হাদিস সম্ভার > রুক্‌নদ্বয়ের মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৬৫

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হাজারে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছিল। পরবর্তীতে আদম সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৭)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হাজারে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছিল। পরবর্তীতে আদম সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৭)

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم


হাদিস সম্ভার ১১৬৪

عن عبد الله بن عمرو يقول سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لأضاءتا ما بين المشرق والمغرب

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের পদ্মরাগরাজির দুই পদ্মরাগ। আল্লাহ এ দুয়ের নূর (প্রভা) কে নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। যদি উভয়মণির প্রভাকে তিনি নিষ্প্রভ না করতেন, তাহলে উদয় ও অস্তাচল (দিগ্‌দিগন্ত) কে উভয়ে জ্যোতির্ময় করে রাখত।” (তিরমিযী ৮৭৮, সহীহুল জামে ১৬৩৩)

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের পদ্মরাগরাজির দুই পদ্মরাগ। আল্লাহ এ দুয়ের নূর (প্রভা) কে নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। যদি উভয়মণির প্রভাকে তিনি নিষ্প্রভ না করতেন, তাহলে উদয় ও অস্তাচল (দিগ্‌দিগন্ত) কে উভয়ে জ্যোতির্ময় করে রাখত।” (তিরমিযী ৮৭৮, সহীহুল জামে ১৬৩৩)

عن عبد الله بن عمرو يقول سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لأضاءتا ما بين المشرق والمغرب


হাদিস সম্ভার ১১৬৬

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في الحجر والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يبصر بهما ولسان ينطق به يشهد على من استلمه بحق

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই এই পাথর (হাজরে আসওয়াদ) কে কিয়ামতের দিন আল্লাহ উপস্থিত করবেন; এর হবে দুটি চক্ষু, যদ্দ্বারা সে দর্শন করবে। এর হবে জিহ্বা, যদ্দ্বারা সে কথা বলবে; সেদিন সেই ব্যক্তির জন্য সাক্ষ্য দান করবে, যে ব্যক্তি যথার্থরূপে তাকে চুম্বন বা স্পর্শ করবে।” (তিরমিযী ৯৬১, ইবনে মাজাহ ২৯৪৪, দারেমী, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮২)

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই এই পাথর (হাজরে আসওয়াদ) কে কিয়ামতের দিন আল্লাহ উপস্থিত করবেন; এর হবে দুটি চক্ষু, যদ্দ্বারা সে দর্শন করবে। এর হবে জিহ্বা, যদ্দ্বারা সে কথা বলবে; সেদিন সেই ব্যক্তির জন্য সাক্ষ্য দান করবে, যে ব্যক্তি যথার্থরূপে তাকে চুম্বন বা স্পর্শ করবে।” (তিরমিযী ৯৬১, ইবনে মাজাহ ২৯৪৪, দারেমী, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮২)

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في الحجر والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يبصر بهما ولسان ينطق به يشهد على من استلمه بحق


হাদিস সম্ভার ১১৬৭

عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن مسحهما يحطان الخطيئة

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(হাজরে আসওয়াদ ও রুক্‌নে য়্যামানী) উভয়কে স্পর্শ পাপ মোচন করে।” (আহমাদ ৫৭০১, নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ, সহীহ নাসাঈ ২৭৩২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(হাজরে আসওয়াদ ও রুক্‌নে য়্যামানী) উভয়কে স্পর্শ পাপ মোচন করে।” (আহমাদ ৫৭০১, নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ, সহীহ নাসাঈ ২৭৩২)

عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن مسحهما يحطان الخطيئة


হাদিস সম্ভার ১১৬৯

عن نافع قال رأيت ابن عمر يستلم الحجر بيده ثم قبل يده وقال ما تركته منذ رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفعله

আমি দেখেছি, একদা ইবনে উমার (রাঃ) হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করে হাত চুম্বন দিলেন অতঃপর বললেন, ‘আমি যখন থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তা চুম্বন দিতে দেখেছি, তখন থেকে চুম্বন দিতে ছাড়িনি।’ (মুসলিম ৩১২৪)

আমি দেখেছি, একদা ইবনে উমার (রাঃ) হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করে হাত চুম্বন দিলেন অতঃপর বললেন, ‘আমি যখন থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তা চুম্বন দিতে দেখেছি, তখন থেকে চুম্বন দিতে ছাড়িনি।’ (মুসলিম ৩১২৪)

