১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > সূর্যাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে দ্রুত ইফতারী করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩৭

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “লোকেরা যতদিন দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন কল্যাণের মধ্যে অবস্থান করবে।” (বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “লোকেরা যতদিন দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন কল্যাণের মধ্যে অবস্থান করবে।” (বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রমযান মাসে তারাবীর নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩৮

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযানের কিয়াম করে (তারাবীর নামায পড়ে), তার পূর্বেকার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, মুসলিম ৭৫৬)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমযানের কিয়াম করে (তারাবীর নামায পড়ে), তার পূর্বেকার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (বুখারী ৩৭, মুসলিম ৭৫৬)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রমযান মাসে ই’তিক্বাফ করা, বিশেষ করে এই মাসের শেষ দশকে

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩৯

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “রমযানের শেষ দশ দিন ই’তিক্বাফ করতেন।” (বুখারী ২০২৫)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “রমযানের শেষ দশ দিন ই’তিক্বাফ করতেন।” (বুখারী ২০২৫)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৪০

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখলো, তারপর এর পরপরই শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলো, সে যেন পূর্ণ এক বছরের রোযা রাখলো।” (মুসলিম ১১৬৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখলো, তারপর এর পরপরই শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলো, সে যেন পূর্ণ এক বছরের রোযা রাখলো।” (মুসলিম ১১৬৪)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00