১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > বেশী বেশী মিসওয়াক করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১২

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ করতাম।” (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২) ** নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে, অযু করার সময়, মুখের গন্ধ পরিবর্তন হলে, কুরআন তেলাওয়াতের সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করে মিসওয়াক করাও সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ করতাম।” (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২) ** নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে, অযু করার সময়, মুখের গন্ধ পরিবর্তন হলে, কুরআন তেলাওয়াতের সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করে মিসওয়াক করাও সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > অগ্রিম মসজিদে যাওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১৩

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আর তারা যদি জানতো অগ্রীম নামাযে আসার ফযীলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” (বুখারী ৬১৫, মুসলিম ৪৩৭)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আর তারা যদি জানতো অগ্রীম নামাযে আসার ফযীলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” (বুখারী ৬১৫, মুসলিম ৪৩৭)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১৪

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) “আমি কি তোমাদের এমন জিনিসের খবর দেবো না যার দ্বারা আল্লাহ্ গোনাহ মাফ করেন এবং তোমাদের মর্যাদা উন্নত হয়? সাহাবাগণ বললেন, অবশ্যই বলুন হে আল্লাহ্‌র রাসুল! তিনি বললেন, তা হচ্ছে, কষ্টের সময় সুন্দরভাবে অযু করা, মসজিদের দিকে বেশী বেশী পদচারণা করা এবং এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। আর ইহা হলো জিহাদে প্রতিরক্ষার কাজের ন্যায়।” (মুসলিম ২৫১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) “আমি কি তোমাদের এমন জিনিসের খবর দেবো না যার দ্বারা আল্লাহ্ গোনাহ মাফ করেন এবং তোমাদের মর্যাদা উন্নত হয়? সাহাবাগণ বললেন, অবশ্যই বলুন হে আল্লাহ্‌র রাসুল! তিনি বললেন, তা হচ্ছে, কষ্টের সময় সুন্দরভাবে অযু করা, মসজিদের দিকে বেশী বেশী পদচারণা করা এবং এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। আর ইহা হলো জিহাদে প্রতিরক্ষার কাজের ন্যায়।” (মুসলিম ২৫১)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে নামাযের জন্য আসাঃ

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১৫

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যখন নামায আরম্ভ হয়ে যায়, তখন দৌড়ে তাতে শামিল হয়ো না। বরং ধীরস্থির ভাবে হেঁটে এসে তাতে শামিল হও। যতটুকু পাও পড়ে নাও এবং যতটুকু ছুটে যায় পরে পূরণ করে নাও।” (বুখারী ৯০৮, মুসলিম ৬০২)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যখন নামায আরম্ভ হয়ে যায়, তখন দৌড়ে তাতে শামিল হয়ো না। বরং ধীরস্থির ভাবে হেঁটে এসে তাতে শামিল হও। যতটুকু পাও পড়ে নাও এবং যতটুকু ছুটে যায় পরে পূরণ করে নাও।” (বুখারী ৯০৮, মুসলিম ৬০২)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00