সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > বিদ্বান হওয়া ও কুরআন সম্পর্কে জ্ঞানী হওয়ার দাবী করার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৬
উক্ত হাদীছটি আবু ইয়া'লা, বাযযার ও ত্বাবরানী আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন।
উক্ত হাদীছটি আবু ইয়া'লা, বাযযার ও ত্বাবরানী আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৫
(حسن لغيره) وعن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : يظهر الإسلام حتى تختلف التجار في البحر وحتى تخوض الخيل في سبيل الله ، ثم يظهر قوم يقرؤون القرآن ، يقولون : من أقرأ منا ؟ من أعلم منا ؟ من أفقه منا؟ ثم قال لاصحابه: هل في أولئك من خير؟ قالوا : الله ورسوله أعلم ، قال : أولئك منكم من هذه الأمة ، أولئك هم وقود النار.. رواه الطبراني في الأوسط والبزار
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “ইসলাম বিজয় লাভ করবে। অতঃপর এমন একটা পর্যায় আসবে যখন ব্যবসায়িকগণ সমুদ্র পথে সফর করবে, অশ্বারোহী বাহিনী আল্লাহর পথে (লড়াইয়ে) নিমগ্ন হবএ। তারপর একদল লোক বের হবে যারা কুরআন পড়বে এবং বলবেঃ কে আছে আমাদের চেয়ে বেশী কুরআন পড়তে পারে? কে আছে আমাদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী? কে আমাদের চেয়ে অধিক বুঝে? এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীদেরকে বললেনঃ “ওদের মধ্যে কি কোন কল্যাণ আছে?” তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞান রাখেন। তিনি বললেনঃ “ওরা তোমাদের মধ্যে থেকে এই উম্মতেরই অন্তর্ভুক্ত। ওরা জাহান্নামের ইন্ধন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ত্বাবরানী [আওসাত গ্রন্থে] ও বাযযার)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “ইসলাম বিজয় লাভ করবে। অতঃপর এমন একটা পর্যায় আসবে যখন ব্যবসায়িকগণ সমুদ্র পথে সফর করবে, অশ্বারোহী বাহিনী আল্লাহর পথে (লড়াইয়ে) নিমগ্ন হবএ। তারপর একদল লোক বের হবে যারা কুরআন পড়বে এবং বলবেঃ কে আছে আমাদের চেয়ে বেশী কুরআন পড়তে পারে? কে আছে আমাদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী? কে আমাদের চেয়ে অধিক বুঝে? এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীদেরকে বললেনঃ “ওদের মধ্যে কি কোন কল্যাণ আছে?” তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞান রাখেন। তিনি বললেনঃ “ওরা তোমাদের মধ্যে থেকে এই উম্মতেরই অন্তর্ভুক্ত। ওরা জাহান্নামের ইন্ধন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ত্বাবরানী [আওসাত গ্রন্থে] ও বাযযার)
(حسن لغيره) وعن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : يظهر الإسلام حتى تختلف التجار في البحر وحتى تخوض الخيل في سبيل الله ، ثم يظهر قوم يقرؤون القرآن ، يقولون : من أقرأ منا ؟ من أعلم منا ؟ من أفقه منا؟ ثم قال لاصحابه: هل في أولئك من خير؟ قالوا : الله ورسوله أعلم ، قال : أولئك منكم من هذه الأمة ، أولئك هم وقود النار.. رواه الطبراني في الأوسط والبزار
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৭
(حسن لغيره) وعن أم الفضل أم عبد الله بن عباس رضي الله عنهما, عن رسول الله صلى الله عليه وسلم , أنه قام ليلة بمكة من الليل , فقال:اللهم هل بلغت؟ ثلاث مرات , فقام عمر بن الخطاب وكان أواها , فقال: اللهم نعم , وحرضت , وجهدت , ونصحت. فقال: ليظهرن الإيمان حتى يرد الكفر إلى مواطنه , وليخاضن البحار بالإسلام , وليأتين على الناس زمان يتعلمون فيه القرآن، يتعلمونه ويقرءونه , ثم يقولون قد قرأنا وعلمنا , فمن ذا الذي هو خير منا؟ فهل في أولئك من خير؟ قالوا: يا رسول الله, من أولئك؟ قال:أولئك منكم , وأولئك هم وقود النار. رواه الطبراني في الكبير
তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেনঃ একদা কোন এক রাতে তিনি মক্কায় দন্ডায়মান হয়ে বললেনঃ “হে আল্লাহ আমি কি পৌঁছিয়েছি?” কথাটি তিনি তিনবার বললেন। তখন ওমার বিন খাত্তাব দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি ছিলেন অধিক বিনয়ী। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আপনি পৌঁছিয়েছেন, আপনি উদ্বুদ্ধ করেছেন, জিহাদ করেছেন এবং নসীহত করেছেন। তখন তিনি বললেনঃ “অবশ্যই ইসলাম বিজয় লাভ করবে, এমনকি কুফরীকে তার ঠিকানায় ফেরত পাঠানো হবে। নাবিকগণ ইসলামের বাণী নিয়ে সাগর পাড়ি দিবে। এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষ কুরআন শিক্ষা করবে। তারা কুরআন শিক্ষা করবে ও পাঠ করবে তারপর বলবেঃ আমরা পড়লাম ও জানলাম। অতএব আমাদের চেয়ে উত্তম আর কে আছে? এসকল লোকের মধ্যে কি কোন কল্যাণ আছে? তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ওরা কারা? তিনি বললেনঃ “ওরা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। ওরা হবে জাহান্নামের ইন্ধন।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেনঃ একদা কোন এক রাতে তিনি মক্কায় দন্ডায়মান হয়ে বললেনঃ “হে আল্লাহ আমি কি পৌঁছিয়েছি?” কথাটি তিনি তিনবার বললেন। তখন ওমার বিন খাত্তাব দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি ছিলেন অধিক বিনয়ী। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আপনি পৌঁছিয়েছেন, আপনি উদ্বুদ্ধ করেছেন, জিহাদ করেছেন এবং নসীহত করেছেন। তখন তিনি বললেনঃ “অবশ্যই ইসলাম বিজয় লাভ করবে, এমনকি কুফরীকে তার ঠিকানায় ফেরত পাঠানো হবে। নাবিকগণ ইসলামের বাণী নিয়ে সাগর পাড়ি দিবে। এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষ কুরআন শিক্ষা করবে। তারা কুরআন শিক্ষা করবে ও পাঠ করবে তারপর বলবেঃ আমরা পড়লাম ও জানলাম। অতএব আমাদের চেয়ে উত্তম আর কে আছে? এসকল লোকের মধ্যে কি কোন কল্যাণ আছে? তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ওরা কারা? তিনি বললেনঃ “ওরা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। ওরা হবে জাহান্নামের ইন্ধন।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن لغيره) وعن أم الفضل أم عبد الله بن عباس رضي الله عنهما, عن رسول الله صلى الله عليه وسلم , أنه قام ليلة بمكة من الليل , فقال:اللهم هل بلغت؟ ثلاث مرات , فقام عمر بن الخطاب وكان أواها , فقال: اللهم نعم , وحرضت , وجهدت , ونصحت. فقال: ليظهرن الإيمان حتى يرد الكفر إلى مواطنه , وليخاضن البحار بالإسلام , وليأتين على الناس زمان يتعلمون فيه القرآن، يتعلمونه ويقرءونه , ثم يقولون قد قرأنا وعلمنا , فمن ذا الذي هو خير منا؟ فهل في أولئك من خير؟ قالوا: يا رسول الله, من أولئك؟ قال:أولئك منكم , وأولئك هم وقود النار. رواه الطبراني في الكبير
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৪
(صحيح) عن أبي بن كعب رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قام موسى عليه السلام خطيبا في بني إسرائيل فسئل أي الناس أعلم فقال أنا أعلم قال فعتب الله عليه إذ لم يرد العلم إليه فأوحى الله إليه أن عبدا من عبادي بمجمع البحرين هو أعلم منك قال يا رب كيف به فقيل له احمل حوتا في مكتل فإذا فقدته فهو ثم ... فذكر الحديث في اجتماعه بالخضر إلى أن قال فانطلقا يمشيان على ساحل البحر ليس لهما سفينة فمرت بهما سفينة فكلموهم أن يحملوهما فعرف الخضر فحملوهما بغير نول فجاء عصفور فوقع على حرف السفينة فنقر نقرة أو نقرتين في البحر فقال الخضر يا موسى ما نقص علمي وعلمك من علم الله إلا كنقرة هذا العصفور في هذا البحر. فذكر الحديث بطوله وفي رواية: بينما موسى يمشي في ملإ من بني إسرائيل إذ جاءه رجل فقال له هل تعلم أحدا أعلم منك قال موسى لا فأوحى الله إلى موسى بل عبدنا الخضر ، فسأل موسى السبيل إليه. الحديث رواه البخاري ومسلم وغيرهما
