হাদিস সম্ভার > ভিক্ষাবৃত্তি থেকে দূরে থাকা এবং অপরকে দান করার প্রতি উৎসাহ দেওয়া প্রসঙ্গে
হাদিস সম্ভার ৯৯৯
وعن أبي عبد الله الزبير بن العوام قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لأن يأخذ أحدكم أحبله ثم يأتي الجبل فيأتي بحزمة من حطب على ظهره فيبيعها فيكف الله بها وجهه خير له من أن يسأل الناس أعطوه أو منعوهرواه البخاري
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে পাহাড় যাওয়া এবং কাঠের বোঝা পিঠে করে বয়ে আনা ও তা বিক্রি করা, যার দ্বারা আল্লাহ তার চেহারাকে (অপমান থেকে) বাঁচান, লোকেদের কাছে এসে ভিক্ষা করার চেয়ে উত্তম; চাহে তারা তাকে দিক বা না দিক।” (বুখারী ১৪৭১, ২০৭৫, ২৩৭৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে পাহাড় যাওয়া এবং কাঠের বোঝা পিঠে করে বয়ে আনা ও তা বিক্রি করা, যার দ্বারা আল্লাহ তার চেহারাকে (অপমান থেকে) বাঁচান, লোকেদের কাছে এসে ভিক্ষা করার চেয়ে উত্তম; চাহে তারা তাকে দিক বা না দিক।” (বুখারী ১৪৭১, ২০৭৫, ২৩৭৩)
وعن أبي عبد الله الزبير بن العوام قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لأن يأخذ أحدكم أحبله ثم يأتي الجبل فيأتي بحزمة من حطب على ظهره فيبيعها فيكف الله بها وجهه خير له من أن يسأل الناس أعطوه أو منعوهرواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১০০০
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لأن يحتطب أحدكم حزمة على ظهره خير له من أن يسأل أحدا فيعطيه أو يمنعه متفق عليه
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে ভিক্ষা করার চেয়ে অনেক ভাল; চাহে সে দিক বা না দিক।” (বুখারী ২০৭৪, ২৩৭৪, মুসলিম ২৪৪৯)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে ভিক্ষা করার চেয়ে অনেক ভাল; চাহে সে দিক বা না দিক।” (বুখারী ২০৭৪, ২৩৭৪, মুসলিম ২৪৪৯)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لأن يحتطب أحدكم حزمة على ظهره خير له من أن يسأل أحدا فيعطيه أو يمنعه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১০০১
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
হাদিস সম্ভার ১০০২
عن أبى سعيد الخدرى أن ناسا من الأنصار سألوا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ما يكن عندى من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطى أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আনসারদের কিছু লোক ভিক্ষা চাইলে তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবার চাইলে আবারও দান করলেন। পরিশেষে তাঁর নিকট যা ছিল তা নিঃশেষ হয়ে গেলে তিনি বললেন, “আমার নিকট যে মঙ্গল থাকবে, আমি তা তোমাদেরকে না দিয়ে কখনই জমা করে রাখব না। তবে যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা থেকে) পবিত্র থাকতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন, যে ব্যক্তি (অপরের) অমুখাপেক্ষী থাকতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে (সকল থেকে) অমুখাপেক্ষী করে দেবেন এবং যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধরতে সাহায্য করবেন। আর ধৈর্যের চেয়ে অধিক উত্তম ও ব্যাপক দান কাউকে দেওয়া হয়নি।” (বুখারী ১৪৬৯, মুসলিম ২৪৭১)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আনসারদের কিছু লোক ভিক্ষা চাইলে তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবার চাইলে আবারও দান করলেন। পরিশেষে তাঁর নিকট যা ছিল তা নিঃশেষ হয়ে গেলে তিনি বললেন, “আমার নিকট যে মঙ্গল থাকবে, আমি তা তোমাদেরকে না দিয়ে কখনই জমা করে রাখব না। তবে যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা থেকে) পবিত্র থাকতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন, যে ব্যক্তি (অপরের) অমুখাপেক্ষী থাকতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে (সকল থেকে) অমুখাপেক্ষী করে দেবেন এবং যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরতে চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধরতে সাহায্য করবেন। আর ধৈর্যের চেয়ে অধিক উত্তম ও ব্যাপক দান কাউকে দেওয়া হয়নি।” (বুখারী ১৪৬৯, মুসলিম ২৪৭১)
عن أبى سعيد الخدرى أن ناسا من الأنصار سألوا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ما يكن عندى من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطى أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر
হাদিস সম্ভার ১০০৩
عن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أصابته فاقة فأنزلها بالناس لم تسد فاقته ومن أنزلها بالله أوشك الله له بالغنى إما بموت عاجل أو غنى عاجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তির অভাব আসে এবং সেই অভাবের কথা মানুষের কাছে জানায়, তার অভাব দূর করা হয় না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার অভাবের কথা আল্লাহর কাছে জানায়, আল্লাহ তাকে সত্বর অভাব দূর করেন; সত্বর মৃত্যু অথবা সত্বর ধনবত্তা দিয়ে।” (আহমাদ ৩৬৯৬, ৪২১৯, আবূ দাঊদ ১৬৪৭, তিরমিযী ২৩২৬, হাকেম ১৪৮২, সহীহ তারগীব ৮৩৮, ১৬৩৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তির অভাব আসে এবং সেই অভাবের কথা মানুষের কাছে জানায়, তার অভাব দূর করা হয় না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার অভাবের কথা আল্লাহর কাছে জানায়, আল্লাহ তাকে সত্বর অভাব দূর করেন; সত্বর মৃত্যু অথবা সত্বর ধনবত্তা দিয়ে।” (আহমাদ ৩৬৯৬, ৪২১৯, আবূ দাঊদ ১৬৪৭, তিরমিযী ২৩২৬, হাকেম ১৪৮২, সহীহ তারগীব ৮৩৮, ১৬৩৭)
عن ابن مسعود قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من أصابته فاقة فأنزلها بالناس لم تسد فاقته ومن أنزلها بالله أوشك الله له بالغنى إما بموت عاجل أو غنى عاجل
হাদিস সম্ভার ১০০৪
عن عبد الله بن عمر رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة ليس في وجهه مزعة لحم
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ ভিক্ষা করতে থাকলে পরিশেষে যখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তার মুখমন্ডলে এক টুকরাও মাংস থাকবে না।” (বুখারী ১৪৭৪, মুসলিম ২৪৪৫, নাসাঈ, আহমাদ ২/১৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ ভিক্ষা করতে থাকলে পরিশেষে যখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তার মুখমন্ডলে এক টুকরাও মাংস থাকবে না।” (বুখারী ১৪৭৪, মুসলিম ২৪৪৫, নাসাঈ, আহমাদ ২/১৫)
عن عبد الله بن عمر رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة ليس في وجهه مزعة لحم
হাদিস সম্ভার ১০০৫
وعنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم المسألة كدوح في وجه صاحبها يوم القيامة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ভিক্ষা হল কিয়ামতের দিন ভিক্ষুকের মুখের ক্ষত-স্বরূপ।” (আহমাদ ৫৬৮০, সহীহ তারগীব ৭৯৩)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ভিক্ষা হল কিয়ামতের দিন ভিক্ষুকের মুখের ক্ষত-স্বরূপ।” (আহমাদ ৫৬৮০, সহীহ তারগীব ৭৯৩)
وعنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم المسألة كدوح في وجه صاحبها يوم القيامة
হাদিস সম্ভার ১০০৬
عن عمران بن حصين قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم مسألة الغني شين في وجهه يوم القيامة
বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অভাবমুক্ত মানুষের ভিক্ষা কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডলে কলঙ্কের ছাপ হবে।” (আহমাদ ১৯৮২১, ১৯৯১১, ত্বাবারানী ১৪৭৭১, সঃ তারগীব ৭৯৮)
বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “অভাবমুক্ত মানুষের ভিক্ষা কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডলে কলঙ্কের ছাপ হবে।” (আহমাদ ১৯৮২১, ১৯৯১১, ত্বাবারানী ১৪৭৭১, সঃ তারগীব ৭৯৮)
عن عمران بن حصين قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم مسألة الغني شين في وجهه يوم القيامة
হাদিস সম্ভার ১০০৭
عن حبشي بن جنادة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من سأل من غير فقر فكأنما يأكل الجمر
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, “যে ব্যক্তি অভাব না থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে (খেলো), সে ব্যক্তি যেন জাহান্নামের অঙ্গার খেলো।” (আহমাদ ১৭৫০৮, ত্বাবারানীর কাবীর ৩৪২৬, ইবনে খুযাইমা ২৪৪৬, বাইহাকী, সহীহ তারগীব ৮০২)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, “যে ব্যক্তি অভাব না থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে (খেলো), সে ব্যক্তি যেন জাহান্নামের অঙ্গার খেলো।” (আহমাদ ১৭৫০৮, ত্বাবারানীর কাবীর ৩৪২৬, ইবনে খুযাইমা ২৪৪৬, বাইহাকী, সহীহ তারগীব ৮০২)
عن حبشي بن جنادة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من سأل من غير فقر فكأنما يأكل الجمر
হাদিস সম্ভার ১০০৮
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من سأل الناس أموالهم تكثرا فإنما يسأل جمرا فليستقل أو ليستكثر
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজ মাল বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে লোকেদের নিকট ভিক্ষা করে, প্রকৃতপক্ষে সে (দোযখের) অঙ্গার ভিক্ষা করে। চাহে সে কম করুক অথবা বেশী।” (মুসলিম ২৪৪৬, ইবনে মাজাহ ১৮৩৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজ মাল বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে লোকেদের নিকট ভিক্ষা করে, প্রকৃতপক্ষে সে (দোযখের) অঙ্গার ভিক্ষা করে। চাহে সে কম করুক অথবা বেশী।” (মুসলিম ২৪৪৬, ইবনে মাজাহ ১৮৩৮)
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من سأل الناس أموالهم تكثرا فإنما يسأل جمرا فليستقل أو ليستكثر
হাদিস সম্ভার ১০০৯
عن عبد الرحمن بن عوف قال: إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ثلاث والذي نفس محمد بيده إن كنت لحالفا عليهن لا ينقص مال من صدقة فتصدقوا ولا يعفو عبد عن مظلمة يبتغي بها وجه الله إلا رفعه الله بها و قال أبو سعيد مولى بني هاشم إلا زاده الله بها عزا يوم الুقيامة ولا يفتح عبد باب مسألة إلا فتح الله عليه باب فقر
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তিনটি বিষয় এমন রয়েছে---সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ আছে---যদি আমি (সেগুলির বাস্তবতার উপরে) শপথ করি (তাহলে অযথা হবে না।) দান করার ফলে মাল কমে যায় না। সুতরাং তোমরা দান কর। যে কোনও বান্দা কারো অন্যায়কে ক্ষমা করে দেবে তার বিনিময়ে আল্লাহ কিয়ামতের দিন সে বান্দার ইজ্জত বৃদ্ধি করবেন। আর যে বান্দা ভিক্ষা দরজা খুলবে আল্লাহ তার জন্য অভাবের দরজা খুলে দেবেন।” (আহমাদ ১৬৭৪, আবূ য়্যা’লা ৮৪৯, বায্যার ১০৩২, সহীহ তারগীব ৮১৪)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তিনটি বিষয় এমন রয়েছে---সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ আছে---যদি আমি (সেগুলির বাস্তবতার উপরে) শপথ করি (তাহলে অযথা হবে না।) দান করার ফলে মাল কমে যায় না। সুতরাং তোমরা দান কর। যে কোনও বান্দা কারো অন্যায়কে ক্ষমা করে দেবে তার বিনিময়ে আল্লাহ কিয়ামতের দিন সে বান্দার ইজ্জত বৃদ্ধি করবেন। আর যে বান্দা ভিক্ষা দরজা খুলবে আল্লাহ তার জন্য অভাবের দরজা খুলে দেবেন।” (আহমাদ ১৬৭৪, আবূ য়্যা’লা ৮৪৯, বায্যার ১০৩২, সহীহ তারগীব ৮১৪)
عن عبد الرحمن بن عوف قال: إن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ثلاث والذي نفس محمد بيده إن كنت لحالفا عليهن لا ينقص مال من صدقة فتصدقوا ولا يعفو عبد عن مظلمة يبتغي بها وجه الله إلا رفعه الله بها و قال أبو سعيد مولى بني هاشم إلا زاده الله بها عزا يوم الুقيامة ولا يفتح عبد باب مسألة إلا فتح الله عليه باب فقر
হাদিস সম্ভার ১০১০
عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لو يعلم صاحب المسألة ما له فيها لم يسأل
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ ভিক্ষুক যদি ভিক্ষায় কি শাস্তি আছে তা জানত, তাহলে সে ভিক্ষা করত না।” (ত্বাবারানী ১২৪৫০, সহীহ তারগীব ৭৯৭)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ ভিক্ষুক যদি ভিক্ষায় কি শাস্তি আছে তা জানত, তাহলে সে ভিক্ষা করত না।” (ত্বাবারানী ১২৪৫০, সহীহ তারগীব ৭৯৭)
عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لو يعلم صاحب المسألة ما له فيها لم يسأل
হাদিস সম্ভার ১০১১
عن أبي هريرة قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى إن الله تعالى يبغض السائل الملحف
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারীকে ঘৃণা করেন।” (আবূ নুআইম, সহীহুল জামে ১৮৭৬)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারীকে ঘৃণা করেন।” (আবূ নুআইম, সহীহুল জামে ১৮৭৬)
