হাদিস সম্ভার > রমযানের সিয়াম ফরয, তার ফযীলত ও আনুষঙ্গিক জ্ঞাতব্য বিষয়াবলী
হাদিস সম্ভার ১০৪১
و عن سهل بن سعد عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن في الجنة بابا يقال له : الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل منه أحد غيرهم يقال : أين الصائمون ؟ فيقومون لا يدخل منه أحد غيرهم فإذا دخلوا أغلق فلم يدخل منه أحد متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জান্নাতের মধ্যে এমন একটি দরজা আছে, যার নাম হল ‘রাইয়ান’; সেখান দিয়ে কেবল সিয়াম পালনকারী গণই কিয়ামতের দিনে প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া আর কেউ সেদিক দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে, ‘সিয়াম পালনকারীরা কোথায়?’ তখন তারা দন্ডায়মান হবে। (এবং ঐ দরজা দিয়ে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে) তারপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর সেখান দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।” (বুখারী ১৮৯৬, মুসলিম ২৭৬৬)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জান্নাতের মধ্যে এমন একটি দরজা আছে, যার নাম হল ‘রাইয়ান’; সেখান দিয়ে কেবল সিয়াম পালনকারী গণই কিয়ামতের দিনে প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া আর কেউ সেদিক দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে, ‘সিয়াম পালনকারীরা কোথায়?’ তখন তারা দন্ডায়মান হবে। (এবং ঐ দরজা দিয়ে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে) তারপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর সেখান দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।” (বুখারী ১৮৯৬, মুসলিম ২৭৬৬)
و عن سهل بن سعد عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن في الجنة بابا يقال له : الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل منه أحد غيرهم يقال : أين الصائمون ؟ فيقومون لا يدخل منه أحد غيرهم فإذا دخلوا أغلق فلم يدخل منه أحد متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৪২
وعن أبي سعيد الخدري صلى اللٰه عليه وسلم قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (অর্থাৎ, জিহাদকালীন বা প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনকল্পে) একদিন সিয়াম রাখবে, আল্লাহ ঐ একদিন সিয়ামের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছর (পরিমাণ পথ) দূরে রাখবেন।” (বুখারী ২৮৪০, মুসলিম ২৭৬৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (অর্থাৎ, জিহাদকালীন বা প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনকল্পে) একদিন সিয়াম রাখবে, আল্লাহ ঐ একদিন সিয়ামের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছর (পরিমাণ পথ) দূরে রাখবেন।” (বুখারী ২৮৪০, মুসলিম ২৭৬৭)
وعن أبي سعيد الخدري صلى اللٰه عليه وسلم قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৪৩
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানের সিয়াম পালন করে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৮, মুসলিম ১৮১৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানের সিয়াম পালন করে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৮, মুসলিম ১৮১৭)
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৪০
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أنفق زوجين في سبيل الله نودي من أبواب الجنة يا عبد الله هذا خير فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقةقال أبو بكر بأبي أنت وأمي يا رسول الله ما على من دعي من تلك الأبواب من ضرورة فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ فقال نعم وأرجو أن تكون منهم متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়া বস্তু ব্যয় করে, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে, ‘হে আল্লাহর বান্দাহ! এ দরজাটি উত্তম (এদিকে এস)।’ সুতরাং যে নামাযীদের দলভুক্ত হবে, তাকে নামাযের দরজা থেকে ডাক দেওয়া হবে। আর যে মুজাহিদদের দলভুক্ত হবে। তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী দের দলভুক্ত হবে, তাকে ‘রাইয়ান’ নামক দরজা থেকে আহবান করা হবে। আর দাতাকে দানের দরজা থেকে ডাকা হবে।” এ সব শুনে আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, যাকে ডাকা হবে, তার ঐ সকল দরজার তো কোন প্রয়োজন নেই। (কেননা মুখ্য উদ্দেশ্য হল, কোনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করা।) কিন্তু এমন কেউ হবে কি, যাকে উক্ত সকল দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আর আশা করি, তুমি তাদের দলভুক্ত হবে।” (বুখারী ১৮৯৭, মুসলিম ২৪১৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়া বস্তু ব্যয় করে, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে, ‘হে আল্লাহর বান্দাহ! এ দরজাটি উত্তম (এদিকে এস)।’ সুতরাং যে নামাযীদের দলভুক্ত হবে, তাকে নামাযের দরজা থেকে ডাক দেওয়া হবে। আর যে মুজাহিদদের দলভুক্ত হবে। তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী দের দলভুক্ত হবে, তাকে ‘রাইয়ান’ নামক দরজা থেকে আহবান করা হবে। আর দাতাকে দানের দরজা থেকে ডাকা হবে।” এ সব শুনে আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, যাকে ডাকা হবে, তার ঐ সকল দরজার তো কোন প্রয়োজন নেই। (কেননা মুখ্য উদ্দেশ্য হল, কোনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করা।) কিন্তু এমন কেউ হবে কি, যাকে উক্ত সকল দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আর আশা করি, তুমি তাদের দলভুক্ত হবে।” (বুখারী ১৮৯৭, মুসলিম ২৪১৮)
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أنفق زوجين في سبيل الله نودي من أبواب الجنة يا عبد الله هذا خير فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقةقال أبو بكر بأبي أنت وأمي يا رسول الله ما على من دعي من تلك الأبواب من ضرورة فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ فقال نعم وأرجو أن تكون منهم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৩৯
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الله عز وجل : كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث ولا يصخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل: إني صائم والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك للصائم فرحتان وفي رواية لمسلمكل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمئة ضعف قال الله تعالى: إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به؛ يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان: فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই; কিন্তু রোযা স্বতন্ত্র, তা আমারই জন্য, আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ অতএব তোমাদের কেউ যেন সিয়ামের দিনে অশ্লীল না বলে এবং হৈ-হট্টগোল না করে। আর যদি কেউ তাকে গালি-গালাজ করে অথবা তার সাথে লড়াই-ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি সিয়াম রেখেছি।’ সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন আছে, নিঃসন্দেহে রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা বেশী উৎকৃষ্ট। রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মূহূর্ত রয়েছে, তখন সে আনন্দিত হয়; (১) যখন সে ইফতার করে (ইফতারের জন্য সে আনন্দিত হয়)। আর (২) যখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, স্বীয় সিয়ামের জন্য সে আনন্দিত হবে।” (বুখারী ১৯০৪, মুসলিম ২৭৬২, এই শব্দগুলি বুখারীর) বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে, ‘সে (সিয়াম পালনকারী ) পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করে একমাত্র আমারই জন্য। সিয়াম আমার জন্যই। আর আমি নিজে তার পুরস্কার দেব। আর প্রত্যেক নেকী দশগুণ বর্ধিত হয়।’ (বুখারী ১৮৯৪) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “আদম সন্তানের প্রত্যেক সৎকর্ম কয়েকগুণ বর্ধিত করা হয়। একটি নেকী দশগুণ থেকে নিয়ে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু রোযা ছাড়া। কেননা, তা আমার উদ্দেশ্যে (পালিত) হয়। আর আমি নিজেই তার পুরস্কার দেব। সে পানাহার ও কাম প্রবৃত্তি আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) উদ্দেশ্যেই বর্জন করে।’ রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মুহূর্ত রয়েছে। একটি আনন্দ হল ইফতারের সময়, আর অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎকালে। আর নিশ্চয় তার মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা অধিক উৎকৃষ্ট।” (মুসলিম ২৭৬৩)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই; কিন্তু রোযা স্বতন্ত্র, তা আমারই জন্য, আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ অতএব তোমাদের কেউ যেন সিয়ামের দিনে অশ্লীল না বলে এবং হৈ-হট্টগোল না করে। আর যদি কেউ তাকে গালি-গালাজ করে অথবা তার সাথে লড়াই-ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি সিয়াম রেখেছি।’ সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন আছে, নিঃসন্দেহে রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা বেশী উৎকৃষ্ট। রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মূহূর্ত রয়েছে, তখন সে আনন্দিত হয়; (১) যখন সে ইফতার করে (ইফতারের জন্য সে আনন্দিত হয়)। আর (২) যখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, স্বীয় সিয়ামের জন্য সে আনন্দিত হবে।” (বুখারী ১৯০৪, মুসলিম ২৭৬২, এই শব্দগুলি বুখারীর) বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে, ‘সে (সিয়াম পালনকারী ) পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করে একমাত্র আমারই জন্য। সিয়াম আমার জন্যই। আর আমি নিজে তার পুরস্কার দেব। আর প্রত্যেক নেকী দশগুণ বর্ধিত হয়।’ (বুখারী ১৮৯৪) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “আদম সন্তানের প্রত্যেক সৎকর্ম কয়েকগুণ বর্ধিত করা হয়। একটি নেকী দশগুণ থেকে নিয়ে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু রোযা ছাড়া। কেননা, তা আমার উদ্দেশ্যে (পালিত) হয়। আর আমি নিজেই তার পুরস্কার দেব। সে পানাহার ও কাম প্রবৃত্তি আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) উদ্দেশ্যেই বর্জন করে।’ রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মুহূর্ত রয়েছে। একটি আনন্দ হল ইফতারের সময়, আর অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎকালে। আর নিশ্চয় তার মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা অধিক উৎকৃষ্ট।” (মুসলিম ২৭৬৩)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الله عز وجل : كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث ولا يصخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل: إني صائم والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك للصائم فرحتان وفي رواية لمسلمكل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمئة ضعف قال الله تعالى: إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به؛ يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان: فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك
হাদিস সম্ভার > শবে ক্বদরের ফযীলত এবং সর্বাধিক সম্ভাবনাময় রাত্রি প্রসঙ্গে
হাদিস সম্ভার ১০৭৮
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে এবং সওয়াবের আশা রেখে রমযানের সিয়াম রাখে, তার পূর্বেকার পাপরাশি মাফ হয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি শবেক্বদরে (ভাগ্যরজনী অথবা মহিয়সী রজনীতে) ঈমানসহ নেকীর আশায় কিয়াম করে (সালাত পড়ে), তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৫, ১৯০১, ২০১৪, মুসলিম ১৮১৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে এবং সওয়াবের আশা রেখে রমযানের সিয়াম রাখে, তার পূর্বেকার পাপরাশি মাফ হয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি শবেক্বদরে (ভাগ্যরজনী অথবা মহিয়সী রজনীতে) ঈমানসহ নেকীর আশায় কিয়াম করে (সালাত পড়ে), তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৫, ১৯০১, ২০১৪, মুসলিম ১৮১৭)
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৭৯
وعن ابن عمر رضي الله عنهما : أن رجالا من أصحاب النبي صلى اللٰه عليه وسلم أروا ليلة القدر في المنام في السبع الأواخر فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أرى رؤياكم قد تواطأت في السبع الأواخر فمن كان متحريها فليتحرها في السبع الأواخر متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কিছু সাহাবাকে স্বপ্নযোগে (রমযান মাসের) শেষ সাত রাতের মধ্যে শবেক্বদর দেখানো হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি দেখছি যে, শেষ সাত রাতের ব্যাপারে তোমাদের স্বপ্নগুলি পরস্পরের মুতাবিক। সুতরাং যে ব্যক্তি শবেক্বদর অনুসন্ধানী হবে, সে যেন শেষ সাত রাতে তা অনুসন্ধান করে।” (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ২৮১৮)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কিছু সাহাবাকে স্বপ্নযোগে (রমযান মাসের) শেষ সাত রাতের মধ্যে শবেক্বদর দেখানো হল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আমি দেখছি যে, শেষ সাত রাতের ব্যাপারে তোমাদের স্বপ্নগুলি পরস্পরের মুতাবিক। সুতরাং যে ব্যক্তি শবেক্বদর অনুসন্ধানী হবে, সে যেন শেষ সাত রাতে তা অনুসন্ধান করে।” (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ২৮১৮)
وعن ابن عمر رضي الله عنهما : أن رجالا من أصحاب النبي صلى اللٰه عليه وسلم أروا ليلة القدر في المنام في السبع الأواخر فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أرى رؤياكم قد تواطأت في السبع الأواخر فمن كان متحريها فليتحرها في السبع الأواخر متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৮০
وعن عائشة رضي الله عنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يجاور في العشر الأواخر من رمضان، ويقولتحروا ليلة القدر في العشر الأواخر من رمضان متفق عليه
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশ দিনে এতেকাফ করতেন এবং বলতেন, “তোমরা রমযানের শেষ দশকে শবেক্বদর অনুসন্ধান কর।” (বুখারী ২০২০, মুসলিম ২৮৩৩)
