সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > ওলামাগণকে সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা দেয়ার প্রতি উদ্ধৃদ্ধ করণ ও তাদেরকে অসম্মান করা ও তাদেরকে পরওয়া না করার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০১
(حسن ) وعن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ليس من أمتي من لم يجل كبيرنا، ويرحم صغيرنا، ويعرف لعالمنا. رواه أحمد بإسناد حسن والطبراني والحاكم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি আমাদের বড়দেরকে শ্রদ্ধা করে না, ছোটদের প্রতি রহম করে না এবং আলেমদের মর্যাদা বুঝে না সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ, ত্বাবরানী ও হাকেম)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি আমাদের বড়দেরকে শ্রদ্ধা করে না, ছোটদের প্রতি রহম করে না এবং আলেমদের মর্যাদা বুঝে না সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ, ত্বাবরানী ও হাকেম)
(حسن ) وعن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ليس من أمتي من لم يجل كبيرنا، ويرحم صغيرنا، ويعرف لعالمنا. رواه أحمد بإسناد حسن والطبراني والحاكم
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০২
(صحيح لغيره) وعن واثلة بن الأسقع قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويجل كبيرنا. رواه الطبراني
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং বড়দেরকে সম্মান করে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং বড়দেরকে সম্মান করে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح لغيره) وعن واثلة بن الأسقع قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويجل كبيرنا. رواه الطبراني
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ৯৭
(صحيح) عن جابر رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى أحد يعني في القبر ثم يقول أيهما أكثر أخذا للقرآن فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد. رواه البخاري
তিনি বলেন, ওহুদ যুদ্ধে শহীদদেরকে কবর দেয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ব্যক্তিকে একসাথে রাখছিলেন এবং বলছিলেনঃ “দু’জনের মধ্যে কে বেশী কুরআন জানত? যখন কোন এক ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করা হত, তখন তাকে প্রথমে কবরে রাখতেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বুখারী)
তিনি বলেন, ওহুদ যুদ্ধে শহীদদেরকে কবর দেয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ব্যক্তিকে একসাথে রাখছিলেন এবং বলছিলেনঃ “দু’জনের মধ্যে কে বেশী কুরআন জানত? যখন কোন এক ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করা হত, তখন তাকে প্রথমে কবরে রাখতেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন বুখারী)
(صحيح) عن جابر رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى أحد يعني في القبر ثم يقول أيهما أكثر أخذا للقرآن فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد. رواه البخاري
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ৯৯
(صحيح) وعن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: البركة مع أكابركم رواه الطبراني في الأوسط والحاكم وقال صحيح على شرط مسلم
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের বয়স্ক ব্যক্তির সাথে রয়েছে বরকত।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ত্বাবরানী [আওসাত গ্রন্থে] এবং হাকেম, তিনি বলেন, মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীছটি সহীহ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “তোমাদের বয়স্ক ব্যক্তির সাথে রয়েছে বরকত।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ত্বাবরানী [আওসাত গ্রন্থে] এবং হাকেম, তিনি বলেন, মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীছটি সহীহ)
(صحيح) وعن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: البركة مع أكابركم رواه الطبراني في الأوسط والحاكم وقال صحيح على شرط مسلم
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০০
(صحيح) وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس منا من لم يرحم صغيرنا، ولم يعرف حق كبيرنا. رواه الحاكم وقال صحيح على شرط مسلم
তিনি বর্ণনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি ছোটদের প্রতি স্নেহশীল নয় এবং বড়দের হক বুঝে না (তাদের শ্রদ্ধা করে না) সে আমার (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন হাকেম, তিনি বলেন, মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীছটি সহীহ)
