১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > মোরগের ডাক শুনে দুআ এবং গাধার আওয়ায শুনে শয়তান থেকে আশ্রয় কামনা করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৫
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন আল্লাহ্র অনুগ্রহ চাইবে। কারণ, সে ফেরেশতা দেখেছে। আর যখন গাধার আওয়ায শুনবে, তখন আল্লাহ্র নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় কামনা করবে। কারণ, সে শয়তান দেখেছে।’ (বুখারী ৩৩০৩, মুসলিম ২৭২৯)
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন আল্লাহ্র অনুগ্রহ চাইবে। কারণ, সে ফেরেশতা দেখেছে। আর যখন গাধার আওয়ায শুনবে, তখন আল্লাহ্র নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় কামনা করবে। কারণ, সে শয়তান দেখেছে।’ (বুখারী ৩৩০৩, মুসলিম ২৭২৯)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > বৃষ্টি হওয়ার সময় দুআ করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৬
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বৃষ্টি হতে দেখতেন, তখন বলতেন, “আল্লাহুম্মা সাইয়েবান নাফিআ” (হে আল্লাহ্ মুষলধারে উপকারী বৃষ্টি বর্ষাও)। (বুখারী ১০৩২)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বৃষ্টি হতে দেখতেন, তখন বলতেন, “আল্লাহুম্মা সাইয়েবান নাফিআ” (হে আল্লাহ্ মুষলধারে উপকারী বৃষ্টি বর্ষাও)। (বুখারী ১০৩২)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > বাড়িতে প্রবেশ করার সময় আল্লাহ্র যিক্র করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৭
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন মানুষ স্বীয় বাড়িতে প্রবেশ করার সময় মহান আল্লাহ্র যিক্র করে নেয়, তখন শয়তান (তার সহচরদের) বলে, না তোমরা রাত্রিবাস করতে পারবে, আর না রাতের খাবার পাবে। কিন্তু প্রবেশ করার সময় যদি আল্লাহ্র যিক্র না করে, তবে বলে, রাত্রিবাসও করতে পারবে এবং রাতের খাবারও পাবে।” (মুসলিম ২০১৮)
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন মানুষ স্বীয় বাড়িতে প্রবেশ করার সময় মহান আল্লাহ্র যিক্র করে নেয়, তখন শয়তান (তার সহচরদের) বলে, না তোমরা রাত্রিবাস করতে পারবে, আর না রাতের খাবার পাবে। কিন্তু প্রবেশ করার সময় যদি আল্লাহ্র যিক্র না করে, তবে বলে, রাত্রিবাসও করতে পারবে এবং রাতের খাবারও পাবে।” (মুসলিম ২০১৮)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > মজলিসে আল্লাহ্র যিক্র করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৮
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “লোকেরা যখন এমন কোন মজলিসে বসে যেখানে তারা না আল্লাহ্র যিক্র করে, আর না তাদের নবীর প্রতি দরূদ পাঠ করে, তখন এই মজলিস তাদের অনুতাপের কারণ হয়। এখন আল্লাহ্ চাইলে তাদেরকে শাস্তিও দিতে পারেন আবার ক্ষমা করেও দিতে পারেন।” (তিরমিযী ৩৩৮০)
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “লোকেরা যখন এমন কোন মজলিসে বসে যেখানে তারা না আল্লাহ্র যিক্র করে, আর না তাদের নবীর প্রতি দরূদ পাঠ করে, তখন এই মজলিস তাদের অনুতাপের কারণ হয়। এখন আল্লাহ্ চাইলে তাদেরকে শাস্তিও দিতে পারেন আবার ক্ষমা করেও দিতে পারেন।” (তিরমিযী ৩৩৮০)