সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > আল্লাহ তা’আলার সম্ভষ্টি ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জনের প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৮

হাদীছটি অনুরূভাবে ইবনে মাজাহ হুযায়ফা (রাঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।

হাদীছটি অনুরূভাবে ইবনে মাজাহ হুযায়ফা (রাঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৬

(صحيح لغيره) وروي عن كعب بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من طلب العلم ليجاري به العلماء أو ليماري به السفهاء أو يصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله النار. رواه الترمذي واللفظ له وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره والحاكم شاهدا والبيهقي، وقال الترمذي حديث غريب

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যান্বেষন করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা ওলামাদের কাতারে শামিল হবে। অথবা দুর্বল বিবেক সম্পন্ন লোকদের সাথে বিতর্ক করবে এবং মানুষের দৃষ্টি তার দিকে ফিরাবে। তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী, ইবনু আবী দুনিয়া [কিতাবুছ ছমত গ্রন্থে] ও বায়হাকী। হাকেম অন্য হাদীছের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি গরীব। এ হাদীসের শব্দরূপ তাঁর কিতাব থেকেই গৃহীত হয়েছে)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যান্বেষন করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা ওলামাদের কাতারে শামিল হবে। অথবা দুর্বল বিবেক সম্পন্ন লোকদের সাথে বিতর্ক করবে এবং মানুষের দৃষ্টি তার দিকে ফিরাবে। তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী, ইবনু আবী দুনিয়া [কিতাবুছ ছমত গ্রন্থে] ও বায়হাকী। হাকেম অন্য হাদীছের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি গরীব। এ হাদীসের শব্দরূপ তাঁর কিতাব থেকেই গৃহীত হয়েছে)

(صحيح لغيره) وروي عن كعب بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من طلب العلم ليجاري به العلماء أو ليماري به السفهاء أو يصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله النار. رواه الترمذي واللفظ له وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره والحاكم شاهدا والبيهقي، وقال الترمذي حديث غريب


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৭

(صحيح لغيره) وعن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : لا تعلموا العلم لتباهوا به العلماء ولا لتماروا به السفهاء ولا تخيروا به المجالس فمن فعل ذلك فالنار النار. رواه ابن ماجه وابن حبان والبيهقي

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা এই উদ্দেশ্যে জ্ঞান শিক্ষা করো না যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করবে, মজলিস বা মাহফিলের উত্তম স্থানে বসবে। যে এরূপ করবে তার জন্যে রয়েছে আগুন, আগুন। (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান ও বায়হাকী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)। [১]

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা এই উদ্দেশ্যে জ্ঞান শিক্ষা করো না যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করবে, মজলিস বা মাহফিলের উত্তম স্থানে বসবে। যে এরূপ করবে তার জন্যে রয়েছে আগুন, আগুন। (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান ও বায়হাকী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)। [১]

(صحيح لغيره) وعن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : لا تعلموا العلم لتباهوا به العلماء ولا لتماروا به السفهاء ولا تخيروا به المجالس فمن فعل ذلك فالنار النار. رواه ابن ماجه وابن حبان والبيهقي


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৫

(صحيح لغيره) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم علما مما يبتغى به وجه الله عز وجل لا يتعلمه إلا ليصيب به عرضا من الدنيا لم يجد عرف الجنة يوم القيامة يعني ريحها. رواه أبو داود وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح على شرط البخاري ومسلم

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ “আল্লাহর সম্ভষ্টির উদ্দেশ্যে যে ইলম অর্জন করতে হয়, তা যদি কোন মানুষ দুনিয়ার উদ্দেশ্য হাসিলের নিমিত্তে অর্জন করে, তবে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের সুঘ্ৰাণও পাবে না।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ইবনে হিব্বান ও হাকেম। হাকেম বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ) ইতিপূর্বে আবু হুরায়রা (রাঃ)এর হাদীছ রিয়া অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে (হাদীছ নং ২২), তাতে বলা হয়ঃ رجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن، قال كذبت ولكنك تعلمت ليقال عالم وقرأت القرآن ليقال هو قارىء فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، الحديث رواه مسلم وغيره “(কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির যে জ্ঞানার্জন করেছিল ও মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছিল এবং কুরআন পাঠ করেছিল। তাকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত সমূহের পরিচয় করবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, কি আমল করেছ এই নেয়ামত দ্বারা। সে বলবে, জ্ঞানার্জন করেছি এবং মানুষকে তা শিখিয়েছি। আর আপনার সম্ভাষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ, বরং তুমি জ্ঞানার্জন করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে আলেম বা জ্ঞানী। কুরআন পাঠ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে ক্বারী বা পাঠক। আর তা তো বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তখন তাকে মুখের ভরে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (হাদীছটি মুসলিম প্রমূখ বর্ণনা করেছেন)

