হাদিস সম্ভার > রুগ্ন ব্যক্তির জন্য ‘আমার যন্ত্রণা হচ্ছে’ অথবা ‘আমার প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে’ কিংবা ‘আমার জ্বর হয়েছে’ কিংবা ‘হায়! আমার মাথা গেল’ ইত্যাদি বলা জায়েয; যদি তা আল্লাহর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশের জন্য না হয়
হাদিস সম্ভার ১২২৪
عن ابن مسعود قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو يوعك فمسسته فقلت : إنك لتوعك وعكا شديدا فقالأجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم متفق عليه
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম যখন তাঁর জ্বর হয়েছিল। অতঃপর আমি তাঁকে স্পর্শ ক’রে বললাম, ‘আপনার প্রচন্ড জ্বর এসেছে।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের দু’জনের সমান আমার জ্বর হয়।” (বুখারী ৫৬৪৮, ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম যখন তাঁর জ্বর হয়েছিল। অতঃপর আমি তাঁকে স্পর্শ ক’রে বললাম, ‘আপনার প্রচন্ড জ্বর এসেছে।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের দু’জনের সমান আমার জ্বর হয়।” (বুখারী ৫৬৪৮, ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)
عن ابن مسعود قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو يوعك فمسسته فقلت : إنك لتوعك وعكا شديدا فقالأجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২২৫
وعن سعد بن أبي وقاص قال : جاءني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعودني من وجع اشتد بي فقلت: بلغ بي ما ترى وأنا ذو مال ولا يرثني إلا ابنتي وذكر الحديث متفق عليه
আমার (দৈহিক) যন্ত্রণা প্রচন্ড ভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি বললাম, ‘আমার কী অবস্থা আপনি তা দেখছেন এবং আমি একজন ধনবান মানুষ। আর আমার উত্তরাধিকারী আমার একমাত্র কন্যা।---’ অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করলেন। (বুখারী ১২৯৫, ৩৯৩৬, মুসলিম ৪২৯৬)
আমার (দৈহিক) যন্ত্রণা প্রচন্ড ভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি বললাম, ‘আমার কী অবস্থা আপনি তা দেখছেন এবং আমি একজন ধনবান মানুষ। আর আমার উত্তরাধিকারী আমার একমাত্র কন্যা।---’ অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করলেন। (বুখারী ১২৯৫, ৩৯৩৬, মুসলিম ৪২৯৬)
وعن سعد بن أبي وقاص قال : جاءني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعودني من وجع اشتد بي فقلت: بلغ بي ما ترى وأنا ذو مال ولا يرثني إلا ابنتي وذكر الحديث متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২২৬
وعن القاسم بن محمد قال : قالت عائشة رضي الله عنها : وارأساه فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم بل أنا وارأساه وذكر الحديث رواه البخاري
একদা আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘হায়! আমার মাথার ব্যথা।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বরং হায়! আমার মাথার ব্যথা!” (অর্থাৎ, আমার মাথাতেও প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।) (বুখারী ৭২১৭)
একদা আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘হায়! আমার মাথার ব্যথা।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বরং হায়! আমার মাথার ব্যথা!” (অর্থাৎ, আমার মাথাতেও প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।) (বুখারী ৭২১৭)
وعن القاسم بن محمد قال : قالت عائشة رضي الله عنها : وارأساه فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم بل أنا وارأساه وذكر الحديث رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১২২৭
عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا مرض العبد أو سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বান্দা যখন অসুস্থ হয় অথবা সফরে যায়, তখন তার জন্য সেই আমলের সওয়াবই লেখা হয়, যে আমল সে স্বগৃহে অবস্থানকালে সুস্থ থাকা অবস্থায় করত।” (বুখারী ২৯৯৬)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বান্দা যখন অসুস্থ হয় অথবা সফরে যায়, তখন তার জন্য সেই আমলের সওয়াবই লেখা হয়, যে আমল সে স্বগৃহে অবস্থানকালে সুস্থ থাকা অবস্থায় করত।” (বুখারী ২৯৯৬)
عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا مرض العبد أو سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا
হাদিস সম্ভার ১২২৯
عن عبد الله بن عمرو، قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم لرجل كيف أصبحت يا فلان قال: أحمد الله إليك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا الذي أردت منك
একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ সকালে তুমি কেমন আছ হে অমুক?” লোকটি বলল, ‘আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি তোমার নিকট থেকে এটাই চেয়েছিলাম।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪৭৫, আওসাত্ব ৪৩৭৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৯৫২)
একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ সকালে তুমি কেমন আছ হে অমুক?” লোকটি বলল, ‘আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি তোমার নিকট থেকে এটাই চেয়েছিলাম।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪৭৫, আওসাত্ব ৪৩৭৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৯৫২)
عن عبد الله بن عمرو، قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم لرجل كيف أصبحت يا فلان قال: أحمد الله إليك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا الذي أردت منك
হাদিস সম্ভার ১২৩০
وعن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يصيبه أذى مرض فما سواه إلا حط الله له سيئاته كما تحط الشجرة ورقها
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন মুমিনকে যখনই কোন রোগ অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে কষ্ট পৌঁছে, তখনই আল্লাহ তার বিনিময়ে তার পাপরাশিকে ঝরিয়ে দেন; যেমন বৃক্ষ তার পত্রাবলীকে ঝরিয়ে থাকে।” (বুখারী ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন মুমিনকে যখনই কোন রোগ অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে কষ্ট পৌঁছে, তখনই আল্লাহ তার বিনিময়ে তার পাপরাশিকে ঝরিয়ে দেন; যেমন বৃক্ষ তার পত্রাবলীকে ঝরিয়ে থাকে।” (বুখারী ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)
وعن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يصيبه أذى مرض فما سواه إلا حط الله له سيئاته كما تحط الشجرة ورقها
হাদিস সম্ভার ১২৩২
عن عقبة بن عامر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تكرهوا مرضاكم على الطعام والشراب فإن الله يطعمهم ويسقيهم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদেরকে পানাহারের জন্য বাধ্য করো না। যেহেতু (তারা না খেলেও) মহান আল্লাহ তাদেরকে পানাহার করিয়ে থাকেন।” (তিরমিযী ২০৪০, ইবনে মাজাহ ৩৪৪৪, হাকেম ১২৯৬, বাইহাক্বী ২০০৬৭, সহীহুল জামে’ ৭৪৩৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদেরকে পানাহারের জন্য বাধ্য করো না। যেহেতু (তারা না খেলেও) মহান আল্লাহ তাদেরকে পানাহার করিয়ে থাকেন।” (তিরমিযী ২০৪০, ইবনে মাজাহ ৩৪৪৪, হাকেম ১২৯৬, বাইহাক্বী ২০০৬৭, সহীহুল জামে’ ৭৪৩৯)
عن عقبة بن عامر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تكرهوا مرضاكم على الطعام والشراب فإن الله يطعمهم ويسقيهم
হাদিস সম্ভার ১২২৮
كيف أصبحت قال أصبحت بنعمة فقال له شداد أبشر بكفارات السيئات وحط الخطايا فإني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الله عز وجل يقول إني إذا ابتليت عبدا من عبادي مؤمنا فحمدني على ما ابتليته فإنه يقوم من مضجعه ذلك كيوم ولدته أمه من الخطايا ويقول الرب عز وجل أنا قيدت عبدي وابتليته وأجروا له كما كنتم تجرون له وهو صحيح
একদা শাদ্দাদ বিন আউস ও সুনাবিহী এক রোগীকে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজ সকালে তুমি কেমন আছ?’ লোকটি বলল, ‘(আল্লাহর) নিয়ামতে আছি।’ শাদ্দাদ বললেন, ‘পাপসমূহ মাফ হয়ে যাওয়া এবং গোনাহসমূহ ঝরে যাওয়ার সুসংবাদ নাও। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ বলেন, “আমি যখন আমার কোন মুমিন বান্দাকে (রোগ-বালা দিয়ে) পরীক্ষা করি এবং সে ঐ রোগ-বালাতে আমার প্রশংসা করে, তখন সে তার ঐ বিছানা থেকে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ওঠে, যেদিন তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করেছিল।” রব্ব তাবারাকা অতাআলা (কিরামান কাতেবীনকে) বলেন, “আমি আমার বান্দাকে (অনেক আমল থেকে) বিরত রেখেছি এবং রোগগ্রস্ত করেছি। সুতরাং তোমরা তার জন্য সেই আমলের সওয়াব লিখতে থাক, যে আমলের সওয়াব তার সুস্থ অবস্থায় লিখতে।” (আহমাদ ১৭১১৮, সহীহ তারগীব ৩৪২৩)
