হাদিস সম্ভার > মৃতের চোখ বন্ধ করার পর দু‘আ
হাদিস সম্ভার ১২৮৬
عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : دخل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره، فأغمضه ثم قالإن الروح إذا قبض تبعه البصر فضج ناس من أهله فقال لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون ثم قال اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره ونور له فيه رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ সালামার নিকট গেলেন। তখন তাঁর (আত্মা বের হওয়ার পর) চোখ খোলা ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা বন্ধ করার পর বললেন, “যখন (কারো) প্রাণ নিয়ে নেওয়া হয়, তখন চোখ তার দিকে তাকিয়ে থাকে।” (এ কথা শুনে) তাঁর পরিবারের কিছু লোক চিল্লিয়ে কাঁদতে আরম্ভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা নিজেদের আত্মার জন্য মঙ্গলেরই দু‘আ কর। কেননা, ফিরিশতাবর্গ তোমাদের কথার উপর ‘আমীন’ বলেন।” অতঃপর তিনি এই দু‘আ বললেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফির লি আবী সালামাহ, (এখানে মৃতের নাম নিতে হবে) অরফা’ দারাজাতাহু ফিল মাহদিইয়্যীন, অখ্লুফহু ফী আক্বিবিহী ফিল গা-বিরীন, অগফির লানা অলাহু ইয়া রাব্বাল আ-লামীন, অফ্সাহ লাহু ফী ক্বাবরিহী অ নাউবিরলাহু ফীহ।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমি (অমুককে) মাফ ক’রে দাও এবং হিদায়াত প্রাপ্তদের দলে ওর মর্যাদা উন্নত কর, অবশিষ্টদের মধ্যে ওর পশ্চাতে ওর উত্তরাধিকারী দাও। আমাদেরকে এবং ওকে মার্জনা ক’রে দাও হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! ওর কবরকে প্রশস্ত করো এবং ওর জন্য কবরকে আলোকিত করো। (মুসলিম ২১৬৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ সালামার নিকট গেলেন। তখন তাঁর (আত্মা বের হওয়ার পর) চোখ খোলা ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা বন্ধ করার পর বললেন, “যখন (কারো) প্রাণ নিয়ে নেওয়া হয়, তখন চোখ তার দিকে তাকিয়ে থাকে।” (এ কথা শুনে) তাঁর পরিবারের কিছু লোক চিল্লিয়ে কাঁদতে আরম্ভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা নিজেদের আত্মার জন্য মঙ্গলেরই দু‘আ কর। কেননা, ফিরিশতাবর্গ তোমাদের কথার উপর ‘আমীন’ বলেন।” অতঃপর তিনি এই দু‘আ বললেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফির লি আবী সালামাহ, (এখানে মৃতের নাম নিতে হবে) অরফা’ দারাজাতাহু ফিল মাহদিইয়্যীন, অখ্লুফহু ফী আক্বিবিহী ফিল গা-বিরীন, অগফির লানা অলাহু ইয়া রাব্বাল আ-লামীন, অফ্সাহ লাহু ফী ক্বাবরিহী অ নাউবিরলাহু ফীহ।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমি (অমুককে) মাফ ক’রে দাও এবং হিদায়াত প্রাপ্তদের দলে ওর মর্যাদা উন্নত কর, অবশিষ্টদের মধ্যে ওর পশ্চাতে ওর উত্তরাধিকারী দাও। আমাদেরকে এবং ওকে মার্জনা ক’রে দাও হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! ওর কবরকে প্রশস্ত করো এবং ওর জন্য কবরকে আলোকিত করো। (মুসলিম ২১৬৯)
عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : دخل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره، فأغمضه ثم قالإن الروح إذا قبض تبعه البصر فضج ناس من أهله فقال لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون ثم قال اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره ونور له فيه رواه مسلم
হাদিস সম্ভার > শেষ বয়সে অধিক পরিমাণে পুণ্য করার প্রতি উৎসাহ দান
হাদিস সম্ভার ১২৬১
عن أنس قال : إن الله عز وجل - تابع الوحي على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قبل وفاته حتى توفي أكثر ما كان الوحي متفق عليه
নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মৃত্যুর পূর্বে (পূর্বাপেক্ষা) বেশী অহী নিরবচ্ছিন্নভাবে অবতীর্ণ করেছেন। (বুখারী ৪৯৮২, মুসলিম ৭৭০৯)
নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মৃত্যুর পূর্বে (পূর্বাপেক্ষা) বেশী অহী নিরবচ্ছিন্নভাবে অবতীর্ণ করেছেন। (বুখারী ৪৯৮২, মুসলিম ৭৭০৯)
عن أنس قال : إن الله عز وجل - تابع الوحي على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قبل وفاته حتى توفي أكثر ما كان الوحي متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২৫৮
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال أعذر الله إلى امرئ أخر أجله حتى بلغ ستين سنة رواه البخاري
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির জন্য কোন ওজর পেশ করার অবকাশ রাখেন না (অর্থাৎ, ওজর গ্রহণ করবেন না), যার মৃত্যুকে তিনি এত পিছিয়ে দিলেন যে, সে ৬০ বছর বয়সে পৌঁছল।” (বুখারী ৬৪১৯) উলামাগণ বলেন, ‘এই বয়সে পৌঁছে গেলে ওজর-আপত্তি পেশ করার আর কোন সুযোগ থাকবে না।’
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির জন্য কোন ওজর পেশ করার অবকাশ রাখেন না (অর্থাৎ, ওজর গ্রহণ করবেন না), যার মৃত্যুকে তিনি এত পিছিয়ে দিলেন যে, সে ৬০ বছর বয়সে পৌঁছল।” (বুখারী ৬৪১৯) উলামাগণ বলেন, ‘এই বয়সে পৌঁছে গেলে ওজর-আপত্তি পেশ করার আর কোন সুযোগ থাকবে না।’
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال أعذر الله إلى امرئ أخر أجله حتى بلغ ستين سنة رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১২৫৯
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان عمر يدخلني مع أشياخ بدر فكأن بعضهم وجد في نفسه فقال : لم يدخل هذا معنا ولنا أبناء مثله فقال عمر : إنه من حيث علمتم فدعاني ذات يوم فأدخلني معهم فما رأيت أنه دعاني يومئذ إلا ليريهم قال : ما تقولون في قول الله : إذا جاء نصر الله والفتح: فقال بعضهم : أمرنا نحمد الله ونستغفره إذا نصرنا وفتح علينا وسكت بعضهم فلم يقل شيئا فقال لي : أكذلك تقول يا ابن عباس ؟ فقلت : لا قال : فما تقول ؟ قلت : هو أجل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعلمه له، قال إذا جاء نصر الله والفتح وذلك علامة أجلك فسبح بحمد ربك واستغفره إنه كان توابا فقال عمر ما أعلم منها إلا ما تقول رواه البخاري