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশ দিনে এতেকাফ করতেন এবং বলতেন, “তোমরা রমযানের শেষ দশকে শবেক্বদর অনুসন্ধান কর।” (বুখারী ২০২০, মুসলিম ২৮৩৩)
وعن عائشة رضي الله عنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يجاور في العشر الأواخر من رمضان، ويقولتحروا ليلة القدر في العشر الأواخر من رمضان متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৮১
وعنها رضي الله عنها : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في الوتر من العشر الأواخر من رمضانرواه البخاري
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “রমযান মাসের শেষ দশকের বিজোড় (রাত) গুলিতে শবেক্বদর অনুসন্ধান কর।” (বুখারী ২০১৭)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “রমযান মাসের শেষ দশকের বিজোড় (রাত) গুলিতে শবেক্বদর অনুসন্ধান কর।” (বুখারী ২০১৭)
وعنها رضي الله عنها : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في الوتر من العشر الأواخر من رمضانرواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১০৮৩
وعنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يجتهد فى العشر الأواخر ما لا يجتهد فى غيره
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আল্লাহর ইবাদতের জন্য রমযানের) শেষ দশকে যত মেহনত করতেন অন্য দিনগুলিতে তত মেহনত করতেন না।’ (মুসলিম ২৮৪৫)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আল্লাহর ইবাদতের জন্য রমযানের) শেষ দশকে যত মেহনত করতেন অন্য দিনগুলিতে তত মেহনত করতেন না।’ (মুসলিম ২৮৪৫)
وعنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يجتهد فى العشر الأواخر ما لا يجتهد فى غيره
হাদিস সম্ভার ১০৮২
وعنها رضي الله عنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا دخل العشر الأواخر من رمضان أحيا الليل وأيقظ أهله، وجد وشد المئزر -متفق عليه
তিনি বলেন, ‘যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং কোমরে লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।’ (বুখারী ২০২৪, মুসলিম ২৮৪৪)
তিনি বলেন, ‘যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং কোমরে লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।’ (বুখারী ২০২৪, মুসলিম ২৮৪৪)
وعنها رضي الله عنها قالت : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا دخل العشر الأواخر من رمضان أحيا الليل وأيقظ أهله، وجد وشد المئزر -متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৮৪
وعنها قالت : قلت : يا رسول الله أرأيت إن علمت أي ليلة ليلة القدر ما أقول فيها ؟ قال قولي: اللهم إنك عفو (كريم) تحب العفو فاعف عني
তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি আমি (ভাগ্যক্রমে) শবেক্বদর জেনে নিই, তাহলে তাতে কোন (দুআ) পড়ব?’ তিনি বললেন, এই দুআ, “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন (কারীমুন) তুহিবুব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী।” অর্থাৎ, হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল, (মহানুভব) ক্ষমা ভালবাস। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। (আহমহদ ২৫৩৮৪, তিরমিযী ৩৫১৩, নাসাঈর কুবরা ৭৭১২, ইবনে মাজাহ ৩৮৫০, হাকেম ১৯৪২)
তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি আমি (ভাগ্যক্রমে) শবেক্বদর জেনে নিই, তাহলে তাতে কোন (দুআ) পড়ব?’ তিনি বললেন, এই দুআ, “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন (কারীমুন) তুহিবুব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী।” অর্থাৎ, হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল, (মহানুভব) ক্ষমা ভালবাস। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। (আহমহদ ২৫৩৮৪, তিরমিযী ৩৫১৩, নাসাঈর কুবরা ৭৭১২, ইবনে মাজাহ ৩৮৫০, হাকেম ১৯৪২)
وعنها قالت : قلت : يا رسول الله أرأيت إن علمت أي ليلة ليلة القدر ما أقول فيها ؟ قال قولي: اللهم إنك عفو (كريم) تحب العفو فاعف عني
হাদিস সম্ভার > আরাফার সিয়াম রাখার ফযীলত
হাদিস সম্ভার ১১০২
وعن أبي قتادة قال : سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن صوم يوم عرفة قاليكفر السنة الماضية والباقيةرواه مسلم
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আরাফার দিনে রাযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তার পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গোনাহ মোচন করে দেয়।” (মুসলিম ২৮০৪, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আরাফার দিনে রাযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তার পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গোনাহ মোচন করে দেয়।” (মুসলিম ২৮০৪, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
