হাদিস সম্ভার > যুলহিজ্জার চাঁদ উঠার পর কুরবানী হওয়া পর্যন্ত কুরবানী করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির নিজ নখ, চুল-গোঁফ ইত্যাদি কাটা নিষিদ্ধ

হাদিস সম্ভার ১১৫৬

عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من كان له ذبح يذبحه فإذا أهل هلال ذي الحجة فلا يأخذن من شعره ولا من أظفاره شيئا حتى يضحي رواه مسلم

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না কাটে।” (মুসলিম ৫২৩৬) অন্য এক বর্ণনায় বলেন, “সে যেন তার (মরা বা ফাটা) চর্মাদির কিছুও স্পর্শ না করে।” (মুসলিম ৫২৩২)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না কাটে।” (মুসলিম ৫২৩৬) অন্য এক বর্ণনায় বলেন, “সে যেন তার (মরা বা ফাটা) চর্মাদির কিছুও স্পর্শ না করে।” (মুসলিম ৫২৩২)

عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من كان له ذبح يذبحه فإذا أهل هلال ذي الحجة فلا يأخذن من شعره ولا من أظفاره شيئا حتى يضحي رواه مسلم


হাদিস সম্ভার > ইহরাম

হাদিস সম্ভার ১৫৭

عن عائشة قالت خرجنا مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم لا نذكر إلا الحج فلما جئنا سرف طمثت فدخل علي النبي صلى اللٰه عليه وسلم وأنا أبكي فقال ما يبكيك قلت لوددت والله أني لم أحج العام، قال لعلك نفست قلت نعم، قال فإن ذلك شيء كتبه الله على بنات آدم، فافعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري

আয়েশা (রাঃ) হজ্জ সফরে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলেন। রাস্তায় তাঁর ঋতু শুরু হয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি কাঁদতে লাগি। সেই সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকটে এলেন। বললেন, “কাঁদছ কেন?” আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! যদি এ বছরে হজ্জে বের না হতাম (তাহলে ভাল হত)!’ তিনি বললেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাসিক শুরু হয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “এটি তো এমন জিনিস যা আদম কন্যাদের উপর আল্লাহ অনিবার্য করেছেন। সুতরাং তুমি হাজী যা করে তাই কর, তবে পবিত্রা না হওয়া পর্যন্ত তওয়াফ করো না।” (বুখারী ২৯৪, ৩০৫, মুসলিম ২৯৭৭)

আয়েশা (রাঃ) হজ্জ সফরে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলেন। রাস্তায় তাঁর ঋতু শুরু হয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি কাঁদতে লাগি। সেই সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকটে এলেন। বললেন, “কাঁদছ কেন?” আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! যদি এ বছরে হজ্জে বের না হতাম (তাহলে ভাল হত)!’ তিনি বললেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাসিক শুরু হয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “এটি তো এমন জিনিস যা আদম কন্যাদের উপর আল্লাহ অনিবার্য করেছেন। সুতরাং তুমি হাজী যা করে তাই কর, তবে পবিত্রা না হওয়া পর্যন্ত তওয়াফ করো না।” (বুখারী ২৯৪, ৩০৫, মুসলিম ২৯৭৭)

عن عائشة قالت خرجنا مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم لا نذكر إلا الحج فلما جئنا سرف طمثت فدخل علي النبي صلى اللٰه عليه وسلم وأنا أبكي فقال ما يبكيك قلت لوددت والله أني لم أحج العام، قال لعلك نفست قلت نعم، قال فإن ذلك شيء كتبه الله على بنات آدم، فافعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري


হাদিস সম্ভার > ফিদ্‌য়াহ ও দম

হাদিস সম্ভার ১১৫৮

عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)

عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة


হাদিস সম্ভার > তালবিয়্যাহর মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৫৯

عن أبي بكر الصديق أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم سئل أي الحج أفضل؟ قال العج والثج

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসিত হলেন, ‘কোন হজ্জ সর্বশ্রেষ্ঠ?’ তিনি বললেন, “উচ্চ কণ্ঠে তালবিয়্যাহ এবং কুরবানী বিশিষ্ট (হজ্জ)।” (তিরমিযী ৮২৭, দারেমী ১৭৯৭, হাকেম ১/৬২০)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসিত হলেন, ‘কোন হজ্জ সর্বশ্রেষ্ঠ?’ তিনি বললেন, “উচ্চ কণ্ঠে তালবিয়্যাহ এবং কুরবানী বিশিষ্ট (হজ্জ)।” (তিরমিযী ৮২৭, দারেমী ১৭৯৭, হাকেম ১/৬২০)

عن أبي بكر الصديق أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم سئل أي الحج أفضل؟ قال العج والثج


হাদিস সম্ভার ১১৬০

عن خلاد بن السائب الأنصارى عن أبيه أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أتانى جبريل صلى اللٰه عليه وسلم فأمرنى أن آمر أصحابى ومن معى أن يرفعوا أصواتهم بالإهلال أو قال بالتلبية

খাল্লাদ বিন সায়েব আনসারী নিজ পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার নিকট জিব্রীল এসে বললেন, আমি যেন আমার সঙ্গী সাহাবাগণকে উচ্চ স্বরে তালবিয়্যাহ পড়তে আদেশ করি। (আহমাদ ৫১৯২, আবূ দাঊদ ১৮১৬, তিরমিযী ৮২৯, নাসাঈ ২৮৫৩, ইবনে মাজাহ ২৯২৩)

খাল্লাদ বিন সায়েব আনসারী নিজ পিতা হতে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার নিকট জিব্রীল এসে বললেন, আমি যেন আমার সঙ্গী সাহাবাগণকে উচ্চ স্বরে তালবিয়্যাহ পড়তে আদেশ করি। (আহমাদ ৫১৯২, আবূ দাঊদ ১৮১৬, তিরমিযী ৮২৯, নাসাঈ ২৮৫৩, ইবনে মাজাহ ২৯২৩)

عن خلاد بن السائب الأنصارى عن أبيه أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أتانى جبريل صلى اللٰه عليه وسلم فأمرنى أن آمر أصحابى ومن معى أن يرفعوا أصواتهم بالإهلال أو قال بالتلبية


হাদিস সম্ভার ১১৬১

عن سهل بن سعد قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يلبي إلا لبى من عن يمينه أو عن شماله من حجر أو شجر أو مدر حتى تنقطع الأرض من هاهنا وهاهنا

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মুসলিম তালবিয়্যাহ পাঠ করে, তখনই (তার সাথে) তার ডানে ও বামের পাথর, গাছপালা ও (পাথুরে) মাটি প্রত্যেকেই তালবিয়্যাহ পড়ে থাকে; এমন কি পূর্ব ও পশ্চিম হতে পৃথিবীর শেষ সীমান্তও (তালবিয়্যাহ পাঠ করে থাকে।)” (তিরমিযী ৮২৮, ইবনে মাজাহ ২৯২১)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখনই কোন মুসলিম তালবিয়্যাহ পাঠ করে, তখনই (তার সাথে) তার ডানে ও বামের পাথর, গাছপালা ও (পাথুরে) মাটি প্রত্যেকেই তালবিয়্যাহ পড়ে থাকে; এমন কি পূর্ব ও পশ্চিম হতে পৃথিবীর শেষ সীমান্তও (তালবিয়্যাহ পাঠ করে থাকে।)” (তিরমিযী ৮২৮, ইবনে মাজাহ ২৯২১)

عن سهل بن سعد قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يلبي إلا لبى من عن يمينه أو عن شماله من حجر أو شجر أو مدر حتى تنقطع الأرض من هاهنا وهاهنا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00