উমার (রাঃ) আমাকে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে (তাঁর সভায়) প্রবেশ করাতেন। তাঁদের মধ্যে কিছু লোক যেন মনে মনে ক্ষুন্ন হলেন। অতএব বললেন, ‘এ আমাদের সঙ্গে কেন প্রবেশ করছে? এর মত (সমবয়স্ক) ছেলে তো আমাদেরও আছে।’ (এ কথা শুনে) উমার (রাঃ) বললেন, ‘এ কে, তা তোমরা জান।’ সুতরাং তিনি একদিন আমাকে ডাকলেন এবং আমাকে তাঁদের সঙ্গে (সভায়) প্রবেশ করালেন। আমার ধারণা ছিল যে, এদিন আমাকে ডাকার উদ্দেশ্য হল, তাদেরকে আমার মর্যাদা দেখানো। তিনি (পরীক্ষাস্বরূপ সভার লোককে) বললেন, ‘তোমরা আল্লাহর এই কথা “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় উপস্থিত হবে।” (সূরা নাস্র ১ আয়াত) এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে কী বলছ?’ কিছু লোক বললেন, ‘আমাদেরকে এতে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, যখন আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান করবেন, তখন যেন আমরা তাঁর প্রশংসা করি ও তাঁর কাছে ক্ষমা চাই।’ আর কিছু লোক নিরুত্তর থাকলেন; তাঁরা কিছুই বললেন না। (ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,) অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, ‘হে ইবনে আব্বাস! তুমিও কি এ কথাই বলছ?’ আমি বললাম, ‘না।’ তিনি বললেন, ‘তাহলে তুমি (এর ব্যাখ্যা) কী বলছ?’ আমি বললাম, ‘তা হল আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মৃত্যু সংবাদ, যা আল্লাহ তাঁকে জানিয়েছেন।’ তিনি বলেন, “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় সমাগত হবে।” আর সেটা হল তোমার মৃত্যুর পূর্বলক্ষণ। “তখন তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর ও তাঁর কাছে স্বীয় ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাও। নিশ্চয়ই তিনি তওবা গ্রহণকারী।” (সূরা নাস্র ৩) অতঃপর উমার (রাঃ) বললেন, এর অর্থ আমি তাই জানি, যা তুমি বললে। (বুখারী ৪২৯৪, ৪৯৭০)
উমার (রাঃ) আমাকে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে (তাঁর সভায়) প্রবেশ করাতেন। তাঁদের মধ্যে কিছু লোক যেন মনে মনে ক্ষুন্ন হলেন। অতএব বললেন, ‘এ আমাদের সঙ্গে কেন প্রবেশ করছে? এর মত (সমবয়স্ক) ছেলে তো আমাদেরও আছে।’ (এ কথা শুনে) উমার (রাঃ) বললেন, ‘এ কে, তা তোমরা জান।’ সুতরাং তিনি একদিন আমাকে ডাকলেন এবং আমাকে তাঁদের সঙ্গে (সভায়) প্রবেশ করালেন। আমার ধারণা ছিল যে, এদিন আমাকে ডাকার উদ্দেশ্য হল, তাদেরকে আমার মর্যাদা দেখানো। তিনি (পরীক্ষাস্বরূপ সভার লোককে) বললেন, ‘তোমরা আল্লাহর এই কথা “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় উপস্থিত হবে।” (সূরা নাস্র ১ আয়াত) এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে কী বলছ?’ কিছু লোক বললেন, ‘আমাদেরকে এতে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, যখন আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য ও বিজয় দান করবেন, তখন যেন আমরা তাঁর প্রশংসা করি ও তাঁর কাছে ক্ষমা চাই।’ আর কিছু লোক নিরুত্তর থাকলেন; তাঁরা কিছুই বললেন না। (ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,) অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, ‘হে ইবনে আব্বাস! তুমিও কি এ কথাই বলছ?’ আমি বললাম, ‘না।’ তিনি বললেন, ‘তাহলে তুমি (এর ব্যাখ্যা) কী বলছ?’ আমি বললাম, ‘তা হল আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মৃত্যু সংবাদ, যা আল্লাহ তাঁকে জানিয়েছেন।’ তিনি বলেন, “যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় সমাগত হবে।” আর সেটা হল তোমার মৃত্যুর পূর্বলক্ষণ। “তখন তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর ও তাঁর কাছে স্বীয় ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাও। নিশ্চয়ই তিনি তওবা গ্রহণকারী।” (সূরা নাস্র ৩) অতঃপর উমার (রাঃ) বললেন, এর অর্থ আমি তাই জানি, যা তুমি বললে। (বুখারী ৪২৯৪, ৪৯৭০)
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان عمر يدخلني مع أشياخ بدر فكأن بعضهم وجد في نفسه فقال : لم يدخل هذا معنا ولنا أبناء مثله فقال عمر : إنه من حيث علمتم فدعاني ذات يوم فأدخلني معهم فما رأيت أنه دعاني يومئذ إلا ليريهم قال : ما تقولون في قول الله : إذا جاء نصر الله والفتح: فقال بعضهم : أمرنا نحمد الله ونستغفره إذا نصرنا وفتح علينا وسكت بعضهم فلم يقل شيئا فقال لي : أكذلك تقول يا ابن عباس ؟ فقلت : لا قال : فما تقول ؟ قلت : هو أجل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعلمه له، قال إذا جاء نصر الله والفتح وذلك علامة أجلك فسبح بحمد ربك واستغفره إنه كان توابا فقال عمر ما أعلم منها إلا ما تقول رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১২৬০
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما صلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صلاة بعد أن نزلت عليه : إذا جاء نصر الله والفتح: إلا يقول فيها سبحانك ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي متفق عليه وفي رواية في الصحيحين عنها : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر أن يقول في ركوعه وسجوده سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي يتأول القرآن معنى يتأول القرآن أي يعمل ما أمر به في القرآن في قوله تعالى فسبح بحمد ربك واستغفره وفي رواية لمسلم : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر أن يقول قبل أن يموتسبحانك اللهم وبحمدك أستغفرك وأتوب إليك قالت عائشة : قلت : يا رسول الله ما هذه الكلمات التي أراك أحدثتها تقولها ؟ قال جعلت لي علامة في أمتي إذا رأيتها قلتها -إذا جاء نصر الله والفتح- إلى آخر السورة وفي رواية له : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر من قول سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه قالت : قلت : يا رسول الله أراك تكثر من قول سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه ؟ فقال أخبرني ربي أني سأرى علامة في أمتي فإذا رأيتها أكثرت من قول : سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه فقد رأيتها: إذا جاء نصر الله والفتح: فتح مكة- ورأيت الناس يدخلون في دين الله أفواجا فسبح بحمد ربك واستغفره إنه كان توابا
‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অলফাত্হ’ অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক নামাযে অবশ্যই এই (দু‘আ) পড়তেন ‘সুবহানাকা রাব্বানা অবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী’ (অর্থাৎ হে আমাদের প্রভু! আমরা তোমার প্রশংসায় তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা কর। (বুখারী ৪৯৬৭, মুসলিম ১১১৫) সহীহায়নের তাঁর অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর রুকু ও সাজদায় অধিকাধিক ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা রাব্বানা অবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী’ পড়তেন। তিনি কুরআনের হুকুম তামিল করতেন। অর্থাৎ এই দু‘আ পড়ে তিনি কুরআনে বর্ণিত “(হে নবী) তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাও।” আল্লাহর এই আদেশ পালন করতেন। (বুখারী ৮১৭, ৪৯৬৮, মুসলিম ১১১৩) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মৃত্যুর পূর্বে অধিক পরিমাণে (এই দু‘আ) পড়তেন, ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা অবিহামদিকা আস্তাগফিরুকা অআতূবু ইলায়ক।’ আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! এই শব্দগুলো কি, যেগুলোকে আমি আপনাকে নতুন ক’রে পড়তে দেখছি?’ তিনি বললেন, “আমার জন্য আমার উম্মতের মধ্যে একটি চিহ্ন নির্দিষ্ট ক’রে দেওয়া হয়েছে, যখন আমি তা দেখব তখন এটি পড়ব। (চিহ্নটি হল) ‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অল্ফাত্হ---- শেষ সূরা পর্যন্ত।” (মুসলিম ১১১৪) মুসলিমের আর একটি বর্ণনায় আছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ’ (দু‘আটি) বেশী বেশী পড়তেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে বেশী বেশী “সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ” (দু‘আটি) পড়তে দেখছি (কী ব্যাপার)?’ তিনি বললেন, “আমার প্রভু আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমি শীঘ্রই আমার উম্মতের মধ্যে একটি চিহ্ন দেখব। সুতরাং আমি যখন তা দেখব, তখন ‘সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ’ (দু‘আটি) বেশী বেশী পড়ব। এখন আমি তা দেখে নিয়েছি, ‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অলফাত্হ।’ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়। অর্থাৎ, মক্কাবিজয়। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবে। তখন তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং তাঁর সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি অধিক তওবা গ্রহণকারী। (মুসলিম ১১১৬)
‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অলফাত্হ’ অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক নামাযে অবশ্যই এই (দু‘আ) পড়তেন ‘সুবহানাকা রাব্বানা অবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী’ (অর্থাৎ হে আমাদের প্রভু! আমরা তোমার প্রশংসায় তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা কর। (বুখারী ৪৯৬৭, মুসলিম ১১১৫) সহীহায়নের তাঁর অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর রুকু ও সাজদায় অধিকাধিক ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা রাব্বানা অবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী’ পড়তেন। তিনি কুরআনের হুকুম তামিল করতেন। অর্থাৎ এই দু‘আ পড়ে তিনি কুরআনে বর্ণিত “(হে নবী) তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাও।” আল্লাহর এই আদেশ পালন করতেন। (বুখারী ৮১৭, ৪৯৬৮, মুসলিম ১১১৩) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর মৃত্যুর পূর্বে অধিক পরিমাণে (এই দু‘আ) পড়তেন, ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা অবিহামদিকা আস্তাগফিরুকা অআতূবু ইলায়ক।’ আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! এই শব্দগুলো কি, যেগুলোকে আমি আপনাকে নতুন ক’রে পড়তে দেখছি?’ তিনি বললেন, “আমার জন্য আমার উম্মতের মধ্যে একটি চিহ্ন নির্দিষ্ট ক’রে দেওয়া হয়েছে, যখন আমি তা দেখব তখন এটি পড়ব। (চিহ্নটি হল) ‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অল্ফাত্হ---- শেষ সূরা পর্যন্ত।” (মুসলিম ১১১৪) মুসলিমের আর একটি বর্ণনায় আছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ’ (দু‘আটি) বেশী বেশী পড়তেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে বেশী বেশী “সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ” (দু‘আটি) পড়তে দেখছি (কী ব্যাপার)?’ তিনি বললেন, “আমার প্রভু আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমি শীঘ্রই আমার উম্মতের মধ্যে একটি চিহ্ন দেখব। সুতরাং আমি যখন তা দেখব, তখন ‘সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ’ (দু‘আটি) বেশী বেশী পড়ব। এখন আমি তা দেখে নিয়েছি, ‘ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি অলফাত্হ।’ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়। অর্থাৎ, মক্কাবিজয়। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবে। তখন তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং তাঁর সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি অধিক তওবা গ্রহণকারী। (মুসলিম ১১১৬)
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما صلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صلاة بعد أن نزلت عليه : إذا جاء نصر الله والفتح: إلا يقول فيها سبحانك ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي متفق عليه وفي رواية في الصحيحين عنها : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر أن يقول في ركوعه وسجوده سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي يتأول القرآن معنى يتأول القرآن أي يعمل ما أمر به في القرآن في قوله تعالى فسبح بحمد ربك واستغفره وفي رواية لمسلم : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر أن يقول قبل أن يموتسبحانك اللهم وبحمدك أستغفرك وأتوب إليك قالت عائشة : قلت : يا رسول الله ما هذه الكلمات التي أراك أحدثتها تقولها ؟ قال جعلت لي علامة في أمتي إذا رأيتها قلتها -إذا جاء نصر الله والفتح- إلى آخر السورة وفي رواية له : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يكثر من قول سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه قالت : قلت : يا رسول الله أراك تكثر من قول سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه ؟ فقال أخبرني ربي أني سأرى علامة في أمتي فإذا رأيتها أكثرت من قول : سبحان الله وبحمده أستغفر الله وأتوب إليه فقد رأيتها: إذا جاء نصر الله والفتح: فتح مكة- ورأيت الناس يدخلون في دين الله أفواجا فسبح بحمد ربك واستغفره إنه كان توابا
হাদিস সম্ভার > মৃতের নিকট কী বলা যাবে? এবং মৃতের পরিজনরা কী বলবে?
