হাদিস সম্ভার > শওয়াল মাসের ছয় দিন সিয়াম পালনের ফযীলত

হাদিস সম্ভার ১০৮৮

عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)

عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر


হাদিস সম্ভার > সোমবার ও বৃহস্পতিবার সিয়াম রাখার ফযীলত

হাদিস সম্ভার ১০৯০

وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض الأعمال يوم الاثنين والخميس فأحب أن يعرض عملي وأنا صائمرواه الترمذي وقالحديث حسن

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(মানুষের) আমলসমূহ সোম ও বৃহস্পতিবারে (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। তাই আমি ভালবাসি যে, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি সিয়ামের অবস্থায় থাকি।” (তিরমিযী ৭৪৭ সহীহ তারগীব ১০২৭)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(মানুষের) আমলসমূহ সোম ও বৃহস্পতিবারে (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। তাই আমি ভালবাসি যে, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি সিয়ামের অবস্থায় থাকি।” (তিরমিযী ৭৪৭ সহীহ তারগীব ১০২৭)

وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض الأعمال يوم الاثنين والخميس فأحب أن يعرض عملي وأنا صائمرواه الترمذي وقالحديث حسن


হাদিস সম্ভার ১০৮৯

عن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صوم يوم الاثنين فقال ذلك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل علي فيهرواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সোমবার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে, যেদিন আমি (নবীরূপে) প্রেরিত হয়েছি অথবা ঐ দিনে আমার প্রতি (সর্বপ্রথম) ‘অহী’ অবতীর্ণ করা হয়েছে।” (মুসলিম ২৮০৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সোমবার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে, যেদিন আমি (নবীরূপে) প্রেরিত হয়েছি অথবা ঐ দিনে আমার প্রতি (সর্বপ্রথম) ‘অহী’ অবতীর্ণ করা হয়েছে।” (মুসলিম ২৮০৪)

عن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صوم يوم الاثنين فقال ذلك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل علي فيهرواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১০৯২

وعن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يتحرى صوم الاثنين والخميس رواه الترمذي وقال حديث حسن

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ (তিরমিযী ৭৪৫)

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ (তিরমিযী ৭৪৫)

وعن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يتحرى صوم الاثنين والخميس رواه الترمذي وقال حديث حسن


হাদিস সম্ভার ১০৯১

عن أبى هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض أعمال الناس فى كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا أو اركوا - هذين حتى يفيئا

তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবারে (মানুষের) সকল আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হয়। আর (ঐ উভয় দিনে) আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ প্রত্যেক সেই ব্যক্তিকে মার্জনা করে দেন যে কোন কিছুকে তাঁর অংশী স্থাপন করে না। তবে সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না যার নিজ ভাইয়ের সাথে বিদ্বেষ থাকে; এই দুই ব্যক্তির জন্য (ফেরেশতার উদ্দেশ্যে) তিনি বলেন, উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও। উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও।” (মুসলিম ৬৭১২, প্রমুখ)

তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবারে (মানুষের) সকল আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হয়। আর (ঐ উভয় দিনে) আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ প্রত্যেক সেই ব্যক্তিকে মার্জনা করে দেন যে কোন কিছুকে তাঁর অংশী স্থাপন করে না। তবে সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না যার নিজ ভাইয়ের সাথে বিদ্বেষ থাকে; এই দুই ব্যক্তির জন্য (ফেরেশতার উদ্দেশ্যে) তিনি বলেন, উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও। উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও।” (মুসলিম ৬৭১২, প্রমুখ)

عن أبى هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض أعمال الناس فى كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا أو اركوا - هذين حتى يفيئا


হাদিস সম্ভার > প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা মুস্তাহাব

হাদিস সম্ভার ১০৯৪

وعن أبي الدرداء قال : أوصاني حبيبي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث لن أدعهن ما عشت : بصيام ثلاثة أيام من كل شهر وصلاة الضحى وبأن لا أنام حتى أوتر رواه مسلم

তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব, কখনোই ত্যাগ করব না; প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা, চাশ্তের সালাত পড়া এবং বিত্র না পড়ে নিদ্রা না যাওয়া।’ (মুসলিম ১৭০৮)

তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব, কখনোই ত্যাগ করব না; প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা, চাশ্তের সালাত পড়া এবং বিত্র না পড়ে নিদ্রা না যাওয়া।’ (মুসলিম ১৭০৮)

وعن أبي الدرداء قال : أوصاني حبيبي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث لن أدعهن ما عشت : بصيام ثلاثة أيام من كل شهر وصلاة الضحى وبأن لا أنام حتى أوتر رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১০৯৩

وعن أبي هريرة قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث : صيام ثلاثة أيام من كل شهر وركعتي الضحى وأن أوتر قبل أن أنام متفق عليه

তিনি বলেন, ‘আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন; প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা। চাশ্তের দু’রাকআত সালাত আদায় করা এবং নিদ্রা যাবার পূর্বে বিত্র সালাত আদায় করা।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ১৭০৫)

তিনি বলেন, ‘আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন; প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা। চাশ্তের দু’রাকআত সালাত আদায় করা এবং নিদ্রা যাবার পূর্বে বিত্র সালাত আদায় করা।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ১৭০৫)

وعن أبي هريرة قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث : صيام ثلاثة أيام من كل شهر وركعتي الضحى وأن أوتر قبل أن أنام متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৯৫

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صوم ثلاثة أيام من كل شهر صوم الدهر كله متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা, সারা বছর ধরে সিয়াম রাখার সমান।” (বুখারী ১৯৭৯, মুসলিম ২৭৯৩)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা, সারা বছর ধরে সিয়াম রাখার সমান।” (বুখারী ১৯৭৯, মুসলিম ২৭৯৩)

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صوم ثلاثة أيام من كل شهر صوم الدهر كله متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৯৬

وعن معاذة العدوية : أنها سألت عائشة رضي الله عنها : أكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام ؟ قالت : نعم فقلت : من أي الشهر كان يصوم ؟ قالت : لم يكن يبالي من أي الشهر يصوم

তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আল্লাহর রসূল কি প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’আমি বললাম, ‘মাসের কোন কোন দিনে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘মাসের যে কোন দিনে সিয়াম রাখতে তিনি পরোয়া করতেন না।’ (মুসলিম ২৮০১)

তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আল্লাহর রসূল কি প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’আমি বললাম, ‘মাসের কোন কোন দিনে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘মাসের যে কোন দিনে সিয়াম রাখতে তিনি পরোয়া করতেন না।’ (মুসলিম ২৮০১)

وعن معاذة العدوية : أنها سألت عائشة رضي الله عنها : أكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام ؟ قالت : نعم فقلت : من أي الشهر كان يصوم ؟ قالت : لم يكن يبالي من أي الشهر يصوم


হাদিস সম্ভার ১০৯৭

وعن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا صمت من الشهر ثلاثا، فصم ثلاث عشرة، وأربع عشرة وخمس عشرةرواه الترمذي وقال حديث حسن

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক মাসে (নফল) সিয়াম পালন করলে (শুক্লপক্ষের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে পালন করো।” (তিরমিযী ৭৬১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক মাসে (নফল) সিয়াম পালন করলে (শুক্লপক্ষের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে পালন করো।” (তিরমিযী ৭৬১)

وعن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا صمت من الشهر ثلاثا، فصم ثلاث عشرة، وأربع عشرة وخمس عشرةرواه الترمذي وقال حديث حسن


হাদিস সম্ভার ১০৯৮

وعن قتادة بن ملحان قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يأمرنا أن نصوم البيض ثلاث عشرة وأربع عشرة وخمس عشرة -رواه أبو داود

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শুক্লপক্ষের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে সিয়াম রাখার জন্য আদেশ করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৪৫১)

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শুক্লপক্ষের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে সিয়াম রাখার জন্য আদেশ করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৪৫১)

وعن قتادة بن ملحان قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يأمرنا أن نصوم البيض ثلاث عشرة وأربع عشرة وخمس عشرة -رواه أبو داود


হাদিস সম্ভার ১০৯৯

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يفطر أيام البيض في حضر ولا سفر رواه النسائي بإسناد حسن

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে ও সফরে কোথাও শুক্লপক্ষের (তিন) দিনের সিয়াম ছাড়তেন না।’ (নাসাঈ ২৩৪৫, হাসান সূত্রে)