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “একদা মূসা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বানী ইসরাঈলের সামনে বক্তৃতা করছিলেন। এমন সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হলঃ সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ কে? তিনি বললেন, আমি সবচেয়ে বেশী জ্ঞানী। একথার জন্য আল্লাহ তাঁকে তিরস্কার করলেন। কেননা তিনি জ্ঞানকে আল্লাহর দিকে সম্পর্কীত করেন নি। (অর্থাৎ বলেননি যে, আল্লাহই ভাল জানেন কে বেশী জ্ঞানী) আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী করলেনঃ আমার জনৈক বান্দা ‘দু’সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে’ আছে সে তোমার চেয়ে বেশী জ্ঞানী। তিনি বললেন, হে আমার পালনকর্তা! কিভাবে আমি তার নিকট পৌঁছতে পারি? তাঁকে বলা হলঃ থলের মধ্যে একটি মাছ নিয়ে বের হয়ে পড়। যে স্থানে পৌঁছার পর মাছটি নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে সেখানেই তাকে পাওয়া যাবে। (এরপর মূসার সাথে খিযিরের সাক্ষাতের ঘটনা উল্লেখ করে বলেনঃ) তাঁরা উভয়ে সমুদ্রের পাড় ধরে চলতে লাগলেন। তাঁরা নৌকা পাচ্ছিলেন না। ইতোমধ্যে একটি নৌকা সেখান দিয়ে অতিক্রম করছিল। তাঁরা নৌকায় আরোহনের ব্যাপারে কথাবার্তা বললেন। মাঝিরা খিযিরকে চিনে ফেলল। তাই কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই তাঁদেরকে নৌকায় তুলে নিল। ইতোমধ্যে একটি চড়ুই পাখী নৌকার একপ্রান্তে এসে বসল এবং সমুদ্র থেকে এক বা দু’চষ্ণু পানি তুলে নিল। খিযির বললেন: হে মূসা (আ:)! আমার জ্ঞান ও আপনার জ্ঞান উভয়ে মিলে আল্লাহর জ্ঞানের মোকাবেলায় এমন তুলনাও হয় না, যেমনটি এ চড়ুইয়ের চঞ্চুর পানির সাথে রয়েছে সমুদ্রের পানির।” এরপর তিনি হাদীছটি পূর্ণরূপে বর্ণনা করেন। অপর বর্ণনায় আছেঃ একদা মূসা (আঃ) বনী ইসরাঈলের এক জামাত লোকের মাঝ দিয়ে চলছিলেন। এমন সময় জনৈক লোক এসে তাঁকে বললঃ আপনার চেয়ে অধিক জ্ঞানী এমন কাউকে কি আপনি জানেন? মূসা বললেনঃ না। তখন আল্লাহ মূসার কাছে ওহী করলেনঃ বরং আমার বান্দা খিযির (তোমার চেয়ে বেশী জ্ঞানী)। তখন মূসা (আঃ) তাঁর কাছে যাওয়ার উপায় সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জানতে চাইলেন....।” (বুখারী ও মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “একদা মূসা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বানী ইসরাঈলের সামনে বক্তৃতা করছিলেন। এমন সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হলঃ সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ কে? তিনি বললেন, আমি সবচেয়ে বেশী জ্ঞানী। একথার জন্য আল্লাহ তাঁকে তিরস্কার করলেন। কেননা তিনি জ্ঞানকে আল্লাহর দিকে সম্পর্কীত করেন নি। (অর্থাৎ বলেননি যে, আল্লাহই ভাল জানেন কে বেশী জ্ঞানী) আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী করলেনঃ আমার জনৈক বান্দা ‘দু’সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে’ আছে সে তোমার চেয়ে বেশী জ্ঞানী। তিনি বললেন, হে আমার পালনকর্তা! কিভাবে আমি তার নিকট পৌঁছতে পারি? তাঁকে বলা হলঃ থলের মধ্যে একটি মাছ নিয়ে বের হয়ে পড়। যে স্থানে পৌঁছার পর মাছটি নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে সেখানেই তাকে পাওয়া যাবে। (এরপর মূসার সাথে খিযিরের সাক্ষাতের ঘটনা উল্লেখ করে বলেনঃ) তাঁরা উভয়ে সমুদ্রের পাড় ধরে চলতে লাগলেন। তাঁরা নৌকা পাচ্ছিলেন না। ইতোমধ্যে একটি নৌকা সেখান দিয়ে