عن أبي هريرة قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى إن الله تعالى يبغض السائل الملحف
হাদিস সম্ভার ১০১২
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى إذا أنعم على عبد نعمة يحب أن يرى أثر النعمة عليه ويكره البؤس والتباؤس ويبغض السائل الملحف ويحب الحي العفيف المتعفف
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দার উপর কোন সম্পদ দান করেন, তখন তিনি তার চিহ্ন ঐ বান্দার উপর দেখা যাক---তা পছন্দ করেন। তিনি অভাব ও দীনতা প্রকাশ করাকে অপছন্দ করেন। নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারী ঘৃণা করেন এবং লজ্জাশীল ও ভিক্ষা করে না এমন পবিত্র মানুষকে তিনি ভালোবাসেন।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৬২০২, সহীহুল জামে’ ১৭০৭)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দার উপর কোন সম্পদ দান করেন, তখন তিনি তার চিহ্ন ঐ বান্দার উপর দেখা যাক---তা পছন্দ করেন। তিনি অভাব ও দীনতা প্রকাশ করাকে অপছন্দ করেন। নাছোড়-বান্দা হয়ে ভিক্ষাকারী ঘৃণা করেন এবং লজ্জাশীল ও ভিক্ষা করে না এমন পবিত্র মানুষকে তিনি ভালোবাসেন।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৬২০২, সহীহুল জামে’ ১৭০৭)
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى إذا أنعم على عبد نعمة يحب أن يرى أثر النعمة عليه ويكره البؤس والتباؤس ويبغض السائل الملحف ويحب الحي العفيف المتعفف
হাদিস সম্ভার ১০১৩
عوف بن مالك الأشجعي قال كنا عند رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تسعة أو ثمانية أو سبعة فقال ألا تبايعون رسول الله গ্ধ ثلاثا قال فبسطنا أيدينا وقلنا قد بايعناك يا رسول الله فعلام نبايعك قال على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا والصلوات الخمس وتطيعوا - وأسر كلمة خفية - ولا تسألوا الناس شيئا فلقد رأيت بعض أولئك النفر يسقط سوط أحدهم فما يسأل أحدا يناوله إياه
একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে নয়, আট, বা সাত জন ছিলাম। তিনি বললেন, “তোমরা কি রাসূলুল্লাহর হাতে বায়াত করবে না?” এ কথা তিনি তিনবার বললেন। সুতরাং আমরা আমাদের হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং বললাম, ‘আপনার হাতে বায়াত করলাম, কিন্তু কোন্ কথার উপর বায়াত হে আল্লাহর রসূল?’ তিনি বললেন, “তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। পাঁচ অক্ত নামায আদায় কর। আনুগত্য কর (নিঃশব্দে কিছু বললেন) এবং লোকের কাছে কোন কিছু চেয়ো না।” বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখেছি যে, তাঁদের কারো কারো হাত থেকে চাবুক পড়ে গেলে তা তুলে দেওয়ার জন্য কাউকে বলতেন না। (বরং সওয়ারী থেকে নিজে নেমে গিয়ে তা তুলে নিতেন।) (মুসলিম ২৪৫০, আবূ দাঊদ ১৬৪৪, নাসাঈ ৪৬০, ইবনে মাজাহ ২৮৬৭)
একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে নয়, আট, বা সাত জন ছিলাম। তিনি বললেন, “তোমরা কি রাসূলুল্লাহর হাতে বায়াত করবে না?” এ কথা তিনি তিনবার বললেন। সুতরাং আমরা আমাদের হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং বললাম, ‘আপনার হাতে বায়াত করলাম, কিন্তু কোন্ কথার উপর বায়াত হে আল্লাহর রসূল?’ তিনি বললেন, “তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। পাঁচ অক্ত নামায আদায় কর। আনুগত্য কর (নিঃশব্দে কিছু বললেন) এবং লোকের কাছে কোন কিছু চেয়ো না।” বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখেছি যে, তাঁদের কারো কারো হাত থেকে চাবুক পড়ে গেলে তা তুলে দেওয়ার জন্য কাউকে বলতেন না। (বরং সওয়ারী থেকে নিজে নেমে গিয়ে তা তুলে নিতেন।) (মুসলিম ২৪৫০, আবূ দাঊদ ১৬৪৪, নাসাঈ ৪৬০, ইবনে মাজাহ ২৮৬৭)
عوف بن مالك الأشجعي قال كنا عند رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تسعة أو ثمانية أو سبعة فقال ألا تبايعون رسول الله গ্ধ ثلاثا قال فبسطنا أيدينا وقلنا قد بايعناك يا رسول الله فعلام نبايعك قال على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا والصلوات الخمس وتطيعوا - وأسر كلمة خفية - ولا تسألوا الناس شيئا فلقد رأيت بعض أولئك النفر يسقط سوط أحدهم فما يسأل أحدا يناوله إياه
হাদিস সম্ভার ১০১৪
عن ثوبان قال وكان ثوبان مولى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تكفل لى أن لا يسأل الناس شيئا وأتكفل له بالجنة فقال ثوبان أنا فكان لا يسأل أحدا شيئا
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি এ কথার নিশ্চয়তা দেবে যে, সে লোকের নিকট কিছু চাইবে না, আমি তার জন্য বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব।” (আহমাদ ২২৩৭৪, আবূ দাঊদ ১৬৪৫, নাসাঈ ২৫৯০, ইবনে মাজাহ ১৮৩৭, সহীহ তারগীব ৮১৩)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি এ কথার নিশ্চয়তা দেবে যে, সে লোকের নিকট কিছু চাইবে না, আমি তার জন্য বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব।” (আহমাদ ২২৩৭৪, আবূ দাঊদ ১৬৪৫, নাসাঈ ২৫৯০, ইবনে মাজাহ ১৮৩৭, সহীহ তারগীব ৮১৩)
عن ثوبان قال وكان ثوبان مولى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تكفل لى أن لا يسأل الناس شيئا وأتكفل له بالجنة فقال ثوبان أنا فكان لا يسأل أحدا شيئا
হাদিস সম্ভার ১০১৫
عن أبي ذر رضي الله تعالى عنه قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بسبع بحب المساكين وأن أدنو منهم وأن أنظر إلى من هو أسفل مني ولا أنظر إلى من هو فوقي وأن أصل رحمي وإن جفاني وأن أكثر من لا حول ولا قوة إلا بالله وأن أتكلم بمر الحق ولا تأخذني في الله لومة لائم وأن لا أسأل الناس شيئا
আমাকে আমার বন্ধু সাতটি কাজের অসিয়ত করে গেছেন; (১) আমি যেন মিসকীনদেরকে ভালোবাসি, তাদের নিকটবর্তী হই (বসি), (২) আমার থেকে যারা নিম্নমানের তাদের প্রতি লক্ষ্য (করে উপদেশ বা সান্তনা গ্রহণ) করি ও আমার থেকে যে ঊর্ধ্বে তার প্রতি লক্ষ্য না করি, (৩) আমার প্রতি অন্যায় করা হলেও আমি আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখি, (৪) বেশী বেশী ‘লা হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’বলি, (৫) তিক্ত হলেও যেন হক কথা বলি (৬) আল্লাহর ব্যাপারে কোন নিন্দুকের নিন্দা-ভয় যেন আমাকে না ধরে এবং (৭) লোকেদের কাছে যেন কিছু না চাই। (আহমাদ ২১৪১৫, ত্বাবারানী ১৬২৬, সহীহ তারগীব ৮১১)
আমাকে আমার বন্ধু সাতটি কাজের অসিয়ত করে গেছেন; (১) আমি যেন মিসকীনদেরকে ভালোবাসি, তাদের নিকটবর্তী হই (বসি), (২) আমার থেকে যারা নিম্নমানের তাদের প্রতি লক্ষ্য (করে উপদেশ বা সান্তনা গ্রহণ) করি ও আমার থেকে যে ঊর্ধ্বে তার প্রতি লক্ষ্য না করি, (৩) আমার প্রতি অন্যায় করা হলেও আমি আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখি, (৪) বেশী বেশী ‘লা হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’বলি, (৫) তিক্ত হলেও যেন হক কথা বলি (৬) আল্লাহর ব্যাপারে কোন নিন্দুকের নিন্দা-ভয় যেন আমাকে না ধরে এবং (৭) লোকেদের কাছে যেন কিছু না চাই। (আহমাদ ২১৪১৫, ত্বাবারানী ১৬২৬, সহীহ তারগীব ৮১১)
عن أبي ذر رضي الله تعالى عنه قال : أوصاني خليلي صلى اللٰه عليه وسلم بسبع بحب المساكين وأن أدنو منهم وأن أنظر إلى من هو أسفل مني ولا أنظر إلى من هو فوقي وأن أصل رحمي وإن جفاني وأن أكثر من لا حول ولا قوة إلا بالله وأن أتكلم بمر الحق ولا تأخذني في الله لومة لائم وأن لا أسأل الناس شيئا
হাদিস সম্ভার ১০১৬
أن حكيم بن حزام رضي الله عنه قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم قال: ্রيا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بسخاوة نفس بورك له فيه ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه كالذي يأكل ولا يشبع اليد العليا خير من اليد السفلىগ্ধ قال حكيم: فقلت: يا رسول الله، والذي بعثك بالحق لا أرزأ أحدا بعدك شيئا حتى أفارق الدنيا
একদা হাকীম বিন হিযাম তিন তিনবার আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে ভিক্ষা করলে তিনি তাঁকে প্রত্যেক বারেই দান করলেন। শেষবারে তিনি বললেন, “ওহে হাকীম! এই মাল তরোতাজা মিষ্টি (ফলের মত)। সুতরাং যে তা নিজের প্রয়োজন মত গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দান করা হবে। পক্ষান্তরে যে মনে লোভ রেখে তা গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দেওয়া হবে না। তার অবস্থা হবে সেই ব্যক্তির মত, যে খাবে অথচ তৃপ্ত হবে না। আর উপুড়হস্ত চিতহস্ত অপেক্ষা উত্তম।” এই কথার পর হাকীম কসম খেয়ে বলেছিলেন যে, তিনি এরপর আর কারো কাছে কিছু চাইবেন না। করেছিলেনও তাই। (বুখারী ১৪৭২, ২৭৫০, ৩১৪৩, মুসলিম ২৪৩৪, তিরমিযী ২৪৬৩, নাসাঈ ২৬০২-২৬০৩)
একদা হাকীম বিন হিযাম তিন তিনবার আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে ভিক্ষা করলে তিনি তাঁকে প্রত্যেক বারেই দান করলেন। শেষবারে তিনি বললেন, “ওহে হাকীম! এই মাল তরোতাজা মিষ্টি (ফলের মত)। সুতরাং যে তা নিজের প্রয়োজন মত গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দান করা হবে। পক্ষান্তরে যে মনে লোভ রেখে তা গ্রহণ করবে, তাকে তাতে বরকত দেওয়া হবে না। তার অবস্থা হবে সেই ব্যক্তির মত, যে খাবে অথচ তৃপ্ত হবে না। আর উপুড়হস্ত চিতহস্ত অপেক্ষা উত্তম।” এই কথার পর হাকীম কসম খেয়ে বলেছিলেন যে, তিনি এরপর আর কারো কাছে কিছু চাইবেন না। করেছিলেনও তাই। (বুখারী ১৪৭২, ২৭৫০, ৩১৪৩, মুসলিম ২৪৩৪, তিরমিযী ২৪৬৩, নাসাঈ ২৬০২-২৬০৩)
أن حكيم بن حزام رضي الله عنه قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم قال: ্রيا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بسخاوة نفس بورك له فيه ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه كالذي يأكل ولا يشبع اليد العليا خير من اليد السفلىগ্ধ قال حكيم: فقلت: يا رسول الله، والذي بعثك بالحق لا أرزأ أحدا بعدك شيئا حتى أفارق الدنيا
হাদিস সম্ভার ১০১৭
عن قبيصة بن مخارق الهلالى قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أسأله فيها فقال أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها قال ثم قال يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوى الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش- أو قال سدادا من عيش- فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا
একবার এক অর্থদন্ডের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে থাকলে আমি সে ব্যাপারে সাহায্য নিতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলাম। তিনি বললেন, “তুমি আমাদের কাছে থাকো। সাদকার মাল এলে তোমাকে তা দিয়ে সাহায্য করব।” অতঃপর তিনি বললেন, “হে কাবীসাহ! তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য চাওয়া বৈধ নয়; (১) যে ব্যক্তি অর্থদন্ডে পড়বে (কারো দিয়াত বা জরিমানা দেওয়ার যামিন হবে), তার জন্য চাওয়া হালাল। অতঃপর তা পরিশোধ হয়ে গেলে সে চাওয়া বন্ধ করবে। (২) যে ব্যক্তি দুর্যোগগ্রস্ত হবে এবং তার মাল ধ্বংস হয়ে যাবে, তার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত চাওয়া বৈধ, যতক্ষণ তার সচ্ছল অবস্থা ফিরে না এসেছে। (৩) যে ব্যক্তি অভাবী হয়ে পড়বে এবং তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী লোক এ কথার সাক্ষ্য দেবে যে, অমুক অভাবী, তখন তার জন্য চাওয়া বৈধ। আর এ ছাড়া হে কাবীসাহ অন্য লোকের জন্য চেয়ে (মেগে) খাওয়া হারাম। সে মাল খেলে হারাম খাওয়া হবে।” (মুসলিম ২৪৫১, আবূ দাঊদ ১৬৪২, নাসাঈ ২৫৭৯-২৫৮০, সহীহ তারগীব ৮১৭)
একবার এক অর্থদন্ডের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে থাকলে আমি সে ব্যাপারে সাহায্য নিতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলাম। তিনি বললেন, “তুমি আমাদের কাছে থাকো। সাদকার মাল এলে তোমাকে তা দিয়ে সাহায্য করব।” অতঃপর তিনি বললেন, “হে কাবীসাহ! তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য চাওয়া বৈধ নয়; (১) যে ব্যক্তি অর্থদন্ডে পড়বে (কারো দিয়াত বা জরিমানা দেওয়ার যামিন হবে), তার জন্য চাওয়া হালাল। অতঃপর তা পরিশোধ হয়ে গেলে সে চাওয়া বন্ধ করবে। (২) যে ব্যক্তি দুর্যোগগ্রস্ত হবে এবং তার মাল ধ্বংস হয়ে যাবে, তার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত চাওয়া বৈধ, যতক্ষণ তার সচ্ছল অবস্থা ফিরে না এসেছে। (৩) যে ব্যক্তি অভাবী হয়ে পড়বে এবং তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী লোক এ কথার সাক্ষ্য দেবে যে, অমুক অভাবী, তখন তার জন্য চাওয়া বৈধ। আর এ ছাড়া হে কাবীসাহ অন্য লোকের জন্য চেয়ে (মেগে) খাওয়া হারাম। সে মাল খেলে হারাম খাওয়া হবে।” (মুসলিম ২৪৫১, আবূ দাঊদ ১৬৪২, নাসাঈ ২৫৭৯-২৫৮০, সহীহ তারগীব ৮১৭)
