হাদিস সম্ভার > সূর্যাস্তের সাথে সাথে দেরী না করে ইফতার করার ফযীলত, কোন্ খাদ্য দ্বারা ইফতার করবে ও তার পরের দুআ
হাদিস সম্ভার ১০৬১
عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر متفق عليه
রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যতদিন পর্যন্ত মুসলমানেরা শীঘ্র ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।” (বুখারী মুসলিম)
রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যতদিন পর্যন্ত মুসলমানেরা শীঘ্র ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।” (বুখারী মুসলিম)
عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৬২
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر لأن اليهود والنصارى يؤخرون
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দ্বীন ততকাল বিজয়ী থাকবে, যতকাল লোকেরা ইফতার করতে তাড়াতাড়ি করবে। কারণ, ইহুদ ও খ্রিষ্টানরা দেরী করে ইফতার করে।” (আবূ দাঊদ ২৩৫৫, হাকেম ১৫৭৩, ইবনে হিব্বান ৩৫০৩, ইবনে খুযাইমা ২০৬০, সঃ জামে’ ৭৬৮৯)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দ্বীন ততকাল বিজয়ী থাকবে, যতকাল লোকেরা ইফতার করতে তাড়াতাড়ি করবে। কারণ, ইহুদ ও খ্রিষ্টানরা দেরী করে ইফতার করে।” (আবূ দাঊদ ২৩৫৫, হাকেম ১৫৭৩, ইবনে হিব্বান ৩৫০৩, ইবনে খুযাইমা ২০৬০, সঃ জামে’ ৭৬৮৯)
عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر لأن اليهود والنصارى يؤخرون
হাদিস সম্ভার ১০৬৪
وعن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهار من هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে আগমন করবে এবং দিন এ (পশ্চিম) দিক থেকে প্রস্থান করবে এবং সূর্য ডুবে যাবে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” (বুখারী ১৯৫৪, মুসলিম ২৬১২)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে আগমন করবে এবং দিন এ (পশ্চিম) দিক থেকে প্রস্থান করবে এবং সূর্য ডুবে যাবে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” (বুখারী ১৯৫৪, মুসলিম ২৬১২)
وعن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهار من هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৬৭
وعن أنس قال: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات فإن لم تكن رطبات فتميرات فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء رواه أبو داود والترمذي وقال حديث حسن
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি টাটকা পাকা খেজুর না পেতেন, তাহলে শুকনো কয়েকটি খেজুর যোগে ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুরও না হত, তাহলে কয়েক ঢোক পানি পান করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৩৫৮, তিরমিযী ৬৯৬)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি টাটকা পাকা খেজুর না পেতেন, তাহলে শুকনো কয়েকটি খেজুর যোগে ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুরও না হত, তাহলে কয়েক ঢোক পানি পান করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৩৫৮, তিরমিযী ৬৯৬)
وعن أنس قال: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات فإن لم تكن رطبات فتميرات فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء رواه أبو داود والترمذي وقال حديث حسن
হাদিস সম্ভার ১০৬৩
وعن أبي عطية قال : دخلت أنا ومسروق على عائشة رضي الله عنها فقال لها مسروق : رجلان من أصحاب محمد صلى اللٰه عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير ؛ أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ؟ فقالت : من يعجل المغرب والإفطار ؟ قال : عبد الله - يعني : ابن مسعود - فقالت : هكذا كان رسول الله يصنع رواه مسلم
তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক আয়েশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলাম। মাসরুক তাঁকে বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহচরদের মধ্যে দুজন সহচর কল্যাণের ব্যাপারে আদৌ ত্রুটি করেন না। তাঁদের একজন মাগরিব ও ইফতার সত্বর সম্পাদন করেন এবং অপরজন মাগরিব ও ইফতার দেরীতে সম্পাদন করেন।’ এ কথা শুনে আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে মাগরিব ও ইফতার সত্বর করেন?’ তিনি বললেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপই করতেন।’ (মুসলিম ২৬১১)
তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক আয়েশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলাম। মাসরুক তাঁকে বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহচরদের মধ্যে দুজন সহচর কল্যাণের ব্যাপারে আদৌ ত্রুটি করেন না। তাঁদের একজন মাগরিব ও ইফতার সত্বর সম্পাদন করেন এবং অপরজন মাগরিব ও ইফতার দেরীতে সম্পাদন করেন।’ এ কথা শুনে আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে মাগরিব ও ইফতার সত্বর করেন?’ তিনি বললেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপই করতেন।’ (মুসলিম ২৬১১)
وعن أبي عطية قال : دخلت أنا ومسروق على عائشة رضي الله عنها فقال لها مسروق : رجلان من أصحاب محمد صلى اللٰه عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير ؛ أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ؟ فقالت : من يعجل المغرب والإفطار ؟ قال : عبد الله - يعني : ابن مسعود - فقالت : هكذا كان رسول الله يصنع رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১০৬৬
وعن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم إذ أتاني رجلان فأخذا بضبعي فأتيا بي جبلا وعرا فقالا : اصعد فقلت : إني لا أطيقه فقالا : إنا سنسهله لك فصعدت حتى إذا كنت في سواء الجبل إذا بأصوات شديدة فقلت : ما هذه الأصوات قالوا : هذا عواء أهل النار ثم انطلقا بي فإذا أنا بقوم معلقين بعراقيبهم مشققة أشداقهم تسيل أشداقهم دما فقلت : من هؤلاء قالا : هؤلاء الذين يفطرون قبل تحلة صومهم
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম; এমন সময় (স্বপ্নে) আমার নিকট দুই ব্যক্তি উপস্থিত হলেন। তাঁরা আমার উভয় বাহুর ঊর্ধ্বাংশে ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ের নিকট উপস্থিত করলেন এবং বললেন, ‘আপনি এই পাহাড়ে চড়ুন।’ আমি বললাম, ‘এ পাহাড়ে চড়তে আমি অক্ষম।’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আপনার জন্য চড়া সহজ করে দেব।’ সুতরাং আমি চড়ে গেলাম। অবশেষে যখন পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে পৌঁছলাম তখন বেশ কিছু চিৎকার-ধ্বনি শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ‘এ চিৎকার-ধ্বনি কাদের?’ তাঁরা বললেন, ‘এ হল জাহান্নামবাসীদের চীৎকার-ধ্বনি।’ পুনরায় তাঁরা আমাকে নিয়ে চলতে লাগলেন। হঠাৎ দেখলাম একদল লোক তাদের পায়ের গোড়ালির উপর মোটা শিরায় (বাঁধা অবস্থায়) লটকানো আছে, তাদের কশগুলো কেটে ও ছিঁড়ে আছে এবং কশবেয়ে রক্তও ঝরছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি বললাম, ‘ওরা কারা?’ তাঁরা বললেন, ‘ওরা হল তারা; যারা সময় হওয়ার পূর্বে-পূর্বেই ইফতার করে নিত---।” (ইবনে খুযাইমাহ ১৯৮৬, ইবনে হিব্বান ৭৪৯১, হাকেম ১৫৬৮, সহীহ তারগীব ১০০৫, ২৩৯৩)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম; এমন সময় (স্বপ্নে) আমার নিকট দুই ব্যক্তি উপস্থিত হলেন। তাঁরা আমার উভয় বাহুর ঊর্ধ্বাংশে ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ের নিকট উপস্থিত করলেন এবং বললেন, ‘আপনি এই পাহাড়ে চড়ুন।’ আমি বললাম, ‘এ পাহাড়ে চড়তে আমি অক্ষম।’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আপনার জন্য চড়া সহজ করে দেব।’ সুতরাং আমি চড়ে গেলাম। অবশেষে যখন পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে পৌঁছলাম তখন বেশ কিছু চিৎকার-ধ্বনি শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ‘এ চিৎকার-ধ্বনি কাদের?’ তাঁরা বললেন, ‘এ হল জাহান্নামবাসীদের চীৎকার-ধ্বনি।’ পুনরায় তাঁরা আমাকে নিয়ে চলতে লাগলেন। হঠাৎ দেখলাম একদল লোক তাদের পায়ের গোড়ালির উপর মোটা শিরায় (বাঁধা অবস্থায়) লটকানো আছে, তাদের কশগুলো কেটে ও ছিঁড়ে আছে এবং কশবেয়ে রক্তও ঝরছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি বললাম, ‘ওরা কারা?’ তাঁরা বললেন, ‘ওরা হল তারা; যারা সময় হওয়ার পূর্বে-পূর্বেই ইফতার করে নিত---।” (ইবনে খুযাইমাহ ১৯৮৬, ইবনে হিব্বান ৭৪৯১, হাকেম ১৫৬৮, সহীহ তারগীব ১০০৫, ২৩৯৩)