অতিক্রম করছিল। তাঁরা নৌকায় আরোহনের ব্যাপারে কথাবার্তা বললেন। মাঝিরা খিযিরকে চিনে ফেলল। তাই কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই তাঁদেরকে নৌকায় তুলে নিল। ইতোমধ্যে একটি চড়ুই পাখী নৌকার একপ্রান্তে এসে বসল এবং সমুদ্র থেকে এক বা দু’চষ্ণু পানি তুলে নিল। খিযির বললেন: হে মূসা (আ:)! আমার জ্ঞান ও আপনার জ্ঞান উভয়ে মিলে আল্লাহর জ্ঞানের মোকাবেলায় এমন তুলনাও হয় না, যেমনটি এ চড়ুইয়ের চঞ্চুর পানির সাথে রয়েছে সমুদ্রের পানির।” এরপর তিনি হাদীছটি পূর্ণরূপে বর্ণনা করেন। অপর বর্ণনায় আছেঃ একদা মূসা (আঃ) বনী ইসরাঈলের এক জামাত লোকের মাঝ দিয়ে চলছিলেন। এমন সময় জনৈক লোক এসে তাঁকে বললঃ আপনার চেয়ে অধিক জ্ঞানী এমন কাউকে কি আপনি জানেন? মূসা বললেনঃ না। তখন আল্লাহ মূসার কাছে ওহী করলেনঃ বরং আমার বান্দা খিযির (তোমার চেয়ে বেশী জ্ঞানী)। তখন মূসা (আঃ) তাঁর কাছে যাওয়ার উপায় সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জানতে চাইলেন....।” (বুখারী ও মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح) عن أبي بن كعب رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قام موسى عليه السلام خطيبا في بني إسرائيل فسئل أي الناس أعلم فقال أنا أعلم قال فعتب الله عليه إذ لم يرد العلم إليه فأوحى الله إليه أن عبدا من عبادي بمجمع البحرين هو أعلم منك قال يا رب كيف به فقيل له احمل حوتا في مكتل فإذا فقدته فهو ثم ... فذكر الحديث في اجتماعه بالخضر إلى أن قال فانطلقا يمشيان على ساحل البحر ليس لهما سفينة فمرت بهما سفينة فكلموهم أن يحملوهما فعرف الخضر فحملوهما بغير نول فجاء عصفور فوقع على حرف السفينة فنقر نقرة أو نقرتين في البحر فقال الخضر يا موسى ما نقص علمي وعلمك من علم الله إلا كنقرة هذا العصفور في هذا البحر. فذكر الحديث بطوله وفي رواية: بينما موسى يمشي في ملإ من بني إسرائيل إذ جاءه رجل فقال له هل تعلم أحدا أعلم منك قال موسى لا فأوحى الله إلى موسى بل عبدنا الخضر ، فسأل موسى السبيل إليه. الحديث رواه البخاري ومسلم وغيرهما
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > ঝগড়া-বিবাদ, একে অপরের উপর দলীল পেশ করা, পরাজিত করা, বিজয়ী হওয়া প্রভৃতি কাজ থেকে ভীতি প্ৰদৰ্শন এবং হকদার হওয়া বা না হওয়া উভয় ক্ষেত্রে ঝগড়া পরিত্যাগ করার প্ৰতি উদ্বুদ্ধ করণঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৮
(حسن لغيره) عن أبي أمامة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من ترك المراء وهو مبطل بني له بيت في ربض الجنة ومن تركه وهو محق بني له في وسطها ومن حسن خلقه بني له في أعلاها. رواه أبو داود والترمذي واللفظ له وابن ماجه والبيهقي وقال الترمذي حديث حسن
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বাতিল বিষয় নিয়ে ঝগড়া পরিত্যাগ করবে, তার জন্যে জান্নাতের আশে-পাশে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে। সত্য বিষয় হওয়া সত্বেও যে ব্যক্তি ঝগড়া পরিহার করবে তার জন্যে জান্নাতের মধ্যভাগে ঘর তৈরী করা হবে। আর যে ব্যক্তি নিজের চরিত্রকে সুন্দর করবে তার জন্যে জান্নাতে উচু স্থানে ঘর তৈরী করা হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী) তিরমিযী বলেন, হাদীছটি হাসান।
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বাতিল বিষয় নিয়ে ঝগড়া পরিত্যাগ করবে, তার জন্যে জান্নাতের আশে-পাশে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে। সত্য বিষয় হওয়া সত্বেও যে ব্যক্তি ঝগড়া পরিহার করবে তার জন্যে জান্নাতের মধ্যভাগে ঘর তৈরী করা হবে। আর যে ব্যক্তি নিজের চরিত্রকে সুন্দর করবে তার জন্যে জান্নাতে উচু স্থানে ঘর তৈরী করা হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী) তিরমিযী বলেন, হাদীছটি হাসান।
