১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > সালামের পূর্বে বেশী বেশী দু’আ করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২০

তিনি বলেন, আমরা যখন নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে নামায পড়তাম---শেষে বললেন, অতঃপর (তাশাহহুদ ও দরূদের পর) প্রত্যেকে নিজের পছন্দমত দুআ বেছে নিয়ে দুআ করবে।” (বুখারী ৮৩৫)

তিনি বলেন, আমরা যখন নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে নামায পড়তাম---শেষে বললেন, অতঃপর (তাশাহহুদ ও দরূদের পর) প্রত্যেকে নিজের পছন্দমত দুআ বেছে নিয়ে দুআ করবে।” (বুখারী ৮৩৫)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > সুন্নত নামাযগুলি আদায় করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২১

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, “কোন মুসলিম যখন আল্লাহ্‌র জন্য প্রতিদিন ফরয নামাযগুলো ছাড়াও আরো বার রাকআ’ত সুন্নত নামায পড়ে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের একটি ঘর তৈরী করেন।” (মুসলিম ১৬৯৬)

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, “কোন মুসলিম যখন আল্লাহ্‌র জন্য প্রতিদিন ফরয নামাযগুলো ছাড়াও আরো বার রাকআ’ত সুন্নত নামায পড়ে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের একটি ঘর তৈরী করেন।” (মুসলিম ১৬৯৬)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > চাশতের নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২২

আবূ যার (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই এমন অবস্থায় প্রভাব করে যে, তাকে তার প্রত্যেক জোড়াগুলোর পরিবর্তে সাদকাহ দেয়া লাগে। কাজেই প্রত্যেক বার ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলা সাদকাহ হিসেবে বিবেচিত হয়, প্রত্যেক বার ‘আল্লাহু আকবর’ বলা সাদকা হিসেবে গণ্য হয় এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করাও সাদকাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর এসবের মুকাবিলায় চাশতের দু’রাকআ’ত নামাযই হবে যথেষ্ট”। (মুসলিম ৭২০)

আবূ যার (রাঃ) নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই এমন অবস্থায় প্রভাব করে যে, তাকে তার প্রত্যেক জোড়াগুলোর পরিবর্তে সাদকাহ দেয়া লাগে। কাজেই প্রত্যেক বার ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলা সাদকাহ হিসেবে বিবেচিত হয়, প্রত্যেক বার ‘আল্লাহু আকবর’ বলা সাদকা হিসেবে গণ্য হয় এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করাও সাদকাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর এসবের মুকাবিলায় চাশতের দু’রাকআ’ত নামাযই হবে যথেষ্ট”। (মুসলিম ৭২০)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > রাতে উঠে নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ২৩

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, ফরয নামাযের পর কোন নামায সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ‘ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হলো, রাতে উঠে নামায পড়া।’ (মুসলিম ১১৬৩)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, ফরয নামাযের পর কোন নামায সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ‘ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হলো, রাতে উঠে নামায পড়া।’ (মুসলিম ১১৬৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00