তিনি বর্ণনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি ছোটদের প্রতি স্নেহশীল নয় এবং বড়দের হক বুঝে না (তাদের শ্রদ্ধা করে না) সে আমার (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন হাকেম, তিনি বলেন, মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীছটি সহীহ)
(صحيح) وعن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس منا من لم يرحم صغيرنا، ولم يعرف حق كبيرنا. رواه الحاكم وقال صحيح على شرط مسلم
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ৯৮
(حسن ) و عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن من إجلال الله إكرام ذي الشيبة المسلم وحامل القرآن غير الغالي فيه والجافي عنه وإكرام ذي السلطان المقسط. رواه أبو داود
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহকে মর্যাদা দেয়ার অন্তর্ভুক্ত হল এই ব্যক্তিবর্গকে সম্মান করাঃ (১) বৃদ্ধ মুসলিম ব্যক্তি (২) কুরআন ধারণকারী [১] যিনি সে ব্যাপারে অতিরঞ্জনকারী নয় এবং তার সাথে রুঢ় আচরণকারীও নয়। এবং (৩) ন্যায় পরায়ন শাসককে সম্মান করা। (আবু দাউদ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহকে মর্যাদা দেয়ার অন্তর্ভুক্ত হল এই ব্যক্তিবর্গকে সম্মান করাঃ (১) বৃদ্ধ মুসলিম ব্যক্তি (২) কুরআন ধারণকারী [১] যিনি সে ব্যাপারে অতিরঞ্জনকারী নয় এবং তার সাথে রুঢ় আচরণকারীও নয়। এবং (৩) ন্যায় পরায়ন শাসককে সম্মান করা। (আবু দাউদ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن ) و عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن من إجلال الله إكرام ذي الشيبة المسلم وحامل القرآن غير الغالي فيه والجافي عنه وإكرام ذي السلطان المقسط. رواه أبو داود
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৩
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৩
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৩
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
তিনি তাঁর পিতা থেকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের মর্যাদা বুঝে না সে আমাদের (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ও আবু দাউদ) তবে আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, (আরবি) এবং আমাদের বড়দের হক (শ্রদ্ধা) জানে না…।
(حسن صحيح) وعن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس منا من لم يرحم صغيرنا ويعرف شرف كبيرنا. رواه الترمذي وأبو داود
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৪
(حسن ) وعن عبد الله بن بسر، قال:"لقد سمعت حديثا منذ زمان: إذا كنت في قوم عشرين رجلا، أو أقل، أو أكثر، فتصفحت في وجوههم، فلم تر فيهم رجلا يهاب في الله، فاعلم أن الأمر قد رق ". رواه أحمد والطبراني في الكبير
তিনি বলেন, আমি বহুদিন পূর্বে একটি হাদীছ শুনেছিলামঃ “তুমি যদি কোন লোকদের মাঝে থাক যেখানে বিশজন বা তার চাইতে কম বা বেশী লোক থাকে। অতঃপর তাদের চেহারা দেখে যদি এমন কোন ব্যক্তি না পাও যাকে মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর ব্যাপারে ভয় করা হয়। [১] তবে মনে করবে দ্বীন ক্ষীণ হয়ে গেছে।” (আহমাদ ও ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাসান সনদে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, আমি বহুদিন পূর্বে একটি হাদীছ শুনেছিলামঃ “তুমি যদি কোন লোকদের মাঝে থাক যেখানে বিশজন বা তার চাইতে কম বা বেশী লোক থাকে। অতঃপর তাদের চেহারা দেখে যদি এমন কোন ব্যক্তি না পাও যাকে মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর ব্যাপারে ভয় করা হয়। [১] তবে মনে করবে দ্বীন ক্ষীণ হয়ে গেছে।” (আহমাদ ও ত্বাবরানী [কাবীর গ্রন্থে] হাসান সনদে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن ) وعن عبد الله بن بسر، قال:"لقد سمعت حديثا منذ زمان: إذا كنت في قوم عشرين رجلا، أو أقل، أو أكثر، فتصفحت في وجوههم، فلم تر فيهم رجلا يهاب في الله، فاعلم أن الأمر قد رق ". رواه أحمد والطبراني في الكبير
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > আল্লাহ তা’আলার সম্ভষ্টি ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জনের প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৮
হাদীছটি অনুরূভাবে ইবনে মাজাহ হুযায়ফা (রাঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।
হাদীছটি অনুরূভাবে ইবনে মাজাহ হুযায়ফা (রাঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৬
(صحيح لغيره) وروي عن كعب بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من طلب العلم ليجاري به العلماء أو ليماري به السفهاء أو يصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله النار. رواه الترمذي واللفظ له وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره والحاكم شاهدا والبيهقي، وقال الترمذي حديث غريب
