হাদিস সম্ভার > আরাফার দিনের গুরুত্ব

হাদিস সম্ভার ১১৭৮

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب


হাদিস সম্ভার ১১৭৯

عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)

عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا


হাদিস সম্ভার ১১৭৬

قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)

قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء


হাদিস সম্ভার ১১৭৭

عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة

ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)

ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)

عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة


হাদিস সম্ভার > তাশরীকের দিনগুলির মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৮০

عن نبيشة الهذلى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيام التشريق أيام أكل وشرب وذكر لله

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তাশরীকের দিন হল পানাহার ও আল্লাহর যিক্‌র করার দিন।” (মুসলিম ২৭৩৩-২৭৩৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তাশরীকের দিন হল পানাহার ও আল্লাহর যিক্‌র করার দিন।” (মুসলিম ২৭৩৩-২৭৩৪)

عن نبيشة الهذلى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيام التشريق أيام أكل وشرب وذكر لله


হাদিস সম্ভার > কুরবানী

হাদিস সম্ভার ১১৮২

عن أنس رضي الله عنه أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يضحي بكبشين أملحين أقرنين

‘রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দীর্ঘ (ও সুন্দর) দু’শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো মিশ্রিত রঙের দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন (করতেন)।’ (বুখারী ৫৫৬৪-৫৫৬৫, মুসলিম ৫১৯৯-৫২০০)

‘রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দীর্ঘ (ও সুন্দর) দু’শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো মিশ্রিত রঙের দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন (করতেন)।’ (বুখারী ৫৫৬৪-৫৫৬৫, মুসলিম ৫১৯৯-৫২০০)

عن أنس رضي الله عنه أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يضحي بكبشين أملحين أقرنين


হাদিস সম্ভার ১১৮৩

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من ذبح قبل الصلاة فإنما ذبح لنفسه ومن ذبح بعد الصلاة فقد تم نسكه وأصاب سنة المسلمين

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি (ঈদের) নামাযের পূর্বে যবেহ করে, সে নিজের জন্য যবেহ করে। আর যে নামাযের পরে যবেহ করে, তার কুরবানী সিদ্ধ হয় এবং সে মুসলমানদের তরীকার অনুসারী হয়।” (বুখারী ৫৫৪৫-৫৫৪৬, মুসলিম ৫১৮১)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি (ঈদের) নামাযের পূর্বে যবেহ করে, সে নিজের জন্য যবেহ করে। আর যে নামাযের পরে যবেহ করে, তার কুরবানী সিদ্ধ হয় এবং সে মুসলমানদের তরীকার অনুসারী হয়।” (বুখারী ৫৫৪৫-৫৫৪৬, মুসলিম ৫১৮১)

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من ذبح قبل الصلاة فإنما ذبح لنفسه ومن ذبح بعد الصلاة فقد تم نسكه وأصاب سنة المسلمين


হাদিস সম্ভার ১১৮১

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من وجد سعة فلم يضح فلا يقربن مصلانا

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন অবশ্যই আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।” (মুসনাদ আহমাদ ৮২৭৩, ইবনে মাজাহ ৩১২৩, হাকেম ৭৫৬৫-৭৫৬৬) অন্য এক বর্ণনায়, “যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখা সত্ত্বেও কুরবানী করে না, সে ব্যক্তি যেন আমাদের ঈদগাহে উপস্থিত না হয়। (হাকেম ৩৪৬৮, সহীহ তারগীব ১০৭২)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন অবশ্যই আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।” (মুসনাদ আহমাদ ৮২৭৩, ইবনে মাজাহ ৩১২৩, হাকেম ৭৫৬৫-৭৫৬৬) অন্য এক বর্ণনায়, “যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখা সত্ত্বেও কুরবানী করে না, সে ব্যক্তি যেন আমাদের ঈদগাহে উপস্থিত না হয়। (হাকেম ৩৪৬৮, সহীহ তারগীব ১০৭২)

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من وجد سعة فلم يضح فلا يقربن مصلانا


হাদিস সম্ভার ১১৮৪

عن الحسن بن علي رضي الله تعالى عنه قالأمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن نلبس أجود ما نجد وأن نتطيب بأجود ما نجد وأن نضحي بأسمن ما نجد البقرة عن سبعة والجزور عن عشرة وأن نظهر التكبير وعلينا السكينة والوقار

‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন যে, (কুরবানীর দিনে) আমরা যেন যথাসাধ্য সবচেয়ে সুন্দর পোশাক পরি, যথাসাধ্য সবচেয়ে ভাল সুগন্ধি ব্যবহার করি, যথাসাধ্য সবচেয়ে মোটা-তাজা কুরবানী দিই---গরু সাতজনের পক্ষ থেকে এবং উট দশজনের পক্ষ থেকে। আর আমরা যেন ‘তকবীর’সশব্দে বলি এবং প্রশান্তি ও ভদ্রতা বজায় রাখি।’ (ত্বাবারানীর কাবীর ৩/১৫২, ২৬৯০, হাকেম ৪/২৫৬, ৭৫৬০, ত্বাহাবী ১৪/৩৩, শুআবুল ঈমান বাইহাক্বী ৩/৩৪২)

‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন যে, (কুরবানীর দিনে) আমরা যেন যথাসাধ্য সবচেয়ে সুন্দর পোশাক পরি, যথাসাধ্য সবচেয়ে ভাল সুগন্ধি ব্যবহার করি, যথাসাধ্য সবচেয়ে মোটা-তাজা কুরবানী দিই---গরু সাতজনের পক্ষ থেকে এবং উট দশজনের পক্ষ থেকে। আর আমরা যেন ‘তকবীর’সশব্দে বলি এবং প্রশান্তি ও ভদ্রতা বজায় রাখি।’ (ত্বাবারানীর কাবীর ৩/১৫২, ২৬৯০, হাকেম ৪/২৫৬, ৭৫৬০, ত্বাহাবী ১৪/৩৩, শুআবুল ঈমান বাইহাক্বী ৩/৩৪২)

عن الحسن بن علي رضي الله تعالى عنه قالأمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أن نلبس أجود ما نجد وأن نتطيب بأجود ما نجد وأن نضحي بأسمن ما نجد البقرة عن سبعة والجزور عن عشرة وأن نظهر التكبير وعلينا السكينة والوقار


হাদিস সম্ভার > কুরবানী যবেহ

হাদিস সম্ভার ১১৮৫

عن رافع بن خديج قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أعجل أو أرنى ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যা খুন বহায়, যাতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তা ভক্ষণ কর। তবে যেন (যবেহ করার অস্ত্র) দাঁত বা নখ না হয়। আমি তোমাকে তার কারণ বলছি, দাঁত হল হাড়। আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।” (আহমাদ, বুখারী ২৪৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৫২০৪ প্রমুখ, সহীহুল জামে’ ৫৫৬৫)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যা খুন বহায়, যাতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তা ভক্ষণ কর। তবে যেন (যবেহ করার অস্ত্র) দাঁত বা নখ না হয়। আমি তোমাকে তার কারণ বলছি, দাঁত হল হাড়। আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।” (আহমাদ, বুখারী ২৪৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৫২০৪ প্রমুখ, সহীহুল জামে’ ৫৫৬৫)

عن رافع بن خديج قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أعجل أو أرنى ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة


হাদিস সম্ভার ১১৮৭

عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال : أمر رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بحد الشفار وأن توارى عن البهائم وقال إذا ذبح أحدكم فليجهز

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরি শানিয়ে নিতে, তা পশুর চোখ থেকে আড়াল করতে আদেশ করেছেন এবং বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ যবেহ করবে, তখন সে যেন তাড়াতাড়ি করে।” (মুসনাদ আহমাদ ৫৮৬৪, ইবনে মাজাহ ৩১৭২, বাইহাক্বী ১৯৬১৪, সহীহ তারগীব ১০৯১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছুরি শানিয়ে নিতে, তা পশুর চোখ থেকে আড়াল করতে আদেশ করেছেন এবং বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ যবেহ করবে, তখন সে যেন তাড়াতাড়ি করে।” (মুসনাদ আহমাদ ৫৮৬৪, ইবনে মাজাহ ৩১৭২, বাইহাক্বী ১৯৬১৪, সহীহ তারগীব ১০৯১)

عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال : أمر رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بحد الشفار وأن توارى عن البهائم وقال إذا ذبح أحدكم فليجهز


হাদিস সম্ভার ১১৮৮

عن عائشة قالت: قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا ؟ قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا

একদা একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘এক নও-মুসলিম সম্প্রদায় আমাদের নিকট গোশ্ত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, তার যবেহকালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কি না। তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা ভক্ষণ করো।” (বুখারী ২০৫৭, ৫৫০৭, ৭৩৯৮)

একদা একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘এক নও-মুসলিম সম্প্রদায় আমাদের নিকট গোশ্ত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, তার যবেহকালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কি না। তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা ভক্ষণ করো।” (বুখারী ২০৫৭, ৫৫০৭, ৭৩৯৮)

عن عائشة قالت: قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا ؟ قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا


হাদিস সম্ভার ১১৮৬

وعن أبي يعلى شداد بن أوس  عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالإن الله كتب الإحسان على كل شيء فإذا قتلتم فأحسنوا القتلة وإذا ذبحتم فأحسنوا الذبحة وليحد أحدكم شفرته وليرح ذبيحتهرواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ প্রতিটি কাজকে উত্তমরূপে (অথবা অনুগ্রহের সাথে) সম্পাদন করাটাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন (কাউকে) হত্যা করবে, তখন ভালভাবে হত্যা করো এবং যখন (পশু) জবাই করবে, তখন ভালভালে জবাই করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, সে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহযোগ্য পশুকে আরাম দেয়।” (অর্থাৎ জবাই-এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে।) (মুসলিম ৫১৬৭)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ প্রতিটি কাজকে উত্তমরূপে (অথবা অনুগ্রহের সাথে) সম্পাদন করাটাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন (কাউকে) হত্যা করবে, তখন ভালভাবে হত্যা করো এবং যখন (পশু) জবাই করবে, তখন ভালভালে জবাই করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, সে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহযোগ্য পশুকে আরাম দেয়।” (অর্থাৎ জবাই-এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে।) (মুসলিম ৫১৬৭)

وعن أبي يعلى شداد بن أوس  عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قالإن الله كتب الإحسان على كل شيء فإذا قتلتم فأحسنوا القتلة وإذا ذبحتم فأحسنوا الذبحة وليحد أحدكم شفرته وليرح ذبيحتهرواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১১৮৯

عن أبى واقد قال قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم ما قطع من البهيمة وهى حية فهى ميتة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “পশু জীবিত থাকতে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, তা মৃত (পশুর মাংসের) সমান।” (আহমাদ ২১৯০৩-২১৯০৪, আবূ দাঊদ ২৮৬০, তিরমিযী ১৪৮০, হাকেম ৭১৫০, সহীহুল জামে’ ৫৬৫২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “পশু জীবিত থাকতে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, তা মৃত (পশুর মাংসের) সমান।” (আহমাদ ২১৯০৩-২১৯০৪, আবূ দাঊদ ২৮৬০, তিরমিযী ১৪৮০, হাকেম ৭১৫০, সহীহুল জামে’ ৫৬৫২)

عن أبى واقد قال قال النبى صلى اللٰه عليه وسلم ما قطع من البهيمة وهى حية فهى ميتة


হাদিস সম্ভার ১১৯০

عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال إذا أرسلت كلبك المعلم (وسميت) فقتل فكل وإذا أكل فلا تأكل فإنما أمسكه على نفسه

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (শিকার প্রসঙ্গে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার শিক্ষাপ্রাপ্ত কুকুর (শিকার করার জন্য) ‘বিসমিল্লাহ’বলে প্রেরণ করবে (অতঃপর সে তোমার জন্য যে শিকার) হত্যা করবে তা খাও। আর যদি সে (তার কিছু অংশ) খায়, তাহলে খেয়ো না। কারণ সে তা নিজের জন্য ধরেছে।” (বুখারী ১৭৫, মুসলিম ৫০৮২-৫০৮৩)

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে (শিকার প্রসঙ্গে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যখন তুমি তোমার শিক্ষাপ্রাপ্ত কুকুর (শিকার করার জন্য) ‘বিসমিল্লাহ’বলে প্রেরণ করবে (অতঃপর সে তোমার জন্য যে শিকার) হত্যা করবে তা খাও। আর যদি সে (তার কিছু অংশ) খায়, তাহলে খেয়ো না। কারণ সে তা নিজের জন্য ধরেছে।” (বুখারী ১৭৫, মুসলিম ৫০৮২-৫০৮৩)

عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال إذا أرسلت كلبك المعلم (وسميت) فقتل فكل وإذا أكل فلا تأكل فإنما أمسكه على نفسه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00