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ “আল্লাহর সম্ভষ্টির উদ্দেশ্যে যে ইলম অর্জন করতে হয়, তা যদি কোন মানুষ দুনিয়ার উদ্দেশ্য হাসিলের নিমিত্তে অর্জন করে, তবে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের সুঘ্ৰাণও পাবে না।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ইবনে হিব্বান ও হাকেম। হাকেম বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ) ইতিপূর্বে আবু হুরায়রা (রাঃ)এর হাদীছ রিয়া অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে (হাদীছ নং ২২), তাতে বলা হয়ঃ رجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن، قال كذبت ولكنك تعلمت ليقال عالم وقرأت القرآن ليقال هو قارىء فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، الحديث رواه مسلم وغيره “(কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির যে জ্ঞানার্জন করেছিল ও মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছিল এবং কুরআন পাঠ করেছিল। তাকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত সমূহের পরিচয় করবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, কি আমল করেছ এই নেয়ামত দ্বারা। সে বলবে, জ্ঞানার্জন করেছি এবং মানুষকে তা শিখিয়েছি। আর আপনার সম্ভাষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ, বরং তুমি জ্ঞানার্জন করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে আলেম বা জ্ঞানী। কুরআন পাঠ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে ক্বারী বা পাঠক। আর তা তো বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তখন তাকে মুখের ভরে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (হাদীছটি মুসলিম প্রমূখ বর্ণনা করেছেন)

(صحيح لغيره) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم علما مما يبتغى به وجه الله عز وجل لا يتعلمه إلا ليصيب به عرضا من الدنيا لم يجد عرف الجنة يوم القيامة يعني ريحها. رواه أبو داود وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح على شرط البخاري ومسلم


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৯

(صحيح لغيره) وروي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم : من طلب العلم ليباهي به العلماء أو ليماري به السفهاء أو ليصرف وجوه الناس إليه فهو في النار. رواه ابن ماجه

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যাম্বেষণ করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, মূর্খ লোকদের সাথে ঝগড়া করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে সে জাহান্নামে যাবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যাম্বেষণ করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, মূর্খ লোকদের সাথে ঝগড়া করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে সে জাহান্নামে যাবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)

(صحيح لغيره) وروي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم : من طلب العلم ليباهي به العلماء أو ليماري به السفهاء أو ليصرف وجوه الناس إليه فهو في النار. رواه ابن ماجه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১০

(صحيح لغيره) وروي عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم العلم ليباهي به العلماء وليماري به السفهاء ويصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله جهنم. رواه ابن ماجه أيضا

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেম সমাজে গৰ্ব-অহংকার করবে, মূর্খ লোকদের সাথে বিতর্ক করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন।” (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেম সমাজে গৰ্ব-অহংকার করবে, মূর্খ লোকদের সাথে বিতর্ক করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন।” (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)

(صحيح لغيره) وروي عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم العلم ليباهي به العلماء وليماري به السفهاء ويصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله جهنم. رواه ابن ماجه أيضا


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১১

(صحيح لغيره موقوف) وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال: كيف بكم إذا لبستكم فتنة يربو فيها الصغير ويهرم فيها الكبير، وتتخذ سنة فإن غيرت يوما قيل هذا منكر قيل: ومتى ذاك؟ قال: إذا وقلت أمناؤكم وكثرت أمراؤكم وقلت فقهاؤكم وكثرت قراؤكم وتفقه لغير الدين والتمست الدنيا بعمل الآخرة. رواه عبد الرزاق في كتابه موقوفا

তিনি বলেনঃ “তখন তোমাদের অবস্থা কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদেরকে ঘিরে ধরবে। ওর মধ্যেই ছোটরা লালিত-পালিত হবে, বড়রা বৃদ্ধ হবে। আর ওটাকেই (ঐ ফিতনাকেই) সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কোন দিন যদি তা পরিবর্তন (ঐ ফিতনাকে উৎখাত) করা হয়, তখন বলা হবে এটা গৰ্হিত কাজ। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কখন এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ যখন তোমাদের মাঝে বিশ্বস্থ (আমানতদার) লোকের সংখ্যা কম হবে, নেতৃবৃন্দের সংখ্যা বেশী হবে। ফিকাহবীদের সংখ্যা কম হবে এবং ক্বারীদের সংখ্যা বেশী হবে। আর দ্বীনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করা হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার (সম্পদ) অনুসন্ধান করা হবে।” (আবদুর রাজ্জাক [মুসান্নাফ গ্রন্থে] মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন) [১] হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ

তিনি বলেনঃ “তখন তোমাদের অবস্থা কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদেরকে ঘিরে ধরবে। ওর মধ্যেই ছোটরা লালিত-পালিত হবে, বড়রা বৃদ্ধ হবে। আর ওটাকেই (ঐ ফিতনাকেই) সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কোন দিন যদি তা পরিবর্তন (ঐ ফিতনাকে উৎখাত) করা হয়, তখন বলা হবে এটা গৰ্হিত কাজ। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কখন এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ যখন তোমাদের মাঝে বিশ্বস্থ (আমানতদার) লোকের সংখ্যা কম হবে, নেতৃবৃন্দের সংখ্যা বেশী হবে। ফিকাহবীদের সংখ্যা কম হবে এবং ক্বারীদের সংখ্যা বেশী হবে। আর দ্বীনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করা হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার (সম্পদ) অনুসন্ধান করা হবে।” (আবদুর রাজ্জাক [মুসান্নাফ গ্রন্থে] মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন) [১] হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ

(صحيح لغيره موقوف) وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال: كيف بكم إذا لبستكم فتنة يربو فيها الصغير ويهرم فيها الكبير، وتتخذ سنة فإن غيرت يوما قيل هذا منكر قيل: ومتى ذاك؟ قال: إذا وقلت أمناؤكم وكثرت أمراؤكم وقلت فقهاؤكم وكثرت قراؤكم وتفقه لغير الدين والتمست الدنيا بعمل الآخرة. رواه عبد الرزاق في كتابه موقوفا


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > জ্ঞানের সম্প্রচার এবং কল্যাণের পথ দেখানোর প্রতি উদ্বুদ্ধ করণঃ

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৭

উক্ত হাদীছটি ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] সাহল বিন সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

উক্ত হাদীছটি ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] সাহল বিন সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১২

(حسن ) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته. رواه ابن ماجة بإسناد حسن، والبيهقي، ورواه ابن خزيمة في صحيحه بنحوه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “মু’মিন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আমল ও নেকীর কাজ থেকে যা (ছোয়াব) তার নিকট পৌঁছবে তা হল, ইলম যা সে শিক্ষা দান করেছে ও প্রচার করেছে। রেখে যাওয়া সৎ সন্তান (অর্থাৎ তার দু’আ)। অথবা একটি কুরআন যা সে উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে গেছে। অথবা একটি মসজিদ তৈরী করেছে বা মুসাফিরের জন্য একটি ঘর নিমাণ করেছে। অথবা একটি নদী প্রবাহিত করেছে। অথবা তার জীবদ্দশায় সুস্থ থাকাকালে নিজের সম্পদ থেকে সাদকা করে গেছে। এগুলোর ছোয়াব মৃত্যুর পর তার কাছে পৌঁছতে থাকবে।" (ইবনে মাজাহ, বায়হাক্বী এবং অনুরূপভাবে ইবনে খুযায়মা হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “মু’মিন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আমল ও নেকীর কাজ থেকে যা (ছোয়াব) তার নিকট পৌঁছবে তা হল, ইলম যা সে শিক্ষা দান করেছে ও প্রচার করেছে। রেখে যাওয়া সৎ সন্তান (অর্থাৎ তার দু’আ)। অথবা একটি কুরআন যা সে উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে গেছে। অথবা একটি মসজিদ তৈরী করেছে বা মুসাফিরের জন্য একটি ঘর নিমাণ করেছে। অথবা একটি নদী প্রবাহিত করেছে। অথবা তার জীবদ্দশায় সুস্থ থাকাকালে নিজের সম্পদ থেকে সাদকা করে গেছে। এগুলোর ছোয়াব মৃত্যুর পর তার কাছে পৌঁছতে থাকবে।" (ইবনে মাজাহ, বায়হাক্বী এবং অনুরূপভাবে ইবনে খুযায়মা হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن ) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته. رواه ابن ماجة بإسناد حسن، والبيهقي، ورواه ابن خزيمة في صحيحه بنحوه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৪

(صحيح لغيره) وروي عن أبي أمامة رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أربعة تجري عليهم أجورهم بعد الموت: رجل مات مرابطا في سبيل الله، و رجل علم علما فأجره يجري عليه ما عمل به ، ورجل أجرى صدقة فأجرها له ما جرت، ورجل ترك ولدا صالحا يدعو له. رواه الإمام أحمد والبزار والطبراني في الكبير والأوسط

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “চারটি আমলের ছোয়াব মৃত্যুর পরেও জারি থাকেঃ (১) যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে সীমান্ত পাহারারত থেকে মৃত্যু বরণ করে। (২) যে ব্যক্তি (মানুষকে) এলেম শিক্ষা দেয়। তদানুযায়ী যা আমল করা হয় তার ছোয়াব তার জন্যে জারি থাকে। (৩) যে ব্যক্তি সাদকায়ে জারিয়া করে। যতদিন ঐ সাদকার উপকার জারি থাকে। ততদিন ছোয়াবও তার জন্যে জারি থাকবে। (৪) যে ব্যক্তি নেক সন্তান রেখে যায়, যে তার জন্যে দু’আ করে।” (ইমাম আহমাদ, বাযযার, ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “চারটি আমলের ছোয়াব মৃত্যুর পরেও জারি থাকেঃ (১) যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে সীমান্ত পাহারারত থেকে মৃত্যু বরণ করে। (২) যে ব্যক্তি (মানুষকে) এলেম শিক্ষা দেয়। তদানুযায়ী যা আমল করা হয় তার ছোয়াব তার জন্যে জারি থাকে। (৩) যে ব্যক্তি সাদকায়ে জারিয়া করে। যতদিন ঐ সাদকার উপকার জারি থাকে। ততদিন ছোয়াবও তার জন্যে জারি থাকবে। (৪) যে ব্যক্তি নেক সন্তান রেখে যায়, যে তার জন্যে দু’আ করে।” (ইমাম আহমাদ, বাযযার, ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(صحيح لغيره) وروي عن أبي أمامة رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أربعة تجري عليهم أجورهم بعد الموت: رجل مات مرابطا في سبيل الله، و رجل علم علما فأجره يجري عليه ما عمل به ، ورجل أجرى صدقة فأجرها له ما جرت، ورجل ترك ولدا صالحا يدعو له. رواه الإمام أحمد والبزار والطبراني في الكبير والأوسط


