হাদিস সম্ভার > কুরবানী যবেহ

হাদিস সম্ভার ১১৮৫

عن رافع بن خديج قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أعجل أو أرنى ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যা খুন বহায়, যাতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তা ভক্ষণ কর। তবে যেন (যবেহ করার অস্ত্র) দাঁত বা নখ না হয়। আমি তোমাকে তার কারণ বলছি, দাঁত হল হাড়। আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।” (আহমাদ, বুখারী ২৪৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৫২০৪ প্রমুখ, সহীহুল জামে’ ৫৫৬৫)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যা খুন বহায়, যাতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তা ভক্ষণ কর। তবে যেন (যবেহ করার অস্ত্র) দাঁত বা নখ না হয়। আমি তোমাকে তার কারণ বলছি, দাঁত হল হাড়। আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।” (আহমাদ, বুখারী ২৪৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৫২০৪ প্রমুখ, সহীহুল জামে’ ৫৫৬৫)

عن رافع بن خديج قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أعجل أو أرنى ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة


হাদিস সম্ভার ১১৮৭

عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال : أمر رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بحد الشفار وأن توارى عن البهائم وقال إذا ذبح أحدكم فليجهز

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরি শানিয়ে নিতে, তা পশুর চোখ থেকে আড়াল করতে আদেশ করেছেন এবং বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ যবেহ করবে, তখন সে যেন তাড়াতাড়ি করে।” (মুসনাদ আহমাদ ৫৮৬৪, ইবনে মাজাহ ৩১৭২, বাইহাক্বী ১৯৬১৪, সহীহ তারগীব ১০৯১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরি শানিয়ে নিতে, তা পশুর চোখ থেকে আড়াল করতে আদেশ করেছেন এবং বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ যবেহ করবে, তখন সে যেন তাড়াতাড়ি করে।” (মুসনাদ আহমাদ ৫৮৬৪, ইবনে মাজাহ ৩১৭২, বাইহাক্বী ১৯৬১৪, সহীহ তারগীব ১০৯১)

عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال : أمر رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بحد الشفار وأن توارى عن البهائم وقال إذا ذبح أحدكم فليجهز


হাদিস সম্ভার ১১৮৮

عن عائشة قالت: قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا ؟ قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا

একদা একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘এক নও-মুসলিম সম্প্রদায় আমাদের নিকট গোশ্ত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, তার যবেহকালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কি না। তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা ভক্ষণ করো।” (বুখারী ২০৫৭, ৫৫০৭, ৭৩৯৮)

একদা একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘এক নও-মুসলিম সম্প্রদায় আমাদের নিকট গোশ্ত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, তার যবেহকালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কি না। তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা ভক্ষণ করো।” (বুখারী ২০৫৭, ৫৫০৭, ৭৩৯৮)

عن عائشة قالت: قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا ؟ قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا


হাদিস সম্ভার ১১৮৬

وعن أبي يعلى شداد بن أوس  عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالإن الله كتب الإحسان على كل شيء فإذا قتلتم فأحسنوا القتلة وإذا ذبحتم فأحسنوا الذبحة وليحد أحدكم شفرته وليرح ذبيحتهرواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ প্রতিটি কাজকে উত্তমরূপে (অথবা অনুগ্রহের সাথে) সম্পাদন করাটাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন (কাউকে) হত্যা করবে, তখন ভালভাবে হত্যা করো এবং যখন (পশু) জবাই করবে, তখন ভালভালে জবাই করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, সে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহযোগ্য পশুকে আরাম দেয়।” (অর্থাৎ জবাই-এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে।) (মুসলিম ৫১৬৭)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ প্রতিটি কাজকে উত্তমরূপে (অথবা অনুগ্রহের সাথে) সম্পাদন করাটাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন (কাউকে) হত্যা করবে, তখন ভালভাবে হত্যা করো এবং যখন (পশু) জবাই করবে, তখন ভালভালে জবাই করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, সে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহযোগ্য পশুকে আরাম দেয়।” (অর্থাৎ জবাই-এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে।) (মুসলিম ৫১৬৭)