একদা শাদ্দাদ বিন আউস ও সুনাবিহী এক রোগীকে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজ সকালে তুমি কেমন আছ?’ লোকটি বলল, ‘(আল্লাহর) নিয়ামতে আছি।’ শাদ্দাদ বললেন, ‘পাপসমূহ মাফ হয়ে যাওয়া এবং গোনাহসমূহ ঝরে যাওয়ার সুসংবাদ নাও। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ বলেন, “আমি যখন আমার কোন মুমিন বান্দাকে (রোগ-বালা দিয়ে) পরীক্ষা করি এবং সে ঐ রোগ-বালাতে আমার প্রশংসা করে, তখন সে তার ঐ বিছানা থেকে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ওঠে, যেদিন তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করেছিল।” রব্ব তাবারাকা অতাআলা (কিরামান কাতেবীনকে) বলেন, “আমি আমার বান্দাকে (অনেক আমল থেকে) বিরত রেখেছি এবং রোগগ্রস্ত করেছি। সুতরাং তোমরা তার জন্য সেই আমলের সওয়াব লিখতে থাক, যে আমলের সওয়াব তার সুস্থ অবস্থায় লিখতে।” (আহমাদ ১৭১১৮, সহীহ তারগীব ৩৪২৩)
كيف أصبحت قال أصبحت بنعمة فقال له شداد أبشر بكفارات السيئات وحط الخطايا فإني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الله عز وجل يقول إني إذا ابتليت عبدا من عبادي مؤمنا فحمدني على ما ابتليته فإنه يقوم من مضجعه ذلك كيوم ولدته أمه من الخطايا ويقول الرب عز وجل أنا قيدت عبدي وابتليته وأجروا له كما كنتم تجرون له وهو صحيح
হাদিস সম্ভার ১২৩১
عن جابر أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم دخل على أم السائب أو أم المسيب فقال ما لك يا أم السائب ـ أو يا أم المسيب ـ تزفزفين ؟ قالت : الحمى لا بارك الله فيها فقال لا تسبي الحمى فإنها تذهب خطايا بني آدم كما يذهب الكير خبث الحديد رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িবের নিকট প্রবেশ ক’রে বললেন,“হে উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িব! তোমার কী হয়েছে যে, থ্রথ্র করে কাঁপছ?” সে বলল, ‘জ্বর হয়েছে; আল্লাহ তাতে বরকত না দেন।’ (এ কথা শুনে) তিনি বললেন, “জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর তো আদম সন্তানের পাপ মোচন করে; যেমন হাপর (ও ভাটি) লোহার ময়লা দূর ক’রে ফেলে।” (মুসলিম ৬৭৩৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িবের নিকট প্রবেশ ক’রে বললেন,“হে উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িব! তোমার কী হয়েছে যে, থ্রথ্র করে কাঁপছ?” সে বলল, ‘জ্বর হয়েছে; আল্লাহ তাতে বরকত না দেন।’ (এ কথা শুনে) তিনি বললেন, “জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর তো আদম সন্তানের পাপ মোচন করে; যেমন হাপর (ও ভাটি) লোহার ময়লা দূর ক’রে ফেলে।” (মুসলিম ৬৭৩৫)
عن جابر أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم دخل على أم السائب أو أم المسيب فقال ما لك يا أم السائب ـ أو يا أم المسيب ـ تزفزفين ؟ قالت : الحمى لا بارك الله فيها فقال لا تسبي الحمى فإنها تذهب خطايا بني آدم كما يذهب الكير خبث الحديد رواه مسلم
হাদিস সম্ভার > রোগের চিকিৎসা
হাদিস সম্ভার ১২৩৩
عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)
عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১২৩৬
عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
হাদিস সম্ভার ১২৩৪
عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)
عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء
হাদিস সম্ভার ১২৩৭
وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه
তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)
তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)
وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১২৩৮
وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)
وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين
হাদিস সম্ভার ১২৩৯
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.
