হাদিস সম্ভার > মহান আল্লাহ বান্দাকে আমলের তাওফীক দেন

হাদিস সম্ভার ১২৬২

عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أراد الله بعبد خيرا استعمله قالوا وكيف يستعمله؟ قال يوفقه لعمل صالح قبل موته

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে ব্যবহার ক’রে নেন।” লোকেরা জিজ্ঞাসা করল, ‘ব্যবহার ক’রে নেন কিভাবে?’ তিনি বললেন, “মৃত্যুর পূর্বে তাকে নেক আমলের তাওফীক দেন।” (আহমাদ ১২০৩৬, তিরমিযী ২১৪২, হাকেম ১২৫৭) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে ধুয়ে নেন।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘ধুয়ে নেন কিভাবে?’ তিনি বললেন, “মৃত্যুর পূর্বে তাকে নেক আমলের তাওফীক দেন। অতঃপর তার উপর তার মৃত্যু ঘটান।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৪৬৫৬) প্রকাশ থাকে যে, এ হাদীসের এক শব্দে আছে, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে মধুময় করে নেন।”

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে ব্যবহার ক’রে নেন।” লোকেরা জিজ্ঞাসা করল, ‘ব্যবহার ক’রে নেন কিভাবে?’ তিনি বললেন, “মৃত্যুর পূর্বে তাকে নেক আমলের তাওফীক দেন।” (আহমাদ ১২০৩৬, তিরমিযী ২১৪২, হাকেম ১২৫৭) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে ধুয়ে নেন।” জিজ্ঞাসা করা হল, ‘ধুয়ে নেন কিভাবে?’ তিনি বললেন, “মৃত্যুর পূর্বে তাকে নেক আমলের তাওফীক দেন। অতঃপর তার উপর তার মৃত্যু ঘটান।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৪৬৫৬) প্রকাশ থাকে যে, এ হাদীসের এক শব্দে আছে, “আল্লাহ কারো সাথে কল্যাণের ইচ্ছা রাখলে তাকে মধুময় করে নেন।”

عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أراد الله بعبد خيرا استعمله قالوا وكيف يستعمله؟ قال يوفقه لعمل صالح قبل موته


হাদিস সম্ভার > মরণের পূর্বে আল্লাহর প্রতি সুধারণা

হাদিস সম্ভার ১২৬৩

وعن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما : أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قبل موته بثلاثة أيام يقوللا يموتن أحدكم إلا وهو يحسن الظن بالله عز وجل رواه مسلم

তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইন্তিকালের তিনদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছেন, “আল্লাহর প্রতি সুধারণা না রেখে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যুবরণ না করে।” (মুসলিম ৭৪১২, ইবনে মাজাহ ৪১৬৭)

তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইন্তিকালের তিনদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছেন, “আল্লাহর প্রতি সুধারণা না রেখে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যুবরণ না করে।” (মুসলিম ৭৪১২, ইবনে মাজাহ ৪১৬৭)

وعن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما : أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قبل موته بثلاثة أيام يقوللا يموتن أحدكم إلا وهو يحسن الظن بالله عز وجل رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১২৬৬

وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول الله تعالى : أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه إذا ذكرني فإن ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي وإن ذكرني في ملأ ذكرته في ملأ خير منهممتفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আমার বান্দার ধারণার পাশে থাকি। (অর্থাৎ, সে যদি ধারণা রাখে যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন, তার তওবা কবুল করবেন, বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করবেন, তাহলে তাই করি।) আর আমি তার সাথে থাকি, যখন সে আমাকে স্মরণ করে। সুতরাং সে যদি তার মনে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে আমার মনে স্মরণ করি, সে যদি কোন সভায় আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তাদের চেয়ে উত্তম ব্যক্তিদের (ফিরিশতাদের) সভায় স্মরণ করি।” (বুখারী ৭৪০৫, মুসলিম ৬৯৮১, ৭০০৮)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আমার বান্দার ধারণার পাশে থাকি। (অর্থাৎ, সে যদি ধারণা রাখে যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন, তার তওবা কবুল করবেন, বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করবেন, তাহলে তাই করি।) আর আমি তার সাথে থাকি, যখন সে আমাকে স্মরণ করে। সুতরাং সে যদি তার মনে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে আমার মনে স্মরণ করি, সে যদি কোন সভায় আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তাদের চেয়ে উত্তম ব্যক্তিদের (ফিরিশতাদের) সভায় স্মরণ করি।” (বুখারী ৭৪০৫, মুসলিম ৬৯৮১, ৭০০৮)

وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول الله تعالى : أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه إذا ذكرني فإن ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي وإن ذكرني في ملأ ذكرته في ملأ خير منهممتفق عليه


হাদিস সম্ভার ১২৬৪

عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل على شاب وهو في الموت فقال : كيف تجدك ؟ قال : والله يا رسول الله إني أرجو الله وإني أخاف ذنوبي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يجتمعان في قلب عبد في مثل هذا الموطن إلا أعطاه الله ما يرجو وآمنه مما يخاف

“একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একজন মরণাপন্ন যুবকের নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বললেন, “কেমন লাগছে তোমাকে?” যুবকটি বলল, ‘আল্লাহর কসম; হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি আল্লাহর (রহমতের) আশাধারী। তবে স্বকৃত পাপের ব্যাপারেও ভয় হচ্ছে।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “এহেন অবস্থায় যে বান্দারই হৃদয়ে আল্লাহর রহমতের আশা ও আযাবের ভয় পাশাপাশি থাকে, সে বান্দাকেই আল্লাহ তার আকাঙ্ক্ষিত বস্তু প্রদান করে থাকেন। আর যা সে ভয় করে তা হতে তাকে নিরাপত্তা দান করেন।” (তিরমিযী ৯৮৩, ইবনে মাজাহ ৪২৬১, সহীহ তিরমিযী ৭৯৫)

“একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একজন মরণাপন্ন যুবকের নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বললেন, “কেমন লাগছে তোমাকে?” যুবকটি বলল, ‘আল্লাহর কসম; হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি আল্লাহর (রহমতের) আশাধারী। তবে স্বকৃত পাপের ব্যাপারেও ভয় হচ্ছে।’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “এহেন অবস্থায় যে বান্দারই হৃদয়ে আল্লাহর রহমতের আশা ও আযাবের ভয় পাশাপাশি থাকে, সে বান্দাকেই আল্লাহ তার আকাঙ্ক্ষিত বস্তু প্রদান করে থাকেন। আর যা সে ভয় করে তা হতে তাকে নিরাপত্তা দান করেন।” (তিরমিযী ৯৮৩, ইবনে মাজাহ ৪২৬১, সহীহ তিরমিযী ৭৯৫)

عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل على شاب وهو في الموت فقال : كيف تجدك ؟ قال : والله يا رسول الله إني أرجو الله وإني أخاف ذنوبي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يجتمعان في قلب عبد في مثل هذا الموطن إلا أعطاه الله ما يرجو وآمنه مما يخاف


হাদিস সম্ভার ১২৬৫

وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال قال الله عز وجل : أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه حيث يذكرني والله لله أفرح بتوبة عبده من أحدكم يجد ضالته بالفلاة ومن تقرب إلي شبرا تقربت إليه ذراعا ومن تقرب إلي ذراعا تقربت إليه باعا وإذا أقبل إلي يمشي أقبلت إليه أهرول متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলেন, ‘আমি সেইরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি, যখন যে আমাকে স্মরণ করে। আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার তওবায় তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অপেক্ষা বেশি খুশী হন, যে তার মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া বাহন ফিরে পায়। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। যে আমার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দুই হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। আর সে যখন আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তখন তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।” (বুখারী ৭৮০৫ , মুসলিম ৭১২৮)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলেন, ‘আমি সেইরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি, যখন যে আমাকে স্মরণ করে। আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার তওবায় তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অপেক্ষা বেশি খুশী হন, যে তার মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া বাহন ফিরে পায়। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। যে আমার দিকে এক হাত পরিমাণ অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দুই হাত পরিমাণ অগ্রসর হই। আর সে যখন আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তখন তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।” (বুখারী ৭৮০৫ , মুসলিম ৭১২৮)

وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال قال الله عز وجل : أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه حيث يذكرني والله لله أفرح بتوبة عبده من أحدكم يجد ضالته بالفلاة ومن تقرب إلي شبرا تقربت إليه ذراعا ومن تقرب إلي ذراعا تقربت إليه باعا وإذا أقبل إلي يمشي أقبلت إليه أهرول متفق عليه


হাদিস সম্ভার > কোন কষ্টের কারণে মৃত্যু-কামনা করা বৈধ নয়, দ্বীনের ব্যাপারে ফিতনার আশঙ্কায় বৈধ

হাদিস সম্ভার ১২৬৮

وعن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يتمنين أحدكم الموت لضر أصابه، فإن كان لا بد فاعلا فليقل : اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي، وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي متفق عليه

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কোন বিপদে পড়ার কারণে যেন মরার আকাঙ্ক্ষা না করে। আর যদি তা করতেই হয়, তাহলে সে যেন বলে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে জীবিত রাখ; যে পর্যন্ত জীবিত থাকাটা আমার জন্য মঙ্গলময় হয়। আর আমাকে মরণ দাও; যদি মরণ আমার জন্য মঙ্গলময় হয়।” (বুখারী ৬৩৫১,মুসলিম ৬৯৯০)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কোন বিপদে পড়ার কারণে যেন মরার আকাঙ্ক্ষা না করে। আর যদি তা করতেই হয়, তাহলে সে যেন বলে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে জীবিত রাখ; যে পর্যন্ত জীবিত থাকাটা আমার জন্য মঙ্গলময় হয়। আর আমাকে মরণ দাও; যদি মরণ আমার জন্য মঙ্গলময় হয়।” (বুখারী ৬৩৫১,মুসলিম ৬৯৯০)

وعن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يتمنين أحدكم الموت لضر أصابه، فإن كان لا بد فاعلا فليقل : اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي، وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১২৭১

عن أبي بكرة أن رجلا قال يا رسول الله أي الناس خير؟ قال من طال عمره وحسن عمله قال: فأي الناس شر؟ قال من طال عمره وساء عمله

এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সবচেয়ে উত্তম লোক কে?’ তিনি বললেন, “যার আয়ু লম্বা হয় এবং কর্ম উত্তম হয়।” লোকটি বলল, ‘আর সবচেয়ে খারাপ লোক কে?’ তিনি বললেন, “যার আয়ু লম্বা হয় এবং কর্ম খারাপ হয়।” (আহমাদ ২০৪১৫)

এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সবচেয়ে উত্তম লোক কে?’ তিনি বললেন, “যার আয়ু লম্বা হয় এবং কর্ম উত্তম হয়।” লোকটি বলল, ‘আর সবচেয়ে খারাপ লোক কে?’ তিনি বললেন, “যার আয়ু লম্বা হয় এবং কর্ম খারাপ হয়।” (আহমাদ ২০৪১৫)

عن أبي بكرة أن رجلا قال يا رسول الله أي الناس خير؟ قال من طال عمره وحسن عمله قال: فأي الناس شر؟ قال من طال عمره وساء عمله


হাদিস সম্ভার ১২৭২

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أنبئكم بخيركم قالوا نعم يا رسول الله قال خياركم أطولكم أعمارا وأحسنكم أعمالا

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির কথা বলব না কি?” সাহাবাগণ বললেন, ‘জী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।” (আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির কথা বলব না কি?” সাহাবাগণ বললেন, ‘জী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।” (আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أنبئكم بخيركم قالوا نعم يا رسول الله قال خياركم أطولكم أعمارا وأحسنكم أعمالا


হাদিস সম্ভার ১২৬৭

عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يتمن أحدكم الموت إما محسنا فلعله يزداد وإما مسيئا فلعله يستعتب متفق عليه وهذا لفظ البخاري وفي رواية لمسلم عن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يتمن أحدكم الموت ولا يدع به من قبل أن يأتيه ؛ إنه إذا مات انقطع عمله وإنه لا يزيد المؤمن عمره إلا خيرا

