হাদিস সম্ভার > রোগীর বাড়ির লোককে রোগীর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা উত্তম

হাদিস সম্ভার ১২২২

عن ابن عباس رضي الله عنهما : أن علي بن أبي طالب خرج من عند رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في وجعه الذي توفي فيه فقال الناس : يا أبا الحسن كيف أصبح رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ؟ قال : أصبح بحمد الله بارئا

আলী ইবনে আবী ত্বালেব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট হতে তাঁর সেই অসুস্থ অবস্থায় বের হলেন, যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। অতঃপর লোকেরা বলল, ‘হে হাসানের পিতা! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী অবস্থায় সকাল করলেন?’ তিনি বললেন, ‘আলহামদু লিল্লাহ, তিনি ভাল অবস্থায় সকাল করলেন।’ (বুখারী ৪৪৪৭, ৬২৬৬)

আলী ইবনে আবী ত্বালেব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট হতে তাঁর সেই অসুস্থ অবস্থায় বের হলেন, যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। অতঃপর লোকেরা বলল, ‘হে হাসানের পিতা! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী অবস্থায় সকাল করলেন?’ তিনি বললেন, ‘আলহামদু লিল্লাহ, তিনি ভাল অবস্থায় সকাল করলেন।’ (বুখারী ৪৪৪৭, ৬২৬৬)

عن ابن عباس رضي الله عنهما : أن علي بن أبي طالب خرج من عند رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في وجعه الذي توفي فيه فقال الناس : يا أبا الحسن كيف أصبح رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ؟ قال : أصبح بحمد الله بارئا


হাদিস সম্ভার > পীড়িতের পরিবার এবং তার সেবাকারীদেরকে পীড়িতের সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং সে ক্ষেত্রে কষ্ট বরণ করা ও তার পক্ষ থেকে উদ্ভূত বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করার জন্য উপদেশ প্রদান। অনুরূপভাবে কোন ইসলামী দন্ডবিধি প্রয়োগজনিত কারণে যার মৃত্যু আসন্ন, তার সাথেও সদ্ব্যবহার করার উপর তাকীদ

হাদিস সম্ভার ১২২৩

عن عمران بن الحصين رضي الله عنهما : أن امرأة من جهينة أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهي حبلى من الزنا فقالت : يا رسول الله أصبت حدا فأقمه علي فدعا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وليها فقال أحسن إليها فإذا وضعت فأتني بها ففعل فأمر بها النبي صلى اللٰه عليه وسلم فشدت عليها ثيابها ثم أمر بها فرجمت ثم صلى عليها رواه مسلم

জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা ব্যভিচার করে গর্ভবতী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি শাস্তি পাওয়ার যোগ্যা, সুতরাং আপনি আমাকে শাস্তি দিন।’ অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর অভিভাবককে ডেকে বললেন, “এর সাথে সদ্ব্যবহার কর। অতঃপর সে যখন সন্তান ভূমিষ্ট করবে তখন একে আমার নিকট নিয়ে এসো।” সে তাই করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার উপর তার কাপড়খানি মযবুত করে বাঁধার আদেশ করলেন। অতঃপর তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর আদেশক্রমে পাথর মারা হল। অতঃপর তিনি তার জানাযার নামায পড়লেন। (মুসলিম ৪৫২৯, আবূ দাঊদ ৪৪৪২, তিরমিযী ১৪৩৫)

জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা ব্যভিচার করে গর্ভবতী হয়েছিল। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি শাস্তি পাওয়ার যোগ্যা, সুতরাং আপনি আমাকে শাস্তি দিন।’ অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর অভিভাবককে ডেকে বললেন, “এর সাথে সদ্ব্যবহার কর। অতঃপর সে যখন সন্তান ভূমিষ্ট করবে তখন একে আমার নিকট নিয়ে এসো।” সে তাই করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার উপর তার কাপড়খানি মযবুত করে বাঁধার আদেশ করলেন। অতঃপর তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর আদেশক্রমে পাথর মারা হল। অতঃপর তিনি তার জানাযার নামায পড়লেন। (মুসলিম ৪৫২৯, আবূ দাঊদ ৪৪৪২, তিরমিযী ১৪৩৫)

