হাদিস সম্ভার > চাঁদ দেখে সিয়াম

হাদিস সম্ভার ১০৫৩

وعن أبي هريرة صلى اللٰه عليه وسلم أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال صوموا لرؤيته، وأفطروا لرؤيته، فإن غبي عليكم فأكملوا عدة شعبان ثلاثين - متفق عليه وهذا لفظ البخاري وفي رواية لمسلمفإن غم عليكم فصوموا ثلاثين يوما

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখ এবং চাঁদ দেখে সিয়াম ছাড়। যদি (কালক্রমে) তোমাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় (এবং চাঁদ দেখতে না পাওয়া যায়), তাহলে শাবান (মাসের) গুনতি ত্রিশ পূর্ণ করে নাও।” (বুখারী ১৯০৯ মুসলিম ২৫৬৬, শব্দাবলী বুখারীর) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন সিয়াম রাখ।”

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখ এবং চাঁদ দেখে সিয়াম ছাড়। যদি (কালক্রমে) তোমাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় (এবং চাঁদ দেখতে না পাওয়া যায়), তাহলে শাবান (মাসের) গুনতি ত্রিশ পূর্ণ করে নাও।” (বুখারী ১৯০৯ মুসলিম ২৫৬৬, শব্দাবলী বুখারীর) মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, “তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন সিয়াম রাখ।”

وعن أبي هريرة صلى اللٰه عليه وسلم أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال صوموا لرؤيته، وأفطروا لرؤيته، فإن غبي عليكم فأكملوا عدة شعبان ثلاثين - متفق عليه وهذا لفظ البخاري وفي رواية لمسلمفإن غم عليكم فصوموا ثلاثين يوما


হাদিস সম্ভার ১০৫৪

عن كريب أن أم الفضل بنت الحارث بعثته إلى معاوية بالشام قال فقدمت الشام فقضيت حاجتها واستهل على رمضان وأنا بالشام فرأيت الهلال ليلة الجمعة ثم قدمت المدينة فى آخر الشهر فسألنى عبد الله بن عباس رضى الله عنهما - ثم ذكر الهلال فقال متى رأيتم الهلال فقلت رأيناه ليلة الجمعة فقال أنت رأيته فقلت نعم ورآه الناس وصاموا وصام معاوية فقال لكنا رأيناه ليلة السبت فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين أو نراه فقلت أولا تكتفى برؤية معاوية وصيامه فقال لا هكذا أمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم

একদা উম্মুল ফায্ল বিন্তুল হারেষ আমাকে শাম দেশে মুআবিয়ার নিকট পাঠালেন। আমি শাম (সিরিয়া) পৌঁছে তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ করলাম। অতঃপর আমার শামে থাকা কালেই রমযান শুরু হল। (বৃহস্পতিবার দিবাগত) জুমআর রাত্রে চাঁদ দেখলাম। অতঃপর মাসের শেষ দিকে মদীনায় এলাম। আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) আমাকে চাঁদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কবে চাঁদ দেখেছ?’ আমি বললাম, ‘আমরা জুমআর রাত্রে দেখেছি।’ তিনি বললেন, ‘তুমি নিজে দেখেছ?’ আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ। আর লোকেরাও দেখে সিয়াম রেখেছে এবং মুআবিয়াও সিয়াম রেখেছেন।’ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘কিন্তু আমরা তো (শুক্রবার দিবাগত) শনিবার রাত্রে চাঁদ দেখেছি। অতএব আমরা ৩০ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অথবা নতুন চাঁদ না দেখা পর্যন্ত সিয়াম রাখতে থাকব।’ আমি বললাম, ‘মুআবিয়ার দর্শন ও তাঁর সিয়ামের খবর কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়?’ তিনি বললেন, ‘না। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এ রকমই আদেশ দিয়েছেন।’ (মুসলিম ১০৭৮)