হাদিস সম্ভার ১২৮৯
وعن أبي موسى أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال إذا مات ولد العبد قال الله تعالى لملائكته: قبضتم ولد عبدي ؟ فيقولون : نعم فيقول : قبضتم ثمرة فؤاده ؟ فيقولون : نعم فيقول : ماذا قال عبدي؟ فيقولون : حمدك واسترجع فيقول الله تعالى : ابنوا لعبدي بيتا في الجنة وسموه بيت الحمدرواه الترمذي وقال حديث حسن
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কোন বান্দার সন্তান মারা যায় আল্লাহ ফিরিশতাদেরকে বলেন, ‘তোমরা আমার বান্দার সন্তানের প্রাণ নিয়েছ?’ তাঁরা বলেন, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তার অন্তরের ফল কেড়ে নিয়েছ?’ তাঁরা বলেন, ‘হ্যাঁ।’ তারপর তিনি বলেন, ‘আমার বান্দা কী বলেছে?’ তাঁরা উত্তরে বলেন, ‘সে তোমার প্রশংসা করেছে এবং “ইন্না লিল্লা-হি অইন্না ইলাইহি রা-জিঊন” পড়েছে।’ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমার বান্দার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ কর এবং তার নাম রাখ---প্রসংশা-গৃহ।’ (আহমাদ ১৯৭২৫, তিরমিযী ১০২১, বাইহাক্বী ৭৩৯৭, ইবনে হিব্বান ২৯৪৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কোন বান্দার সন্তান মারা যায় আল্লাহ ফিরিশতাদেরকে বলেন, ‘তোমরা আমার বান্দার সন্তানের প্রাণ নিয়েছ?’ তাঁরা বলেন, ‘হ্যাঁ।’ অতঃপর আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তার অন্তরের ফল কেড়ে নিয়েছ?’ তাঁরা বলেন, ‘হ্যাঁ।’ তারপর তিনি বলেন, ‘আমার বান্দা কী বলেছে?’ তাঁরা উত্তরে বলেন, ‘সে তোমার প্রশংসা করেছে এবং “ইন্না লিল্লা-হি অইন্না ইলাইহি রা-জিঊন” পড়েছে।’ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমার বান্দার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ কর এবং তার নাম রাখ---প্রসংশা-গৃহ।’ (আহমাদ ১৯৭২৫, তিরমিযী ১০২১, বাইহাক্বী ৭৩৯৭, ইবনে হিব্বান ২৯৪৮)
وعن أبي موسى أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال إذا مات ولد العبد قال الله تعالى لملائكته: قبضتم ولد عبدي ؟ فيقولون : نعم فيقول : قبضتم ثمرة فؤاده ؟ فيقولون : نعم فيقول : ماذا قال عبدي؟ فيقولون : حمدك واسترجع فيقول الله تعالى : ابنوا لعبدي بيتا في الجنة وسموه بيت الحمدرواه الترمذي وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১২৯০
وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول الله تعالى : ما لعبدي المؤمن عندي جزاء إذا قبضت صفيه من أهل الدنيا ثم احتسبه إلا الجنةرواه البخاري
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি আমার বান্দার পছন্দনীয় পার্থিব জিনিসকে কেড়ে নিই, অতঃপর সে (তাতে) সওয়াবের আশা রাখে, তখন তার জন্য আমার নিকট জান্নাত ছাড়া অন্য কোন বিনিময় নেই।’ (বুখারী ৬৪২৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি আমার বান্দার পছন্দনীয় পার্থিব জিনিসকে কেড়ে নিই, অতঃপর সে (তাতে) সওয়াবের আশা রাখে, তখন তার জন্য আমার নিকট জান্নাত ছাড়া অন্য কোন বিনিময় নেই।’ (বুখারী ৬৪২৪)
وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول الله تعالى : ما لعبدي المؤمن عندي جزاء إذا قبضت صفيه من أهل الدنيا ثم احتسبه إلا الجنةرواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১২৯১
وعن أسامة بن زيد رضي الله عنهما قال : أرسلت إحدى بنات النبي صلى اللٰه عليه وسلم إليه تدعوه وتخبره أن صبيا لها أو ابنا – في الموت فقال للرسول ارجع إليها فأخبرها أن لله تعالى ما أخذ وله ما أعطى وكل شيء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب وذكر تمام الحديث متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কন্যা তাঁকে ডাকার জন্য এবং এ সংবাদ দেওয়ার জন্য দূত পাঠালেন যে, তাঁর শিশু অথবা পুত্র মরণাপন্ন। অতঃপর তিনি দূতকে বললেন, “তুমি তার নিকট ফিরে গিয়ে বল, ‘তা আল্লাহরই--যা তিনি নিয়েছেন এবং যা কিছু দিয়েছেন--তাও তাঁরই। আর তাঁর নিকট প্রতিটি জিনিসের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।’ অতএব তাকে বল, সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং নেকীর আশা রাখে।” ---অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১২৮৪, ৬৬৫৫, মুসলিম ২১৭৪)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কন্যা তাঁকে ডাকার জন্য এবং এ সংবাদ দেওয়ার জন্য দূত পাঠালেন যে, তাঁর শিশু অথবা পুত্র মরণাপন্ন। অতঃপর তিনি দূতকে বললেন, “তুমি তার নিকট ফিরে গিয়ে বল, ‘তা আল্লাহরই--যা তিনি নিয়েছেন এবং যা কিছু দিয়েছেন--তাও তাঁরই। আর তাঁর নিকট প্রতিটি জিনিসের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।’ অতএব তাকে বল, সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং নেকীর আশা রাখে।” ---অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১২৮৪, ৬৬৫৫, মুসলিম ২১৭৪)
وعن أسامة بن زيد رضي الله عنهما قال : أرسلت إحدى بنات النبي صلى اللٰه عليه وسلم إليه تدعوه وتخبره أن صبيا لها أو ابنا – في الموت فقال للرسول ارجع إليها فأخبرها أن لله تعالى ما أخذ وله ما أعطى وكل شيء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب وذكر تمام الحديث متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২৮৭
عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا حضرتم المريض أو الميت فقولوا خيرا فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون قالت: فلما مات أبو سلمة، أتيت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقلت : يا رسول الله إن أبا سلمة قد مات، قالقولي: اللهم اغفر لي وله، وأعقبني منه عقبى حسنةفقلت فأعقبني الله من هو خير لي منه : محمدا صلى اللٰه عليه وسلم رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা পীড়িত অথবা মৃতের নিকট উপস্থিত হলে ভাল কথা বল। কেননা, ফিরিশতারা তোমাদের কথায় ‘আমীন’ বলেন।” (উম্মে সালামাহ রাঃ) বলেন, অতঃপর যখন (আমার স্বামী) আবূ সালামাহ মারা গেলেন, তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আবূ সালামাহ মারা গেছেন। (সুতরাং আমি এখন কী বলব?)’ তিনি বললেন, তুমি এই দু‘আ বল, ‘আল্লাহুম্মাগফির লী অলাহু, অআ’ক্বিবনী মিনহু উক্ববা হাসানাহ।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ও তাঁকে মার্জনা কর এবং আমাকে তাঁর চেয়ে উত্তম বিনিময় প্রদান কর। সুতরাং আমি তা বললাম, ফলে মহান আল্লাহ আমাকে তাঁর চেয়ে উত্তম বিনিময় মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (স্বামীরূপে) প্রদান করলেন। (মুসলিম ২১৬৮, আবূ দাঊদ ৩১১৭) (মুসলিম ‘পীড়িত অথবা মৃত’ সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন। আর আবূ দাঊদ প্রমুখ বিনা সন্দেহে ‘মৃতের নিকট উপস্থিত’ হওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন।)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা পীড়িত অথবা মৃতের নিকট উপস্থিত হলে ভাল কথা বল। কেননা, ফিরিশতারা তোমাদের কথায় ‘আমীন’ বলেন।” (উম্মে সালামাহ রাঃ) বলেন, অতঃপর যখন (আমার স্বামী) আবূ সালামাহ মারা গেলেন, তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আবূ সালামাহ মারা গেছেন। (সুতরাং আমি এখন কী বলব?)’ তিনি বললেন, তুমি এই দু‘আ বল, ‘আল্লাহুম্মাগফির লী অলাহু, অআ’ক্বিবনী মিনহু উক্ববা হাসানাহ।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ও তাঁকে মার্জনা কর এবং আমাকে তাঁর চেয়ে উত্তম বিনিময় প্রদান কর। সুতরাং আমি তা বললাম, ফলে মহান আল্লাহ আমাকে তাঁর চেয়ে উত্তম বিনিময় মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (স্বামীরূপে) প্রদান করলেন। (মুসলিম ২১৬৮, আবূ দাঊদ ৩১১৭) (মুসলিম ‘পীড়িত অথবা মৃত’ সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন। আর আবূ দাঊদ প্রমুখ বিনা সন্দেহে ‘মৃতের নিকট উপস্থিত’ হওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন।)
عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا حضرتم المريض أو الميت فقولوا خيرا فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون قالت: فلما مات أبو سلمة، أتيت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقلت : يا رسول الله إن أبا سلمة قد مات، قالقولي: اللهم اغفر لي وله، وأعقبني منه عقبى حسنةفقلت فأعقبني الله من هو خير لي منه : محمدا صلى اللٰه عليه وسلم رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১২৮৮
وعنها قالت : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ما من عبد تصيبه مصيبة فيقول : إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي واخلف لي خيرا منها إلا أجره الله تعالى في مصيبته وأخلف له خيرا منها قالت : فلما توفي أبو سلمة قلت كما أمرني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخلف الله لي خيرا منه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم رواه مسلم
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে বান্দা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় এই দু‘আ বলবে, ‘ইন্না লিল্লা-হি অইন্না ইলাইহি রা-জিঊন, আল্লা-হুম্মা’জুরনী ফী মুসীবাতী অখ্লুফলী খাইরাম মিনহা।’ (যার অর্থ, আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করব। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার এই বিপদে প্রতিদান দাও এবং তার জায়গায় উত্তম বিনিময় প্রদান কর।) আল্লাহ তাকে তার বিপদে প্রতিদান ও তার জায়গায় উত্তম বিনিময় দান করবেন।” উম্মে সালামাহ (রাঃ) বলেন, ‘যখন আবূ সালামাহ মারা গেলেন, তখন আমি সেইরূপ বললাম, যেরূপ বলার আদেশ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে দিয়েছিলেন। সুতরাং আল্লাহ আমাকে তার চেয়ে উত্তম বিনিময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (স্বামীরূপে) প্রদান করলেন।’ (মুসলিম ২১৬৫-২১৬৬)
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে বান্দা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় এই দু‘আ বলবে, ‘ইন্না লিল্লা-হি অইন্না ইলাইহি রা-জিঊন, আল্লা-হুম্মা’জুরনী ফী মুসীবাতী অখ্লুফলী খাইরাম মিনহা।’ (যার অর্থ, আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করব। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার এই বিপদে প্রতিদান দাও এবং তার জায়গায় উত্তম বিনিময় প্রদান কর।) আল্লাহ তাকে তার বিপদে প্রতিদান ও তার জায়গায় উত্তম বিনিময় দান করবেন।” উম্মে সালামাহ (রাঃ) বলেন, ‘যখন আবূ সালামাহ মারা গেলেন, তখন আমি সেইরূপ বললাম, যেরূপ বলার আদেশ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে দিয়েছিলেন। সুতরাং আল্লাহ আমাকে তার চেয়ে উত্তম বিনিময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (স্বামীরূপে) প্রদান করলেন।’ (মুসলিম ২১৬৫-২১৬৬)