عن عمران بن الحصين رضي الله عنهما : أن امرأة من جهينة أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهي حبلى من الزنا فقالت : يا رسول الله أصبت حدا فأقمه علي فدعا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وليها فقال أحسن إليها فإذا وضعت فأتني بها ففعل فأمر بها النبي صلى اللٰه عليه وسلم فشدت عليها ثيابها ثم أمر بها فرجمت ثم صلى عليها رواه مسلم


হাদিস সম্ভার > রুগ্ন ব্যক্তির জন্য ‘আমার যন্ত্রণা হচ্ছে’ অথবা ‘আমার প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে’ কিংবা ‘আমার জ্বর হয়েছে’ কিংবা ‘হায়! আমার মাথা গেল’ ইত্যাদি বলা জায়েয; যদি তা আল্লাহর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশের জন্য না হয়

হাদিস সম্ভার ১২২৪

عن ابن مسعود قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو يوعك فمسسته فقلت : إنك لتوعك وعكا شديدا فقالأجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم متفق عليه

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম যখন তাঁর জ্বর হয়েছিল। অতঃপর আমি তাঁকে স্পর্শ ক’রে বললাম, ‘আপনার প্রচন্ড জ্বর এসেছে।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের দু’জনের সমান আমার জ্বর হয়।” (বুখারী ৫৬৪৮, ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গেলাম যখন তাঁর জ্বর হয়েছিল। অতঃপর আমি তাঁকে স্পর্শ ক’রে বললাম, ‘আপনার প্রচন্ড জ্বর এসেছে।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের দু’জনের সমান আমার জ্বর হয়।” (বুখারী ৫৬৪৮, ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)

عن ابن مسعود قال : دخلت على النبي صلى اللٰه عليه وسلم وهو يوعك فمسسته فقلت : إنك لتوعك وعكا شديدا فقالأجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১২২৫

وعن سعد بن أبي وقاص قال : جاءني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعودني من وجع اشتد بي فقلت: بلغ بي ما ترى وأنا ذو مال ولا يرثني إلا ابنتي وذكر الحديث متفق عليه

আমার (দৈহিক) যন্ত্রণা প্রচন্ড ভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি বললাম, ‘আমার কী অবস্থা আপনি তা দেখছেন এবং আমি একজন ধনবান মানুষ। আর আমার উত্তরাধিকারী আমার একমাত্র কন্যা।---’ অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করলেন। (বুখারী ১২৯৫, ৩৯৩৬, মুসলিম ৪২৯৬)

আমার (দৈহিক) যন্ত্রণা প্রচন্ড ভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি বললাম, ‘আমার কী অবস্থা আপনি তা দেখছেন এবং আমি একজন ধনবান মানুষ। আর আমার উত্তরাধিকারী আমার একমাত্র কন্যা।---’ অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করলেন। (বুখারী ১২৯৫, ৩৯৩৬, মুসলিম ৪২৯৬)

وعن سعد بن أبي وقاص قال : جاءني رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعودني من وجع اشتد بي فقلت: بلغ بي ما ترى وأنا ذو مال ولا يرثني إلا ابنتي وذكر الحديث متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১২২৬

وعن القاسم بن محمد قال : قالت عائشة رضي الله عنها : وارأساه فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم بل أنا وارأساه وذكر الحديث رواه البخاري

একদা আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘হায়! আমার মাথার ব্যথা।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বরং হায়! আমার মাথার ব্যথা!” (অর্থাৎ, আমার মাথাতেও প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।) (বুখারী ৭২১৭)

একদা আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘হায়! আমার মাথার ব্যথা।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বরং হায়! আমার মাথার ব্যথা!” (অর্থাৎ, আমার মাথাতেও প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।) (বুখারী ৭২১৭)

وعن القاسم بن محمد قال : قالت عائشة رضي الله عنها : وارأساه فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم بل أنا وارأساه وذكر الحديث رواه البخاري


