আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ গালের নিচে হাত রাখা।

আদাবুল মুফরাদ ১২২৭

حدثنا قبيصة بن عقبة قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام وضع يده تحت خده الأيمن، ويقول: «اللهم قني عذابك يوم تبعث عبادك» .

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে তিনি তাঁর হাত তাঁর ডান গালের নিচে রেখে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থান করবে সেদিন তোমার শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করো”। (তিরমিযী হা/৩৩৩৫, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ হা/৩৮৭৭)

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে তিনি তাঁর হাত তাঁর ডান গালের নিচে রেখে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থান করবে সেদিন তোমার শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করো”। (তিরমিযী হা/৩৩৩৫, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ হা/৩৮৭৭)

حدثنا قبيصة بن عقبة قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام وضع يده تحت خده الأيمن، ويقول: «اللهم قني عذابك يوم تبعث عبادك» .


আদাবুল মুফরাদ ১২২৮

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن عطاء، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خلتان لا يحصيهما رجل مسلم إلا دخل الجنة، وهما يسير، ومن يعمل بهما قليل» ، قيل: وما هما يا رسول الله؟ قال: «يكبر أحدكم في دبر كل صلاة عشرا، ويحمد عشرا، ويسبح عشرا، فذلك خمسون ومائة على اللسان، وألف وخمسمائة في الميزان» ، فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يعدهن بيده. «وإذا أوى إلى فراشه سبحه وحمده وكبره، فتلك مائة على اللسان، وألف في الميزان، فأيكم يعمل في اليوم والليلة ألفين وخمسمائة سيئة؟» قيل: يا رسول الله، كيف لا يحصيهما؟ قال: «يأتي أحدكم الشيطان في صلاته، فيذكره حاجة كذا وكذا، فلا يذكره»

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন মুসলমান ব্যক্তি দুইটি অভ্যাসে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। অভ্যাস দুটি আয়ত্ত করা খুবই সহজ। তবে খুব কম লোকই তদনুযায়ী আমল করে থাকে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই দুটি অভ্যাস কি কি? তিনি বলেনঃ প্রতি নামাযের পূর্বে তোমাদের কেউ দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ এবং দশবার সুবহানাল্লাহ বলবে। তাতে (পাঁচ ওয়াক্তে) মৌখিক উচ্চারণে এক শত পঞ্চাশবার এবং মীযানে দেড় হাজার বার হবে। আমি নবী (সাঃ)-কে (নামাযের পর) তার হাতে সেগুলো গুণে গুণে পড়তে দেখেছি। আবার সে শয্যা গ্রহণকালে সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়লে তা মৌখিক উচ্চারণে এক শতবার এবং মীযানে এক হাজারবার হবে। তোমাদের মধ্যে কে এক দিন ও এক রাতে দুই হাজার পাঁচ শত গুনাহে লিপ্ত হয়? (তাতে এতোগুলো পাপও ক্ষমাযোগ্য হয়)। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে কিভাবে এরূপ আমল না করে থাকতে পারে? তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ নামাযে রত থাকাকালে তার নিকট শয়তান এসে তাকে এই এই প্রয়োজনের কথা স্মরণ করাতে থাকে। অতএব সে যেন তা স্মরণ না করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন মুসলমান ব্যক্তি দুইটি অভ্যাসে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। অভ্যাস দুটি আয়ত্ত করা খুবই সহজ। তবে খুব কম লোকই তদনুযায়ী আমল করে থাকে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই দুটি অভ্যাস কি কি? তিনি বলেনঃ প্রতি নামাযের পূর্বে তোমাদের কেউ দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ এবং দশবার সুবহানাল্লাহ বলবে। তাতে (পাঁচ ওয়াক্তে) মৌখিক উচ্চারণে এক শত পঞ্চাশবার এবং মীযানে দেড় হাজার বার হবে। আমি নবী (সাঃ)-কে (নামাযের পর) তার হাতে সেগুলো গুণে গুণে পড়তে দেখেছি। আবার সে শয্যা গ্রহণকালে সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়লে তা মৌখিক উচ্চারণে এক শতবার এবং মীযানে এক হাজারবার হবে। তোমাদের মধ্যে কে এক দিন ও এক রাতে দুই হাজার পাঁচ শত গুনাহে লিপ্ত হয়? (তাতে এতোগুলো পাপও ক্ষমাযোগ্য হয়)। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে কিভাবে এরূপ আমল না করে থাকতে পারে? তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ নামাযে রত থাকাকালে তার নিকট শয়তান এসে তাকে এই এই প্রয়োজনের কথা স্মরণ করাতে থাকে। অতএব সে যেন তা স্মরণ না করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن عطاء، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خلتان لا يحصيهما رجل مسلم إلا دخل الجنة، وهما يسير، ومن يعمل بهما قليل» ، قيل: وما هما يا رسول الله؟ قال: «يكبر أحدكم في دبر كل صلاة عشرا، ويحمد عشرا، ويسبح عشرا، فذلك خمسون ومائة على اللسان، وألف وخمسمائة في الميزان» ، فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يعدهن بيده. «وإذا أوى إلى فراشه سبحه وحمده وكبره، فتلك مائة على اللسان، وألف في الميزان، فأيكم يعمل في اليوم والليلة ألفين وخمسمائة سيئة؟» قيل: يا رسول الله، كيف لا يحصيهما؟ قال: «يأتي أحدكم الشيطان في صلاته، فيذكره حاجة كذا وكذا، فلا يذكره»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ বিছানা থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে তা যেন ঝেড়ে নেয়।