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৬

(صحيح) وعن أبي مسعود رضي الله عنه قال أنه قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال: "ما عندي ما أعطيكه، ولكن ائت فلانا". فأتى الرجل فأعطاه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : من دل على خير فله مثل أجر فاعله أوعامله. رواه ابن حبان في صحيحه

তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে কিছু চাইল। তিনি বললেনঃ “তোমাকে যা দিব তা আমার কাছে নেই। কিন্তু উমুক লোকের কাছে যাও। সে লোকটির কাছে গেলে সে তাকে উহা প্ৰদান করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (ইবনে হিব্বান [ছহীহ গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) বাযযার সংক্ষেপে হাদীছটি বর্ণনা করেছেনঃ الدَّالُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ “কল্যাণের বিষয়ে পথ প্ৰদৰ্শনকারী উহা সম্পাদনকারীর ন্যায় (ছওয়াবের অধিকারী)।”

তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে কিছু চাইল। তিনি বললেনঃ “তোমাকে যা দিব তা আমার কাছে নেই। কিন্তু উমুক লোকের কাছে যাও। সে লোকটির কাছে গেলে সে তাকে উহা প্ৰদান করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (ইবনে হিব্বান [ছহীহ গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) বাযযার সংক্ষেপে হাদীছটি বর্ণনা করেছেনঃ الدَّالُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ “কল্যাণের বিষয়ে পথ প্ৰদৰ্শনকারী উহা সম্পাদনকারীর ন্যায় (ছওয়াবের অধিকারী)।”

(صحيح) وعن أبي مسعود رضي الله عنه قال أنه قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال: "ما عندي ما أعطيكه، ولكن ائت فلانا". فأتى الرجل فأعطاه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : من دل على خير فله مثل أجر فاعله أوعامله. رواه ابن حبان في صحيحه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৩

(صحيح) وعن أبي قتادة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير ما يخلف الرجل من بعده ثلاث ولد صالح يدعو له وصدقة تجري يبلغه أجرها وعلم يعمل به من بعده . رواه ابن ماجه بإسناد صحيح

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তি তার (মৃত্যুর) পর যা ছেড়ে যায় তন্মধ্যে সর্বোত্তম হল তিনটি জিনিসঃ (১) নেক সন্তান যে তার জন্যে দুআ করবে। (২) এমন সাদকা যার উপকার জারী থাকে, এর প্রতিদান তার নিকট পৌঁছতে থাকবে। (৩) এমন ইলম (যা সে প্রচার করেছে) তার মৃত্যুর পর সে অনুযায়ী আমল করা হবে।” (ছহীহ সনদে ইবনে মাজাহ এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন) ইতোপূর্বে আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীছ উল্লেখ করা হয়েছেঃ [১] إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثٍ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ رواه مسلم “আদম সন্তান মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ব্যতীত তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়ঃ (১) সাদকায়ে জারিয়া বা (মানুষ উপকার লাভ করে এমন দান) (২) উপকারী বিদ্যা (৩) সৎ সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করে।” (ইমাম মুসলিম হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তি তার (মৃত্যুর) পর যা ছেড়ে যায় তন্মধ্যে সর্বোত্তম হল তিনটি জিনিসঃ (১) নেক সন্তান যে তার জন্যে দুআ করবে। (২) এমন সাদকা যার উপকার জারী থাকে, এর প্রতিদান তার নিকট পৌঁছতে থাকবে। (৩) এমন ইলম (যা সে প্রচার করেছে) তার মৃত্যুর পর সে অনুযায়ী আমল করা হবে।” (ছহীহ সনদে ইবনে মাজাহ এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন) ইতোপূর্বে আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীছ উল্লেখ করা হয়েছেঃ [১] إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثٍ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ رواه مسلم “আদম সন্তান মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ব্যতীত তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়ঃ (১) সাদকায়ে জারিয়া বা (মানুষ উপকার লাভ করে এমন দান) (২) উপকারী বিদ্যা (৩) সৎ সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করে।” (ইমাম মুসলিম হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(صحيح) وعن أبي قتادة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير ما يخلف الرجل من بعده ثلاث ولد صالح يدعو له وصدقة تجري يبلغه أجرها وعلم يعمل به من بعده . رواه ابن ماجه بإسناد صحيح