وعنها قالت : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ما من عبد تصيبه مصيبة فيقول : إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي واخلف لي خيرا منها إلا أجره الله تعالى في مصيبته وأخلف له خيرا منها قالت : فلما توفي أبو سلمة قلت كما أمرني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخلف الله لي خيرا منه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم رواه مسلم
হাদিস সম্ভার > মৃতের গোসল ও কাফন
হাদিস সম্ভার ১২৯৩
عن أبي أمامة رضي الله تعالى عنه، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من غسل ميتا، فكتم عليه طهره الله من ذنوبه فإن كفنه كساه الله من السندس
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন মুর্দাকে গোসল দেয় এবং তার ত্রুটি গোপন করে, আল্লাহ সে ব্যক্তির গোনাহ গোপন (মাফ) করে দেন। আর যে ব্যক্তি মুর্দাকে কাফনায় আল্লাহ তাকে (জান্নাতী) ফাইন রেশমের বস্ত্র পরিধান করাবেন।” (ত্বাবারানী কাবীর ৮০০৪, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯২৬৭, সহীহুল জামে’ ৬৪০৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন মুর্দাকে গোসল দেয় এবং তার ত্রুটি গোপন করে, আল্লাহ সে ব্যক্তির গোনাহ গোপন (মাফ) করে দেন। আর যে ব্যক্তি মুর্দাকে কাফনায় আল্লাহ তাকে (জান্নাতী) ফাইন রেশমের বস্ত্র পরিধান করাবেন।” (ত্বাবারানী কাবীর ৮০০৪, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯২৬৭, সহীহুল জামে’ ৬৪০৩)
عن أبي أمامة رضي الله تعالى عنه، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من غسل ميتا، فكتم عليه طهره الله من ذنوبه فإن كفنه كساه الله من السندس
হাদিস সম্ভার ১২৯৪
عن عائشة قالت : رجع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم من جنازة بالبقيع وأنا أجد صداعا فى رأسى وأنا أقول وارأساه قال بل أنا يا عائشة وارأساه ثم قال وما ضرك لو مت قبلى فغسلتك وكفنتك وصليت عليك ثم دفنتك
‘একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কারো জানাযা পড়ে বাকী’ (গোরস্থান) থেকে আমার নিকট এলেন। তখন আমার মাথায় ছিল যন্ত্রণা। আমি বলছিলাম, ‘হায় আমার মাথা গেল!’ তিনি বললেন, “বরং আমার মাথাও গেল! (হে আয়েশা!) তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও এবং আমি তোমাকে গোসল দিই, কাফনাই, অতঃপর তোমার উপর জানাযা পড়ে তোমাকে দাফন করি, তাহলে এতে তোমার নোকসান আছে কি?” (নাসাঈর কুবরা ৭০৭৯, ইবনে মাজাহ ১৪৬৫, ইবনে হিব্বান ৬৫৮৬, দারাকুত্বনী ১৯২, বাইহাক্বী ৬৯০৪)
‘একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কারো জানাযা পড়ে বাকী’ (গোরস্থান) থেকে আমার নিকট এলেন। তখন আমার মাথায় ছিল যন্ত্রণা। আমি বলছিলাম, ‘হায় আমার মাথা গেল!’ তিনি বললেন, “বরং আমার মাথাও গেল! (হে আয়েশা!) তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও এবং আমি তোমাকে গোসল দিই, কাফনাই, অতঃপর তোমার উপর জানাযা পড়ে তোমাকে দাফন করি, তাহলে এতে তোমার নোকসান আছে কি?” (নাসাঈর কুবরা ৭০৭৯, ইবনে মাজাহ ১৪৬৫, ইবনে হিব্বান ৬৫৮৬, দারাকুত্বনী ১৯২, বাইহাক্বী ৬৯০৪)
عن عائشة قالت : رجع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ذات يوم من جنازة بالبقيع وأنا أجد صداعا فى رأسى وأنا أقول وارأساه قال بل أنا يا عائشة وارأساه ثم قال وما ضرك لو مت قبلى فغسلتك وكفنتك وصليت عليك ثم دفنتك
হাদিস সম্ভার ১২৯৫
عن ابن عباس رضى الله عنهما - عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم خر رجل من بعيره فوقص فمات فقال اغسلوه بماء وسدر وكفنوه فى ثوبيه ولا تخمروا رأسه فإن الله يبعثه يوم القيامة ملبيا
এক ব্যক্তি (ইহরাম বাঁধা অবস্থায়) নিজ সওয়ারী উট থেকে পড়ে গিয়ে ঘাড় ভেঙ্গে মারা গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “কুলের পাতা-মিশ্রিত পানি দ্বারা ওর গোসল দাও, (যে দুই ইহরামের কাপড় ও পরে আছে সে) দুই কাপড়েই ওকে কাফনিয়ে দাও, কোন খোশবু ওর দেহে লাগাবে না। আর ওর মাথা ও চেহারা ঢাকবে না। কেননা, কিয়ামতের দিন ও তালবিয়াহ পড়া অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে।” (বুখারী ১২৬৫, মুসলিম ২৯৪৮, প্রমুখ)
এক ব্যক্তি (ইহরাম বাঁধা অবস্থায়) নিজ সওয়ারী উট থেকে পড়ে গিয়ে ঘাড় ভেঙ্গে মারা গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “কুলের পাতা-মিশ্রিত পানি দ্বারা ওর গোসল দাও, (যে দুই ইহরামের কাপড় ও পরে আছে সে) দুই কাপড়েই ওকে কাফনিয়ে দাও, কোন খোশবু ওর দেহে লাগাবে না। আর ওর মাথা ও চেহারা ঢাকবে না। কেননা, কিয়ামতের দিন ও তালবিয়াহ পড়া অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে।” (বুখারী ১২৬৫, মুসলিম ২৯৪৮, প্রমুখ)
عن ابن عباس رضى الله عنهما - عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم خر رجل من بعيره فوقص فمات فقال اغسلوه بماء وسدر وكفنوه فى ثوبيه ولا تخمروا رأسه فإن الله يبعثه يوم القيامة ملبيا
হাদিস সম্ভার ১২৯৬
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من غسل الميت فليغتسل ومن حمله فليتوضأ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মৃতের গোসল দেয়, সে যেন গোসল করে এবং যে তা বহন করে, সে যেন ওযু করে।” (আবু দাউদ ৩১৬৩, তিরমিযী ৯৯৩, ইবনে মাজাহ ১৪৬৩, সহীহ আবু দাউদ ২৭০৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মৃতের গোসল দেয়, সে যেন গোসল করে এবং যে তা বহন করে, সে যেন ওযু করে।” (আবু দাউদ ৩১৬৩, তিরমিযী ৯৯৩, ইবনে মাজাহ ১৪৬৩, সহীহ আবু দাউদ ২৭০৭)
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من غسل الميت فليغتسل ومن حمله فليتوضأ
হাদিস সম্ভার ১২৯২