وعن أبي قتادة قال : سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن صوم يوم عرفة قاليكفر السنة الماضية والباقيةرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১১০৩
عن سهل بن سعد، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من صام يوم عرفة غفر له ذنب سنتين متتابعتين
তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি আরাফার দিন সিয়াম রাখে তার উপর্যুপরি দুই বৎসরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়।” (ত্বাবারানী ৫৭৯০, আবু য়্যালা ৭৫৪৮, সহীহ তারগীব ১০১২)
তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি আরাফার দিন সিয়াম রাখে তার উপর্যুপরি দুই বৎসরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়।” (ত্বাবারানী ৫৭৯০, আবু য়্যালা ৭৫৪৮, সহীহ তারগীব ১০১২)
عن سهل بن سعد، قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من صام يوم عرفة غفر له ذنب سنتين متتابعتين
হাদিস সম্ভার ১১০৪
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصيام بعد رمضان : شهر الله المحرم وأفضل الصلاة بعد الفريضة : صلاة الليلرواه مسلم
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাহে রমযানের পর সর্বোত্তম সিয়াম, আল্লাহর মাস মুহার্রাম। আর ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায।” (মুসলিম ২৮১২)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাহে রমযানের পর সর্বোত্তম সিয়াম, আল্লাহর মাস মুহার্রাম। আর ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায।” (মুসলিম ২৮১২)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصيام بعد رمضان : شهر الله المحرم وأفضل الصلاة بعد الفريضة : صلاة الليلرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১১০৫
وعن ابن عباس رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صام يوم عاشوراء وأمر بصيامه متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশূরার (মুহার্রাম মাসের দশম) দিনে স্বয়ং সিয়াম রেখেছেন এবং ঐ দিনে সিয়াম রাখতে আদেশ করেছেন। (বুখারী ২০০৪, মুসলিম ২৭১৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশূরার (মুহার্রাম মাসের দশম) দিনে স্বয়ং সিয়াম রেখেছেন এবং ঐ দিনে সিয়াম রাখতে আদেশ করেছেন। (বুখারী ২০০৪, মুসলিম ২৭১৪)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صام يوم عاشوراء وأمر بصيامه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১১০৭
عن ابن عباس رضي الله تعالى عنهما، أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم لم يكن يتوخى فضل يوم على يوم بعد رمضان إلا يوم عاشوراء
তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের সিয়ামের পর আশুরার দিন ছাড়া কোন দিনকে অন্য দিন অপেক্ষা মাহাত্ম্যপূর্ণ মনে করতেন না।’ (ত্বাবারানী আওসাত্ব ২৭২০, সহীহ তারগীব ১০০৬)
তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের সিয়ামের পর আশুরার দিন ছাড়া কোন দিনকে অন্য দিন অপেক্ষা মাহাত্ম্যপূর্ণ মনে করতেন না।’ (ত্বাবারানী আওসাত্ব ২৭২০, সহীহ তারগীব ১০০৬)
عن ابن عباس رضي الله تعالى عنهما، أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم لم يكن يتوخى فضل يوم على يوم بعد رمضان إلا يوم عاشوراء
হাদিস সম্ভার ১১০৮
وعن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صيام يوم عاشوراء، فقال يكفر السنة الماضية
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আশূরার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচন করে দেয়।”(আহমাদ ৫/২৯৭, মুসলিম ২৮০৪, আবূ দাঊদ ২৪২৫, বাইহাক্বী ৪/২৮৬)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আশূরার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচন করে দেয়।”(আহমাদ ৫/২৯৭, মুসলিম ২৮০৪, আবূ দাঊদ ২৪২৫, বাইহাক্বী ৪/২৮৬)
وعن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صيام يوم عاشوراء، فقال يكفر السنة الماضية
হাদিস সম্ভার ১১০৬
عن ابن عباس رضى الله عنهما أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قدم المدينة فوجد اليهود صياما يوم عاشوراء فقال لهم رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما هذا اليوم الذى تصومونه فقالوا هذا يوم عظيم أنجى الله فيه موسى وقومه وغرق فرعون وقومه فصامه موسى شكرا فنحن نصومه فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فنحن أحق وأولى بموسى منكم فصامه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وأمر بصيامه
মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় এলেন, তখন দেখলেন, ইয়াহুদীরা আশূরার দিনে সিয়াম পালন করছে। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, “এটা কী এমন দিন যে, তোমরা এ দিনে সিয়াম রাখছ?” ইয়াহুদীরা বলল, ‘এ এক উত্তম দিন। এ দিনে আল্লাহ বানী ইসরাঈলকে তাদের শত্রু থেকে পরিত্রাণ দিয়েছিলেন। তাই মূসা এরই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এই দিনে সিয়াম পালন করেছিলেন। (আর সেই জন্যই আমরাও এ দিনে সিয়াম রেখে থাকি।)’ এ কথা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “মূসার স্মৃতি পালন করার ব্যাপারে তোমাদের চাইতে আমি অধিক হকদার।” সুতরাং তিনি ঐ দিনে সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে সিয়াম রাখতে আদেশ দিলেন। (বুখারী ২০০৪, মুসলিম ২৭১৪)
মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় এলেন, তখন দেখলেন, ইয়াহুদীরা আশূরার দিনে সিয়াম পালন করছে। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, “এটা কী এমন দিন যে, তোমরা এ দিনে সিয়াম রাখছ?” ইয়াহুদীরা বলল, ‘এ এক উত্তম দিন। এ দিনে আল্লাহ বানী ইসরাঈলকে তাদের শত্রু থেকে পরিত্রাণ দিয়েছিলেন। তাই মূসা এরই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এই দিনে সিয়াম পালন করেছিলেন। (আর সেই জন্যই আমরাও এ দিনে সিয়াম রেখে থাকি।)’ এ কথা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “মূসার স্মৃতি পালন করার ব্যাপারে তোমাদের চাইতে আমি অধিক হকদার।” সুতরাং তিনি ঐ দিনে সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে সিয়াম রাখতে আদেশ দিলেন। (বুখারী ২০০৪, মুসলিম ২৭১৪)
عن ابن عباس رضى الله عنهما أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قدم المدينة فوجد اليهود صياما يوم عاشوراء فقال لهم رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما هذا اليوم الذى تصومونه فقالوا هذا يوم عظيم أنجى الله فيه موسى وقومه وغرق فرعون وقومه فصامه موسى شكرا فنحن نصومه فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فنحن أحق وأولى بموسى منكم فصامه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وأمر بصيامه
হাদিস সম্ভার ১১০৯
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لئن بقيت إلى قابل لأصومن التاسع
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহার্রম মাসের নবম তারীখে অবশ্যই সিয়াম রাখব।” (অর্থাৎ, নবম ও দশম দু’দিন ব্যাপী সিয়াম রাখব।) (মুসলিম ২৭২৩)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহার্রম মাসের নবম তারীখে অবশ্যই সিয়াম রাখব।” (অর্থাৎ, নবম ও দশম দু’দিন ব্যাপী সিয়াম রাখব।) (মুসলিম ২৭২৩)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لئن بقيت إلى قابل لأصومن التاسع
হাদিস সম্ভার ১১১০
عن ابن عباس قال: حين صام النبى صلى اللٰه عليه وسلم يوم عاشوراء وأمرنا بصيامه قالوا يا رسول الله إنه يوم تعظمه اليهود والنصارى فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فإذا كان العام المقبل صمنا يوم التاسع فلم يأت العام المقبل حتى توفى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন আশূরার সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে রাখার আদেশ দিলেন, তখন লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! এ দিনটিকে তো ইয়াহুদ ও নাসারারা তাযীম করে থাকে।’ তিনি বললেন, “তাহলে আমরা আগামী বছরে ৯ তারীখেও সিয়াম রাখব ইনশাআল্লাহ।” কিন্তু আগামী বছর আসার আগেই আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইন্তিকাল হয়ে গেল। (মুসলিম ২৭২২, আবূ দাঊদ ২৪৪৭)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন আশূরার সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে রাখার আদেশ দিলেন, তখন লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! এ দিনটিকে তো ইয়াহুদ ও নাসারারা তাযীম করে থাকে।’ তিনি বললেন, “তাহলে আমরা আগামী বছরে ৯ তারীখেও সিয়াম রাখব ইনশাআল্লাহ।” কিন্তু আগামী বছর আসার আগেই আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইন্তিকাল হয়ে গেল। (মুসলিম ২৭২২, আবূ দাঊদ ২৪৪৭)
عن ابن عباس قال: حين صام النبى صلى اللٰه عليه وسلم يوم عاشوراء وأمرنا بصيامه قالوا يا رسول الله إنه يوم تعظمه اليهود والنصارى فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فإذا كان العام المقبل صمنا يوم التاسع فلم يأت العام المقبل حتى توفى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم
হাদিস সম্ভার ১১১১
عن ابن عباس قال: صوموا التاسع والعاشر وخالفوا اليهود
‘তোমরা ৯ ও ১০ তারীখে সিয়াম রাখ এবং ইয়াহুদীদের বৈপরীত্য কর।’ (তিরমিযী ৭৫৫, বাইহাকী ৮৬৬৫, আব্দুর রাযযাক ৭৮৩৯)
‘তোমরা ৯ ও ১০ তারীখে সিয়াম রাখ এবং ইয়াহুদীদের বৈপরীত্য কর।’ (তিরমিযী ৭৫৫, বাইহাকী ৮৬৬৫, আব্দুর রাযযাক ৭৮৩৯)
