হাদিস সম্ভার > সিয়ামের কাযা
হাদিস সম্ভার ১০৮৬
عن عمرة: أن أمها ماتت وعليها من رمضان فقالت لعائشة: أقضيه عنها؟ قالت: لا بل تصدقي عنها مكان كل يوم نصف صاع على كل مسكين
আমরাহর মা রমযানের সিয়াম বাকী রেখে ইন্তিকাল করলে তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমি আমার মায়ের তরফ থেকে কাযা করে দেব কি?’ আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘না। বরং তার পক্ষ থেকে প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে এক একটি মিসকীনকে অর্ধ সা’ (প্রায় ১কিলো ২৫০ গ্রাম খাদ্য) সদকাহ করে দাও।’ (ত্বাহাবী ৩/১৪২, মুহাল্লা ৭/৪, আহকামুল জানাইয, টীকা ১৭০পৃঃ)
আমরাহর মা রমযানের সিয়াম বাকী রেখে ইন্তিকাল করলে তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমি আমার মায়ের তরফ থেকে কাযা করে দেব কি?’ আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘না। বরং তার পক্ষ থেকে প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে এক একটি মিসকীনকে অর্ধ সা’ (প্রায় ১কিলো ২৫০ গ্রাম খাদ্য) সদকাহ করে দাও।’ (ত্বাহাবী ৩/১৪২, মুহাল্লা ৭/৪, আহকামুল জানাইয, টীকা ১৭০পৃঃ)
عن عمرة: أن أمها ماتت وعليها من رمضان فقالت لعائشة: أقضيه عنها؟ قالت: لا بل تصدقي عنها مكان كل يوم نصف صاع على كل مسكين
হাদিস সম্ভার ১০৮৫
عن عائشة - رضى الله عنها - أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من مات وعليه صيام صام عنه وليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সিয়াম বাকী রেখে মারা যায়, তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক সিয়াম রেখে দেবে।” (বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ২৭৪৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সিয়াম বাকী রেখে মারা যায়, তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক সিয়াম রেখে দেবে।” (বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ২৭৪৮)
عن عائشة - رضى الله عنها - أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من مات وعليه صيام صام عنه وليه
হাদিস সম্ভার ১০৮৭
عن ابن عباس قال إذا مرض الرجل فى رمضان ثم مات ولم يصم أطعم عنه ولم يكن عليه قضاء وإن كان عليه نذر قضى عنه وليه
‘কোন ব্যক্তি রমযান মাসে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং তারপর সিয়াম না রাখা অবস্থায় মারা গেলে তার পক্ষ থেকে মিসকীন খাওয়াতে হবে; তার কাযা নেই। পক্ষান্তরে নযরের সিয়াম বাকী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক (বা ওয়ারেস) সিয়াম রাখবে।’ (আবূ দাউদ ২৪০১ প্রমুখ)
‘কোন ব্যক্তি রমযান মাসে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং তারপর সিয়াম না রাখা অবস্থায় মারা গেলে তার পক্ষ থেকে মিসকীন খাওয়াতে হবে; তার কাযা নেই। পক্ষান্তরে নযরের সিয়াম বাকী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক (বা ওয়ারেস) সিয়াম রাখবে।’ (আবূ দাউদ ২৪০১ প্রমুখ)
عن ابن عباس قال إذا مرض الرجل فى رمضان ثم مات ولم يصم أطعم عنه ولم يكن عليه قضاء وإن كان عليه نذر قضى عنه وليه
হাদিস সম্ভার > শওয়াল মাসের ছয় দিন সিয়াম পালনের ফযীলত
হাদিস সম্ভার ১০৮৮
عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)
عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر
হাদিস সম্ভার > সোমবার ও বৃহস্পতিবার সিয়াম রাখার ফযীলত
হাদিস সম্ভার ১০৯০
وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض الأعمال يوم الاثنين والخميس فأحب أن يعرض عملي وأنا صائمرواه الترمذي وقالحديث حسن
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(মানুষের) আমলসমূহ সোম ও বৃহস্পতিবারে (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। তাই আমি ভালবাসি যে, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি সিয়ামের অবস্থায় থাকি।” (তিরমিযী ৭৪৭ সহীহ তারগীব ১০২৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “(মানুষের) আমলসমূহ সোম ও বৃহস্পতিবারে (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। তাই আমি ভালবাসি যে, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি সিয়ামের অবস্থায় থাকি।” (তিরমিযী ৭৪৭ সহীহ তারগীব ১০২৭)
وعن أبي هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض الأعمال يوم الاثنين والخميس فأحب أن يعرض عملي وأنا صائمرواه الترمذي وقالحديث حسن
হাদিস সম্ভার ১০৮৯
عن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صوم يوم الاثنين فقال ذلك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل علي فيهرواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সোমবার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে, যেদিন আমি (নবীরূপে) প্রেরিত হয়েছি অথবা ঐ দিনে আমার প্রতি (সর্বপ্রথম) ‘অহী’ অবতীর্ণ করা হয়েছে।” (মুসলিম ২৮০৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সোমবার দিনে সিয়াম রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “ওটি এমন একটি দিন, যেদিন আমার জন্ম হয়েছে, যেদিন আমি (নবীরূপে) প্রেরিত হয়েছি অথবা ঐ দিনে আমার প্রতি (সর্বপ্রথম) ‘অহী’ অবতীর্ণ করা হয়েছে।” (মুসলিম ২৮০৪)