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে পুণ্যবান হলে স‎ম্ভবতঃ সে পুণ্য বৃদ্ধি করবে। আর পাপী হলে (পাপ থেকে) তাওবাহ করতে পারবে।” (বুখারী ৫৬৭৩, ৭২৩৫) মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে এবং তা আসার পূর্বে কেউ যেন তার জন্য দু‘আ না করে। কারণ, সে মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে। অথচ মু’মিনের আয়ু কেবল মঙ্গলই বৃদ্ধি করবে।” (মুসলিম ৬৯৯৫)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে পুণ্যবান হলে স‎ম্ভবতঃ সে পুণ্য বৃদ্ধি করবে। আর পাপী হলে (পাপ থেকে) তাওবাহ করতে পারবে।” (বুখারী ৫৬৭৩, ৭২৩৫) মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে এবং তা আসার পূর্বে কেউ যেন তার জন্য দু‘আ না করে। কারণ, সে মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে। অথচ মু’মিনের আয়ু কেবল মঙ্গলই বৃদ্ধি করবে।” (মুসলিম ৬৯৯৫)

عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يتمن أحدكم الموت إما محسنا فلعله يزداد وإما مسيئا فلعله يستعتب متفق عليه وهذا لفظ البخاري وفي رواية لمسلم عن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يتمن أحدكم الموت ولا يدع به من قبل أن يأتيه ؛ إنه إذا مات انقطع عمله وإنه لا يزيد المؤمن عمره إلا خيرا


হাদিস সম্ভার ১২৬৯

وعن قيس بن أبي حازم قال : دخلنا على خباب بن الأرت نعوده وقد اكتوى سبع كيات فقال : إن أصحابنا الذين سلفوا مضوا ولم تنقصهم الدنيا وإنا أصبنا ما لا نجد له موضعا إلا التراب ولولا أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به ثم أتيناه مرة أخرى وهو يبني حائطا له فقال : إن المسلم ليؤجر في كل شيء ينفقه إلا في شيء يجعله في هذا التراب متفق عليه وهذا لفظ رواية البخاري

তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ খাব্বাব বিন আরাত্ (রাঃ) কে দেখা করতে গেলাম। সে সময় তিনি (তাঁর দেহে চিকিৎসার জন্য) সাতবার দেগেছিলেন। তিনি বললেন, ‘আমাদের সাথীরা যাঁরা (পূর্বেই) মারা গেছেন তাঁরা এমতাবস্থায় চলে গেছেন যে, দুনিয়া তাদের আমলের সওয়াবে কোন রকম কমতি করতে পারেনি। আর আমরা এমন (সম্পদ) লাভ করেছি, যা মাটি ছাড়া অন্য কোথাও রাখার জায়গা পাচ্ছি না। যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে মৃত্যু-কামনা করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে (রোগ-যন্ত্রণার কারণে) আমি মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতাম।’ (কাইস বলেন,) অতঃপর আমরা অন্য এক সময় তাঁর কাছে এলাম। তখন তিনি তাঁর (বাড়ির) দেওয়াল তৈরী করছিলেন। তিনি বললেন, ‘মুসলিম ব্যক্তিকে তার সকল প্রকার ব্যয়ের উপর সওয়াব দান করা হয়, তবে এ মাটিতে ব্যয়কৃত জিনিস ব্যতীত।’ (বুখারী ৫৬৭২, মুসলিম ৬৯৯৩ শব্দাবলী বুখারীর)

তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ খাব্বাব বিন আরাত্ (রাঃ) কে দেখা করতে গেলাম। সে সময় তিনি (তাঁর দেহে চিকিৎসার জন্য) সাতবার দেগেছিলেন। তিনি বললেন, ‘আমাদের সাথীরা যাঁরা (পূর্বেই) মারা গেছেন তাঁরা এমতাবস্থায় চলে গেছেন যে, দুনিয়া তাদের আমলের সওয়াবে কোন রকম কমতি করতে পারেনি। আর আমরা এমন (সম্পদ) লাভ করেছি, যা মাটি ছাড়া অন্য কোথাও রাখার জায়গা পাচ্ছি না। যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে মৃত্যু-কামনা করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে (রোগ-যন্ত্রণার কারণে) আমি মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতাম।’ (কাইস বলেন,) অতঃপর আমরা অন্য এক সময় তাঁর কাছে এলাম। তখন তিনি তাঁর (বাড়ির) দেওয়াল তৈরী করছিলেন। তিনি বললেন, ‘মুসলিম ব্যক্তিকে তার সকল প্রকার ব্যয়ের উপর সওয়াব দান করা হয়, তবে এ মাটিতে ব্যয়কৃত জিনিস ব্যতীত।’ (বুখারী ৫৬৭২, মুসলিম ৬৯৯৩ শব্দাবলী বুখারীর)