وعن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم إذ أتاني رجلان فأخذا بضبعي فأتيا بي جبلا وعرا فقالا : اصعد فقلت : إني لا أطيقه فقالا : إنا سنسهله لك فصعدت حتى إذا كنت في سواء الجبل إذا بأصوات شديدة فقلت : ما هذه الأصوات قالوا : هذا عواء أهل النار ثم انطلقا بي فإذا أنا بقوم معلقين بعراقيبهم مشققة أشداقهم تسيل أشداقهم دما فقلت : من هؤلاء قالا : هؤلاء الذين يفطرون قبل تحلة صومهم
হাদিস সম্ভার ১০৬৫
وعن أبي إبراهيم عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال : سرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال لبعض القوم يا فلان انزل فاجدح لنا فقال : يا رسول الله لو أمسيت ؟ قال انزل فاجدح لنا قال : إن عليك نهارا، قال انزل فاجدح لنا قال : فنزل فجدح لهم فشرب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قال إذا رأيتم الليل قد أقبل من هاهنا فقد أفطر الصائم وأشار بيده قبل المشرق متفق عليه
তিনি বলেন, (একবার) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহচর্যে পথ চলছিলাম, তখন তিনি সিয়াম পালনকারী ছিলেন। অতঃপর যখন সূর্য অস্ত গেল, তখন তিনি সফররত সঙ্গীদের একজনকে বললেন, “হে অমুক! বাহন থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদি আর একটু সন্ধ্যা করতেন (তাহলে ভাল হত।)’ তিনি বললেন, “তুমি বাহন থেকে নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘এখনো দিন হয়ে আছে।’ তিনি আবার বললেন, “তুমি নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সে নেমে তাঁদের জন্য ছাতু ঘুলে দিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পান করলেন এবং বললেন, “যখন তোমরা প্রত্যক্ষ করবে যে, রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে এসে পড়েছে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” আর সেই সাথে তিনি পূর্বদিকে ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৯৪১, ১৯৫৫, মুসলিম ২৬১৩-২৬১৫)
তিনি বলেন, (একবার) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহচর্যে পথ চলছিলাম, তখন তিনি সিয়াম পালনকারী ছিলেন। অতঃপর যখন সূর্য অস্ত গেল, তখন তিনি সফররত সঙ্গীদের একজনকে বললেন, “হে অমুক! বাহন থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদি আর একটু সন্ধ্যা করতেন (তাহলে ভাল হত।)’ তিনি বললেন, “তুমি বাহন থেকে নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘এখনো দিন হয়ে আছে।’ তিনি আবার বললেন, “তুমি নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সে নেমে তাঁদের জন্য ছাতু ঘুলে দিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পান করলেন এবং বললেন, “যখন তোমরা প্রত্যক্ষ করবে যে, রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে এসে পড়েছে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” আর সেই সাথে তিনি পূর্বদিকে ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৯৪১, ১৯৫৫, মুসলিম ২৬১৩-২৬১৫)
وعن أبي إبراهيم عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال : سرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال لبعض القوم يا فلان انزل فاجدح لنا فقال : يا رسول الله لو أمسيت ؟ قال انزل فاجدح لنا قال : إن عليك نهارا، قال انزل فاجدح لنا قال : فنزل فجدح لهم فشرب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قال إذا رأيتم الليل قد أقبل من هاهنا فقد أفطر الصائم وأشار بيده قبل المشرق متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৬৯
