সহিহ ফাযায়েলে আমল > মহিলাদের বাড়িতে সলাত আদায়ের ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৩

নবী (সাঃ) বলেছেন: কোন নারী তার বাড়ির সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে বসে যে সালাত আদায় করে, সেই সালাত আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।

নবী (সাঃ) বলেছেন: কোন নারী তার বাড়ির সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে বসে যে সালাত আদায় করে, সেই সালাত আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪২

একদা তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সাথে সালাত আদায় করতে ভালবাসি। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : আমি জানি যে, তুমি আমার সাথে সালাত আদায় করতে ভালোবাসো। কিন্তু (জেনে রেখো), তোমার ঘরে সালাত আদায় তোমার কক্ষে সালাত আদায়ের চাইতে উত্তম, তোমার কক্ষে সলাত আদায় তোমার বাড়িতে সলাত আদায় হতে উত্তম এবং তোমার বাড়িতে সালাত আদায় আমার এ মাসজিদে সালাত আদায় হতে উত্তম। অতঃপর ঐ মহিলার নির্দেশে তার বাড়ি থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গাতে একটি মাসজিদ নির্মাণ করা হলো। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি ঐ মাসজিদে সালাত আদায় করতেন।

একদা তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সাথে সালাত আদায় করতে ভালবাসি। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : আমি জানি যে, তুমি আমার সাথে সালাত আদায় করতে ভালোবাসো। কিন্তু (জেনে রেখো), তোমার ঘরে সালাত আদায় তোমার কক্ষে সালাত আদায়ের চাইতে উত্তম, তোমার কক্ষে সলাত আদায় তোমার বাড়িতে সলাত আদায় হতে উত্তম এবং তোমার বাড়িতে সালাত আদায় আমার এ মাসজিদে সালাত আদায় হতে উত্তম। অতঃপর ঐ মহিলার নির্দেশে তার বাড়ি থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গাতে একটি মাসজিদ নির্মাণ করা হলো। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি ঐ মাসজিদে সালাত আদায় করতেন।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৪

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : তোমরা তোমাদের নারীদেরকে মাসজিদে যেতে নিষেধ করবে না। অবশ্য তাদের ঘর তাদের জন্য উত্তম।

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : তোমরা তোমাদের নারীদেরকে মাসজিদে যেতে নিষেধ করবে না। অবশ্য তাদের ঘর তাদের জন্য উত্তম।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৫

অন্য বর্ণনায় রয়েছে : “মহিলারা পর্দার আড়ালে থাকার যোগ্য। সে যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন শয়তান তার উপর প্রবল হয়ে যায়।” (ত্বাবারানী আওসাত। এর রিজাল সহীহ রিজাল। শায়খ আলবানী বলেন : হাদীসটি সহীহ। সহীহ আত-তারগীব হা/৩৩৯, ৩৪১। হাদীসটি প্রমাণ করে, মহিলাদের বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাওয়া অপছন্দনীয়। তাদের জন্য বাড়িতে বসেই অনেক ‘ইবাদাত বন্দেগী করার সুযোগ রয়েছে)

অন্য বর্ণনায় রয়েছে : “মহিলারা পর্দার আড়ালে থাকার যোগ্য। সে যখন বাড়ি থেকে বের হয়, তখন শয়তান তার উপর প্রবল হয়ে যায়।” (ত্বাবারানী আওসাত। এর রিজাল সহীহ রিজাল। শায়খ আলবানী বলেন : হাদীসটি সহীহ। সহীহ আত-তারগীব হা/৩৩৯, ৩৪১। হাদীসটি প্রমাণ করে, মহিলাদের বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাওয়া অপছন্দনীয়। তাদের জন্য বাড়িতে বসেই অনেক ‘ইবাদাত বন্দেগী করার সুযোগ রয়েছে)


সহিহ ফাযায়েলে আমল > মাসজিদুল হারামে সলাত আদায়ের ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৬

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : মাসজিদুল হারামে সালাত আদায়ে অন্য যে কোন মাসজিদে সালাতের চেয়ে একলক্ষ গুণ বেশি ফাযীলাত রয়েছে।

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : মাসজিদুল হারামে সালাত আদায়ে অন্য যে কোন মাসজিদে সালাতের চেয়ে একলক্ষ গুণ বেশি ফাযীলাত রয়েছে।


সহিহ ফাযায়েলে আমল > মাসজিদে নাববীতে সলাত আদায়ের ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৭

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : আমার এই মাসজিদ (মাসজিদে নাববীতে) এক রাক’আত সালাত আদায় অন্য মাসজিদে এক হাজার রাক’আত সালাত আদায়ের চাইতেও উত্তম। কিন্তু মাসজিদুল হারাম ব্যতীত।

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : আমার এই মাসজিদ (মাসজিদে নাববীতে) এক রাক’আত সালাত আদায় অন্য মাসজিদে এক হাজার রাক’আত সালাত আদায়ের চাইতেও উত্তম। কিন্তু মাসজিদুল হারাম ব্যতীত।


সহিহ ফাযায়েলে আমল > বাইতুল মুকাদ্দাসে সলাত আদায়ের ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৯

নাবী (সাঃ) বলেছেন : তিনটি মাসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও (সাওয়াবের উদ্দেশে) সফর করা যাবে না। এ মাসজিদগুলো হলো : মাসজিদুল হারাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর মাসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা।

নাবী (সাঃ) বলেছেন : তিনটি মাসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও (সাওয়াবের উদ্দেশে) সফর করা যাবে না। এ মাসজিদগুলো হলো : মাসজিদুল হারাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর মাসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১৪৮

নবী (সাঃ) বলেছেন: সুলাইমান ইবনু দাঊদ বাইতুল মাকদিস মাসজিদের কাজ সম্পন্ন করে আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেন: আল্লাহর বিধানের অনুরূপ সুবিচার, এমন রাজত্ব যা তার পরে আর কাউকে দেয়া হবে না, এবং যে ব্যক্তি বাইতুল মুকাদ্দাসে শুধুমাত্র সলাত আদায়ের জন্য আসবে, সে তার গুনাহ্ হতে সদ্য প্রসূত সন্তানের মত নিস্পাপ অবস্থায় বের হবে। অতঃপর নাবী (সাঃ) বলেন: প্রথম দু’টি তাঁকে দেয়া হয়েছে। আর আমি আশা করি তৃতীয়টি আমাকে দান করা হবে।

নবী (সাঃ) বলেছেন: সুলাইমান ইবনু দাঊদ বাইতুল মাকদিস মাসজিদের কাজ সম্পন্ন করে আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেন: আল্লাহর বিধানের অনুরূপ সুবিচার, এমন রাজত্ব যা তার পরে আর কাউকে দেয়া হবে না, এবং যে ব্যক্তি বাইতুল মুকাদ্দাসে শুধুমাত্র সলাত আদায়ের জন্য আসবে, সে তার গুনাহ্ হতে সদ্য প্রসূত সন্তানের মত নিস্পাপ অবস্থায় বের হবে। অতঃপর নাবী (সাঃ) বলেন: প্রথম দু’টি তাঁকে দেয়া হয়েছে। আর আমি আশা করি তৃতীয়টি আমাকে দান করা হবে।


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00