১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > অযূর শেষে দু’আ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৮
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ সুন্দর করে অযূ করে বলে, ‘আশহাদু আনলা ইলাহা ইল্লা-ল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসূলুহ’ তাঁর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।” (মুসলিম ২৩৪)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ সুন্দর করে অযূ করে বলে, ‘আশহাদু আনলা ইলাহা ইল্লা-ল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসূলুহ’ তাঁর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।” (মুসলিম ২৩৪)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ওযু-গোসলে পানি পরিমিত খরচ করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ৯
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসা’ হতে পাঁচ মুদ (কম-বেশী ২৫০০ থেকে ৩১২৫ গ্রাম) পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল এবং এক মুদ (কম-বেশী ৬২৫গ্রাম) পানি দিয়ে ওযু করতেন।” (বুখারী ২০১, মুসলিম ৩২৫)
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসা’ হতে পাঁচ মুদ (কম-বেশী ২৫০০ থেকে ৩১২৫ গ্রাম) পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল এবং এক মুদ (কম-বেশী ৬২৫গ্রাম) পানি দিয়ে ওযু করতেন।” (বুখারী ২০১, মুসলিম ৩২৫)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > ওযুর পর দু’রাকআত নামায পড়া
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১০
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার ন্যায় এরূপ অযু করে একাগ্র চিত্তে দু’রাকআত নামায পড়বে, তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’’ (বুখারী ১৫৯, মুসলিম ৫৩৯)
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার ন্যায় এরূপ অযু করে একাগ্র চিত্তে দু’রাকআত নামায পড়বে, তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’’ (বুখারী ১৫৯, মুসলিম ৫৩৯)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস > মুআযযিনের সাথে সাথে আযানের শব্দগুলি বলা এবং আযানের শেষে নবীর উপর দরূদ পাঠ করা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস ১১
তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪) নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দু’আটি পড়বে, অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দুআটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।
তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪) নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দু’আটি পড়বে, অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দুআটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।