সহিহ ফাযায়েলে আমল > সকাল সন্ধ্যায় মাসজিদে যাওয়ার ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২০

নাবী (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় সালাত আদায় করতে মাসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ্ তা’আলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারীর উপকরণ প্রস্তুত করেন।

নাবী (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় সালাত আদায় করতে মাসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ্ তা’আলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারীর উপকরণ প্রস্তুত করেন।


সহিহ ফাযায়েলে আমল > মাসজিদে লেগে থাকার ফাযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২১

নাবী (সাঃ) বলেছেন : আল্লাহ্ সাত শ্রেণীর লোককে ক্বিয়ামাতের দিন তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। যে দিন তাঁর ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না। (১) ন্যায়পরায়ণ শাসক, (২) যে যুবক আল্লাহর ‘ইবাদাতে রত থাকে, (৩) যার অন্তর মাসজিদের সাথে সম্পৃক্ত থাকে, (৪) এমন দু’ব্যক্তি যারা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পরস্পরকে ভালবাসে এবং আল্লাহর জন্য কেবল পরস্পরে ভালবাসায় মিলিত অথবা পৃথক হয়, (৫) ঐ ব্যক্তি, যাকে কোন সুন্দরী উচ্চ বংশীয় ভদ্র মহিলা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার জন্য নিজের দিকে আকৃষ্ট করে আর সে বলে, আমি আল্লাহর ‘আযাবকে ভয় করি, (৬) যে ব্যক্তি গোপনে সদাক্বাহ করে। এমন কি তার বাম হাত জানে না ডান হাত কি খরচ করছে, (৭) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহর স্মরণকালে তার দু'চোখ অশ্রুসিক্ত হয়।

নাবী (সাঃ) বলেছেন : আল্লাহ্ সাত শ্রেণীর লোককে ক্বিয়ামাতের দিন তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। যে দিন তাঁর ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না। (১) ন্যায়পরায়ণ শাসক, (২) যে যুবক আল্লাহর ‘ইবাদাতে রত থাকে, (৩) যার অন্তর মাসজিদের সাথে সম্পৃক্ত থাকে, (৪) এমন দু’ব্যক্তি যারা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পরস্পরকে ভালবাসে এবং আল্লাহর জন্য কেবল পরস্পরে ভালবাসায় মিলিত অথবা পৃথক হয়, (৫) ঐ ব্যক্তি, যাকে কোন সুন্দরী উচ্চ বংশীয় ভদ্র মহিলা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার জন্য নিজের দিকে আকৃষ্ট করে আর সে বলে, আমি আল্লাহর ‘আযাবকে ভয় করি, (৬) যে ব্যক্তি গোপনে সদাক্বাহ করে। এমন কি তার বাম হাত জানে না ডান হাত কি খরচ করছে, (৭) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহর স্মরণকালে তার দু'চোখ অশ্রুসিক্ত হয়।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২২

নাবী (সাঃ) বলেছেন : যতক্ষণ কোন মুসলিম ব্যক্তি মাসজিদে সলাত ও যিকিরে মশগুল থাকে,আল্লাহ্ তার প্রতি এরূপ সন্তোষ প্রকাশ করে থাকেন, যেরূপ প্রবাসী তার প্রবাস থেকে ফিরে এলে তার ঘরের লোকেরা তাকে পেয়ে খুশি হয়ে থাকে।৮৪

নাবী (সাঃ) বলেছেন : যতক্ষণ কোন মুসলিম ব্যক্তি মাসজিদে সলাত ও যিকিরে মশগুল থাকে,আল্লাহ্ তার প্রতি এরূপ সন্তোষ প্রকাশ করে থাকেন, যেরূপ প্রবাসী তার প্রবাস থেকে ফিরে এলে তার ঘরের লোকেরা তাকে পেয়ে খুশি হয়ে থাকে।৮৪


সহিহ ফাযায়েলে আমল > মাসজিদ ঝাড়– দেয়ার ফযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৩

একজন কালো বর্ণের পুরুষ অথবা কালো বর্ণের মহিলা মাসজিদ ঝাড়ু দিতো। অতঃপর সে মারা গেলো। কিন্তু নবী (সাঃ) তা জানতেন না। একদা নাবী (সাঃ) তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, তার খবর কি? সাহাবীগণ বলেন, সে মারা গেছে, হে আল্লাহর রাসূল! নবী (সাঃ) বললেন : তোমরা আমাকে খবর দিলে না কেন? তারা লোকটির কাহিনী বলে বললো, সে তো এরূপ এরূপ ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, তারা তাকে যেন খাটো করলো। আমাকে তার কবরটা দেখিয়ে দাও। অতঃপর তিনি (সাঃ) তার কবরের নিকট গেলেন এবং তার জানাযার সলাত আদায় করলেন।

