হাদিস সম্ভার > রমযানে উমরাহ করার মাহাত্ম্য

হাদিস সম্ভার ১১৫৪

وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال عمرة في رمضان تعدل حجة أو حجة معي

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাহে রমযানের উমরাহ একটি হজ্জের সমতুল্য অথবা আমার সঙ্গে হজ্জ করার সমতুল্য।” (বুখারী ১৭৮২, ১৮৬৩, মুসলিম ৩০৯৭-৩০৯৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাহে রমযানের উমরাহ একটি হজ্জের সমতুল্য অথবা আমার সঙ্গে হজ্জ করার সমতুল্য।” (বুখারী ১৭৮২, ১৮৬৩, মুসলিম ৩০৯৭-৩০৯৮)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال عمرة في رمضان تعدل حجة أو حجة معي


হাদিস সম্ভার ১১৫৫

عن ابن عباس أن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لامرأة من الأنصار يقال لها أم سنان ما منعك أن تكونى حججت معنا قالت ناضحان كانا لأبى فلان زوجها حج هو وابنه على أحدهما وكان الآخر يسقى عليه غلامنا قال فعمرة فى رمضان تقضى حجة أو حجة معى

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসার গোত্রের উম্মে সিনান নাম্নী এক মহিলাকে বললেন, “আমাদের সাথে হজ্জ করতে তোমাকে কে বাধা দিল?” মহিলাটি বলল, ‘অমুকের বাপের (স্বামীর) মাত্র দুটি সেচনকারী উট ছিল; তার মধ্যে একটি নিয়ে ওরা বাপ-বেটায় হজ্জে গিয়েছিল। আর অপরটি দিয়ে আমাদের এক খেজুর বাগান সেচতে হচ্ছিল। (তাই আমার সওয়ার হয়ে যাওয়ার মত আর উট ছিল না।) তিনি বললেন, “তাহলে রমযানে একটি উমরাহ একটি হজ্জের অথবা আমার সাথে একটি হজ্জ করার সমান সওয়াব রয়েছে। (অতএব তা তুমি করে ফেল।)” (বুখারী ১৮৬৩, মুসলিম ৩০৯৭-৩০৯৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসার গোত্রের উম্মে সিনান নাম্নী এক মহিলাকে বললেন, “আমাদের সাথে হজ্জ করতে তোমাকে কে বাধা দিল?” মহিলাটি বলল, ‘অমুকের বাপের (স্বামীর) মাত্র দুটি সেচনকারী উট ছিল; তার মধ্যে একটি নিয়ে ওরা বাপ-বেটায় হজ্জে গিয়েছিল। আর অপরটি দিয়ে আমাদের এক খেজুর বাগান সেচতে হচ্ছিল। (তাই আমার সওয়ার হয়ে যাওয়ার মত আর উট ছিল না।) তিনি বললেন, “তাহলে রমযানে একটি উমরাহ একটি হজ্জের অথবা আমার সাথে একটি হজ্জ করার সমান সওয়াব রয়েছে। (অতএব তা তুমি করে ফেল।)” (বুখারী ১৮৬৩, মুসলিম ৩০৯৭-৩০৯৮)

عن ابن عباس أن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لامرأة من الأنصار يقال لها أم سنان ما منعك أن تكونى حججت معنا قالت ناضحان كانا لأبى فلان زوجها حج هو وابنه على أحدهما وكان الآخر يسقى عليه غلامنا قال فعمرة فى رمضان تقضى حجة أو حجة معى


হাদিস সম্ভার > যুলহিজ্জার চাঁদ উঠার পর কুরবানী হওয়া পর্যন্ত কুরবানী করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির নিজ নখ, চুল-গোঁফ ইত্যাদি কাটা নিষিদ্ধ

হাদিস সম্ভার ১১৫৬

عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من كان له ذبح يذبحه فإذا أهل هلال ذي الحجة فلا يأخذن من شعره ولا من أظفاره شيئا حتى يضحي رواه مسلم