وعن قيس بن أبي حازم قال : دخلنا على خباب بن الأرت نعوده وقد اكتوى سبع كيات فقال : إن أصحابنا الذين سلفوا مضوا ولم تنقصهم الدنيا وإنا أصبنا ما لا نجد له موضعا إلا التراب ولولا أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به ثم أتيناه مرة أخرى وهو يبني حائطا له فقال : إن المسلم ليؤجر في كل شيء ينفقه إلا في شيء يجعله في هذا التراب متفق عليه وهذا لفظ رواية البخاري


হাদিস সম্ভার ১২৭০

عن أم الفضل)امرأة العباس (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليهم وعباس عم رسول الله صلى الله عليه وسلم يشتكي فتمنى عباس الموت فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: ্রيا عم لا تتمن الموت فإنك إن كنت محسنا فإن تؤخر تزدد إحسانا إلى إحسانك خير لك، وإن كنت مسيئا فإن تؤخر فتستعتب من إساءتك خير لك فلا تتمن الموتগ্ধ هذا حديث صحيح على شرط الشيخين

‘আল্লাহর রসূলের চাচা পীড়িত হলে তিনি তাঁর নিকট এলেন। আব্বাস মৃত্যুকামনা প্রকাশ করলে আল্লাহর রসূল তাঁকে বললেন, “হে চাচাজান! মৃত্যু কামনা করেন না। কারণ, আপনি নেক লোক হলে এবং হায়াত বেশী পেলে বেশী-বেশী নেকী করে নিতে পারবেন; যা আপনার জন্য মঙ্গলময়। আর গোনাহগার হলে এবং বেশী হায়াত পেলে আপনি গোনাহ থেকে তওবা করার সুযোগ পাবেন, সুতরাং তাও আপনার জন্য মঙ্গলময়। অতএব মৃত্যুকামনা করেন না।” (হাকেম ১২৫৪, আহকামুল জানায়েয, আলবানী ৪পৃঃ, হাদীসটি সহীহ)

‘আল্লাহর রসূলের চাচা পীড়িত হলে তিনি তাঁর নিকট এলেন। আব্বাস মৃত্যুকামনা প্রকাশ করলে আল্লাহর রসূল তাঁকে বললেন, “হে চাচাজান! মৃত্যু কামনা করেন না। কারণ, আপনি নেক লোক হলে এবং হায়াত বেশী পেলে বেশী-বেশী নেকী করে নিতে পারবেন; যা আপনার জন্য মঙ্গলময়। আর গোনাহগার হলে এবং বেশী হায়াত পেলে আপনি গোনাহ থেকে তওবা করার সুযোগ পাবেন, সুতরাং তাও আপনার জন্য মঙ্গলময়। অতএব মৃত্যুকামনা করেন না।” (হাকেম ১২৫৪, আহকামুল জানায়েয, আলবানী ৪পৃঃ, হাদীসটি সহীহ)

عن أم الفضل)امرأة العباس (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليهم وعباس عم رسول الله صلى الله عليه وسلم يشتكي فتمنى عباس الموت فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: ্রيا عم لا تتمن الموت فإنك إن كنت محسنا فإن تؤخر تزدد إحسانا إلى إحسانك خير لك، وإن كنت مسيئا فإن تؤخر فتستعتب من إساءتك خير لك فلا تتمن الموتগ্ধ هذا حديث صحيح على شرط الشيخين