একদা উম্মুল ফায্ল বিন্তুল হারেষ আমাকে শাম দেশে মুআবিয়ার নিকট পাঠালেন। আমি শাম (সিরিয়া) পৌঁছে তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ করলাম। অতঃপর আমার শামে থাকা কালেই রমযান শুরু হল। (বৃহস্পতিবার দিবাগত) জুমআর রাত্রে চাঁদ দেখলাম। অতঃপর মাসের শেষ দিকে মদীনায় এলাম। আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) আমাকে চাঁদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কবে চাঁদ দেখেছ?’ আমি বললাম, ‘আমরা জুমআর রাত্রে দেখেছি।’ তিনি বললেন, ‘তুমি নিজে দেখেছ?’ আমি বললাম, ‘জী হ্যাঁ। আর লোকেরাও দেখে সিয়াম রেখেছে এবং মুআবিয়াও সিয়াম রেখেছেন।’ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘কিন্তু আমরা তো (শুক্রবার দিবাগত) শনিবার রাত্রে চাঁদ দেখেছি। অতএব আমরা ৩০ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অথবা নতুন চাঁদ না দেখা পর্যন্ত সিয়াম রাখতে থাকব।’ আমি বললাম, ‘মুআবিয়ার দর্শন ও তাঁর সিয়ামের খবর কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়?’ তিনি বললেন, ‘না। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এ রকমই আদেশ দিয়েছেন।’ (মুসলিম ১০৭৮)

عن كريب أن أم الفضل بنت الحارث بعثته إلى معاوية بالشام قال فقدمت الشام فقضيت حاجتها واستهل على رمضان وأنا بالشام فرأيت الهلال ليلة الجمعة ثم قدمت المدينة فى آخر الشهر فسألنى عبد الله بن عباس رضى الله عنهما - ثم ذكر الهلال فقال متى رأيتم الهلال فقلت رأيناه ليلة الجمعة فقال أنت رأيته فقلت نعم ورآه الناس وصاموا وصام معاوية فقال لكنا رأيناه ليلة السبت فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين أو نراه فقلت أولا تكتفى برؤية معاوية وصيامه فقال لا هكذا أمرنا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم


হাদিস সম্ভার > নতুন চাঁদ দেখলে যা বলতে হয়

হাদিস সম্ভার ১০৫৫

عن طلحة بن عبيد الله أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان إذا رأى الهلال قال اللهم أهله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام ربي وربك اللهرواه الترمذي وقال حديث حسن

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দুআ পড়তেন, “আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি অলঈমা-নি অসসালা-মাতি অলইসলা-ম, রাব্বী অরাব্বুকাল্লা-হ।” অর্থ হে আল্লাহ! তুমি ঐ চাঁদকে আমাদের উপর উদিত কর নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ। (হেদায়াত ও কল্যাণময় চাঁদ!) (আহমাদ ১৩৯৭, তিরমিযী ৩৪৫১, কোন কোন বর্ণনায় ‘বিল-আমনি’র স্থলে ‘বিল-য়্যুমনি’ আছে। হাকেম ৭৭৬৭, দারেমী ১৬৮৮, আবূ য়্যালা ৬৬১)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দুআ পড়তেন, “আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি অলঈমা-নি অসসালা-মাতি অলইসলা-ম, রাব্বী অরাব্বুকাল্লা-হ।” অর্থ হে আল্লাহ! তুমি ঐ চাঁদকে আমাদের উপর উদিত কর নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ। (হেদায়াত ও কল্যাণময় চাঁদ!) (আহমাদ ১৩৯৭, তিরমিযী ৩৪৫১, কোন কোন বর্ণনায় ‘বিল-আমনি’র স্থলে ‘বিল-য়্যুমনি’ আছে। হাকেম ৭৭৬৭, দারেমী ১৬৮৮, আবূ য়্যালা ৬৬১)

عن طلحة بن عبيد الله أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم كان إذا رأى الهلال قال اللهم أهله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام ربي وربك اللهرواه الترمذي وقال حديث حسن


হাদিস সম্ভার > সেহরী খাওয়ার ফযীলত যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম

হাদিস সম্ভার ১০৫৬

عن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تسحروا ؛ فإن في السحور بركة متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা সেহরী খাও। কেননা, সেহরীতে বরকত নিহিত আছে।” (বুখারী ১৯২৩ ,মুসলিম ২৬০৩, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা সেহরী খাও। কেননা, সেহরীতে বরকত নিহিত আছে।” (বুখারী ১৯২৩ ,মুসলিম ২৬০৩, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)

