১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > বৃষ্টির পানি লাগার জন্য শরীরের কোন অংশ খোলা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৭৮
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে থাকাকালীন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর শরীরের কিছু অংশ খুলে ফেললেন যাতে সেখানে বৃষ্টির পানি লাগে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রাসূলুল্লাহ! এ রকম কেন করলেন? তিনি বললেন, ‘কারণ ইহা (এই বৃষ্টির পানি) স্বীয় প্রতিপালকের নিকট থেকে সদ্য আগত।” (মুসলিম ৮৯৮)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে থাকাকালীন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর শরীরের কিছু অংশ খুলে ফেললেন যাতে সেখানে বৃষ্টির পানি লাগে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রাসূলুল্লাহ! এ রকম কেন করলেন? তিনি বললেন, ‘কারণ ইহা (এই বৃষ্টির পানি) স্বীয় প্রতিপালকের নিকট থেকে সদ্য আগত।” (মুসলিম ৮৯৮)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রোগীকে দেখতে যাওয়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৭৯
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন রোগীকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করতে থাকে।” জিজ্ঞেস করা হলো, জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করা কি? তিনি বললেন, “এর ফলমূল সংগ্রহ করা।” (মুসলিম ২৫৬৮)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন রোগীকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করতে থাকে।” জিজ্ঞেস করা হলো, জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করা কি? তিনি বললেন, “এর ফলমূল সংগ্রহ করা।” (মুসলিম ২৫৬৮)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > স্নিগ্ধ হাসা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮০
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “কোন ভাল কাজকে তুচ্ছ ভেবো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার কাজ হয়।” (মুসলিম ২৬২৬)
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “কোন ভাল কাজকে তুচ্ছ ভেবো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার কাজ হয়।” (মুসলিম ২৬২৬)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > আল্লাহ্র নিমিত্ত কারো যিয়ারত করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮১
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি তার ভাইকে দেখার জন্য অন্য এক গ্রামে গেলো। আল্লাহ্ তা’য়ালা তার জন্য রাস্তায় একজন ফেরেশতা মোতায়েন করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশতার কাছে পৌঁছলো, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বললো, আমি এই গ্রামে আমার এক ভাইকে দেখার জন্য যাচ্ছি। ফেরেশতা বললেন, তার উপর তোমার কি কোন অনুগ্রহ আছে, যা তুমি আরো বৃদ্ধি করতে চাও? সে বললো, না। আমি তো শুধু আল্লাহ্র জন্য তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে তোমার কাছে এ পয়গাম নিয়ে এসেছি যে, আল্লাহ্ তোমাকেও ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই জন্য ভালবাসো।” (মুসলিম ২৫৬৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি তার ভাইকে দেখার জন্য অন্য এক গ্রামে গেলো। আল্লাহ্ তা’য়ালা তার জন্য রাস্তায় একজন ফেরেশতা মোতায়েন করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশতার কাছে পৌঁছলো, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বললো, আমি এই গ্রামে আমার এক ভাইকে দেখার জন্য যাচ্ছি। ফেরেশতা বললেন, তার উপর তোমার কি কোন অনুগ্রহ আছে, যা তুমি আরো বৃদ্ধি করতে চাও? সে বললো, না। আমি তো শুধু আল্লাহ্র জন্য তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে তোমার কাছে এ পয়গাম নিয়ে এসেছি যে, আল্লাহ্ তোমাকেও ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই জন্য ভালবাসো।” (মুসলিম ২৫৬৭)