হাদিস সম্ভার ১২২৭

عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا مرض العبد أو سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বান্দা যখন অসুস্থ হয় অথবা সফরে যায়, তখন তার জন্য সেই আমলের সওয়াবই লেখা হয়, যে আমল সে স্বগৃহে অবস্থানকালে সুস্থ থাকা অবস্থায় করত।” (বুখারী ২৯৯৬)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বান্দা যখন অসুস্থ হয় অথবা সফরে যায়, তখন তার জন্য সেই আমলের সওয়াবই লেখা হয়, যে আমল সে স্বগৃহে অবস্থানকালে সুস্থ থাকা অবস্থায় করত।” (বুখারী ২৯৯৬)

عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا مرض العبد أو سافر كتب له مثل ما كان يعمل مقيما صحيحا


হাদিস সম্ভার ১২২৯

عن عبد الله بن عمرو، قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم لرجل كيف أصبحت يا فلان قال: أحمد الله إليك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا الذي أردت منك

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ সকালে তুমি কেমন আছ হে অমুক?” লোকটি বলল, ‘আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি তোমার নিকট থেকে এটাই চেয়েছিলাম।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪৭৫, আওসাত্ব ৪৩৭৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৯৫২)

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ সকালে তুমি কেমন আছ হে অমুক?” লোকটি বলল, ‘আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি হে আল্লাহর রসূল!’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি তোমার নিকট থেকে এটাই চেয়েছিলাম।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪৭৫, আওসাত্ব ৪৩৭৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৯৫২)

عن عبد الله بن عمرو، قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم لرجل كيف أصبحت يا فلان قال: أحمد الله إليك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا الذي أردت منك


হাদিস সম্ভার ১২৩০

وعن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يصيبه أذى مرض فما سواه إلا حط الله له سيئاته كما تحط الشجرة ورقها

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন মুমিনকে যখনই কোন রোগ অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে কষ্ট পৌঁছে, তখনই আল্লাহ তার বিনিময়ে তার পাপরাশিকে ঝরিয়ে দেন; যেমন বৃক্ষ তার পত্রাবলীকে ঝরিয়ে থাকে।” (বুখারী ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন মুমিনকে যখনই কোন রোগ অথবা অন্য কিছুর মাধ্যমে কষ্ট পৌঁছে, তখনই আল্লাহ তার বিনিময়ে তার পাপরাশিকে ঝরিয়ে দেন; যেমন বৃক্ষ তার পত্রাবলীকে ঝরিয়ে থাকে।” (বুখারী ৫৬৬০, ৫৬৬৭, মুসলিম ৬৭২৪)

وعن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يصيبه أذى مرض فما سواه إلا حط الله له سيئاته كما تحط الشجرة ورقها


হাদিস সম্ভার ১২৩২

عن عقبة بن عامر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تكرهوا مرضاكم على الطعام والشراب فإن الله يطعمهم ويسقيهم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদেরকে পানাহারের জন্য বাধ্য করো না। যেহেতু (তারা না খেলেও) মহান আল্লাহ তাদেরকে পানাহার করিয়ে থাকেন।” (তিরমিযী ২০৪০, ইবনে মাজাহ ৩৪৪৪, হাকেম ১২৯৬, বাইহাক্বী ২০০৬৭, সহীহুল জামে’ ৭৪৩৯)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদেরকে পানাহারের জন্য বাধ্য করো না। যেহেতু (তারা না খেলেও) মহান আল্লাহ তাদেরকে পানাহার করিয়ে থাকেন।” (তিরমিযী ২০৪০, ইবনে মাজাহ ৩৪৪৪, হাকেম ১২৯৬, বাইহাক্বী ২০০৬৭, সহীহুল জামে’ ৭৪৩৯)

عن عقبة بن عامر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تكرهوا مرضاكم على الطعام والشراب فإن الله يطعمهم ويسقيهم


হাদিস সম্ভার ১২২৮

كيف أصبحت قال أصبحت بنعمة فقال له شداد أبشر بكفارات السيئات وحط الخطايا فإني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الله عز وجل يقول إني إذا ابتليت عبدا من عبادي مؤمنا فحمدني على ما ابتليته فإنه يقوم من مضجعه ذلك كيوم ولدته أمه من الخطايا ويقول الرب عز وجل أنا قيدت عبدي وابتليته وأجروا له كما كنتم تجرون له وهو صحيح

