১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > এতিমদের দেখাশুনা করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮৭
সাহল ইবনে সা’আদ নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি ও এতীমদের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে এত দূর ব্যবধানে থাকবো। তারপর তিনি নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলী দিয়ে ইঙ্গিত করে দেখালেন।” (বুখারী ৬০০৫)
সাহল ইবনে সা’আদ নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি ও এতীমদের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে এত দূর ব্যবধানে থাকবো। তারপর তিনি নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলী দিয়ে ইঙ্গিত করে দেখালেন।” (বুখারী ৬০০৫)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ক্রোধ থেকে বিরত থাকা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮৮
এক ব্যক্তি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, “রাগ করো না।” সে কয়েকবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করলো। আর তিনি বললেন, “রাগ করো না।” (বুখারী ৬১১৬)
এক ব্যক্তি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, “রাগ করো না।” সে কয়েকবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করলো। আর তিনি বললেন, “রাগ করো না।” (বুখারী ৬১১৬)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > আল্লাহ্র ভয়ে কাঁদা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮৯
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “সাত প্রকারের লোককে আল্লাহ্ তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না, তাদের মধ্যে একজন হলো এমন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহ্কে স্মরণ করে চোখের পানি প্রবাহিত করে।” (বুখারী ৬৬০ মুসলিম ১০৩১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “সাত প্রকারের লোককে আল্লাহ্ তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না, তাদের মধ্যে একজন হলো এমন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহ্কে স্মরণ করে চোখের পানি প্রবাহিত করে।” (বুখারী ৬৬০ মুসলিম ১০৩১)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > সাদক্বায়ে জারীয়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৯০
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “মানুষ যখন মারা যায়, তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমলের নেকী জারী থাকে। সাদক্বায়ে জারীয়া, ফলপ্রসূ ইল্ম এবং সুসন্তান যে তার জন্য দুআ করে।” (মুসলিম ১৬৩১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “মানুষ যখন মারা যায়, তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমলের নেকী জারী থাকে। সাদক্বায়ে জারীয়া, ফলপ্রসূ ইল্ম এবং সুসন্তান যে তার জন্য দুআ করে।” (মুসলিম ১৬৩১)