১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রমযান মাসে তারাবীর নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩৮

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযানের কিয়াম করে (তারাবীর নামায পড়ে), তার পূর্বেকার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, মুসলিম ৭৫৬)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযানের কিয়াম করে (তারাবীর নামায পড়ে), তার পূর্বেকার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, মুসলিম ৭৫৬)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রমযান মাসে ই’তিক্বাফ করা, বিশেষ করে এই মাসের শেষ দশকে

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩৯

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “রমযানের শেষ দশ দিন ই’তিক্বাফ করতেন।” (বুখারী ২০২৫)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “রমযানের শেষ দশ দিন ই’তিক্বাফ করতেন।” (বুখারী ২০২৫)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৪০

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখলো, তারপর এর পরপরই শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলো, সে যেন পূর্ণ এক বছরের রোযা রাখলো।” (মুসলিম ১১৬৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখলো, তারপর এর পরপরই শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলো, সে যেন পূর্ণ এক বছরের রোযা রাখলো।” (মুসলিম ১১৬৪)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > প্রত্যেক মাসে তিনদিন রোযা রাখা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৪১

তিনি বলেন, আমার বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন। যতদিন জীবিত থাকবো আমি সেগুলো কখনোও ত্যাগ করব না। সেগুলো হচ্ছে, প্রতিমাসে তিন দিন রোযা রাখা, চাশ্‌তের নামায পড়া এবং বিতর পড়ে ঘুমানো।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ৭২১)

তিনি বলেন, আমার বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন। যতদিন জীবিত থাকবো আমি সেগুলো কখনোও ত্যাগ করব না। সেগুলো হচ্ছে, প্রতিমাসে তিন দিন রোযা রাখা, চাশ্‌তের নামায পড়া এবং বিতর পড়ে ঘুমানো।’ (বুখারী ১১৭৮, মুসলিম ৭২১)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00