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যান্বেষন করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা ওলামাদের কাতারে শামিল হবে। অথবা দুর্বল বিবেক সম্পন্ন লোকদের সাথে বিতর্ক করবে এবং মানুষের দৃষ্টি তার দিকে ফিরাবে। তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী, ইবনু আবী দুনিয়া [কিতাবুছ ছমত গ্রন্থে] ও বায়হাকী। হাকেম অন্য হাদীছের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি গরীব। এ হাদীসের শব্দরূপ তাঁর কিতাব থেকেই গৃহীত হয়েছে)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যান্বেষন করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা ওলামাদের কাতারে শামিল হবে। অথবা দুর্বল বিবেক সম্পন্ন লোকদের সাথে বিতর্ক করবে এবং মানুষের দৃষ্টি তার দিকে ফিরাবে। তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী, ইবনু আবী দুনিয়া [কিতাবুছ ছমত গ্রন্থে] ও বায়হাকী। হাকেম অন্য হাদীছের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি গরীব। এ হাদীসের শব্দরূপ তাঁর কিতাব থেকেই গৃহীত হয়েছে)
(صحيح لغيره) وروي عن كعب بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من طلب العلم ليجاري به العلماء أو ليماري به السفهاء أو يصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله النار. رواه الترمذي واللفظ له وابن أبي الدنيا في كتاب الصمت وغيره والحاكم شاهدا والبيهقي، وقال الترمذي حديث غريب
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৭
(صحيح لغيره) وعن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : لا تعلموا العلم لتباهوا به العلماء ولا لتماروا به السفهاء ولا تخيروا به المجالس فمن فعل ذلك فالنار النار. رواه ابن ماجه وابن حبان والبيهقي
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা এই উদ্দেশ্যে জ্ঞান শিক্ষা করো না যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করবে, মজলিস বা মাহফিলের উত্তম স্থানে বসবে। যে এরূপ করবে তার জন্যে রয়েছে আগুন, আগুন। (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান ও বায়হাকী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)। [১]
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা এই উদ্দেশ্যে জ্ঞান শিক্ষা করো না যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, নির্বোধদের সাথে ঝগড়া করবে, মজলিস বা মাহফিলের উত্তম স্থানে বসবে। যে এরূপ করবে তার জন্যে রয়েছে আগুন, আগুন। (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান ও বায়হাকী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)। [১]
(صحيح لغيره) وعن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : لا تعلموا العلم لتباهوا به العلماء ولا لتماروا به السفهاء ولا تخيروا به المجالس فمن فعل ذلك فالنار النار. رواه ابن ماجه وابن حبان والبيهقي
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৫
(صحيح لغيره) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم علما مما يبتغى به وجه الله عز وجل لا يتعلمه إلا ليصيب به عرضا من الدنيا لم يجد عرف الجنة يوم القيامة يعني ريحها. رواه أبو داود وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح على شرط البخاري ومسلم
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ “আল্লাহর সম্ভষ্টির উদ্দেশ্যে যে ইলম অর্জন করতে হয়, তা যদি কোন মানুষ দুনিয়ার উদ্দেশ্য হাসিলের নিমিত্তে অর্জন করে, তবে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের সুঘ্ৰাণও পাবে না।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ইবনে হিব্বান ও হাকেম। হাকেম বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ) ইতিপূর্বে আবু হুরায়রা (রাঃ)এর হাদীছ রিয়া অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে (হাদীছ নং ২২), তাতে বলা হয়ঃ رجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن، قال كذبت ولكنك تعلمت ليقال عالم وقرأت القرآن ليقال هو قارىء فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، الحديث رواه مسلم وغيره “(কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির যে জ্ঞানার্জন করেছিল ও মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছিল এবং কুরআন পাঠ করেছিল। তাকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত সমূহের পরিচয় করবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, কি আমল করেছ এই নেয়ামত দ্বারা। সে বলবে, জ্ঞানার্জন করেছি এবং মানুষকে তা শিখিয়েছি। আর আপনার সম্ভাষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ, বরং তুমি জ্ঞানার্জন করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে আলেম বা জ্ঞানী। কুরআন পাঠ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে ক্বারী বা পাঠক। আর তা তো বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তখন তাকে মুখের ভরে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (হাদীছটি মুসলিম প্রমূখ বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেনঃ “আল্লাহর সম্ভষ্টির উদ্দেশ্যে যে ইলম অর্জন করতে হয়, তা যদি কোন মানুষ দুনিয়ার উদ্দেশ্য হাসিলের নিমিত্তে অর্জন করে, তবে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের সুঘ্ৰাণও পাবে না।