হাদিস সম্ভার > ফিদ্য়াহ ও দম
হাদিস সম্ভার ১১৫৮
عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)
عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة
হাদিস সম্ভার > তালবিয়্যাহর মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১১৫৯
عن أبي بكر الصديق أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم سئل أي الحج أفضل؟ قال العج والثج
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসিত হলেন, ‘কোন হজ্জ সর্বশ্রেষ্ঠ?’ তিনি বললেন, “উচ্চ কণ্ঠে তালবিয়্যাহ এবং কুরবানী বিশিষ্ট (হজ্জ)।” (তিরমিযী ৮২৭, দারেমী ১৭৯৭, হাকেম ১/৬২০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসিত হলেন, ‘কোন হজ্জ সর্বশ্রেষ্ঠ?’ তিনি বললেন, “উচ্চ কণ্ঠে তালবিয়্যাহ এবং কুরবানী বিশিষ্ট (হজ্জ)।” (তিরমিযী ৮২৭, দারেমী ১৭৯৭, হাকেম ১/৬২০)
عن أبي بكر الصديق أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم سئل أي الحج أفضل؟ قال العج والثج
হাদিস সম্ভার ১১৬০
عن خلاد بن السائب الأنصارى عن أبيه أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أتانى جبريل صلى اللٰه عليه وسلم فأمرنى أن آمر أصحابى ومن معى أن يرفعوا أصواتهم بالإهلال أو قال بالتلبية
খাল্লাদ বিন সায়েব আনসারী নিজ পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার নিকট জিব্রীল এসে বললেন, আমি যেন আমার সঙ্গী সাহাবাগণকে উচ্চ স্বরে তালবিয়্যাহ পড়তে আদেশ করি। (আহমাদ ৫১৯২, আবূ দাঊদ ১৮১৬, তিরমিযী ৮২৯, নাসাঈ ২৮৫৩, ইবনে মাজাহ ২৯২৩)
খাল্লাদ বিন সায়েব আনসারী নিজ পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার নিকট জিব্রীল এসে বললেন, আমি যেন আমার সঙ্গী সাহাবাগণকে উচ্চ স্বরে তালবিয়্যাহ পড়তে আদেশ করি। (আহমাদ ৫১৯২, আবূ দাঊদ ১৮১৬, তিরমিযী ৮২৯, নাসাঈ ২৮৫৩, ইবনে মাজাহ ২৯২৩)
عن خلاد بن السائب الأنصارى عن أبيه أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أتانى جبريل صلى اللٰه عليه وسلم فأمرنى أن آمر أصحابى ومن معى أن يرفعوا أصواتهم بالإهلال أو قال بالتلبية
হাদিস সম্ভার ১১৬১
عن سهل بن سعد قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يلبي إلا لبى من عن يمينه أو عن شماله من حجر أو شجر أو مدر حتى تنقطع الأرض من هاهنا وهاهنا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মুসলিম তালবিয়্যাহ পাঠ করে, তখনই (তার সাথে) তার ডানে ও বামের পাথর, গাছপালা ও (পাথুরে) মাটি প্রত্যেকেই তালবিয়্যাহ পড়ে থাকে; এমন কি পূর্ব ও পশ্চিম হতে পৃথিবীর শেষ সীমান্তও (তালবিয়্যাহ পাঠ করে থাকে।)” (তিরমিযী ৮২৮, ইবনে মাজাহ ২৯২১)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মুসলিম তালবিয়্যাহ পাঠ করে, তখনই (তার সাথে) তার ডানে ও বামের পাথর, গাছপালা ও (পাথুরে) মাটি প্রত্যেকেই তালবিয়্যাহ পড়ে থাকে; এমন কি পূর্ব ও পশ্চিম হতে পৃথিবীর শেষ সীমান্তও (তালবিয়্যাহ পাঠ করে থাকে।)” (তিরমিযী ৮২৮, ইবনে মাজাহ ২৯২১)
عن سهل بن سعد قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يلبي إلا لبى من عن يمينه أو عن شماله من حجر أو شجر أو مدر حتى تنقطع الأرض من هاهنا وهاهنا
হাদিস সম্ভার > তাওয়াফের মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১১৬২
عن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من طاف بالبيت وصلى ركعتين كان كعتق رقبة
আমি শুনেছি, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কাবাগৃহের তওয়াফ করে দুই রাকআত নামায পড়ে, সে ব্যক্তির একটি ক্রীতদাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হয়।” (ইবনে মাজাহ ২৯৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৭২৫)
আমি শুনেছি, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কাবাগৃহের তওয়াফ করে দুই রাকআত নামায পড়ে, সে ব্যক্তির একটি ক্রীতদাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হয়।” (ইবনে মাজাহ ২৯৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৭২৫)
عن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من طاف بالبيت وصلى ركعتين كان كعتق رقبة
হাদিস সম্ভার ১১৬৩
وعنه قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من طاف سبعا فهو كعدل رقبة
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সাত চক্র তওয়াফ করার সওয়াব একটি ক্রীতদাস স্বাধীন করার সমান।” (নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ ২৭৫৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সাত চক্র তওয়াফ করার সওয়াব একটি ক্রীতদাস স্বাধীন করার সমান।” (নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ ২৭৫৩)