عن قبيصة بن مخارق الهلالى قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أسأله فيها فقال أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها قال ثم قال يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوى الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش- أو قال سدادا من عيش- فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا
হাদিস সম্ভার ১০১৯
বিদায়ী হজ্জের সময়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদকাহ বিতরণ করছিলেন। এমন সময় দুটি লোক এসে তাঁর কাছে ভিক্ষা করল। তিনি লোক দুটির দিকে নজর তুলে পুনরায় নামিয়ে নিলেন। দেখলেন, তারা উভয়ে কর্মক্ষম লোক। অতঃপর তিনি বললেন, إِنْ شِئْتُمَا أَعْطَيْتُكُمَا وَلاَ حَظَّ فِيهَا لِغَنِىٍّ وَلاَ لِقَوِىٍّ مُكْتَسِبٍ “তোমরা যদি চাও, তাহলে আমি দিতে পারি। কিন্তু এ মালে কোন ধনী ও উপার্জনশীল কর্মঠ লোকের কোন অংশ নেই।” (আবূ দাঊদ ১৬৩৫)
বিদায়ী হজ্জের সময়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদকাহ বিতরণ করছিলেন। এমন সময় দুটি লোক এসে তাঁর কাছে ভিক্ষা করল। তিনি লোক দুটির দিকে নজর তুলে পুনরায় নামিয়ে নিলেন। দেখলেন, তারা উভয়ে কর্মক্ষম লোক। অতঃপর তিনি বললেন, إِنْ شِئْتُمَا أَعْطَيْتُكُمَا وَلاَ حَظَّ فِيهَا لِغَنِىٍّ وَلاَ لِقَوِىٍّ مُكْتَسِبٍ “তোমরা যদি চাও, তাহলে আমি দিতে পারি। কিন্তু এ মালে কোন ধনী ও উপার্জনশীল কর্মঠ লোকের কোন অংশ নেই।” (আবূ দাঊদ ১৬৩৫)
হাদিস সম্ভার ১০২০
عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ملعون من سأل بوجه الله وملعون من سئل بوجه الله عز وجل ثم منع سائله ما لم يسأل هجرا
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেছেন যে, “সে ব্যক্তি অভিশপ্ত, যে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করে। আর সে ব্যক্তিও অভিশপ্ত, যার নিকট হতে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করা হয় অথচ সে ভিক্ষাকারীকে দান করে না; যদি সে অবৈধ (বা অবৈধভাবে) কিছু না চেয়ে থাকে তবে। (ত্বাবারানী, সহীহ তারগীব ৮৫১)
তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেছেন যে, “সে ব্যক্তি অভিশপ্ত, যে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করে। আর সে ব্যক্তিও অভিশপ্ত, যার নিকট হতে আল্লাহর নামে কিছু ভিক্ষা করা হয় অথচ সে ভিক্ষাকারীকে দান করে না; যদি সে অবৈধ (বা অবৈধভাবে) কিছু না চেয়ে থাকে তবে। (ত্বাবারানী, সহীহ তারগীব ৮৫১)
عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ملعون من سأل بوجه الله وملعون من سئل بوجه الله عز وجل ثم منع سائله ما لم يسأل هجرا
হাদিস সম্ভার ১০১৮
عن أنس بن مالك أن رجلا من الأنصار أتى النبى صلى اللٰه عليه وسلم يسأله فقال أما فى بيتك شىء قال بلى حلس نلبس بعضه ونبسط بعضه وقعب نشرب فيه من الماء قال ائتنى بهما فأتاه بهما فأخذهما رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيده وقال من يشترى هذين قال رجل أنا آخذهما بدرهم قال من يزيد على درهم مرتين أو ثلاثا قال رجل أنا آخذهما بدرهمين فأعطاهما إياه وأخذ الدرهمين وأعطاهما الأنصارى وقال اشتر بأحدهما طعاما فانبذه إلى أهلك واشتر بالآخر قدوما فأتنى به فأتاه به فشد فيه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عودا بيده ثم قال له اذهب فاحتطب وبع ولا أرينك خمسة عشر يوما فذهب الرجل يحتطب ويبيع فجاء وقد أصاب عشرة دراهم فاشترى ببعضها ثوبا وببعضها طعاما فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا خير لك من أن تجىء المسألة نكتة فى وجهك يوم القيامة إن المسألة لا تصلح إلا لثلاثة لذى فقر مدقع أو لذى غرم مفظع أو لذى دم موجع
একদা এক আনসারী ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট চাইতে এল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার বাড়িতে কি কিছুই নেই?” লোকটি বলল, ‘অবশ্যই আছে। জিনপোশের একটি কাপড়; যার অর্ধেক পরি ও অর্ধেক বিছাই। আর একটি বড় পাত্র; যাতে পানি পান করি।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “নিয়ে এস সে দুটিকে।” লোকটি সে দুটিকে হাযির করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা হাতে নিয়ে বললেন, “এ দুটিকে কে কিনবে?” এক ব্যক্তি বলল, ‘আমি এক দিরহাম দিয়ে কিনব।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “কে এক দিরহাম থেকে বেশী দেবে?” এ কথা তিনি ২ অথবা ৩ বার বললেন। তারপর এক ব্যক্তি বলল, ‘আমি ২ দিরহাম দিয়ে কিনব।’ তিনি ২ দিরহামের বিনিময়ে ঐ জিনিস দুটিকে বিক্রয় করে দিলেন। অতঃপর ঐ দিরহাম আনসারীকে দিয়ে বললেন, “এর মধ্যে এক দিরহাম দিয়ে তুমি খাবার কিনে তোমার পরিবারকে দাও। আর অপর একটি দিরহাম দিয়ে একটি কুড়াল কিনে নিয়ে আমার কাছে এস।” লোকটি তাই করল। কুড়ালটি নিয়ে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দরবারে এসে উপস্থিত হল। তিনি নিজ হাতে তাতে একটি কাঠের বাঁট লাগিয়ে দিয়ে বললেন, “যাও এটা দিয়ে কাঠ কাট এবং তা বিক্রয় কর। আর যেন আমি পনের দিন তোমাকে না দেখতে পাই।” লোকটি নির্দেশমত চলে গিয়ে কাঠ কেটে বিক্রয় করতে লাগল। অতঃপর একদিন সে তাঁর কাছে উপস্থিত হল। তখন সে ১০ দিরহামের মালিক। সে তার কিছু দিয়ে কাপড় কিনল এবং কিছু দিয়ে খাবার। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, “কিয়ামতের দিন তোমার চেহারায় কালো দাগ নিয়ে উপস্থিত হওয়া থেকে এটা তোমার জন্য উত্তম। আসলে তিন ব্যক্তি ছাড়া অপর কারো জন্য চাওয়া (ভিক্ষা করা) বৈধ নয়; (১) অত্যন্ত অভাবী, (২) চূড়ান্ত দেনা বা জরিমানা দায়ে আবদ্ধ অথবা (৩) পীড়াদায়ক (খুনীর) রক্তপণের জন্য দায়ী ব্যক্তি।” (আহমাদ ১২১৩৪, আবূ দাঊদ ১৬৪৩, ইবনে মাজাহ ২১৯৮, বাইহাকী, সহীহ তারগীব ৮৩৪, হাদীসের শেষাংশ সহীহ, নিলামের কাহিনী সহীহ নয়।)
একদা এক আনসারী ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট চাইতে এল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার বাড়িতে কি কিছুই নেই?” লোকটি বলল, ‘অবশ্যই আছে। জিনপোশের একটি কাপড়; যার অর্ধেক পরি ও অর্ধেক বিছাই। আর একটি বড় পাত্র; যাতে পানি পান করি।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “নিয়ে এস সে দুটিকে।” লোকটি সে দুটিকে হাযির করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা হাতে নিয়ে বললেন, “এ দুটিকে কে কিনবে?” এক ব্যক্তি বলল, ‘আমি এক দিরহাম দিয়ে কিনব।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “কে এক দিরহাম থেকে বেশী দেবে?” এ কথা তিনি ২ অথবা ৩ বার বললেন। তারপর এক ব্যক্তি বলল, ‘আমি ২ দিরহাম দিয়ে কিনব।’ তিনি ২ দিরহামের বিনিময়ে ঐ জিনিস দুটিকে বিক্রয় করে দিলেন। অতঃপর ঐ দিরহাম আনসারীকে দিয়ে বললেন, “এর মধ্যে এক দিরহাম দিয়ে তুমি খাবার কিনে তোমার পরিবারকে দাও। আর অপর একটি দিরহাম দিয়ে একটি কুড়াল কিনে নিয়ে আমার কাছে এস।” লোকটি তাই করল। কুড়ালটি নিয়ে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দরবারে এসে উপস্থিত হল। তিনি নিজ হাতে তাতে একটি কাঠের বাঁট লাগিয়ে দিয়ে বললেন, “যাও এটা দিয়ে কাঠ কাট এবং তা বিক্রয় কর। আর যেন আমি পনের দিন তোমাকে না দেখতে পাই।” লোকটি নির্দেশমত চলে গিয়ে কাঠ কেটে বিক্রয় করতে লাগল। অতঃপর একদিন সে তাঁর কাছে উপস্থিত হল। তখন সে ১০ দিরহামের মালিক। সে তার কিছু দিয়ে কাপড় কিনল এবং কিছু দিয়ে খাবার। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, “কিয়ামতের দিন তোমার চেহারায় কালো দাগ নিয়ে উপস্থিত হওয়া থেকে এটা তোমার জন্য উত্তম। আসলে তিন ব্যক্তি ছাড়া অপর কারো জন্য চাওয়া (ভিক্ষা করা) বৈধ নয়; (১) অত্যন্ত অভাবী, (২) চূড়ান্ত দেনা বা জরিমানা দায়ে আবদ্ধ অথবা (৩) পীড়াদায়ক (খুনীর) রক্তপণের জন্য দায়ী ব্যক্তি।” (আহমাদ ১২১৩৪, আবূ দাঊদ ১৬৪৩, ইবনে মাজাহ ২১৯৮, বাইহাকী, সহীহ তারগীব ৮৩৪, হাদীসের শেষাংশ সহীহ, নিলামের কাহিনী সহীহ নয়।)
عن أنس بن مالك أن رجلا من الأنصار أتى النبى صلى اللٰه عليه وسلم يسأله فقال أما فى بيتك شىء قال بلى حلس نلبس بعضه ونبسط بعضه وقعب نشرب فيه من الماء قال ائتنى بهما فأتاه بهما فأخذهما رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بيده وقال من يشترى هذين قال رجل أنا آخذهما بدرهم قال من يزيد على درهم مرتين أو ثلاثا قال رجل أنا آخذهما بدرهمين فأعطاهما إياه وأخذ الدرهمين وأعطاهما الأنصارى وقال اشتر بأحدهما طعاما فانبذه إلى أهلك واشتر بالآخر قدوما فأتنى به فأتاه به فشد فيه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عودا بيده ثم قال له اذهب فاحتطب وبع ولا أرينك خمسة عشر يوما فذهب الرجل يحتطب ويبيع فجاء وقد أصاب عشرة دراهم فاشترى ببعضها ثوبا وببعضها طعاما فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم هذا خير لك من أن تجىء المسألة نكتة فى وجهك يوم القيامة إن المسألة لا تصلح إلا لثلاثة لذى فقر مدقع أو لذى غرم مفظع أو لذى دم موجع
হাদিস সম্ভার ১০২১
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أخبركم بشر البرية قالوا بلى قال الذى يسأل بالله ولا يعطى به
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমি তোমাদেরকে সবচেয়ে ঘৃণ্য লোকের কথা বলে দেব না কি? যে ব্যক্তির নিকট আল্লাহর নামে কিছু চাওয়া হয় অথচ সে তা প্রদান করে না।” (তিরমিযী ১৬৫২, নাসাঈর কুবরা ২৩৫০, ইবনে হিব্বান ৬০৪-৬০৫, সহীহ তারগীব ৮৫৪)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আমি তোমাদেরকে সবচেয়ে ঘৃণ্য লোকের কথা বলে দেব না কি? যে ব্যক্তির নিকট আল্লাহর নামে কিছু চাওয়া হয় অথচ সে তা প্রদান করে না।” (তিরমিযী ১৬৫২, নাসাঈর কুবরা ২৩৫০, ইবনে হিব্বান ৬০৪-৬০৫, সহীহ তারগীব ৮৫৪)
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أخبركم بشر البرية قالوا بلى قال الذى يسأل بالله ولا يعطى به
হাদিস সম্ভার ১০২২
وعن أبي سعيد الخدري قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تعلموا القرآن وسلوا الله به الجنة قبل أن يتعلمه قوم يسألون به الدنيا فإن القرآن يتعلمه ثلاثة :رجل يباهي به ورجل يستأكل به ورجل يقرأه لله عز وجل
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তার অসীলায় জান্নাত প্রার্থনা কর, সেই জাতি আসার পূর্বে, যারা তার অসীলায় দুনিয়া প্রার্থনা করবে। কুরআন তিন শ্রেণীর লোক শিক্ষা করবে; কিছু লোক তা নিয়ে ফখর করে বেড়াবে, কিছু লোক তার মাধ্যমে পেট চালাবে এবং কিছু লোক মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তা তেলাঅত করবে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ২৬৩০, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৫৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তার অসীলায় জান্নাত প্রার্থনা কর, সেই জাতি আসার পূর্বে, যারা তার অসীলায় দুনিয়া প্রার্থনা করবে। কুরআন তিন শ্রেণীর লোক শিক্ষা করবে; কিছু লোক তা নিয়ে ফখর করে বেড়াবে, কিছু লোক তার মাধ্যমে পেট চালাবে এবং কিছু লোক মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তা তেলাঅত করবে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ২৬৩০, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৫৮)
وعن أبي سعيد الخدري قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تعلموا القرآن وسلوا الله به الجنة قبل أن يتعلمه قوم يسألون به الدنيا فإن القرآن يتعلمه ثلاثة :رجل يباهي به ورجل يستأكل به ورجل يقرأه لله عز وجل
হাদিস সম্ভার ১০২৩
عن عبد الرحمن بن شبل أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال اقرءوا القرآن ولا تغلوا فيه ولا تجفوا عنه ولا تأكلوا به ولا تستكثروا به
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা কুরআন পাঠ কর এবং তার নির্দেশ পালন কর, তার ব্যাপারে অবজ্ঞা প্রদর্শন ও অতিরঞ্জন করো না এবং তার মাধ্যমে উদরপূর্তি ও ধনবৃদ্ধি করো না।” (আহমাদ ১৫৫২৯, আবূ য়্যালা ১৫১৮, বাইহাক্বী ২৩৬২, সহীহুল জামে’ ১১৬৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা কুরআন পাঠ কর এবং তার নির্দেশ পালন কর, তার ব্যাপারে অবজ্ঞা প্রদর্শন ও অতিরঞ্জন করো না এবং তার মাধ্যমে উদরপূর্তি ও ধনবৃদ্ধি করো না।” (আহমাদ ১৫৫২৯, আবূ য়্যালা ১৫১৮, বাইহাক্বী ২৩৬২, সহীহুল জামে’ ১১৬৮)
عن عبد الرحمن بن شبل أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال اقرءوا القرآن ولا تغلوا فيه ولا تجفوا عنه ولا تأكلوا به ولا تستكثروا به
হাদিস সম্ভার > বিনা চাওয়ায় এবং বিনা লোভ-লালসায় যে মাল পাওয়া যাবে, তা নেওয়া জায়েয
হাদিস সম্ভার ১০২৫
