হাদিস সম্ভার > সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা
হাদিস সম্ভার ৯৬৮
عن أبي أيوب الأنصاري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أفضل الصدقة الصدقة على ذي الرحم الكاشح
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা সেই সাদকা, যা শত্রুতাপোষণকারী নিকটাত্মীয়কে করা হয়।” (আহমাদ ২৩৫৩০, হাকেম ১৪৭৫, ত্বাবারানী ৩৮২৬, বাইহাক্বী ১৩৬০৩, দারেমী ১৬৭৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা সেই সাদকা, যা শত্রুতাপোষণকারী নিকটাত্মীয়কে করা হয়।” (আহমাদ ২৩৫৩০, হাকেম ১৪৭৫, ত্বাবারানী ৩৮২৬, বাইহাক্বী ১৩৬০৩, দারেমী ১৬৭৯)
عن أبي أيوب الأنصاري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أفضل الصدقة الصدقة على ذي الرحم الكاشح
হাদিস সম্ভার ৯৬৯
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصدقة ما ترك غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول تقول المرأة إما أن تطعمني وإما أن تطلقني ويقول العبد أطعمني واستعملني ويقول الابن أطعمني إلى من تدعني
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই দানই উত্তম, যার পরে অভাব আসে না। উপরের (দাতার) হাত নিচের (গ্রহীতার) হাত অপেক্ষা উত্তম। আর তোমার নিকট-আত্মীয় থেকে দান করা শুরু কর।” আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, (মাল না থাকলে) তোমার বিবি তোমাকে বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে তালাক দাও।’ তোমার দাস বা দাসী বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে বিক্রি করে দাও।’ তোমার ছেলে বলবে, ‘আমাকে কার ভরসায় ছেড়ে যাবে?’ (বুখারী ৫৩৫৫, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩৬)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই দানই উত্তম, যার পরে অভাব আসে না। উপরের (দাতার) হাত নিচের (গ্রহীতার) হাত অপেক্ষা উত্তম। আর তোমার নিকট-আত্মীয় থেকে দান করা শুরু কর।” আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, (মাল না থাকলে) তোমার বিবি তোমাকে বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে তালাক দাও।’ তোমার দাস বা দাসী বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে বিক্রি করে দাও।’ তোমার ছেলে বলবে, ‘আমাকে কার ভরসায় ছেড়ে যাবে?’ (বুখারী ৫৩৫৫, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩৬)
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصدقة ما ترك غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول تقول المرأة إما أن تطعمني وإما أن تطلقني ويقول العبد أطعمني واستعملني ويقول الابن أطعمني إلى من تدعني
হাদিস সম্ভার ৯৭০
عن أبى هريرة قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا ؟ فقال أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের দিক থেকে কোন সদকাহ সবচেয়ে বড়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তোমার সুস্থতা ও অর্থপ্রয়োজন থাকা অবস্থায় কৃত সদকাহ, যখন তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার আশা কর। আর এ ব্যাপারে গয়ংগচ্ছ করো না। পরিশেষে তোমার প্রাণ যখন কণ্ঠাগতপ্রায় হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত (সদকাহ), অথচ তা তো (প্রকৃতপক্ষে) অমুক (ওয়ারিসের) জন্যই।” (বুখারী ১৪১৯, মুসলিম ২৪২৯-২৪৩০)
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের দিক থেকে কোন সদকাহ সবচেয়ে বড়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তোমার সুস্থতা ও অর্থপ্রয়োজন থাকা অবস্থায় কৃত সদকাহ, যখন তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার আশা কর। আর এ ব্যাপারে গয়ংগচ্ছ করো না। পরিশেষে তোমার প্রাণ যখন কণ্ঠাগতপ্রায় হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত (সদকাহ), অথচ তা তো (প্রকৃতপক্ষে) অমুক (ওয়ারিসের) জন্যই।” (বুখারী ১৪১৯, মুসলিম ২৪২৯-২৪৩০)
عن أبى هريرة قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا ؟ فقال أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان
হাদিস সম্ভার ৯৭৩
عن سعد بن عبادة قال قلت يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: " "سقي الماء".