হাদিস সম্ভার ১২৩৫
عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)
عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام
হাদিস সম্ভার > এ উম্মতের গড় আয়ু
হাদিস সম্ভার ১২৪০
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছরের মধ্যে, কম লোকই এ বয়স অতিক্রম করে।” (তিরমিযী ২৩৩১, ৩৫৫০, ইবনে মাজাহ ৪২৩৬, হাকেম ৩৫৯৮, বাইহাক্বী ৬৭৫৯, সহীহুল জামে’ ১০৭৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছরের মধ্যে, কম লোকই এ বয়স অতিক্রম করে।” (তিরমিযী ২৩৩১, ৩৫৫০, ইবনে মাজাহ ৪২৩৬, হাকেম ৩৫৯৮, বাইহাক্বী ৬৭৫৯, সহীহুল জামে’ ১০৭৩)
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أعمار أمتي ما بين الستين إلى السبعين وأقلهم من يجوز ذلك
হাদিস সম্ভার > বিশেষ মরণের বিশেষ মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১২৪১
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من مات يوم الجمعة أو ليلة الجمعة وقي فتنة القبر
রাসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমআর দিন মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাঁচান।” (আহমাদ ৬৬৪৬, ৭০৫০, তিরমিযী ১০৭৪)
রাসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমআর দিন মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাঁচান।” (আহমাদ ৬৬৪৬, ৭০৫০, তিরমিযী ১০৭৪)
عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من مات يوم الجمعة أو ليلة الجمعة وقي فتنة القبر
হাদিস সম্ভার ১২৪৭
عن سلمان قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول رباط يوم وليلة خير من صيام شهر وقيامه وإن مات جرى عليه عمله الذى كان يعمله وأجرى عليه رزقه وأمن الفتان
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একটি দিন ও রাতের প্রতিরক্ষা কাজ একমাস (নফল) সিয়াম ও নামায অপেক্ষা উত্তম। মরার পরেও তার সেই আমল জারী থাকে যা সে জীবিত অবস্থায় করত। তার রুজী জারী হয় এবং (কবরের) যাবতীয় ফিতনা থেকে সে নিরাপত্তা লাভ করে।” (মুসলিম ৫০৪৭, তিরমিযী ১৬৬৫, নাসাঈ ৩১৬৮)
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একটি দিন ও রাতের প্রতিরক্ষা কাজ একমাস (নফল) সিয়াম ও নামায অপেক্ষা উত্তম। মরার পরেও তার সেই আমল জারী থাকে যা সে জীবিত অবস্থায় করত। তার রুজী জারী হয় এবং (কবরের) যাবতীয় ফিতনা থেকে সে নিরাপত্তা লাভ করে।” (মুসলিম ৫০৪৭, তিরমিযী ১৬৬৫, নাসাঈ ৩১৬৮)
عن سلمان قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول رباط يوم وليلة خير من صيام شهر وقيامه وإن مات جرى عليه عمله الذى كان يعمله وأجرى عليه رزقه وأمن الفتان
হাদিস সম্ভার ১২৪৩
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهيد فيكم قالوا يا رسول الله من قتل فى سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتى إذا لقليل قالوا فمن هم يا رسول الله قال من قتل فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى الطاعون فهو شهيد ومن مات فى البطن فهو شهيد والغريق شهيد
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কাকে কাকে তোমরা শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) নিহত হয় সেই ব্যক্তি শহীদ। তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের শহীদ-সংখ্যা নেহাতই কম।” সকলে বলল, ‘তবে তারা আর কারা, হে আল্লাহর রসূল?’ বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে (গাজী হয়ে) মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগরোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের পীড়ায় মারা যায় সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (আহমাদ ৮০৯২ প্রভৃতি, মুসলিম ৫০৫০)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কাকে কাকে তোমরা শহীদ বলে গণ্য কর?” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) নিহত হয় সেই ব্যক্তি শহীদ। তিনি বললেন, “তাহলে তো আমার উম্মতের শহীদ-সংখ্যা নেহাতই কম।” সকলে বলল, ‘তবে তারা আর কারা, হে আল্লাহর রসূল?’ বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হয় সে শহীদ, যে আল্লাহর পথে (গাজী হয়ে) মারা যায় সে শহীদ, যে প্লেগরোগে মারা যায় সে শহীদ, যে পেটের পীড়ায় মারা যায় সে শহীদ এবং যে পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ।” (আহমাদ ৮০৯২ প্রভৃতি, মুসলিম ৫০৫০)
