হাদিস সম্ভার > রোগের চিকিৎসা
হাদিস সম্ভার ১২৩৩
عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)
عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১২৩৬
عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
হাদিস সম্ভার ১২৩৪
عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)
عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء
হাদিস সম্ভার ১২৩৭
وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه
তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)
তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)
وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২৩৮
وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)
وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين
হাদিস সম্ভার ১২৩৯
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.
হাদিস সম্ভার ১২৩৫
عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)
عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام
হাদিস সম্ভার > এ উম্মতের গড় আয়ু
হাদিস সম্ভার ১২৪০
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছরের মধ্যে, কম লোকই এ বয়স অতিক্রম করে।” (তিরমিযী ২৩৩১, ৩৫৫০, ইবনে মাজাহ ৪২৩৬, হাকেম ৩৫৯৮, বাইহাক্বী ৬৭৫৯, সহীহুল জামে’ ১০৭৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছরের মধ্যে, কম লোকই এ বয়স অতিক্রম করে।” (তিরমিযী ২৩৩১, ৩৫৫০, ইবনে মাজাহ ৪২৩৬, হাকেম ৩৫৯৮, বাইহাক্বী ৬৭৫৯, সহীহুল জামে’ ১০৭৩)
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك
হাদিস সম্ভার > বিশেষ মরণের বিশেষ মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১২৪১
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من مات يوم الجمعة أو ليلة الجمعة وقي فتنة القبر
রাসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমআর দিন মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাঁচান।” (আহমাদ ৬৬৪৬, ৭০৫০, তিরমিযী ১০৭৪)
রাসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমআর দিন মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাঁচান।” (আহমাদ ৬৬৪৬, ৭০৫০, তিরমিযী ১০৭৪)
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من مات يوم الجمعة أو ليلة الجمعة وقي فتنة القبر
হাদিস সম্ভার ১২৪৭
عن سلمان قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول رباط يوم وليلة خير من صيام شهر وقيامه وإن مات جرى عليه عمله الذى كان يعمله وأجرى عليه رزقه وأمن الفتان
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একটি দিন ও রাতের প্রতিরক্ষা কাজ একমাস (নফল) সিয়াম ও নামায অপেক্ষা উত্তম। মরার পরেও তার সেই আমল জারী থাকে যা সে জীবিত অবস্থায় করত। তার রুজী জারী হয় এবং (কবরের) যাবতীয় ফিতনা থেকে সে নিরাপত্তা লাভ করে।” (মুসলিম ৫০৪৭, তিরমিযী ১৬৬৫, নাসাঈ ৩১৬৮)
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একটি দিন ও রাতের প্রতিরক্ষা কাজ একমাস (নফল) সিয়াম ও নামায অপেক্ষা উত্তম। মরার পরেও তার সেই আমল জারী থাকে যা সে জীবিত অবস্থায় করত। তার রুজী জারী হয় এবং (কবরের) যাবতীয় ফিতনা থেকে সে নিরাপত্তা লাভ করে।” (মুসলিম ৫০৪৭, তিরমিযী ১৬৬৫, নাসাঈ ৩১৬৮)
عن سلمان قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول رباط يوم وليلة خير من صيام شهر وقيامه وإن مات جرى عليه عمله الذى كان يعمله وأجرى عليه رزقه وأمن الفتان
হাদিস সম্ভার ১২৪৩
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهيد فيكم قالوا يا رسول الله من قتل فى سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتى إذا لقليل قالوا فمن هم يا رسول الله قال من قتل فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى الطاعون فهو شهيد ومن مات فى البطن فهو شهيد والغريق شهيد