عن عائذ بن عمرو عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من عرض له شيء من هذا الرزق من غير مسألة ولا إشراف فليوسع به في رزقه فإن كان عنه غنيا فليوجهه إلى من هو أحوج إليه منه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যাকে ভিক্ষা না করা ও তার মনে কোন লোভ ছাড়াই এই মাল থেকে কোন কিছু দেওয়া হয়, সে যেন তা নিয়ে তার রুজি বাড়িয়ে নেয়। অতঃপর সে যদি তার অমুখাপেক্ষী হয়, তাহলে সে যেন এমন লোককে এ মাল দিয়ে দেয়, যাকে সে নিজের চেয়েও বেশী অভাবী মনে করে।” (আহমাদ ২০৬৪২, ২০৬৪৮, ত্বাবারানী ১৪৪৫৮, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৫৫৪, সঃ তারগীব ৮৫০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যাকে ভিক্ষা না করা ও তার মনে কোন লোভ ছাড়াই এই মাল থেকে কোন কিছু দেওয়া হয়, সে যেন তা নিয়ে তার রুজি বাড়িয়ে নেয়। অতঃপর সে যদি তার অমুখাপেক্ষী হয়, তাহলে সে যেন এমন লোককে এ মাল দিয়ে দেয়, যাকে সে নিজের চেয়েও বেশী অভাবী মনে করে।” (আহমাদ ২০৬৪২, ২০৬৪৮, ত্বাবারানী ১৪৪৫৮, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৫৫৪, সঃ তারগীব ৮৫০)
عن عائذ بن عمرو عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من عرض له شيء من هذا الرزق من غير مسألة ولا إشراف فليوسع به في رزقه فإن كان عنه غنيا فليوجهه إلى من هو أحوج إليه منه
হাদিস সম্ভার ১০২৪
عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه عبد الله بن عمر عن عمر قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول: أعطه من هو أفقر إليه مني فقال خذه إذا جاءك من هذا المال شيء وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه فتموله فإن شئت كله، وإن شئت تصدق به وما لا فلا تتبعه نفسك قال سالم: فكان عبد الله لا يسأل أحدا شيئا ولا يرد شيئا أعطيه متفق عليه
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যখন কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, ‘আমার চেয়ে যে বেশি অভাবী তাকে দিন।’ (একদা) তিনি বললেন, “তুমি তা নিয়ে নাও। যখন তোমার কাছে এই মাল আসে, আর তোমার মনে লোভ না থাকে এবং তুমি তা ভিক্ষাও না করে থাক, তাহলে তা গ্রহণ কর এবং তা নিজের মালের সাথে মিলিয়ে নাও। অতঃপর তোমার ইচ্ছা হলে তা খাও, নতুবা দান করে দাও। এ ছাড়া তোমার মনকে তাতে ফেলে রেখো না।” সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমার বলেন, ‘এ কারণেই (আমার আব্বা) আব্দুল্লাহ কারো কাছে কিছু চাইতেন না এবং তাঁকে কেউ কিছু দিতে চাইলে তা প্রত্যাখ্যান করতেন না। (বরং গ্রহণ করে নিতেন।)’ (বুখারী ১৪৭৩, ৭১৬৩-৭১৬৪, মুসলিম ২৪৫২-২৪৫৩)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যখন কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, ‘আমার চেয়ে যে বেশি অভাবী তাকে দিন।’ (একদা) তিনি বললেন, “তুমি তা নিয়ে নাও। যখন তোমার কাছে এই মাল আসে, আর তোমার মনে লোভ না থাকে এবং তুমি তা ভিক্ষাও না করে থাক, তাহলে তা গ্রহণ কর এবং তা নিজের মালের সাথে মিলিয়ে নাও। অতঃপর তোমার ইচ্ছা হলে তা খাও, নতুবা দান করে দাও। এ ছাড়া তোমার মনকে তাতে ফেলে রেখো না।” সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমার বলেন, ‘এ কারণেই (আমার আব্বা) আব্দুল্লাহ কারো কাছে কিছু চাইতেন না এবং তাঁকে কেউ কিছু দিতে চাইলে তা প্রত্যাখ্যান করতেন না। (বরং গ্রহণ করে নিতেন।)’ (বুখারী ১৪৭৩, ৭১৬৩-৭১৬৪, মুসলিম ২৪৫২-২৪৫৩)
عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه عبد الله بن عمر عن عمر قال : كان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول: أعطه من هو أفقر إليه مني فقال خذه إذا جاءك من هذا المال شيء وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه فتموله فإن شئت كله، وإن شئت تصدق به وما لا فلا تتبعه نفسك قال سالم: فكان عبد الله لا يسأل أحدا شيئا ولا يرد شيئا أعطيه متفق عليه
হাদিস সম্ভার > দানশীলতা এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে পুণ্য কাজে ব্যয়
হাদিস সম্ভার ৯২৪
وعن ابن مسعود عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لا حسد إلا في اثنتين : رجل آتاه الله مالا فسلطه على هلكته في الحق ورجل آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها متفق عليه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কেবলমাত্র দু’টি বিষয়ে ঈর্ষা করা যায় (১) ঐ ব্যক্তির প্রতি যাকে মহান আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন, অতঃপর তাকে হক পথে অকাতরে দান করার ক্ষমতা দান করেছেন এবং (২) ঐ ব্যক্তির প্রতি যাকে মহান আল্লাহ হিকমত দান করেছেন, অতঃপর সে তার দ্বারা ফায়সালা করে ও তা শিক্ষা দেয়।” (বুখারী ৭৩, মুসলিম ১৯৩০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কেবলমাত্র দু’টি বিষয়ে ঈর্ষা করা যায় (১) ঐ ব্যক্তির প্রতি যাকে মহান আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন, অতঃপর তাকে হক পথে অকাতরে দান করার ক্ষমতা দান করেছেন এবং (২) ঐ ব্যক্তির প্রতি যাকে মহান আল্লাহ হিকমত দান করেছেন, অতঃপর সে তার দ্বারা ফায়সালা করে ও তা শিক্ষা দেয়।” (বুখারী ৭৩, মুসলিম ১৯৩০)
وعن ابن مسعود عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لا حسد إلا في اثنتين : رجل آتاه الله مالا فسلطه على هلكته في الحق ورجل آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯২৫
وعنه قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيكم مال وارثه أحب إليه من ماله ؟ قالوا: يا رسول الله ما منا أحد إلا ماله أحب إليه قال فإن ماله ما قدم ومال وارثه ما أخر رواه البخاري
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদেরকে প্রশ্ন করলেন, “তোমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি কে আছে, যে নিজের সম্পদের চেয়ে তার ওয়ারেসের সম্পদকে বেশি প্রিয় মনে করে?” তাঁরা জবাব দিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি কেউ নেই, যে তার নিজের সম্পদকে বেশি প্রিয় মনে করে না।’ তখন তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই মানুষের নিজের সম্পদ তাই, যা সে আগে পাঠিয়েছে। আর এ ছাড়া যে মাল বাকী থাকবে, তা হল ওয়ারেসের মাল।” (বুখারী ৬৪৪২)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদেরকে প্রশ্ন করলেন, “তোমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি কে আছে, যে নিজের সম্পদের চেয়ে তার ওয়ারেসের সম্পদকে বেশি প্রিয় মনে করে?” তাঁরা জবাব দিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি কেউ নেই, যে তার নিজের সম্পদকে বেশি প্রিয় মনে করে না।’ তখন তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই মানুষের নিজের সম্পদ তাই, যা সে আগে পাঠিয়েছে। আর এ ছাড়া যে মাল বাকী থাকবে, তা হল ওয়ারেসের মাল।” (বুখারী ৬৪৪২)
وعنه قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أيكم مال وارثه أحب إليه من ماله ؟ قالوا: يا رسول الله ما منا أحد إلا ماله أحب إليه قال فإن ماله ما قدم ومال وارثه ما أخر رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ৯২৬
عن عدي بن حاتم قال : سمعت النبي صلى اللٰه عليه وسلم يقول اتقوا النار ولو بشق تمرة متفق عليه
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচো; যদিও খেজুরের এক টুকরো সাদকাহ ক’রে হয়! (যদি এক টুকরা খেজুরও না পাও, তবে উত্তম কথা বলে।)” (বুখারী ১৪১৭, মুসলিম ২৩৯৪)
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচো; যদিও খেজুরের এক টুকরো সাদকাহ ক’রে হয়! (যদি এক টুকরা খেজুরও না পাও, তবে উত্তম কথা বলে।)” (বুখারী ১৪১৭, মুসলিম ২৩৯৪)
عن عدي بن حاتم قال : سمعت النبي صلى اللٰه عليه وسلم يقول اتقوا النار ولو بشق تمرة متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯২৭
عن أم بجيد قالت: قلت يا رسول الله صلى الله إن المسكين ليقوم على بابى فما أجد له شيئا أعطيه إياه فقال لها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن لم تجدى له شيئا تعطينه إياه إلا ظلفا محرقا فادفعيه إليه فى يده
একদা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! অনেক সময় মিসকীন আমার দরজায় দাঁড়ায়, কিন্তু আমি তাকে দেওয়ার মত কোন জিনিস পাই না।’ মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যদি একটি পোড়া খুর ছাড়া দেওয়ার মত আর কিছু না পাও, তাহলে তার হাতে তাই দিয়েই বিদায় দাও।” (আবূ দাঊদ ১৬৬৯, তিরমিযী ৬৬৫)
একদা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! অনেক সময় মিসকীন আমার দরজায় দাঁড়ায়, কিন্তু আমি তাকে দেওয়ার মত কোন জিনিস পাই না।’ মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যদি একটি পোড়া খুর ছাড়া দেওয়ার মত আর কিছু না পাও, তাহলে তার হাতে তাই দিয়েই বিদায় দাও।” (আবূ দাঊদ ১৬৬৯, তিরমিযী ৬৬৫)
عن أم بجيد قالت: قلت يا رسول الله صلى الله إن المسكين ليقوم على بابى فما أجد له شيئا أعطيه إياه فقال لها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن لم تجدى له شيئا تعطينه إياه إلا ظلفا محرقا فادفعيه إليه فى يده
হাদিস সম্ভার ৯২৮
وعن جابر قال : ما سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم شيئا قط فقال : لا متفق عليه
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এমন কোন জিনিসই চাওয়া হয়নি, যা জবাব দিয়ে তিনি ‘না’ বলেছেন। (বুখারী ৬০৩৪, মুসলিম ৬১৫৮)
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এমন কোন জিনিসই চাওয়া হয়নি, যা জবাব দিয়ে তিনি ‘না’ বলেছেন। (বুখারী ৬০৩৪, মুসলিম ৬১৫৮)
وعن جابر قال : ما سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم شيئا قط فقال : لا متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৩০
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال قال الله تعالى : أنفق يا ابن آدم ينفق عليك متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি (অভাবীকে) দান কর, আল্লাহ তোমাকে দান করবেন।’ (বুখারী ৫৩৫২, মুসলিম ২৩৫৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি (অভাবীকে) দান কর, আল্লাহ তোমাকে দান করবেন।’ (বুখারী ৫৩৫২, মুসলিম ২৩৫৫)
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال قال الله تعالى : أنفق يا ابن آدم ينفق عليك متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯২৯
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من يوم يصبح العباد فيه إلا ملكان ينزلان فيقول أحدهما: اللٰهم أعط منفقا خلفا ويقول الآخر : اللٰهم أعط ممسكا تلفا متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতিদিন সকালে দু’জন ফিরিশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের বিনিময় দিন।’ আর অপরজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস দিন।” (বুখারী ১৪৪২, মুসলিম ২৩৮৩)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রতিদিন সকালে দু’জন ফিরিশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের বিনিময় দিন।’ আর অপরজন বলেন, ‘হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস দিন।” (বুখারী ১৪৪২, মুসলিম ২৩৮৩)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من يوم يصبح العباد فيه إلا ملكان ينزلان فيقول أحدهما: اللٰهم أعط منفقا خلفا ويقول الآخر : اللٰهم أعط ممسكا تلفا متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৩১
وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما : أن رجلا سأل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : أي الإسلام خير ؟ قال تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت ومن لم تعرف متفق عليه
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজটি উত্তম?’ তিনি জবাব দিলেন, “তুমি অন্নদান করবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।” (বুখারী ১২, মুসলিম ১৬৯)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজটি উত্তম?’ তিনি জবাব দিলেন, “তুমি অন্নদান করবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।” (বুখারী ১২, মুসলিম ১৬৯)
وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما : أن رجلا سأل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم : أي الإسلام خير ؟ قال تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت ومن لم تعرف متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৩২
وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أربعون خصلة : أعلاها منيحة العنز ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها إلا أدخله الله بها الجنة رواه البخاري
