হাদিস সম্ভার > শাবানের সিয়াম
হাদিস সম্ভার ১১১৫
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم استكمل صيام شهر إلا رمضان وما رأيته أكثر صياما منه في شعبان
‘আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রমযান ছাড়া অন্য কোন মাস সম্পূর্ণ সিয়াম রাখতে দেখিনি। আর শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসের অধিকাংশ দিনগুলিতে তাঁকে সিয়াম রাখতে দেখিনি।’ (আহমাদ, বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ২৭৭৭, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
‘আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রমযান ছাড়া অন্য কোন মাস সম্পূর্ণ সিয়াম রাখতে দেখিনি। আর শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসের অধিকাংশ দিনগুলিতে তাঁকে সিয়াম রাখতে দেখিনি।’ (আহমাদ, বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ২৭৭৭, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم استكمل صيام شهر إلا رمضان وما رأيته أكثر صياما منه في شعبان
হাদিস সম্ভার ১১১৬
عن عائشة رضي الله عنها قالت : لم يكن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من شهر أكثر من شعبان فإنه كان يصوم شعبان كله وفي رواية : كان يصوم شعبان إلا قليلا متفق عليه
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শাবান মাস চাইতে বেশি নফল সিয়াম অন্য কোন মাসে রাখতেন না। নিঃসন্দেহে তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ অন্য বর্ণনায় আছে, ‘অল্প কিছুদিন ছাড়া তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ (বুখারী ১৯৭০, মুসলিম ২৭৭৮)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শাবান মাস চাইতে বেশি নফল সিয়াম অন্য কোন মাসে রাখতেন না। নিঃসন্দেহে তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ অন্য বর্ণনায় আছে, ‘অল্প কিছুদিন ছাড়া তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ (বুখারী ১৯৭০, মুসলিম ২৭৭৮)
عن عائشة رضي الله عنها قالت : لم يكن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من شهر أكثر من شعبان فإنه كان يصوم شعبان كله وفي رواية : كان يصوم شعبان إلا قليلا متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১১১৭
عن أسامة بن زيد : قال: قلت يا رسول الله لم أرك تصوم شهرا من الشهور ما تصوم من شعبان، قال ذلك شهر يغفل الناس عنه بين رجب ورمضان وهو شهر ترفع فيه الأعمال إلى رب العالمين فأحب أن يرفع عملى وأنا صائم
তিনি বলেন, ‘একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে শাবান মাসে যত সিয়াম রাখতে দেখি তত অন্য কোন মাসে তো রাখতে দেখি না, (এর রহস্য কী)?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এটা তো সেই মাস, যে মাস সম্বন্ধে মানুষ উদাসীন, যা হল রজব ও রমযানের মাঝে। আর এটা তো সেই মাস; যাতে বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের নিকট আমলসমূহ পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, সিয়াম রাখা অবস্থায় আমার আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হোক। (আহমাদ ২১৭৫৩, নাসাঈ ২৩৫৭, সহীহ তারগীব ১০০৮, তামামুল মিন্নাহ ৪১২পৃঃ)
তিনি বলেন, ‘একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে শাবান মাসে যত সিয়াম রাখতে দেখি তত অন্য কোন মাসে তো রাখতে দেখি না, (এর রহস্য কী)?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এটা তো সেই মাস, যে মাস সম্বন্ধে মানুষ উদাসীন, যা হল রজব ও রমযানের মাঝে। আর এটা তো সেই মাস; যাতে বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের নিকট আমলসমূহ পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, সিয়াম রাখা অবস্থায় আমার আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হোক। (আহমাদ ২১৭৫৩, নাসাঈ ২৩৫৭, সহীহ তারগীব ১০০৮, তামামুল মিন্নাহ ৪১২পৃঃ)