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ইবনে হিব্বান ও হাকেম। হাকেম বলেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী সহীহ) ইতিপূর্বে আবু হুরায়রা (রাঃ)এর হাদীছ রিয়া অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে (হাদীছ নং ২২), তাতে বলা হয়ঃ رجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن، قال كذبت ولكنك تعلمت ليقال عالم وقرأت القرآن ليقال هو قارىء فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، الحديث رواه مسلم وغيره “(কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির যে জ্ঞানার্জন করেছিল ও মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছিল এবং কুরআন পাঠ করেছিল। তাকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত সমূহের পরিচয় করবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, কি আমল করেছ এই নেয়ামত দ্বারা। সে বলবে, জ্ঞানার্জন করেছি এবং মানুষকে তা শিখিয়েছি। আর আপনার সম্ভাষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ, বরং তুমি জ্ঞানার্জন করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে আলেম বা জ্ঞানী। কুরআন পাঠ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, (তোমাকে) বলা হবে ক্বারী বা পাঠক। আর তা তো বলা হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে, তখন তাকে মুখের ভরে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (হাদীছটি মুসলিম প্রমূখ বর্ণনা করেছেন)
(صحيح لغيره) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم علما مما يبتغى به وجه الله عز وجل لا يتعلمه إلا ليصيب به عرضا من الدنيا لم يجد عرف الجنة يوم القيامة يعني ريحها. رواه أبو داود وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح على شرط البخاري ومسلم
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১০৯
(صحيح لغيره) وروي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم : من طلب العلم ليباهي به العلماء أو ليماري به السفهاء أو ليصرف وجوه الناس إليه فهو في النار. رواه ابن ماجه
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যাম্বেষণ করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, মূর্খ লোকদের সাথে ঝগড়া করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে সে জাহান্নামে যাবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যাম্বেষণ করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেমদের মাঝে গর্ব করবে, মূর্খ লোকদের সাথে ঝগড়া করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে সে জাহান্নামে যাবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)
(صحيح لغيره) وروي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم : من طلب العلم ليباهي به العلماء أو ليماري به السفهاء أو ليصرف وجوه الناس إليه فهو في النار. رواه ابن ماجه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১০
(صحيح لغيره) وروي عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم العلم ليباهي به العلماء وليماري به السفهاء ويصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله جهنم. رواه ابن ماجه أيضا
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেম সমাজে গৰ্ব-অহংকার করবে, মূর্খ লোকদের সাথে বিতর্ক করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন।” (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা করবে এই উদ্দেশ্যে যে, তা দ্বারা আলেম সমাজে গৰ্ব-অহংকার করবে, মূর্খ লোকদের সাথে বিতর্ক করবে অথবা তার দিকে মানুষের দৃষ্টি ফিরাবে, তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন।” (এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ)
(صحيح لغيره) وروي عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تعلم العلم ليباهي به العلماء وليماري به السفهاء ويصرف به وجوه الناس إليه أدخله الله جهنم. رواه ابن ماجه أيضا
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১১
(صحيح لغيره موقوف) وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال: كيف بكم إذا لبستكم فتنة يربو فيها الصغير ويهرم فيها الكبير، وتتخذ سنة فإن غيرت يوما قيل هذا منكر قيل: ومتى ذاك؟ قال: إذا وقلت أمناؤكم وكثرت أمراؤكم وقلت فقهاؤكم وكثرت قراؤكم وتفقه لغير الدين والتمست الدنيا بعمل الآخرة. رواه عبد الرزاق في كتابه موقوفا