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে ও সফরে কোথাও শুক্লপক্ষের (তিন) দিনের সিয়াম ছাড়তেন না।’ (নাসাঈ ২৩৪৫, হাসান সূত্রে)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يفطر أيام البيض في حضر ولا سفر رواه النسائي بإسناد حسن


হাদিস সম্ভার ১১০০

عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صوم شهر الصبر وثلاثة أيام من كل شهر يذهبن وحر الصدر

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধৈর্যের (রমযান) মাসে সিয়াম আর প্রত্যেক মাসের তিনটি সিয়াম অন্তরের বিদ্বেষ ও খট্কা দূর করে দেয়।” (আহমাদ ২৩০৭০ আরাবী থেকে, বায্যার ৬৮৮ আলী থেকে, সহীহ তারগীব ১০৩২)

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধৈর্যের (রমযান) মাসে সিয়াম আর প্রত্যেক মাসের তিনটি সিয়াম অন্তরের বিদ্বেষ ও খট্কা দূর করে দেয়।” (আহমাদ ২৩০৭০ আরাবী থেকে, বায্যার ৬৮৮ আলী থেকে, সহীহ তারগীব ১০৩২)

عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صوم شهر الصبر وثلاثة أيام من كل شهر يذهبن وحر الصدر


হাদিস সম্ভার ১১০১

عن أبي ذر قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم من صام من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صيام الدهر فأنزل الله تصديق ذلك في كتابه : من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها : اليوم بعشرة أيام

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ৩টি করে সিয়াম রাখবে, তার সারা বছর সিয়াম রাখা হবে। আল্লাহ আযযা অজাল্ল্ এর সত্যায়ন অবতীর্ণ করে বলেন, কেউ কোন ভাল কাজ করলে, সে তার ১০ গুণ প্রতিদান পাবে। (সূরা আনআম ১৬০) এক দিন ১০ দিনের সমান।” (তিরমিযী ৭৬২, ইবনে মাজাহ ১৭০৮)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ৩টি করে সিয়াম রাখবে, তার সারা বছর সিয়াম রাখা হবে। আল্লাহ আযযা অজাল্ল্ এর সত্যায়ন অবতীর্ণ করে বলেন, কেউ কোন ভাল কাজ করলে, সে তার ১০ গুণ প্রতিদান পাবে। (সূরা আনআম ১৬০) এক দিন ১০ দিনের সমান।” (তিরমিযী ৭৬২, ইবনে মাজাহ ১৭০৮)

عن أبي ذر قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم من صام من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صيام الدهر فأنزل الله تصديق ذلك في كتابه : من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها : اليوم بعشرة أيام


হাদিস সম্ভার > রমযানের সিয়াম ফরয, তার ফযীলত ও আনুষঙ্গিক জ্ঞাতব্য বিষয়াবলী

হাদিস সম্ভার ১০৪১

و عن سهل بن سعد عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن في الجنة بابا يقال له : الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل منه أحد غيرهم يقال : أين الصائمون ؟ فيقومون لا يدخل منه أحد غيرهم فإذا دخلوا أغلق فلم يدخل منه أحد متفق عليه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জান্নাতের মধ্যে এমন একটি দরজা আছে, যার নাম হল ‘রাইয়ান’; সেখান দিয়ে কেবল সিয়াম পালনকারী গণই কিয়ামতের দিনে প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া আর কেউ সেদিক দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে, ‘সিয়াম পালনকারীরা কোথায়?’ তখন তারা দন্ডায়মান হবে। (এবং ঐ দরজা দিয়ে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে) তারপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর সেখান দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।” (বুখারী ১৮৯৬, মুসলিম ২৭৬৬)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জান্নাতের মধ্যে এমন একটি দরজা আছে, যার নাম হল ‘রাইয়ান’; সেখান দিয়ে কেবল সিয়াম পালনকারী গণই কিয়ামতের দিনে প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া আর কেউ সেদিক দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা করা হবে, ‘সিয়াম পালনকারীরা কোথায়?’ তখন তারা দন্ডায়মান হবে। (এবং ঐ দরজা দিয়ে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে) তারপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর সেখান দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।” (বুখারী ১৮৯৬, মুসলিম ২৭৬৬)