وعن أبي رافع أسلم مولى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالمن غسل ميتا فكتم عليه غفر الله له أربعين مرةرواه الحاكم وقال : صحيح على شرط مسلم
রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মৃতকে গোসল দেবে এবং তার দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহ তাকে চল্লিশবার ক্ষমা করবেন।” (হাকেম ১৩০৭, মুসলিমের শর্তে সহীহ) আর এক বর্ণনায় আছে, “৪০টি কাবীরাহ গোনাহ মাফ করে দেন।” (হাকেম ১/৩৫৪, ৩৬২, বাইহাকী ৩/৩৯৫, ৬৯০০, ত্বাবারানী ৯২৪, মাযমাউয যাওয়াইদ ৩/২১) অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘সে তার পাপরাশি হতে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে বের হবে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।” “আর যে ব্যক্তি মৃতব্যক্তিকে কাফন পড়াবে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে জান্নাতের সূক্ষ ও পুরু রেশমের বস্ত্র পরিধান করাবেন। যে ব্যক্তি তার জন্য কবর খুঁড়ে তাতে তাকে দাফন করবে, আল্লাহ তার জন্য এমন এক গৃহের সওয়াব জারী করে দেবেন যা সে কিয়ামত পর্যন্ত বাস করার জন্য দান করে থাকে।” (হাকেম, বাইহাক্বী, ত্বাবারানীর কাবীর, আহকামুল জানায়েয ৫১ পৃঃ)
রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মৃতকে গোসল দেবে এবং তার দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহ তাকে চল্লিশবার ক্ষমা করবেন।” (হাকেম ১৩০৭, মুসলিমের শর্তে সহীহ) আর এক বর্ণনায় আছে, “৪০টি কাবীরাহ গোনাহ মাফ করে দেন।” (হাকেম ১/৩৫৪, ৩৬২, বাইহাকী ৩/৩৯৫, ৬৯০০, ত্বাবারানী ৯২৪, মাযমাউয যাওয়াইদ ৩/২১) অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘সে তার পাপরাশি হতে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে বের হবে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।” “আর যে ব্যক্তি মৃতব্যক্তিকে কাফন পড়াবে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে জান্নাতের সূক্ষ ও পুরু রেশমের বস্ত্র পরিধান করাবেন। যে ব্যক্তি তার জন্য কবর খুঁড়ে তাতে তাকে দাফন করবে, আল্লাহ তার জন্য এমন এক গৃহের সওয়াব জারী করে দেবেন যা সে কিয়ামত পর্যন্ত বাস করার জন্য দান করে থাকে।” (হাকেম, বাইহাক্বী, ত্বাবারানীর কাবীর, আহকামুল জানায়েয ৫১ পৃঃ)
وعن أبي رافع أسلم مولى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالمن غسل ميتا فكتم عليه غفر الله له أربعين مرةرواه الحاكم وقال : صحيح على شرط مسلم
হাদিস সম্ভার ১২৯৭
عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ্রليس عليكم في غسل ميتكم غسل إذا غسلتموه فإن ميتكم ليس بنجس فحسبكم أن تغسلوا أيديكمগ্ধ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা যখন তোমাদের মুর্দাকে গোসল দাও, তখন তোমাদের জন্য গোসল জরুরী নয়। কেননা, তোমাদের মুর্দা তো নাপাক নয়। সুতরাং কেবল হাত ধুয়ে নেওয়াই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।” (হাকেম ১/৩৮৬, ১৪২৬, বাইহাকী ৩/৩৯৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা যখন তোমাদের মুর্দাকে গোসল দাও, তখন তোমাদের জন্য গোসল জরুরী নয়। কেননা, তোমাদের মুর্দা তো নাপাক নয়। সুতরাং কেবল হাত ধুয়ে নেওয়াই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।” (হাকেম ১/৩৮৬, ১৪২৬, বাইহাকী ৩/৩৯৮)
عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ্রليس عليكم في غسل ميتكم غسل إذا غسلتموه فإن ميتكم ليس بنجس فحسبكم أن تغسلوا أيديكمগ্ধ
হাদিস সম্ভার ১২৯৮
عن جابر بن عبد الله قال: قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم إذا كفن أحدكم أخاه فليحسن كفنه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার ভাইকে কাফন পরায় তখন তার উচিত, সাধ্যমত উত্তম কাফন সংগ্রহ করা।” (আহমাদ ১৪১৪৫, মুসলিম ২২২৮, আবু দাউদ ৩১৫০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার ভাইকে কাফন পরায় তখন তার উচিত, সাধ্যমত উত্তম কাফন সংগ্রহ করা।” (আহমাদ ১৪১৪৫, মুসলিম ২২২৮, আবু দাউদ ৩১৫০)
عن جابر بن عبد الله قال: قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم إذا كفن أحدكم أخاه فليحسن كفنه
হাদিস সম্ভার ১২৯৯
عن أنس بن مالك وقلت الثياب وكثرت القتلى فكان الرجل والرجلان والثلاثة يكفنون فى الثوب الواحد زاد قتيبة - ثم يدفنون فى قبر واحد
“উহুদের যুদ্ধে নিহতের সংখা কাফনের তুলনায় বেশী ছিল। ২/৩ জনকে একই কবরে দাফন করা হয়েছিল। কুরআন কে বেশী জানে তা জিজ্ঞাসা করে এমন লোককে লহদ (কবরে) আগে রাখা হয়েছিল। আর একই কাপড়ে ২/৩ জন নিহতকে কাফনানো হয়েছিল। (আবু দাঊদ ৩১৩৮, তিরমিযী ১০১৬, প্রমুখ)
“উহুদের যুদ্ধে নিহতের সংখা কাফনের তুলনায় বেশী ছিল। ২/৩ জনকে একই কবরে দাফন করা হয়েছিল। কুরআন কে বেশী জানে তা জিজ্ঞাসা করে এমন লোককে লহদ (কবরে) আগে রাখা হয়েছিল। আর একই কাপড়ে ২/৩ জন নিহতকে কাফনানো হয়েছিল। (আবু দাঊদ ৩১৩৮, তিরমিযী ১০১৬, প্রমুখ)
عن أنس بن مالك وقلت الثياب وكثرت القتلى فكان الرجل والرجلان والثلاثة يكفنون فى الثوب الواحد زاد قتيبة - ثم يدفنون فى قبر واحد
হাদিস সম্ভার ১৩০০
عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كفن في ثلاثة أثواب يمانية بيض سحولية من كرسف ليس فيهن قميص ولا عمامة
‘আল্লাহ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ইয়ামানের সহুল শহরে প্রস্তুত সাদা রঙের তিনটি সুতির কাপড় দ্বারা কাফনানো হয়েছিল। তাতে কোন কামীস বা পাগড়ী ছিল না। (সাধারণভাবে তাঁকে তার মধ্যে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।)’ (বুখারী ১২৬৪, ১২৭৩, মুসলিম ২২২৫, প্রমুখ)
