হাদিস সম্ভার > কিয়ামে রমযান বা তারাবীহর স্বলাত মুস্তাহাব
হাদিস সম্ভার ১০৭২
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযান মাসে কিয়াম করবে (তারাবীহ পড়বে), তার পূর্বেকার পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, ২০০৮-২০০৯, মুসলিম ১৮১৫, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযান মাসে কিয়াম করবে (তারাবীহ পড়বে), তার পূর্বেকার পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, ২০০৮-২০০৯, মুসলিম ১৮১৫, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৭৩
وعنه قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم فيه بعزيمة، فيقولمن قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبهرواه مسلم
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিয়ামে রমযান (তারাবীহ) সম্পর্কে দৃঢ় আদেশ (ওয়াজেব) না করেই, তার প্রতি উৎসাহ দান করতেন এবং বলতেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানে কিয়াম (তারাবীহর নামায আদায়) করবে, তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (মুসলিম ১৮১৬)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিয়ামে রমযান (তারাবীহ) সম্পর্কে দৃঢ় আদেশ (ওয়াজেব) না করেই, তার প্রতি উৎসাহ দান করতেন এবং বলতেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানে কিয়াম (তারাবীহর নামায আদায়) করবে, তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (মুসলিম ১৮১৬)
وعنه قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم فيه بعزيمة، فيقولمن قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبهرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১০৭৪
عن عائشة قالت: ما كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يزيد في رمضان ولا في غيره على إحدى عشرة ركعة
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযান-অরমযান সকল সময়ে ১১ রাকআতের বেশী (রাতের) নামায পড়তেন না।’ (বুখারী ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, মুসলিম ১৭৫৭)
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযান-অরমযান সকল সময়ে ১১ রাকআতের বেশী (রাতের) নামায পড়তেন না।’ (বুখারী ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, মুসলিম ১৭৫৭)
عن عائشة قالت: ما كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يزيد في رمضان ولا في غيره على إحدى عشرة ركعة
হাদিস সম্ভার > রমযান মাসে ই’তিকাফ সম্পর্কে
হাদিস সম্ভার ১০৭৫
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف العشر الأواخر من رمضان
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারী ২০২৫, মুসলিম ২৮৩৮)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারী ২০২৫, মুসলিম ২৮৩৮)
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف العشر الأواخر من رمضان
হাদিস সম্ভার ১০৭৬
وعن عائشة رضي الله عنها : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يعتكف العشر الأواخر من رمضان حتى توفاه الله تعالى ثم اعتكف أزواجه من بعده متفق عليه
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে মহান আল্লাহ তাঁকে মৃত্যুদান করা পর্যন্ত ইতিকাফ করেছেন। তাঁর (তিরোধানের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারী ২০২৬, মুসলিম ২৮৪১)
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে মহান আল্লাহ তাঁকে মৃত্যুদান করা পর্যন্ত ইতিকাফ করেছেন। তাঁর (তিরোধানের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারী ২০২৬, মুসলিম ২৮৪১)
وعن عائشة رضي الله عنها : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يعتكف العشر الأواخر من رمضان حتى توفاه الله تعالى ثم اعتكف أزواجه من بعده متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৭৭
وعن أبي هريرة قال: كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما رواه البخاري