তিনি বলেনঃ “তখন তোমাদের অবস্থা কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদেরকে ঘিরে ধরবে। ওর মধ্যেই ছোটরা লালিত-পালিত হবে, বড়রা বৃদ্ধ হবে। আর ওটাকেই (ঐ ফিতনাকেই) সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কোন দিন যদি তা পরিবর্তন (ঐ ফিতনাকে উৎখাত) করা হয়, তখন বলা হবে এটা গৰ্হিত কাজ। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কখন এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ যখন তোমাদের মাঝে বিশ্বস্থ (আমানতদার) লোকের সংখ্যা কম হবে, নেতৃবৃন্দের সংখ্যা বেশী হবে। ফিকাহবীদের সংখ্যা কম হবে এবং ক্বারীদের সংখ্যা বেশী হবে। আর দ্বীনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করা হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার (সম্পদ) অনুসন্ধান করা হবে।” (আবদুর রাজ্জাক [মুসান্নাফ গ্রন্থে] মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন) [১] হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ
তিনি বলেনঃ “তখন তোমাদের অবস্থা কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদেরকে ঘিরে ধরবে। ওর মধ্যেই ছোটরা লালিত-পালিত হবে, বড়রা বৃদ্ধ হবে। আর ওটাকেই (ঐ ফিতনাকেই) সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। কোন দিন যদি তা পরিবর্তন (ঐ ফিতনাকে উৎখাত) করা হয়, তখন বলা হবে এটা গৰ্হিত কাজ। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কখন এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ যখন তোমাদের মাঝে বিশ্বস্থ (আমানতদার) লোকের সংখ্যা কম হবে, নেতৃবৃন্দের সংখ্যা বেশী হবে। ফিকাহবীদের সংখ্যা কম হবে এবং ক্বারীদের সংখ্যা বেশী হবে। আর দ্বীনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করা হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়ার (সম্পদ) অনুসন্ধান করা হবে।” (আবদুর রাজ্জাক [মুসান্নাফ গ্রন্থে] মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন) [১] হাদিসের মানঃ সহিহ লিগাইরিহি মাওকুফ
(صحيح لغيره موقوف) وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال: كيف بكم إذا لبستكم فتنة يربو فيها الصغير ويهرم فيها الكبير، وتتخذ سنة فإن غيرت يوما قيل هذا منكر قيل: ومتى ذاك؟ قال: إذا وقلت أمناؤكم وكثرت أمراؤكم وقلت فقهاؤكم وكثرت قراؤكم وتفقه لغير الدين والتمست الدنيا بعمل الآخرة. رواه عبد الرزاق في كتابه موقوفا
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > জ্ঞানের সম্প্রচার এবং কল্যাণের পথ দেখানোর প্রতি উদ্বুদ্ধ করণঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৭
উক্ত হাদীছটি ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] সাহল বিন সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
উক্ত হাদীছটি ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] সাহল বিন সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১২
(حسن ) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته. رواه ابن ماجة بإسناد حسن، والبيهقي، ورواه ابن خزيمة في صحيحه بنحوه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “মু’মিন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আমল ও নেকীর কাজ থেকে যা (ছোয়াব) তার নিকট পৌঁছবে তা হল, ইলম যা সে শিক্ষা দান করেছে ও প্রচার করেছে। রেখে যাওয়া সৎ সন্তান (অর্থাৎ তার দু’আ)। অথবা একটি কুরআন যা সে উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে গেছে। অথবা একটি মসজিদ তৈরী করেছে বা মুসাফিরের জন্য একটি ঘর নিমাণ করেছে। অথবা একটি নদী প্রবাহিত করেছে। অথবা তার জীবদ্দশায় সুস্থ থাকাকালে নিজের সম্পদ থেকে সাদকা করে গেছে। এগুলোর ছোয়াব মৃত্যুর পর তার কাছে পৌঁছতে থাকবে।" (ইবনে মাজাহ, বায়হাক্বী এবং অনুরূপভাবে ইবনে খুযায়মা হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “মু’মিন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আমল ও নেকীর কাজ থেকে যা (ছোয়াব) তার নিকট পৌঁছবে তা হল, ইলম যা সে শিক্ষা দান করেছে ও প্রচার করেছে। রেখে যাওয়া সৎ সন্তান (অর্থাৎ তার দু’আ)। অথবা একটি কুরআন যা সে উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে গেছে। অথবা একটি মসজিদ তৈরী করেছে বা মুসাফিরের জন্য একটি ঘর নিমাণ করেছে। অথবা একটি নদী প্রবাহিত করেছে। অথবা তার জীবদ্দশায় সুস্থ থাকাকালে নিজের সম্পদ থেকে সাদকা করে গেছে। এগুলোর ছোয়াব মৃত্যুর পর তার কাছে পৌঁছতে থাকবে।" (ইবনে মাজাহ, বায়হাক্বী এবং অনুরূপভাবে ইবনে খুযায়মা হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن ) عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إن مما يلحق المؤمن من عمله وحسناته بعد موته علما علمه ونشره وولدا صالحا تركه ومصحفا ورثه أو مسجدا بناه أو بيتا لابن السبيل بناه أو نهرا أجراه أو صدقة أخرجها من ماله في صحته وحياته يلحقه من بعد موته. رواه ابن ماجة بإسناد حسن، والبيهقي، ورواه ابن خزيمة في صحيحه بنحوه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৪