وعنه قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من طاف سبعا فهو كعدل رقبة
হাদিস সম্ভার > রুক্নদ্বয়ের মাহাত্ম্য
হাদিস সম্ভার ১১৬৫
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হাজারে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছিল। পরবর্তীতে আদম সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৭)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হাজারে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা দুধের চেয়েও সাদা ছিল। পরবর্তীতে আদম সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৭)
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم
হাদিস সম্ভার ১১৬৪
عن عبد الله بن عمرو يقول سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لأضاءتا ما بين المشرق والمغرب
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের পদ্মরাগরাজির দুই পদ্মরাগ। আল্লাহ এ দুয়ের নূর (প্রভা) কে নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। যদি উভয়মণির প্রভাকে তিনি নিষ্প্রভ না করতেন, তাহলে উদয় ও অস্তাচল (দিগ্দিগন্ত) কে উভয়ে জ্যোতির্ময় করে রাখত।” (তিরমিযী ৮৭৮, সহীহুল জামে ১৬৩৩)
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, “হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম জান্নাতের পদ্মরাগরাজির দুই পদ্মরাগ। আল্লাহ এ দুয়ের নূর (প্রভা) কে নিষ্প্রভ করে দিয়েছেন। যদি উভয়মণির প্রভাকে তিনি নিষ্প্রভ না করতেন, তাহলে উদয় ও অস্তাচল (দিগ্দিগন্ত) কে উভয়ে জ্যোতির্ময় করে রাখত।” (তিরমিযী ৮৭৮, সহীহুল জামে ১৬৩৩)
عن عبد الله بن عمرو يقول سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول إن الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لأضاءتا ما بين المشرق والمغرب
হাদিস সম্ভার ১১৬৬
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في الحجر والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يبصر بهما ولسان ينطق به يشهد على من استلمه بحق
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই এই পাথর (হাজরে আসওয়াদ) কে কিয়ামতের দিন আল্লাহ উপস্থিত করবেন; এর হবে দুটি চক্ষু, যদ্দ্বারা সে দর্শন করবে। এর হবে জিহ্বা, যদ্দ্বারা সে কথা বলবে; সেদিন সেই ব্যক্তির জন্য সাক্ষ্য দান করবে, যে ব্যক্তি যথার্থরূপে তাকে চুম্বন বা স্পর্শ করবে।” (তিরমিযী ৯৬১, ইবনে মাজাহ ২৯৪৪, দারেমী, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮২)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই এই পাথর (হাজরে আসওয়াদ) কে কিয়ামতের দিন আল্লাহ উপস্থিত করবেন; এর হবে দুটি চক্ষু, যদ্দ্বারা সে দর্শন করবে। এর হবে জিহ্বা, যদ্দ্বারা সে কথা বলবে; সেদিন সেই ব্যক্তির জন্য সাক্ষ্য দান করবে, যে ব্যক্তি যথার্থরূপে তাকে চুম্বন বা স্পর্শ করবে।” (তিরমিযী ৯৬১, ইবনে মাজাহ ২৯৪৪, দারেমী, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮২)
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم في الحجر والله ليبعثنه الله يوم القيامة له عينان يبصر بهما ولسان ينطق به يشهد على من استلمه بحق
হাদিস সম্ভার ১১৬৭
عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن مسحهما يحطان الخطيئة
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(হাজরে আসওয়াদ ও রুক্নে য়্যামানী) উভয়কে স্পর্শ পাপ মোচন করে।” (আহমাদ ৫৭০১, নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ, সহীহ নাসাঈ ২৭৩২)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(হাজরে আসওয়াদ ও রুক্নে য়্যামানী) উভয়কে স্পর্শ পাপ মোচন করে।” (আহমাদ ৫৭০১, নাসাঈ ২৯১৯, ইবনে খুযাইমাহ, সহীহ নাসাঈ ২৭৩২)
عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن مسحهما يحطان الخطيئة
হাদিস সম্ভার ১১৬৯
عن نافع قال رأيت ابن عمر يستلم الحجر بيده ثم قبل يده وقال ما تركته منذ رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفعله
আমি দেখেছি, একদা ইবনে উমার (রাঃ) হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করে হাত চুম্বন দিলেন অতঃপর বললেন, ‘আমি যখন থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তা চুম্বন দিতে দেখেছি, তখন থেকে চুম্বন দিতে ছাড়িনি।’ (মুসলিম ৩১২৪)
আমি দেখেছি, একদা ইবনে উমার (রাঃ) হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করে হাত চুম্বন দিলেন অতঃপর বললেন, ‘আমি যখন থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তা চুম্বন দিতে দেখেছি, তখন থেকে চুম্বন দিতে ছাড়িনি।’ (মুসলিম ৩১২৪)