একজন কালো বর্ণের পুরুষ অথবা কালো বর্ণের মহিলা মাসজিদ ঝাড়ু দিতো। অতঃপর সে মারা গেলো। কিন্তু নবী (সাঃ) তা জানতেন না। একদা নাবী (সাঃ) তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললেন, তার খবর কি? সাহাবীগণ বলেন, সে মারা গেছে, হে আল্লাহর রাসূল! নবী (সাঃ) বললেন : তোমরা আমাকে খবর দিলে না কেন? তারা লোকটির কাহিনী বলে বললো, সে তো এরূপ এরূপ ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, তারা তাকে যেন খাটো করলো। আমাকে তার কবরটা দেখিয়ে দাও। অতঃপর তিনি (সাঃ) তার কবরের নিকট গেলেন এবং তার জানাযার সলাত আদায় করলেন।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৪

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আদেশ করেছেন মহল্লায় মাসজিদ নির্মাণ ও মাসজিদকে পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধিময় করে রাখতে।

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আদেশ করেছেন মহল্লায় মাসজিদ নির্মাণ ও মাসজিদকে পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধিময় করে রাখতে।


সহিহ ফাযায়েলে আমল > মাসজিদে বসে থাকার ফযীলাত

সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৫

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাত আদায়রত ব্যক্তি হিসেবেই গণ্য হবে, যতক্ষণ সালাত (অর্থাৎ সলাতের অপেক্ষা) তাকে আটকে রাখবে। তাকে তো তার পরিবার পরিজনদের নিকট ফিরে যেতে কেবল সালাতই বারণ করছে।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাত আদায়রত ব্যক্তি হিসেবেই গণ্য হবে, যতক্ষণ সালাত (অর্থাৎ সলাতের অপেক্ষা) তাকে আটকে রাখবে। তাকে তো তার পরিবার পরিজনদের নিকট ফিরে যেতে কেবল সালাতই বারণ করছে।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৬

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কোন বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায়ের স্থানে (জায়নামাযে) সলাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত পুরো সময় সে সলাতেই থাকে। তার প্রত্যাবর্তন না করা অথবা উযূ টুটে না যাওয়া পর্যন্ত মালায়িকাহ্ (ফিরিশতারা) তার জন্য এই বলে দু’আ করতে থাকে : হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্! তার প্রতি রহম করুন।’ আমি বললাম, উযূ টুটে যাওয়ার অর্থ কী? তিনি বললেন। (পায়খানার রাস্তা দিয়ে) নিঃশব্দে অথবা সশব্দে বায়ু নির্গত হওয়া।

রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কোন বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায়ের স্থানে (জায়নামাযে) সলাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত পুরো সময় সে সলাতেই থাকে। তার প্রত্যাবর্তন না করা অথবা উযূ টুটে না যাওয়া পর্যন্ত মালায়িকাহ্ (ফিরিশতারা) তার জন্য এই বলে দু’আ করতে থাকে : হে আল্লাহ্! তাকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্! তার প্রতি রহম করুন।’ আমি বললাম, উযূ টুটে যাওয়ার অর্থ কী? তিনি বললেন। (পায়খানার রাস্তা দিয়ে) নিঃশব্দে অথবা সশব্দে বায়ু নির্গত হওয়া।


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৭

অন্য বর্ণনায় রয়েছে : সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) বলেন : “ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আমাদেরকে আদেশ করেছেন মহল্লায় মাসজিদ নির্মাণ করতে এবং আমাদেরকে আদেশ করেছেন মাসজিদ পরিচ্ছন্ন রাখতে।” (আহমাদ ও তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী বলেন : হাদীসটি সহীহ। শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)

অন্য বর্ণনায় রয়েছে : সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) বলেন : “ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আমাদেরকে আদেশ করেছেন মহল্লায় মাসজিদ নির্মাণ করতে এবং আমাদেরকে আদেশ করেছেন মাসজিদ পরিচ্ছন্ন রাখতে।” (আহমাদ ও তিরমিযী। ইমাম তিরমিযী বলেন : হাদীসটি সহীহ। শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)


সহিহ ফাযায়েলে আমল ১২৮

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কেউ কোন উদ্দেশ্যে মাসজিদে এলে, সে ঐ উদ্দেশ্য অনুপাতেই (প্রতিদান) পাবে।

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : কেউ কোন উদ্দেশ্যে মাসজিদে এলে, সে ঐ উদ্দেশ্য অনুপাতেই (প্রতিদান) পাবে।


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00