(صحيح لغيره) وروي عن أبي أمامة رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أربعة تجري عليهم أجورهم بعد الموت: رجل مات مرابطا في سبيل الله، و رجل علم علما فأجره يجري عليه ما عمل به ، ورجل أجرى صدقة فأجرها له ما جرت، ورجل ترك ولدا صالحا يدعو له. رواه الإمام أحمد والبزار والطبراني في الكبير والأوسط
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “চারটি আমলের ছোয়াব মৃত্যুর পরেও জারি থাকেঃ (১) যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে সীমান্ত পাহারারত থেকে মৃত্যু বরণ করে। (২) যে ব্যক্তি (মানুষকে) এলেম শিক্ষা দেয়। তদানুযায়ী যা আমল করা হয় তার ছোয়াব তার জন্যে জারি থাকে। (৩) যে ব্যক্তি সাদকায়ে জারিয়া করে। যতদিন ঐ সাদকার উপকার জারি থাকে। ততদিন ছোয়াবও তার জন্যে জারি থাকবে। (৪) যে ব্যক্তি নেক সন্তান রেখে যায়, যে তার জন্যে দু’আ করে।” (ইমাম আহমাদ, বাযযার, ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে একথা বলতে শুনেছিঃ “চারটি আমলের ছোয়াব মৃত্যুর পরেও জারি থাকেঃ (১) যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে সীমান্ত পাহারারত থেকে মৃত্যু বরণ করে। (২) যে ব্যক্তি (মানুষকে) এলেম শিক্ষা দেয়। তদানুযায়ী যা আমল করা হয় তার ছোয়াব তার জন্যে জারি থাকে। (৩) যে ব্যক্তি সাদকায়ে জারিয়া করে। যতদিন ঐ সাদকার উপকার জারি থাকে। ততদিন ছোয়াবও তার জন্যে জারি থাকবে। (৪) যে ব্যক্তি নেক সন্তান রেখে যায়, যে তার জন্যে দু’আ করে।” (ইমাম আহমাদ, বাযযার, ত্বাবরানী [কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح لغيره) وروي عن أبي أمامة رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أربعة تجري عليهم أجورهم بعد الموت: رجل مات مرابطا في سبيل الله، و رجل علم علما فأجره يجري عليه ما عمل به ، ورجل أجرى صدقة فأجرها له ما جرت، ورجل ترك ولدا صالحا يدعو له. رواه الإمام أحمد والبزار والطبراني في الكبير والأوسط
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৬
(صحيح) وعن أبي مسعود رضي الله عنه قال أنه قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال: "ما عندي ما أعطيكه، ولكن ائت فلانا". فأتى الرجل فأعطاه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : من دل على خير فله مثل أجر فاعله أوعامله. رواه ابن حبان في صحيحه
তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে কিছু চাইল। তিনি বললেনঃ “তোমাকে যা দিব তা আমার কাছে নেই। কিন্তু উমুক লোকের কাছে যাও। সে লোকটির কাছে গেলে সে তাকে উহা প্ৰদান করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (ইবনে হিব্বান [ছহীহ গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) বাযযার সংক্ষেপে হাদীছটি বর্ণনা করেছেনঃ الدَّالُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ “কল্যাণের বিষয়ে পথ প্ৰদৰ্শনকারী উহা সম্পাদনকারীর ন্যায় (ছওয়াবের অধিকারী)।”
তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে কিছু চাইল। তিনি বললেনঃ “তোমাকে যা দিব তা আমার কাছে নেই। কিন্তু উমুক লোকের কাছে যাও। সে লোকটির কাছে গেলে সে তাকে উহা প্ৰদান করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (ইবনে হিব্বান [ছহীহ গ্রন্থে] হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) বাযযার সংক্ষেপে হাদীছটি বর্ণনা করেছেনঃ الدَّالُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ “কল্যাণের বিষয়ে পথ প্ৰদৰ্শনকারী উহা সম্পাদনকারীর ন্যায় (ছওয়াবের অধিকারী)।”
(صحيح) وعن أبي مسعود رضي الله عنه قال أنه قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فسأله فقال: "ما عندي ما أعطيكه، ولكن ائت فلانا". فأتى الرجل فأعطاه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : من دل على خير فله مثل أجر فاعله أوعامله. رواه ابن حبان في صحيحه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৩
(صحيح) وعن أبي قتادة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير ما يخلف الرجل من بعده ثلاث ولد صالح يدعو له وصدقة تجري يبلغه أجرها وعلم يعمل به من بعده . رواه ابن ماجه بإسناد صحيح