وعن أنس أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم جاء إلى سعد بن عبادة فجاء بخبز وزيت فأكل ثم قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفطر عندكم الصائمون وأكل طعامكم الأبرار وصلت عليكم الملائكة رواه أبو داود بإسناد صحيح
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি রুটি ও (যায়তুনের) তেল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সম্মুখে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ভক্ষণ করে এই দুআ পড়লেন, উচ্চারণ ‘আফত্বারা ইন্দাকুমুস স্বা-য়িমূন, অআকালা ত্বাআমাকুমুল আবরার, অস্বাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থাৎ, সিয়াম পালনকারী গণ তোমাদের নিকট ইফতার করল। সৎব্যক্তিগণ তোমাদের খাবার ভক্ষণ করল এবং ফিরিশতাগণ তোমাদের (ক্ষমার) জন্য দুআ করলেন। (আবূ দাঊদ ৩৮৫৬, বিশুদ্ধে সূত্রে)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি রুটি ও (যায়তুনের) তেল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সম্মুখে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ভক্ষণ করে এই দুআ পড়লেন, উচ্চারণ ‘আফত্বারা ইন্দাকুমুস স্বা-য়িমূন, অআকালা ত্বাআমাকুমুল আবরার, অস্বাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থাৎ, সিয়াম পালনকারী গণ তোমাদের নিকট ইফতার করল। সৎব্যক্তিগণ তোমাদের খাবার ভক্ষণ করল এবং ফিরিশতাগণ তোমাদের (ক্ষমার) জন্য দুআ করলেন। (আবূ দাঊদ ৩৮৫৬, বিশুদ্ধে সূত্রে)
وعن أنس أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم جاء إلى سعد بن عبادة فجاء بخبز وزيت فأكل ثم قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفطر عندكم الصائمون وأكل طعامكم الأبرار وصلت عليكم الملائكة رواه أبو داود بإسناد صحيح
হাদিস সম্ভার ১০৬৮
عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أفطر قال ذهب الظمأ وابتلت العروق وثبت الأجر إن شاء اللهرواه أبو داود
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইফতার করতেন, তখন এই দুআ বলতেন, “যাহাবায যামা-উ অবতাল্লাতিল উরুক্বু অষাবাতাল আজরু ইন শা-আল্লাহ।” অর্থাৎ, পিপাসা দূরীভূত হল, শিরা-উপশিরা সতেজ হল এবং ইন শাআল্লাহ সওয়াব সাব্যস্ত হল। (আবূ দাঊদ ২৩৫৯)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইফতার করতেন, তখন এই দুআ বলতেন, “যাহাবায যামা-উ অবতাল্লাতিল উরুক্বু অষাবাতাল আজরু ইন শা-আল্লাহ।” অর্থাৎ, পিপাসা দূরীভূত হল, শিরা-উপশিরা সতেজ হল এবং ইন শাআল্লাহ সওয়াব সাব্যস্ত হল। (আবূ দাঊদ ২৩৫৯)
عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أفطر قال ذهب الظمأ وابتلت العروق وثبت الأجر إن شاء اللهرواه أبو داود
হাদিস সম্ভার ১০৭০
عن زيد بن خالد الجهني عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيءرواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সিয়াম পালনকারী কে ইফতার করাবে, সে (সিয়াম পালনকারীর) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে সিয়াম পালনকারীর নেকীর কিছুই কমবে না।”(তিরমিযী ৮০৭, নাসাঈর কুবরা ৩৩৩১-৩৩৩২, ইবনে মাজাহ ১৭৪৬, ইবনে হিব্বান ৩৪২৯, সহীহ তারগীব ১০৬৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সিয়াম পালনকারী কে ইফতার করাবে, সে (সিয়াম পালনকারীর) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে সিয়াম পালনকারীর নেকীর কিছুই কমবে না।”(তিরমিযী ৮০৭, নাসাঈর কুবরা ৩৩৩১-৩৩৩২, ইবনে মাজাহ ১৭৪৬, ইবনে হিব্বান ৩৪২৯, সহীহ তারগীব ১০৬৫)
عن زيد بن خالد الجهني عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيءرواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার > সহবাসে সিয়াম নষ্ট করার কাফ্ফারা
হাদিস সম্ভার ১০৭১
عن أبى هريرة رضى الله عنه قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله قال وما أهلكك قال وقعت على امرأتى فى رمضان قال هل تجد ما تعتق رقبة قال لا قال فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين قال لا قال فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا قال لا قال ثم جلس فأتى النبى صلى اللٰه عليه وسلم بعرق فيه تمر فقال تصدق بهذا قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا فضحك النبى صلى اللٰه عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال اذهب فأطعمه أهلك