عن ابن عباس قال: صوموا التاسع والعاشر وخالفوا اليهود
হাদিস সম্ভার ১১১৩
عن عائشة رضى الله عنها قالت كانت قريش تصوم عاشوراء فى الجاهلية وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصومه فلما هاجر إلى المدينة صامه وأمر بصيامه فلما فرض شهر رمضان قال من شاء صامه ومن شاء تركه
‘কুরাইশরা জাহেলিয়াতের যুগে আশূরার সিয়াম পালন করত। আর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও জাহেলিয়াতে ঐ সিয়াম রাখতেন। (ঐ দিন ছিল কাবায় গিলাফ চড়াবার দিন।) অতঃপর তিনি যখন মদীনায় এলেন, তখনও তিনি ঐ সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে রাখতে আদেশ দিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন রমযানের সিয়াম ফরয হল, তখন আশূরার সিয়াম ছেড়ে দিলেন। তখন অবস্থা এই হল যে, যার ইচ্ছা হবে সে রাখবে এবং যার ইচ্ছা হবে সে রাখবে না।’ (বুখারী ১৯৫২, ২০০২, মুসলিম ২৬৯৩ প্রমুখ)
‘কুরাইশরা জাহেলিয়াতের যুগে আশূরার সিয়াম পালন করত। আর আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও জাহেলিয়াতে ঐ সিয়াম রাখতেন। (ঐ দিন ছিল কাবায় গিলাফ চড়াবার দিন।) অতঃপর তিনি যখন মদীনায় এলেন, তখনও তিনি ঐ সিয়াম রাখলেন এবং সকলকে রাখতে আদেশ দিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে যখন রমযানের সিয়াম ফরয হল, তখন আশূরার সিয়াম ছেড়ে দিলেন। তখন অবস্থা এই হল যে, যার ইচ্ছা হবে সে রাখবে এবং যার ইচ্ছা হবে সে রাখবে না।’ (বুখারী ১৯৫২, ২০০২, মুসলিম ২৬৯৩ প্রমুখ)
عن عائشة رضى الله عنها قالت كانت قريش تصوم عاشوراء فى الجاهلية وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصومه فلما هاجر إلى المدينة صامه وأمر بصيامه فلما فرض شهر رمضان قال من شاء صامه ومن شاء تركه
হাদিস সম্ভার ১১১২
عن الربيع بنت معوذ بن عفراء قالت أرسل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم غداة عاشوراء إلى قرى الأنصار التى حول المدينة من كان أصبح صائما فليتم صومه ومن كان أصبح مفطرا فليتم بقية يومه فكنا بعد ذلك نصومه ونصوم صبياننا الصغار منهم إن شاء الله ونذهب إلى المسجد فنجعل لهم اللعبة من العهن فإذا بكى أحدهم على الطعام أعطيناها إياه عند الإفطار
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশূরার সকালে মদীনার আশেপাশে আনসারদের বস্তিতে বস্তিতে খবর পাঠিয়ে দিলেন যে, “যে সিয়াম অবস্থায় সকাল করেছে, সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে নেয়। আর যে ব্যক্তি সিয়াম না রাখা অবস্থায় সকাল করেছে সেও যেন তার বাকী দিন পূর্ণ করে নেয়।” রুবাইয়ে’বলেন, ‘আমরা তার পর হতে ঐ সিয়াম রাখতাম এবং আমাদের ছোট ছোট বাচ্চাদেরকেও রাখাতাম। তাদের জন্য তুলোর খেলনা তৈরী করতাম এবং তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতাম। অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ খাবারের জন্য কাঁদতে শুরু করলে তাকে ঐ খেলনা দিতাম। আর এইভাবে ইফতারের সময় এসে পৌঁছত। (আহমাদ ৬/৩৫৯, বুখারী ১৯৬০, মুসলিম ২৭২৫, ইবনে খুযাইমা ২০৮৮, বাইহাক্বী ৪/২৮৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশূরার সকালে মদীনার আশেপাশে আনসারদের বস্তিতে বস্তিতে খবর পাঠিয়ে দিলেন যে, “যে সিয়াম অবস্থায় সকাল করেছে, সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে নেয়। আর যে ব্যক্তি সিয়াম না রাখা অবস্থায় সকাল করেছে সেও যেন তার বাকী দিন পূর্ণ করে নেয়।” রুবাইয়ে’বলেন, ‘আমরা তার পর হতে ঐ সিয়াম রাখতাম এবং আমাদের ছোট ছোট বাচ্চাদেরকেও রাখাতাম। তাদের জন্য তুলোর খেলনা তৈরী করতাম এবং তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতাম। অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ খাবারের জন্য কাঁদতে শুরু করলে তাকে ঐ খেলনা দিতাম। আর এইভাবে ইফতারের সময় এসে পৌঁছত। (আহমাদ ৬/৩৫৯, বুখারী ১৯৬০, মুসলিম ২৭২৫, ইবনে খুযাইমা ২০৮৮, বাইহাক্বী ৪/২৮৮)
عن الربيع بنت معوذ بن عفراء قالت أرسل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم غداة عاشوراء إلى قرى الأنصار التى حول المدينة من كان أصبح صائما فليتم صومه ومن كان أصبح مفطرا فليتم بقية يومه فكنا بعد ذلك نصومه ونصوم صبياننا الصغار منهم إن شاء الله ونذهب إلى المسجد فنجعل لهم اللعبة من العهن فإذا بكى أحدهم على الطعام أعطيناها إياه عند الإفطار
হাদিস সম্ভার ১১১৪
معاوية بن أبى سفيان قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا يوم عاشوراء ولم يكتب الله عليكم صيامه وأنا صائم فمن أحب منكم أن يصوم فليصم ومن أحب أن يفطر فليفطر