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তি তার (মৃত্যুর) পর যা ছেড়ে যায় তন্মধ্যে সর্বোত্তম হল তিনটি জিনিসঃ (১) নেক সন্তান যে তার জন্যে দুআ করবে। (২) এমন সাদকা যার উপকার জারী থাকে, এর প্রতিদান তার নিকট পৌঁছতে থাকবে। (৩) এমন ইলম (যা সে প্রচার করেছে) তার মৃত্যুর পর সে অনুযায়ী আমল করা হবে।” (ছহীহ সনদে ইবনে মাজাহ এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন) ইতোপূর্বে আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীছ উল্লেখ করা হয়েছেঃ [১] إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثٍ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ رواه مسلم “আদম সন্তান মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ব্যতীত তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়ঃ (১) সাদকায়ে জারিয়া বা (মানুষ উপকার লাভ করে এমন দান) (২) উপকারী বিদ্যা (৩) সৎ সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করে।” (ইমাম মুসলিম হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তি তার (মৃত্যুর) পর যা ছেড়ে যায় তন্মধ্যে সর্বোত্তম হল তিনটি জিনিসঃ (১) নেক সন্তান যে তার জন্যে দুআ করবে। (২) এমন সাদকা যার উপকার জারী থাকে, এর প্রতিদান তার নিকট পৌঁছতে থাকবে। (৩) এমন ইলম (যা সে প্রচার করেছে) তার মৃত্যুর পর সে অনুযায়ী আমল করা হবে।” (ছহীহ সনদে ইবনে মাজাহ এ হাদীছটিও বর্ণনা করেছেন) ইতোপূর্বে আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদীছ উল্লেখ করা হয়েছেঃ [১] إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثٍ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ رواه مسلم “আদম সন্তান মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ব্যতীত তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়ঃ (১) সাদকায়ে জারিয়া বা (মানুষ উপকার লাভ করে এমন দান) (২) উপকারী বিদ্যা (৩) সৎ সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করে।” (ইমাম মুসলিম হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح) وعن أبي قتادة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير ما يخلف الرجل من بعده ثلاث ولد صالح يدعو له وصدقة تجري يبلغه أجرها وعلم يعمل به من بعده . رواه ابن ماجه بإسناد صحيح
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৫
(صحيح) وعن أبي مسعود البدري أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ليستحمله فقال إنه قد أبدع بي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ائت فلانا فأتاه فحمله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من دل على خير فله مثل أجر فاعله أو قال عامله. رواه مسلم وأبو داود والترمذي
তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে একটি বাহন চাইল। অতঃপর বললঃ আমার বাহনটি খোঁড়া হয়ে (সফর বন্ধ হয়ে) গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ উমুক লোকের কাছে যাও। সে তার কাছে গেলে লোকটি তাকে একটি বাহন দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী) হাদীছের বাক্য তিরমিষীর।
তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে একটি বাহন চাইল। অতঃপর বললঃ আমার বাহনটি খোঁড়া হয়ে (সফর বন্ধ হয়ে) গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ উমুক লোকের কাছে যাও। সে তার কাছে গেলে লোকটি তাকে একটি বাহন দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “যে ব্যক্তি ভাল কাজের সন্ধান দিবে, সে উহার কর্তার অথবা বলেছেন সম্পাদনকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী) হাদীছের বাক্য তিরমিষীর।
(صحيح) وعن أبي مسعود البدري أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ليستحمله فقال إنه قد أبدع بي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ائت فلانا فأتاه فحمله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من دل على خير فله مثل أجر فاعله أو قال عامله. رواه مسلم وأبو داود والترمذي
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৮
(صحيح) وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا. رواه مسلم وغيره
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি হেদায়াতের পথে আহবান করবে, সে তার অনুসরণকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) ছোয়াব থেকে কোন কিছু কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি বিভ্রান্তির দিকে আহ্বান করবে, সে তার অনুসরণ কারীদের সমপরিমাণ পাপের অধিকারী হবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) পাপের অংশ থেকে কোন কিছু কম করা হবে না।” (ইমাম মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি হেদায়াতের পথে আহবান করবে, সে তার অনুসরণকারীর সমপরিমাণ ছোয়াব লাভ করবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) ছোয়াব থেকে কোন কিছু কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি বিভ্রান্তির দিকে আহ্বান করবে, সে তার অনুসরণ কারীদের সমপরিমাণ পাপের অধিকারী হবে, অথচ তাদের (অনুসরণ কারীদের) পাপের অংশ থেকে কোন কিছু কম করা হবে না।” (ইমাম মুসলিম প্রমূখ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(صحيح) وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا. رواه مسلم وغيره
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৯
(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما
তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)
তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)
(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১১৯
(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما
তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)
তিনি আল্লাহর বাণীঃ (আরবি) “তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহরীমঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেনঃ “তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দান কর।” (হাকেম মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেছেন)
(صحيح موقوف) وعن علي رضي الله عنه في قوله تعالى قوا أنفسكم وأهليكم نارا. قال علموا أهليكم الخير. رواه الحاكم موقوفا وقال صحيح على شرطهما
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব > এলেম গোপন রাখার প্রতি ভীতি প্ৰদৰ্শনঃ
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২১
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এলেম গোপন করে রাখবে, আল্লাহ ক্বিয়ামত দিবসে তাকে আগুনের লাগাম পরাবেন।” (হাদীছটি ইবনে হিব্বান ও হাকেম বর্ণনা করেছেন) হাকেম বলেনঃ হাদীছটি ছহীহ তাতে কোন ক্ৰটি নেই।
(حسن صحيح) وعن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كتم علما ألجمه الله يوم القيامة بلجام من النار. رواه ابن حبان في صحيحه والحاكم وقال صحيح لا غبار عليه
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২২
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে তা আলোচনা করে না তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির সাথে যে সম্পদ গচ্ছিত করে রাখে কিন্তু তা থেকে খরচ করে না।” (ত্বাবরানী হাদীছটি বর্ণনা করেছেন)
(حسن صحيح) وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يتعلم العلم، ثم لا يحدث به، كمثل الذي يكنز الكنز، ثم لا ينفق منه. رواه الطبراني في الأوسط
সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব ১২০
(صحيح) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سئل عن علم فكتمه ألجم يوم القيامة بلجام من نار. رواه أبو داود والترمذي وحسنه وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والبيهقي ورواه الحاكم
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কেউ যদি কোন বিষয়ের ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়, আর সে তা গোপন রাখে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে তার মুখে আগুনের লাগাম পরানো হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, বায়হাক্বী এবং অনুরূপ বাক্যে হাকেম। হাকেম বলেনঃ হাদীছটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী ছহীহ, কিন্তু তাঁরা তা নিজেদের পুস্তকে উল্লেখ করেন নি।) ইবনে মাজাহর অপর বর্ণনায়ঃ مَا مِنْ رَجُلٍ يَحْفَظُ عِلْمًا فَيَكْتُمُهُ إِلَّا أَتَي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَلْجُوْمًا بِلِجَامٍ مِنْ النَّارِ “কোন মানুষ যদি কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে আর সে তা গোপন করে। তবে সে ক্বিয়ামত দিবসে আগুনের লাগাম পরানো অবস্থায় উপস্থিত হবে।"
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কেউ যদি কোন বিষয়ের ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়, আর সে তা গোপন রাখে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে তার মুখে আগুনের লাগাম পরানো হবে।” (হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, বায়হাক্বী এবং অনুরূপ বাক্যে হাকেম। হাকেম বলেনঃ হাদীছটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তনুযায়ী ছহীহ, কিন্তু তাঁরা তা নিজেদের পুস্তকে উল্লেখ করেন নি।) ইবনে মাজাহর অপর বর্ণনায়ঃ مَا مِنْ رَجُلٍ يَحْفَظُ عِلْمًا فَيَكْتُمُهُ إِلَّا أَتَي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَلْجُوْمًا بِلِجَامٍ مِنْ النَّارِ “কোন মানুষ যদি কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে আর সে তা গোপন করে। তবে সে ক্বিয়ামত দিবসে আগুনের লাগাম পরানো অবস্থায় উপস্থিত হবে।"
(صحيح) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سئل عن علم فكتمه ألجم يوم القيامة بلجام من نار. رواه أبو داود والترمذي وحسنه وابن ماجه وابن حبان في صحيحه والبيهقي ورواه الحاكم