(حسن لغيره) عن أبي أمامة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من ترك المراء وهو مبطل بني له بيت في ربض الجنة ومن تركه وهو محق بني له في وسطها ومن حسن خلقه بني له في أعلاها. رواه أبو داود والترمذي واللفظ له وابن ماجه والبيهقي وقال الترمذي حديث حسن
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৯
(حسن لغيره) وعن معاذ بن جبل رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :"أنا زعيم ببيت في ربض الجنة، وبيت في وسط الجنة، وبيت في أعلى الجنة لمن ترك المراء وإن كان محقا، وترك الكذب وإن كان مازحا، وحسن خلقه". رواه البزار والطبراني
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি ঐ ব্যক্তির জন্যে জান্নাতের আশে-পাশে একটি ঘরের, জান্নাতের মধ্যভাগে একটি ঘরের এবং জান্নাতের উচু স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার হব, যে সত্যবাদী হওয়া সত্ত্বেও অনর্থক ঝগড়া পরিহার করবে, ঠাট্টা করে হলেও যে মিথ্যা পরিত্যাগ করবে এবং যে ব্যক্তি নিজের চরিত্রকে সুন্দর করবে।” (হাদীছটি বাযযার ও ত্বাবরানী বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি ঐ ব্যক্তির জন্যে জান্নাতের আশে-পাশে একটি ঘরের, জান্নাতের মধ্যভাগে একটি ঘরের এবং জান্নাতের উচু স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার হব, যে সত্যবাদী হওয়া সত্ত্বেও অনর্থক ঝগড়া পরিহার করবে, ঠাট্টা করে হলেও যে মিথ্যা পরিত্যাগ করবে এবং যে ব্যক্তি নিজের চরিত্রকে সুন্দর করবে।” (হাদীছটি বাযযার ও ত্বাবরানী বর্ণনা করেছেন)
(حسن لغيره) وعن معاذ بن جبل رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :"أنا زعيم ببيت في ربض الجنة، وبيت في وسط الجنة، وبيت في أعلى الجنة لمن ترك المراء وإن كان محقا، وترك الكذب وإن كان مازحا، وحسن خلقه". رواه البزار والطبراني
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪০
(صحيح لغيره) وعن أبي سعيد رضي الله عنه قال: كنا جلوسا على باب رسول الله صلى الله عليه وسلم نتذاكر ، ينزع هذا بآية وينزع هذا بآية ، فخرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم كما يفقأ في وجهه حب الرمان، فقال: يا هؤلاء بهذا بعثتم؟ أم بهذا أمرتم؟ لا ترجعوا بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض. رواه الطبراني في الكبير
তিনি বলেনঃ একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বাড়ীর দরজায় বসে পরস্পর আলোচনা করছিলাম। একজন একটি আয়াত টেনে নিয়ে আসছে আরেকজন আরেকটি আয়াত টানছে। এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন। (ক্রোধের কারণে) যেন তাঁর মুখমন্ডলে ডালিমের দানা ফুটে উঠেছিল। তারপর তিনি বললেনঃ “ওহে তোমরা! এই দিয়ে তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে? নাকি এ বিষয়ে তোমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে? আমার পরে তোমরা কাফের হয়ে যেও না। তখন তোমাদের একজন আরেকজনের ঘাড় মটকাবে।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেনঃ একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বাড়ীর দরজায় বসে পরস্পর আলোচনা করছিলাম। একজন একটি আয়াত টেনে নিয়ে আসছে আরেকজন আরেকটি আয়াত টানছে। এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন। (ক্রোধের কারণে) যেন তাঁর মুখমন্ডলে ডালিমের দানা ফুটে উঠেছিল। তারপর তিনি বললেনঃ “ওহে তোমরা! এই দিয়ে তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে? নাকি এ বিষয়ে তোমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে? আমার পরে তোমরা কাফের হয়ে যেও না। তখন তোমাদের একজন আরেকজনের ঘাড় মটকাবে।