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৫

(صحيح) وعن أبي مسعود البدري أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ليستحمله فقال إنه قد أبدع بي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ائت فلانا فأتاه فحمله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من دل على خير فله مثل أجر فاعله أو قال عامله. رواه مسلم وأبو داود والترمذي

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে একটি বাহন চাইল। অতঃপর বললঃ আমার বাহনটি খোঁড়া হয়ে (সফর বন্ধ হয়ে) গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ উমুক লোকের কাছে যাও। সে তার কাছে গেলে লোকটি তাকে একটি বাহন দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী) হাদীছের বাক্য তিরমিষীর।

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে একটি বাহন চাইল। অতঃপর বললঃ আমার বাহনটি খোঁড়া হয়ে (সফর বন্ধ হয়ে) গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ উমুক লোকের কাছে যাও। সে তার কাছে গেলে লোকটি তাকে একটি বাহন দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী) হাদীছের বাক্য তিরমিষীর।

(صحيح) وعن أبي مسعود البدري أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ليستحمله فقال إنه قد أبدع بي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ائت فلانا فأتاه فحمله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من دل على خير فله مثل أجر فاعله أو قال عامله. رواه مسلم وأبو داود والترمذي


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৮

(صحيح) وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا. رواه مسلم وغيره

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি হেদায়াতের পথে আহবান করবে, সে তার অনুসরণকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) ছোয়াব থেকে কোন কিছু কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি বিভ্রান্তির দিকে আহ্বান করবে, সে তার অনুসরণ কারীদের সমপরিমাণ পাপের অধিকারী হবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) পাপের অংশ থেকে কোন কিছু কম করা হবে না।” (ইমাম মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি হেদায়াতের পথে আহবান করবে, সে তার অনুসরণকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) ছোয়াব থেকে কোন কিছু কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি বিভ্রান্তির দিকে আহ্বান করবে, সে তার অনুসরণ কারীদের সমপরিমাণ পাপের অধিকারী হবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) পাপের অংশ থেকে কোন কিছু কম করা হবে না।” (ইমাম মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(صحيح) وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا. رواه مسلم وغيره


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৯

(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما

তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)

তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)

(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৯

(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما

তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)

তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)

(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > এলেম গোপন রাখার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।

(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২০

(صحيح) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سئل عن علم فكتمه ألجم يوم القيامة بلجام من نار. رواه أبو داود والترمذي وحسنه وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والبيهقي ورواه الحاكم

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কেউ যদি কোন বিষয়ের ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়, আর সে তা গোপন রাখে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে তার মুখে আগুনের লাগাম পরানো হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, বায়হাক্বী এবং অনুরূপ বাক্যে হাকেম। হাকেম বলেনঃ হাদীছটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী ছহীহ, কিন্তু তাঁরা তা নিজেদের পুস্তকে উল্লেখ করেন নি।) ইবনে মাজাহর অপর বর্ণনায়ঃ مَا مِنْ رَجُلٍ يَحْفَظُ عِلْمًا فَيَكْتُمُهُ إِلَّا أَتَي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَلْجُوْمًا بِلِجَامٍ مِنْ النَّارِ “কোন মানুষ যদি কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে আর সে তা গোপন করে। তবে সে ক্বিয়ামত দিবসে আগুনের লাগাম পরানো অবস্থায় উপস্থিত হবে।"

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কেউ যদি কোন বিষয়ের ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়, আর সে তা গোপন রাখে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে তার মুখে আগুনের লাগাম পরানো হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, বায়হাক্বী এবং অনুরূপ বাক্যে হাকেম। হাকেম বলেনঃ হাদীছটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী ছহীহ, কিন্তু তাঁরা তা নিজেদের পুস্তকে উল্লেখ করেন নি।) ইবনে মাজাহর অপর বর্ণনায়ঃ مَا مِنْ رَجُلٍ يَحْفَظُ عِلْمًا فَيَكْتُمُهُ إِلَّا أَتَي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَلْجُوْمًا بِلِجَامٍ مِنْ النَّارِ “কোন মানুষ যদি কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে আর সে তা গোপন করে। তবে সে ক্বিয়ামত দিবসে আগুনের লাগাম পরানো অবস্থায় উপস্থিত হবে।"

(صحيح) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سئل عن علم فكتمه ألجم يوم القيامة بلجام من نار. رواه أبو داود والترمذي وحسنه وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والبيهقي ورواه الحاكم


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > জ্ঞান লাভ করে আমল না করা এবং যা করে না তা বলার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ

সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৩

(صحيح) عن زيد بن أرقم رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول اللهم إني أعوذ بك من علم لا ينفع ومن قلب لا يخشع ومن نفس لا تشبع ومن دعوة لا يستجاب لها. رواه مسلم والترمذي والنسائي

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই দু'আটি পাঠ করতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আশ্রয় চাই এমন বিদ্যা থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা ভীত হয় না, এমন আত্মা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না এবং এমন দু’আ থেকে যা কবুল হয় না।” (হাদীছটি ইমাম মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ প্রমূখ বৰ্ণনা করেছেন)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই দু'আটি পাঠ করতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আশ্রয় চাই এমন বিদ্যা থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা ভীত হয় না, এমন আত্মা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না এবং এমন দু’আ থেকে যা কবুল হয় না।” (হাদীছটি ইমাম মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ প্রমূখ বৰ্ণনা করেছেন)

(صحيح) عن زيد بن أرقم رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول اللهم إني أعوذ بك من علم لا ينفع ومن قلب لا يخشع ومن نفس لا تشبع ومن دعوة لا يستجاب لها. رواه مسلم والترمذي والنسائي


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৬

(صحيح) وعن أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزول قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن عمره فيما أفناه وعن علمه فيم فعل وعن ماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وعن جسمه فيم أبلاه. رواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে কোন বান্দার পদদ্বয় টলবে না যতক্ষণ তাকে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রশ্ন না করা হবেঃ তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা শেষ করেছে। তার জ্ঞান সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে? তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে? এবং তার শরীর সম্পর্কে কিভাবে তা বিনষ্ট করেছে।" (ইমাম তিরমিয়ী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ হাদীছটি হাসান ছহীহ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে কোন বান্দার পদদ্বয় টলবে না যতক্ষণ তাকে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রশ্ন না করা হবেঃ তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা শেষ করেছে। তার জ্ঞান সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে? তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে? এবং তার শরীর সম্পর্কে কিভাবে তা বিনষ্ট করেছে।" (ইমাম তিরমিয়ী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ হাদীছটি হাসান ছহীহ)

(صحيح) وعن أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزول قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن عمره فيما أفناه وعن علمه فيم فعل وعن ماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وعن جسمه فيم أبلاه. رواه الترمذي وقال حديث حسن صحيح


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৫

(صحيح) قال وإني سمعته يقول يعني النبي صلى الله عليه وسلم ، مررت ليلة أسري بي على بأقوام تقرض شفاههم بمقاريض من نار قلت: من هؤلاء يا جبريل؟ قال: خطباء الذين يقولون ما لا يفعلون. رواه البخاري ومسلم واللفظ له ورواه ابن أبي الدنيا وابن حبان والبيهقي من حديث أنس

তিনি [১] আরো বলেনঃ আমি শুনেছি তিনি- অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলেছেনঃ “মে'রাজের রাতে আমি একদল লোকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি। যাদের ঠোঁটগুলো আগুনের কেঁচি দ্বারা কাটা হচ্ছিল। আমি জিজ্ঞেস করেছি এরা কারা হে জিবরীল? তিনি বলেছেনঃ এরা আপনার উম্মতের বক্তাশ্রেণী। তারা এমন কথা বলতো যা নিজেরা আমল করতো না।” (বুখারী ও মুসলিম) হাদীছের বাক্য মুসলিমের। [২] হাদীছটি [৩] ইবনে আবী দুনিয়া, ইবনে হিব্বান ও বায়হাক্বী আনাস (রাঃ)এর বরাতে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবী দুনিয়া ও বায়হাক্বী তাদের বর্ণনায় নিম্নের কথাটি বৃদ্ধি করেনঃ (আরবি) “তারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করতো কিন্তু তার প্রতি আমল করতো না।”

তিনি [১] আরো বলেনঃ আমি শুনেছি তিনি- অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলেছেনঃ “মে'রাজের রাতে আমি একদল লোকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি। যাদের ঠোঁটগুলো আগুনের কেঁচি দ্বারা কাটা হচ্ছিল। আমি জিজ্ঞেস করেছি এরা কারা হে জিবরীল? তিনি বলেছেনঃ এরা আপনার উম্মতের বক্তাশ্রেণী। তারা এমন কথা বলতো যা নিজেরা আমল করতো না।” (বুখারী ও মুসলিম) হাদীছের বাক্য মুসলিমের। [২] হাদীছটি [৩] ইবনে আবী দুনিয়া, ইবনে হিব্বান ও বায়হাক্বী আনাস (রাঃ)এর বরাতে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবী দুনিয়া ও বায়হাক্বী তাদের বর্ণনায় নিম্নের কথাটি বৃদ্ধি করেনঃ (আরবি) “তারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করতো কিন্তু তার প্রতি আমল করতো না।”

(صحيح) قال وإني سمعته يقول يعني النبي صلى الله عليه وسلم ، مررت ليلة أسري بي على بأقوام تقرض شفاههم بمقاريض من نار قلت: من هؤلاء يا جبريل؟ قال: خطباء الذين يقولون ما لا يفعلون. رواه البخاري ومسلم واللفظ له ورواه ابن أبي الدنيا وابن حبان والبيهقي من حديث أنس