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “চল্লিশটি সৎকর্ম আছে, তার মধ্যে উচ্চতম হল, দুধ পানের জন্য (কোন দরিদ্রকে) ছাগল সাময়িকভাবে দান করা। যে কোন আমলকারী এর মধ্য হতে যে কোন একটি সৎকর্মের উপর প্রতিদানের আশা করে ও তার প্রতিশ্রুত পুরস্কারকে সত্য জেনে আম্ল করবে, তাকে আল্লাহ তার বিনিময়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।” (বুখারী ২৬৩১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “চল্লিশটি সৎকর্ম আছে, তার মধ্যে উচ্চতম হল, দুধ পানের জন্য (কোন দরিদ্রকে) ছাগল সাময়িকভাবে দান করা। যে কোন আমলকারী এর মধ্য হতে যে কোন একটি সৎকর্মের উপর প্রতিদানের আশা করে ও তার প্রতিশ্রুত পুরস্কারকে সত্য জেনে আম্ল করবে, তাকে আল্লাহ তার বিনিময়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।” (বুখারী ২৬৩১)
وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أربعون خصلة : أعلاها منيحة العنز ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها إلا أدخله الله بها الجنة رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ৯৩৩
وعن أبي أمامة صدي بن عجلان قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا ابن آدم إنك أن تبذل الفضل خير لك وأن تمسكه شر لك ولا تلام على كفاف وابدأ بمن تعول واليد العليا خير من اليد السفلى رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হে আদম সন্তান! প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাল (আল্লাহর পথে) খরচ করা তোমার জন্য মঙ্গল এবং তা আটকে রাখা তোমার জন্য অমঙ্গল। আর প্রয়োজন মত মালে তুমি নিন্দিত হবে না। প্রথমে তাদেরকে দাও, যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে। আর উপরের (উপুড়) হাত নিচের (চিৎ) হাত অপেক্ষা উত্তম।” (মুসলিম ২৪৩৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “হে আদম সন্তান! প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাল (আল্লাহর পথে) খরচ করা তোমার জন্য মঙ্গল এবং তা আটকে রাখা তোমার জন্য অমঙ্গল। আর প্রয়োজন মত মালে তুমি নিন্দিত হবে না। প্রথমে তাদেরকে দাও, যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে। আর উপরের (উপুড়) হাত নিচের (চিৎ) হাত অপেক্ষা উত্তম।” (মুসলিম ২৪৩৫)
وعن أبي أمامة صدي بن عجلان قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا ابن آدم إنك أن تبذل الفضل خير لك وأن تمسكه شر لك ولا تلام على كفاف وابدأ بمن تعول واليد العليا خير من اليد السفلى رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ৯৩৫
وعن أنس قال : ما سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على الإسلام شيئا إلا أعطاه ولقد جاءه رجل فأعطاه غنما بين جبلين فرجع إلى قومه فقال : يا قوم أسلموا فإن محمدا يعطي عطاء من لا يخشى الفقر وإن كان الرجل ليسلم ما يريد إلا الدنيا فما يلبث إلا يسيرا حتى يكون الإسلام أحب إليه من الدنيا وما عليها رواه مسلم
ইসলামের স্বার্থে (অর্থাৎ নও মুসলিমের পক্ষ থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট যা চাওয়া হত, তিনি তা-ই দিতেন। (একবার) তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এল। তিনি তাকে দুই পাহাড়ের মধ্যস্থলের সমস্ত বকরীগুলো দিয়ে দিলেন। অতঃপর সে তার সম্প্রদায়ের নিকট গিয়ে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর। কেননা, মুহাম্মাদ ঐ ব্যক্তির মত দান করেন, যার দরিদ্রতার ভয় নেই।’ যদিও কোন ব্যক্তি কেবলমাত্র দুনিয়া অর্জন করার জন্য ইসলাম গ্রহণ করত। কিন্তু কিছুদিন পরেই ইসলাম তার নিকট দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছু থেকে প্রিয় হয়ে যেত। (মুসলিম ৬১৬০-৬১৬১)
ইসলামের স্বার্থে (অর্থাৎ নও মুসলিমের পক্ষ থেকে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট যা চাওয়া হত, তিনি তা-ই দিতেন। (একবার) তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এল। তিনি তাকে দুই পাহাড়ের মধ্যস্থলের সমস্ত বকরীগুলো দিয়ে দিলেন। অতঃপর সে তার সম্প্রদায়ের নিকট গিয়ে বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর। কেননা, মুহাম্মাদ ঐ ব্যক্তির মত দান করেন, যার দরিদ্রতার ভয় নেই।’ যদিও কোন ব্যক্তি কেবলমাত্র দুনিয়া অর্জন করার জন্য ইসলাম গ্রহণ করত। কিন্তু কিছুদিন পরেই ইসলাম তার নিকট দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছু থেকে প্রিয় হয়ে যেত। (মুসলিম ৬১৬০-৬১৬১)
وعن أنس قال : ما سئل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على الإسلام شيئا إلا أعطاه ولقد جاءه رجل فأعطاه غنما بين جبلين فرجع إلى قومه فقال : يا قوم أسلموا فإن محمدا يعطي عطاء من لا يخشى الفقر وإن كان الرجل ليسلم ما يريد إلا الدنيا فما يلبث إلا يسيرا حتى يكون الإسلام أحب إليه من الدنيا وما عليها رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ৯৩৪
عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم عاد بلالا فأخرج له صبرا من تمر فقال ما هذا يا بلال قال : ادخرته لك يا رسول الله قال أما تخش أن يجعل لك بخار في نار جهنم أنفق بلال ولا تخش من ذي العرش إقلالا
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (পীড়িত) বিলাল (রাঃ) কে দেখতে গেলেন। বিলাল তাঁর জন্য এক স্তূপ খেজুর বের করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে বিলাল! একি?!” বিলাল বললেন, ‘আমি আপনার জন্য ভরে রেখেছিলাম, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তুমি কি ভয় কর না যে, তোমার জন্য জাহান্নামের আগুনে বাষ্প তৈরী করা হবে? হে বিলাল! তুমি খরচ করে যাও। আর আরশ-ওয়ালার নিকটে (মাল) কম হয়ে যাওয়ার ভয় করো না।” (আবূ য়্যা’লা ৬০৪০, ত্বাবারানীর কাবীর ১০১৩, ১০১৭-১০১৮, আউসাত্ব ২৫৭২, সহীহ তারগীব ৯২১-৯২২)
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (পীড়িত) বিলাল (রাঃ) কে দেখতে গেলেন। বিলাল তাঁর জন্য এক স্তূপ খেজুর বের করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে বিলাল! একি?!” বিলাল বললেন, ‘আমি আপনার জন্য ভরে রেখেছিলাম, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “তুমি কি ভয় কর না যে, তোমার জন্য জাহান্নামের আগুনে বাষ্প তৈরী করা হবে? হে বিলাল! তুমি খরচ করে যাও। আর আরশ-ওয়ালার নিকটে (মাল) কম হয়ে যাওয়ার ভয় করো না।” (আবূ য়্যা’লা ৬০৪০, ত্বাবারানীর কাবীর ১০১৩, ১০১৭-১০১৮, আউসাত্ব ২৫৭২, সহীহ তারগীব ৯২১-৯২২)
عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم عاد بلالا فأخرج له صبرا من تمر فقال ما هذا يا بلال قال : ادخرته لك يا رسول الله قال أما تخش أن يجعل لك بخار في نار جهنم أنفق بلال ولا تخش من ذي العرش إقلالا
হাদিস সম্ভার ৯৩৬
وعن عمر قال: قسم رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قسما فقلت: يا رسول الله لغير هؤلاء كانوا أحق به منهم؟ فقال إنهم خيروني أن يسألوني بالفحش أو يبخلوني ولست بباخل رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু মাল বন্টন করলেন। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! অন্য লোকেরা এদের চেয়ে এ মালের বেশি হকদার ছিল।’ তিনি বললেন, “এরা আমাকে দু’টি কথার মধ্যে একটা না একটা গ্রহণ করতে বাধ্য করছে। হয় তারা আমার নিকট অভদ্রতার সাথে চাইবে (আর আমাকে তা সহ্য ক’রে তাদেরকে দিতে হবে) অথবা তারা আমাকে কৃপণ আখ্যায়িত করবে। অথচ, আমি কৃপণ নই।” (মুসলিম ২৪৭৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু মাল বন্টন করলেন। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! অন্য লোকেরা এদের চেয়ে এ মালের বেশি হকদার ছিল।’ তিনি বললেন, “এরা আমাকে দু’টি কথার মধ্যে একটা না একটা গ্রহণ করতে বাধ্য করছে। হয় তারা আমার নিকট অভদ্রতার সাথে চাইবে (আর আমাকে তা সহ্য ক’রে তাদেরকে দিতে হবে) অথবা তারা আমাকে কৃপণ আখ্যায়িত করবে। অথচ, আমি কৃপণ নই।” (মুসলিম ২৪৭৫)
وعن عمر قال: قسم رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قسما فقلت: يا رسول الله لغير هؤلاء كانوا أحق به منهم؟ فقال إنهم خيروني أن يسألوني بالفحش أو يبخلوني ولست بباخل رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ৯৩৭
وعن جبير بن مطعم قال : بينما هو يسير مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم مقفله من حنين فعلقه الأعراب يسألونه حتى اضطروه إلى سمرة فخطفت رداءه فوقف النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال أعطوني ردائي فلو كان لي عدد هذه العضاه نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا كذابا ولا جبانا رواه البخاري
তিনি হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে আসছিলেন। (পথিমধ্যে) কতিপয় বেদুঈন তাঁর নিকট অনুনয়-বিনয় ক’রে চাইতে আরম্ভ করল, এমন কি শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে বাধ্য ক’রে একটি বাবলা গাছের কাছে নিয়ে গেল। যার ফলে তাঁর চাদর (গাছের কাঁটায়) আটকে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেমে গেলেন এবং বললেন, “তোমরা আমাকে আমার চাদরখানি দাও। যদি আমার নিকট এসব (অসংখ্য) কাঁটা গাছের সমান উঁট থাকত, তাহলে আমি তা তোমাদের মধ্যে বন্টন ক’রে দিতাম। অতঃপর তোমরা আমাকে কৃপণ, মিথ্যুক বা কাপুরুষ পেতে না।” (বুখারী ২৮২১, ৩১৪৮)
তিনি হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে আসছিলেন। (পথিমধ্যে) কতিপয় বেদুঈন তাঁর নিকট অনুনয়-বিনয় ক’রে চাইতে আরম্ভ করল, এমন কি শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে বাধ্য ক’রে একটি বাবলা গাছের কাছে নিয়ে গেল। যার ফলে তাঁর চাদর (গাছের কাঁটায়) আটকে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেমে গেলেন এবং বললেন, “তোমরা আমাকে আমার চাদরখানি দাও। যদি আমার নিকট এসব (অসংখ্য) কাঁটা গাছের সমান উঁট থাকত, তাহলে আমি তা তোমাদের মধ্যে বন্টন ক’রে দিতাম। অতঃপর তোমরা আমাকে কৃপণ, মিথ্যুক বা কাপুরুষ পেতে না।” (বুখারী ২৮২১, ৩১৪৮)
وعن جبير بن مطعم قال : بينما هو يسير مع النبي صلى اللٰه عليه وسلم مقفله من حنين فعلقه الأعراب يسألونه حتى اضطروه إلى سمرة فخطفت رداءه فوقف النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال أعطوني ردائي فلو كان لي عدد هذه العضاه نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا كذابا ولا جبانا رواه البخاري
হাদিস সম্ভার ৯৩৮
وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما نقصت صدقة من مال وما زاد الله عبدا بعفو إلا عزا وما تواضع أحد لله إلا رفعه الله عز وجل رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাদকাহ করলে মাল কমে যায় না এবং ক্ষমা করার বিনিময়ে আল্লাহ তা‘আলা (ক্ষমাকারীর) সম্মান বৃদ্ধি করেন। আর কেউ আল্লাহর (সন্তুষ্টির) জন্য বিনয়ী হলে, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল তাকে উচ্চ করেন।” (মুসলিম ৬৭৫৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সাদকাহ করলে মাল কমে যায় না এবং ক্ষমা করার বিনিময়ে আল্লাহ তা‘আলা (ক্ষমাকারীর) সম্মান বৃদ্ধি করেন। আর কেউ আল্লাহর (সন্তুষ্টির) জন্য বিনয়ী হলে, আল্লাহ আয্যা অজাল্ল তাকে উচ্চ করেন।” (মুসলিম ৬৭৫৭)
وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال ما نقصت صدقة من مال وما زاد الله عبدا بعفو إلا عزا وما تواضع أحد لله إلا رفعه الله عز وجل رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ৯৪৩
عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الأكثرون هم الأسفلون يوم القيامة إلا من قال بالمال هكذا وهكذا وكسبه من طيب
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধনবানরা কিয়ামতের দিন সর্বনিম্ন মানের হবে। তবে সে নয়, যে তার মাল দান করবে এবং তার উপার্জন হবে পবিত্র।” (ইবনে মাজাহ ৪১৩০, ইবনে হিব্বান ৩৩৩১, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৭৬৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ধনবানরা কিয়ামতের দিন সর্বনিম্ন মানের হবে। তবে সে নয়, যে তার মাল দান করবে এবং তার উপার্জন হবে পবিত্র।” (ইবনে মাজাহ ৪১৩০, ইবনে হিব্বান ৩৩৩১, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৭৬৬)
عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الأكثرون هم الأسفلون يوم القيامة إلا من قال بالمال هكذا وهكذا وكسبه من طيب
হাদিস সম্ভার ৯৪৪