و عن سهل بن سعد عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال إن في الجنة بابا يقال له : الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل منه أحد غيرهم يقال : أين الصائمون ؟ فيقومون لا يدخل منه أحد غيرهم فإذا دخلوا أغلق فلم يدخل منه أحد متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৪২

وعن أبي سعيد الخدري صلى اللٰه عليه وسلم قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (অর্থাৎ, জিহাদকালীন বা প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনকল্পে) একদিন সিয়াম রাখবে, আল্লাহ ঐ একদিন সিয়ামের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছর (পরিমাণ পথ) দূরে রাখবেন।” (বুখারী ২৮৪০, মুসলিম ২৭৬৭)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (অর্থাৎ, জিহাদকালীন বা প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনকল্পে) একদিন সিয়াম রাখবে, আল্লাহ ঐ একদিন সিয়ামের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নাম হতে সত্তর বছর (পরিমাণ পথ) দূরে রাখবেন।” (বুখারী ২৮৪০, মুসলিম ২৭৬৭)

وعن أبي سعيد الخدري صلى اللٰه عليه وسلم قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৪৩

وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানের সিয়াম পালন করে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৮, মুসলিম ১৮১৭)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানের সিয়াম পালন করে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (বুখারী ৩৮, মুসলিম ১৮১৭)

وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৪০

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أنفق زوجين في سبيل الله نودي من أبواب الجنة يا عبد الله هذا خير فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقةقال أبو بكر بأبي أنت وأمي يا رسول الله ما على من دعي من تلك الأبواب من ضرورة فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ فقال نعم وأرجو أن تكون منهم متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়া বস্তু ব্যয় করে, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে, ‘হে আল্লাহর বান্দাহ! এ দরজাটি উত্তম (এদিকে এস)।’ সুতরাং যে নামাযীদের দলভুক্ত হবে, তাকে নামাযের দরজা থেকে ডাক দেওয়া হবে। আর যে মুজাহিদদের দলভুক্ত হবে। তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী দের দলভুক্ত হবে, তাকে ‘রাইয়ান’ নামক দরজা থেকে আহবান করা হবে। আর দাতাকে দানের দরজা থেকে ডাকা হবে।” এ সব শুনে আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, যাকে ডাকা হবে, তার ঐ সকল দরজার তো কোন প্রয়োজন নেই। (কেননা মুখ্য উদ্দেশ্য হল, কোনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করা।) কিন্তু এমন কেউ হবে কি, যাকে উক্ত সকল দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আর আশা করি, তুমি তাদের দলভুক্ত হবে।” (বুখারী ১৮৯৭, মুসলিম ২৪১৮)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়া বস্তু ব্যয় করে, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে, ‘হে আল্লাহর বান্দাহ! এ দরজাটি উত্তম (এদিকে এস)।’ সুতরাং যে নামাযীদের দলভুক্ত হবে, তাকে নামাযের দরজা থেকে ডাক দেওয়া হবে। আর যে মুজাহিদদের দলভুক্ত হবে। তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী দের দলভুক্ত হবে, তাকে ‘রাইয়ান’ নামক দরজা থেকে আহবান করা হবে। আর দাতাকে দানের দরজা থেকে ডাকা হবে।” এ সব শুনে আবূ বাক্র (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, যাকে ডাকা হবে, তার ঐ সকল দরজার তো কোন প্রয়োজন নেই। (কেননা মুখ্য উদ্দেশ্য হল, কোনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করা।) কিন্তু এমন কেউ হবে কি, যাকে উক্ত সকল দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আর আশা করি, তুমি তাদের দলভুক্ত হবে।” (বুখারী ১৮৯৭, মুসলিম ২৪১৮)

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أنفق زوجين في سبيل الله نودي من أبواب الجنة يا عبد الله هذا خير فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقةقال أبو بكر بأبي أنت وأمي يا رسول الله ما على من دعي من تلك الأبواب من ضرورة فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ فقال نعم وأرجو أن تكون منهم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৩৯