একদা শাদ্দাদ বিন আউস ও সুনাবিহী এক রোগীকে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজ সকালে তুমি কেমন আছ?’ লোকটি বলল, ‘(আল্লাহর) নিয়ামতে আছি।’ শাদ্দাদ বললেন, ‘পাপসমূহ মাফ হয়ে যাওয়া এবং গোনাহসমূহ ঝরে যাওয়ার সুসংবাদ নাও। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ বলেন, “আমি যখন আমার কোন মুমিন বান্দাকে (রোগ-বালা দিয়ে) পরীক্ষা করি এবং সে ঐ রোগ-বালাতে আমার প্রশংসা করে, তখন সে তার ঐ বিছানা থেকে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ওঠে, যেদিন তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করেছিল।” রব্ব তাবারাকা অতাআলা (কিরামান কাতেবীনকে) বলেন, “আমি আমার বান্দাকে (অনেক আমল থেকে) বিরত রেখেছি এবং রোগগ্রস্ত করেছি। সুতরাং তোমরা তার জন্য সেই আমলের সওয়াব লিখতে থাক, যে আমলের সওয়াব তার সুস্থ অবস্থায় লিখতে।” (আহমাদ ১৭১১৮, সহীহ তারগীব ৩৪২৩)

একদা শাদ্দাদ বিন আউস ও সুনাবিহী এক রোগীকে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজ সকালে তুমি কেমন আছ?’ লোকটি বলল, ‘(আল্লাহর) নিয়ামতে আছি।’ শাদ্দাদ বললেন, ‘পাপসমূহ মাফ হয়ে যাওয়া এবং গোনাহসমূহ ঝরে যাওয়ার সুসংবাদ নাও। আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ বলেন, “আমি যখন আমার কোন মুমিন বান্দাকে (রোগ-বালা দিয়ে) পরীক্ষা করি এবং সে ঐ রোগ-বালাতে আমার প্রশংসা করে, তখন সে তার ঐ বিছানা থেকে সেই দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ওঠে, যেদিন তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করেছিল।” রব্ব তাবারাকা অতাআলা (কিরামান কাতেবীনকে) বলেন, “আমি আমার বান্দাকে (অনেক আমল থেকে) বিরত রেখেছি এবং রোগগ্রস্ত করেছি। সুতরাং তোমরা তার জন্য সেই আমলের সওয়াব লিখতে থাক, যে আমলের সওয়াব তার সুস্থ অবস্থায় লিখতে।” (আহমাদ ১৭১১৮, সহীহ তারগীব ৩৪২৩)

كيف أصبحت قال أصبحت بنعمة فقال له شداد أبشر بكفارات السيئات وحط الخطايا فإني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الله عز وجل يقول إني إذا ابتليت عبدا من عبادي مؤمنا فحمدني على ما ابتليته فإنه يقوم من مضجعه ذلك كيوم ولدته أمه من الخطايا ويقول الرب عز وجل أنا قيدت عبدي وابتليته وأجروا له كما كنتم تجرون له وهو صحيح


হাদিস সম্ভার ১২৩১

عن جابر أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم دخل على أم السائب أو أم المسيب فقال ما لك يا أم السائب ـ أو يا أم المسيب ـ تزفزفين ؟ قالت : الحمى لا بارك الله فيها فقال لا تسبي الحمى فإنها تذهب خطايا بني آدم كما يذهب الكير خبث الحديد رواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িবের নিকট প্রবেশ ক’রে বললেন,“হে উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িব! তোমার কী হয়েছে যে, থ্‌রথ্‌র করে কাঁপছ?” সে বলল, ‘জ্বর হয়েছে; আল্লাহ তাতে বরকত না দেন।’ (এ কথা শুনে) তিনি বললেন, “জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর তো আদম সন্তানের পাপ মোচন করে; যেমন হাপর (ও ভাটি) লোহার ময়লা দূর ক’রে ফেলে।” (মুসলিম ৬৭৩৫)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িবের নিকট প্রবেশ ক’রে বললেন,“হে উম্মে সায়েব কিংবা উম্মে মুসাইয়িব! তোমার কী হয়েছে যে, থ্‌রথ্‌র করে কাঁপছ?” সে বলল, ‘জ্বর হয়েছে; আল্লাহ তাতে বরকত না দেন।’ (এ কথা শুনে) তিনি বললেন, “জ্বরকে গালি দিয়ো না। জ্বর তো আদম সন্তানের পাপ মোচন করে; যেমন হাপর (ও ভাটি) লোহার ময়লা দূর ক’রে ফেলে।” (মুসলিম ৬৭৩৫)