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تصدق بعدل تمرة من كسب طيب ولا يقبل الله إلا الطيب فإن الله يقبلها بيمينه ثم يربيها لصاحبها كما يربي أحدكم فلوه حتى تكون مثل الجبل متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি (তার) বৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ থেকে একটি খেজুর পরিমাণও কিছু দান করে---আর আল্লাহ তো বৈধ অর্থ ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণই করেন না---সে ব্যক্তির ঐ দানকে আল্লাহ ডান হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তা ঐ ব্যক্তির জন্য লালন-পালন করেন; যেমন তোমাদের কেউ তার অশ্ব-শাবককে লালন-পালন ক’রে থাকে। পরিশেষে তা পাহাড়ের মত হয়ে যায়।” (বুখারী ১৪১০, মুসলিম ২৩৮৯-২৩৯০)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি (তার) বৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থ থেকে একটি খেজুর পরিমাণও কিছু দান করে---আর আল্লাহ তো বৈধ অর্থ ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণই করেন না---সে ব্যক্তির ঐ দানকে আল্লাহ ডান হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তা ঐ ব্যক্তির জন্য লালন-পালন করেন; যেমন তোমাদের কেউ তার অশ্ব-শাবককে লালন-পালন ক’রে থাকে। পরিশেষে তা পাহাড়ের মত হয়ে যায়।” (বুখারী ১৪১০, মুসলিম ২৩৮৯-২৩৯০)
وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من تصدق بعدل تمرة من كسب طيب ولا يقبل الله إلا الطيب فإن الله يقبلها بيمينه ثم يربيها لصاحبها كما يربي أحدكم فلوه حتى تكون مثل الجبل متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৪১
وعن أسماء بنت أبي بكر الصديق رضي الله عنهما قالت : قال لي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا توكي فيوكى عليك وفي رواية أنفقي أو انفحي أو انضحي ولا تحصي فيحصي الله عليك ولا توعي فيوعي الله عليك متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তুমি সম্পদ বেঁধে (জমা ক’রে) রেখো না, এরূপ করলে তোমার নিকট (আসা থেকে) তা বেঁধে রাখা হবে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “খরচ কর, গুনে গুনে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহও তোমাকে গুনে গুনে দেবেন। আর তুমি জমা ক’রে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহও তোমার প্রতি (খরচ না করে) জমা ক’রে রাখবেন।” (বুখারী ১৪৩৩, ২৫৯১, মুসলিম ২৪২৩-২৪২৫)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “তুমি সম্পদ বেঁধে (জমা ক’রে) রেখো না, এরূপ করলে তোমার নিকট (আসা থেকে) তা বেঁধে রাখা হবে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “খরচ কর, গুনে গুনে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহও তোমাকে গুনে গুনে দেবেন। আর তুমি জমা ক’রে রেখো না, এরূপ করলে আল্লাহও তোমার প্রতি (খরচ না করে) জমা ক’রে রাখবেন।” (বুখারী ১৪৩৩, ২৫৯১, মুসলিম ২৪২৩-২৪২৫)
وعن أسماء بنت أبي بكر الصديق رضي الله عنهما قالت : قال لي رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا توكي فيوكى عليك وفي رواية أنفقي أو انفحي أو انضحي ولا تحصي فيحصي الله عليك ولا توعي فيوعي الله عليك متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৪২
وعن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول مثل البخيل والمنفق كمثل رجلين عليهما جنتان من حديد من ثديهما إلى تراقيهما فأما المنفق فلا ينفق إلا سبغت أو وفرت - على جلده حتى تخفي بنانه وتعفو أثره وأما البخيل فلا يريد أن ينفق شيئا إلا لزقت كل حلقة مكانها فهو يوسعها فلا تتسع متفق عليه
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “কৃপণ ও দানশীলের দৃষ্টান্ত এমন দুই ব্যক্তির মত, যাদের পরিধানে দু’টি লোহার বর্ম রয়েছে। যা তাদের বুক থেকে টুটি পর্যন্ত বিস্তৃত। সুতরাং দানশীল যখন দান করে, তখনই সেই বর্ম তার সারা দেহে বিস্তৃত হয়ে যায়, এমনকি (তার ফলে) তা তার আঙ্গুলগুলোকেও ঢেকে ফেলে এবং তার পদচিহ্ন (পাপ বা ত্রুটি) মুছে দেয়। পক্ষান্তরে কৃপণ যখনই কিছু দান করার ইচ্ছা করে, তখনই বর্মের প্রতিটি আংটা যথাস্থানে এঁটে যায়। সে তা প্রশস্ত করতে চাইলেও তা প্র্রশস্ত হয় না।” (বুখারী ১৪৪৩, মুসলিম ২৪০৬)
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “কৃপণ ও দানশীলের দৃষ্টান্ত এমন দুই ব্যক্তির মত, যাদের পরিধানে দু’টি লোহার বর্ম রয়েছে। যা তাদের বুক থেকে টুটি পর্যন্ত বিস্তৃত। সুতরাং দানশীল যখন দান করে, তখনই সেই বর্ম তার সারা দেহে বিস্তৃত হয়ে যায়, এমনকি (তার ফলে) তা তার আঙ্গুলগুলোকেও ঢেকে ফেলে এবং তার পদচিহ্ন (পাপ বা ত্রুটি) মুছে দেয়। পক্ষান্তরে কৃপণ যখনই কিছু দান করার ইচ্ছা করে, তখনই বর্মের প্রতিটি আংটা যথাস্থানে এঁটে যায়। সে তা প্রশস্ত করতে চাইলেও তা প্র্রশস্ত হয় না।” (বুখারী ১৪৪৩, মুসলিম ২৪০৬)
وعن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول مثل البخيل والمنفق كمثل رجلين عليهما جنتان من حديد من ثديهما إلى تراقيهما فأما المنفق فلا ينفق إلا سبغت أو وفرت - على جلده حتى تخفي بنانه وتعفو أثره وأما البخيل فلا يريد أن ينفق شيئا إلا لزقت كل حلقة مكانها فهو يوسعها فلا تتسع متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৪০
وعن عائشة رضي الله عنها: أنهم ذبحوا شاة فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما بقي منها قالت: ما بقي منها إلا كتفها قال بقي كلها غير كتفها رواه الترمذي وقال حديث صحيح
একদা তাঁরা একটি ছাগল জবাই করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ছাগলটির কতটা (মাংস) অবশিষ্ট আছে?” (আয়েশা) বললেন, ‘কেবলমাত্র কাঁধের মাংস ছাড়া তার কিছুই বাকী নেই।’ তিনি বললেন, “(বরং) কাঁধের মাংস ছাড়া সবটাই বাকী আছে।” (তিরমিযী ২৪৭০, বিশুদ্ধ সূত্রে)
একদা তাঁরা একটি ছাগল জবাই করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ছাগলটির কতটা (মাংস) অবশিষ্ট আছে?” (আয়েশা) বললেন, ‘কেবলমাত্র কাঁধের মাংস ছাড়া তার কিছুই বাকী নেই।’ তিনি বললেন, “(বরং) কাঁধের মাংস ছাড়া সবটাই বাকী আছে।” (তিরমিযী ২৪৭০, বিশুদ্ধ সূত্রে)
وعن عائشة رضي الله عنها: أنهم ذبحوا شاة فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما بقي منها قالت: ما بقي منها إلا كتفها قال بقي كلها غير كتفها رواه الترمذي وقال حديث صحيح
হাদিস সম্ভার ৯৩৯
وعن أبي كبشة عمرو بن سعد الأنماري أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ثلاثة أقسم عليهن وأحدثكم حديثا فاحفظوه : ما نقص مال عبد من صدقة ولا ظلم عبد مظلمة صبر عليها إلا زاده الله عزا ولا فتح عبد باب مسألة إلا فتح الله عليه باب فقر أو كلمة نحوها (وأحدثكم حديثا فاحفظوه) قال إنما الدنيا لأربعة نفر : عبد رزقه الله مالا وعلما فهو يتقي فيه ربه ويصل فيه رحمه ويعلم لله فيه حقا فهذا بأفضل المنازل وعبد رزقه الله علما ولم يرزقه مالا فهو صادق النية يقول : لو أن لي مالا لعملت بعمل فلان فهو بنيته فأجرهما سواء وعبد رزقه الله مالا ولم يرزقه علما فهو يخبط في ماله بغير علم لا يتقي فيه ربه ولا يصل فيه رحمه ولا يعلم لله فيه حقا فهذا بأخبث المنازل وعبد لم يرزقه الله مالا ولا علما فهو يقول : لو أن لي مالا لعملت فيه بعمل فلان فهو بنيته فوزرهما سواء رواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “আমি তিনটি জিনিসের ব্যাপারে শপথ করছি এবং তোমাদেরকে একটি হাদীস বলছি তা স্মরণ রাখোঃ (১) কোন বান্দার মাল সাদকাহ করলে কমে যায় না। (২) কোন বান্দার উপর কোন প্রকার অত্যাচার করা হলে এবং সে তার উপর ধৈর্য-ধারণ করলে আল্লাহ নিশ্চয় তার সম্মান বাড়িয়ে দেন, আর (৩) কোন বান্দা ভিক্ষার দুয়ার উদ্ঘাটন করলে আল্লাহ তার জন্য দরিদ্রতার দরজা উদ্ঘাটন করে দেন।” অথবা এই রকম অন্য শব্দ তিনি ব্যবহার করলেন। “আর তোমাদেরকে একটি হাদীস বলছি তা স্মরণ রাখো।” তিনি বললেন, “দুনিয়ায় চার প্রকার লোক আছে; (১) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ ধন ও (ইসলামী) জ্ঞান দান করেছেন। অতঃপর সে তাতে আল্লাহকে ভয় করে এবং তার মাধ্যমে নিজ আত্মীয়তা বজায় রাখে। আর তাতে যে আল্লাহর হক রয়েছে তা সে জানে। অতএব সে (আল্লাহর কাছে) সবচেয়ে উৎকৃষ্ট স্তরে অবস্থান করবে। (২) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ (ইসলামী) জ্ঞান দান করেছেন; কিন্তু মাল দান করেননি। সে নিয়তে সত্যনিষ্ঠ, সে বলে যদি আমার মাল থাকত, তাহলে আমি (পূর্বোক্ত) অমুকের মত কাজ করতাম। সুতরাং সে নিয়ত অনুসারে বিনিময় পাবে; এদের উভয়ের প্রতিদান সমান। (৩) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ মাল দান করেছেন; কিন্তু (ইসলামী) জ্ঞান দান করেননি। সুতরাং সে না জেনে অবৈধরূপে নির্বিচারে মাল খরচ করে; সে তাতে আল্লাহকে ভয় করে না, তার মাধ্যমে নিজ আত্মীয়তা বজায় রাখে না এবং তাতে যে আল্লাহর হক রয়েছে তাও সে জানে না। অতএব সে (আল্লাহর কাছে) সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্তরে অবস্থান করবে। আর (৪) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ ধন ও (ইসলামী) জ্ঞান কিছুই দান করেননি। কিন্তু সে বলে, যদি আমার নিকট মাল থাকত, তাহলে আমিও (পূর্বোক্ত) অমুকের মত কাজ করতাম। সুতরাং সে নিয়ত অনুসারে বিনিময় পাবে; এদের উভয়ের পাপ সমান।” (তিরমিযী ২৩২৫, হাসান সহীহ সূত্রে)
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, “আমি তিনটি জিনিসের ব্যাপারে শপথ করছি এবং তোমাদেরকে একটি হাদীস বলছি তা স্মরণ রাখোঃ (১) কোন বান্দার মাল সাদকাহ করলে কমে যায় না। (২) কোন বান্দার উপর কোন প্রকার অত্যাচার করা হলে এবং সে তার উপর ধৈর্য-ধারণ করলে আল্লাহ নিশ্চয় তার সম্মান বাড়িয়ে দেন, আর (৩) কোন বান্দা ভিক্ষার দুয়ার উদ্ঘাটন করলে আল্লাহ তার জন্য দরিদ্রতার দরজা উদ্ঘাটন করে দেন।” অথবা এই রকম অন্য শব্দ তিনি ব্যবহার করলেন। “আর তোমাদেরকে একটি হাদীস বলছি তা স্মরণ রাখো।” তিনি বললেন, “দুনিয়ায় চার প্রকার লোক আছে; (১) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ ধন ও (ইসলামী) জ্ঞান দান করেছেন। অতঃপর সে তাতে আল্লাহকে ভয় করে এবং তার মাধ্যমে নিজ আত্মীয়তা বজায় রাখে। আর তাতে যে আল্লাহর হক রয়েছে তা সে জানে। অতএব সে (আল্লাহর কাছে) সবচেয়ে উৎকৃষ্ট স্তরে অবস্থান করবে। (২) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ (ইসলামী) জ্ঞান দান করেছেন; কিন্তু মাল দান করেননি। সে নিয়তে সত্যনিষ্ঠ, সে বলে যদি আমার মাল থাকত, তাহলে আমি (পূর্বোক্ত) অমুকের মত কাজ করতাম। সুতরাং সে নিয়ত অনুসারে বিনিময় পাবে; এদের উভয়ের প্রতিদান সমান। (৩) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ মাল দান করেছেন; কিন্তু (ইসলামী) জ্ঞান দান করেননি। সুতরাং সে না জেনে অবৈধরূপে নির্বিচারে মাল খরচ করে; সে তাতে আল্লাহকে ভয় করে না, তার মাধ্যমে নিজ আত্মীয়তা বজায় রাখে না এবং তাতে যে আল্লাহর হক রয়েছে তাও সে জানে না। অতএব সে (আল্লাহর কাছে) সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্তরে অবস্থান করবে। আর (৪) ঐ বান্দা, যাকে আল্লাহ ধন ও (ইসলামী) জ্ঞান কিছুই দান করেননি। কিন্তু সে বলে, যদি আমার নিকট মাল থাকত, তাহলে আমিও (পূর্বোক্ত) অমুকের মত কাজ করতাম। সুতরাং সে নিয়ত অনুসারে বিনিময় পাবে; এদের উভয়ের পাপ সমান।” (তিরমিযী ২৩২৫, হাসান সহীহ সূত্রে)
وعن أبي كبشة عمرو بن سعد الأنماري أنه سمع رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ثلاثة أقسم عليهن وأحدثكم حديثا فاحفظوه : ما نقص مال عبد من صدقة ولا ظلم عبد مظلمة صبر عليها إلا زاده الله عزا ولا فتح عبد باب مسألة إلا فتح الله عليه باب فقر أو كلمة نحوها (وأحدثكم حديثا فاحفظوه) قال إنما الدنيا لأربعة نفر : عبد رزقه الله مالا وعلما فهو يتقي فيه ربه ويصل فيه رحمه ويعلم لله فيه حقا فهذا بأفضل المنازل وعبد رزقه الله علما ولم يرزقه مالا فهو صادق النية يقول : لو أن لي مالا لعملت بعمل فلان فهو بنيته فأجرهما سواء وعبد رزقه الله مالا ولم يرزقه علما فهو يخبط في ماله بغير علم لا يتقي فيه ربه ولا يصل فيه رحمه ولا يعلم لله فيه حقا فهذا بأخبث المنازل وعبد لم يرزقه الله مالا ولا علما فهو يقول : لو أن لي مالا لعملت فيه بعمل فلان فهو بنيته فوزرهما سواء رواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح
হাদিস সম্ভার ৯৪৫
عن أبى مسعود الأنصارى قال جاء رجل بناقة مخطومة فقال هذه فى سبيل الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لك بها يوم القيامة سبعمائة ناقة كلها مخطومة
এক ব্যক্তি দান করার জন্য একটি লাগাম লাগানো উটনী নিয়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট হাযির হয়ে বলল, ‘এটি আল্লাহর রাস্তায় (দান করলাম)। এ কথা শুনে তিনি তাকে বললেন, “এর বিনিময়ে কিয়ামতের দিন তুমি ৭০০ টি উটনী পাবে; যাদের প্রত্যেকটি মুখে লাগাম লাগানো থাকবে।” (মুসলিম ৫০০৫)