عن أنس قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تسحروا ؛ فإن في السحور بركة متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৫৭

عن ابن عمر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله وملائكته يصلون على المتسحرين

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই আল্লাহ তাদের প্রতি করুণা বর্ষণ করেন, যারা সেহরী খায়, আর ফিরিশতাবর্গও তাদের জন্য দুআ করে থাকেন।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৪৩৪, ইবনে হিব্বান ৩৬৬৭, সহীহ তারগীব১০৫৩)

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অবশ্যই আল্লাহ তাদের প্রতি করুণা বর্ষণ করেন, যারা সেহরী খায়, আর ফিরিশতাবর্গও তাদের জন্য দুআ করে থাকেন।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৪৩৪, ইবনে হিব্বান ৩৬৬৭, সহীহ তারগীব১০৫৩)

عن ابن عمر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله وملائكته يصلون على المتسحرين


হাদিস সম্ভার ১০৫৮

وعن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر رواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমাদের সিয়াম ও কিতাবধারীদের (ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের) সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, সেহরী খাওয়া।” (মুসলিম ২৬০৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমাদের সিয়াম ও কিতাবধারীদের (ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের) সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, সেহরী খাওয়া।” (মুসলিম ২৬০৪)

وعن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১০৫৯

وعن زيد بن ثابت قال : تسحرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قمنا إلى الصلاة قيل : كم كان بينهما ؟ قال : قدر خمسين آية متفق عليه

তিনি বলেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে সেহরী খেয়েছি, অতঃপর নামাযে দাঁড়িয়েছি। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘ওই দুয়ের (নামায ও সেহরীর) মাঝখানে ব্যবধান কতক্ষণ ছিল?’ তিনি বললেন, ‘(প্রায়) পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মত সময়।’ (বুখারী ১৯২১, মুসলিম ২৬০৬)

তিনি বলেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে সেহরী খেয়েছি, অতঃপর নামাযে দাঁড়িয়েছি। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘ওই দুয়ের (নামায ও সেহরীর) মাঝখানে ব্যবধান কতক্ষণ ছিল?’ তিনি বললেন, ‘(প্রায়) পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মত সময়।’ (বুখারী ১৯২১, মুসলিম ২৬০৬)

وعن زيد بن ثابت قال : تسحرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قمنا إلى الصلاة قيل : كم كان بينهما ؟ قال : قدر خمسين آية متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৬০

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال: كان لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم مؤذنان : بلال وابن أم مكتوم فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم قال : ولم يكن بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দুজন মুআয্যিন ছিলেন; বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতূম। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বিলাল যখন রাতে আযান দেবে, তখন তোমরা পানাহার (সেহরী ভক্ষণ) কর; যতক্ষণ পর্যন্ত না ইবনে উম্মে মাকতূম আযান দেবে।” (ইবনে উমার) বলেন, ‘আর তাঁদের উভয়ের আযানের মাঝে এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, উনি নামতেন, আর ইনি চড়তেন।’ (বুখারী ১৯১৮, মুসলিম ২৫৯০)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দুজন মুআয্যিন ছিলেন; বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতূম। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বিলাল যখন রাতে আযান দেবে, তখন তোমরা পানাহার (সেহরী ভক্ষণ) কর; যতক্ষণ পর্যন্ত না ইবনে উম্মে মাকতূম আযান দেবে।” (ইবনে উমার) বলেন, ‘আর তাঁদের উভয়ের আযানের মাঝে এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, উনি নামতেন, আর ইনি চড়তেন।’ (বুখারী ১৯১৮, মুসলিম ২৫৯০)

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال: كان لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم مؤذنان : بلال وابن أم مكتوم فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم قال : ولم يكن بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا متفق عليه


হাদিস সম্ভার > সূর্যাস্তের সাথে সাথে দেরী না করে ইফতার করার ফযীলত, কোন্ খাদ্য দ্বারা ইফতার করবে ও তার পরের দুআ