وعن أبي يعلى شداد بن أوس  عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالإن الله كتب الإحسان على كل شيء فإذا قتلتم فأحسنوا القتلة وإذا ذبحتم فأحسنوا الذبحة وليحد أحدكم شفرته وليرح ذبيحتهرواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১১৮৯

عن أبى واقد قال قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم ما قطع من البهيمة وهى حية فهى ميتة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “পশু জীবিত থাকতে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, তা মৃত (পশুর মাংসের) সমান।” (আহমাদ ২১৯০৩-২১৯০৪, আবূ দাঊদ ২৮৬০, তিরমিযী ১৪৮০, হাকেম ৭১৫০, সহীহুল জামে’ ৫৬৫২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “পশু জীবিত থাকতে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, তা মৃত (পশুর মাংসের) সমান।” (আহমাদ ২১৯০৩-২১৯০৪, আবূ দাঊদ ২৮৬০, তিরমিযী ১৪৮০, হাকেম ৭১৫০, সহীহুল জামে’ ৫৬৫২)

عن أبى واقد قال قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم ما قطع من البهيمة وهى حية فهى ميتة


হাদিস সম্ভার ১১৯০

عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال إذا أرسلت كلبك المعلم (وسميت) فقتل فكل وإذا أكل فلا تأكل فإنما أمسكه على نفسه

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (শিকার প্রসঙ্গে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার শিক্ষাপ্রাপ্ত কুকুর (শিকার করার জন্য) ‘বিসমিল্লাহ’বলে প্রেরণ করবে (অতঃপর সে তোমার জন্য যে শিকার) হত্যা করবে তা খাও। আর যদি সে (তার কিছু অংশ) খায়, তাহলে খেয়ো না। কারণ সে তা নিজের জন্য ধরেছে।” (বুখারী ১৭৫, মুসলিম ৫০৮২-৫০৮৩)

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (শিকার প্রসঙ্গে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার শিক্ষাপ্রাপ্ত কুকুর (শিকার করার জন্য) ‘বিসমিল্লাহ’বলে প্রেরণ করবে (অতঃপর সে তোমার জন্য যে শিকার) হত্যা করবে তা খাও। আর যদি সে (তার কিছু অংশ) খায়, তাহলে খেয়ো না। কারণ সে তা নিজের জন্য ধরেছে।” (বুখারী ১৭৫, মুসলিম ৫০৮২-৫০৮৩)

عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال إذا أرسلت كلبك المعلم (وسميت) فقتل فكل وإذا أكل فلا تأكل فإنما أمسكه على نفسه


হাদিস সম্ভার > কেশমুণ্ডন

হাদিস সম্ভার ১১৯১

عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال وللمقصرين

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (হজ্জের সময় দুআ করে) বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসুল! আর কেশ কর্তনকারীদেরকে?’ তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আর কেশ কর্তনকারী-দেরকে?’ তিনি পনুরায় বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আর কেশ কর্তন-কারীদেরকে?’ এবারে তিনি বললেন, “আর কেশ কর্তনকারীদেরকেও (ক্ষমা কর।)” (বুখারী ১৭২৮ , মুসলিম ৩২০৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (হজ্জের সময় দুআ করে) বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” সকলে বলল, ‘হে আল্লাহর রসুল! আর কেশ কর্তনকারীদেরকে?’ তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আর কেশ কর্তনকারী-দেরকে?’ তিনি পনুরায় বললেন, “হে আল্লাহ! কেশ মুন্ডনকারীদেরকে তুমি ক্ষমা কর।” লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আর কেশ কর্তন-কারীদেরকে?’ এবারে তিনি বললেন, “আর কেশ কর্তনকারীদেরকেও (ক্ষমা কর।)” (বুখারী ১৭২৮ , মুসলিম ৩২০৮)

عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال اللهم اغفر للمحلقين قالوا يا رسول الله وللمقصرين قال وللمقصرين


হাদিস সম্ভার > বিশেষ বিশেষ মসজিদের মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৯৩

عن جابر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول خير ما ركبت إليه الرواحل مسجد إبراهيم عليه السلام ومسجدي

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, “যে জায়গার জন্য সওয়ারীতে সওয়ার হওয়া যায়, তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গা হল ইব্রাহীম (আঃ) এর মসজিদ ও আমার মসজিদ।” (আহমাদ ১৪৬১২, নাসাঈর কুবরা ১১৩৪৭, ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৭৪০, ইবনে হিব্বান ১৬১৬, সঃ তারগীব ১২০৬)