এক ব্যক্তি দান করার জন্য একটি লাগাম লাগানো উটনী নিয়ে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট হাযির হয়ে বলল, ‘এটি আল্লাহর রাস্তায় (দান করলাম)। এ কথা শুনে তিনি তাকে বললেন, “এর বিনিময়ে কিয়ামতের দিন তুমি ৭০০ টি উটনী পাবে; যাদের প্রত্যেকটি মুখে লাগাম লাগানো থাকবে।” (মুসলিম ৫০০৫)
عن أبى مسعود الأنصارى قال جاء رجل بناقة مخطومة فقال هذه فى سبيل الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لك بها يوم القيامة سبعمائة ناقة كلها مخطومة
হাদিস সম্ভার ৯৪৬
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال بينما رجل يمشي بفلاة من الأرض فسمع صوتا في سحابة اسق حديقة فلان فتنحى ذلك السحاب فأفرغ ماءه في حرة فإذا شرجة من تلك الشراج قد استوعبت ذلك الماء كله فتتبع الماء فإذا رجل قائم في حديقته يحول الماء بمسحاته فقال له : يا عبد الله ما اسمك ؟ قال : فلان للاسم الذي سمع في السحابة فقال له : يا عبد الله لم تسألني عن اسمي؟ فقال : إني سمعت صوتا في السحاب الذي هذا ماؤه يقول : اسق حديقة فلان لاسمك فما تصنع فيها فقال : أما إذ قلت هذا فإني أنظر إلى ما يخرج منها فأتصدق بثلثه وآكل أنا وعيالي ثلثا وأرد فيها ثلثه رواه مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এক ব্যক্তি বৃক্ষহীন প্রান্তরে মেঘ থেকে শব্দ শুনতে পেল, ‘অমুকের বাগানে বৃষ্টি বর্ষণ কর।’ অতঃপর সেই মেঘ সরে গিয়ে কালো পাথুরে এক ভূমিতে বর্ষণ করল। তারপর (সেখানকার) নালাসমূহের মধ্যে একটি নালা সম্পূর্ণ পানি নিজের মধ্যে জমা ক’রে নিল। লোকটি সেই পানির অনুসরণ ক’রে কিছু দূর গিয়ে দেখল, একটি লোক কোদাল দ্বারা নিজ বাগানের দিকে পানি ঘুরাচ্ছে। সে তাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার নাম কী ভাই?’ বলল, ‘অমুক।’ এটি ছিল সেই নাম, যে নাম মেঘের আড়ালে সে শুনেছিল। বাগান-ওয়ালা বলল, ‘ওহে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার নাম কেন জিজ্ঞাসা করলে?’ লোকটি বলল, ‘আমি মেঘের আড়াল থেকে তোমার নাম ধরে তোমার বাগানে বৃষ্টি বর্ষণ করতে আদেশ শুনলাম। তুমি কি এমন কাজ কর?’ বাগান-ওয়ালা বলল, ‘এ কথা যখন বললে, তখন বলতে হয়; আমি এই বাগানের উৎপন্ন ফল-ফসলকে ভেবে-চিন্তে তিন ভাগে ভাগ করি। অতঃপর তার এক ভাগ দান করি, এক ভাগ আমি আমার পরিজন সহ খেয়ে থাকি এবং বাকী এক ভাগ বাগানের চাষ-খাতে ব্যয় করি।” (মুসলিম ৭৬৬৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এক ব্যক্তি বৃক্ষহীন প্রান্তরে মেঘ থেকে শব্দ শুনতে পেল, ‘অমুকের বাগানে বৃষ্টি বর্ষণ কর।’ অতঃপর সেই মেঘ সরে গিয়ে কালো পাথুরে এক ভূমিতে বর্ষণ করল। তারপর (সেখানকার) নালাসমূহের মধ্যে একটি নালা সম্পূর্ণ পানি নিজের মধ্যে জমা ক’রে নিল। লোকটি সেই পানির অনুসরণ ক’রে কিছু দূর গিয়ে দেখল, একটি লোক কোদাল দ্বারা নিজ বাগানের দিকে পানি ঘুরাচ্ছে। সে তাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার নাম কী ভাই?’ বলল, ‘অমুক।’ এটি ছিল সেই নাম, যে নাম মেঘের আড়ালে সে শুনেছিল। বাগান-ওয়ালা বলল, ‘ওহে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার নাম কেন জিজ্ঞাসা করলে?’ লোকটি বলল, ‘আমি মেঘের আড়াল থেকে তোমার নাম ধরে তোমার বাগানে বৃষ্টি বর্ষণ করতে আদেশ শুনলাম। তুমি কি এমন কাজ কর?’ বাগান-ওয়ালা বলল, ‘এ কথা যখন বললে, তখন বলতে হয়; আমি এই বাগানের উৎপন্ন ফল-ফসলকে ভেবে-চিন্তে তিন ভাগে ভাগ করি। অতঃপর তার এক ভাগ দান করি, এক ভাগ আমি আমার পরিজন সহ খেয়ে থাকি এবং বাকী এক ভাগ বাগানের চাষ-খাতে ব্যয় করি।” (মুসলিম ৭৬৬৪)
وعن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال بينما رجل يمشي بفلاة من الأرض فسمع صوتا في سحابة اسق حديقة فلان فتنحى ذلك السحاب فأفرغ ماءه في حرة فإذا شرجة من تلك الشراج قد استوعبت ذلك الماء كله فتتبع الماء فإذا رجل قائم في حديقته يحول الماء بمسحاته فقال له : يا عبد الله ما اسمك ؟ قال : فلان للاسم الذي سمع في السحابة فقال له : يا عبد الله لم تسألني عن اسمي؟ فقال : إني سمعت صوتا في السحاب الذي هذا ماؤه يقول : اسق حديقة فلان لاسمك فما تصنع فيها فقال : أما إذ قلت هذا فإني أنظر إلى ما يخرج منها فأتصدق بثلثه وآكل أنا وعيالي ثلثا وأرد فيها ثلثه رواه مسلم
হাদিস সম্ভার ৯৪৭
عن أبي أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা সদকাহ দ্বারা কর।” (আবুশ শায়খ, সহীহুল জামে ৩৩৫৮)
عن أبي أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم داووا مرضاكم بالصدقة
হাদিস সম্ভার ৯৪৮
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كل امرئ في ظل صدقته حتى يفصل بين الناس أو قال يحكم بين الناس قال يزيد وكان أبو الخير لا يخطئه يوم إلا تصدق فيه بشيء ولو كعكة أو بصلة أو كذا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(কিয়ামতের মাঠে রৌদ্রতপ্ত দিনে) সমস্ত লোকেদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক মানুষ নিজ সাদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে।” এ হাদীস শ্রবণ করে আবু মারষাদ কোন দিন ভুলেও কিছু না কিছু সদকাহ করতে ছাড়তেন না। হয় কেক, না হয় পিঁয়াজ (ছোট কিছুও) তিনি দান করতেন। (আহমাদ ১৭৩৩৩, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩১, ইবনে হিব্বান ৩৩১০, সহীহ তারগীব ৮৭২)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “(কিয়ামতের মাঠে রৌদ্রতপ্ত দিনে) সমস্ত লোকেদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক মানুষ নিজ সাদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে।” এ হাদীস শ্রবণ করে আবু মারষাদ কোন দিন ভুলেও কিছু না কিছু সদকাহ করতে ছাড়তেন না। হয় কেক, না হয় পিঁয়াজ (ছোট কিছুও) তিনি দান করতেন। (আহমাদ ১৭৩৩৩, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩১, ইবনে হিব্বান ৩৩১০, সহীহ তারগীব ৮৭২)
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كل امرئ في ظل صدقته حتى يفصل بين الناس أو قال يحكم بين الناس قال يزيد وكان أبو الخير لا يخطئه يوم إلا تصدق فيه بشيء ولو كعكة أو بصلة أو كذا
হাদিস সম্ভার ৯৪৯
عن عقبة بن عامر قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الصدقة لتطفيء عن أهلها حر القبور وإنما يستظل المؤمن يوم القيامة في ظل صدقته
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সদকাহ অবশ্যই কবরবাসীর কবরের উত্তাপ ঠান্ডা করে দেবে এবং মুমিন কিয়ামতে তার ছায়াতে অবস্থান করবে।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪২০৭, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৩৪৭, সহীহ তারগীব ৮৭৩)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সদকাহ অবশ্যই কবরবাসীর কবরের উত্তাপ ঠান্ডা করে দেবে এবং মুমিন কিয়ামতে তার ছায়াতে অবস্থান করবে।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৪২০৭, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৩৪৭, সহীহ তারগীব ৮৭৩)
عن عقبة بن عامر قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الصدقة لتطفيء عن أهلها حر القبور وإنما يستظل المؤمن يوم القيامة في ظل صدقته
হাদিস সম্ভার ৯৫০
عن كعب بن عجرة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الصوم جنة والصدقة تطفيء الخطيئة كما يطفئ الماء النار
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “রোযা হল ঢাল স্বরূপ। আর সদকাহ গোনাহ নিশ্চিহ্ন করে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে (নিশ্চিহ্ন) ক’রে দেয়।” (আহমাদ ১৪৪৪১, তিরমিযী ৬১৪, আবূ য়্যা’লা ১৯৯৯, ত্বাবারানী ১৫৬৮৯, সহীহ তারগীব ৮৬৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “রোযা হল ঢাল স্বরূপ। আর সদকাহ গোনাহ নিশ্চিহ্ন করে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে (নিশ্চিহ্ন) ক’রে দেয়।” (আহমাদ ১৪৪৪১, তিরমিযী ৬১৪, আবূ য়্যা’লা ১৯৯৯, ত্বাবারানী ১৫৬৮৯, সহীহ তারগীব ৮৬৮)
عن كعب بن عجرة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الصوم جنة والصدقة تطفيء الخطيئة كما يطفئ الماء النار
হাদিস সম্ভার ৯৫১
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول العبد مالى مالى إنما له من ماله ثلاث ما أكل فأفنى أو لبس فأبلى أو أعطى فاقتنى وما سوى ذلك فهو ذاهب وتاركه للناس
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “বান্দা বলে, ‘আমার মাল, আমার মাল।’ অথচ তার আসল মাল হল তিনটি; যা খেয়ে শেষ করেছে অথবা পরে ছিঁড়ে ফেলেছে অথবা দান করে জমা রেখেছে। এ ছাড়া যা কিছু তার সবই চলে যাবে এবং লোকের জন্য ছেড়ে যাবে।” (আহমাদ ৮৮১৩, ৯৩৩৯, মুসলিম ৭৬১১, সহীহুল জামে’ ৮১৩৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “বান্দা বলে, ‘আমার মাল, আমার মাল।’ অথচ তার আসল মাল হল তিনটি; যা খেয়ে শেষ করেছে অথবা পরে ছিঁড়ে ফেলেছে অথবা দান করে জমা রেখেছে। এ ছাড়া যা কিছু তার সবই চলে যাবে এবং লোকের জন্য ছেড়ে যাবে।” (আহমাদ ৮৮১৩, ৯৩৩৯, মুসলিম ৭৬১১, সহীহুল জামে’ ৮১৩৩)
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال يقول العبد مالى مالى إنما له من ماله ثلاث ما أكل فأفنى أو لبس فأبلى أو أعطى فاقتنى وما سوى ذلك فهو ذاهب وتاركه للناس
হাদিস সম্ভার ৯৫২
عن أبي موسى الأشعري عن النبى صلى الله عليه وسلم قال على كل مسلم صدقة قيل أرأيت إن لم يجد قال يعتمل بيديه فينفع نفسه ويتصدق قال قيل أرأيت إن لم يستطع قال يعين ذا الحاجة الملهوف قال قيل له أرأيت إن لم يستطع قال يأمر بالمعروف أو الخير قال أرأيت إن لم يفعل قال يمسك عن الشر فإنها صدقة
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদকাহ করার দায়িত্ব আছে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি সে (কিছু) না পায়?’ তিনি বললেন, “তাহলে সে স্বহস্তে কর্ম করে নিজেকে উপকৃত করবে এবং (ঐ থেকে) সদকাহ করবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাতেও অক্ষম হয়?’ তিনি বললেন, “তাহলে বিপদগ্রস্ত অভাবীর সাহায্য করবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাও না করতে পারে?’ তিনি বললেন, “তাহলে সৎকাজের আদেশ দেবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাও না করে?’ তিনি বললেন, “তাহলে মন্দ কর্ম থেকে বিরত থাকবে। আর এটাই হবে তার জন্য সদকাহ।” (বুখারী ১৪৪৫, ৬০২২, মুসলিম ২৩৮০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদকাহ করার দায়িত্ব আছে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি সে (কিছু) না পায়?’ তিনি বললেন, “তাহলে সে স্বহস্তে কর্ম করে নিজেকে উপকৃত করবে এবং (ঐ থেকে) সদকাহ করবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাতেও অক্ষম হয়?’ তিনি বললেন, “তাহলে বিপদগ্রস্ত অভাবীর সাহায্য করবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাও না করতে পারে?’ তিনি বললেন, “তাহলে সৎকাজের আদেশ দেবে।” বলা হল, ‘কী রায় আপনার, যদি তাও না করে?’ তিনি বললেন, “তাহলে মন্দ কর্ম থেকে বিরত থাকবে। আর এটাই হবে তার জন্য সদকাহ।” (বুখারী ১৪৪৫, ৬০২২, মুসলিম ২৩৮০)
عن أبي موسى الأشعري عن النبى صلى الله عليه وسلم قال على كل مسلم صدقة قيل أرأيت إن لم يجد قال يعتمل بيديه فينفع نفسه ويتصدق قال قيل أرأيت إن لم يستطع قال يعين ذا الحاجة الملهوف قال قيل له أرأيت إن لم يستطع قال يأمر بالمعروف أو الخير قال أرأيت إن لم يفعل قال يمسك عن الشر فإنها صدقة
হাদিস সম্ভার > নিজের পছন্দনীয় ও প্রিয় জিনিস এবং আত্মীয়কে খরচ করার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার ৯৭৮
عن سلمان بن عامر الضبي قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الصدقة على المسكين صدقة وعلى ذي القرابة اثنتان: صدقة وصلة
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মিসকীনকে দান করলে একটি দান করার সওয়াব হয়। কিন্তু আত্মীয়কে দান করলে দুটি সওয়াব হয়; দান করার সওয়াব এবং আত্মীয়তা বজায় রাখার সওয়াব।” (তিরমিযী ৬৫৮, নাসাঈ ২৫৮২, ইবনে মাজাহ ১৮৪৪, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮৫, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৪, হাকেম ১৪৭৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মিসকীনকে দান করলে একটি দান করার সওয়াব হয়। কিন্তু আত্মীয়কে দান করলে দুটি সওয়াব হয়; দান করার সওয়াব এবং আত্মীয়তা বজায় রাখার সওয়াব।” (তিরমিযী ৬৫৮, নাসাঈ ২৫৮২, ইবনে মাজাহ ১৮৪৪, ইবনে খুযাইমাহ ২৩৮৫, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৪, হাকেম ১৪৭৬)
عن سلمان بن عامر الضبي قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الصدقة على المسكين صدقة وعلى ذي القرابة اثنتان: صدقة وصلة