হাদিস সম্ভার ১০৬১

عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر متفق عليه

রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যতদিন পর্যন্ত মুসলমানেরা শীঘ্র ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।” (বুখারী মুসলিম)

রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যতদিন পর্যন্ত মুসলমানেরা শীঘ্র ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।” (বুখারী মুসলিম)

عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৬২

عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر لأن اليهود والنصارى يؤخرون

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দ্বীন ততকাল বিজয়ী থাকবে, যতকাল লোকেরা ইফতার করতে তাড়াতাড়ি করবে। কারণ, ইহুদ ও খ্রিষ্টানরা দেরী করে ইফতার করে।” (আবূ দাঊদ ২৩৫৫, হাকেম ১৫৭৩, ইবনে হিব্বান ৩৫০৩, ইবনে খুযাইমা ২০৬০, সঃ জামে’ ৭৬৮৯)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “দ্বীন ততকাল বিজয়ী থাকবে, যতকাল লোকেরা ইফতার করতে তাড়াতাড়ি করবে। কারণ, ইহুদ ও খ্রিষ্টানরা দেরী করে ইফতার করে।” (আবূ দাঊদ ২৩৫৫, হাকেম ১৫৭৩, ইবনে হিব্বান ৩৫০৩, ইবনে খুযাইমা ২০৬০, সঃ জামে’ ৭৬৮৯)

عن أبى هريرة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر لأن اليهود والنصارى يؤخرون


হাদিস সম্ভার ১০৬৪

وعن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهار من هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে আগমন করবে এবং দিন এ (পশ্চিম) দিক থেকে প্রস্থান করবে এবং সূর্য ডুবে যাবে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” (বুখারী ১৯৫৪, মুসলিম ২৬১২)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে আগমন করবে এবং দিন এ (পশ্চিম) দিক থেকে প্রস্থান করবে এবং সূর্য ডুবে যাবে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” (বুখারী ১৯৫৪, মুসলিম ২৬১২)

وعن عمر بن الخطاب قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهار من هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৬৭

وعن أنس قال: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات فإن لم تكن رطبات فتميرات فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء رواه أبو داود والترمذي وقال حديث حسن

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি টাটকা পাকা খেজুর না পেতেন, তাহলে শুকনো কয়েকটি খেজুর যোগে ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুরও না হত, তাহলে কয়েক ঢোক পানি পান করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৩৫৮, তিরমিযী ৬৯৬)

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি টাটকা পাকা খেজুর না পেতেন, তাহলে শুকনো কয়েকটি খেজুর যোগে ইফতার করতেন। যদি শুকনো খেজুরও না হত, তাহলে কয়েক ঢোক পানি পান করতেন।’ (আবূ দাঊদ ২৩৫৮, তিরমিযী ৬৯৬)

وعن أنس قال: كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يفطر قبل أن يصلي على رطبات فإن لم تكن رطبات فتميرات فإن لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء رواه أبو داود والترمذي وقال حديث حسن


হাদিস সম্ভার ১০৬৩

وعن أبي عطية قال : دخلت أنا ومسروق على عائشة رضي الله عنها فقال لها مسروق : رجلان من أصحاب محمد صلى اللٰه عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير ؛ أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ؟ فقالت : من يعجل المغرب والإفطار ؟ قال : عبد الله - يعني : ابن مسعود - فقالت : هكذا كان رسول الله يصنع رواه مسلم

তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক আয়েশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলাম। মাসরুক তাঁকে বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহচরদের মধ্যে দুজন সহচর কল্যাণের ব্যাপারে আদৌ ত্রুটি করেন না। তাঁদের একজন মাগরিব ও ইফতার সত্বর সম্পাদন করেন এবং অপরজন মাগরিব ও ইফতার দেরীতে সম্পাদন করেন।’ এ কথা শুনে আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে মাগরিব ও ইফতার সত্বর করেন?’ তিনি বললেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপই করতেন।’ (মুসলিম ২৬১১)

তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক আয়েশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলাম। মাসরুক তাঁকে বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহচরদের মধ্যে দুজন সহচর কল্যাণের ব্যাপারে আদৌ ত্রুটি করেন না। তাঁদের একজন মাগরিব ও ইফতার সত্বর সম্পাদন করেন এবং অপরজন মাগরিব ও ইফতার দেরীতে সম্পাদন করেন।’ এ কথা শুনে আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে মাগরিব ও ইফতার সত্বর করেন?’ তিনি বললেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপই করতেন।’ (মুসলিম ২৬১১)

وعن أبي عطية قال : دخلت أنا ومسروق على عائشة رضي الله عنها فقال لها مسروق : رجلان من أصحاب محمد صلى اللٰه عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير ؛ أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ؟ فقالت : من يعجل المغرب والإفطار ؟ قال : عبد الله - يعني : ابن مسعود - فقالت : هكذا كان رسول الله يصنع رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১০৬৬

وعن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم إذ أتاني رجلان فأخذا بضبعي فأتيا بي جبلا وعرا فقالا : اصعد فقلت : إني لا أطيقه فقالا : إنا سنسهله لك فصعدت حتى إذا كنت في سواء الجبل إذا بأصوات شديدة فقلت : ما هذه الأصوات قالوا : هذا عواء أهل النار ثم انطلقا بي فإذا أنا بقوم معلقين بعراقيبهم مشققة أشداقهم تسيل أشداقهم دما فقلت : من هؤلاء قالا : هؤلاء الذين يفطرون قبل تحلة صومهم

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম; এমন সময় (স্বপ্নে) আমার নিকট দুই ব্যক্তি উপস্থিত হলেন। তাঁরা আমার উভয় বাহুর ঊর্ধ্বাংশে ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ের নিকট উপস্থিত করলেন এবং বললেন, ‘আপনি এই পাহাড়ে চড়ুন।’ আমি বললাম, ‘এ পাহাড়ে চড়তে আমি অক্ষম।’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আপনার জন্য চড়া সহজ করে দেব।’ সুতরাং আমি চড়ে গেলাম। অবশেষে যখন পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে পৌঁছলাম তখন বেশ কিছু চিৎকার-ধ্বনি শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ‘এ চিৎকার-ধ্বনি কাদের?’ তাঁরা বললেন, ‘এ হল জাহান্নামবাসীদের চীৎকার-ধ্বনি।’ পুনরায় তাঁরা আমাকে নিয়ে চলতে লাগলেন। হঠাৎ দেখলাম একদল লোক তাদের পায়ের গোড়ালির উপর মোটা শিরায় (বাঁধা অবস্থায়) লটকানো আছে, তাদের কশগুলো কেটে ও ছিঁড়ে আছে এবং কশবেয়ে রক্তও ঝরছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি বললাম, ‘ওরা কারা?’ তাঁরা বললেন, ‘ওরা হল তারা; যারা সময় হওয়ার পূর্বে-পূর্বেই ইফতার করে নিত---।” (ইবনে খুযাইমাহ ১৯৮৬, ইবনে হিব্বান ৭৪৯১, হাকেম ১৫৬৮, সহীহ তারগীব ১০০৫, ২৩৯৩)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম; এমন সময় (স্বপ্নে) আমার নিকট দুই ব্যক্তি উপস্থিত হলেন। তাঁরা আমার উভয় বাহুর ঊর্ধ্বাংশে ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ের নিকট উপস্থিত করলেন এবং বললেন, ‘আপনি এই পাহাড়ে চড়ুন।’ আমি বললাম, ‘এ পাহাড়ে চড়তে আমি অক্ষম।’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আপনার জন্য চড়া সহজ করে দেব।’ সুতরাং আমি চড়ে গেলাম। অবশেষে যখন পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে পৌঁছলাম তখন বেশ কিছু চিৎকার-ধ্বনি শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ‘এ চিৎকার-ধ্বনি কাদের?’ তাঁরা বললেন, ‘এ হল জাহান্নামবাসীদের চীৎকার-ধ্বনি।’ পুনরায় তাঁরা আমাকে নিয়ে চলতে লাগলেন। হঠাৎ দেখলাম একদল লোক তাদের পায়ের গোড়ালির উপর মোটা শিরায় (বাঁধা অবস্থায়) লটকানো আছে, তাদের কশগুলো কেটে ও ছিঁড়ে আছে এবং কশবেয়ে রক্তও ঝরছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমি বললাম, ‘ওরা কারা?’ তাঁরা বললেন, ‘ওরা হল তারা; যারা সময় হওয়ার পূর্বে-পূর্বেই ইফতার করে নিত---।” (ইবনে খুযাইমাহ ১৯৮৬, ইবনে হিব্বান ৭৪৯১, হাকেম ১৫৬৮, সহীহ তারগীব ১০০৫, ২৩৯৩)