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما تعدون الشهيد فيكم قالوا يا رسول الله من قتل فى سبيل الله فهو شهيد قال إن شهداء أمتى إذا لقليل قالوا فمن هم يا رسول الله قال من قتل فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى سبيل الله فهو شهيد ومن مات فى الطاعون فهو شهيد ومن مات فى البطن فهو شهيد والغريق شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪৪
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال : الشهداء خمسة المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد فى سبيل الله عز وجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদ হল পাঁচ ব্যক্তি; প্লেগরোগে মৃত, পেটের রোগে মৃত, পানিতে ডুবে মৃত শহীদ, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শহীদ এবং আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত ব্যক্তি শহীদ।” (বুখারী ৬১৫, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “শহীদ হল পাঁচ ব্যক্তি; প্লেগরোগে মৃত, পেটের রোগে মৃত, পানিতে ডুবে মৃত শহীদ, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শহীদ এবং আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত ব্যক্তি শহীদ।” (বুখারী ৬১৫, ২৮২৯, মুসলিম ৫০৪৯)
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال : الشهداء خمسة المطعون والمبطون والغرق وصاحب الهدم والشهيد فى سبيل الله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১২৪৬
عن سعيد بن زيد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال : من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে নিজের পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে তার নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সেও শহীদ এবং যে নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” (আবু দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১, নাসাঈ ৪০৯৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে নিজের পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ, যে তার নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সেও শহীদ এবং যে নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” (আবু দাঊদ ৪৭৭৪, তিরমিযী ১৪২১, নাসাঈ ৪০৯৫)
عن سعيد بن زيد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال : من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪৫
عن جابر بن عتيك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهادة سبع سوى القتل فى سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد وصاحب الحريق شهيد والذى يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে ব্যক্তি মৃত শহীদ, প্লুরিসি রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পুড়ে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ এবং সে মহিলাও শহীদ যে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়।” (আহমাদ ২৩৭৫৩, আবু দাউদ ৩১১৩, নাসাঈ ১৮৪৬, হাকেম ১৩০০, ত্বাবারানী ১৭৫৫, সহীহ আবু দাউদ ২৬৬৮) “-----ক্ষয় রোগের ফলে মরণ শহীদের মরণ।” (মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩১৭, ৫/ ৩০১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে ব্যক্তি মৃত শহীদ, প্লুরিসি রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পুড়ে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ এবং সে মহিলাও শহীদ যে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যায়।” (আহমাদ ২৩৭৫৩, আবু দাউদ ৩১১৩, নাসাঈ ১৮৪৬, হাকেম ১৩০০, ত্বাবারানী ১৭৫৫, সহীহ আবু দাউদ ২৬৬৮) “-----ক্ষয় রোগের ফলে মরণ শহীদের মরণ।” (মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৩১৭, ৫/ ৩০১)
عن جابر بن عتيك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الشهادة سبع سوى القتل فى سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد وصاحب الحريق شهيد والذى يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد
হাদিস সম্ভার ১২৪২
عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।” (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮)
عن المقدام بن معدي كرب الكندي قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن للشهيد عند الله عز وجل ست خصال أن يغفر له في أول دفعة من دمه ويرى قال الحكم ويرى مقعده من الجنة ويحلى حلة الإيمان ويزوج من الحور العين ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر قال الحكم يوم الفزع الأكبر ويوضع على رأسه تاج الوقار الياقوتة منه خير من الدنيا وما فيها ويزوج اثنتين وسبعين زوجة من الحور العين ويشفع في سبعين إنسانا من أقاربه