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح لغيره) وعن أبي سعيد رضي الله عنه قال: كنا جلوسا على باب رسول الله صلى الله عليه وسلم نتذاكر ، ينزع هذا بآية وينزع هذا بآية ، فخرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم كما يفقأ في وجهه حب الرمان، فقال: يا هؤلاء بهذا بعثتم؟ أم بهذا أمرتم؟ لا ترجعوا بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض. رواه الطبراني في الكبير
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪১
(حسن ) وعن أبي أمامة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل ثم قرأ (ما ضربوه لك إلا جدلا) رواه الترمذي وابن ماجه وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره وقال الترمذي حديث حسن صحيح
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “হেদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কোন জাতি যদি পথভ্রষ্ট হয়, তবে তাদেরকে কুট বিতর্কে জড়িয়ে দেয়া হয়।” তারপর তিনি পাঠ করেনঃ (আরবি) “ওরা আপনার সামনে যে উদাহরণ উপস্থাপন করে তা কেবল বিতর্কের জন্যেই করে।” (সূরা যুখরুফঃ ৫৮) (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও ইবনে আবী দুনিয়া [কিতাবুস সামত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি হাসান ছহীহ।
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “হেদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কোন জাতি যদি পথভ্রষ্ট হয়, তবে তাদেরকে কুট বিতর্কে জড়িয়ে দেয়া হয়।” তারপর তিনি পাঠ করেনঃ (আরবি) “ওরা আপনার সামনে যে উদাহরণ উপস্থাপন করে তা কেবল বিতর্কের জন্যেই করে।” (সূরা যুখরুফঃ ৫৮) (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও ইবনে আবী দুনিয়া [কিতাবুস সামত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি হাসান ছহীহ।
(حسن ) وعن أبي أمامة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل ثم قرأ (ما ضربوه لك إلا جدلا) رواه الترمذي وابن ماجه وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره وقال الترمذي حديث حسن صحيح
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪২
(صحيح) وعن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : أبغض الرجال إلى الله الألد الخصم. رواه البخاري ومسلم والترمذي والنسائي
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহর নিকট সর্বাধিক ঘূণিত মানুষ হচ্ছে সর্বদা কুটতর্ককারী।” (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহর নিকট সর্বাধিক ঘূণিত মানুষ হচ্ছে সর্বদা কুটতর্ককারী।” (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح) وعن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : أبغض الرجال إلى الله الألد الخصم. رواه البخاري ومسلم والترمذي والنسائي
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪৩
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪৩
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪৩
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কুরআন নিয়ে কুটতর্কে [১] লিপ্ত হওয়া কুফরী।” (আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح ) وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم : " المراء في القرآن كفر. رواه أبو داود وابن حبان
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৪৪
ত্বাবরানী প্রমূখ হাদীছটি যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
ত্বাবরানী প্রমূখ হাদীছটি যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।