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না কাটে।” (মুসলিম ৫২৩৬) অন্য এক বর্ণনায় বলেন, “সে যেন তার (মরা বা ফাটা) চর্মাদির কিছুও স্পর্শ না করে।” (মুসলিম ৫২৩২)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না কাটে।” (মুসলিম ৫২৩৬) অন্য এক বর্ণনায় বলেন, “সে যেন তার (মরা বা ফাটা) চর্মাদির কিছুও স্পর্শ না করে।” (মুসলিম ৫২৩২)

عن أم سلمة رضي الله عنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من كان له ذبح يذبحه فإذا أهل هلال ذي الحجة فلا يأخذن من شعره ولا من أظفاره شيئا حتى يضحي رواه مسلم


হাদিস সম্ভার > ইহরাম

হাদিস সম্ভার ১৫৭

عن عائشة قالت خرجنا مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم لا نذكر إلا الحج فلما جئنا سرف طمثت فدخل علي النبي صلى اللٰه عليه وسلم وأنا أبكي فقال ما يبكيك قلت لوددت والله أني لم أحج العام، قال لعلك نفست قلت نعم، قال فإن ذلك شيء كتبه الله على بنات آدم، فافعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري

আয়েশা (রাঃ) হজ্জ সফরে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলেন। রাস্তায় তাঁর ঋতু শুরু হয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি কাঁদতে লাগি। সেই সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকটে এলেন। বললেন, “কাঁদছ কেন?” আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! যদি এ বছরে হজ্জে বের না হতাম (তাহলে ভাল হত)!’ তিনি বললেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাসিক শুরু হয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “এটি তো এমন জিনিস যা আদম কন্যাদের উপর আল্লাহ অনিবার্য করেছেন। সুতরাং তুমি হাজী যা করে তাই কর, তবে পবিত্রা না হওয়া পর্যন্ত তওয়াফ করো না।” (বুখারী ২৯৪, ৩০৫, মুসলিম ২৯৭৭)

আয়েশা (রাঃ) হজ্জ সফরে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলেন। রাস্তায় তাঁর ঋতু শুরু হয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি কাঁদতে লাগি। সেই সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকটে এলেন। বললেন, “কাঁদছ কেন?” আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! যদি এ বছরে হজ্জে বের না হতাম (তাহলে ভাল হত)!’ তিনি বললেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাসিক শুরু হয়েছে?” আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “এটি তো এমন জিনিস যা আদম কন্যাদের উপর আল্লাহ অনিবার্য করেছেন। সুতরাং তুমি হাজী যা করে তাই কর, তবে পবিত্রা না হওয়া পর্যন্ত তওয়াফ করো না।” (বুখারী ২৯৪, ৩০৫, মুসলিম ২৯৭৭)

عن عائشة قالت خرجنا مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم لا نذكر إلا الحج فلما جئنا سرف طمثت فدخل علي النبي صلى اللٰه عليه وسلم وأنا أبكي فقال ما يبكيك قلت لوددت والله أني لم أحج العام، قال لعلك نفست قلت نعم، قال فإن ذلك شيء كتبه الله على بنات آدم، فافعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت حتى تطهري


হাদিস সম্ভার > ফিদ্‌য়াহ ও দম

হাদিস সম্ভার ১১৫৮

عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাব বিন উজরাহকে বলেছিলেন, “সম্ভবতঃ তোমার মাথার উকুনগুলি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?” বললেন, ‘হ্যাঁ, আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তোমার মাথা মুন্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম রাখ, কিংবা ছয়টি মিসকীন খাওয়াও, কিংবা একটি ছাগ কুরবানী কর।” (বুখারী ১৮১৪, মুসলিম ২৯৩৬-২৯৩৮)

عن كعب بن عجرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أنه قال لعلك آذاك هوامك قال نعم يا رسول الله، فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00