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আজকে আশূরার দিন; এর সিয়াম আল্লাহ তোমাদের উপর ফরয করেননি। তবে আমি সিয়াম রেখেছি। সুতরাং যার ইচ্ছা সে সিয়াম রাখবে, যার ইচ্ছা সে রাখবে না।” (বুখারী ২০০৩, মুসলিম ২৭০৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আজকে আশূরার দিন; এর সিয়াম আল্লাহ তোমাদের উপর ফরয করেননি। তবে আমি সিয়াম রেখেছি। সুতরাং যার ইচ্ছা সে সিয়াম রাখবে, যার ইচ্ছা সে রাখবে না।” (বুখারী ২০০৩, মুসলিম ২৭০৯)
معاوية بن أبى سفيان قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا يوم عاشوراء ولم يكتب الله عليكم صيامه وأنا صائم فمن أحب منكم أن يصوم فليصم ومن أحب أن يفطر فليفطر
হাদিস সম্ভার > শাবানের সিয়াম
হাদিস সম্ভার ১১১৫
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم استكمل صيام شهر إلا رمضان وما رأيته أكثر صياما منه في شعبان
‘আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রমযান ছাড়া অন্য কোন মাস সম্পূর্ণ সিয়াম রাখতে দেখিনি। আর শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসের অধিকাংশ দিনগুলিতে তাঁকে সিয়াম রাখতে দেখিনি।’ (আহমাদ, বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ২৭৭৭, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
‘আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রমযান ছাড়া অন্য কোন মাস সম্পূর্ণ সিয়াম রাখতে দেখিনি। আর শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসের অধিকাংশ দিনগুলিতে তাঁকে সিয়াম রাখতে দেখিনি।’ (আহমাদ, বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ২৭৭৭, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
عن عائشة رضي الله عنها قالت : ما رأيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم استكمل صيام شهر إلا رمضان وما رأيته أكثر صياما منه في شعبان
হাদিস সম্ভার ১১১৬
عن عائشة رضي الله عنها قالت : لم يكن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من شهر أكثر من شعبان فإنه كان يصوم شعبان كله وفي رواية : كان يصوم شعبان إلا قليلا متفق عليه
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শাবান মাস চাইতে বেশি নফল সিয়াম অন্য কোন মাসে রাখতেন না। নিঃসন্দেহে তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ অন্য বর্ণনায় আছে, ‘অল্প কিছুদিন ছাড়া তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ (বুখারী ১৯৭০, মুসলিম ২৭৭৮)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শাবান মাস চাইতে বেশি নফল সিয়াম অন্য কোন মাসে রাখতেন না। নিঃসন্দেহে তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ অন্য বর্ণনায় আছে, ‘অল্প কিছুদিন ছাড়া তিনি পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম রাখতেন।’ (বুখারী ১৯৭০, মুসলিম ২৭৭৮)
عن عائشة رضي الله عنها قالت : لم يكن النبي صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من شهر أكثر من شعبان فإنه كان يصوم شعبان كله وفي رواية : كان يصوم شعبان إلا قليلا متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১১১৭
عن أسامة بن زيد : قال: قلت يا رسول الله لم أرك تصوم شهرا من الشهور ما تصوم من شعبان، قال ذلك شهر يغفل الناس عنه بين رجب ورمضان وهو شهر ترفع فيه الأعمال إلى رب العالمين فأحب أن يرفع عملى وأنا صائم
তিনি বলেন, ‘একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে শাবান মাসে যত সিয়াম রাখতে দেখি তত অন্য কোন মাসে তো রাখতে দেখি না, (এর রহস্য কী)?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এটা তো সেই মাস, যে মাস সম্বন্ধে মানুষ উদাসীন, যা হল রজব ও রমযানের মাঝে। আর এটা তো সেই মাস; যাতে বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের নিকট আমলসমূহ পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, সিয়াম রাখা অবস্থায় আমার আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হোক। (আহমাদ ২১৭৫৩, নাসাঈ ২৩৫৭, সহীহ তারগীব ১০০৮, তামামুল মিন্নাহ ৪১২পৃঃ)
তিনি বলেন, ‘একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে শাবান মাসে যত সিয়াম রাখতে দেখি তত অন্য কোন মাসে তো রাখতে দেখি না, (এর রহস্য কী)?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এটা তো সেই মাস, যে মাস সম্বন্ধে মানুষ উদাসীন, যা হল রজব ও রমযানের মাঝে। আর এটা তো সেই মাস; যাতে বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের নিকট আমলসমূহ পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, সিয়াম রাখা অবস্থায় আমার আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হোক। (আহমাদ ২১৭৫৩, নাসাঈ ২৩৫৭, সহীহ তারগীব ১০০৮, তামামুল মিন্নাহ ৪১২পৃঃ)
عن أسامة بن زيد : قال: قلت يا رسول الله لم أرك تصوم شهرا من الشهور ما تصوم من شعبان، قال ذلك شهر يغفل الناس عنه بين رجب ورمضان وهو شهر ترفع فيه الأعمال إلى رب العالمين فأحب أن يرفع عملى وأنا صائم