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৪

(صحيح) وعن أسامة بن زيد رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يجاء بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق أقتابه في النار فيدور كما يدور الحمار برحاه فيجتمع أهل النار عليه فيقولون أي فلان ما شأنك ألست كنت تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر قال كنت آمركم بالمعروف ولا آتيه وأنهاكم عن المنكر وآتيه. (رواه البخاري والبيهقي)

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে জনৈক ব্যক্তিকে (যে জ্ঞান অনুযায়ী আমল করত না তাকে) নিয়ে আসা হবে, অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তাতে তার পেটের নাড়ি-ভুঁড়ি বের হয়ে আসবে, তারপর তা নিয়ে সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা যাঁতা নিয়ে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীগণ তার কাছে একত্রিত হয়ে জিজ্ঞেস করবেঃ ওহে উমুক! কি ব্যাপার তোমার? তুমি না সৎকাজের আদেশ করতে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতে? সে বলবেঃ হ্যাঁ, আমি সৎকাজের আদেশ করতাম কিন্তু নিজে তা করতাম না। অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতাম কিন্তু আমি নিজেই তা করতাম।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী ও বাইহাকী)

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে জনৈক ব্যক্তিকে (যে জ্ঞান অনুযায়ী আমল করত না তাকে) নিয়ে আসা হবে, অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তাতে তার পেটের নাড়ি-ভুঁড়ি বের হয়ে আসবে, তারপর তা নিয়ে সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা যাঁতা নিয়ে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীগণ তার কাছে একত্রিত হয়ে জিজ্ঞেস করবেঃ ওহে উমুক! কি ব্যাপার তোমার? তুমি না সৎকাজের আদেশ করতে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতে? সে বলবেঃ হ্যাঁ, আমি সৎকাজের আদেশ করতাম কিন্তু নিজে তা করতাম না। অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতাম কিন্তু আমি নিজেই তা করতাম।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী ও বাইহাকী)

(صحيح) وعن أسامة بن زيد رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يجاء بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق أقتابه في النار فيدور كما يدور الحمار برحاه فيجتمع أهل النار عليه فيقولون أي فلان ما شأنك ألست كنت تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر قال كنت آمركم بالمعروف ولا آتيه وأنهاكم عن المنكر وآتيه. (رواه البخاري والبيهقي)


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩০

(صحيح لغيره) وروي عن أبي برزة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه، مثل الفتيلة، تضيء على الناس وتحرق نفسها. رواه البزار

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজের (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে চেরাগের মত। চেরাগ মানুষকে আলো প্ৰদান করে ঠিকই কিন্তু নিজেকে জ্বলিয়ে দেয়। (অর্থাৎ মানুষ উপকৃত হয় ঠিকই, কিন্তু আমল না করার কারণে সে নিজের ক্ষতি সাধন করে)” (এ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বাযযার)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজের (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে চেরাগের মত। চেরাগ মানুষকে আলো প্ৰদান করে ঠিকই কিন্তু নিজেকে জ্বলিয়ে দেয়। (অর্থাৎ মানুষ উপকৃত হয় ঠিকই, কিন্তু আমল না করার কারণে সে নিজের ক্ষতি সাধন করে)” (এ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বাযযার)

(صحيح لغيره) وروي عن أبي برزة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه، مثل الفتيلة، تضيء على الناس وتحرق نفسها. رواه البزار


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩১

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩১

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩১

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি ছিলেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দান করে অথচ নিজে (আমলের) কথা ভুলে যায়; তার উদাহরণ হচ্ছে বাতির মত। যে বাতি মানুষকে আলো দেয় ঠিকই কিন্তু নিজেকে পুড়িয়ে দেয়।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(حسن )وعن جندب بن عبد الله الأزدي رضي الله عنه صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: مثل الذي يعلم الناس الخير وينسى نفسه كمثل السراج يضيء للناس ويحرق نفسه. الحديث رواه الطبراني في الكبير


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৯

(صحيح لغيره موقوف) وعن لقمان يعني ابن عامر قال: كان أبو الدرداء يقول:"إنما أخشى من ربي يوم القيامة أن يدعوني على رؤوس الخلائق، فيقول لي: يا عويمر! فأقول: لبيك رب، فيقول: ما عملت فيما علمت؟" رواه البيهقي

তিনি বলেন, আবু দারদা (রাঃ) বলতেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে আমি আমার পালনকর্তকে ভয় করছি যে, তিনি আমাকে সকল সৃষ্টির সম্মুখে ডেকে বলবেনঃ হে উওয়াইমের! আমি বলবঃ লাব্বাইকা হে আমার পালনকর্তা! তখন তিনি বলবেনঃ যা শিক্ষা লাভ করেছে তদানুযায়ী কী আমল করেছিলে?” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বায়হাকী) হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ

তিনি বলেন, আবু দারদা (রাঃ) বলতেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে আমি আমার পালনকর্তকে ভয় করছি যে, তিনি আমাকে সকল সৃষ্টির সম্মুখে ডেকে বলবেনঃ হে উওয়াইমের! আমি বলবঃ লাব্বাইকা হে আমার পালনকর্তা! তখন তিনি বলবেনঃ যা শিক্ষা লাভ করেছে তদানুযায়ী কী আমল করেছিলে?” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বায়হাকী) হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ

(صحيح لغيره موقوف) وعن لقمان يعني ابن عامر قال: كان أبو الدرداء يقول:"إنما أخشى من ربي يوم القيامة أن يدعوني على رؤوس الخلائق، فيقول لي: يا عويمر! فأقول: لبيك رب، فيقول: ما عملت فيما علمت؟" رواه البيهقي


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩২

(صحيح) و عن عمران بن حصين رضي الله عنه ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : "إن أخوف ما أخاف عليكم بعدي منافق عليم اللسان. رواه الطبراني في الكبير والبزار

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আমার পরে তোমাদের জন্য আমি সবচেয়ে বেশী ভয় করছি, প্রত্যেক বিজ্ঞ ভাষাবিদ মুনাফেককে।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] এবং বাযযার হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “আমার পরে তোমাদের জন্য আমি সবচেয়ে বেশী ভয় করছি, প্রত্যেক বিজ্ঞ ভাষাবিদ মুনাফেককে।” (ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] এবং বাযযার হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)

(صحيح) و عن عمران بن حصين رضي الله عنه ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : "إن أخوف ما أخاف عليكم بعدي منافق عليم اللسان. رواه الطبراني في الكبير والبزار


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৭

(صحيح) ورواه البيهقي وغيره من حديث معاذ بن جبل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما تزال قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن أربع: عن عمره فيما أفناه، وعن شبابه فيم أبلاه وماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وعن علمه ماذا عمل فيه؟

হাদীছটি বায়হাক্বী প্রমূখ মুআ’য বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে বান্দার পদদ্বয় নড়বে না যে পর্যন্ত তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করা হয়ঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা লয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তাকে পুরাতন করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং কোন পথে তা খরচ করেছে। (৪) আর তার বিদ্যা সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে?”

হাদীছটি বায়হাক্বী প্রমূখ মুআ’য বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “ক্বিয়ামত দিবসে বান্দার পদদ্বয় নড়বে না যে পর্যন্ত তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করা হয়ঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা লয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তাকে পুরাতন করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং কোন পথে তা খরচ করেছে। (৪) আর তার বিদ্যা সম্পর্কে তা দ্বারা কি আমল করেছে?”

(صحيح) ورواه البيهقي وغيره من حديث معاذ بن جبل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما تزال قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن أربع: عن عمره فيما أفناه، وعن شبابه فيم أبلاه وماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وعن علمه ماذا عمل فيه؟


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২৮

(حسن لغيره) وعن ابن مسعود رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يزول قدما ابن آدم يوم القيامة حتى يسأل عن خمس عن عمره فيم أفناه وعن شبابه فيم أبلاه وماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وماذا عمل فيما علم؟ رواه الترمذي أيضا والبيهقي وقال الترمذي حديث غريب

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) “পাঁচটি বিষয়ে প্রশ্ন না করা পর্যন্ত ক্বিয়ামত দিবসে আদম সন্তানের পদদ্বয় নড়বে নাঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা ক্ষয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং (৪) কোন পথে তা খরচ করেছে। (৫) আর যা শিখেছে সে অনুযায়ী কি আমল করেছে?" (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও বায়হাকী, তিরমিযী বলেন, হাদীছটি হাসান গরীব)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) “পাঁচটি বিষয়ে প্রশ্ন না করা পর্যন্ত ক্বিয়ামত দিবসে আদম সন্তানের পদদ্বয় নড়বে নাঃ (১) তার বয়স সম্পর্কে কিভাবে তা ক্ষয় করেছে। (২) তার যৌবন সম্পর্কে কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে। (৩) তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে তা উপার্জন করেছে? এবং (৪) কোন পথে তা খরচ করেছে। (৫) আর যা শিখেছে সে অনুযায়ী কি আমল করেছে?" (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও বায়হাকী, তিরমিযী বলেন, হাদীছটি হাসান গরীব)

(حسن لغيره) وعن ابن مسعود رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يزول قدما ابن آدم يوم القيامة حتى يسأل عن خمس عن عمره فيم أفناه وعن شبابه فيم أبلاه وماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وماذا عمل فيما علم؟ رواه الترمذي أيضا والبيهقي وقال الترمذي حديث غريب


সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১৩৩

উক্ত হাদীছটি ইমাম আহমাদ উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

উক্ত হাদীছটি ইমাম আহমাদ উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00