عن نافع قال رأيت ابن عمر يستلم الحجر بيده ثم قبل يده وقال ما تركته منذ رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفعله


হাদিস সম্ভার ১১৬৮

عن عمر أنه جاء إلى الحجر فقبله فقال إنى أعلم أنك حجر لا تنفع ولا تضر ولولا أنى رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبلك ما قبلتك

উমার (রাঃ) পাথর চুম্বন দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘(হে পাথর!) আমি জানি তুমি একটি পাথর। তুমি কোন উপকার করতে পার না, অপকারও না। যদি আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তোমাকে চুম্বন দিতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন দিতাম না।’ (আহমাদ ৯৯ প্রভৃতি, বুখারী ১৫৯৭, মুসলিম ৩১৩৬-৩১২৯, আবূ দাঊদ ১৮৭৫, তিরমিযী ৮৬০, নাসাঈ ২৯৩৭)

উমার (রাঃ) পাথর চুম্বন দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘(হে পাথর!) আমি জানি তুমি একটি পাথর। তুমি কোন উপকার করতে পার না, অপকারও না। যদি আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তোমাকে চুম্বন দিতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন দিতাম না।’ (আহমাদ ৯৯ প্রভৃতি, বুখারী ১৫৯৭, মুসলিম ৩১৩৬-৩১২৯, আবূ দাঊদ ১৮৭৫, তিরমিযী ৮৬০, নাসাঈ ২৯৩৭)

عن عمر أنه جاء إلى الحجر فقبله فقال إنى أعلم أنك حجر لا تنفع ولا تضر ولولا أنى رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبلك ما قبلتك


হাদিস সম্ভার ১১৭০

عن عائشة رضي الله عسسنها قالت سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو؟ قال نعم قلت: فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হিজ্র কি কাবার অংশ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”আমি বললাম, ‘তাহলে তা কাবার মধ্যে শামিল নয় কেন?’ বললেন, “তোমার সম্প্রদায়ের অর্থ কম পড়ে গিয়েছিল।” (বুখারী ১৫৮৪, মুসলিম ৩৩১৩)

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হিজ্র কি কাবার অংশ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”আমি বললাম, ‘তাহলে তা কাবার মধ্যে শামিল নয় কেন?’ বললেন, “তোমার সম্প্রদায়ের অর্থ কম পড়ে গিয়েছিল।” (বুখারী ১৫৮৪, মুসলিম ৩৩১৩)

عن عائشة رضي الله عسسنها قالت سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو؟ قال نعم قلت: فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة


হাদিস সম্ভার ১১৭১

عن عائشة قالت: كنت أحب أن أدخل البيت فأصلي فيه، فأخذ رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيدي فأدخلني الحجر، فقال صلي في الحجر إن أردت دخول البيت فإنما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فأخرجوه من البيت

‘একদা আমি আগ্রহ প্রকাশ করলাম যে, কাবাগৃহে প্রবেশ করে নামায পড়ব। সুতরাং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরে হিজ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন, “কাবাগৃহের ভিতরে নামায পড়তে চাইলে এখানে নামায পড়। যেহেতু এটিও কাবাগৃহের একটি অংশ। কিন্তু তোমার সম্প্রদায় কাবা নির্মাণের সয়ম সংক্ষেপ করে মূল অংশ থেকে বের করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৬, নাসাঈ ২৯১৫) অন্য এক বর্ণনায় আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, يَا رَسُولَ اللهِ أَلَا أَدْخُلُ الْبَيْتَ؟ قَالَ ادْخُلِي الْحِجْرَ فَإِنَّهُ مِنْ الْبَيْتِ ‘হে আল্লাহর রসূল! কাবা ঘরে প্রবেশ করব না কি?’ তিনি বললেন, “তুমি হিজ্রে প্রবেশ কর। তা কাবা ঘরেরই অংশ।” (নাসাঈ ২৯১৪)