আদাবুল মুফরাদ ১২২৯

حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله قال: حدثني سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه وليسم الله، فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل: سبحانك ربي، بك وضعت جنبي، وبك أرفعه، إن أمسكت نفسي فاغفر لها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين "

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার বিছানায় ঘুমাতে এলে সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা তার বিছানাটা ঝেড়ে নেয় এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে। কারণ সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। সে যখন বিছানায় শোবে তখন যেন তার ডান কাতে শোয় এবং বলে, “আমার প্রতিপালক মহাপবিত্র। তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমার নামে তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও তবে তাকে ক্ষমা করো। আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার হেফাজত করো, যেরূপ তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করে থাকো”।-(বুখারী, মুসলিম, দারিমী, ইবনে হিব্বান)

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার বিছানায় ঘুমাতে এলে সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা তার বিছানাটা ঝেড়ে নেয় এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে। কারণ সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। সে যখন বিছানায় শোবে তখন যেন তার ডান কাতে শোয় এবং বলে, “আমার প্রতিপালক মহাপবিত্র। তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমার নামে তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও তবে তাকে ক্ষমা করো। আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার হেফাজত করো, যেরূপ তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করে থাকো”।-(বুখারী, মুসলিম, দারিমী, ইবনে হিব্বান)

حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله قال: حدثني سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه وليسم الله، فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل: سبحانك ربي، بك وضعت جنبي، وبك أرفعه، إن أمسكت نفسي فاغفر لها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين "


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে যে দোয়া পড়বে।

আদাবুল মুফরাদ ১২৩০

حدثنا معاذ بن فضالة قال: حدثنا هشام الدستوائي، عن يحيى هو ابن أبي كثير، عن أبي سلمة قال: حدثني ربيعة بن كعب قال: كنت أبيت عند باب النبي صلى الله عليه وسلم فأعطيه وضوءه، قال: فأسمعه الهوي من الليل يقول: «سمع الله لمن حمده» ، وأسمعه الهوي من الليل يقول: «الحمد لله رب العالمين»

আমি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দ্বারদেশে রাত যাপন করতাম এবং তাঁর উযুর পানি সরবরাহ করতাম। আমি রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাকে বলতে শোনতাম, সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ (কেউ আল্লাহর প্রশংসা করলে তিনি তা শোনেন)। আমি আরো শোনতাম যে, তিনি দীর্ঘ রাত পর্যন্ত আলহামদু লিল্লাহ রব্বিল আলামীন (সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য) বলছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী হা/৩৩৫০)

আমি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দ্বারদেশে রাত যাপন করতাম এবং তাঁর উযুর পানি সরবরাহ করতাম। আমি রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাকে বলতে শোনতাম, সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ (কেউ আল্লাহর প্রশংসা করলে তিনি তা শোনেন)। আমি আরো শোনতাম যে, তিনি দীর্ঘ রাত পর্যন্ত আলহামদু লিল্লাহ রব্বিল আলামীন (সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য) বলছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী হা/৩৩৫০)

حدثنا معاذ بن فضالة قال: حدثنا هشام الدستوائي، عن يحيى هو ابن أبي كثير، عن أبي سلمة قال: حدثني ربيعة بن كعب قال: كنت أبيت عند باب النبي صلى الله عليه وسلم فأعطيه وضوءه، قال: فأسمعه الهوي من الليل يقول: «سمع الله لمن حمده» ، وأسمعه الهوي من الليل يقول: «الحمد لله رب العالمين»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ হাতে খাদ্যের চর্বি নিয়ে ঘুমালে।

আদাবুল মুফরাদ ১২৩১

حدثنا أحمد بن إشكاب قال: حدثنا محمد بن فضيل، عن ليث، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من نام وبيده غمر قبل أن يغسله، فأصابه شيء، فلا يلومن إلا نفسه»

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি খাদ্যের চর্বি হাত থেকে দূর না করে রাতে ঘুমালে এবং তাতে তার কোন ক্ষতি হলে সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে।

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি খাদ্যের চর্বি হাত থেকে দূর না করে রাতে ঘুমালে এবং তাতে তার কোন ক্ষতি হলে সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে।

حدثنا أحمد بن إشكاب قال: حدثنا محمد بن فضيل، عن ليث، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من نام وبيده غمر قبل أن يغسله، فأصابه شيء، فلا يلومن إلا نفسه»


আদাবুল মুফরাদ ১২৩২

حدثنا موسى قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من بات وبيده غمر، فأصابه شيء، فلا يلومن إلا نفسه»

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি খাদ্যের চর্বি হাত থেকে দূর না করে ঘুমালে এবং তাতে তার কোন ক্ষতি হলে সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, দারিমী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, নাসাঈ)

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি খাদ্যের চর্বি হাত থেকে দূর না করে ঘুমালে এবং তাতে তার কোন ক্ষতি হলে সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, দারিমী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, নাসাঈ)

حدثنا موسى قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من بات وبيده غمر، فأصابه شيء، فلا يلومن إلا نفسه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00