হাদিস সম্ভার > কৃপণতা ও ব্যয়কুণ্ঠতা

হাদিস সম্ভার ৯৮২

وعن جابر  أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال اتقوا الظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة واتقوا الشح فإن الشح أهلك من كان قبلكم حملهم على أن سفكوا دماءهم واستحلوا محارمهمرواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অত্যাচার করা থেকে বাঁচ। কেননা, অত্যাচার কিয়ামতের দিনের অন্ধকার। আর কৃপণতা থেকে দূরে থাক। কেননা, কৃপণতা তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস ক’রে দিয়েছে। (এই কৃপণতাই) তাদেরকে প্ররোচিত করেছিল, ফলে তারা নিজেদের রক্তপাত ঘটিয়েছিল এবং তাদের উপর হারামকৃত বস্তুসমূহকে হালাল ক’রে নিয়েছিল।” (মুসলিম ৬৭৪১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অত্যাচার করা থেকে বাঁচ। কেননা, অত্যাচার কিয়ামতের দিনের অন্ধকার। আর কৃপণতা থেকে দূরে থাক। কেননা, কৃপণতা তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস ক’রে দিয়েছে। (এই কৃপণতাই) তাদেরকে প্ররোচিত করেছিল, ফলে তারা নিজেদের রক্তপাত ঘটিয়েছিল এবং তাদের উপর হারামকৃত বস্তুসমূহকে হালাল ক’রে নিয়েছিল।” (মুসলিম ৬৭৪১)

وعن جابر  أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال اتقوا الظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة واتقوا الشح فإن الشح أهلك من كان قبلكم حملهم على أن سفكوا دماءهم واستحلوا محارمهمرواه مسلم


হাদিস সম্ভার ৯৮৩

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم في جوف عبد أبدا ولا يجتمع الشح والإيمان في قلب عبد أبدا

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কোনও বান্দার পেটে আল্লাহ রাস্তায় ধুলো ও দোযখের ধুঁয়ো কখনই একত্রিত হবে না। আর কৃপণতা ও ঈমান কোন বান্দার অন্তরে কখনই জমা হতে পারে না।” (আহমাদ ৭৪৮০, নাসাঈ ৩১১০, ইবনে হিব্বান ৩২৫১, হাকেম ২৩৯৫, সহীহুল জামে’ ৭৬১৬)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কোনও বান্দার পেটে আল্লাহ রাস্তায় ধুলো ও দোযখের ধুঁয়ো কখনই একত্রিত হবে না। আর কৃপণতা ও ঈমান কোন বান্দার অন্তরে কখনই জমা হতে পারে না।” (আহমাদ ৭৪৮০, নাসাঈ ৩১১০, ইবনে হিব্বান ৩২৫১, হাকেম ২৩৯৫, সহীহুল জামে’ ৭৬১৬)

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم في جوف عبد أبدا ولا يجتمع الشح والإيمان في قلب عبد أبدا


হাদিস সম্ভার ৯৮৪

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم شر ما فى رجل شح هالع وجبن خالع

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “মানুষের মাঝে দু’টি চরিত্র বড় নিকৃষ্টতম; কাতরতাপূর্ণ কার্পণ্য এবং সীমাহীন ভীরুতা।” (আহমাদ ৮০১০, আবূ দাউদ ২৫১১, ইবনে হিব্বান ৩২৫০, সহীহুল জামে’ ৩৭০৯)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “মানুষের মাঝে দু’টি চরিত্র বড় নিকৃষ্টতম; কাতরতাপূর্ণ কার্পণ্য এবং সীমাহীন ভীরুতা।” (আহমাদ ৮০১০, আবূ দাউদ ২৫১১, ইবনে হিব্বান ৩২৫০, সহীহুল জামে’ ৩৭০৯)

عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم شر ما فى رجل شح هالع وجبن خالع


হাদিস সম্ভার ৯৮৬

عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : أيما رجل أتاه ابن عمه فسأله من فضله فمنعه منعه الله فضله يوم القيامة ومن منع فضل الماء ليمنع به فضل الكلأ منعه الله فضله يوم القيامة

তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে কোনও ব্যক্তির নিকট তার চাচাতো ভাই এসে তার উদ্বৃত্ত মাল চায় এবং সে যদি তাকে তা না দেয় তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ নিজ অনুগ্রহ হতে তাকে বঞ্চিত করবেন। আর যে ব্যক্তি অতিরিক্ত ঘাস না দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার (কুয়া বা ঝরনার) অতিরিক্ত পানিও (গবাদি পশুকে) দান করে না, আল্লাহ কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তিকে নিজ অনুগ্রহ দান করবেন না।” (ত্বাবারানীর সাগীর ৯৩, আউসাত্ব ১১৯৫, সহীহ তারগীব ৮৯৭)

তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে কোনও ব্যক্তির নিকট তার চাচাতো ভাই এসে তার উদ্বৃত্ত মাল চায় এবং সে যদি তাকে তা না দেয় তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ নিজ অনুগ্রহ হতে তাকে বঞ্চিত করবেন। আর যে ব্যক্তি অতিরিক্ত ঘাস না দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার (কুয়া বা ঝরনার) অতিরিক্ত পানিও (গবাদি পশুকে) দান করে না, আল্লাহ কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তিকে নিজ অনুগ্রহ দান করবেন না।” (ত্বাবারানীর সাগীর ৯৩, আউসাত্ব ১১৯৫, সহীহ তারগীব ৮৯৭)

عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : أيما رجل أتاه ابن عمه فسأله من فضله فمنعه منعه الله فضله يوم القيامة ومن منع فضل الماء ليمنع به فضل الكلأ منعه الله فضله يوم القيامة


হাদিস সম্ভার ৯৮৫

عن جرير بن عبد الله عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من ذي رحم يأتي رحمه فيسأله فضلا أعطاه الله إياه فيبخل عليه إلا أخرج له يوم القيامة من جهنم حية يقال لها : شجاع يتلمظ فيطوق به

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কোন (গরীব) নিকটাত্মীয় যখন তার (ধনী) নিকটাত্মীয়র নিকট এসে আল্লাহর দানকৃত অনুগ্রহ তার কাছে প্রার্থনা করে, তখন সে (ধনী) ব্যক্তি তা দিতে কার্পণ্য করলে (পরকালে) আল্লাহ তার জন্য দোযখ থেকে একটি ‘শুজা’ নামক সাপ বের করবেন; যে সাপ তার জিব বের করে মুখ হিলাতে থাকবে। এই সাপকে বেড়িস্বরূপ তার গলায় পরানো হবে।” (ত্বাবারানীর আউসাত্ব ৫৫৯৩, কাবীর, সহীহ তারগীব ৮৯৬)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কোন (গরীব) নিকটাত্মীয় যখন তার (ধনী) নিকটাত্মীয়র নিকট এসে আল্লাহর দানকৃত অনুগ্রহ তার কাছে প্রার্থনা করে, তখন সে (ধনী) ব্যক্তি তা দিতে কার্পণ্য করলে (পরকালে) আল্লাহ তার জন্য দোযখ থেকে একটি ‘শুজা’ নামক সাপ বের করবেন; যে সাপ তার জিব বের করে মুখ হিলাতে থাকবে। এই সাপকে বেড়িস্বরূপ তার গলায় পরানো হবে।” (ত্বাবারানীর আউসাত্ব ৫৫৯৩, কাবীর, সহীহ তারগীব ৮৯৬)

عن جرير بن عبد الله عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من ذي رحم يأتي رحمه فيسأله فضلا أعطاه الله إياه فيبخل عليه إلا أخرج له يوم القيامة من جهنم حية يقال لها : شجاع يتلمظ فيطوق به


হাদিস সম্ভার ৯৮৭

عن أبي ذر قال قال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : يا أبا ذر تقول كثرة المال الغنى ؟ قلت : نعم قال : تقول قلة المال الفقر ؟ قلت : نعم قال ذلك ثلاثا ثم قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : الغنى في القلب والفقر في القلب من كان الغنى في قلبه لا يضره ما لقي من الدنيا ومن كان الفقر في قلبه فلا يغنيه ما أكثر له في الدنيا وإنما يضر نفسه شحها