‘একদা আমি আগ্রহ প্রকাশ করলাম যে, কাবাগৃহে প্রবেশ করে নামায পড়ব। সুতরাং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরে হিজ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন, “কাবাগৃহের ভিতরে নামায পড়তে চাইলে এখানে নামায পড়। যেহেতু এটিও কাবাগৃহের একটি অংশ। কিন্তু তোমার সম্প্রদায় কাবা নির্মাণের সয়ম সংক্ষেপ করে মূল অংশ থেকে বের করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৬, নাসাঈ ২৯১৫) অন্য এক বর্ণনায় আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, يَا رَسُولَ اللهِ أَلَا أَدْخُلُ الْبَيْتَ؟ قَالَ ادْخُلِي الْحِجْرَ فَإِنَّهُ مِنْ الْبَيْتِ ‘হে আল্লাহর রসূল! কাবা ঘরে প্রবেশ করব না কি?’ তিনি বললেন, “তুমি হিজ্রে প্রবেশ কর। তা কাবা ঘরেরই অংশ।” (নাসাঈ ২৯১৪)

عن عائشة قالت: كنت أحب أن أدخل البيت فأصلي فيه، فأخذ رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيدي فأدخلني الحجر، فقال صلي في الحجر إن أردت دخول البيت فإنما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فأخرجوه من البيت


হাদিস সম্ভার > মুযদালিফার মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৭২

عن بلال بن رباح أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال له غداة جمع ي ا بلال أسكت الناس أو أنصت الناس ثم قال إن الله تطول عليكم في جمعكم هذا فوهب مسيئكم لمحسنكم وأعطى محسنكم ما سأل ادفعوا باسم الله

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফার প্রভাতে তাঁকে বললেন, “হে বিলাল! জনমন্ডলীকে নীরব হতে আদেশ কর।” অতঃপর তিনি বলেন, “অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের এই (মুযদালিফার) অবস্থান ক্ষেত্রে তোমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন। ফলে তোমাদের মধ্যে সৎশীল ব্যক্তির কারণেই গোনাহগারকে প্রদান করেছেন (বহু কিছু)। আর সৎশীল লোকদেরকে তাই প্রদান করেছেন, যা তারা তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে (মিনার দিকে) যাত্রা শুরু কর।” (ইবনে মাজাহ ৩০২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৬২৪)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফার প্রভাতে তাঁকে বললেন, “হে বিলাল! জনমন্ডলীকে নীরব হতে আদেশ কর।” অতঃপর তিনি বলেন, “অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের এই (মুযদালিফার) অবস্থান ক্ষেত্রে তোমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন। ফলে তোমাদের মধ্যে সৎশীল ব্যক্তির কারণেই গোনাহগারকে প্রদান করেছেন (বহু কিছু)। আর সৎশীল লোকদেরকে তাই প্রদান করেছেন, যা তারা তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে (মিনার দিকে) যাত্রা শুরু কর।” (ইবনে মাজাহ ৩০২৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৬২৪)

عن بلال بن رباح أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال له غداة جمع ي ا بلال أسكت الناس أو أنصت الناس ثم قال إن الله تطول عليكم في جمعكم هذا فوهب مسيئكم لمحسنكم وأعطى محسنكم ما سأل ادفعوا باسم الله


হাদিস সম্ভার > যুলহজ্জের প্রথম দশকে সিয়াম পালন তথা অন্যান্য পূণ্যকর্ম করার ফযীলত

হাদিস সম্ভার ১১৭৩

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام يعني أيام العشر قالوا : يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله ؟ قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بنفسه وماله فلم يرجع من ذلك بشيء رواه البخاري

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এই দিনগুলির (অর্থাৎ, যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিনের) তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যাতে কোন সৎকাজ আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।” লোকেরা বলল, ‘আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে কোন (মুজাহিদ) ব্যক্তি যদি তার জান মালসহ বের হয়ে যায় এবং তার কোন কিছুই নিয়ে আর ফিরে না আসে।” (অর্থাৎ শাহাদত বরণ করে, তাহলে হয়তো তার সমান হতে পারে।) (বুখারী ৯৬৯, প্রমুখ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এই দিনগুলির (অর্থাৎ, যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিনের) তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যাতে কোন সৎকাজ আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।” লোকেরা বলল, ‘আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে কোন (মুজাহিদ) ব্যক্তি যদি তার জান মালসহ বের হয়ে যায় এবং তার কোন কিছুই নিয়ে আর ফিরে না আসে।” (অর্থাৎ শাহাদত বরণ করে, তাহলে হয়তো তার সমান হতে পারে।) (বুখারী ৯৬৯, প্রমুখ)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام يعني أيام العشر قالوا : يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله ؟ قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بنفسه وماله فلم يرجع من ذلك بشيء رواه البخاري