عن جابر أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم دخل على أم السائب أو أم المسيب فقال ما لك يا أم السائب ـ أو يا أم المسيب ـ تزفزفين ؟ قالت : الحمى لا بارك الله فيها فقال لا تسبي الحمى فإنها تذهب خطايا بني آدم كما يذهب الكير خبث الحديد رواه مسلم


হাদিস সম্ভার > রোগের চিকিৎসা

হাদিস সম্ভার ১২৩৩

عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ আছে। যখন রোগের সঠিক ওষুধ নিরূপিত হয়, তখন মহান আল্লাহর হুকুমে সে রোগটি সেরে ওঠে।” (মুসলিম ৫৮৭১)

عن جابر عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال: لكل داء دواء فإذا أصيب دواء الداء برأ بإذن الله عز وجل


হাদিস সম্ভার ১২৩৬

عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)

عن أبي أمامة فال فال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة


হাদিস সম্ভার ১২৩৪

عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এমন কোন রোগ নেই, আল্লাহ যার ওষুধ অবতীর্ণ করেন নি। (ইবনে মাজাহ ৩৪৩৮, সহীহুল জামে ৫৫৫৮)

عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ما أنزل الله داء إلا أنزل له دواء


হাদিস সম্ভার ১২৩৭

وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه

তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)

তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একটি জান্নাতী মহিলা দেখাব না!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তিনি বললেন, ‘এই কৃষ্ণকায় মহিলাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এসে বলল যে, আমার মৃগী রোগ আছে, আর সে কারণে আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি চাও তাহলে সবর কর; এর বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর যদি চাও তাহলে আমি তোমার রোগ নিরাময়ের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকটে দু‘আ করব।” স্ত্রীলোকটি বলল, ‘আমি সবর করব।’ অতঃপর সে বলল, ‘(রোগ উঠার সময়) আমার দেহ থেকে কাপড় সরে যায়, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন, যেন আমার দেহ থেকে কাপড় সরে না যায়।’ ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জন্য দু‘আ করলেন। (বুখারী ৫৬৫২, মুসলিম ৬৭৩৬)

وعن عطاء بن أبي رباح قال : قال لي ابن عباس رضي الله عنهما : ألا أريك امرأة من أهل الجنة؟ فقلت: بلى قال: هذه المرأة السوداء أتت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقالت : إني أصرع، وإني أتكشف فادع الله تعالى لي قال إن شئت صبرت ولك الجنة وإن شئت دعوت الله تعالى أن يعافيك فقالت : أصبر فقالت: إني أتكشف فادع الله أن لا أتكشف فدعا لها متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১২৩৮

وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “ছত্রাক ‘মান্না’ -এর অন্তর্ভুক্ত আর এর রস চক্ষুরোগ নিরাময়কারী।” (বুখারী-মুসলিম)

وعن سعيد بن زيد قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول الكمأة من المن وماؤها شفاء للعين


হাদিস সম্ভার ১২৩৯

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্‌গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুর্মা হল ইষমিদ। তা চোখের পাতায় লোম উদ্‌গত করে এবং দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে।” (বায্যার ৮৮১১, সঃ তারগীব ২১০৫)

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير أكحالكم الإثمد وينبت الشعرو يجلو البصر.


হাদিস সম্ভার ১২৩৫

عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ রোগ ও ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তোমরা চিকিৎসা কর। তবে হারাম কিছু দিয়ে চিকিৎসা করো না। (আল্লাহ হারামকৃত বস্তুর ভিতরে আরোগ্য রাখেন নি।)” (ত্বাবারানী ২০১১৬, সিঃ সহীহাহ ১৬৩৩)

عن أم الدرداء عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن الله خلق الداء والدواء فتداووا، ولا تتداووا بحرام


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00