‘আল্লাহ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ইয়ামানের সহুল শহরে প্রস্তুত সাদা রঙের তিনটি সুতির কাপড় দ্বারা কাফনানো হয়েছিল। তাতে কোন কামীস বা পাগড়ী ছিল না। (সাধারণভাবে তাঁকে তার মধ্যে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।)’ (বুখারী ১২৬৪, ১২৭৩, মুসলিম ২২২৫, প্রমুখ)
عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كفن في ثلاثة أثواب يمانية بيض سحولية من كرسف ليس فيهن قميص ولا عمامة
হাদিস সম্ভার ১৩০১
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم البسوا من ثيابكم البياض فإنها من خير ثيابكم وكفنوا فيها موتاكم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের লেবাসের মধ্যে সাদা কাপড় পরিধান কর। কারণ, তা সব চাইতে উত্তম। আর ঐ সাদা কাপড় দ্বারা তোমাদের ম্যাইয়্যেতকেও কাফনাও।” (আহমাদ ২২১৯, ৩৪২৬, আবু দাঊদ ৩৮৮০, ৪০৬৩, তিরমিযী ৯৯৪, ইবনে মাজাহ ৩৫৬৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের লেবাসের মধ্যে সাদা কাপড় পরিধান কর। কারণ, তা সব চাইতে উত্তম। আর ঐ সাদা কাপড় দ্বারা তোমাদের ম্যাইয়্যেতকেও কাফনাও।” (আহমাদ ২২১৯, ৩৪২৬, আবু দাঊদ ৩৮৮০, ৪০৬৩, তিরমিযী ৯৯৪, ইবনে মাজাহ ৩৫৬৬)
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم البسوا من ثيابكم البياض فإنها من خير ثيابكم وكفنوا فيها موتاكم
হাদিস সম্ভার ১৩০২
عن جابر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إذا توفى أحدكم فوجد شيئا فليكفن فى ثوب حبرة
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কেউ মারা গেলে এবং তার পরিবারবর্গ কাফন দেওয়ার মত সামর্থ্য রাখলে তারা যেন চেক কাটা কাপড় দ্বারা তাকে কাফনায়।” (আবু দাঊদ ৩১৫২, বাইহাকী ৩/৪০৩, সহীহ আবু দাঊদ ২৭০২)
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কেউ মারা গেলে এবং তার পরিবারবর্গ কাফন দেওয়ার মত সামর্থ্য রাখলে তারা যেন চেক কাটা কাপড় দ্বারা তাকে কাফনায়।” (আবু দাঊদ ৩১৫২, বাইহাকী ৩/৪০৩, সহীহ আবু দাঊদ ২৭০২)
عن جابر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إذا توفى أحدكم فوجد شيئا فليكفن فى ثوب حبرة
হাদিস সম্ভার ১৩০৩
عن جابر قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا أجمرتم الميت فأجمروه ثلاثا
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমরা তোমাদের মাইয়্যেতকে সুগন্ধ ধুঁয়া দিয়ে সুগন্ধময় করবে, তখন যেন তা তিনবার কর।” (আহমাদ ১৩০১৪, ইবনে শাইবাহ, মাওয়ারিদুয যামআন ৭৫২, হাকেম ১/৩৫৫, বাইহাকী ৩/৪০৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমরা তোমাদের মাইয়্যেতকে সুগন্ধ ধুঁয়া দিয়ে সুগন্ধময় করবে, তখন যেন তা তিনবার কর।” (আহমাদ ১৩০১৪, ইবনে শাইবাহ, মাওয়ারিদুয যামআন ৭৫২, হাকেম ১/৩৫৫, বাইহাকী ৩/৪০৫)
عن جابر قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا أجمرتم الميت فأجمروه ثلاثا
হাদিস সম্ভার ১৩০৪
عن جابر بن عبد الله قال خرج رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من المدينة إلى المشركين ليقاتلهم وقال لي أبي عبد الله يا جابر لا عليك أن تكون في نظاري أهل المدينة حتى تعلم إلى ما يصير أمرنا فإني والله لولا أني أترك بنات لي بعدي لأحببت أن تقتل بين يدي قال فبينما أنا في النظارين إذ جاءت عمتي بأبي وخالي عادلتهما على ناضح فدخلت بهما المدينة لتدفنهما في مقابرنا إذ لحق رجل ينادي ألا إن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يأمركم أن ترجعوا
(ভাবানুবাদ) উহুদের যুদ্ধের দিন মুসলিমদের লাশ বাকী’তে দাফন করার জন্য বহন করা শুরু হলে রাসূলুল্লাহর পক্ষ থেকে এক আহ্বানকারী আহ্বান করে বলল, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমাদেরকে তোমাদের লাশসমূহকে তাদের মৃত্যুস্থলে দাফন করতে আদেশ করেছেন।’ আমার আম্মাজান তখন আমার আব্বাজান ও মামাজানকে একটি সেচক উটের পিঠে পাশাপাশি রেখে বাকীতে দাফন করার উদ্দেশ্যে বহন করে ফেলেছিলেন। কিন্তু তাদেরকেও (ঐ আদেশানুসারে) ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।’ (আহমাদ ১৫২৮১, আবু দাঊদ ৩১৬৭, তিরমিযী ১৭১৭, মাওয়ারেদুয যামআন ১৯৬ , বাইহাকী ৪/৫৭)
(ভাবানুবাদ) উহুদের যুদ্ধের দিন মুসলিমদের লাশ বাকী’তে দাফন করার জন্য বহন করা শুরু হলে রাসূলুল্লাহর পক্ষ থেকে এক আহ্বানকারী আহ্বান করে বলল, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমাদেরকে তোমাদের লাশসমূহকে তাদের মৃত্যুস্থলে দাফন করতে আদেশ করেছেন।’ আমার আম্মাজান তখন আমার আব্বাজান ও মামাজানকে একটি সেচক উটের পিঠে পাশাপাশি রেখে বাকীতে দাফন করার উদ্দেশ্যে বহন করে ফেলেছিলেন। কিন্তু তাদেরকেও (ঐ আদেশানুসারে) ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।’ (আহমাদ ১৫২৮১, আবু দাঊদ ৩১৬৭, তিরমিযী ১৭১৭, মাওয়ারেদুয যামআন ১৯৬ , বাইহাকী ৪/৫৭)
عن جابر بن عبد الله قال خرج رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من المدينة إلى المشركين ليقاتلهم وقال لي أبي عبد الله يا جابر لا عليك أن تكون في نظاري أهل المدينة حتى تعلم إلى ما يصير أمرنا فإني والله لولا أني أترك بنات لي بعدي لأحببت أن تقتل بين يدي قال فبينما أنا في النظارين إذ جاءت عمتي بأبي وخالي عادلتهما على ناضح فدخلت بهما المدينة لتدفنهما في مقابرنا إذ لحق رجل ينادي ألا إن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يأمركم أن ترجعوا