একদা আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে বসে ছিলাম। এমন সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংসগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।’ তিনি বললেন, “কোন জিনিস তোমাকে ধ্বংসগ্রস্ত করে ফেলল?” লোকটি বলল, ‘আমি সিয়াম অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে ফেলেছি।’ এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, “তুমি কি একটি ক্রীতদাস মুক্ত করতে পারবে?” লোকটি বলল, ‘জী না।’ তিনি বললেন, “তাহলে কি তুমি একটানা দুই মাস সিয়াম রাখতে পারবে?” সে বলল, ‘জী না।’ তিনি বললেন, “তাহলে কি তুমি ষাট জন মিসকীনকে খাদ্যদান করতে পারবে?” লোকটি বলল, ‘জী না।’ কিছুক্ষণ পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ঝুড়ি খেজুর এনে বললেন, “এগুলি নিয়ে দান করে দাও।” লোকটি বলল, ‘আমার চেয়ে বেশী গরীব মানুষ কে হে আল্লাহর রসূল? আল্লাহর কসম! (মদীনার) দুই হার্রার মাঝে আমার পরিবার থেকে বেশী গরীব অন্য কোন পরিবার নেই!’ এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেসে ফেললেন এবং তাতে তাঁর ছেদক দাঁত দেখা গেল। অতঃপর বললেন, “তোমার পরিবারকেই তা খেতে দাও!” (বুখারী ১৯৩৬-১৯৩৭, মুসলিম ২৬৫১)
একদা আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে বসে ছিলাম। এমন সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংসগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।’ তিনি বললেন, “কোন জিনিস তোমাকে ধ্বংসগ্রস্ত করে ফেলল?” লোকটি বলল, ‘আমি সিয়াম অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে ফেলেছি।’ এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, “তুমি কি একটি ক্রীতদাস মুক্ত করতে পারবে?” লোকটি বলল, ‘জী না।’ তিনি বললেন, “তাহলে কি তুমি একটানা দুই মাস সিয়াম রাখতে পারবে?” সে বলল, ‘জী না।’ তিনি বললেন, “তাহলে কি তুমি ষাট জন মিসকীনকে খাদ্যদান করতে পারবে?” লোকটি বলল, ‘জী না।’ কিছুক্ষণ পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ঝুড়ি খেজুর এনে বললেন, “এগুলি নিয়ে দান করে দাও।” লোকটি বলল, ‘আমার চেয়ে বেশী গরীব মানুষ কে হে আল্লাহর রসূল? আল্লাহর কসম! (মদীনার) দুই হার্রার মাঝে আমার পরিবার থেকে বেশী গরীব অন্য কোন পরিবার নেই!’ এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেসে ফেললেন এবং তাতে তাঁর ছেদক দাঁত দেখা গেল। অতঃপর বললেন, “তোমার পরিবারকেই তা খেতে দাও!” (বুখারী ১৯৩৬-১৯৩৭, মুসলিম ২৬৫১)
عن أبى هريرة رضى الله عنه قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله قال وما أهلكك قال وقعت على امرأتى فى رمضان قال هل تجد ما تعتق رقبة قال لا قال فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين قال لا قال فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا قال لا قال ثم جلس فأتى النبى صلى اللٰه عليه وسلم بعرق فيه تمر فقال تصدق بهذا قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا فضحك النبى صلى اللٰه عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال اذهب فأطعمه أهلك
হাদিস সম্ভার > কিয়ামে রমযান বা তারাবীহর স্বলাত মুস্তাহাব
হাদিস সম্ভার ১০৭২
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযান মাসে কিয়াম করবে (তারাবীহ পড়বে), তার পূর্বেকার পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, ২০০৮-২০০৯, মুসলিম ১৮১৫, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযান মাসে কিয়াম করবে (তারাবীহ পড়বে), তার পূর্বেকার পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, ২০০৮-২০০৯, মুসলিম ১৮১৫, আবু দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৭৩