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কাকে কাকে তোমরা শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) নিহত হয় সেই ব্যক্তি শহীদ। তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের শহীদ-সংখ্যা নেহাতই কম।” সকলে বলল, ‘তবে তারা আর কারা, হে আল্লাহর রসূল?’ বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে (গাজী হয়ে) মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগরোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের পীড়ায় মারা যায় সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (আহমাদ ৮০৯২ প্রভৃতি, মুসলিম ৫০৫০)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কাকে কাকে তোমরা শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) নিহত হয় সেই ব্যক্তি শহীদ। তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের শহীদ-সংখ্যা নেহাতই কম।” সকলে বলল, ‘তবে তারা আর কারা, হে আল্লাহর রসূল?’ বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে (গাজী হয়ে) মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগরোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের পীড়ায় মারা যায় সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (আহমাদ ৮০৯২ প্রভৃতি, মুসলিম ৫০৫০)
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهيد فيكم قالوا يا رسول الله من قتل فى سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتى إذا لقليل قالوا فمن هم يا رسول الله قال من قتل فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى الطاعون فهو شهيد ومن مات فى البطن فهو شهيد والغريق شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪৪
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال : الشهداء خمسة المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد فى سبيل الله عز وجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদ হল পাঁচ ব্যক্তি; প্লেগরোগে মৃত, পেটের রোগে মৃত, পানিতে ডুবে মৃত শহীদ, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শহীদ এবং আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত ব্যক্তি শহীদ।” (বুখারী ৬১৫, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদ হল পাঁচ ব্যক্তি; প্লেগরোগে মৃত, পেটের রোগে মৃত, পানিতে ডুবে মৃত শহীদ, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শহীদ এবং আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত ব্যক্তি শহীদ।” (বুখারী ৬১৫, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯)
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال : الشهداء خمسة المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد فى سبيل الله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১২৪৬
عن سعيد بن زيد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال : من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে নিজের পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে তার নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সেও শহীদ এবং যে নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” (আবু দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১, নাসাঈ ৪০৯৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে নিজের পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে তার নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সেও শহীদ এবং যে নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” (আবু দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১, নাসাঈ ৪০৯৫)
عن سعيد بن زيد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال : من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪৫
عن جابر بن عتيك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهادة سبع سوى القتل فى سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد وصاحب الحريق شهيد والذى يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে ব্যক্তি মৃত শহীদ, প্লুরিসি রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পুড়ে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ এবং সে মহিলাও শহীদ যে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়।” (আহমাদ ২৩৭৫৩, আবু দাউদ ৩১১৩, নাসাঈ ১৮৪৬, হাকেম ১৩০০, ত্বাবারানী ১৭৫৫, সহীহ আবু দাউদ ২৬৬৮) “-----ক্ষয় রোগের ফলে মরণ শহীদের মরণ।” (মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩১৭, ৫/ ৩০১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে ব্যক্তি মৃত শহীদ, প্লুরিসি রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পুড়ে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ এবং সে মহিলাও শহীদ যে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়।” (আহমাদ ২৩৭৫৩, আবু দাউদ ৩১১৩, নাসাঈ ১৮৪৬, হাকেম ১৩০০, ত্বাবারানী ১৭৫৫, সহীহ আবু দাউদ ২৬৬৮) “-----ক্ষয় রোগের ফলে মরণ শহীদের মরণ।” (মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩১৭, ৫/ ৩০১)
عن جابر بن عتيك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهادة سبع سوى القتل فى سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد وصاحب الحريق شهيد والذى يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪২
عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮)
عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه
হাদিস সম্ভার > মরণকে স্মরণ
হাদিস সম্ভার ১২৪৮
و عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أكثروا ذكر هاذم اللذات يعني : الموت رواه الترمذي وقال حديث حسن
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আনন্দনাশক বস্তু অর্থাৎ, মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ কর।” (তিরমিযী ২৩০৭, নাসাঈ ১৮২৪, ইবনে মাজাহ ৪২৫৮, হাকেম ৭৯০৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আনন্দনাশক বস্তু অর্থাৎ, মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ কর।” (তিরমিযী ২৩০৭, নাসাঈ ১৮২৪, ইবনে মাজাহ ৪২৫৮, হাকেম ৭৯০৯)
و عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أكثروا ذكر هاذم اللذات يعني : الموت رواه الترمذي وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১২৪৯
وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثروا ذكر هادم اللذات يعني الموت فإنه ما ذكره أحد في ضيق إلا وسعه الله ولا ذكره في سعة إلا ضيقها عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আনন্দনাশক বস্তু অর্থাৎ, মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ কর।” কারণ, যে ব্যক্তি কোন সঙ্কটে তা স্মরণ করবে, সে ব্যক্তির জন্য সে সঙ্কট সহজ হয়ে যাবে এবং যে ব্যক্তি তা কোন সুখের সময়ে স্মরণ করবে, সে ব্যক্তির জন্য সুখ তিক্ত হয়ে উঠবে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১০৫৬০, ইবনে হিব্বান ২৯৯৩, সহীহুল জামে’ ১২১০-১২১১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আনন্দনাশক বস্তু অর্থাৎ, মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ কর।” কারণ, যে ব্যক্তি কোন সঙ্কটে তা স্মরণ করবে, সে ব্যক্তির জন্য সে সঙ্কট সহজ হয়ে যাবে এবং যে ব্যক্তি তা কোন সুখের সময়ে স্মরণ করবে, সে ব্যক্তির জন্য সুখ তিক্ত হয়ে উঠবে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১০৫৬০, ইবনে হিব্বান ২৯৯৩, সহীহুল জামে’ ১২১০-১২১১)
وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثروا ذكر هادم اللذات يعني الموت فإنه ما ذكره أحد في ضيق إلا وسعه الله ولا ذكره في سعة إلا ضيقها عليه
হাদিস সম্ভার ১২৫১
عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اذكر الموت في صلاتك فإن الرجل إذا ذكر الموت في صلاته لحري أن يحسن صلاته وصل صلاة رجل لا يظن أنه يصلي صلاة غيرها وإياك وكل أمر يعتذر منه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তুমি তোমার নামাযে মরণকে স্মরণ কর। কারণ, মানুষ যখন তার নামাযে মরণকে স্মরণ করে, তখন যথার্থই সে তার নামাযকে সুন্দর করে। আর তুমি সেই ব্যক্তির মত নামায পড়, যে মনে করে না যে, এ ছাড়া সে অন্য নামায পড়তে পারবে। তুমি প্রত্যেক সেই কর্ম থেকে দূরে থাক, যা ক’রে তোমাকে (অপরের নিকটে) ক্ষমা চাইতে হয়। (মুসনাদে ফিরদাঊস, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৪২১, সহীহুল জামে’ ৮৪৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তুমি তোমার নামাযে মরণকে স্মরণ কর। কারণ, মানুষ যখন তার নামাযে মরণকে স্মরণ করে, তখন যথার্থই সে তার নামাযকে সুন্দর করে। আর তুমি সেই ব্যক্তির মত নামায পড়, যে মনে করে না যে, এ ছাড়া সে অন্য নামায পড়তে পারবে। তুমি প্রত্যেক সেই কর্ম থেকে দূরে থাক, যা ক’রে তোমাকে (অপরের নিকটে) ক্ষমা চাইতে হয়। (মুসনাদে ফিরদাঊস, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৪২১, সহীহুল জামে’ ৮৪৯)
عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اذكر الموت في صلاتك فإن الرجل إذا ذكر الموت في صلاته لحري أن يحسن صلاته وصل صلاة رجل لا يظن أنه يصلي صلاة غيرها وإياك وكل أمر يعتذر منه
হাদিস সম্ভার ১২৫২
عن أبي أيوب قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله علمني وأوجز قال إذا قمت في صلاتك فصل صلاة مودع ولا تكلم بكلام تعتذر منه وأجمع اليأس عما في أيدي الناس
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, ‘আমাকে সংক্ষেপে কিছু উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার নামাযে দাঁড়াবে তখন (মরণ পথের পথিকের বিদায় নেওয়ার সময়) শেষ নামায পড়ার মত নামায পড়। এমন কথা বলো না, যা বলে (অপরের নিকট) ক্ষমা চাইতে হয়। আর লোকেদের হাতে যা আছে তা থেকে সম্পূর্ণভাবে নিরাশ হয়ে যাও।” (বুখারী তারীখ, ইবনে মাজাহ ৪১৭১ , আহমাদ ৫/৪১২, বাইহাক্বী, সিলসিলাহ সহীহাহ ৪০১)
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, ‘আমাকে সংক্ষেপে কিছু উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার নামাযে দাঁড়াবে তখন (মরণ পথের পথিকের বিদায় নেওয়ার সময়) শেষ নামায পড়ার মত নামায পড়। এমন কথা বলো না, যা বলে (অপরের নিকট) ক্ষমা চাইতে হয়। আর লোকেদের হাতে যা আছে তা থেকে সম্পূর্ণভাবে নিরাশ হয়ে যাও।” (বুখারী তারীখ, ইবনে মাজাহ ৪১৭১ , আহমাদ ৫/৪১২, বাইহাক্বী, সিলসিলাহ সহীহাহ ৪০১)
عن أبي أيوب قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله علمني وأوجز قال إذا قمت في صلاتك فصل صلاة مودع ولا تكلم بكلام تعتذر منه وأجمع اليأس عما في أيدي الناس
হাদিস সম্ভার ১২৫৩
عن محمود بن لبيد أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اثنتان يكرههما ابن آدم الموت والموت خير للمؤمن من الفتنة ويكره قلة المال وقلة المال أقل للحساب
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দু’টি জিনিসকে আদম-সন্তান অপছন্দ করে; (তার মধ্যে প্রথম হল) মৃত্যু, অথচ মু’মিনের জন্য ফিতনা থেকে মৃত্যুই উত্তম। আর (দ্বিতীয় হল) ধন-স্বল্পতা, অথচ ধন-স্বল্পতা হিসাবের জন্য কম (প্রশ্ন হবে)। (আহমাদ ২৩৬২৫, মিশকাত ৫২৫১)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দু’টি জিনিসকে আদম-সন্তান অপছন্দ করে; (তার মধ্যে প্রথম হল) মৃত্যু, অথচ মু’মিনের জন্য ফিতনা থেকে মৃত্যুই উত্তম। আর (দ্বিতীয় হল) ধন-স্বল্পতা, অথচ ধন-স্বল্পতা হিসাবের জন্য কম (প্রশ্ন হবে)। (আহমাদ ২৩৬২৫, মিশকাত ৫২৫১)
عن محمود بن لبيد أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اثنتان يكرههما ابن آدم الموت والموت خير للمؤمن من الفتنة ويكره قلة المال وقلة المال أقل للحساب
হাদিস সম্ভার ১২৫০
عن ابن عمر أنه قال : كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءه رجل من الأنصار فسلم على النبى صلى الله عليه وسلم ثم قال : يا رسول الله أى المؤمنين أفضل؟ قال أحسنهم خلقا قال فأى المؤمنين أكيس؟ قال أكثرهم للموت ذكرا وأحسنهم لما بعده استعدادا أولئك الأكياس
একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট ছিলাম। এমন সময় এক আনসারী ব্যক্তি এসে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সালাম দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ মু’মিন সর্বশ্রেষ্ঠ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তাদের মধ্যে চরিত্রে যে সর্বশ্রেষ্ঠ।” সাহাবী বললেন, ‘কোন্ মু’মিন সবচেয়ে জ্ঞানী?’ তিনি বললেন, “তাদের মধ্যে যে বেশি মরণকে স্মরণ করে এবং মরণের পরবর্তীকালের জন্য বেশি ভাল প্রস্তুতি নেয়। তারাই হল জ্ঞানী লোক।” (ইবনে মাজাহ ৪২৫৯, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৩৮৪)
একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট ছিলাম। এমন সময় এক আনসারী ব্যক্তি এসে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সালাম দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ মু’মিন সর্বশ্রেষ্ঠ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তাদের মধ্যে চরিত্রে যে সর্বশ্রেষ্ঠ।” সাহাবী বললেন, ‘কোন্ মু’মিন সবচেয়ে জ্ঞানী?’ তিনি বললেন, “তাদের মধ্যে যে বেশি মরণকে স্মরণ করে এবং মরণের পরবর্তীকালের জন্য বেশি ভাল প্রস্তুতি নেয়। তারাই হল জ্ঞানী লোক।” (ইবনে মাজাহ ৪২৫৯, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৩৮৪)
عن ابن عمر أنه قال : كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءه رجل من الأنصار فسلم على النبى صلى الله عليه وسلم ثم قال : يا رسول الله أى المؤمنين أفضل؟ قال أحسنهم خلقا قال فأى المؤمنين أكيس؟ قال أكثرهم للموت ذكرا وأحسنهم لما بعده استعدادا أولئك الأكياس