১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ঘরে নফল নামায পড়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২৭
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে নামায সমাপ্তি করে সে যেন তার নামাযের কিছু অংশ তার বাড়িতে পড়ার জন্য ছেড়ে রাখে। কারন, আল্লাহ্ বাড়িতে নামায পড়ার মধ্যে অনেক কল্যাণ রেখেছেন।” (মুসলিম ৭৭৮)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে নামায সমাপ্তি করে সে যেন তার নামাযের কিছু অংশ তার বাড়িতে পড়ার জন্য ছেড়ে রাখে। কারন, আল্লাহ্ বাড়িতে নামায পড়ার মধ্যে অনেক কল্যাণ রেখেছেন।” (মুসলিম ৭৭৮)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ইস্তিখারা (কল্যাণ কামনার) নামায পড়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২৮
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ঐভাবেই ইস্তিখারার নামায শিখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিখাতেন।” (বুখারী ১১৬৬) এই নামাযের নিয়ম হলো, প্রথম দু’রাকআ’ত নামায আদায় করবে তারপর এই দুআটি পড়বে, (আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বি’ইলমিকা, ওয়া আস্তাক্বদিরুকা বি ক্বুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাযলিকাল ‘আযীম, ফা ইন্নাকা তাক্বদিরু ওয়ালা আক্বদিরু, ওয়া তা’লামু ওয়ালা আ’লামু, ওয়া আন্তা ‘আল্লা-মুল গুয়ূব, আল্লাহুম্মা ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা খায়রুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া আ’ক্বিবাতি আমরী ফাক্বদিরহু লী ওয়া ইয়াসসিরহু লী ছুম্মা বারিকলী ফী-হ, ওয়া ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া আক্বিবাতি আমরী ফাসরিফহু আ’ন্নী ওয়াছরিফনী ‘আনহু ওয়াক্বদির লিইয়াল খায়রা হাইছু কা-না ছুম্মা আরযিনী বিহী) অথাৎ, হে আলাহ! আমি তোমার ইলমের মাধ্যমে তোমার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। তোমার ক্বুদরতের মাধ্যমে তোমার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। তুমি শক্তিধর আমি শক্তিহীন। তুমি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং তুমি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী, হে আল্লাহ্! এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজটি উল্লেখ করবে) তোমার জ্ঞান মুতাবিক যদি আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক কল্যাণকর হয়, তবে উহা আমার জন্য নির্ধারিত করে দাও এবং উহাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দাও, অতঃপর উহাতে আমার জন্য বরকত দাও। আর যদি এই কাজটি তোমার জ্ঞানের আলোকে আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে অনিষ্টকর হয়, তবে উহাকে আমার নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দাও এবং আমাকেও উহা হতে দূরে সরিয়ে রাখো। তারপর কল্যাণ যেখানেই থাকুক, আমার জন্য সে কল্যাণ নির্ধারিত করে দাও। অতঃপর তাতেই আমাকে পরিতুষ্ট রাখো।’’
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ঐভাবেই ইস্তিখারার নামায শিখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিখাতেন।” (বুখারী ১১৬৬) এই নামাযের নিয়ম হলো, প্রথম দু’রাকআ’ত নামায আদায় করবে তারপর এই দুআটি পড়বে, (আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বি’ইলমিকা, ওয়া আস্তাক্বদিরুকা বি ক্বুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাযলিকাল ‘আযীম, ফা ইন্নাকা তাক্বদিরু ওয়ালা আক্বদিরু, ওয়া তা’লামু ওয়ালা আ’লামু, ওয়া আন্তা ‘আল্লা-মুল গুয়ূব, আল্লাহুম্মা ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা খায়রুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া আ’ক্বিবাতি আমরী ফাক্বদিরহু লী ওয়া ইয়াসসিরহু লী ছুম্মা বারিকলী ফী-হ, ওয়া ইন কুন্তা তা’লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা’আ-শী ওয়া আক্বিবাতি আমরী ফাসরিফহু আ’ন্নী ওয়াছরিফনী ‘আনহু ওয়াক্বদির লিইয়াল খায়রা হাইছু কা-না ছুম্মা আরযিনী বিহী) অথাৎ, হে আলাহ! আমি তোমার ইলমের মাধ্যমে তোমার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। তোমার ক্বুদরতের মাধ্যমে তোমার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। তুমি শক্তিধর আমি শক্তিহীন। তুমি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং তুমি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী, হে আল্লাহ্! এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজটি উল্লেখ করবে) তোমার জ্ঞান মুতাবিক যদি আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক কল্যাণকর হয়, তবে উহা আমার জন্য নির্ধারিত করে দাও এবং উহাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দাও, অতঃপর উহাতে আমার জন্য বরকত দাও। আর যদি এই কাজটি তোমার জ্ঞানের আলোকে আমার দ্বীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে অনিষ্টকর হয়, তবে উহাকে আমার নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দাও এবং আমাকেও উহা হতে দূরে সরিয়ে রাখো। তারপর কল্যাণ যেখানেই থাকুক, আমার জন্য সে কল্যাণ নির্ধারিত করে দাও। অতঃপর তাতেই আমাকে পরিতুষ্ট রাখো।’’
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত জায়নামাযেই বসে থাকা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২৯
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজর নামায পড়ে নিয়ে সূর্য ভালভাবে উঠা পর্যন্ত স্বীয় জায়নামাযেই বসে থাকতেন।’ (মুসলিম ৬৭০)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজর নামায পড়ে নিয়ে সূর্য ভালভাবে উঠা পর্যন্ত স্বীয় জায়নামাযেই বসে থাকতেন।’ (মুসলিম ৬৭০)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > জুমআ’র দিনে গোসল করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৩০
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন জুমআ’র জন্য আসে, তখন সে যেন গোসল করে আসে।” (বুখারী ৮৭৭, মুসলিম ৮৪৬)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন জুমআ’র জন্য আসে, তখন সে যেন গোসল করে আসে।” (বুখারী ৮৭৭, মুসলিম ৮৪৬)