عن أسامة بن زيد : قال: قلت يا رسول الله لم أرك تصوم شهرا من الشهور ما تصوم من شعبان، قال ذلك شهر يغفل الناس عنه بين رجب ورمضان وهو شهر ترفع فيه الأعمال إلى رب العالمين فأحب أن يرفع عملى وأنا صائم
হাদিস সম্ভার > অর্ধ শাবানের পর রমযানের এক বা দুই দিন আগে থেকে সিয়াম রাখা নিষেধ। তবে সেই ব্যক্তির জন্য অনুমতি রয়েছে যার সিয়াম পূর্বের সিয়ামের সাথে মিলিত হয়ে অথবা সোমবার ও বৃহস্পতিবার সিয়াম রাখতে অভ্যস্ত হয়ে ঐ দিনে পড়ে।
হাদিস সম্ভার ১১১৮
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يتقدمن أحدكم رمضان بصوم يوم أو يومين إلا أن يكون رجل كان يصوم صومه فليصم ذلك اليوم متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন রমযান মাসের এক বা দুই দিন আগে (শাবানের শেষে) সিয়াম পালন শুরু না করে। অবশ্য সেই ব্যক্তি সিয়াম রাখতে পারে, যে ঐ দিনে সিয়াম রাখতে অভ্যস্ত।” (বুখারী ১৯১৪, মুসলিম ২৫৭০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন রমযান মাসের এক বা দুই দিন আগে (শাবানের শেষে) সিয়াম পালন শুরু না করে। অবশ্য সেই ব্যক্তি সিয়াম রাখতে পারে, যে ঐ দিনে সিয়াম রাখতে অভ্যস্ত।” (বুখারী ১৯১৪, মুসলিম ২৫৭০)
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يتقدمن أحدكم رمضان بصوم يوم أو يومين إلا أن يكون رجل كان يصوم صومه فليصم ذلك اليوم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১১১৯
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تصوموا قبل رمضان صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته فإن حالت دونه غياية فأكملوا ثلاثين يومارواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা রমযানের পূর্বে সিয়াম রেখো না। তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখ এবং চাঁদ দেখে সিয়াম ছাড়। আর যদি তার সামনে কোন মেঘ আড়াল করে, তবে (মাসের) ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।” (তিরমিযী ৬৮৮, হাসান সহীহ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা রমযানের পূর্বে সিয়াম রেখো না। তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখ এবং চাঁদ দেখে সিয়াম ছাড়। আর যদি তার সামনে কোন মেঘ আড়াল করে, তবে (মাসের) ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।” (তিরমিযী ৬৮৮, হাসান সহীহ)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا تصوموا قبل رمضان صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته فإن حالت دونه غياية فأكملوا ثلاثين يومارواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার ১১২১
وعن أبي اليقظان عمار بن ياسر رضي الله عنهما قال : من صام اليوم الذي يشك فيه فقد عصى أبا القاسم صلى اللٰه عليه وسلم رواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح
তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে সিয়াম রাখল, সে অবশ্যই আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নাফরমানী করল।’ (আবূ দাঊদ ২৩৩৬, তিরমিযী ৬৮৬, হাসান সহীহ)
তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে সিয়াম রাখল, সে অবশ্যই আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নাফরমানী করল।’ (আবূ দাঊদ ২৩৩৬, তিরমিযী ৬৮৬, হাসান সহীহ)
وعن أبي اليقظان عمار بن ياسر رضي الله عنهما قال : من صام اليوم الذي يشك فيه فقد عصى أبا القاسم صلى اللٰه عليه وسلم رواه أبو داود والترمذي وقالحديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার ১১২০
وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا بقي نصف من شعبان فلا تصوموا رواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন শাবান মাসের অর্ধেক বাকী থাকবে, তখন তোমরা সিয়াম রাখবে না।” (তিরমিযী ৭৩৮, হাসান সহীহ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন শাবান মাসের অর্ধেক বাকী থাকবে, তখন তোমরা সিয়াম রাখবে না।” (তিরমিযী ৭৩৮, হাসান সহীহ)
وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا بقي نصف من شعبان فلا تصوموا رواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার > দাঊদী সিয়াম
হাদিস সম্ভার ১১২২
عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় সিয়াম হল দাঊদ (আঃ)-এর রোযা। আর আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় নামায হল দাঊদ (আঃ)-এর নামায। তিনি অর্ধ রাত্রি ঘুমাতেন। অতঃপর তৃতীয় প্রহরে নামায পড়ে পুনরায় ষষ্ঠভাগে ঘুমাতেন, আর তিনি একদিন পানাহার করতেন ও পরদিন সিয়াম রাখতেন।” (বুখারী১১৩১, মুসলিম ২৭৯৬, আবু দাঊদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় সিয়াম হল দাঊদ (আঃ)-এর রোযা। আর আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় নামায হল দাঊদ (আঃ)-এর নামায। তিনি অর্ধ রাত্রি ঘুমাতেন। অতঃপর তৃতীয় প্রহরে নামায পড়ে পুনরায় ষষ্ঠভাগে ঘুমাতেন, আর তিনি একদিন পানাহার করতেন ও পরদিন সিয়াম রাখতেন।” (বুখারী১১৩১, মুসলিম ২৭৯৬, আবু দাঊদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما
হাদিস সম্ভার > সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে দুই বা ততোধিক দিন ধরে বিনা পানাহারে সিয়াম রাখা হারাম
হাদিস সম্ভার ১১২৩
عن أبي هريرة وعائشة رضي الله عنهما : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم نهى عن الوصال متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৭২৪২, মুসলিম ২৬২১-২৬২২)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৭২৪২, মুসলিম ২৬২১-২৬২২)
عن أبي هريرة وعائشة رضي الله عنهما : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم نهى عن الوصال متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১১২৪
وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : نهى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن الوصال قالوا : إنك تواصل ؟ قالإني لست مثلكم إني أطعم وأسقى متفق عليه وهذا لفظ البخاري
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওমে বিসাল রাখতে নিষেধ করলেন। লোকেরা নিবেদন করল, ‘আপনি তো সওমে বিসাল রাখেন? তিনি বললেন, “(এ বিষয়ে) আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) পানাহার করানো হয়।” (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ২৬১৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওমে বিসাল রাখতে নিষেধ করলেন। লোকেরা নিবেদন করল, ‘আপনি তো সওমে বিসাল রাখেন? তিনি বললেন, “(এ বিষয়ে) আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) পানাহার করানো হয়।” (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ২৬১৮)
وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : نهى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن الوصال قالوا : إنك تواصل ؟ قالإني لست مثلكم إني أطعم وأسقى متفق عليه وهذا لفظ البخاري
হাদিস সম্ভার ১১২৫
عن أبي موسى عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام الدهر ضيقت عليه جهنم هكذا وقبض كفه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সমস্ত দিনগুলি সিয়াম রাখে, তার প্রতি জাহান্নামকে এত সংকীর্ণ করা হয়, পরিশেষে তা এতটুকু হয়ে যায়।”আর এ কথা বলার সাথে সাথে তিনি তাঁর হাতের মুঠোকে বন্ধ করলেন। (আহমাদ ১৯৭১৩, বাইহাকী ৮২৬০,ইবনে হিব্বান ৩৫৮৪, ইবনে খুযাইমা ২১৫৪, ২১৫৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সমস্ত দিনগুলি সিয়াম রাখে, তার প্রতি জাহান্নামকে এত সংকীর্ণ করা হয়, পরিশেষে তা এতটুকু হয়ে যায়।”আর এ কথা বলার সাথে সাথে তিনি তাঁর হাতের মুঠোকে বন্ধ করলেন। (আহমাদ ১৯৭১৩, বাইহাকী ৮২৬০,ইবনে হিব্বান ৩৫৮৪, ইবনে খুযাইমা ২১৫৪, ২১৫৫)
عن أبي موسى عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام الدهر ضيقت عليه جهنم هكذا وقبض كفه