হাদিস সম্ভার ১২৭৪

অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি বললেন, (أَلَيْسَ قَدْ مَكَثَ هَذَا بَعْدَهُ سَنَةً) ؟ قَالُوا بَلَى (وَأَدْرَكَ رَمَضَانَ فَصَامَهُ) ؟ قَالُوا بَلَى (وَصَلَّى كَذَا وَكَذَا سَجْدَةً فِي السَّنَةِ) ؟ قَالُوا بَلَى قَالَ رَسُولُ اللهِ (فَلَمَا بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضََََََََََََِ “(ওদের মধ্যে দীর্ঘজীবী ব্যক্তি যে) সে কি ঐ (দ্বিতীয় ব্যক্তির) পরে এক বছর বেশি জীবিত ছিল না।” সকলে বলল, ‘অবশ্যই।’ তিনি বললেন, “সে (ঐ বছরে) রমযান পেয়ে কি সিয়াম রাখেনি, এত এত নামায পড়েনি ও সিজদাহ করেনি?” সকলে বলল, ‘অবশ্যই।’ তিনি বললেন, “তাই ওদের উভয়ের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা আসমান-যমীনের মধ্যবর্তীর দূরত্ব থেকেও বেশি!” (আহমাদ ১৪০৩, ইবনে মাজাহ ৩৯২৫)

অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি বললেন, (أَلَيْسَ قَدْ مَكَثَ هَذَا بَعْدَهُ سَنَةً) ؟ قَالُوا بَلَى (وَأَدْرَكَ رَمَضَانَ فَصَامَهُ) ؟ قَالُوا بَلَى (وَصَلَّى كَذَا وَكَذَا سَجْدَةً فِي السَّنَةِ) ؟ قَالُوا بَلَى قَالَ رَسُولُ اللهِ (فَلَمَا بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضََََََََََََِ “(ওদের মধ্যে দীর্ঘজীবী ব্যক্তি যে) সে কি ঐ (দ্বিতীয় ব্যক্তির) পরে এক বছর বেশি জীবিত ছিল না।” সকলে বলল, ‘অবশ্যই।’ তিনি বললেন, “সে (ঐ বছরে) রমযান পেয়ে কি সিয়াম রাখেনি, এত এত নামায পড়েনি ও সিজদাহ করেনি?” সকলে বলল, ‘অবশ্যই।’ তিনি বললেন, “তাই ওদের উভয়ের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা আসমান-যমীনের মধ্যবর্তীর দূরত্ব থেকেও বেশি!” (আহমাদ ১৪০৩, ইবনে মাজাহ ৩৯২৫)


হাদিস সম্ভার ১২৭৩

عن عبد الله بن شداد أن نفرا من بني عذرة ثلاثة أتوا النبي صلى اللٰه عليه وسلم فأسلموا قال فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من يكفنيهم قال طلحة أنا قال فكانوا عند طلحة فبعث النبي صلى اللٰه عليه وسلم بعثا فخرج أحدهم فاستشهد قال ثم بعث بعثا فخرج فيهم آخر فاستشهد قال ثم مات الثالث على فراشه قال طلحة فرأيت هؤلاء الثلاثة الذين كانوا عندي في الجنة فرأيت الميت على فراشه أمامهم ورأيت الذي استشهد أخيرا يليه ورأيت الذي استشهد أولهم آخرهم قال فدخلني من ذلك قال فأتيت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فذكرت ذلك له قال فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وما أنكرت من ذلك ليس أحد أفضل عند الله من مؤمن يعمر في الإسلام لتسبيحه وتكبيره وتهليله

বানী উযরার তিন ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে ইসলাম গ্রহণ করল। অতঃপর তারা ত্বালহার তত্ত্বাবধানে বাস করতে লাগল। এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুদ্ধে কিছু লোক প্রেরণ করলেন। তাদের মধ্যে একজন লোকে তাতে যোগদান ক’রে শহীদ হয়ে গেল। তারপর আরো এক অভিযানে লোক পাঠালে তাদের মধ্যে দ্বিতীয়জন যোগ দিয়ে শহীদ হয়ে গেল। আর তৃতীয়জন বিছানায় মৃত্যুবরণ করল। ত্বালহা বলেন, ‘অতঃপর এক রাতে আমি ঐ তিনজনকে স্বপ্নে দেখি, ওদের মধ্যে যে বিছানায় মারা গেছে সে সবার আগে আছে, অতঃপর যে পরে শহীদ হয়েছে সে আছে এবং সর্বপ্রথম যে শহীদ হয়েছে সে সবার শেষে রয়েছে। এতে আমার সন্দেহ হলে আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে উল্লেখ করলে তিনি বললেন, “এতে আপত্তিকর কি আছে? আল্লাহর নিকট সেই মু’মিন অপেক্ষা উত্তম কেউ নয়, যাকে ইসলামে তার তসবীহ, তকবীর ও তহলীলের জন্য বেশি বয়স দেওয়া হবে।” (আহমাদ ১৪০১)