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন দান সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ?’ তিনি উত্তরে বললেন, “পানি পান করানো।” (আবু দাউদ ১৬৮১, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৪)
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন দান সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ?’ তিনি উত্তরে বললেন, “পানি পান করানো।” (আবু দাউদ ১৬৮১, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৪)
عن سعد بن عبادة قال قلت يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: " "سقي الماء".
হাদিস সম্ভার ৯৭২
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبق درهم مئة ألف درهم)) قالوا : وكيف ذلك يا رسول الله؟ قال رجل له مال كثير فأخذ من عرضه مائة ألف فتصدق بها سبق درهم مائة ألف درهم رجل له درهمان أخذ أحدهما فتصدق به
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “এক দিরহাম এক লক্ষ দিরহাম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” এক ব্যক্তি বলল, ‘তা কী করে হয়, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “এক ব্যক্তির প্রচুর মাল আছে। সে তার এক কোণ নিয়ে ১ লাখ দিরহাম দান করে। আর অন্য এক ব্যধিক্ত মাত্র ২ দিরহামের মালিক। সে তা হতেই ১ দিরহাম দান করে।” (নাসাঈ ২৫২৭-২৫২৮, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৪৩, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৭, হাকেম ১৫১৯, সহীহ তারগীব ৮৮৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “এক দিরহাম এক লক্ষ দিরহাম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” এক ব্যক্তি বলল, ‘তা কী করে হয়, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “এক ব্যক্তির প্রচুর মাল আছে। সে তার এক কোণ নিয়ে ১ লাখ দিরহাম দান করে। আর অন্য এক ব্যধিক্ত মাত্র ২ দিরহামের মালিক। সে তা হতেই ১ দিরহাম দান করে।” (নাসাঈ ২৫২৭-২৫২৮, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৪৩, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৭, হাকেম ১৫১৯, সহীহ তারগীব ৮৮৩)
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبق درهم مئة ألف درهم)) قالوا : وكيف ذلك يا رسول الله؟ قال رجل له مال كثير فأخذ من عرضه مائة ألف فتصدق بها سبق درهم مائة ألف درهم رجل له درهمان أخذ أحدهما فتصدق به
হাদিস সম্ভার ৯৭১
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
হাদিস সম্ভার ৯৭৪
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
হাদিস সম্ভার > গোপনে দান
হাদিস সম্ভার ৯৭৯
عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ্রصدقة السر تطفئ غضب الرب تبارك وتعالى , وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوءগ্ধ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০)
عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ্রصدقة السر تطفئ غضب الرب تبارك وتعالى , وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوءগ্ধ
হাদিস সম্ভার > স্ত্রীর দান
হাদিস সম্ভার ৯৮০
عن عائشة قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহিলা যখন তার (স্বামী) গৃহের খাদ্য হতে (অনিষ্ট বা) অপব্যয় না করে (ক্ষুধার্তকে) দান করে, তখন তার জন্য তার দান করার সওয়াব হয়। তার স্বামীর জন্য তার উপার্জন করার সওয়াব লাভ হয়। আর অনুরূপ সওয়াব লাভ হয় খাজাঞ্চীরও। ওদের কেউই কারো সওয়াব কিছুমাত্র কমিয়ে দেয় না।” (বুখারী ১৪২৫, মুসলিম ২৪১১-২৪১৩)