وعن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم إذ أتاني رجلان فأخذا بضبعي فأتيا بي جبلا وعرا فقالا : اصعد فقلت : إني لا أطيقه فقالا : إنا سنسهله لك فصعدت حتى إذا كنت في سواء الجبل إذا بأصوات شديدة فقلت : ما هذه الأصوات قالوا : هذا عواء أهل النار ثم انطلقا بي فإذا أنا بقوم معلقين بعراقيبهم مشققة أشداقهم تسيل أشداقهم دما فقلت : من هؤلاء قالا : هؤلاء الذين يفطرون قبل تحلة صومهم


হাদিস সম্ভার ১০৬৫

وعن أبي إبراهيم عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال : سرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال لبعض القوم يا فلان انزل فاجدح لنا فقال : يا رسول الله لو أمسيت ؟ قال انزل فاجدح لنا قال : إن عليك نهارا، قال انزل فاجدح لنا قال : فنزل فجدح لهم فشرب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قال إذا رأيتم الليل قد أقبل من هاهنا فقد أفطر الصائم وأشار بيده قبل المشرق متفق عليه

তিনি বলেন, (একবার) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহচর্যে পথ চলছিলাম, তখন তিনি সিয়াম পালনকারী ছিলেন। অতঃপর যখন সূর্য অস্ত গেল, তখন তিনি সফররত সঙ্গীদের একজনকে বললেন, “হে অমুক! বাহন থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদি আর একটু সন্ধ্যা করতেন (তাহলে ভাল হত।)’ তিনি বললেন, “তুমি বাহন থেকে নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘এখনো দিন হয়ে আছে।’ তিনি আবার বললেন, “তুমি নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সে নেমে তাঁদের জন্য ছাতু ঘুলে দিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পান করলেন এবং বললেন, “যখন তোমরা প্রত্যক্ষ করবে যে, রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে এসে পড়েছে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” আর সেই সাথে তিনি পূর্বদিকে ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৯৪১, ১৯৫৫, মুসলিম ২৬১৩-২৬১৫)

তিনি বলেন, (একবার) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহচর্যে পথ চলছিলাম, তখন তিনি সিয়াম পালনকারী ছিলেন। অতঃপর যখন সূর্য অস্ত গেল, তখন তিনি সফররত সঙ্গীদের একজনকে বললেন, “হে অমুক! বাহন থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! যদি আর একটু সন্ধ্যা করতেন (তাহলে ভাল হত।)’ তিনি বললেন, “তুমি বাহন থেকে নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” সে বলল, ‘এখনো দিন হয়ে আছে।’ তিনি আবার বললেন, “তুমি নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু ঘুলে দাও।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সে নেমে তাঁদের জন্য ছাতু ঘুলে দিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পান করলেন এবং বললেন, “যখন তোমরা প্রত্যক্ষ করবে যে, রাত্রি এ (পূর্ব) দিক থেকে এসে পড়েছে, তখন অবশ্যই সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।” আর সেই সাথে তিনি পূর্বদিকে ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ১৯৪১, ১৯৫৫, মুসলিম ২৬১৩-২৬১৫)

وعن أبي إبراهيم عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال : سرنا مع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال لبعض القوم يا فلان انزل فاجدح لنا فقال : يا رسول الله لو أمسيت ؟ قال انزل فاجدح لنا قال : إن عليك نهارا، قال انزل فاجدح لنا قال : فنزل فجدح لهم فشرب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ثم قال إذا رأيتم الليل قد أقبل من هاهنا فقد أفطر الصائم وأشار بيده قبل المشرق متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১০৬৯