বানী উযরার তিন ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে ইসলাম গ্রহণ করল। অতঃপর তারা ত্বালহার তত্ত্বাবধানে বাস করতে লাগল। এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুদ্ধে কিছু লোক প্রেরণ করলেন। তাদের মধ্যে একজন লোকে তাতে যোগদান ক’রে শহীদ হয়ে গেল। তারপর আরো এক অভিযানে লোক পাঠালে তাদের মধ্যে দ্বিতীয়জন যোগ দিয়ে শহীদ হয়ে গেল। আর তৃতীয়জন বিছানায় মৃত্যুবরণ করল। ত্বালহা বলেন, ‘অতঃপর এক রাতে আমি ঐ তিনজনকে স্বপ্নে দেখি, ওদের মধ্যে যে বিছানায় মারা গেছে সে সবার আগে আছে, অতঃপর যে পরে শহীদ হয়েছে সে আছে এবং সর্বপ্রথম যে শহীদ হয়েছে সে সবার শেষে রয়েছে। এতে আমার সন্দেহ হলে আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে উল্লেখ করলে তিনি বললেন, “এতে আপত্তিকর কি আছে? আল্লাহর নিকট সেই মু’মিন অপেক্ষা উত্তম কেউ নয়, যাকে ইসলামে তার তসবীহ, তকবীর ও তহলীলের জন্য বেশি বয়স দেওয়া হবে।” (আহমাদ ১৪০১)

عن عبد الله بن شداد أن نفرا من بني عذرة ثلاثة أتوا النبي صلى اللٰه عليه وسلم فأسلموا قال فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من يكفنيهم قال طلحة أنا قال فكانوا عند طلحة فبعث النبي صلى اللٰه عليه وسلم بعثا فخرج أحدهم فاستشهد قال ثم بعث بعثا فخرج فيهم آخر فاستشهد قال ثم مات الثالث على فراشه قال طلحة فرأيت هؤلاء الثلاثة الذين كانوا عندي في الجنة فرأيت الميت على فراشه أمامهم ورأيت الذي استشهد أخيرا يليه ورأيت الذي استشهد أولهم آخرهم قال فدخلني من ذلك قال فأتيت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فذكرت ذلك له قال فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وما أنكرت من ذلك ليس أحد أفضل عند الله من مؤمن يعمر في الإسلام لتسبيحه وتكبيره وتهليله


হাদিস সম্ভার > জীবন থেকে নিরাশ হওয়ার সময়ে দু’আ

হাদিস সম্ভার ১২৭৫

عن عائشة رضي الله عنها قالت : سمعت النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو مستند إلي يقول اللهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى متفق عليه

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে এই দু‘আ বলতে শুনেছি, যখন তিনি (তাঁর মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তে) আমার উপর ঠেস লাগিয়ে ছিলেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফিরলী অরহামনী অ আলহিক্বনী বির্রাফীক্বিল আ’লা।’ অর্থাৎ, আল্লাহ গো! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর এবং আমাকে মহান সাথীর সাথে মিলিত কর। (বুখারী ৪৪৪০, ৫৬৭৪, মুসলিম ৬৪৪৬)

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে এই দু‘আ বলতে শুনেছি, যখন তিনি (তাঁর মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তে) আমার উপর ঠেস লাগিয়ে ছিলেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফিরলী অরহামনী অ আলহিক্বনী বির্রাফীক্বিল আ’লা।’ অর্থাৎ, আল্লাহ গো! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর এবং আমাকে মহান সাথীর সাথে মিলিত কর। (বুখারী ৪৪৪০, ৫৬৭৪, মুসলিম ৬৪৪৬)

عن عائشة رضي الله عنها قالت : سمعت النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو مستند إلي يقول اللهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى متفق عليه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00