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহিলা যখন তার (স্বামী) গৃহের খাদ্য হতে (অনিষ্ট বা) অপব্যয় না করে (ক্ষুধার্তকে) দান করে, তখন তার জন্য তার দান করার সওয়াব হয়। তার স্বামীর জন্য তার উপার্জন করার সওয়াব লাভ হয়। আর অনুরূপ সওয়াব লাভ হয় খাজাঞ্চীরও। ওদের কেউই কারো সওয়াব কিছুমাত্র কমিয়ে দেয় না।” (বুখারী ১৪২৫, মুসলিম ২৪১১-২৪১৩)
عن عائشة قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا
হাদিস সম্ভার ৯৮১
عن أبي أمامة الباهلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تنفق امرأة من بيت زوجها إلا بإذن زوجها قيل : يا رسول الله ولا الطعام ؟ قال ذاك أفضل أموالنا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন স্ত্রী যেন স্বামীর ঘরের কিছু খরচ না করে।” বলা হল, ‘হে আল্লাহর রসূল! খাবারও না?’ তিনি বললেন, “তা তো আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ মাল।” (তিরমিযী ৬৭০, ২১২০, সহীহ তারগীব ৯৪৩)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন স্ত্রী যেন স্বামীর ঘরের কিছু খরচ না করে।” বলা হল, ‘হে আল্লাহর রসূল! খাবারও না?’ তিনি বললেন, “তা তো আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ মাল।” (তিরমিযী ৬৭০, ২১২০, সহীহ তারগীব ৯৪৩)
عن أبي أمامة الباهلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تنفق امرأة من بيت زوجها إلا بإذن زوجها قيل : يا رسول الله ولا الطعام ؟ قال ذاك أفضل أموالنا
হাদিস সম্ভার > সাদকা জমা করতে খিয়ানত
হাদিস সম্ভার ৯৯৩
عن عدى بن عميرة الكندى قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من استعملناه منكم على عمل فكتمنا مخيطا فما فوقه كان غلولا يأتى به يوم القيامة
আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যাকে আমরা কোন কর্মের কর্মচারী নিযুক্ত করলাম, অতঃপর সে আমাদের নিকটে একটি সুচ অথবা তার থেকে বড় কিছু গোপন করল, আসলে সে খিয়ানত করল। সে তা নিয়ে কিয়ামতে উপস্থিত হবে।” (মুসলিম ৪৮৪৮, আবূ দাঊদ ৩৫৯৩)
আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যাকে আমরা কোন কর্মের কর্মচারী নিযুক্ত করলাম, অতঃপর সে আমাদের নিকটে একটি সুচ অথবা তার থেকে বড় কিছু গোপন করল, আসলে সে খিয়ানত করল। সে তা নিয়ে কিয়ামতে উপস্থিত হবে।” (মুসলিম ৪৮৪৮, আবূ দাঊদ ৩৫৯৩)
عن عدى بن عميرة الكندى قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول من استعملناه منكم على عمل فكتمنا مخيطا فما فوقه كان غلولا يأتى به يوم القيامة
হাদিস সম্ভার ৯৯৪
عن بريدة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من استعملناه على عمل فرزقناه رزقا فما أخذ بعد ذلك فهو غلول
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তিকে আমরা যাকাত আদায়কারীরূপে নির্বাচন করেছি এবং তার উপর তার রুজী (পারিশ্রমিক) নির্ধারিত করেছি, সে ব্যক্তি তা ছাড়া যদি অন্য কিছু গ্রহণ করে তবে তা খেয়ানত।” (আবূ দাঊদ ২৯৪৩, সহীহুল জামে’৭৭৪)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তিকে আমরা যাকাত আদায়কারীরূপে নির্বাচন করেছি এবং তার উপর তার রুজী (পারিশ্রমিক) নির্ধারিত করেছি, সে ব্যক্তি তা ছাড়া যদি অন্য কিছু গ্রহণ করে তবে তা খেয়ানত।” (আবূ দাঊদ ২৯৪৩, সহীহুল জামে’৭৭৪)
عن بريدة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من استعملناه على عمل فرزقناه رزقا فما أخذ بعد ذلك فهو غلول
হাদিস সম্ভার ৯৯৫
عن عبادة بن الصامت : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعثه على الصدقة فقال يا أبا الوليد اتق لا تأتى يوم القيامة ببعير تحمله له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة لها ثؤاج فقال : يا رسول الله إن ذلك لكائن قال إى والذى نفسى بيده إن ذلك لكذلك إلا من رحم الله قال : فوالذى بعثك بالحق لا أعمل على شىء أبدا أو قال على اثنين
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তাঁকে (যাকাৎ) সদকাহ আদায় করার জন্য প্রেরণ করলেন, তখন বললেন, “হে আবূ অলীদ! তুমি আল্লাহকে ভয় কর। তুমি যেন কিয়ামতের দিন (নিজ ঘাড়ে) কোন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট, অথবা হাম্বা-রববিশিষ্ট গাই অথবা মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় উপস্থিত হয়ো না। (উবাদাহ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ব্যাপার কি সত্যই তাই?’ বললেন, “হ্যাঁ, তাই। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে।” (উবাদাহ) বললেন, ‘তাহলে সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন! আমি আপনার (বাইতুল মালের) কোন ব্যাপারে কখনো চাকুরী করব না।’ (বাইহাক্বী ৭৯১৩, ত্বাবারানীর কাবীর, সহীহ তারগীব ৭৮০)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তাঁকে (যাকাৎ) সদকাহ আদায় করার জন্য প্রেরণ করলেন, তখন বললেন, “হে আবূ অলীদ! তুমি আল্লাহকে ভয় কর। তুমি যেন কিয়ামতের দিন (নিজ ঘাড়ে) কোন চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট, অথবা হাম্বা-রববিশিষ্ট গাই অথবা মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় উপস্থিত হয়ো না। (উবাদাহ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! ব্যাপার কি সত্যই তাই?’ বললেন, “হ্যাঁ, তাই। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে।” (উবাদাহ) বললেন, ‘তাহলে সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন! আমি আপনার (বাইতুল মালের) কোন ব্যাপারে কখনো চাকুরী করব না।’ (বাইহাক্বী ৭৯১৩, ত্বাবারানীর কাবীর, সহীহ তারগীব ৭৮০)
عن عبادة بن الصامت : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بعثه على الصدقة فقال يا أبا الوليد اتق لا تأتى يوم القيامة ببعير تحمله له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة لها ثؤاج فقال : يا رسول الله إن ذلك لكائن قال إى والذى نفسى بيده إن ذلك لكذلك إلا من رحم الله قال : فوالذى بعثك بالحق لا أعمل على شىء أبدا أو قال على اثنين
হাদিস সম্ভার ৯৯৬
عن أبى حميد الساعدى قال استعمل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم رجلا من الأسد يقال له ابن اللتبية قال عمرو وابن أبى عمر على الصدقة - فلما قدم قال هذا لكم وهذا لى أهدى لى قال فقام رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على المنبر فحمد الله وأثنى عليه وقال ما بال عامل أبعثه فيقول هذا لكم وهذا أهدى لى أفلا قعد فى بيت أبيه أو فى بيت أمه حتى ينظر أيهدى إليه أم لا والذى نفس محمد بيده لا ينال أحد منكم منها شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على عنقه بعير له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ثم رفع يديه حتى رأينا عفرتى إبطيه ثم قال اللهم هل بلغت مرتين
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসাদ বা আয্দের ইবনে লুতবিয়্যাহ নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত আদায় করার কাজে কর্মচারী নিয়োগ করলেন। সে ব্যক্তি (আদায়কৃত মাল সহ) ফিরে এসে বলল, ‘এটা আপনাদের (বায়তুল মালের), আর এটা আমাকে উপহার স্বরূপ দেওয়া হয়েছে।’ এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে দন্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি বর্ণনা করে বললেন, “অতঃপর বলি যে, আল্লাহ আমাকে যে সকল কর্মের অধিকারী করেছেন তার মধ্য হতে কোনও কর্মের তোমাদের কাউকে কর্মচারী নিয়োগ করলে সে ফিরে এসে বলে কি না, ‘এটা আপনাদের, আর এটা উপহার স্বরূপ আমাকে দেওয়া হয়েছে!’ যদি সে সত্যবাদী হয়, তবে তার বাপ-মায়ের ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন, তাকে কোন উপহার দেওয়া হচ্ছে কিনা? আল্লাহর কসম; তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন জিনিস অনধিকার গ্রহণ করবে সে কিয়ামতের দিন তা নিজ ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। অতএব আমি যেন অবশ্যই চিনতে না পারি যে, তোমাদের মধ্য হতে কেউ নিজ ঘাড়ে চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট, অথবা হাম্বা-রববিশিষ্ট গাই, অথবা মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছ।” আবূ হুমাইদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উভয় হাতকে উপর দিকে এতটা তুললেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দেখা গেল। অতঃপর (দু’বার) বললেন, “হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছে দিলাম?” (বুখারী ২৫৯৭, ৬৬৩৬, ৬৯৭৯, মুসলিম ৪৮৪৩-৪৮৪৫, আবূ দাঊদ ২৯৪৮)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসাদ বা আয্দের ইবনে লুতবিয়্যাহ নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত আদায় করার কাজে কর্মচারী নিয়োগ করলেন। সে ব্যক্তি (আদায়কৃত মাল সহ) ফিরে এসে বলল, ‘এটা আপনাদের (বায়তুল মালের), আর এটা আমাকে উপহার স্বরূপ দেওয়া হয়েছে।’ এ কথা শুনে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে দন্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি বর্ণনা করে বললেন, “অতঃপর বলি যে, আল্লাহ আমাকে যে সকল কর্মের অধিকারী করেছেন তার মধ্য হতে কোনও কর্মের তোমাদের কাউকে কর্মচারী নিয়োগ করলে সে ফিরে এসে বলে কি না, ‘এটা আপনাদের, আর এটা উপহার স্বরূপ আমাকে দেওয়া হয়েছে!’ যদি সে সত্যবাদী হয়, তবে তার বাপ-মায়ের ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন, তাকে কোন উপহার দেওয়া হচ্ছে কিনা? আল্লাহর কসম; তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোন জিনিস অনধিকার গ্রহণ করবে সে কিয়ামতের দিন তা নিজ ঘাড়ে বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। অতএব আমি যেন অবশ্যই চিনতে না পারি যে, তোমাদের মধ্য হতে কেউ নিজ ঘাড়ে চিঁহিঁ-রববিশিষ্ট উট, অথবা হাম্বা-রববিশিষ্ট গাই, অথবা মেঁ-মেঁ রববিশিষ্ট ছাগল বহন করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করেছ।” আবূ হুমাইদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উভয় হাতকে উপর দিকে এতটা তুললেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দেখা গেল। অতঃপর (দু’বার) বললেন, “হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছে দিলাম?” (বুখারী ২৫৯৭, ৬৬৩৬, ৬৯৭৯, মুসলিম ৪৮৪৩-৪৮৪৫, আবূ দাঊদ ২৯৪৮)
عن أبى حميد الساعدى قال استعمل رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم رجلا من الأسد يقال له ابن اللتبية قال عمرو وابن أبى عمر على الصدقة - فلما قدم قال هذا لكم وهذا لى أهدى لى قال فقام رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم على المنبر فحمد الله وأثنى عليه وقال ما بال عامل أبعثه فيقول هذا لكم وهذا أهدى لى أفلا قعد فى بيت أبيه أو فى بيت أمه حتى ينظر أيهدى إليه أم لا والذى نفس محمد بيده لا ينال أحد منكم منها شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على عنقه بعير له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ثم رفع يديه حتى رأينا عفرتى إبطيه ثم قال اللهم هل بلغت مرتين