عن أبي قتادة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم سئل عن صوم يوم الاثنين فقال ذلك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل علي فيهرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১০৯২
وعن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يتحرى صوم الاثنين والخميس رواه الترمذي وقال حديث حسن
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ (তিরমিযী ৭৪৫)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ (তিরমিযী ৭৪৫)
وعن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يتحرى صوم الاثنين والخميس رواه الترمذي وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১০৯১
عن أبى هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض أعمال الناس فى كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا أو اركوا - هذين حتى يفيئا
তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবারে (মানুষের) সকল আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হয়। আর (ঐ উভয় দিনে) আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ প্রত্যেক সেই ব্যক্তিকে মার্জনা করে দেন যে কোন কিছুকে তাঁর অংশী স্থাপন করে না। তবে সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না যার নিজ ভাইয়ের সাথে বিদ্বেষ থাকে; এই দুই ব্যক্তির জন্য (ফেরেশতার উদ্দেশ্যে) তিনি বলেন, উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও। উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও।” (মুসলিম ৬৭১২, প্রমুখ)
তিনি বলেন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবারে (মানুষের) সকল আমল (আল্লাহর নিকট) পেশ করা হয়। আর (ঐ উভয় দিনে) আল্লাহ আয্যা অজাল্ল্ প্রত্যেক সেই ব্যক্তিকে মার্জনা করে দেন যে কোন কিছুকে তাঁর অংশী স্থাপন করে না। তবে সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না যার নিজ ভাইয়ের সাথে বিদ্বেষ থাকে; এই দুই ব্যক্তির জন্য (ফেরেশতার উদ্দেশ্যে) তিনি বলেন, উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও। উভয়ের মিলন না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে অবকাশ দাও।” (মুসলিম ৬৭১২, প্রমুখ)
عن أبى هريرة عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال تعرض أعمال الناس فى كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا أو اركوا - هذين حتى يفيئا
হাদিস সম্ভার > প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা মুস্তাহাব
হাদিস সম্ভার ১০৯৪
وعن أبي الدرداء قال : أوصاني حبيبي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث لن أدعهن ما عشت : بصيام ثلاثة أيام من كل شهر وصلاة الضحى وبأن لا أنام حتى أوتر رواه مسلم
তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব, কখনোই ত্যাগ করব না; প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা, চাশ্তের সালাত পড়া এবং বিত্র না পড়ে নিদ্রা না যাওয়া।’ (মুসলিম ১৭০৮)
তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব, কখনোই ত্যাগ করব না; প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা, চাশ্তের সালাত পড়া এবং বিত্র না পড়ে নিদ্রা না যাওয়া।’ (মুসলিম ১৭০৮)
وعن أبي الدرداء قال : أوصاني حبيبي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث لن أدعهن ما عشت : بصيام ثلاثة أيام من كل شهر وصلاة الضحى وبأن لا أنام حتى أوتر رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১০৯৩
وعن أبي هريرة قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث : صيام ثلاثة أيام من كل شهر وركعتي الضحى وأن أوتر قبل أن أنام متفق عليه
তিনি বলেন, ‘আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন; প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা। চাশ্তের দু’রাকআত সালাত আদায় করা এবং নিদ্রা যাবার পূর্বে বিত্র সালাত আদায় করা।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ১৭০৫)
তিনি বলেন, ‘আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন; প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করা। চাশ্তের দু’রাকআত সালাত আদায় করা এবং নিদ্রা যাবার পূর্বে বিত্র সালাত আদায় করা।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ১৭০৫)
وعن أبي هريرة قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بثلاث : صيام ثلاثة أيام من كل شهر وركعتي الضحى وأن أوتر قبل أن أنام متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৯৫
وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صوم ثلاثة أيام من كل شهر صوم الدهر كله متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা, সারা বছর ধরে সিয়াম রাখার সমান।” (বুখারী ১৯৭৯, মুসলিম ২৭৯৩)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখা, সারা বছর ধরে সিয়াম রাখার সমান।” (বুখারী ১৯৭৯, মুসলিম ২৭৯৩)
وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صوم ثلاثة أيام من كل شهر صوم الدهر كله متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৯৬
وعن معاذة العدوية : أنها سألت عائشة رضي الله عنها : أكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام ؟ قالت : نعم فقلت : من أي الشهر كان يصوم ؟ قالت : لم يكن يبالي من أي الشهر يصوم
তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আল্লাহর রসূল কি প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’আমি বললাম, ‘মাসের কোন কোন দিনে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘মাসের যে কোন দিনে সিয়াম রাখতে তিনি পরোয়া করতেন না।’ (মুসলিম ২৮০১)
তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আল্লাহর রসূল কি প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’আমি বললাম, ‘মাসের কোন কোন দিনে সিয়াম রাখতেন?’ তিনি বললেন, ‘মাসের যে কোন দিনে সিয়াম রাখতে তিনি পরোয়া করতেন না।’ (মুসলিম ২৮০১)
وعن معاذة العدوية : أنها سألت عائشة رضي الله عنها : أكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام ؟ قالت : نعم فقلت : من أي الشهر كان يصوم ؟ قالت : لم يكن يبالي من أي الشهر يصوم
হাদিস সম্ভার ১০৯৭
وعن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا صمت من الشهر ثلاثا، فصم ثلاث عشرة، وأربع عشرة وخمس عشرةرواه الترمذي وقال حديث حسن
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক মাসে (নফল) সিয়াম পালন করলে (শুক্লপক্ষের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে পালন করো।” (তিরমিযী ৭৬১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক মাসে (নফল) সিয়াম পালন করলে (শুক্লপক্ষের) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে পালন করো।” (তিরমিযী ৭৬১)
وعن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا صمت من الشهر ثلاثا، فصم ثلاث عشرة، وأربع عشرة وخمس عشرةرواه الترمذي وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১০৯৮
وعن قتادة بن ملحان قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يأمرنا أن نصوم البيض ثلاث عشرة وأربع عشرة وخمس عشرة -رواه أبو داود
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শুক্লপক্ষের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে সিয়াম রাখার জন্য আদেশ করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৪৫১)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে শুক্লপক্ষের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারীখে সিয়াম রাখার জন্য আদেশ করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৪৫১)
وعن قتادة بن ملحان قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يأمرنا أن نصوم البيض ثلاث عشرة وأربع عشرة وخمس عشرة -رواه أبو داود
হাদিস সম্ভার ১০৯৯
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يفطر أيام البيض في حضر ولا سفر رواه النسائي بإسناد حسن
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে ও সফরে কোথাও শুক্লপক্ষের (তিন) দিনের সিয়াম ছাড়তেন না।’ (নাসাঈ ২৩৪৫, হাসান সূত্রে)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে ও সফরে কোথাও শুক্লপক্ষের (তিন) দিনের সিয়াম ছাড়তেন না।’ (নাসাঈ ২৩৪৫, হাসান সূত্রে)
وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يفطر أيام البيض في حضر ولا سفر رواه النسائي بإسناد حسن
হাদিস সম্ভার ১১০০
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صوم شهر الصبر وثلاثة أيام من كل شهر يذهبن وحر الصدر
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধৈর্যের (রমযান) মাসে সিয়াম আর প্রত্যেক মাসের তিনটি সিয়াম অন্তরের বিদ্বেষ ও খট্কা দূর করে দেয়।” (আহমাদ ২৩০৭০ আরাবী থেকে, বায্যার ৬৮৮ আলী থেকে, সহীহ তারগীব ১০৩২)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধৈর্যের (রমযান) মাসে সিয়াম আর প্রত্যেক মাসের তিনটি সিয়াম অন্তরের বিদ্বেষ ও খট্কা দূর করে দেয়।” (আহমাদ ২৩০৭০ আরাবী থেকে, বায্যার ৬৮৮ আলী থেকে, সহীহ তারগীব ১০৩২)
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صوم شهر الصبر وثلاثة أيام من كل شهر يذهبن وحر الصدر
হাদিস সম্ভার ১১০১
عن أبي ذر قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم من صام من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صيام الدهر فأنزل الله تصديق ذلك في كتابه : من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها : اليوم بعشرة أيام
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ৩টি করে সিয়াম রাখবে, তার সারা বছর সিয়াম রাখা হবে। আল্লাহ আযযা অজাল্ল্ এর সত্যায়ন অবতীর্ণ করে বলেন, কেউ কোন ভাল কাজ করলে, সে তার ১০ গুণ প্রতিদান পাবে। (সূরা আনআম ১৬০) এক দিন ১০ দিনের সমান।” (তিরমিযী ৭৬২, ইবনে মাজাহ ১৭০৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ৩টি করে সিয়াম রাখবে, তার সারা বছর সিয়াম রাখা হবে। আল্লাহ আযযা অজাল্ল্ এর সত্যায়ন অবতীর্ণ করে বলেন, কেউ কোন ভাল কাজ করলে, সে তার ১০ গুণ প্রতিদান পাবে। (সূরা আনআম ১৬০) এক দিন ১০ দিনের সমান।” (তিরমিযী ৭৬২, ইবনে মাজাহ ১৭০৮)
عن أبي ذر قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم من صام من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صيام الدهر فأنزل الله تصديق ذلك في كتابه : من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها : اليوم بعشرة أيام