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তুমি কি বল যে, বেশী ধন হলে, তার নামই ধনবত্তা?” আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ তারপর বললেন, “তুমি কি বল যে, ধন কম হলে, তার নামই দরিদ্রতা?” আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ এরূপ তিনবার বলার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “(না,) বরং প্রকৃত ধনবত্তা হল হৃদয়ের ধনবত্তা এবং প্রকৃত দরিদ্রতা হল হৃদয়ের দরিদ্রতা। যার হৃদয়ে ধনবত্তা থাকে, দুনিয়ার কোন বঞ্চনা তার ক্ষতি করতে পারে না। আর যার হৃদয়ে দরিদ্রতা থাকে, দুনিয়ার ধনাধিক্য তাকে অভাবমুক্ত করতে পারে না। আসলে হৃদয়ের কার্পণ্যই তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।” (নাসাঈ, ত্বাবারানী ১৬১৯, ইবনে হিব্বান ৬৮৫, সহীহুল জামে’ ৭৮১৬)

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তুমি কি বল যে, বেশী ধন হলে, তার নামই ধনবত্তা?” আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ তারপর বললেন, “তুমি কি বল যে, ধন কম হলে, তার নামই দরিদ্রতা?” আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ এরূপ তিনবার বলার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “(না,) বরং প্রকৃত ধনবত্তা হল হৃদয়ের ধনবত্তা এবং প্রকৃত দরিদ্রতা হল হৃদয়ের দরিদ্রতা। যার হৃদয়ে ধনবত্তা থাকে, দুনিয়ার কোন বঞ্চনা তার ক্ষতি করতে পারে না। আর যার হৃদয়ে দরিদ্রতা থাকে, দুনিয়ার ধনাধিক্য তাকে অভাবমুক্ত করতে পারে না। আসলে হৃদয়ের কার্পণ্যই তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।” (নাসাঈ, ত্বাবারানী ১৬১৯, ইবনে হিব্বান ৬৮৫, সহীহুল জামে’ ৭৮১৬)

عن أبي ذر قال قال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : يا أبا ذر تقول كثرة المال الغنى ؟ قلت : نعم قال : تقول قلة المال الفقر ؟ قلت : نعم قال ذلك ثلاثا ثم قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : الغنى في القلب والفقر في القلب من كان الغنى في قلبه لا يضره ما لقي من الدنيا ومن كان الفقر في قلبه فلا يغنيه ما أكثر له في الدنيا وإنما يضر نفسه شحها


হাদিস সম্ভার ৯৮৮

وعن أبي هريرة  قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من يوم يصبح العباد فيه إلا ملكان ينزلان فيقول أحدهما: اللهم أعط منفقا خلفا ويقول الآخر : اللهم أعط ممسكا تلفا متفق عليه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতিদিন সকালে দু’জন ফিরিশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের বিনিময় দিন।’ আর অপরজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস দিন।” (বুখারী ১৪৪২, মুসলিম ২৩৮৩)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতিদিন সকালে দু’জন ফিরিশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের বিনিময় দিন।’ আর অপরজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস দিন।” (বুখারী ১৪৪২, মুসলিম ২৩৮৩)

وعن أبي هريرة  قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من يوم يصبح العباد فيه إلا ملكان ينزلان فيقول أحدهما: اللهم أعط منفقا خلفا ويقول الآخر : اللهم أعط ممسكا تلفا متفق عليه


হাদিস সম্ভার ৯৮৯

عن بعض أصحاب النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال جاء رجل إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله إن لفلان نخلة في حائطي فمره فليبعنيها أو ليهبها لي قال فأبى الرجل فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم افعل ولك بها نخلة في الجنة فأبى فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم هذا أبخل الناس

একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তির নিকট থেকে অন্য এক ব্যক্তির জন্য একটি খেজুর গাছ দান চাইলেন। কিন্তু লোকটি তা দিল না। তিনি তাকে মূল্যের বিনিময়ে তা বিক্রি করতে বললে তাতেও সে রাজি হল না। পরিশেষে জান্নাতের একটি গাছের বিনিময়ে তা দান করতে উৎসাহিত করলেন, কিন্তু তাতেও সে সম্মত হল না! লোকটির কার্পণ্য দেখে বললেন, “এ হল সবচেয়ে বড় কৃপণ।” (আহমাদ ২৩০৮৫)

একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তির নিকট থেকে অন্য এক ব্যক্তির জন্য একটি খেজুর গাছ দান চাইলেন। কিন্তু লোকটি তা দিল না। তিনি তাকে মূল্যের বিনিময়ে তা বিক্রি করতে বললে তাতেও সে রাজি হল না। পরিশেষে জান্নাতের একটি গাছের বিনিময়ে তা দান করতে উৎসাহিত করলেন, কিন্তু তাতেও সে সম্মত হল না! লোকটির কার্পণ্য দেখে বললেন, “এ হল সবচেয়ে বড় কৃপণ।” (আহমাদ ২৩০৮৫)

عن بعض أصحاب النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال جاء رجل إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله إن لفلان نخلة في حائطي فمره فليبعنيها أو ليهبها لي قال فأبى الرجل فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم افعل ولك بها نخلة في الجنة فأبى فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم هذا أبخل الناس


হাদিস সম্ভার ৯৯০

عن قرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الحياء والعفاف والعي عي اللسان لاعي القلب والعمل من الإيمان وإنهن يزدن في الآخرة وينقصن من الدنيا ولما يزدن في الآخرة أكثر مما ينقصن في الدنيا فإن الشح والبذاء من النفاق وإنهن يزدن في الدنيا وينقصن من الآخرة، ولما ينقصن في الآخرة أكثر مما يزدن في الدنيا

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় লজ্জাশীলতা, যৌন-পবিত্রতা, মুখচোরামি ও দ্বীনী জ্ঞান ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। এগুলি পরকালের সম্বল বৃদ্ধি করবে এবং ইহকালের সম্বল হ্রাস করবে। পক্ষান্তরে কার্পণ্য, অশ্লীলতা ও নোংরা ভাষা মুনাফিকীর অন্তর্ভুক্ত। এগুলি পরকালের সম্বল হ্রাস করে এবং ইহকালের সম্বল বৃদ্ধি করে। আর পরকালের যা হ্রাস পায়, তা ইহকালের যা বৃদ্ধি করে তা অপেক্ষা অধিক।” (ত্বাবারানী ১৫৪০৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ৩৩৮১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় লজ্জাশীলতা, যৌন-পবিত্রতা, মুখচোরামি ও দ্বীনী জ্ঞান ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। এগুলি পরকালের সম্বল বৃদ্ধি করবে এবং ইহকালের সম্বল হ্রাস করবে। পক্ষান্তরে কার্পণ্য, অশ্লীলতা ও নোংরা ভাষা মুনাফিকীর অন্তর্ভুক্ত। এগুলি পরকালের সম্বল হ্রাস করে এবং ইহকালের সম্বল বৃদ্ধি করে। আর পরকালের যা হ্রাস পায়, তা ইহকালের যা বৃদ্ধি করে তা অপেক্ষা অধিক।” (ত্বাবারানী ১৫৪০৭, সিলসিলাহ সহীহাহ ৩৩৮১)

عن قرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الحياء والعفاف والعي عي اللسان لاعي القلب والعمل من الإيمان وإنهن يزدن في الآخرة وينقصن من الدنيا ولما يزدن في الآخرة أكثر مما ينقصن في الدنيا فإن الشح والبذاء من النفاق وإنهن يزدن في الدنيا وينقصن من الآخرة، ولما ينقصن في الآخرة أكثر مما يزدن في الدنيا