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক রমযান মাসের (শেষ) দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি দেহত্যাগ করেন, সে বছরে বিশ দিন ই’তিকাফ করেছিলেন।’ (বুখারী ২০৪৪)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক রমযান মাসের (শেষ) দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি দেহত্যাগ করেন, সে বছরে বিশ দিন ই’তিকাফ করেছিলেন।’ (বুখারী ২০৪৪)
وعن أبي هريرة قال: كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما رواه البخاري
হাদিস সম্ভার > সিয়ামের কাযা
হাদিস সম্ভার ১০৮৬
عن عمرة: أن أمها ماتت وعليها من رمضان فقالت لعائشة: أقضيه عنها؟ قالت: لا بل تصدقي عنها مكان كل يوم نصف صاع على كل مسكين
আমরাহর মা রমযানের সিয়াম বাকী রেখে ইন্তিকাল করলে তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমি আমার মায়ের তরফ থেকে কাযা করে দেব কি?’ আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘না। বরং তার পক্ষ থেকে প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে এক একটি মিসকীনকে অর্ধ সা’ (প্রায় ১কিলো ২৫০ গ্রাম খাদ্য) সদকাহ করে দাও।’ (ত্বাহাবী ৩/১৪২, মুহাল্লা ৭/৪, আহকামুল জানাইয, টীকা ১৭০পৃঃ)
আমরাহর মা রমযানের সিয়াম বাকী রেখে ইন্তিকাল করলে তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আমি আমার মায়ের তরফ থেকে কাযা করে দেব কি?’ আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘না। বরং তার পক্ষ থেকে প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে এক একটি মিসকীনকে অর্ধ সা’ (প্রায় ১কিলো ২৫০ গ্রাম খাদ্য) সদকাহ করে দাও।’ (ত্বাহাবী ৩/১৪২, মুহাল্লা ৭/৪, আহকামুল জানাইয, টীকা ১৭০পৃঃ)
عن عمرة: أن أمها ماتت وعليها من رمضان فقالت لعائشة: أقضيه عنها؟ قالت: لا بل تصدقي عنها مكان كل يوم نصف صاع على كل مسكين
হাদিস সম্ভার ১০৮৫
عن عائشة - رضى الله عنها - أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من مات وعليه صيام صام عنه وليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সিয়াম বাকী রেখে মারা যায়, তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক সিয়াম রেখে দেবে।” (বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ২৭৪৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সিয়াম বাকী রেখে মারা যায়, তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক সিয়াম রেখে দেবে।” (বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ২৭৪৮)
عن عائشة - رضى الله عنها - أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من مات وعليه صيام صام عنه وليه
হাদিস সম্ভার ১০৮৭
عن ابن عباس قال إذا مرض الرجل فى رمضان ثم مات ولم يصم أطعم عنه ولم يكن عليه قضاء وإن كان عليه نذر قضى عنه وليه
‘কোন ব্যক্তি রমযান মাসে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং তারপর সিয়াম না রাখা অবস্থায় মারা গেলে তার পক্ষ থেকে মিসকীন খাওয়াতে হবে; তার কাযা নেই। পক্ষান্তরে নযরের সিয়াম বাকী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক (বা ওয়ারেস) সিয়াম রাখবে।’ (আবূ দাউদ ২৪০১ প্রমুখ)
‘কোন ব্যক্তি রমযান মাসে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং তারপর সিয়াম না রাখা অবস্থায় মারা গেলে তার পক্ষ থেকে মিসকীন খাওয়াতে হবে; তার কাযা নেই। পক্ষান্তরে নযরের সিয়াম বাকী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে তার অভিভাবক (বা ওয়ারেস) সিয়াম রাখবে।’ (আবূ দাউদ ২৪০১ প্রমুখ)
عن ابن عباس قال إذا مرض الرجل فى رمضان ثم مات ولم يصم أطعم عنه ولم يكن عليه قضاء وإن كان عليه نذر قضى عنه وليه
হাদিস সম্ভার > শওয়াল মাসের ছয় দিন সিয়াম পালনের ফযীলত
হাদিস সম্ভার ১০৮৮
عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমযানের সিয়াম পালনের পর শওয়াল মাসের ছয়দিন সিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর সিয়াম রাখল।” (মুসলিম ২৮১৫, আবু দাঊদ ২৪৩৫, তিরমিযী ৭৫৯, নাসাঈর কুবরা ২৮৬২, ইবনে মাজাহ ১৭১৬)
عن أبي أيوب أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من صام رمضان ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر