হাদিস সম্ভার > সাদকা-এ-জারিয়াহ
হাদিস সম্ভার ৯৬১
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال إذا مات الإنسان انقطع عنه عمله إلا من ثلاثة إلا من صدقة جارية أو علم ينتفع به أو ولد صالح يدعو له
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আদম সন্তান মারা গেলে তার সমস্ত আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অবশ্য তিনটি আমল বিচ্ছিন্ন হয় না; সদকাহ জারিয়াহ, উপকারী ইল্ম, অথবা নেক সন্তান যে তার জন্য দু‘আ করে থাকে।” (মুসলিম ৪৩১০, আবূ দাঊদ ২৮৮২ প্রমুখ)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “আদম সন্তান মারা গেলে তার সমস্ত আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অবশ্য তিনটি আমল বিচ্ছিন্ন হয় না; সদকাহ জারিয়াহ, উপকারী ইল্ম, অথবা নেক সন্তান যে তার জন্য দু‘আ করে থাকে।” (মুসলিম ৪৩১০, আবূ দাঊদ ২৮৮২ প্রমুখ)
عن أبى هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال إذا مات الإنسان انقطع عنه عمله إلا من ثلاثة إلا من صدقة جارية أو علم ينتفع به أو ولد صالح يدعو له
হাদিস সম্ভার ৯৬২
عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يغرس غرسا أو يزرع زرعا فيأكل منه طير أو إنسان أو بهيمة إلا كان له به صدقة
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে কোন মুসলিম যখন কোন গাছ লাগায় অথবা ফসল বোনে অতঃপর তা হতে কোন পাখী, মানুষ অথবা পশু (তার ফল ইত্যাদি) খায়, তখন ঐ খাওয়া ফল-ফসল তার জন্য সদকাহ স্বরূপ হয়।” (বুখারী ২৩২০, মুসলিম ৪০৫৫)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে কোন মুসলিম যখন কোন গাছ লাগায় অথবা ফসল বোনে অতঃপর তা হতে কোন পাখী, মানুষ অথবা পশু (তার ফল ইত্যাদি) খায়, তখন ঐ খাওয়া ফল-ফসল তার জন্য সদকাহ স্বরূপ হয়।” (বুখারী ২৩২০, মুসলিম ৪০৫৫)
عن أنس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من مسلم يغرس غرسا أو يزرع زرعا فيأكل منه طير أو إنسان أو بهيمة إلا كان له به صدقة
হাদিস সম্ভার ৯৬৩
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (إن قامت الساعة وبيد أحدكم فسيلة فإن استطاع أن لا تقوم حتى يغرسها فليفعل
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কিয়ামত কায়েম হয়ে গেলেও তোমাদের কারো হাতে যদি কোন গাছের চারা থাকে এবং সে তা এর আগেই রোপন করতে সক্ষম হয়, তবে যেন তা রোপন করে ফেলে।” (আহমাদ ১২৯৮১, বুখারীর আদাব ৪৭৯, বায্যার ৭৪০৮, সহীহুল জামে’ ১৪২৪)
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “কিয়ামত কায়েম হয়ে গেলেও তোমাদের কারো হাতে যদি কোন গাছের চারা থাকে এবং সে তা এর আগেই রোপন করতে সক্ষম হয়, তবে যেন তা রোপন করে ফেলে।” (আহমাদ ১২৯৮১, বুখারীর আদাব ৪৭৯, বায্যার ৭৪০৮, সহীহুল জামে’ ১৪২৪)
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (إن قامت الساعة وبيد أحدكم فسيلة فإن استطاع أن لا تقوم حتى يغرسها فليفعل
হাদিস সম্ভার ৯৬৫
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
হাদিস সম্ভার ৯৬৬
عن سراقة بن جعشم قال سألت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن الضالة من الإبل تغشى حياضي هل لي من أجر أسقيها؟ قال نعم من كل ذات كبد حراء أجر
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সেই হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যা আমার জলাশয়ে অবতরণ করে; যে জলাশয় আমি আমার নিজ উটের জন্য তৈরী করে রেখেছি। (ঐ) উটকে পানি পান করালে আমি সওয়াবের অধিকারী হব কি? তিনি বললেন, “হ্যাঁ, প্রত্যেক পিপাসার্ত প্রাণী(কে পানি পান করানো) তে সওয়াব আছে।” (আহমাদ ১৭৫৮১, ১৭৫৮৪, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৬)
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সেই হারিয়ে যাওয়া উট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যা আমার জলাশয়ে অবতরণ করে; যে জলাশয় আমি আমার নিজ উটের জন্য তৈরী করে রেখেছি। (ঐ) উটকে পানি পান করালে আমি সওয়াবের অধিকারী হব কি? তিনি বললেন, “হ্যাঁ, প্রত্যেক পিপাসার্ত প্রাণী(কে পানি পান করানো) তে সওয়াব আছে।” (আহমাদ ১৭৫৮১, ১৭৫৮৪, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৬)
عن سراقة بن جعشم قال سألت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم عن الضالة من الإبل تغشى حياضي هل لي من أجر أسقيها؟ قال نعم من كل ذات كبد حراء أجر
হাদিস সম্ভার ৯৬৪
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “মুমিনের মৃত্যুর পর তার আমল ও পুণ্যকর্মসমূহ হতে নিশ্চিতভাবে যা এসে তার সাথে মিলিত হয় তা হল; সেই ইল্ম, যা সে শিক্ষা করে প্রচার করেছে অথবা নেক সন্তান যাকে রেখে সে মারা গেছে, অথবা কুরআন শরীফ যা সে মীরাসরূপে ছেড়ে গেছে, অথবা মসজিদ যা সে নিজে নির্মাণ করে গেছে, অথবা মুসাফিরখানা যা সে মুসাফিরদের সুবিধার্থে নির্মাণ করে গেছে, অথবা পানির নালা যা সে (সেচ ইত্যাদির উদ্দেশ্যে) প্রবাহিত করে গেছে, অথবা সদকাহ যা সে নিজের মাল থেকে তার সুস্থ ও জীবিতাবস্থায় বের (দান) করে গেছে; এসব কর্মের সওয়াব তার মৃত্যুর পরও তার সাথে এসে মিলিত হবে।” (ইবনে মাজাহ ২৪২, বাইহাকী, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৯০ ভিন্ন শব্দে, সহীহ তারগীব ৭৭, ১১২, ২৭৫)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “মুমিনের মৃত্যুর পর তার আমল ও পুণ্যকর্মসমূহ হতে নিশ্চিতভাবে যা এসে তার সাথে মিলিত হয় তা হল; সেই ইল্ম, যা সে শিক্ষা করে প্রচার করেছে অথবা নেক সন্তান যাকে রেখে সে মারা গেছে, অথবা কুরআন শরীফ যা সে মীরাসরূপে ছেড়ে গেছে, অথবা মসজিদ যা সে নিজে নির্মাণ করে গেছে, অথবা মুসাফিরখানা যা সে মুসাফিরদের সুবিধার্থে নির্মাণ করে গেছে, অথবা পানির নালা যা সে (সেচ ইত্যাদির উদ্দেশ্যে) প্রবাহিত করে গেছে, অথবা সদকাহ যা সে নিজের মাল থেকে তার সুস্থ ও জীবিতাবস্থায় বের (দান) করে গেছে; এসব কর্মের সওয়াব তার মৃত্যুর পরও তার সাথে এসে মিলিত হবে।” (ইবনে মাজাহ ২৪২, বাইহাকী, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৯০ ভিন্ন শব্দে, সহীহ তারগীব ৭৭, ১১২, ২৭৫)
عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته
হাদিস সম্ভার ৯৬৭
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة ولا ينظر إليهم رجل حلف على سلعة لقد أعطى بها أكثر مما أعطى وهو كاذب ورجل حلف على يمين كاذبة بعد العصر ليقتطع بها مال امرئ مسلم ورجل منع فضل ماء فيقول الله يوم القيامة اليوم أمنعك فضلي كما منعت فضل ما لم تعمل يداك
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তাদের দিকে তাকিয়ে দেখবেন না, তাদেরকে পাপমুক্ত করবেন না এবং তাদের জন্য হবে কঠিন আযাব। ওদের মধ্যে একজন হল সেই ব্যক্তি, যার নিকট গাছ-পানিহীন প্রান্তরে উদ্বৃত্ত পানি থাকে অথচ সে মুসাফিরকে তা দান করে না।” (এক বর্ণনায় এ কথা অতিরিক্ত আছে যে, আল্লাহ তাকে বলবেন, ‘আজ আমি নিজ অনুগ্রহ তোমাকে দান করব না, যেমন তুমি তোমার উদ্বৃত্ত জিনিস দান করনি; যা তোমার মেহনতের উপার্জনও ছিল না। (বুখারী ২৩৬৯, ৭৪৪৬, মুসলিম ৩১০ আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তাদের দিকে তাকিয়ে দেখবেন না, তাদেরকে পাপমুক্ত করবেন না এবং তাদের জন্য হবে কঠিন আযাব। ওদের মধ্যে একজন হল সেই ব্যক্তি, যার নিকট গাছ-পানিহীন প্রান্তরে উদ্বৃত্ত পানি থাকে অথচ সে মুসাফিরকে তা দান করে না।” (এক বর্ণনায় এ কথা অতিরিক্ত আছে যে, আল্লাহ তাকে বলবেন, ‘আজ আমি নিজ অনুগ্রহ তোমাকে দান করব না, যেমন তুমি তোমার উদ্বৃত্ত জিনিস দান করনি; যা তোমার মেহনতের উপার্জনও ছিল না। (বুখারী ২৩৬৯, ৭৪৪৬, মুসলিম ৩১০ আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة ولا ينظر إليهم رجل حلف على سلعة لقد أعطى بها أكثر مما أعطى وهو كاذب ورجل حلف على يمين كاذبة بعد العصر ليقتطع بها مال امرئ مسلم ورجل منع فضل ماء فيقول الله يوم القيامة اليوم أمنعك فضلي كما منعت فضل ما لم تعمل يداك
হাদিস সম্ভার > সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা
হাদিস সম্ভার ৯৬৮
عن أبي أيوب الأنصاري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أفضل الصدقة الصدقة على ذي الرحم الكاشح
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা সেই সাদকা, যা শত্রুতাপোষণকারী নিকটাত্মীয়কে করা হয়।” (আহমাদ ২৩৫৩০, হাকেম ১৪৭৫, ত্বাবারানী ৩৮২৬, বাইহাক্বী ১৩৬০৩, দারেমী ১৬৭৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় সর্বশ্রেষ্ঠ সাদকা সেই সাদকা, যা শত্রুতাপোষণকারী নিকটাত্মীয়কে করা হয়।” (আহমাদ ২৩৫৩০, হাকেম ১৪৭৫, ত্বাবারানী ৩৮২৬, বাইহাক্বী ১৩৬০৩, দারেমী ১৬৭৯)
عن أبي أيوب الأنصاري قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن أفضل الصدقة الصدقة على ذي الرحم الكاشح
হাদিস সম্ভার ৯৬৯
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصدقة ما ترك غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول تقول المرأة إما أن تطعمني وإما أن تطلقني ويقول العبد أطعمني واستعملني ويقول الابن أطعمني إلى من تدعني
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই দানই উত্তম, যার পরে অভাব আসে না। উপরের (দাতার) হাত নিচের (গ্রহীতার) হাত অপেক্ষা উত্তম। আর তোমার নিকট-আত্মীয় থেকে দান করা শুরু কর।” আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, (মাল না থাকলে) তোমার বিবি তোমাকে বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে তালাক দাও।’ তোমার দাস বা দাসী বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে বিক্রি করে দাও।’ তোমার ছেলে বলবে, ‘আমাকে কার ভরসায় ছেড়ে যাবে?’ (বুখারী ৫৩৫৫, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩৬)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই দানই উত্তম, যার পরে অভাব আসে না। উপরের (দাতার) হাত নিচের (গ্রহীতার) হাত অপেক্ষা উত্তম। আর তোমার নিকট-আত্মীয় থেকে দান করা শুরু কর।” আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, (মাল না থাকলে) তোমার বিবি তোমাকে বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে তালাক দাও।’ তোমার দাস বা দাসী বলবে, ‘আমার খরচ দাও, নচেৎ আমাকে বিক্রি করে দাও।’ তোমার ছেলে বলবে, ‘আমাকে কার ভরসায় ছেড়ে যাবে?’ (বুখারী ৫৩৫৫, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৩৬)
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم أفضل الصدقة ما ترك غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول تقول المرأة إما أن تطعمني وإما أن تطلقني ويقول العبد أطعمني واستعملني ويقول الابن أطعمني إلى من تدعني
হাদিস সম্ভার ৯৭০
عن أبى هريرة قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا ؟ فقال أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের দিক থেকে কোন সদকাহ সবচেয়ে বড়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তোমার সুস্থতা ও অর্থপ্রয়োজন থাকা অবস্থায় কৃত সদকাহ, যখন তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার আশা কর। আর এ ব্যাপারে গয়ংগচ্ছ করো না। পরিশেষে তোমার প্রাণ যখন কণ্ঠাগতপ্রায় হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত (সদকাহ), অথচ তা তো (প্রকৃতপক্ষে) অমুক (ওয়ারিসের) জন্যই।” (বুখারী ১৪১৯, মুসলিম ২৪২৯-২৪৩০)
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের দিক থেকে কোন সদকাহ সবচেয়ে বড়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “তোমার সুস্থতা ও অর্থপ্রয়োজন থাকা অবস্থায় কৃত সদকাহ, যখন তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার আশা কর। আর এ ব্যাপারে গয়ংগচ্ছ করো না। পরিশেষে তোমার প্রাণ যখন কণ্ঠাগতপ্রায় হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত (সদকাহ), অথচ তা তো (প্রকৃতপক্ষে) অমুক (ওয়ারিসের) জন্যই।” (বুখারী ১৪১৯, মুসলিম ২৪২৯-২৪৩০)
عن أبى هريرة قال جاء رجل إلى النبى صلى اللٰه عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا ؟ فقال أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان
হাদিস সম্ভার ৯৭৩
عن سعد بن عبادة قال قلت يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: " "سقي الماء".
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন দান সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ?’ তিনি উত্তরে বললেন, “পানি পান করানো।” (আবু দাউদ ১৬৮১, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৪)
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন দান সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ?’ তিনি উত্তরে বললেন, “পানি পান করানো।” (আবু দাউদ ১৬৮১, ইবনে মাজাহ ৩৬৮৪)
عن سعد بن عبادة قال قلت يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: " "سقي الماء".
হাদিস সম্ভার ৯৭২
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبق درهم مئة ألف درهم)) قالوا : وكيف ذلك يا رسول الله؟ قال رجل له مال كثير فأخذ من عرضه مائة ألف فتصدق بها سبق درهم مائة ألف درهم رجل له درهمان أخذ أحدهما فتصدق به
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “এক দিরহাম এক লক্ষ দিরহাম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” এক ব্যক্তি বলল, ‘তা কী করে হয়, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “এক ব্যক্তির প্রচুর মাল আছে। সে তার এক কোণ নিয়ে ১ লাখ দিরহাম দান করে। আর অন্য এক ব্যধিক্ত মাত্র ২ দিরহামের মালিক। সে তা হতেই ১ দিরহাম দান করে।” (নাসাঈ ২৫২৭-২৫২৮, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৪৩, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৭, হাকেম ১৫১৯, সহীহ তারগীব ৮৮৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “এক দিরহাম এক লক্ষ দিরহাম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” এক ব্যক্তি বলল, ‘তা কী করে হয়, হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “এক ব্যক্তির প্রচুর মাল আছে। সে তার এক কোণ নিয়ে ১ লাখ দিরহাম দান করে। আর অন্য এক ব্যধিক্ত মাত্র ২ দিরহামের মালিক। সে তা হতেই ১ দিরহাম দান করে।” (নাসাঈ ২৫২৭-২৫২৮, ইবনে খুযাইমাহ ২৪৪৩, ইবনে হিব্বান ৩৩৪৭, হাকেম ১৫১৯, সহীহ তারগীব ৮৮৩)
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبق درهم مئة ألف درهم)) قالوا : وكيف ذلك يا رسول الله؟ قال رجل له مال كثير فأخذ من عرضه مائة ألف فتصدق بها سبق درهم مائة ألف درهم رجل له درهمان أخذ أحدهما فتصدق به
হাদিস সম্ভার ৯৭১
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “উঁচু (দাতা) হাত নিচু (গ্রহীতা) হাত অপেক্ষা উত্তম। তাদের মাধ্যমে ব্যয় করা আরম্ভ কর যাদের তুমি প্রতিপালন করছ। সবচেয়ে উত্তম হল সেই দান, যার পর সচ্ছলতা অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ যে দানের পর অভাব না আসে।) আর যে ব্যক্তি (ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখবেন এবং যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী থাকার চেষ্টা করবে আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী (অভাবমুক্ত) রাখবেন।” (বুখারী ১৪২৭)
عن حكيم بن حزام رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال اليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول وخير الصدقة عن ظهر غنى ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله
হাদিস সম্ভার ৯৭৪
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
‘তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! উম্মে সা’দ (আমার মা) মারা গেছে। অতএব কোন্ দান সবচেয়ে উত্তম হবে?’ তিনি বললেন, “পানি।” বর্ণনাকারী বলেন, সুতরাং সা’দ (রাঃ) একটি কুয়া খনন করে বললেন, ‘এটি উম্মে সা’দের।’ (আবু দাঊদ ১৬৮৩)
عن سعد بن عبادة أنه قال يا رسول الله إن أم سعد ماتت فأى الصدقة أفضل قال الماء قال فحفر بئرا وقال هذه لأم سعد
হাদিস সম্ভার > গোপনে দান
হাদিস সম্ভার ৯৭৯
عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ্রصدقة السر تطفئ غضب الرب تبارك وتعالى , وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوءগ্ধ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০)
عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ্রصدقة السر تطفئ غضب الرب تبارك وتعالى , وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوءগ্ধ
হাদিস সম্ভার > স্ত্রীর দান
হাদিস সম্ভার ৯৮০
عن عائشة قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহিলা যখন তার (স্বামী) গৃহের খাদ্য হতে (অনিষ্ট বা) অপব্যয় না করে (ক্ষুধার্তকে) দান করে, তখন তার জন্য তার দান করার সওয়াব হয়। তার স্বামীর জন্য তার উপার্জন করার সওয়াব লাভ হয়। আর অনুরূপ সওয়াব লাভ হয় খাজাঞ্চীরও। ওদের কেউই কারো সওয়াব কিছুমাত্র কমিয়ে দেয় না।” (বুখারী ১৪২৫, মুসলিম ২৪১১-২৪১৩)
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মহিলা যখন তার (স্বামী) গৃহের খাদ্য হতে (অনিষ্ট বা) অপব্যয় না করে (ক্ষুধার্তকে) দান করে, তখন তার জন্য তার দান করার সওয়াব হয়। তার স্বামীর জন্য তার উপার্জন করার সওয়াব লাভ হয়। আর অনুরূপ সওয়াব লাভ হয় খাজাঞ্চীরও। ওদের কেউই কারো সওয়াব কিছুমাত্র কমিয়ে দেয় না।” (বুখারী ১৪২৫, মুসলিম ২৪১১-২৪১৩)
عن عائشة قالت قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا
হাদিস সম্ভার ৯৮১
عن أبي أمامة الباهلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تنفق امرأة من بيت زوجها إلا بإذن زوجها قيل : يا رسول الله ولا الطعام ؟ قال ذاك أفضل أموالنا
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন স্ত্রী যেন স্বামীর ঘরের কিছু খরচ না করে।” বলা হল, ‘হে আল্লাহর রসূল! খাবারও না?’ তিনি বললেন, “তা তো আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ মাল।” (তিরমিযী ৬৭০, ২১২০, সহীহ তারগীব ৯৪৩)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন স্ত্রী যেন স্বামীর ঘরের কিছু খরচ না করে।” বলা হল, ‘হে আল্লাহর রসূল! খাবারও না?’ তিনি বললেন, “তা তো আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ মাল।” (তিরমিযী ৬৭০, ২১২০, সহীহ তারগীব ৯৪৩)
عن أبي أمامة الباهلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تنفق امرأة من بيت زوجها إلا بإذن زوجها قيل : يا رسول الله ولا الطعام ؟ قال ذاك أفضل أموالنا