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الله عز وجل : كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث ولا يصخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل: إني صائم والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك للصائم فرحتان وفي رواية لمسلمكل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمئة ضعف قال الله تعالى: إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به؛ يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان: فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই; কিন্তু রোযা স্বতন্ত্র, তা আমারই জন্য, আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ অতএব তোমাদের কেউ যেন সিয়ামের দিনে অশ্লীল না বলে এবং হৈ-হট্টগোল না করে। আর যদি কেউ তাকে গালি-গালাজ করে অথবা তার সাথে লড়াই-ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি সিয়াম রেখেছি।’ সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন আছে, নিঃসন্দেহে রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা বেশী উৎকৃষ্ট। রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মূহূর্ত রয়েছে, তখন সে আনন্দিত হয়; (১) যখন সে ইফতার করে (ইফতারের জন্য সে আনন্দিত হয়)। আর (২) যখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, স্বীয় সিয়ামের জন্য সে আনন্দিত হবে।” (বুখারী ১৯০৪, মুসলিম ২৭৬২, এই শব্দগুলি বুখারীর) বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে, ‘সে (সিয়াম পালনকারী ) পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করে একমাত্র আমারই জন্য। সিয়াম আমার জন্যই। আর আমি নিজে তার পুরস্কার দেব। আর প্রত্যেক নেকী দশগুণ বর্ধিত হয়।’ (বুখারী ১৮৯৪) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “আদম সন্তানের প্রত্যেক সৎকর্ম কয়েকগুণ বর্ধিত করা হয়। একটি নেকী দশগুণ থেকে নিয়ে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু রোযা ছাড়া। কেননা, তা আমার উদ্দেশ্যে (পালিত) হয়। আর আমি নিজেই তার পুরস্কার দেব। সে পানাহার ও কাম প্রবৃত্তি আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) উদ্দেশ্যেই বর্জন করে।’ রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মুহূর্ত রয়েছে। একটি আনন্দ হল ইফতারের সময়, আর অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎকালে। আর নিশ্চয় তার মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা অধিক উৎকৃষ্ট।” (মুসলিম ২৭৬৩)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মহান আল্লাহ বলেন, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই; কিন্তু রোযা স্বতন্ত্র, তা আমারই জন্য, আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ অতএব তোমাদের কেউ যেন সিয়ামের দিনে অশ্লীল না বলে এবং হৈ-হট্টগোল না করে। আর যদি কেউ তাকে গালি-গালাজ করে অথবা তার সাথে লড়াই-ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি সিয়াম রেখেছি।’ সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন আছে, নিঃসন্দেহে রোযাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা বেশী উৎকৃষ্ট। রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মূহূর্ত রয়েছে, তখন সে আনন্দিত হয়; (১) যখন সে ইফতার করে (ইফতারের জন্য সে আনন্দিত হয়)। আর (২) যখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, স্বীয় সিয়ামের জন্য সে আনন্দিত হবে।” (বুখারী ১৯০৪, মুসলিম ২৭৬২, এই শব্দগুলি বুখারীর) বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে, ‘সে (সিয়াম পালনকারী ) পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করে একমাত্র আমারই জন্য। সিয়াম আমার জন্যই। আর আমি নিজে তার পুরস্কার দেব। আর প্রত্যেক নেকী দশগুণ বর্ধিত হয়।’ (বুখারী ১৮৯৪) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “আদম সন্তানের প্রত্যেক সৎকর্ম কয়েকগুণ বর্ধিত করা হয়। একটি নেকী দশগুণ থেকে নিয়ে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু রোযা ছাড়া। কেননা, তা আমার উদ্দেশ্যে (পালিত) হয়। আর আমি নিজেই তার পুরস্কার দেব। সে পানাহার ও কাম প্রবৃত্তি আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) উদ্দেশ্যেই বর্জন করে।’ রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দময় মুহূর্ত রয়েছে। একটি আনন্দ হল ইফতারের সময়, আর অপরটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎকালে। আর নিশ্চয় তার মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা অধিক উৎকৃষ্ট।” (মুসলিম ২৭৬৩)

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الله عز وجل : كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث ولا يصخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل: إني صائم والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك للصائم فرحتان وفي رواية لمسلمكل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمئة ضعف قال الله تعالى: إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به؛ يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان: فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00