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, “যে জায়গার জন্য সওয়ারীতে সওয়ার হওয়া যায়, তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গা হল ইব্রাহীম (আঃ) এর মসজিদ ও আমার মসজিদ।” (আহমাদ ১৪৬১২, নাসাঈর কুবরা ১১৩৪৭, ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৭৪০, ইবনে হিব্বান ১৬১৬, সঃ তারগীব ১২০৬)

عن جابر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول خير ما ركبت إليه الرواحل مسجد إبراهيم عليه السلام ومسجدي


হাদিস সম্ভার ১১৯৪

عن أبى هريرة عن النبى صلى الله عليه وسلم قال صلاة فى مسجدى هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমার এই মসজিদে (নববীতে) একটি নামায মসজিদুল হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায অপেক্ষা উত্তম।” (বুখারী ১১৯০, মুসলিম ৩৪৪০)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমার এই মসজিদে (নববীতে) একটি নামায মসজিদুল হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায অপেক্ষা উত্তম।” (বুখারী ১১৯০, মুসলিম ৩৪৪০)

عن أبى هريرة عن النبى صلى الله عليه وسلم قال صلاة فى مسجدى هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام


হাদিস সম্ভার ১১৯৭

عن سهل بن حنيف قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تطهر في بيته ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি (স্বগৃহ হতে ওযূ করে) বের হয়ে এই মসজিদে (কুবায়) উপস্থিত হয়ে নামায আদায় করে, সে ব্যক্তির একটি উমরাহ আদায় করা সমান সওয়াব লাভ হয়।” (নাসাঈ ৬৯৯, ইবনে মাজাহ ১৪১২, সহীহ নাসাঈ ৬৭৫)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি (স্বগৃহ হতে ওযূ করে) বের হয়ে এই মসজিদে (কুবায়) উপস্থিত হয়ে নামায আদায় করে, সে ব্যক্তির একটি উমরাহ আদায় করা সমান সওয়াব লাভ হয়।” (নাসাঈ ৬৯৯, ইবনে মাজাহ ১৪১২, সহীহ নাসাঈ ৬৭৫)

عن سهل بن حنيف قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تطهر في بيته ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة


হাদিস সম্ভার ১১৯৮

أسيد بن ظهير الأنصارى رضى الله تعالى عنه عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال صلاة فى مسجد قباء كعمرة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কুবার মসজিদে নামায পড়ার সওয়াব একটি উমরাহ করার সমতুল্য।” (তিরমিযী ৩২৪, ইবনে মাজাহ ১৪১১, বাইহাক্বী ১০৫৯৪, হাকেম ১৭৯২, ত্বাবারানী ৫৬৯, সহীহুল জামে’ ৩৮৭২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কুবার মসজিদে নামায পড়ার সওয়াব একটি উমরাহ করার সমতুল্য।” (তিরমিযী ৩২৪, ইবনে মাজাহ ১৪১১, বাইহাক্বী ১০৫৯৪, হাকেম ১৭৯২, ত্বাবারানী ৫৬৯, সহীহুল জামে’ ৩৮৭২)

أسيد بن ظهير الأنصارى رضى الله تعالى عنه عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال صلاة فى مسجد قباء كعمرة


হাদিস সম্ভার ১১৯৯

عن أبى ذر قال قلت: يا رسول الله أى مسجد وضع فى الأرض أول؟ قال المسجد الحرام قلت ثم أى قال المسجد الأقصى قلت كم بينهما قال أربعون سنة وأينما أدركتك الصلاة فصل فهو مسجد

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘পৃথিবীর সর্বপ্রথম মসজিদ কোনটি?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হারাম (কাবার) মসজিদ।” আবূ যার্র বললেন, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “তারপর মসজিদুল আকসা।” আবূ যার্র বললেন, দুই মসজিদ স্থাপনের মাঝে ব্যবধান কত ছিল? তিনি বললেন, “চল্লিশ বছর। আর শোন, সারা পৃথিবী তোমার জন্য মসজিদ। সুতরাং যেখানেই নামাযের সময় এসে উপস্থিত হবে, সেখানেই নামায পড়ে নেবে।” (বুখারী ৩৪২৫, মুসলিম ৫২০)

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘পৃথিবীর সর্বপ্রথম মসজিদ কোনটি?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হারাম (কাবার) মসজিদ।” আবূ যার্র বললেন, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “তারপর মসজিদুল আকসা।” আবূ যার্র বললেন, দুই মসজিদ স্থাপনের মাঝে ব্যবধান কত ছিল? তিনি বললেন, “চল্লিশ বছর। আর শোন, সারা পৃথিবী তোমার জন্য মসজিদ। সুতরাং যেখানেই নামাযের সময় এসে উপস্থিত হবে, সেখানেই নামায পড়ে নেবে।” (বুখারী ৩৪২৫, মুসলিম ৫২০)

عن أبى ذر قال قلت: يا رسول الله أى مسجد وضع فى الأرض أول؟ قال المسجد الحرام قلت ثم أى قال المسجد الأقصى قلت كم بينهما قال أربعون سنة وأينما أدركتك الصلاة فصل فهو مسجد


হাদিস সম্ভার ১১৯২

عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجدى هذا ومسجد الحرام ومسجد الأقصى

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোন (স্থানের বরকতলাভ বা যিয়ারতের) উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে না; আমার মসজিদ (মদীনা শরীফে মসজিদে নববী), মসজিদুল হারাম (কাবা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” (বুখারী ১১৮৯, ১৯৯৫, মুসলিম ৩৪৫০)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তিন মসজিদ ছাড়া অন্য কোন (স্থানের বরকতলাভ বা যিয়ারতের) উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে না; আমার মসজিদ (মদীনা শরীফে মসজিদে নববী), মসজিদুল হারাম (কাবা শরীফ) ও মসজিদে আকসা (প্যালেষ্টাইনের জেরুজালেমের মসজিদ)।” (বুখারী ১১৮৯, ১৯৯৫, মুসলিম ৩৪৫০)

عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجدى هذا ومسجد الحرام ومسجد الأقصى


হাদিস সম্ভার ১১৯৫

عن جابر بن عبد الله قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صلاة في مسجدي هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام وصلاة في المسجد الحرام أفضل من مائة ألف صلاة فيما سواه

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার মসজিদে একটি নামায মসজিদে হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আর মসজিদে হারামে (কাবার মসজিদে) একটি নামায অন্যান্য মসজিদে এক লক্ষ নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” (আহমাদ ১৪৬৯৪, ১৫২৭১, ইবনে মাজাহ ১৪০৬, সহীহুল জামে’ ৩৮৩৮)

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার মসজিদে একটি নামায মসজিদে হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আর মসজিদে হারামে (কাবার মসজিদে) একটি নামায অন্যান্য মসজিদে এক লক্ষ নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” (আহমাদ ১৪৬৯৪, ১৫২৭১, ইবনে মাজাহ ১৪০৬, সহীহুল জামে’ ৩৮৩৮)

عن جابر بن عبد الله قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صلاة في مسجدي هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام وصلاة في المسجد الحرام أفضل من مائة ألف صلاة فيما سواه


হাদিস সম্ভার ১১৯৬

عن عبد الله بن عمرو عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن سليمان بن داود صلى اللٰه عليه وسلم لما بنى بيت المقدس سأل الله عز وجل خلالا ثلاثة سأل الله عز وجل حكما يصادف حكمه فأوتيه وسأل الله عز وجل ملكا لا ينبغي لأحد من بعده فأوتيه وسأل الله عز وجل حين فرغ من بناء المسجد أن لا يأتيه أحد لا ينهزه إلا الصلاة فيه أن يخرجه من خطيئته كيوم ولدته أمه

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সুলাইমান বিন দাঊদ (আঃ) যখন বায়তুল মাক্বদিস নির্মাণ করেন, তখন তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করলেন; তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট এমন বিচার মীমাংসা প্রার্থনা করলেন যা তাঁর মীমাংসার অনুরূপ হয়। তাঁকে তাই দেওয়া হল। তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট এমন সাম্রাজ্য চাইলেন যা তাঁর পরে যেন কেউ পেতে না পারে। তাই তাঁকে প্রদান করা হল। আর তিনি যখন মসজিদ নির্মাণ শেষ করলেন, তখন আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট প্রার্থনা করলেন যে, যে ব্যক্তি কেবলমাত্র নামাযের উদ্দেশ্যেই ঐ মসজিদে উপস্থিত হবে, সে ব্যক্তি যেন ঐ দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে; যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।” (নাসাঈ ৬৯৩, ইবনে মাজাহ ১৪০৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সুলাইমান বিন দাঊদ (আঃ) যখন বায়তুল মাক্বদিস নির্মাণ করেন, তখন তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করলেন; তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট এমন বিচার মীমাংসা প্রার্থনা করলেন যা তাঁর মীমাংসার অনুরূপ হয়। তাঁকে তাই দেওয়া হল। তিনি আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট এমন সাম্রাজ্য চাইলেন যা তাঁর পরে যেন কেউ পেতে না পারে। তাই তাঁকে প্রদান করা হল। আর তিনি যখন মসজিদ নির্মাণ শেষ করলেন, তখন আল্লাহ আযযা অজাল্লার নিকট প্রার্থনা করলেন যে, যে ব্যক্তি কেবলমাত্র নামাযের উদ্দেশ্যেই ঐ মসজিদে উপস্থিত হবে, সে ব্যক্তি যেন ঐ দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে; যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।” (নাসাঈ ৬৯৩, ইবনে মাজাহ ১৪০৮)

عن عبد الله بن عمرو عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن سليمان بن داود صلى اللٰه عليه وسلم لما بنى بيت المقدس سأل الله عز وجل خلالا ثلاثة سأل الله عز وجل حكما يصادف حكمه فأوتيه وسأل الله عز وجل ملكا لا ينبغي لأحد من بعده فأوتيه وسأل الله عز وجل حين فرغ من بناء المسجد أن لا يأتيه أحد لا ينهزه إلا الصلاة فيه أن يخرجه من خطيئته كيوم ولدته أمه


হাদিস সম্ভার > যমযমের পানির মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১২০০

عن جابر بن عبد الله قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ماء زمزم لما شرب له

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যমযমের পানি যে নিয়্যাতে পান করা হবে সে নিয়্যাত পূর্ণ হওয়ায় ফলপ্রসূ।” (ইবনে মাজাহ ৩০৬২, ইরওয়াউল গালীল ১১২৩)

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যমযমের পানি যে নিয়্যাতে পান করা হবে সে নিয়্যাত পূর্ণ হওয়ায় ফলপ্রসূ।” (ইবনে মাজাহ ৩০৬২, ইরওয়াউল গালীল ১১২৩)

عن جابر بن عبد الله قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ماء زمزم لما شرب له


হাদিস সম্ভার ১২০১

عن أبي ذر رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنها مباركة إنها طعام طعم وشفاء سقم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় তা (যমযমের পানি) বরকতপূণ। তা তৃপ্তিকর খাদ্য এবং রোগনিরাময়ের ঔষধ।” (ত্বাবারানীর স্বাগীর ২৯৫, বাযযার ৩৯২৯, সহীহুল জামে’ ২৪৩৫)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় তা (যমযমের পানি) বরকতপূণ। তা তৃপ্তিকর খাদ্য এবং রোগনিরাময়ের ঔষধ।” (ত্বাবারানীর স্বাগীর ২৯৫, বাযযার ৩৯২৯, সহীহুল জামে’ ২৪৩৫)

عن أبي ذر رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنها مباركة إنها طعام طعم وشفاء سقم


হাদিস সম্ভার ১২০২

عن ابن عباس رضي الله تعالى عنهما قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم فيه طعام من الطعم وشفاء من السقم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ পানি হল যমযমের পানি। তাতে রয়েছে তৃপ্তির খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্য।” (ত্বাবারানীর আসাত্ব ৩৯১২, ৮১২৯, কাবীর ১১০০৪, সঃ জামে’ ৩৩২২)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ পানি হল যমযমের পানি। তাতে রয়েছে তৃপ্তির খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্য।” (ত্বাবারানীর আসাত্ব ৩৯১২, ৮১২৯, কাবীর ১১০০৪, সঃ জামে’ ৩৩২২)

عن ابن عباس رضي الله تعالى عنهما قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم فيه طعام من الطعم وشفاء من السقم


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00