১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ওযুর পর দু’রাকআত নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১০

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার ন্যায় এরূপ অযু করে একাগ্র চিত্তে দু’রাকআত নামায পড়বে, তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’’ (বুখারী ১৫৯, মুসলিম ৫৩৯)

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার ন্যায় এরূপ অযু করে একাগ্র চিত্তে দু’রাকআত নামায পড়বে, তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’’ (বুখারী ১৫৯, মুসলিম ৫৩৯)


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > মুআযযিনের সাথে সাথে আযানের শব্দগুলি বলা এবং আযানের শেষে নবীর উপর দরূদ পাঠ করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১১

তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্‌ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪) নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দু’আটি পড়বে, অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দুআটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।

তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্‌ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪) নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দু’আটি পড়বে, অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দুআটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > বেশী বেশী মিসওয়াক করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১২

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ করতাম।” (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২) ** নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে, অযু করার সময়, মুখের গন্ধ পরিবর্তন হলে, কুরআন তেলাওয়াতের সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করে মিসওয়াক করাও সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ করতাম।” (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২) ** নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে, অযু করার সময়, মুখের গন্ধ পরিবর্তন হলে, কুরআন তেলাওয়াতের সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করে মিসওয়াক করাও সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।


১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > অগ্রিম মসজিদে যাওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১৩

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আর তারা যদি জানতো অগ্রীম নামাযে আসার ফযীলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” (বুখারী ৬১৫, মুসলিম ৪৩৭)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আর তারা যদি জানতো অগ্রীম নামাযে আসার ফযীলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” (বুখারী ৬১৫, মুসলিম ৪৩৭)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00