عن نافع قال رأيت ابن عمر يستلم الحجر بيده ثم قبل يده وقال ما تركته منذ رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفعله
হাদিস সম্ভার ১১৬৮
عن عمر أنه جاء إلى الحجر فقبله فقال إنى أعلم أنك حجر لا تنفع ولا تضر ولولا أنى رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبلك ما قبلتك
উমার (রাঃ) পাথর চুম্বন দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘(হে পাথর!) আমি জানি তুমি একটি পাথর। তুমি কোন উপকার করতে পার না, অপকারও না। যদি আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তোমাকে চুম্বন দিতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন দিতাম না।’ (আহমাদ ৯৯ প্রভৃতি, বুখারী ১৫৯৭, মুসলিম ৩১৩৬-৩১২৯, আবূ দাঊদ ১৮৭৫, তিরমিযী ৮৬০, নাসাঈ ২৯৩৭)
উমার (রাঃ) পাথর চুম্বন দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘(হে পাথর!) আমি জানি তুমি একটি পাথর। তুমি কোন উপকার করতে পার না, অপকারও না। যদি আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তোমাকে চুম্বন দিতে না দেখতাম, তাহলে আমি তোমাকে চুম্বন দিতাম না।’ (আহমাদ ৯৯ প্রভৃতি, বুখারী ১৫৯৭, মুসলিম ৩১৩৬-৩১২৯, আবূ দাঊদ ১৮৭৫, তিরমিযী ৮৬০, নাসাঈ ২৯৩৭)
عن عمر أنه جاء إلى الحجر فقبله فقال إنى أعلم أنك حجر لا تنفع ولا تضر ولولا أنى رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقبلك ما قبلتك
হাদিস সম্ভার ১১৭০
عن عائشة رضي الله عسسنها قالت سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو؟ قال نعم قلت: فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হিজ্র কি কাবার অংশ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”আমি বললাম, ‘তাহলে তা কাবার মধ্যে শামিল নয় কেন?’ বললেন, “তোমার সম্প্রদায়ের অর্থ কম পড়ে গিয়েছিল।” (বুখারী ১৫৮৪, মুসলিম ৩৩১৩)
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হিজ্র কি কাবার অংশ?’ উত্তরে তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”আমি বললাম, ‘তাহলে তা কাবার মধ্যে শামিল নয় কেন?’ বললেন, “তোমার সম্প্রদায়ের অর্থ কম পড়ে গিয়েছিল।” (বুখারী ১৫৮৪, মুসলিম ৩৩১৩)
عن عائشة رضي الله عسسنها قالت سألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو؟ قال نعم قلت: فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة
হাদিস সম্ভার ১১৭১
عن عائشة قالت: كنت أحب أن أدخل البيت فأصلي فيه، فأخذ رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيدي فأدخلني الحجر، فقال صلي في الحجر إن أردت دخول البيت فإنما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فأخرجوه من البيت
‘একদা আমি আগ্রহ প্রকাশ করলাম যে, কাবাগৃহে প্রবেশ করে নামায পড়ব। সুতরাং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরে হিজ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন, “কাবাগৃহের ভিতরে নামায পড়তে চাইলে এখানে নামায পড়। যেহেতু এটিও কাবাগৃহের একটি অংশ। কিন্তু তোমার সম্প্রদায় কাবা নির্মাণের সয়ম সংক্ষেপ করে মূল অংশ থেকে বের করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৬, নাসাঈ ২৯১৫) অন্য এক বর্ণনায় আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, يَا رَسُولَ اللهِ أَلَا أَدْخُلُ الْبَيْتَ؟ قَالَ ادْخُلِي الْحِجْرَ فَإِنَّهُ مِنْ الْبَيْتِ ‘হে আল্লাহর রসূল! কাবা ঘরে প্রবেশ করব না কি?’ তিনি বললেন, “তুমি হিজ্রে প্রবেশ কর। তা কাবা ঘরেরই অংশ।” (নাসাঈ ২৯১৪)
‘একদা আমি আগ্রহ প্রকাশ করলাম যে, কাবাগৃহে প্রবেশ করে নামায পড়ব। সুতরাং আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরে হিজ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন, “কাবাগৃহের ভিতরে নামায পড়তে চাইলে এখানে নামায পড়। যেহেতু এটিও কাবাগৃহের একটি অংশ। কিন্তু তোমার সম্প্রদায় কাবা নির্মাণের সয়ম সংক্ষেপ করে মূল অংশ থেকে বের করে দিয়েছে।” (তিরমিযী ৮৭৬, নাসাঈ ২৯১৫) অন্য এক বর্ণনায় আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, يَا رَسُولَ اللهِ أَلَا أَدْخُلُ الْبَيْتَ؟ قَالَ ادْخُلِي الْحِجْرَ فَإِنَّهُ مِنْ الْبَيْتِ ‘হে আল্লাহর রসূল! কাবা ঘরে প্রবেশ করব না কি?’ তিনি বললেন, “তুমি হিজ্রে প্রবেশ কর। তা কাবা ঘরেরই অংশ।” (নাসাঈ ২৯১৪)
عن عائشة قالت: كنت أحب أن أدخل البيت فأصلي فيه، فأخذ رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيدي فأدخلني الحجر، فقال صلي في الحجر إن أردت دخول البيت فإنما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فأخرجوه من البيت