১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > তাসবীহ পাঠ করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬১
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা সকালের নামায পড়ে তাঁর কাছ থেকে উঠে বাইরে গেলেন। তিনি তখন তাঁর মসজিদ (নামাযের স্থানে) বসে ছিলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাশ্তের সময় ফিরে এলেন । তখনও তিনি (জুয়াইরিয়া) বসে ছিলেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, “আমি তোমাকে যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিলাম সেই অবস্থাতেই তুমি তখন থেকে বসে রয়েছ? তিনি জবাবে বললেন, হ্যাঁ। নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি কালেমা তিনবার পাঠ করেছি। আজ এ পর্যন্ত যা তুমি পাঠ করেছো তার সাথে ওজন করলে এই কালেমা চারটির ওজনই বেশী। কালেমা গুলো হলো, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, আদাদা খালক্বিহি, ওয়া রিযা নাফসিহি, ওয়া যিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।’ অর্থাৎ, আমি আল্লাহ্র প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান, তাঁর সন্তুষ্টি সমান, তাঁর আরশের ওজনের পরিমাণ ও তাঁর কালেমা লিখতে যত কালির প্রয়োজন হয় সেই পরিমাণ। (মুসলিম ২৭২৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা সকালের নামায পড়ে তাঁর কাছ থেকে উঠে বাইরে গেলেন। তিনি তখন তাঁর মসজিদ (নামাযের স্থানে) বসে ছিলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাশ্তের সময় ফিরে এলেন । তখনও তিনি (জুয়াইরিয়া) বসে ছিলেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, “আমি তোমাকে যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিলাম সেই অবস্থাতেই তুমি তখন থেকে বসে রয়েছ? তিনি জবাবে বললেন, হ্যাঁ। নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি কালেমা তিনবার পাঠ করেছি। আজ এ পর্যন্ত যা তুমি পাঠ করেছো তার সাথে ওজন করলে এই কালেমা চারটির ওজনই বেশী। কালেমা গুলো হলো, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, আদাদা খালক্বিহি, ওয়া রিযা নাফসিহি, ওয়া যিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।’ অর্থাৎ, আমি আল্লাহ্র প্রশংসা সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান, তাঁর সন্তুষ্টি সমান, তাঁর আরশের ওজনের পরিমাণ ও তাঁর কালেমা লিখতে যত কালির প্রয়োজন হয় সেই পরিমাণ। (মুসলিম ২৭২৬)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > হাচির উত্তর দেওয়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬২
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন সে যেন বলে, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং তার ভাই অথবা সাথী যেন (উত্তরে) বলে, ‘ইয়ারহামু কাল্লাহ’ অতঃপর সে যেন বলে, ‘ইয়াহদীকুমুল্লাহু ওয়া ইউস্লিহ বালাকুম’।” (বুখারী ৬২২৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন সে যেন বলে, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং তার ভাই অথবা সাথী যেন (উত্তরে) বলে, ‘ইয়ারহামু কাল্লাহ’ অতঃপর সে যেন বলে, ‘ইয়াহদীকুমুল্লাহু ওয়া ইউস্লিহ বালাকুম’।” (বুখারী ৬২২৪)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রোগীর জন্য দুআ করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৩
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে বলতেন, “লা বাসা ত্বহুর ইনশাআল্লাহ্” (চিন্তার কোন কারণ নেই আল্লাহ্ চাহেতো পাপ মোচন হবে)। (বুখারী ৫৬৬২)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে বলতেন, “লা বাসা ত্বহুর ইনশাআল্লাহ্” (চিন্তার কোন কারণ নেই আল্লাহ্ চাহেতো পাপ মোচন হবে)। (বুখারী ৫৬৬২)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ব্যথার স্থানে হাত রেখে দুআ পড়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৬৪
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সেই ব্যথার অভিযোগ করলেন, যা তিনি ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তাঁর শরীরে অনুভব করে আসছেন। তা শুনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) বললেন, “শরীরে যেখানে ব্যথা অনুভব করছো সেখানে হাত রেখে তিনবার ‘বিসমিল্লাহ’ বলো এবং সাতবার ‘আউযু বিল্লাহি ওয়া ক্বুদরতিহি মিন শার্রি মা আজিদু ওয়া উহাযির’ (আমি আল্লাহ্র মর্যাদা এবং তাঁর ক্বুদরতের মাধ্যমে সেই ব্যাথা থেকে আশ্রয় কামনা করছি, যা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি) পড়ো।” (মুসলিম ২২০২)
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সেই ব্যথার অভিযোগ করলেন, যা তিনি ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তাঁর শরীরে অনুভব করে আসছেন। তা শুনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) বললেন, “শরীরে যেখানে ব্যথা অনুভব করছো সেখানে হাত রেখে তিনবার ‘বিসমিল্লাহ’ বলো এবং সাতবার ‘আউযু বিল্লাহি ওয়া ক্বুদরতিহি মিন শার্রি মা আজিদু ওয়া উহাযির’ (আমি আল্লাহ্র মর্যাদা এবং তাঁর ক্বুদরতের মাধ্যমে সেই ব্যাথা থেকে আশ্রয় কামনা করছি, যা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি) পড়ো।” (মুসলিম ২২০২)