হাদিস সম্ভার ৯৭৭
عن طلحة بن يحيى عن جدته سعدى قال: دخل علي يوما طلحة فرأيت منه ثقلا فقلت : ما لك لعل رابك منا شيء فنعتبك ؟ قال: لا ولنعم حليلة المرء المسلم أنت ولكن اجتمع عندي مال ولا أدري كيف أصنع به قالت : وما يغمك منه ؟ أدع قومك فاقسمه بينهم فقال : يا غلام علي قومي فسألت الخازن: كم قسم ؟ قال : أربعمائة ألف
ত্বালহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ) এর স্ত্রী সু’দা একদা স্বামীকে চিন্তাগ্রস্ত দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ব্যাপার? সম্ভবতঃ আমার ব্যাপারে আপনার কোন সন্দেহ হয়েছে; তা থেকে বিরত হব?’ উত্তরে তালহা বললেন, ‘তুমি কত উত্তমই না মুসলিমের স্ত্রী! আসলে আমার কাছে কিছু মাল জমা হয়ে গেছে। জানি না সেগুলো কি করব?’ স্ত্রী বললেন, ‘সে ব্যাপারে আপনার দুশ্চিন্তা কিসের? আপনি আপনার গোত্রের লোককে ডেকে তা বিতরণ করে দিন!’ তালহা কিশোর খাদেমকে গোত্রের লোককে ডেকে হাযির করতে বললেন এবং সমস্ত মাল তাদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। সে মাল ছিল ৪ লক্ষ (দিরহাম)! (ত্বাবারানী ১৯৪, সহীহ তারগীব ৯২৫)
ত্বালহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ) এর স্ত্রী সু’দা একদা স্বামীকে চিন্তাগ্রস্ত দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ব্যাপার? সম্ভবতঃ আমার ব্যাপারে আপনার কোন সন্দেহ হয়েছে; তা থেকে বিরত হব?’ উত্তরে তালহা বললেন, ‘তুমি কত উত্তমই না মুসলিমের স্ত্রী! আসলে আমার কাছে কিছু মাল জমা হয়ে গেছে। জানি না সেগুলো কি করব?’ স্ত্রী বললেন, ‘সে ব্যাপারে আপনার দুশ্চিন্তা কিসের? আপনি আপনার গোত্রের লোককে ডেকে তা বিতরণ করে দিন!’ তালহা কিশোর খাদেমকে গোত্রের লোককে ডেকে হাযির করতে বললেন এবং সমস্ত মাল তাদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। সে মাল ছিল ৪ লক্ষ (দিরহাম)! (ত্বাবারানী ১৯৪, সহীহ তারগীব ৯২৫)
عن طلحة بن يحيى عن جدته سعدى قال: دخل علي يوما طلحة فرأيت منه ثقلا فقلت : ما لك لعل رابك منا شيء فنعتبك ؟ قال: لا ولنعم حليلة المرء المسلم أنت ولكن اجتمع عندي مال ولا أدري كيف أصنع به قالت : وما يغمك منه ؟ أدع قومك فاقسمه بينهم فقال : يا غلام علي قومي فسألت الخازن: كم قسم ؟ قال : أربعمائة ألف
হাদিস সম্ভার ৯৭৫
عن أنس قال : كان أبو طلحة أكثر الأنصار بالمدينة مالا من نخل وكان أحب أمواله إليه بيرحاء وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب قال أنس : فلما نزلت هذه الآية: لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن الله تعالى أنزل عليك لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون وإن أحب مالي إلي بيرحاء وإنها صدقة لله تعالى أرجو برها وذخرها عند الله تعالى فضعها يا رسول الله حيث أراك الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح وقد سمعت ما قلت وإني أرى أن تجعلها في الأقربين فقال أبو طلحة : أفعل يا رسول الله فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه متفق عليه
তিনি বলেন, মদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা (রাঃ) সবচেয়ে অধিক খেজুর-বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাগানে প্রবেশ ক’রে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল; যার অর্থ, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” (আলে ইমরান ৯২) তখন আবূ তালহা (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আপনার উপর (আয়াত) অবতীর্ণ ক’রে বলেছেন, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” আর বায়রুহা বাগানটি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সদকাহ করা হল। আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য জমা হয়ে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন, তাকে দান করে দিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আরে! এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ, তা শুনেছি। আমি মনে করি, তুমি তোমার আপন-জনদের মধ্যে তা বন্টন করে দাও।” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাই করব।’ তারপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরদের মধ্যে তা বন্টন ক’রে দিলেন। (বুখারী ১৪৬১, মুসলিম ২৩৬২)
তিনি বলেন, মদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা (রাঃ) সবচেয়ে অধিক খেজুর-বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাগানে প্রবেশ ক’রে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল; যার অর্থ, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” (আলে ইমরান ৯২) তখন আবূ তালহা (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আপনার উপর (আয়াত) অবতীর্ণ ক’রে বলেছেন, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” আর বায়রুহা বাগানটি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সদকাহ করা হল। আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য জমা হয়ে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন, তাকে দান করে দিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আরে! এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ, তা শুনেছি। আমি মনে করি, তুমি তোমার আপন-জনদের মধ্যে তা বন্টন করে দাও।” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাই করব।’ তারপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরদের মধ্যে তা বন্টন ক’রে দিলেন। (বুখারী ১৪৬১, মুসলিম ২৩৬২)
عن أنس قال : كان أبو طلحة أكثر الأنصار بالمدينة مالا من نخل وكان أحب أمواله إليه بيرحاء وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب قال أنس : فلما نزلت هذه الآية: لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن الله تعالى أنزل عليك لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون وإن أحب مالي إلي بيرحاء وإنها صدقة لله تعالى أرجو برها وذخرها عند الله تعالى فضعها يا رسول الله حيث أراك الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح وقد سمعت ما قلت وإني أرى أن تجعلها في الأقربين فقال أبو طلحة : أفعل يا رسول الله فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ৯৭৬
عن زينب امرأة عبد الله قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن قالت فرجعت إلى عبد الله فقلت إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزى عنى وإلا صرفتها إلى غيركم قالت فقال لى عبد الله بل ائتيه أنت قالت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم حاجتى حاجتها قالت وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة قالت فخرج علينا بلال فقلنا له ائت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك أتجزى الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام فى حجورهما ولا تخبره من نحن قالت فدخل بلال على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من هما فقال امرأة من الأنصار وزينب فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أى الزيانب قال امرأة عبد الله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لهما أجران أجر القرابة وأجر الصدقة
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে মহিলাগণ! তোমরা সাদকাহ কর; যদিও তোমাদের অলংকার থেকে হয়।” যায়নাব (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি (আমার স্বামী) আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, ‘আপনি গরীব মানুষ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে সাদকাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আপনি তাঁর নিকট গিয়ে এ কথা জেনে আসুন যে, (আমি যে, আপনার উপর ও আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করি তা) আমার পক্ষ থেকে সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? নাকি আপনাদেরকে বাদ দিয়ে আমি অন্যকে দান করব?’ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বললেন, ‘বরং তুমিই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে জেনে এস।’ সুতরাং আমি তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তাঁর দরজায় আরোও একজন আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে আছে, তার প্রয়োজনও আমার প্রয়োজনের অনুরূপ। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ভাবগম্ভীরতা দান করা হয়েছিল। (তাঁকে সকলেই ভয় করত।) ইতিমধ্যে বিলাল (রাঃ) কে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে দেখে বললাম, ‘আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বলুন, দরজার কাছে দু’জন মহিলা আপনাকে জিজ্ঞাসা করছে যে, তারা যদি নিজ স্বামী ও তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করে, তাহলে তা সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? আর আমরা কে, সে কথা জানাবেন না।’ তিনি প্রবেশ করে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তারা কে?” বিলাল (রাঃ) বললেন, ‘এক আনসারী মহিলা ও যায়নাব।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কোন্ যায়নাব?” বিলাল (রাঃ) উত্তর দিলেন, ‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তাদের জন্য দু’টি সওয়াব রয়েছে, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার সওয়াব এবং সাদকাহ করার সওয়াব।” (বুখারী ১৪৬২, ১৪৬৬, মুসলিম ২৩৬৫)
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে মহিলাগণ! তোমরা সাদকাহ কর; যদিও তোমাদের অলংকার থেকে হয়।” যায়নাব (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি (আমার স্বামী) আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, ‘আপনি গরীব মানুষ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে সাদকাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আপনি তাঁর নিকট গিয়ে এ কথা জেনে আসুন যে, (আমি যে, আপনার উপর ও আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করি তা) আমার পক্ষ থেকে সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? নাকি আপনাদেরকে বাদ দিয়ে আমি অন্যকে দান করব?’ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বললেন, ‘বরং তুমিই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে জেনে এস।’ সুতরাং আমি তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তাঁর দরজায় আরোও একজন আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে আছে, তার প্রয়োজনও আমার প্রয়োজনের অনুরূপ। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ভাবগম্ভীরতা দান করা হয়েছিল। (তাঁকে সকলেই ভয় করত।) ইতিমধ্যে বিলাল (রাঃ) কে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে দেখে বললাম, ‘আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বলুন, দরজার কাছে দু’জন মহিলা আপনাকে জিজ্ঞাসা করছে যে, তারা যদি নিজ স্বামী ও তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করে, তাহলে তা সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? আর আমরা কে, সে কথা জানাবেন না।’ তিনি প্রবেশ করে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তারা কে?” বিলাল (রাঃ) বললেন, ‘এক আনসারী মহিলা ও যায়নাব।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কোন্ যায়নাব?” বিলাল (রাঃ) উত্তর দিলেন, ‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তাদের জন্য দু’টি সওয়াব রয়েছে, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার সওয়াব এবং সাদকাহ করার সওয়াব।” (বুখারী ১৪৬২, ১৪৬৬, মুসলিম ২৩৬৫)
عن زينب امرأة عبد الله قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن قالت فرجعت إلى عبد الله فقلت إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزى عنى وإلا صرفتها إلى غيركم قالت فقال لى عبد الله بل ائتيه أنت قالت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم حاجتى حاجتها قالت وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة قالت فخرج علينا بلال فقلنا له ائت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك أتجزى الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام فى حجورهما ولا تخبره من نحن قالت فدخل بلال على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من هما فقال امرأة من الأنصار وزينب فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أى الزيانب قال امرأة عبد الله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لهما أجران أجر القرابة وأجر الصدقة