হাদিস সম্ভার > মুযদালিফার মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১১৭২
عن بلال بن رباح أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال له غداة جمع ي ا بلال أسكت الناس أو أنصت الناس ثم قال إن الله تطول عليكم في جمعكم هذا فوهب مسيئكم لمحسنكم وأعطى محسنكم ما سأل ادفعوا باسم الله
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফার প্রভাতে তাঁকে বললেন, “হে বিলাল! জনমন্ডলীকে নীরব হতে আদেশ কর।” অতঃপর তিনি বলেন, “অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের এই (মুযদালিফার) অবস্থান ক্ষেত্রে তোমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন। ফলে তোমাদের মধ্যে সৎশীল ব্যক্তির কারণেই গোনাহগারকে প্রদান করেছেন (বহু কিছু)। আর সৎশীল লোকদেরকে তাই প্রদান করেছেন, যা তারা তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে (মিনার দিকে) যাত্রা শুরু কর।” (ইবনে মাজাহ ৩০২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৬২৪)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফার প্রভাতে তাঁকে বললেন, “হে বিলাল! জনমন্ডলীকে নীরব হতে আদেশ কর।” অতঃপর তিনি বলেন, “অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের এই (মুযদালিফার) অবস্থান ক্ষেত্রে তোমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন। ফলে তোমাদের মধ্যে সৎশীল ব্যক্তির কারণেই গোনাহগারকে প্রদান করেছেন (বহু কিছু)। আর সৎশীল লোকদেরকে তাই প্রদান করেছেন, যা তারা তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে (মিনার দিকে) যাত্রা শুরু কর।” (ইবনে মাজাহ ৩০২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৬২৪)
عن بلال بن رباح أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال له غداة جمع ي ا بلال أسكت الناس أو أنصت الناس ثم قال إن الله تطول عليكم في جمعكم هذا فوهب مسيئكم لمحسنكم وأعطى محسنكم ما سأل ادفعوا باسم الله
হাদিস সম্ভার > যুলহজ্জের প্রথম দশকে সিয়াম পালন তথা অন্যান্য পূণ্যকর্ম করার ফযীলত
হাদিস সম্ভার ১১৭৩
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام يعني أيام العشر قالوا : يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله ؟ قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بنفسه وماله فلم يرجع من ذلك بشيء رواه البخاري
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এই দিনগুলির (অর্থাৎ, যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিনের) তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যাতে কোন সৎকাজ আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।” লোকেরা বলল, ‘আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে কোন (মুজাহিদ) ব্যক্তি যদি তার জান মালসহ বের হয়ে যায় এবং তার কোন কিছুই নিয়ে আর ফিরে না আসে।” (অর্থাৎ শাহাদত বরণ করে, তাহলে হয়তো তার সমান হতে পারে।) (বুখারী ৯৬৯, প্রমুখ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এই দিনগুলির (অর্থাৎ, যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিনের) তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যাতে কোন সৎকাজ আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।” লোকেরা বলল, ‘আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে কোন (মুজাহিদ) ব্যক্তি যদি তার জান মালসহ বের হয়ে যায় এবং তার কোন কিছুই নিয়ে আর ফিরে না আসে।” (অর্থাৎ শাহাদত বরণ করে, তাহলে হয়তো তার সমান হতে পারে।) (বুখারী ৯৬৯, প্রমুখ)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام يعني أيام العشر قالوا : يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله ؟ قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بنفسه وماله فلم يرجع من ذلك بشيء رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১১৭৪
عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أفضل أيام الدنيا أيام العشر
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল (যুলহজ্জের) দশ দিন।” (বায্যার, সহীহুল জামে’ ১১৩৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল (যুলহজ্জের) দশ দিন।” (বায্যার, সহীহুল জামে’ ১১৩৩)
عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أفضل أيام الدنيا أيام العشر
হাদিস সম্ভার ১১৭৫
عن عبد الله بن قرط عن النبى صلى الله عليه وسلم قال إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى يوم النحر ثم يوم القر
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার নিকট সবচেয়ে বড় (মর্যাদাপূর্ণ) দিন হল কুরবানীর দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন (যুলহজ্জের ১১ তারীখ)।” (আবূ দাঊদ ১৭৬৬)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার নিকট সবচেয়ে বড় (মর্যাদাপূর্ণ) দিন হল কুরবানীর দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন (যুলহজ্জের ১১ তারীখ)।” (আবূ দাঊদ ১৭৬৬)
عن عبد الله بن قرط عن النبى صلى الله عليه وسلم قال إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى يوم النحر ثم يوم القر
হাদিস সম্ভার > আরাফার দিনের গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার ১১৭৮
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب
হাদিস সম্ভার ১১৭৯
عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)
عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا
হাদিস সম্ভার ১১৭৬
قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)
قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء
হাদিস সম্ভার ১১৭৭
عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة
ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)
ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)
عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة
হাদিস সম্ভার > তাশরীকের দিনগুলির মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১১৮০
عن نبيشة الهذلى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيام التشريق أيام أكل وشرب وذكر لله
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তাশরীকের দিন হল পানাহার ও আল্লাহর যিক্র করার দিন।” (মুসলিম ২৭৩৩-২৭৩৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তাশরীকের দিন হল পানাহার ও আল্লাহর যিক্র করার দিন।” (মুসলিম ২৭৩৩-২৭৩৪)
عن نبيشة الهذلى قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيام التشريق أيام أكل وشرب وذكر لله