وعن أنس أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم جاء إلى سعد بن عبادة فجاء بخبز وزيت فأكل ثم قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفطر عندكم الصائمون وأكل طعامكم الأبرار وصلت عليكم الملائكة رواه أبو داود بإسناد صحيح

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি রুটি ও (যায়তুনের) তেল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সম্মুখে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ভক্ষণ করে এই দুআ পড়লেন, উচ্চারণ ‘আফত্বারা ইন্দাকুমুস স্বা-য়িমূন, অআকালা ত্বাআমাকুমুল আবরার, অস্বাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থাৎ, সিয়াম পালনকারী গণ তোমাদের নিকট ইফতার করল। সৎব্যক্তিগণ তোমাদের খাবার ভক্ষণ করল এবং ফিরিশতাগণ তোমাদের (ক্ষমার) জন্য দুআ করলেন। (আবূ দাঊদ ৩৮৫৬, বিশুদ্ধে সূত্রে)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি রুটি ও (যায়তুনের) তেল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সম্মুখে পেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ভক্ষণ করে এই দুআ পড়লেন, উচ্চারণ ‘আফত্বারা ইন্দাকুমুস স্বা-য়িমূন, অআকালা ত্বাআমাকুমুল আবরার, অস্বাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থাৎ, সিয়াম পালনকারী গণ তোমাদের নিকট ইফতার করল। সৎব্যক্তিগণ তোমাদের খাবার ভক্ষণ করল এবং ফিরিশতাগণ তোমাদের (ক্ষমার) জন্য দুআ করলেন। (আবূ দাঊদ ৩৮৫৬, বিশুদ্ধে সূত্রে)

وعن أنس أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم جاء إلى سعد بن عبادة فجاء بخبز وزيت فأكل ثم قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفطر عندكم الصائمون وأكل طعامكم الأبرار وصلت عليكم الملائكة رواه أبو داود بإسناد صحيح


হাদিস সম্ভার ১০৬৮

عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أفطر قال ذهب الظمأ وابتلت العروق وثبت الأجر إن شاء اللهرواه أبو داود

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইফতার করতেন, তখন এই দুআ বলতেন, “যাহাবায যামা-উ অবতাল্লাতিল উরুক্বু অষাবাতাল আজরু ইন শা-আল্লাহ।” অর্থাৎ, পিপাসা দূরীভূত হল, শিরা-উপশিরা সতেজ হল এবং ইন শাআল্লাহ সওয়াব সাব্যস্ত হল। (আবূ দাঊদ ২৩৫৯)

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইফতার করতেন, তখন এই দুআ বলতেন, “যাহাবায যামা-উ অবতাল্লাতিল উরুক্বু অষাবাতাল আজরু ইন শা-আল্লাহ।” অর্থাৎ, পিপাসা দূরীভূত হল, শিরা-উপশিরা সতেজ হল এবং ইন শাআল্লাহ সওয়াব সাব্যস্ত হল। (আবূ দাঊদ ২৩৫৯)

عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أفطر قال ذهب الظمأ وابتلت العروق وثبت الأجر إن شاء اللهرواه أبو داود


হাদিস সম্ভার ১০৭০

عن زيد بن خالد الجهني عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيءرواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সিয়াম পালনকারী কে ইফতার করাবে, সে (সিয়াম পালনকারীর) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে সিয়াম পালনকারীর নেকীর কিছুই কমবে না।”(তিরমিযী ৮০৭, নাসাঈর কুবরা ৩৩৩১-৩৩৩২, ইবনে মাজাহ ১৭৪৬, ইবনে হিব্বান ৩৪২৯, সহীহ তারগীব ১০৬৫)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সিয়াম পালনকারী কে ইফতার করাবে, সে (সিয়াম পালনকারীর) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে সিয়াম পালনকারীর নেকীর কিছুই কমবে না।”(তিরমিযী ৮০৭, নাসাঈর কুবরা ৩৩৩১-৩৩৩২, ইবনে মাজাহ ১৭৪৬, ইবনে হিব্বান ৩৪২৯, সহীহ তারগীব ১০৬৫)

عن زيد بن خالد الجهني عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيءرواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00