো! ও আমার সর্দার গো!’ অথবা অনুরূপ আরো কিছু বলে, তখনই সেই মৃতের জন্য দু’জন ফিরিশতা নিযুক্ত করা হয়, যাঁরা তার বুকে ঘুষি মেরে বলতে থাকেন, ‘তুই কি ঐ রকম ছিলি নাকি?’ (তিরমিযী ১০০৩, হাসান)
وعن أبي موسى أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالما من ميت يموت فيقوم باكيهم فيقول : واجبلاه، واسيداه أو نحو ذلك إلا وكل به ملكان يلهزانه : أهكذا كنت ؟ رواه الترمذي، وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১৩৫৭
عن أم سلمة قالت: لما مات أبو سلمة قلت غريب وفى أرض غربة لأبكينه بكاء يتحدث عنه فكنت قد تهيأت للبكاء عليه إذ أقبلت امرأة من الصعيد تريد أن تسعدنى فاستقبلها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وقال أتريدين أن تدخلى الشيطان بيتا أخرجه الله منه مرتين فكففت عن البكاء فلم أبك
যখন (আমার স্বামী) আবূ সালামাহ (মক্কা থেকে মদীনায় এসে) মারা যান, তখন আমি বললাম, ‘বিদেশী বিদেশে থেকেই মারা গেল! আমি তার জন্য এত কান্না কাঁদব যে, লোকমাঝে তার চর্চা হবে। এরপর আমি স্বামীর জন্য কাঁদার প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম। এমন সময় মদীনার পার্শ্ববর্তী পল্লী থেকে এক মহিলা আমার মাতমে যোগদান করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হল। কিন্তু আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সামনে এসে বললেন, “যে ঘর থেকে আল্লাহ শয়তানকে বহিষ্কার করে দিয়েছেন সেই ঘরেই তুমি কি শয়তানকে পুনরায় প্রবেশ করাতে চাও।” এরূপ তিনি দু’বার বললেন। ফলে কান্না করা হতে আমি বিরত হলাম, আর কাঁদলাম না।’ (মুসলিম ২১৭৩)
যখন (আমার স্বামী) আবূ সালামাহ (মক্কা থেকে মদীনায় এসে) মারা যান, তখন আমি বললাম, ‘বিদেশী বিদেশে থেকেই মারা গেল! আমি তার জন্য এত কান্না কাঁদব যে, লোকমাঝে তার চর্চা হবে। এরপর আমি স্বামীর জন্য কাঁদার প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম। এমন সময় মদীনার পার্শ্ববর্তী পল্লী থেকে এক মহিলা আমার মাতমে যোগদান করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হল। কিন্তু আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সামনে এসে বললেন, “যে ঘর থেকে আল্লাহ শয়তানকে বহিষ্কার করে দিয়েছেন সেই ঘরেই তুমি কি শয়তানকে পুনরায় প্রবেশ করাতে চাও।” এরূপ তিনি দু’বার বললেন। ফলে কান্না করা হতে আমি বিরত হলাম, আর কাঁদলাম না।’ (মুসলিম ২১৭৩)
عن أم سلمة قالت: لما مات أبو سلمة قلت غريب وفى أرض غربة لأبكينه بكاء يتحدث عنه فكنت قد تهيأت للبكاء عليه إذ أقبلت امرأة من الصعيد تريد أن تسعدنى فاستقبلها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وقال أتريدين أن تدخلى الشيطان بيتا أخرجه الله منه مرتين فكففت عن البكاء فلم أبك
হাদিস সম্ভার ১৩৪৯
وعن المغيرة بن شعبة قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن نيح عليه فإنه يعذب بما نيح عليه يوم القيامة متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি যে, “যার জন্য মাতম ক’রে কান্না করা হয়, তাকে কিয়ামতের দিনে তার জন্য মাতম করার দরুন শাস্তি দেওয়া হবে।” (বুখারী ১২৯১, মুসলিম ২২০০)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি যে, “যার জন্য মাতম ক’রে কান্না করা হয়, তাকে কিয়ামতের দিনে তার জন্য মাতম করার দরুন শাস্তি দেওয়া হবে।” (বুখারী ১২৯১, মুসলিম ২২০০)
وعن المغيرة بن شعبة قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن نيح عليه فإنه يعذب بما نيح عليه يوم القيامة متفق عليه