وعنه قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم فيه بعزيمة، فيقولمن قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبهرواه مسلم
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিয়ামে রমযান (তারাবীহ) সম্পর্কে দৃঢ় আদেশ (ওয়াজেব) না করেই, তার প্রতি উৎসাহ দান করতেন এবং বলতেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানে কিয়াম (তারাবীহর নামায আদায়) করবে, তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (মুসলিম ১৮১৬)
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিয়ামে রমযান (তারাবীহ) সম্পর্কে দৃঢ় আদেশ (ওয়াজেব) না করেই, তার প্রতি উৎসাহ দান করতেন এবং বলতেন, “যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে নেকীর আশায় রমযানে কিয়াম (তারাবীহর নামায আদায়) করবে, তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (মুসলিম ১৮১৬)
وعنه قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم فيه بعزيمة، فيقولمن قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبهرواه مسلم
হাদিস সম্ভার ১০৭৪
عن عائشة قالت: ما كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يزيد في رمضان ولا في غيره على إحدى عشرة ركعة
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযান-অরমযান সকল সময়ে ১১ রাকআতের বেশী (রাতের) নামায পড়তেন না।’ (বুখারী ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, মুসলিম ১৭৫৭)
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযান-অরমযান সকল সময়ে ১১ রাকআতের বেশী (রাতের) নামায পড়তেন না।’ (বুখারী ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, মুসলিম ১৭৫৭)
عن عائشة قالت: ما كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يزيد في رمضان ولا في غيره على إحدى عشرة ركعة
হাদিস সম্ভার > রমযান মাসে ই’তিকাফ সম্পর্কে
হাদিস সম্ভার ১০৭৫
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف العشر الأواخر من رمضان
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারী ২০২৫, মুসলিম ২৮৩৮)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারী ২০২৫, মুসলিম ২৮৩৮)
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف العشر الأواخر من رمضان
হাদিস সম্ভার ১০৭৬
وعن عائشة رضي الله عنها : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يعتكف العشر الأواخر من رمضان حتى توفاه الله تعالى ثم اعتكف أزواجه من بعده متفق عليه
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে মহান আল্লাহ তাঁকে মৃত্যুদান করা পর্যন্ত ইতিকাফ করেছেন। তাঁর (তিরোধানের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারী ২০২৬, মুসলিম ২৮৪১)
‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের শেষ দশকে মহান আল্লাহ তাঁকে মৃত্যুদান করা পর্যন্ত ইতিকাফ করেছেন। তাঁর (তিরোধানের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।’ (বুখারী ২০২৬, মুসলিম ২৮৪১)
وعن عائشة رضي الله عنها : أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان يعتكف العشر الأواخر من رمضان حتى توفاه الله تعالى ثم اعتكف أزواجه من بعده متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০৭৭
وعن أبي هريرة قال: كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما رواه البخاري
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক রমযান মাসের (শেষ) দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি দেহত্যাগ করেন, সে বছরে বিশ দিন ই’তিকাফ করেছিলেন।’ (বুখারী ২০৪৪)
তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক রমযান মাসের (শেষ) দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি দেহত্যাগ করেন, সে বছরে বিশ দিন ই’তিকাফ করেছিলেন।’ (বুখারী ২০৪৪)
وعن أبي هريرة قال: كان النبي صلى اللٰه عليه وسلم يعتكف في كل رمضان عشرة أيام فلما كان العام الذي قبض فيه اعتكف عشرين يوما رواه البخاري