হাদিস সম্ভার ১১৭৪

عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أفضل أيام الدنيا أيام العشر

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল (যুলহজ্জের) দশ দিন।” (বায্যার, সহীহুল জামে’ ১১৩৩)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল (যুলহজ্জের) দশ দিন।” (বায্যার, সহীহুল জামে’ ১১৩৩)

عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أفضل أيام الدنيا أيام العشر


হাদিস সম্ভার ১১৭৫

عن عبد الله بن قرط عن النبى صلى الله عليه وسلم قال إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى يوم النحر ثم يوم القر

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার নিকট সবচেয়ে বড় (মর্যাদাপূর্ণ) দিন হল কুরবানীর দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন (যুলহজ্জের ১১ তারীখ)।” (আবূ দাঊদ ১৭৬৬)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাবারাকা অতাআলার নিকট সবচেয়ে বড় (মর্যাদাপূর্ণ) দিন হল কুরবানীর দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন (যুলহজ্জের ১১ তারীখ)।” (আবূ দাঊদ ১৭৬৬)

عن عبد الله بن قرط عن النبى صلى الله عليه وسلم قال إن أعظم الأيام عند الله تبارك وتعالى يوم النحر ثم يوم القر


হাদিস সম্ভার > আরাফার দিনের গুরুত্ব

হাদিস সম্ভার ১১৭৮

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আরাফাহ, কুরবানী ও তাশরীকের দিনসমূহ আহলে ইসলাম, আমাদের ঈদ। আর তা হল পান-ভোজনের দিন।” (আবূ দাঊদ ২৪১৯, তিরমিযী ৭৭৩, নাসাঈ ৩০০৪)

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يوم عرفة ويوم النحر وأيام التشريق عيدنا أهل الإسلام وهى أيام أكل وشرب


হাদিস সম্ভার ১১৭৯

عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, “আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন বিকালে আরাফাত-ওয়ালাদের নিয়ে আসমানবাসী ফিরিশতাদের নিকট গর্ব করেন। তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আমার বান্দাদেরকে দেখ, আমার নিকট ধূলিমলিন ও আলুথালু রুক্ষ কেশে উপস্থিত হয়েছে!” (আহমাদ ৭০৮৯, ত্বাবারানী ১৫০৪, ইবনে খুযাইমা ২৮৩৯)

عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يقول إن الله عز وجل يباهي ملائكته عشية عرفة بأهل عرفة فيقول انظروا إلى عبادي أتوني شعثا غبرا


হাদিস সম্ভার ১১৭৬

قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিন অপেক্ষা আর এমন কোন দিন নেই, যেদিনে আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বান্দাদেরকে দোযখ হতে অধিকরূপে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তিনি এদিনে (বান্দাদের) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতামন্ডলীর নিকট গর্ব করে বলেন, ‘ওরা কী চায়?’ (মুসলিম ৩৩৫৪)

قالت عائشة إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من يوم أكثر من أن يعتق الله فيه عبدا من النار من يوم عرفة وإنه ليدنو ثم يباهى بهم الملائكة فيقول: ما أراد هؤلاء


হাদিস সম্ভার ১১৭৭

عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة

ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)

ইয়াহুদীদের এক ব্যক্তি উমারের নিকট এসে বলল, ‘হে আমীরুল মুমেনীন! আপনাদের কিতাবের এক আয়াত যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, ঐ আয়াত যদি ইয়াহুদী সম্প্রদায় আমাদের উপর অবতীর্ণ হত, তাহলে (যে দিনে অবতীর্ণ হয়েছে) ঐ দিনটাকে আমরা ঈদ বলে গণ্য করতাম।’ তিনি বললেন, ‘কোন আয়াত?’ বলল, “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীনরূপে মনোনীত করলাম” (এই আয়াত)। উমার (রাঃ) বললেন, ‘ঐ দিনটিকে আমরা জেনেছি এবং সেই স্থানটিকেও চিনেছি; যে স্থানে ঐ আয়াত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর অবতীর্ণ হয়, যখন তিনি জুমআর দিন আরাফার ময়দানে দন্ডায়মান ছিলেন। (বুখারী ৪৫, মুসলিম ৭৭১২)

عن طارق بن شهاب قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية فى كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا قال وأى آية قال (اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الإسلام دينا) فقال عمر إنى لأعلم اليوم الذى نزلت فيه والمكان الذى نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعرفات فى يوم جمعة


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00