হাদিস সম্ভার > উপহার বা দানের বস্তু ফেরৎ নেওয়া অপছন্দনীয় কাজ

হাদিস সম্ভার ৯৯১

وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيئه متفق عليه وفي رواية مثل الذي يرجع في صدقته كمثل الكلب يقيء ثم يعود في قيئه وعن ابن عباس رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيئه متفق عليه وفي روايةمثل الذي يرجع في صدقته كمثل الكلب يقيء ثم يعود في قيئه فيأكله وفي روايةالعائد في هبته كالعائد في قيئه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের দান ফিরিয়ে নেয়, সে ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে, তারপর তা আবার খেয়ে ফেলে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যক্তি সাদকার মাল ফেরৎ নেয় তার উদাহরণ ঠিক ঐ কুকুরের ন্যায়, যে বমি করে তারপর আবার তা ভক্ষণ করে।” অন্য আর এক বর্ণনায় আছে, “দান করে ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি, বমি করে পুনর্ভক্ষণ-কারীর মত।” (বুখারী ২৫৮৯, ২৬২২, ৬৯৭৫, মুসলিম ৪২৫৫, ৪২৫৮, ৪২৬১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের দান ফিরিয়ে নেয়, সে ঐ কুকুরের মত, যে বমি করে, তারপর তা আবার খেয়ে ফেলে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যক্তি সাদকার মাল ফেরৎ নেয় তার উদাহরণ ঠিক ঐ কুকুরের ন্যায়, যে বমি করে তারপর আবার তা ভক্ষণ করে।” অন্য আর এক বর্ণনায় আছে, “দান করে ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি, বমি করে পুনর্ভক্ষণ-কারীর মত।” (বুখারী ২৫৮৯, ২৬২২, ৬৯৭৫, মুসলিম ৪২৫৫, ৪২৫৮, ৪২৬১)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيئه متفق عليه وفي رواية مثل الذي يرجع في صدقته كمثل الكلب يقيء ثم يعود في قيئه وعن ابن عباس رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيئه متفق عليه وفي روايةمثل الذي يرجع في صدقته كمثل الكلب يقيء ثم يعود في قيئه فيأكله وفي روايةالعائد في هبته كالعائد في قيئه


হাদিস সম্ভার ৯৯২

وعن عمر بن الخطاب  قال : حملت على فرس في سبيل الله فأضاعه الذي كان عنده فأردت أن أشتريه وظننت أنه يبيعه برخص فسألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال لا تشتره ولا تعد في صدقتك وإن أعطاكه بدرهم فإن العائد في صدقته كالعائد في قيئه متفق عليه

তিনি বলেন, ‘আমার একটি ঘোড়া ছিল, যা আমি আল্লাহর রাস্তায় (ব্যবহারের জন্য এক মুজাহিদকে) দান করলাম। যার কাছে এটা ছিল, সে এটাকে নষ্ট করে দিল। (অর্থাৎ, যথোচিত যত্ন করতে না পারলে ঘোড়াটি রুগ্ন বা দুর্বল হয়ে পড়ল)। ফলে আমি তা কিনে নিতে চাইলাম এবং আমার ধারণা ছিল যে, সে সেটি সস্তা দামে বিক্রি করবে। (এ সম্পর্কে) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার (দেওয়া) সাদকাহ ফিরিয়ে নিয়ো না; যদিও সে তোমাকে তা এক দিরহামের বিনিময়ে দিতে চায়। কেননা, দান করে ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি, বমি করে পুনর্ভক্ষণকারীর মত।” (বুখারী ১৪৯০, মুসলিম ৪২৪৮, ৪২৫২, আবূ দাঊদ ১৫৯৩)

তিনি বলেন, ‘আমার একটি ঘোড়া ছিল, যা আমি আল্লাহর রাস্তায় (ব্যবহারের জন্য এক মুজাহিদকে) দান করলাম। যার কাছে এটা ছিল, সে এটাকে নষ্ট করে দিল। (অর্থাৎ, যথোচিত যত্ন করতে না পারলে ঘোড়াটি রুগ্ন বা দুর্বল হয়ে পড়ল)। ফলে আমি তা কিনে নিতে চাইলাম এবং আমার ধারণা ছিল যে, সে সেটি সস্তা দামে বিক্রি করবে। (এ সম্পর্কে) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার (দেওয়া) সাদকাহ ফিরিয়ে নিয়ো না; যদিও সে তোমাকে তা এক দিরহামের বিনিময়ে দিতে চায়। কেননা, দান করে ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি, বমি করে পুনর্ভক্ষণকারীর মত।” (বুখারী ১৪৯০, মুসলিম ৪২৪৮, ৪২৫২, আবূ দাঊদ ১৫৯৩)

وعن عمر بن الخطاب  قال : حملت على فرس في سبيل الله فأضاعه الذي كان عنده فأردت أن أشتريه وظننت أنه يبيعه برخص فسألت النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال لا تشتره ولا تعد في صدقتك وإن أعطاكه بدرهم فإن العائد في صدقته كالعائد في قيئه متفق عليه


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00